নতুন আইফোন বাজারে এলেই প্রযুক্তিপ্রেমীদের মধ্যে শুরু হয় নানা রকম আলোচনা। দাম বেশি হলে সেই আলোচনা আরও জমে ওঠে। এবার আইফোন ১৮ নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে এমনই নানা মজার পোস্ট। তার মধ্যে সবচেয়ে নজরকাড়া হলো ‘আইফোন কিনতে কিডনি বিক্রি’ ধরনের ছবি।
ভাইরাল হওয়া এসব ছবিতে দেখা যাচ্ছে, কেউ হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে হাতে ধরে আছেন আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স। আবার কোনো ছবিতে অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতালেই নতুন আইফোন হাতে হাসিমুখে সেলফি তুলছেন কেউ। ছবিগুলো দেখে মনে হতে পারে, সত্যিই বুঝি দামি ফোন কেনার জন্য কিডনি বিক্রি করেছেন তিনি!
আসলে বিষয়টি মোটেই এমন নয়। এগুলো মূলত মজা করে তৈরি করা এআই-জেনারেটেড ছবি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে সাধারণ একটি ছবি এডিট করে সেখানে হাসপাতাল, ব্যান্ডেজ এবং নতুন আইফোনের মতো নানা উপাদান যোগ করা হচ্ছে। চাইলে আপনিও নিজের ছবি ব্যবহার করে এমন মজার ছবি তৈরি করতে পারেন।
আপনার ছবিকে হাসপাতালের পোস্ট-সার্জারি দৃশ্যে বদলে দিতে নিচের প্রম্পটটি ব্যবহার করতে পারেন। শুধু ছবিটি আপলোড করে নির্দেশনাটি দিন।
Prompt:
Transform the uploaded photo into a highly realistic photograph of the same person or people recovering in a modern hospital room after a fictional surgery. Keep their original facial features, identity, hairstyle, skin tone, body proportions and overall appearance clearly recognisable. If the uploaded photo contains two people, keep both people in the scene naturally. Place the person or people on or beside a hospital bed, with realistic hospital clothing, large abdominal bandages and hospital wristbands. Add an IV stand, medical equipment, white bedding and soft clinical lighting. The person or people should be proudly holding exactly one iPhone 18 Pro Max towards the camera, making the phone the clear focus of the photograph. Do not create any additional phones. Make the scene look like a convincing social media photograph with a humorous, exaggerated feel. No blood, open wounds or graphic medical details.
হাসপাতালে চিকিৎসার পর নতুন আইফোন হাতে নিয়ে সেলফি তোলার মতো ছবি বানাতে চাইলে এই নির্দেশনাটি কাজে লাগবে।
Prompt:
Edit the uploaded photograph into a highly realistic post-surgery hospital selfie while keeping the same person or people completely recognisable. Preserve their faces, hairstyles, skin tones, expressions and general appearance from the original image. Change the setting into a realistic hospital recovery room and add abdominal bandages, hospital wristbands and subtle medical equipment. The person or people should be proudly showing exactly one iPhone 18 Pro to the camera, as if the new phone is the most important thing about their recovery. If there are two people in the original photograph, keep both of them naturally positioned together while showing only one iPhone 18 Pro in the entire image. Make it look like a casual photograph taken on a phone, with realistic lighting, reflections, hands and proportions. Keep the medical elements non-graphic.
আরও একটু সিনেমাটিক বা ভাইরাল পোস্টের মতো ছবি চাইলে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসার দৃশ্য তৈরি করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে ব্যবহার করুন এই প্রম্পট-
Prompt:
Transform the uploaded photograph into a highly realistic photograph of the same person or people leaving a modern hospital after a fictional surgery. Preserve their original identity, facial features, hairstyles, skin tones and natural appearance. Keep one or both people depending on the uploaded photograph. Place them in a hospital corridor or near the entrance, with realistic glass doors, reception areas and subtle medical surroundings. Add visible abdominal bandages and hospital wristbands. Have the person or people proudly display exactly one iPhone 18 Pro Max towards the camera, with the phone clearly visible and treated as the centre of attention. Do not add any second phone. Make the scene look like a candid viral social media photograph, with natural lighting and realistic proportions. Keep all medical details non-graphic
এবার যদি আরও মজার কনসেপ্ট চান, তাহলে হাসপাতাল থেকে সোজা অ্যাপল স্টোরে গিয়ে নতুন আইফোন কেনার দৃশ্যও তৈরি করতে পারেন। এর জন্য এই প্রম্পটটি ব্যবহার করু-
Prompt:
Edit the uploaded photo into a highly realistic photograph inside an Apple Store. Keep the same person or people from the original photograph clearly recognisable, preserving their facial features, hairstyles, skin tones and general appearance. If the original photo has two people, keep both naturally together. Give the person or people visible abdominal bandages and a hospital wristband, as though they have just come from a fictional surgery. Place them inside a realistic Apple Store with wooden display tables, iPhone displays, bright store lighting and softly blurred customers in the background. The person or people should proudly hold exactly one iPhone 18 Pro after buying it. Make sure there is only one iPhone visible in their hands and no additional phones elsewhere in the scene. The contrast between the hospital bandages and excitement over the iPhone 18 Pro should create the humour. Keep the image photorealistic and non-graphic.

শুধু এই চার ধরনের ছবিতেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে না। আপনার পছন্দের যে কোনো ছবি আপলোড করে এআইকে স্পষ্টভাবে জানাতে পারেন, ছবিতে কী পরিবর্তন চান। যেমন-কোথায় দৃশ্যটি হবে, কী পোশাক থাকবে, হাতে কী থাকবে, আলো কেমন হবে কিংবা ছবিটি বাস্তবধর্মী না মজার ধরনের হবে।
তবে প্রম্পটে যত নির্দিষ্টভাবে নির্দেশ দেওয়া যায়, ফলাফল সাধারণত তত বেশি কাঙ্ক্ষিত হয়। বিশেষ করে নিজের ছবি ব্যবহার করলে মুখের পরিচয়, চেহারার বৈশিষ্ট্য এবং ছবির মূল ব্যক্তিকে অপরিবর্তিত রাখার নির্দেশ দিলে ফল আরও ভালো হতে পারে।
এ ধরনের ছবি মূলত বিনোদন ও মজার কনটেন্ট তৈরির জন্য। তাই হাসপাতাল বা অস্ত্রোপচারের মতো দৃশ্য তৈরি করলে সেটি যে কল্পিত বা এআই দিয়ে তৈরি প্রয়োজনে পোস্টে তা স্পষ্ট করে দেওয়া ভালো। এতে বাস্তব ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরির সম্ভাবনাও কমবে।
কেএসকে
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
নতুন আইফোন বাজারে এলেই প্রযুক্তিপ্রেমীদের মধ্যে শুরু হয় নানা রকম আলোচনা। দাম বেশি হলে সেই আলোচনা আরও জমে ওঠে। এবার আইফোন ১৮ নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে এমনই নানা মজার পোস্ট। তার মধ্যে সবচেয়ে নজরকাড়া হলো ‘আইফোন কিনতে কিডনি বিক্রি’ ধরনের ছবি। ভাইরাল হওয়া এসব ছবিতে দেখা যাচ্ছে, কেউ হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে হাতে ধরে আছেন আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স। আবার কোনো ছবিতে অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতালেই নতুন আইফোন হাতে হাসিমুখে সেলফি তুলছেন কেউ। ছবিগুলো দেখে মনে হতে পারে, সত্যিই বুঝি দামি ফোন কেনার জন্য কিডনি বিক্রি করেছেন তিনি! আসলে বিষয়টি মোটেই এমন নয়। এগুলো মূলত মজা করে তৈরি করা এআই-জেনারেটেড ছবি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে সাধারণ একটি ছবি এডিট করে সেখানে হাসপাতাল, ব্যান্ডেজ এবং নতুন আইফোনের মতো নানা উপাদান যোগ করা হচ্ছে। চাইলে আপনিও নিজের ছবি ব্যবহার করে এমন মজার ছবি তৈরি করতে পারেন। আরও পড়ুন একটি ছবি বানাতে এআই কতখানি পানি খরচ করে জানেন? হাসপাতালের বেডে আইফোন হাতে ছবি আপনার ছবিকে হাসপাতালের পোস্ট-সার্জারি দৃশ্যে বদলে দিতে নিচের প্রম্পটটি ব্যবহার করতে পারেন। শুধু ছবিটি আপলোড করে নির্দেশনাটি দিন। Prompt: Transform the uploaded photo into a highly realistic photograph of the same person or people recovering in a modern hospital room after a fictional surgery. Keep their original facial features, identity, hairstyle, skin tone, body proportions and overall appearance clearly recognisable. If the uploaded photo contains two people, keep both people in the scene naturally. Place the person or people on or beside a hospital bed, with realistic hospital clothing, large abdominal bandages and hospital wristbands. Add an IV stand, medical equipment, white bedding and soft clinical lighting. The person or people should be proudly holding exactly one iPhone 18 Pro Max towards the camera, making the phone the clear focus of the photograph. Do not create any additional phones. Make the scene look like a convincing social media photograph with a humorous, exaggerated feel. No blood, open wounds or graphic medical details. অস্ত্রোপচারের পর আইফোন হাতে সেলফি হাসপাতালে চিকিৎসার পর নতুন আইফোন হাতে নিয়ে সেলফি তোলার মতো ছবি বানাতে চাইলে এই নির্দেশনাটি কাজে লাগবে। Prompt: Edit the uploaded photograph into a highly realistic post-surgery hospital selfie while keeping the same person or people completely recognisable. Preserve their faces, hairstyles, skin tones, expressions and general appearance from the original image. Change the setting into a realistic hospital recovery room and add abdominal bandages, hospital wristbands and subtle medical equipment. The person or people should be proudly showing exactly one iPhone 18 Pro to the camera, as if the new phone is the most important thing about their recovery. If there are two people in the original photograph, keep both of them naturally positioned together while showing only one iPhone 18 Pro in the entire image. Make it look like a casual photograph taken on a phone, with realistic lighting, reflections, hands and proportions. Keep the medical elements non-graphic. আরও পড়ুন একটি ছবি বানাতে এআই কতখানি পানি খরচ করে জানেন? হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে হাতে আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স আরও একটু সিনেমাটিক বা ভাইরাল পোস্টের মতো ছবি চাইলে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসার দৃশ্য তৈরি করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে ব্যবহার করুন এই প্রম্পট-Prompt: Transform the uploaded photograph into a highly realistic photograph of the same person or people leaving a modern hospital after a fictional surgery. Preserve their original identity, facial features, hairstyles, skin tones and natural appearance. Keep one or both people depending on the uploaded photograph. Place them in a hospital corridor or near the entrance, with realistic glass doors, reception areas and subtle medical surroundings. Add visible abdominal bandages and hospital wristbands. Have the person or people proudly display exactly one iPhone 18 Pro Max towards the camera, with the phone clearly visible and treated as the centre of attention. Do not add any second phone. Make the scene look like a candid viral social media photograph, with natural lighting and realistic proportions. Keep all medical details non-graphic ব্যান্ডেজ নিয়েই অ্যাপল স্টোরে হাজির এবার যদি আরও মজার কনসেপ্ট চান, তাহলে হাসপাতাল থেকে সোজা অ্যাপল স্টোরে গিয়ে নতুন আইফোন কেনার দৃশ্যও তৈরি করতে পারেন। এর জন্য এই প্রম্পটটি ব্যবহার করু- Prompt: Edit the uploaded photo into a highly realistic photograph inside an Apple Store. Keep the same person or people from the original photograph clearly recognisable, preserving their facial features, hairstyles, skin tones and general appearance. If the original photo has two people, keep both naturally together. Give the person or people visible abdominal bandages and a hospital wristband, as though they have just come from a fictional surgery. Place them inside a realistic Apple Store with wooden display tables, iPhone displays, bright store lighting and softly blurred customers in the background. The person or people should proudly hold exactly one iPhone 18 Pro after buying it. Make sure there is only one iPhone visible in their hands and no additional phones elsewhere in the scene. The contrast between the hospital bandages and excitement over the iPhone 18 Pro should create the humour. Keep the image photorealistic and non-graphic. আরও পড়ুন ভ্লগিংয়ের জন্য সেরা ৫ ক্যামেরা নিজের মতো ছবিও বানাতে পারবেন শুধু এই চার ধরনের ছবিতেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে না। আপনার পছন্দের যে কোনো ছবি আপলোড করে এআইকে স্পষ্টভাবে জানাতে পারেন, ছবিতে কী পরিবর্তন চান। যেমন-কোথায় দৃশ্যটি হবে, কী পোশাক থাকবে, হাতে কী থাকবে, আলো কেমন হবে কিংবা ছবিটি বাস্তবধর্মী না মজার ধরনের হবে। তবে প্রম্পটে যত নির্দিষ্টভাবে নির্দেশ দেওয়া যায়, ফলাফল সাধারণত তত বেশি কাঙ্ক্ষিত হয়। বিশেষ করে নিজের ছবি ব্যবহার করলে মুখের পরিচয়, চেহারার বৈশিষ্ট্য এবং ছবির মূল ব্যক্তিকে অপরিবর্তিত রাখার নির্দেশ দিলে ফল আরও ভালো হতে পারে। এ ধরনের ছবি মূলত বিনোদন ও মজার কনটেন্ট তৈরির জন্য। তাই হাসপাতাল বা অস্ত্রোপচারের মতো দৃশ্য তৈরি করলে সেটি যে কল্পিত বা এআই দিয়ে তৈরি প্রয়োজনে পোস্টে তা স্পষ্ট করে দেওয়া ভালো। এতে বাস্তব ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরির সম্ভাবনাও কমবে। কেএসকে
টালিউড সুন্দরীদের মধ্যে ঋতাভরী চক্রবর্তীর আলাদা নামডাক আছে। জিরো ফিগারের প্রচলিত ধারণাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিজের ছন্দেই হাজির হন এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি এক ফটোশুটে এমনই এক গ্ল্যামারাস ও বোল্ড লুকে ধরা দিয়েছেন তিনি । রইল বিস্তারিত...ফ্যাশন নিয়ে বরাবরই এক্সপেরিমেন্ট করতে ভালোবাসেন টালিউড ডিভা ঋতাভরী চক্রবর্তী। সম্প্রতি এক ফটোশুটে ব্রাউন লেদার সোফায় বসে ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছেন তিনি। তাঁর পরনে ছিল ডিপ অলিভ গ্রিন বা জলপাই রঙের স্যাটিন গাউন। ফ্লোর ছোঁয়া এই গাউনটির নকশায় ফুটে উঠেছে বোল্ডনেসের ছোঁয়া। থাই-হাই স্লিট লুকটিতে যোগ করেছে বাড়তি আবেদনময়তা। স্ট্র্যাপ লেস ডিজাইন আর বডিস জুড়ে সূক্ষ্ম সোনালি এমবেলিশমেন্টের কারুকাজ এনেছে রাজকীয় আবহ।লুকের গ্ল্যামার আরও বাড়িয়েছে ঋতাভরীর মেকআপ। লেন্স পরা চোখে গাঢ় স্মোকি কাজল, শিমারি মেটালিক আইশ্যাডো ও ড্রামাটিক আইল্যাশ। গালে উষ্ণ পিচ শেডের ব্লাশ আর ঠোঁটে গ্লসি ব্রাউন-ন্যুড লিপস্টিক। সব মিলিয়ে মেকআপে ছিল সফট গ্ল্যামের সঙ্গে চোখে পড়ার মতো আবেদন।জুয়েলারিতেও আভিজাত্য ধরে রেখেছেন অভিনেত্রী। কানে শোভা বাড়িয়েছে জমকালো গোল্ডেন ড্রপ ইয়াররিংস। হাতে মেটালিক স্টেটমেন্ট ব্রেসলেট ও আংটি। আর নখের উজ্জ্বল লাল নেলপালিশ পুরো লুকের নিউট্রাল টোনে এনেছে দারুণ বৈচিত্র্য। এই বোল্ড লুকের সঙ্গে খোলা চুলই বেছে নিয়েছেন ঋতাভরী। ওয়েভি ও ভলিউমিনাস চুলগুলো বাতাসে আলতো করে উড়ছিল। সবশেষে সুন্দরী বেছে নিয়েছেন, কালো পয়েন্টেড-টো হাই-হিল মিউলস। সব মিলিয়ে ঋতাভরীর এই লুক ছিল একই সঙ্গে সাহসী, আবেদনময় ও রাজকীয়।
দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন সংগীতশিল্পী সামিনা চৌধুরী। মঞ্চ, টেলিভিশন কিংবা চলচ্চিত্র-বিভিন্ন মাধ্যমে গান গেয়ে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন তিনি। এবার গানের পাশাপাশি নতুন এক পরিচয়ে আসছেন এই গুণী শিল্পী। নতুন প্রজন্মকে গান শেখাতে গড়ে তুলছেন নিজের সংগীত একাডেমি। সামিনা চৌধুরীর এই উদ্যোগের নাম ‘সামিনাস একাডেমি অব মিউজিক (এসএএম)’। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি বছরই আনুষ্ঠানিকভাবে একাডেমিটির কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে সামিনা চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই অনেকেই তাকে গান শেখানোর অনুরোধ করে আসছেন। তার স্বামী ও অনুষ্ঠান প্রযোজক ইজাজ খান স্বপনও নিয়মিত তাকে একটি সংগীত একাডেমি প্রতিষ্ঠার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন। সেই ভাবনা থেকেই এবার নিজের একাডেমি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার কথা রয়েছে সামিনা চৌধুরীর। সেখানে প্রায় দুই মাস অবস্থান করবেন তিনি। দেশে ফিরে একাডেমির আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করে আনুষ্ঠানিকভাবে এর ঘোষণা দেবেন। আরও পড়ুন জেমসের সঙ্গে দেখা হতেই পা ছুঁয়ে সালাম রূপমের একাডেমির কার্যক্রমের বড় অংশই অনলাইনে পরিচালিত হবে। ফলে বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের আগ্রহীরা এখানে গান শেখার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে সরাসরি শেখার ব্যবস্থাও রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে অনলাইনে গান শেখার অসংখ্য ভিডিও ও টিউটোরিয়াল পাওয়া যায়। তবে শুধু ভিডিও দেখে ভালোভাবে গান শেখা সম্ভব নয় বলে মনে করেন সামিনা। তার মতে, একজন অভিজ্ঞ শিল্পীর নিয়মিত দিকনির্দেশনা, ভুল শুধরে দেওয়া এবং শিক্ষার্থীর কণ্ঠ অনুযায়ী অনুশীলনের সুযোগ থাকা জরুরি। শুরুতে একাডেমিতে গানের মৌলিক বিষয়গুলো শেখানো হবে। এর মধ্যে থাকবে কণ্ঠের সঠিক ব্যবহার, সুর-তাল, উচ্চারণ, গানের আবেগ ও পরিবেশনার বিভিন্ন দিক। ধীরে ধীরে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী পাঠের পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। গানের পরিবেশেই বেড়ে উঠেছেন সামিনা চৌধুরী। কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী মাহমুদুন্নবীর মেয়ে হিসেবে ছোটবেলা থেকেই বাবার কাছ থেকে সংগীতের প্রথম পাঠ নিয়েছেন তিনি। পরবর্তী সময়ে নিজের স্বতন্ত্র কণ্ঠ ও গায়কির মাধ্যমে তৈরি করেছেন আলাদা পরিচয়। আরও পড়ুন রুমি কারিমকে ঘিরে জয়ের মন্তব্য, বললেন ‘হিরো আলমই ভালো ছিল’ এর আগে বাবার স্মৃতি ধরে একটি সংগীত প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছিলেন সামিনা। এবার সেই ভাবনাই নতুন আকারে বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছেন তিনি। তবে একাডেমিটি শুধু নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান নয়, নিয়মিত সংগীত শেখা ও চর্চার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে চান এই শিল্পী। অন্যদিকে নিজের সংগীতচর্চাও চালিয়ে যাচ্ছেন সামিনা চৌধুরী। নিয়মিত নতুন গান প্রকাশের পাশাপাশি সম্প্রতি আরও একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। ফারুক আনোয়ারের কথায় গানটির সুর করেছেন সম্রাট আহমেদ। এরই মধ্যে গানটির রেকর্ডিং শেষ হয়েছে। নতুন গানটি প্রসঙ্গে সামিনা বলেন, ‘যারা যেতে চায়, তাদের চলে যেতে দাও, তারা তোমার না’—এই কথাগুলো তার ভালো লেগেছে। গানের সুরও পছন্দ হয়েছে তার। শ্রোতাদের কাছেও গানটি ভালো লাগবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। এবার সংগীতশিল্পী হিসেবে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চান সামিনা চৌধুরী। সেই লক্ষ্যেই নিজের একাডেমির মাধ্যমে শুরু হতে যাচ্ছে তার নতুন পথচলা। এমএমএফ