বিনোদন

নতুন পরিচয়ে আসছেন সামিনা চৌধুরী

হোসেন মাঝি সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
নতুন পরিচয়ে আসছেন সামিনা চৌধুরী
নতুন পরিচয়ে আসছেন সামিনা চৌধুরী

দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন সংগীতশিল্পী সামিনা চৌধুরী। মঞ্চ, টেলিভিশন কিংবা চলচ্চিত্র-বিভিন্ন মাধ্যমে গান গেয়ে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন তিনি। এবার গানের পাশাপাশি নতুন এক পরিচয়ে আসছেন এই গুণী শিল্পী। নতুন প্রজন্মকে গান শেখাতে গড়ে তুলছেন নিজের সংগীত একাডেমি।

সামিনা চৌধুরীর এই উদ্যোগের নাম ‘সামিনাস একাডেমি অব মিউজিক (এসএএম)’। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি বছরই আনুষ্ঠানিকভাবে একাডেমিটির কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে সামিনা চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই অনেকেই তাকে গান শেখানোর অনুরোধ করে আসছেন। তার স্বামী ও অনুষ্ঠান প্রযোজক ইজাজ খান স্বপনও নিয়মিত তাকে একটি সংগীত একাডেমি প্রতিষ্ঠার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন। সেই ভাবনা থেকেই এবার নিজের একাডেমি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

আগামী ২২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার কথা রয়েছে সামিনা চৌধুরীর। সেখানে প্রায় দুই মাস অবস্থান করবেন তিনি। দেশে ফিরে একাডেমির আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করে আনুষ্ঠানিকভাবে এর ঘোষণা দেবেন।

আরও পড়ুন

জেমসের সঙ্গে দেখা হতেই পা ছুঁয়ে সালাম রূপমের

একাডেমির কার্যক্রমের বড় অংশই অনলাইনে পরিচালিত হবে। ফলে বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের আগ্রহীরা এখানে গান শেখার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে সরাসরি শেখার ব্যবস্থাও রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

বর্তমানে অনলাইনে গান শেখার অসংখ্য ভিডিও ও টিউটোরিয়াল পাওয়া যায়। তবে শুধু ভিডিও দেখে ভালোভাবে গান শেখা সম্ভব নয় বলে মনে করেন সামিনা। তার মতে, একজন অভিজ্ঞ শিল্পীর নিয়মিত দিকনির্দেশনা, ভুল শুধরে দেওয়া এবং শিক্ষার্থীর কণ্ঠ অনুযায়ী অনুশীলনের সুযোগ থাকা জরুরি।

শুরুতে একাডেমিতে গানের মৌলিক বিষয়গুলো শেখানো হবে। এর মধ্যে থাকবে কণ্ঠের সঠিক ব্যবহার, সুর-তাল, উচ্চারণ, গানের আবেগ ও পরিবেশনার বিভিন্ন দিক। ধীরে ধীরে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী পাঠের পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

গানের পরিবেশেই বেড়ে উঠেছেন সামিনা চৌধুরী। কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী মাহমুদুন্নবীর মেয়ে হিসেবে ছোটবেলা থেকেই বাবার কাছ থেকে সংগীতের প্রথম পাঠ নিয়েছেন তিনি। পরবর্তী সময়ে নিজের স্বতন্ত্র কণ্ঠ ও গায়কির মাধ্যমে তৈরি করেছেন আলাদা পরিচয়।

আরও পড়ুন

রুমি কারিমকে ঘিরে জয়ের মন্তব্য, বললেন ‘হিরো আলমই ভালো ছিল’

এর আগে বাবার স্মৃতি ধরে একটি সংগীত প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছিলেন সামিনা। এবার সেই ভাবনাই নতুন আকারে বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছেন তিনি। তবে একাডেমিটি শুধু নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান নয়, নিয়মিত সংগীত শেখা ও চর্চার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে চান এই শিল্পী।

অন্যদিকে নিজের সংগীতচর্চাও চালিয়ে যাচ্ছেন সামিনা চৌধুরী। নিয়মিত নতুন গান প্রকাশের পাশাপাশি সম্প্রতি আরও একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। ফারুক আনোয়ারের কথায় গানটির সুর করেছেন সম্রাট আহমেদ। এরই মধ্যে গানটির রেকর্ডিং শেষ হয়েছে।

নতুন গানটি প্রসঙ্গে সামিনা বলেন, ‘যারা যেতে চায়, তাদের চলে যেতে দাও, তারা তোমার না’—এই কথাগুলো তার ভালো লেগেছে। গানের সুরও পছন্দ হয়েছে তার। শ্রোতাদের কাছেও গানটি ভালো লাগবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

এবার সংগীতশিল্পী হিসেবে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চান সামিনা চৌধুরী। সেই লক্ষ্যেই নিজের একাডেমির মাধ্যমে শুরু হতে যাচ্ছে তার নতুন পথচলা।

এমএমএফ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

বিনোদন

View more
ঐশ্বরিয়ার জানা-অজানা ছয় অধ্যায়
ঐশ্বরিয়ার জানা-অজানা ছয় অধ্যায়

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর নারীদের একজন হিসেবে মনে করা হয় তাকে।

D HASAN নভেম্বর ১, ২০২৬ 0
মাধুরীর তারকাখ্যাতিকে ভয় পান তার স্বামী?

মাধুরীর তারকাখ্যাতিকে ভয় পান তার স্বামী?

শিখরের সঙ্গে বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন জাহ্নবী

শিখরের সঙ্গে বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন জাহ্নবী

সমু চৌধুরীর চিকিৎসার উদ্যোগ নিয়েছে অভিনয়শিল্পী সংঘ

সমু চৌধুরীর চিকিৎসার উদ্যোগ নিয়েছে অভিনয়শিল্পী সংঘ

কোথায় হারালেন ‘গজনি’ সিনেমার অসিন?
কোথায় হারালেন ‘গজনি’ সিনেমার অসিন?

ভারতীয় সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অসিন। তামিল ও তেলুগু সিনেমায় নিজের অবস্থান তৈরি করার পর হিন্দি সিনেমায় পা রাখেন।

D HASAN অক্টোবর ২৬, ২০২৬ 0
সমাজ, বাবা-মা-বোন ও স্বস্তিকার ৪৫ পূজার গল্প

সমাজ, বাবা-মা-বোন ও স্বস্তিকার ৪৫ পূজার গল্প

৯৯৯ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করলেন অভিনেতা সুজাত শিমুল

৯৯৯ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করলেন অভিনেতা সুজাত শিমুল

বিমানে করে আমার জন্য একজন শিউলি ফুল পাঠিয়েছেন: পরীমণি

বিমানে করে আমার জন্য একজন শিউলি ফুল পাঠিয়েছেন: পরীমণি

0 Comments