জাতীয়

ওয়েস্টিন, হাঁস ও খাসি: ১১ হাজার কোটি টাকা আসলে কত টাকা

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
ওয়েস্টিন, হাঁস ও খাসি: ১১ হাজার কোটি টাকা আসলে কত টাকা
ওয়েস্টিন, হাঁস ও খাসি: ১১ হাজার কোটি টাকা আসলে কত টাকা

১১ হাজার কোটি টাকা মানে ১,১০,০০,০০,০০,০০০ টাকা।

অর্থাৎ ১১০ বিলিয়ন টাকা।

আজকের রেটে প্রায় ৮৯ কোটি ডলার।

ধামা দিয়ে মাপা হয় না। ওজনও করা হয় না। টাকা গণনা হয় নোটের সংখ্যা দিয়ে।

১০০০ টাকার নোট ধরলে লাগবে ১১ কোটিখানা নোট।

একটা ট্রাকেও ধরে না। দুইটা ট্রাকেও না।

এত নোট একসঙ্গে দেখলে মনে হবে—এটা টাকা নয়, কোনো নদীর চর।

এবার হিসাবটা গ্রামে নামিয়ে আনা যাক।

একটা ভালো খাসি আজকাল ২০ হাজার টাকার কমে হয় না।

১১ হাজার কোটি টাকায় কিনতে পারবেন ৫৫ লাখ খাসি।

৫৫ লাখ খাসি একসঙ্গে দাঁড় করালে সারা বাংলাদেশের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে।

ঈদের আগে খাসি ব্যবসায়ীরা স্বপ্নেও এমন হিসাব দেখে না।

এত খাসি জবাই করলে দেশে এক সপ্তাহ মাংসের গন্ধ ছাড়া অন্য কিছু পাওয়া যাবে না।

আর যদি সব খাসি বেঁচে থাকে, তাহলে তারা নিজেরাই একটা নতুন রাজনৈতিক দল খুলে ফেলতে পারে।

এবার হাঁসের মাংস।

এক প্লেট হাঁসের মাংস ধরা যাক ৪০০ টাকা।

১১ হাজার কোটি টাকায় হবে ২৭ কোটি ৫০ লাখ প্লেট হাঁসের মাংস।

২৭ কোটি প্লেট মানে, ঢাকার সব রেস্তোরাঁ একসঙ্গে এক মাস ধরে শুধু হাঁস রান্না করলেও শেষ হবে না।

হাঁসগুলো শুনলে নিশ্চয়ই পটল তুলবে।

কারণ, এত হাঁস বাংলাদেশে নেই। পৃথিবীতেও নেই।

হয়তো চাঁদে পাঠাতে হবে হাঁস চাষের জন্য।

এক প্লেট কাচ্চি বিরিয়ানি ৮০০ টাকা ধরলে হবে প্রায় ১৩ কোটি ৭৫ লাখ প্লেট।

পুরান ঢাকার সব কাচ্চির দোকান একসঙ্গে খুললেও এই অর্ডার নিতে পারবে না।

দোকানদাররা বলবে, স্যার, আপনি কি পুরো ঢাকা শহরকেই খাওয়াতে চান?

একটা সাধারণ ফ্ল্যাট ঢাকায় ১ কোটি টাকা ধরলে হবে ১১ হাজার ফ্ল্যাট।

১১ হাজার ফ্ল্যাট মানে একটা ছোট শহর।

নাম দেওয়া যায়—পাচারনগর।

এবার একটু শহরে ওঠা যাক।

ওয়েস্টিনের ডিনার ধরা যাক জনপ্রতি ৯ হাজার টাকা।

১১ হাজার কোটি টাকায় ডিনার করা যাবে ১ কোটি ২২ লাখ বার।

অর্থাৎ একজন মানুষ যদি প্রতিদিন ওয়েস্টিনে খান, তাহলে লাগবে ৩৭৪ হাজার বছর।

ডায়নোসরের আমল থেকে আজ পর্যন্ত ইতিহাস শেষ হয়ে যাবে, তবু ডিনার শেষ হবে না।

হোটেলের ম্যানেজার শুনলে বলবেন, স্যার, টেবিল খালি নেই।

আসলে টেবিল খালি নেই না। পৃথিবীতে এত দিন নেই।

১ কোটি ২২ লাখ বার চামচ তুললে হাত ব্যথা করবে।

পেট ফেটে যাবে।

শেফ পালিয়ে যাবে।

লিফটও হাঁপিয়ে উঠবে।

এত বড় অঙ্ক শুনলে মাথা ঘুরে যায়।

তাই মানুষ প্রশ্ন করে, টাকা কি ধামা দিয়ে মাপে?

না ভাই, ধামা দিয়ে মাপে না।

ধামা তো ধান মাপার জিনিস।

এত টাকা ধামায় ভরলে ধামা ফেটে যাবে।

মাপার যন্ত্রও ফেটে যাবে।

হিসাবের খাতাও ফেটে যাবে।

শেষমেশ যা থাকে, তা হলো একটা বড় সংখ্যা আর একটা বড় প্রশ্ন।

এত টাকা যদি সত্যিই কোথাও যায়,

তাহলে সেখানে কি খাসি চরে?

নাকি হাঁস সাঁতার কাটে?

নাকি ওয়েস্টিনের প্লেট উড়ে বেড়ায় বাতাসে?

হিসাবটা এখানেই থামানো ভালো।

আর হিসাব করলে দেশের সব খাসি শেষ হবে।

হাঁস শেষ হবে।

ওয়েস্টিনের মেনু শেষ হবে।

শুধু সংখ্যাটা থেকে যাবে—

একা, বিশাল, আর একটু হাস্যকর।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
একাদশে ভর্তিতে প্রায় ১০ লাখ আবেদন, ফল ১৭ সেপ্টেম্বর
একাদশে ভর্তিতে প্রায় ১০ লাখ আবেদন, ফল ১৭ সেপ্টেম্বর

চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে অনলাইনে আবেদন শেষ হয়েছে। এতে ভর্তি হতে প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ভর্তি আবেদনের টেকনিক্যাল দিকগুলো বুয়েট দেখছে। আমরা তাদের কাছ থেকে একদম সুনির্দিষ্ট সংখ্যাটা জানতে পারিনি। আমাদের সিস্টেম অ্যানালিস্টরাও তথ্যটা হাতে পাননি। মৌখিকভাবে জেনেছি, প্রায় ১০ লাখের মতো শিক্ষার্থী একাদশে ভর্তির আবেদন করেছে। আমরা শিগগির কোন শিক্ষার্থী কোন কলেজে মনোনয়ন পেল, সেই তালিকা প্রকাশ করবো। আরও পড়ুন একাদশে ভর্তি-ক্লাস এগিয়ে আনা হচ্ছে, আবেদনেও নতুন নিয়ম বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২-১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অনলাইন আবেদন নেওয়া হয়। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চয়নের জন্য ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চয়ন না করলে নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হবে। আরও পড়ুন নটর ডেমে ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থী-অভিভাবকের উপচেপড়া ভিড় শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। অনলাইন আবেদন, ফল প্রকাশ, শিক্ষার্থী নির্বাচন ও নিশ্চায়ন প্রক্রিয়ার পর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে আগামী ২০-২২ সেপ্টেম্বর। এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর সারাদেশে একযোগে ক্লাস শুরু হওয়ার কথা। তবে একই দিন ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ছুটি পড়লে পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর সারাদেশে একযোগে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হতে পারে। এএএইচ/ইএ

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
মেয়ে দেখতে গিয়ে ছবি তুলে ফেসবুকে অশ্লীলভাবে প্রচার, দেবর-ভাবি গ্রেফতার

মেয়ে দেখতে গিয়ে ছবি তুলে ফেসবুকে অশ্লীলভাবে প্রচার, দেবর-ভাবি গ্রেফতার

রাশিয়ার জ্বালানিতে নয়, অন্য কিছুতে হামলা চালাও: ইউক্রেনকে ট্রাম্প

রাশিয়ার জ্বালানিতে নয়, অন্য কিছুতে হামলা চালাও: ইউক্রেনকে ট্রাম্প

অনলাইন ইন্টারভিউর ফাঁদ: ভুয়া লিংকের ক্লিকে ১৮ হাজার পাউন্ড খোয়ালেন চাকরিপ্রার্থী, বাঁচার উপায় কী

অনলাইন ইন্টারভিউর ফাঁদ: ভুয়া লিংকের ক্লিকে ১৮ হাজার পাউন্ড খোয়ালেন চাকরিপ্রার্থী, বাঁচার উপায় কী

ইসলামী ব্যাংকের সামনে দুই পক্ষের মারামারি, আহত অর্ধশতাধিক
ইসলামী ব্যাংকের সামনে দুই পক্ষের মারামারি, আহত অর্ধশতাধিক

রাজধানীর দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংকের সামনে গ্রাহক ফোরাম ও চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করে দুই পক্ষ। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে...

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে, দল থেকে অব্যাহতি

তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে, দল থেকে অব্যাহতি

ঢাবি ক্যাম্পাসে স্বস্তি ফেরালো সড়কবাতি, এখন দাবি কার্যকর সিসি ক্যামেরা

ঢাবি ক্যাম্পাসে স্বস্তি ফেরালো সড়কবাতি, এখন দাবি কার্যকর সিসি ক্যামেরা

ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে

ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে

চাঁদা তোলা নিয়ে বিএনপিপন্থী দলিল লেখক বললেন, ‘নিউজ করলে ভালো থাকবেন না’
চাঁদা তোলা নিয়ে বিএনপিপন্থী দলিল লেখক বললেন, ‘নিউজ করলে ভালো থাকবেন না’

রাজশাহীর বাঘা সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ে ‘কল্যাণ তহবিল’-এর নামে দলিলপ্রতি ৫০০ টাকা অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। গত সপ্তাহ থেকে এই অর্থ সংগ্রহ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন একাধিক দলিল লেখক। তাঁদের অভিযোগ, বিএনপিপন্থী দুই দলিল লেখকের নেতৃত্বে এই অর্থ তোলা হচ্ছে। সাধারণ দলিল লেখকেরা জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দলিল লেখকদের সমিতি ছিল। এই সমিতির নামে সরকারি ফি বাদেও যত লাখ টাকার দলিল হতো তার প্রথম লাখে ৩ হাজার টাকা, পরবর্তী লাখে ২ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হতো। এই নিয়মে একজন ক্রেতা যদি ৫০ লাখ টাকার দলিল করতেন, তাহলে তাঁকে সরকারি ফি বাদ দিয়েই বাড়তি ৫০ হাজার টাকা সমিতির জন্য দিতে হতো। দলিল লেখক সমিতিকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের একজন নেতাও খুন হন।শাহীন মণ্ডল, বিএনপিপন্থী দলিল লেখকআওয়ামী লীগের সময় তো আরও বেশি চাঁদা নিয়েছে। তখন তো আপনারা (সাংবাদিকেরা) কিছু করতে পারেননি।সরকার পতনের পর বিএনপি নেতারা একই কাজ শুরু করলে প্রশাসন তা বন্ধ করে দেয়। গত সপ্তাহ থেকে নতুন করে কল্যাণ তহবিলের নামে দলিলপ্রতি ৫০০ টাকা নেওয়া শুরু হয়েছে। সাধারণ দলিল লেখকেরা আশঙ্কা করছেন, এভাবে চলতে থাকলে আবার আগের সমিতি ফিরে আসবে।একাধিক দলিল লেখক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, মন থেকে কেউ চাঁদা দিতে চান না। বিএনপিপন্থী দুই দলিল লেখক এই উদ্যোগ নিয়েছেন। এখন কেউ তাঁদের ওপর দিয়ে কথা বলতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে দলিলপ্রতি ৫০০ টাকা দিতে হচ্ছে।বাঘা সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ে প্রায় পৌনে ২০০ লাইসেন্সধারী দলিল লেখক রয়েছেন। সপ্তাহে দুই দিন অফিস চলে। গড়ে দিনে ৩০টি করে দলিল হয়। এতে একজন দলিল লেখক সপ্তাহে একটা কাজ পান। আবার কেউ কোনো কাজ পান না। এক সপ্তাহ বা দুই সপ্তাহ পর একটা দলিল পেলে তাঁর লেখার সম্মানী থেকে ৫০০ টাকা চাঁদা দেওয়া কঠিন। বাধ্য হয়ে দলিল লেখকেরা যাঁরা দলিল করতে আসবেন, তাঁদের কাছ থেকেই এই বাড়তি টাকা আদায় করবেন।কল্যাণ তহবিলের নামে যে টাকা নেওয়া হচ্ছে, তাতে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএনপিপন্থী দলিল লেখক শাহীন মণ্ডল ও মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে শাহীন মণ্ডল গতকাল রোববার এই প্রতিবেদককে বলেন, একজন দলিল লেখক মারা গেছেন। তাঁর পরিবারকে ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। সব দলিল লেখক একমত হয়ে একটা রেজোল্যুশন করে এই টাকা আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনজন দলিল লেখকের নামে ব্যাংকে হিসাব নম্বর খোলা হয়েছে। টাকা সেখানেই জমা রাখা হচ্ছে। এই সমিতির চাঁদা দেওয়ার জন্য দলিল লেখকেরা জনগণের কাছ থেকে দলিলপ্রতি ৫০০ টাকার বেশি আদায় করবেন।জনগণ কেন এই বাড়তি টাকা দেবে, জানতে চাইলে শাহীন মণ্ডল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সময় তো আরও বেশি চাঁদা নিয়েছে। তখন তো আপনারা (সাংবাদিকেরা) কিছু করতে পারেননি।’ একপর্যায়ে হুমকির সুরে তিনি বলেন, ‘এটা নিয়ে কোনো নিউজ করলে আপনিও ভালো থাকবেন না।’কল্যাণ তহবিলের নামে দলিলপ্রতি ৫০০ টাকা চাঁদা নেওয়ার বিষয়ে বাঘা সাবরেজিস্ট্রার এন এম নকিবুল আলম দাবি করেন, বিষয়টি তাঁর নজরে আসেনি। কোনো দলিল লেখক অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এর আগে রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদ দলিল লেখকদের এই সমিতি বন্ধ করে দিয়েছিলেন। এবার কল্যাণ সমিতির নামে চাঁদা তোলার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাঁর জানা নেই। তিনি সব সময় চাঁদা তোলার বিপক্ষে, এই কাজ করতে দেবেন না

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
খালাস পাওয়া ১০ আসামির নথি কারাগারে, মুক্তি পেলেন দুজন

খালাস পাওয়া ১০ আসামির নথি কারাগারে, মুক্তি পেলেন দুজন

ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি, আর কী যুক্ত হলো, কী বাদ গেল

ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি, আর কী যুক্ত হলো, কী বাদ গেল

অনলাইন জুয়াড়িদের জন্য এজেন্ট সিম সংগ্রহ করতেন তাঁরা

অনলাইন জুয়াড়িদের জন্য এজেন্ট সিম সংগ্রহ করতেন তাঁরা

0 Comments