জাতীয়

শুধু খবর পড়া নয়, যোগাযোগের শিল্পও নিউজ প্রেজেন্টেশন

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
শুধু খবর পড়া নয়, যোগাযোগের শিল্পও নিউজ প্রেজেন্টেশন
শুধু খবর পড়া নয়, যোগাযোগের শিল্পও নিউজ প্রেজেন্টেশন

ক্যামেরার সামনে বসে আছেন একজন সংবাদ উপস্থাপক। সামনে ছোট একটি লেন্স। সেই লেন্সের ওপাশে লাখো দর্শক। তাঁদের কাছে একটি খবর পৌঁছে দিতে উপস্থাপকের হাতে থাকে মাত্র কয়েকটি অস্ত্র—কণ্ঠ, উচ্চারণ, চোখের ভাষা, মুখের অভিব্যক্তি ও আত্মবিশ্বাস। তাই সংবাদ উপস্থাপনা শুধু খবর পড়া নয়, এটি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের একটি শিল্প। ভালো নিউজ প্রেজেন্টার হতে হলে শুধু সুন্দর কণ্ঠ থাকলেই হয় না, জানতে হয় কী বলছেন এবং কীভাবে বলছেন।

প্রথম আলো বন্ধুসভা ও অল ব্রডকাস্টার্স কমিউনিটির (এবিসি) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনলাইন কর্মশালা ‘প্রেজেন্টেশন অ্যান্ড বিয়ন্ড’-এর প্রথম সেশনে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন স্টার নিউজের জ্যেষ্ঠ সংবাদ উপস্থাপক ফারাবী হাফিজ। ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই সেশনের বিষয় ছিল ‘সংবাদ উপস্থাপনা’।

বাংলাদেশে সংবাদ উপস্থাপনার ক্ষেত্রে বিটিভির সংবাদ পাঠকদের একটি দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। তাঁদের হাত ধরেই দেশে সংবাদ উপস্থাপনার বিভিন্ন ধারা তৈরি হয়েছে। এখন এই পেশায় পার্টটাইম, ফুলটাইম ও চুক্তিভিত্তিক—বিভিন্নভাবে কাজের সুযোগ রয়েছে। শিক্ষার্থীরাও পড়াশোনার পাশাপাশি এ ক্ষেত্রে নিজেদের গড়ে তুলতে পারেন।

তবে উপস্থাপনা শেখার প্রয়োজন শুধু টেলিভিশনে খবর পড়ার জন্য নয়। চাকরির সাক্ষাৎকার, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপস্থাপনা, বিসিএসের ভাইভা কিংবা দৈনন্দিন জীবনে নিজের বক্তব্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরতেও উপস্থাপনার দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ।
ফারাবী হাফিজের মতে, একজন উপস্থাপকের দক্ষতার দুটি প্রধান দিক—ভার্বাল ও নন-ভার্বাল কমিউনিকেশন। অর্থাৎ কথা বলার দক্ষতার পাশাপাশি শরীরের ভাষাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

ভার্বাল কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হয় শুদ্ধ ও স্পষ্ট উচ্চারণে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের কাছে একজন উপস্থাপকের কথা পৌঁছাতে হয়। তাই প্রমিত বাংলা ও পরিষ্কার উচ্চারণের বিকল্প নেই। তবে অসাধারণ কণ্ঠ না থাকলেও সংবাদ উপস্থাপক হওয়া সম্ভব। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে কণ্ঠকে আরও সুন্দর ও স্পষ্ট করা যায়।
নিশ্বাসের ব্যায়াম, ঠোঁট ও জিবের আড়ষ্টতা দূর করার অনুশীলন এ ক্ষেত্রে সহায়ক। প্রতিদিন জোরে জোরে পত্রিকা পড়া বা কবিতা আবৃত্তিও কণ্ঠ ও উচ্চারণ উন্নত করতে পারে।

সংবাদ উপস্থাপনায় নন-ভার্বাল কমিউনিকেশনও গুরুত্বপূর্ণ। হাতের অবস্থান, চোখের দৃষ্টি, মুখের অভিব্যক্তি, পোশাক, বসা বা দাঁড়ানোর ভঙ্গি—সবকিছুই দর্শকের কাছে একটি বার্তা পৌঁছে দেয়। জড়সড় না হয়ে স্বাভাবিক ও আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গি বজায় রাখা জরুরি। ক্যামেরার সামনে কথা বলার সময় লেন্সের দিকে তাকিয়ে এমনভাবে কথা বলতে হয়, যেন দর্শকের সঙ্গেই সরাসরি যোগাযোগ হচ্ছে।

অডিশনের ক্ষেত্রেও সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হলো স্পষ্টভাবে কথা বলার দক্ষতা। চেহারা বা বাহ্যিক উপস্থিতি অনেকটাই সাজিয়ে তোলা যায়, কিন্তু ভালো উচ্চারণ ও আত্মবিশ্বাস অর্জন করতে হয় নিজের চেষ্টায়। প্রতিষ্ঠানের দেওয়া স্ক্রিপ্ট বারবার পড়ে অনুশীলন করতে হয়।

শেষ পর্যন্ত একজন ভালো নিউজ প্রেজেন্টার তৈরি হন কয়েকটি গুণের সমন্বয়ে—বিষয় সম্পর্কে জানা, স্পষ্ট উচ্চারণ, কণ্ঠের নিয়ন্ত্রণ, চোখের যোগাযোগ, সঠিক শরীরী ভাষা এবং আত্মবিশ্বাস। কারণ, সংবাদ উপস্থাপনায় শুধু তথ্য জানলেই হয় না; সেই তথ্য দর্শকের কাছে বিশ্বাসযোগ্য ও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার শিল্পটিও জানতে হয়।

বন্ধু, ভৈরব বন্ধুসভা

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
শত বছরের পুরোনো সমীকরণ সমাধানের পথে ছিলেন গণিতবিদ, কৃতিত্ব নিল এআই
শত বছরের পুরোনো সমীকরণ সমাধানের পথে ছিলেন গণিতবিদ, কৃতিত্ব নিল এআই

গণিতের সবচেয়ে জটিল সমস্যাগুলোর একটি বলা হয় নাভিয়ে-স্টোকস সমীকরণকে। গত মাসে সমস্যাটি সমাধানের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ট্রিস্টান বাকমাস্টার, সঙ্গে ছিলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিকের গণিতবিদ লেভেন্ট আলপোগে। তবে তাঁদের আগেই আরেক এআই প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই সমস্যাটি সমাধান করে ফেলেছে। নাভিয়ে-স্টোকস সমীকরণটি ১৯ শতকের। তরল কীভাবে প্রবাহিত হয়, তা বোঝার জন্য এই সমীকরণ তৈরি করা হয়েছিল। সমীকরণটি ব্যবহার করে আবহাওয়া, সমুদ্রের স্রোত ও উড়োজাহাজের ডানার ওপর দিয়ে বাতাসের প্রবাহের মতো নানা বিষয় ব্যাখ্যা করা যায়। তবে সব সময় এই সমীকরণ বাস্তব জগতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সমাধান দেবে কি না, তা নিশ্চিত ছিলেন না গণিতবিদেরা।বাকমাস্টার ও আলপোগে যখন নাভিয়ে-স্টোকস সমীকরণ নিয়ে কাজ করছিলেন, তখন ওপেনএআইও সেটি সমাধানে জোর তৎপরতা শুরু করে। নাভিয়ে-স্টোকস সমাধানে ১০ হাজার এআই এজেন্ট কাজে লাগায় তারা। এজেন্টগুলো ৮৮ ঘণ্টা বা প্রায় চার দিন কাজ করার পর একটি সমাধানে পৌঁছায়। পরে সমাধানটি ঠিকঠাক আছে কি না, তা দেখতে আরও ১৭ ঘণ্টা ধরে যাচাই-বাছাই করা হয়।সমীকরণের যে সমাধান ওপেনএআই প্রকাশ করেছে, তা ১৬৬ পৃষ্ঠার। এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গণিতবিদেরা। তাঁদের ভাষ্য, গাণিতিক কোনো সমস্যার সমাধান কম্পিউটারের মাধ্যমে সঠিক প্রমাণিত হওয়াই যথেষ্ট নয়, সেটি মানুষ বুঝতে পারছে কি না, তা-ও গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতবিদ জাভিয়ার গোমেজ সেরানো বলেন, ওপেনএআইয়ের সমাধানটি ‘বোঝাই যায় না’।এআইয়ের অগ্রগতির লাগাম না টানলে সবাই মারা যেতে পারি: অ্যানথ্রোপিকের সাবেক গবেষকওপেনএআইয়ের এই সমাধান নিয়ে আলাদা একটি বিতর্কও চলছে। অধ্যাপক বাকমাস্টার সমীকরণটি নিয়ে কাজ করার সময় ওপেনএআইয়ের তৈরি এআইয়ের সহায়তা নিয়েছিলেন। তাঁর ধারণা, ওই এআইকে দেওয়া তাঁর কিছু তথ্যের নাগাল পেয়েছিল ওপেনএআই। কারণ, সমীকরণ সমাধানের গবেষণায় পরবর্তী ধাপে তাঁর যে কাজ করার কথা ছিল, সে পথেই এগিয়েছিল ওপেনএআইয়ের এজেন্টগুলো।এই অভিযোগ নিয়ে ওপেনএআই প্রথমে বলেছিল, বাকমাস্টারের তথ্য ব্যবহার করার সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। পরে অবশ্য তারা জানিয়েছে, এ নিয়ে বিশদ তদন্ত করা হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, বাকমাস্টারের তথ্য কোনোভাবেই তাদের সমীকরণ সমাধানে প্রভাব ফেলেনি। তবে ওপেনএআইয়ের এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন বাকমাস্টার। তাঁর সাফ বক্তব্য, ‘আমি তাদের বিশ্বাস করি না।’এআই দিয়ে একটি ছবি তৈরিতে কত পানি খরচ করে ডেটা সেন্টারওপেনএআইয়ের সমীকরণ সমাধানের ঘটনা গণিতের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের লস অ্যাঞ্জেলেস ক্যাম্পাসের গণিতবিদ টেরেন্স টাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, এ ঘটনার কারণে গবেষকেরা তাঁদের আবিষ্কার অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার ক্ষেত্রে আগ্রহ হারাতে পারেন। এতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা উন্মুক্ত বিজ্ঞানচর্চার রীতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।এআইয়ের এই সাফল্যের পেছনে বহু বছর ধরে কাজ করা গণিতবিদদের অবদানের কথাও মনে রাখা জরুরি বলে উল্লেখ করেছেন অধ্যাপক বাকমাস্টার। তিনি বলেন, এই গণিতবিদেরা এমন সব গুরুত্বপূর্ণ তাত্ত্বিক ভিত্তি তৈরি করেছেন, যেগুলোর ওপর ভিত্তি করে নাভিয়ে-স্টোকস সমীকরণ সমাধান করতে পেরেছে ওপেনএআই।এআই যুগে চাকরি নিয়ে ভয়, এই ১০ পেশায় ঝুঁকি কম

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
ব্যবসায়ীকে হয়রানি করে অর্থ আদায়, সিএমপির দুই এএসআই ক্লোজড

ব্যবসায়ীকে হয়রানি করে অর্থ আদায়, সিএমপির দুই এএসআই ক্লোজড

ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনবরণ, ‘নজরুল বর্ষ’ উদ্‌যাপন

ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনবরণ, ‘নজরুল বর্ষ’ উদ্‌যাপন

ক্ষমতার জৌলুশ নয়, মানুষের আস্থা

ক্ষমতার জৌলুশ নয়, মানুষের আস্থা

আর্থিক সংকটের কারণে অপহরণের নাটক সাজিয়ে আত্মগোপনে, পরে উদ্ধার
আর্থিক সংকটের কারণে অপহরণের নাটক সাজিয়ে আত্মগোপনে, পরে উদ্ধার

১১ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টা ৪৭ মিনিটে এক ব্যক্তি সাদা বস্তায় করে নিরাপত্তাকর্মী মোহাম্মদ নজরুল ইসলামকে রাজধানীর পল্লবীর একটি ক্লিনিকের প্রধান ফটকের সামনে নিয়ে যান। প্রায় এক ঘণ্টা পর ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে নজরুল নিজেই বস্তা থেকে বের হয়ে গেটের সামনে বসেন। পরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে রিকশায় করে চলে যান। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, পারিবারিক ও আর্থিক সংকটের কারণে নজরুল নিজেই আত্মগোপনের পরিকল্পনা করেন। এ জন্য সহযোগী হাসান তারেক ওরফে রিপনের সহায়তায় তিনি অপহরণের নাটক সাজান। আজ সোমবার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে মিরপুর বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. মোস্তাক সরকার এসব তথ্য জানান।আজ সকালে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর মাঝখানে ‘সি হার্ট-২’ নামের একটি মাছ ধরার জাহাজ থেকে নজরুলকে উদ্ধার করে পল্লবী থানার পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর সহযোগী রিপনকে ঢাকায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশের ভাষ্য, নজরুল প্রথমে গাবতলী যান। পরে বাসে চট্টগ্রামের একে খান এলাকায় গিয়ে পরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে কর্ণফুলীর ইছানগরে অবস্থান নেন। পরে ‘সি হার্ট-২’ জাহাজে বাবুর্চির কাজ নেন। সেখান থেকেই তাঁকে উদ্ধার করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে মিরপুর বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. মোস্তাক সরকার। ১৪ সেপ্টেম্বরসংবাদ সম্মেলনে মোস্তাক সরকার বলেন, নজরুল ওই ক্লিনিকে ১৬-১৭ বছর ধরে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করছেন। তাঁর মাসিক বেতন প্রায় ১৭ হাজার টাকা। তাঁর দুই স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। পুলিশ বলছে, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নেওয়া ঋণ ও সুদের টাকা মিলিয়ে তাঁর ছয়–সাত লাখ টাকা দেনা রয়েছে। দুই পরিবারের ভরণপোষণ, সন্তানের বিয়ে ও ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপেও তিনি ছিলেন।পুলিশ বলছে, সিসিটিভি ফুটেজ, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাটি প্রকৃত অপহরণ নয়, পূর্বপরিকল্পিত আত্মগোপন এবং অপহরণের নাটক বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে। এর সঙ্গে অন্য কারও সম্পৃক্ততা বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
গ‍্যাস সরবরাহ বাড়ল, আসছে আরও এলএনজি কার্গো

গ‍্যাস সরবরাহ বাড়ল, আসছে আরও এলএনজি কার্গো

বিমা খাতে অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি গভীরে শিকড় গেড়েছে: অর্থমন্ত্রী

বিমা খাতে অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি গভীরে শিকড় গেড়েছে: অর্থমন্ত্রী

প্রশিক্ষণের পর নারীদের কর্মসংস্থানের পথও দেখাতে হবে

প্রশিক্ষণের পর নারীদের কর্মসংস্থানের পথও দেখাতে হবে

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে আবেদন করেছে প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী, আসন প্রায় ২৫ লাখ
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে আবেদন করেছে প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী, আসন প্রায় ২৫ লাখ

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন নেওয়া শেষ হয়েছে। এবার আবেদন করেছে প্রায় ১০ লাখ ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থী। সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে কলেজ ও মাদ্রাসা মিলিয়ে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। ফলে এবার বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকবে। তবে আসন বেশি থাকলেও জিপিএ-৫ পাওয়া সব শিক্ষার্থী তাদের পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে না। কারণ, তুলনামূলক ভালো প্রতিষ্ঠানগুলোয় আসনসংখ্যা সীমিত। একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির লক্ষ্যে ২ সেপ্টেম্বর আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছিল। গতকাল রোববার তা শেষ হয়। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের জ্যেষ্ঠ সিস্টেম অ্যানালিস্ট মনজুরুল কবীর প্রথম আলোকে বলেন, ভর্তির জন্য এবার মোট আবেদন করেছে ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৯৬ জন শিক্ষার্থী।এবারও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হচ্ছে। কোনো ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে না। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় নিয়ে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে প্রকাশ করা হবে। সব কার্যক্রম শেষে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর।কয়েক বছর ধরেই এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হচ্ছে। নির্ধারিত ফি দিয়ে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হয়।উত্তরপত্র মূল্যায়নে এত ভুল কেন, মূল্যায়নব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নবাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে একাদশ শ্রেণির অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে। এই পদ্ধতিতে কলেজ ও মাদ্রাসায় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোয় ভর্তি হয় পৃথক প্রক্রিয়ায়। ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসায় এ পদ্ধতিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়।গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী ছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। পরে অবশ্য পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নে আরও চার হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী পাস করে।এসএসসিতে যেসব কারণে ১৯ বছরে সর্বনিম্ন পাসের হার, আগে ফলাফল কেমন হতো

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
মার্চেন্টদের বিজনেস সহজ করতে চালু হলো ‘পাঠাও কমার্স’

মার্চেন্টদের বিজনেস সহজ করতে চালু হলো ‘পাঠাও কমার্স’

ক্রিডেন্স ফুটবল জিনিয়াস: কুইজ বিজয়ী ৩০ জন পেলেন পুরস্কার

ক্রিডেন্স ফুটবল জিনিয়াস: কুইজ বিজয়ী ৩০ জন পেলেন পুরস্কার

স্বাধীনতা আন্দোলনের চরিত্রগুলোকে সরিয়ে নতুন ইতিহাস সৃষ্টির চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়: অধ্যাপক তানজীমউদ্দিন

স্বাধীনতা আন্দোলনের চরিত্রগুলোকে সরিয়ে নতুন ইতিহাস সৃষ্টির চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়: অধ্যাপক তানজীমউদ্দিন

0 Comments