জাতীয়

সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

News সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ 0
সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা থেকে সংক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংবাদ থাকছে জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য-

সোনার দাম কি আরও কমবে? জবাব মিলবে যে ৩ প্রশ্নে
সোনার দাম কি আরও কমবে, নাকি ফের বাড়তে শুরু করবে, তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশের আগে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম নির্দিষ্ট একটি সীমার মধ্যে ওঠানামা করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

কলকাতায় হোটেল পেতে সমস্যা, তবু নিউমার্কেটে বাংলাদেশিদের উপচেপড়া ভিড়
কলকাতায় হোটেল পেতে সমস্যা হলেও নিউমার্কেট এলাকায় উপচে পড়ছে বাংলাদেশি পর্যটকদের ভিড়। গত ১৯ আগস্ট মির্জা গালিব স্ট্রিটে একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয়জন মারা যান। তাদের মধ্যে সাতজনই ছিলেন বাংলাদেশি পর্যটক। ওই ঘটনার পর কলকাতার হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউজগুলোতে অভিযান চালায় করে কর্তৃপক্ষ।

সৌদি-হুথি তীব্র সংঘাত, ইয়েমেনে ফের বড় যুদ্ধের শঙ্কা?
ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি আরব-সমর্থিত বাহিনীর সংঘাত নতুন করে তীব্র হয়েছে। সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি শহর ও জ্বালানি অবকাঠামোয় হুথিরা হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে রিয়াদ।

এআইয়ের হাত ধরেই তৈরি হচ্ছে ১০ লাখ নতুন চাকরি!
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মানুষের চাকরি কেড়ে নেবে—এমন আশঙ্কা বহুদিনের। তবে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারের সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, এখন পর্যন্ত এআই চাকরি কেড়ে নেওয়ার চেয়ে নতুন চাকরি তৈরিতেই বেশি ভূমিকা রাখছে।

জাতিসংঘের নতুন মানচিত্রে অরুণাচল-আকসাই চিন ‘পৃথক অঞ্চল’, ক্ষুব্ধ ভারত
জাতিসংঘের প্রকাশ করা বিশ্বের নতুন মানচিত্রে অরুণাচল প্রদেশ ও আকসাই চিনকে ভারত ও চীনের দাবির মধ্যবর্তী ‘পৃথক অঞ্চল’ (Separate Region) হিসেবে দেখানো হয়েছে। ভারত দীর্ঘদিন ধরে অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করে। একইভাবে, আকসাই চিনকে লাদাখের অংশ বলে দাবি করে নয়াদিল্লি।

রাশিয়া-উত্তর কোরিয়ার মধ্যে প্রথম সড়ক সেতু চালু
রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে প্রথম সড়ক সেতু চালু হয়েছে। তুমেন নদীর ওপর নির্মিত এই সেতুর মাধ্যমে দুই দেশের সীমান্তে পণ্য ও যাত্রী চলাচল আরও সহজ হবে।

সৌদির জ্বালানি স্থাপনায় হুথিদের হামলা
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনায় হামলার অভিযোগ তুলেছে সৌদি আরব। সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৭৩ জন বেসামরিক মানুষ আহত হয়েছেন।

ভারত-বাংলাদেশের যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল নিয়ে সুখবর
দুই দেশের মধ্যে বন্ধ থাকা যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল আবার চালুর বিষয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারত। ঢাকায় শুরু হতে যাওয়া দুই দিনের আন্তঃসরকারি রেলওয়ে বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

মক্কা চুক্তিতে ইরানকে চায় রাশিয়া
পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে গড়ে ওঠা মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে ইরানকে যুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেছেন, এই জোটে ইরানের অংশগ্রহণ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ হতে পারে।

অন্ধকার টানেলে ৯ দিন যেভাবে বেঁচে ছিলেন দুই শ্রমিক
নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর ধ্বংসস্তূপের নিচে একটি টানেলে টানা নয় দিন আটকে থেকেও বেঁচে ছিলেন দুই জলবিদ্যুৎকর্মী। ৪ সেপ্টেম্বর উদ্ধার করা হয় কবির মহার্জন ও সঞ্জয় সাহকে। তাদের বেঁচে থাকার ঘটনা এখন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা অন্য শ্রমিকদের উদ্ধারে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

কেএএ/

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
অনলাইনে পণ্যের ফরমাশ, 
পার্সেল খুলে পেলেন গোবর
অনলাইনে পণ্যের ফরমাশ, পার্সেল খুলে পেলেন গোবর

অনলাইন কেনাকাটা এখন আধুনিক জীবনযাত্রার অবিচ্ছেদ্য অংশ। সময় বাঁচাতে ও নানা ছাড়ের কারণে অনেকেই আর দোকানে গিয়ে কেনাকাটা করতে চান না। হাতে থাকা স্মার্টফোন অথবা কম্পিউটার থেকে ফরমাশ দিলেই কাঙ্ক্ষিত পণ্য পৌঁছে যাচ্ছে দোরগোড়ায়।তবে অনলাইন কেনাকাটায় রয়েছে প্রতারণার ফাঁদও। ভারতের উত্তর প্রদেশের গ্রেটার নয়ডার এক বাসিন্দা সেই ফাঁদে পড়েছেন।। তাঁর শুধু আর্থিক ক্ষতিই হয়নি, হয়েছে তিক্ত অভিজ্ঞতা। তাঁর একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে ফরমাশ দিয়ে সময়মতো পার্সেলও হাতে পান তিনি। কিন্তু পার্সেল খুলে হতবাক হয়ে যান। কাঙ্ক্ষিত পণ্য নয়, তাঁকে পাঠানো হয়েছে শুকনো গোবর!ভুক্তভোগী ওই যুবকের নাম আকাশ নাগর। তিনি গ্রেটার নয়ডার দানকৌর থানা এলাকার বাসিন্দা। কয়েক দিন আগে নিজের কাজের সুবিধার জন্য অনলাইনে একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তিনি একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ফরমাশ দেন। কেনাকাটার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তাঁকে পণ্যের পুরো দাম আগেই পরিশোধ করতে হয়।গত সোমবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ কুরিয়ার মারফত তাঁর বাড়িতে পার্সেল পৌঁছায়। ডিভাইসটি হাতে পাওয়ার আনন্দে দ্রুত প্যাকেটটি খোলেন আকাশ। কিন্তু প্যাকেট খুলে তিনি যা দেখতে পান, তার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলেন না। প্যাকেটের ভেতর ডিভাইস নয়, রয়েছে শুকনো গোবর।হতভম্ব দশা কাটতেই আকাশ বুঝতে পারেন, অনলাইন শপিংয়ের চকচকে বিজ্ঞাপনের আড়ালে তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। দেরি না করে স্থানীয় সাইবার ক্রাইম থানা ও দানকৌর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন এবং দোষীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তি দেওয়ার দাবি জানান।আকাশ আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমি ১ হাজার ৯৯৯ রুপি দিয়ে একটি ডিভাইস অর্ডার করেছিলাম, কিন্তু তার বদলে পেয়েছি এক প্যাকেট গোবর সার।’ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে এরই মধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ই-কমার্স ওয়েবসাইটটির বৈধতা, মূল্য পরিশোধের ডিজিটাল ট্রানজেকশন আইডি এবং যে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পার্সেলটি পাঠানো হয়েছিল, তাদের নেটওয়ার্ক ট্র্যাক করা হচ্ছে।পুলিশ বলেছে, দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
এসএসসির খাতা পুনর্নিরীক্ষার পাস করল ৩৮০ জন ফেল করা পরীক্ষার্থী

এসএসসির খাতা পুনর্নিরীক্ষার পাস করল ৩৮০ জন ফেল করা পরীক্ষার্থী

ভোটে সহিংসতার শঙ্কা, পুলিশের সক্ষমতার ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ

ভোটে সহিংসতার শঙ্কা, পুলিশের সক্ষমতার ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ

৭০০ বছরের প্রেমের স্মৃতি আজও দাঁড়িয়ে চণ্ডীদাস-রজকিনীর ঘাট

৭০০ বছরের প্রেমের স্মৃতি আজও দাঁড়িয়ে চণ্ডীদাস-রজকিনীর ঘাট

জাপানি শিশুরা কেন বাড়ি ফিরেই গরগরা করে? এতে কি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে?
জাপানি শিশুরা কেন বাড়ি ফিরেই গরগরা করে? এতে কি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে?

জাপানের শিশুদের মধ্যে বাড়ি ফিরেই গরগরা করার রীতি প্রচলিত আছে। এই রীতির নাম ‘উগাই’। সুস্থ থাকতেই এই রীতির চল। আদতেই কি এভাবে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে? ঢাকা মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. কাকলী হালদার ও মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শিশুবিশেষজ্ঞ ও সহকারী অধ্যাপক ডা. তাসনুভা খান–এর সঙ্গে কথা বলে জানাচ্ছেন রাফিয়া আলমজাপানের শিশুদের মধ্যে বাড়ি ফিরেই গরগরা করার রীতি প্রচলিত আছে। এই রীতির নাম ‘উগাই’কী হয় গরগরা করলে? ভালোভাবে গরগরা করা হলে মুখ ও গলার কিছু অংশের ভেতরের ময়লা সাময়িকভাবে কমতে পারে। মুখ থেকে পানি ফেলার সময়টায় কিছু অণুজীব, খাদ্যকণা ও ধুলা–ময়লা মুখ থেকে বেরিয়ে যায়। এভাবে কিছু জীবাণুর পরিমাণ কমতে পারে। তবে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে, এমনটা সরাসরি বলার সুযোগ নেই। ঘরের বাইরে গেলে নাক ও মুখ দিয়ে নানা জীবাণু ঢুকে পড়তে পারে। ফিরে আসার পর গরগরার মাধ্যমে মুখ ও গলার কিছু অংশের কিছু অণুজীব কমতে পারে। নিয়মিত গরগরা করলে মুখে দুর্গন্ধও কম হয়।কতটা কার্যকর? বাইরে থেকে ফিরে মুখ পরিষ্কার করতে গরগরা করা বা কুলি করা স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। কিছু গবেষণার ফলাফল থেকে এমন ইঙ্গিত পাওয়া যায়, উগাই রীতি অনুসরণ করলে শিশুদের শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের ঝুঁকি কিছুটা কম হতে পারে। তবে এ বিষয়ে প্রমাণ এখনো সীমিত। সব গবেষণার ফলাফল একও নয়।এ ছাড়া ক্ষতিকর সব জীবাণু গরগরা করার মাধ্যমে দূর করা সম্ভব নয়। উগাই সরাসরি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়, এমন কোনো নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।সঞ্চয় করতে চান? জাপানি পদ্ধতি কাকেবো মেনে চলুনউগাইয়ের কোনো ক্ষতিকর দিক আছে কি? গবেষণা অনুযায়ী, শৈশবের পরিবেশের নানান উপাদানের (যেমন মাটির কিছু জীবাণু) কারণে এ ধরনের রোগের প্রবণতা কম হতে পারেআশির দশকের ‘হাইজিন হাইপোথিসিস’ বলছে, শিশুর বেড়ে ওঠার সময় তার পরিবেশের কিছু সাধারণ জীবাণু তার ভবিষ্যতের জন্য উপকারী হতে পারে। এখনকার গবেষকেরা এই হাইপোথিসিসের আরও আধুনিক রূপ ‘ওল্ড ফ্রেন্ডস হাইপোথিসিস’-এর কথা বলেন। এটি জানা থাকলে আপনার মনে হতে পারে যে উগাইয়ের চর্চার মাধ্যমে শৈশবের ঠান্ডাজ্বর হতে দেওয়ার সুযোগ কমে গেলে তা শিশুর ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতির কারণ কি না। তবে বিষয়টা আদতে এমন জটিল নয়।ওল্ড ফ্রেন্ডস হাইপোথিসিস অনুযায়ী, যেসব শিশু প্রাকৃতিক পরিবেশে, প্রাণীদের কাছাকাছি কিংবা অনেক মানুষের মধ্যে বড় হয়, তাদের অ্যালার্জি এবং ইমিউন মেডিয়েটেড রোগ কম হয়। ইমিউন মেডিয়েটেড রোগ হলো আমাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কিছুটা এলোমেলো হয়ে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট রোগ। শিশুদের জন্য সুস্থতার চর্চার পাশাপাশি স্বাভাবিক পরিবেশে আনন্দে বেড়ে ওঠার স্বাধীনতাও প্রয়োজনহাইপোথিসিস অনুযায়ী, শৈশবের পরিবেশের নানান উপাদানের (যেমন মাটির কিছু জীবাণু) কারণে এ ধরনের রোগের প্রবণতা কম হতে পারে।এই হাইপোথিসিস থেকে নিশ্চিতভাবে কোনো সিদ্ধান্তে আসা যায়নি আজও। কিন্তু এই হাইপোথিসিস আবার সংক্রমণ প্রতিরোধের বিপক্ষেও নয়। সুস্থতার চর্চার পাশাপাশি স্বাভাবিক পরিবেশে আনন্দে বেড়ে ওঠার স্বাধীনতাও প্রয়োজনআরও প্রশ্ন জাগতে পারে, উগাই চর্চা করতে গিয়ে মুখের ভেতরের উপকারী জীবাণুও দূর হয়ে যায় কি না। কিন্তু সাধারণ পানি দিয়ে গরগরা করলে এসব উপকারী জীবাণুর স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার উল্লেখযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অবশ্য গরগরা করতে প্রায়ই জীবাণুনাশক দ্রবণ ব্যবহার করা ঠিক নয়, তাতে মুখের উপকারী জীবাণুর স্বাভাবিক ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে।আলসেমি দূর করার ৭টি জাপানি উপায়সুস্থতার চর্চায় সংক্রামক রোগ এড়াতে শৈশব থেকেই সুস্থতার চর্চা করার বিকল্প নেই। তাই খেয়াল রাখুন—বাইরে থেকে ফিরে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করা জরুরি।অপরিষ্কার হাত দিয়ে নাক, মুখ বা চোখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।অপরিষ্কার হাতে শৌচকর্ম করা হলে প্রস্রাবে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। মেয়েদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি অনেক বেশি।খাওয়ার আগে এবং শৌচকর্মের পরে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।সুষম পুষ্টি, পর্যাপ্ত ঘুম এবং সময়মতো টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।শাকসবজি এবং ফলমূল ভালোভাবে ধুয়ে খাওয়া উচিত।যেকোনো খাবার তৈরি এবং পরিবেশনের প্রতিটি ধাপে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা প্রয়োজন।শ্বাসের মাধ্যমে ছড়ায়, এমন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে মাস্ক ব্যবহার করা উচিত।বাইরে থেকে ফিরে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করা জরুরিএসবের পাশাপাশি উগাইয়ের চর্চাও করা যেতে পারে। তাতে ক্ষতি নেই। তবে বিশেষ প্রয়োজন না থাকলে জীবাণুনাশী দ্রবণ দিয়ে গরগরা করবেন না। বরং গরগরা করতে পানি কিংবা সামান্য লবণ মেশানো পানি ব্যবহার করা যায়।শিশুদের সব পশুপাখি থেকে পুরোপুরি দূরে রাখার প্রয়োজন নেই। বরং সুস্থ প্রাণীদের সঙ্গে থাকার কিছুটা সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে তার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় তা সহায়ক হবে।ঘরের ভেতর শিশু হামাগুড়ি দিচ্ছে বলে মেঝে সব সময় জীবাণুমুক্ত দ্রবণ দিয়ে মুছতে হবে, এমনটাও প্রয়োজন নয়।আরেকটু বড় হলে শিশুকে খোলা মাঠে, আলো-বাতাসে দৌড়ঝাঁপ করার সুযোগ করে দেওয়া উচিত।রার সুযোগ করে দেওয়া উচিত।জাপানি দম্পতিরা বিরোধের সময়ও যেভাবে শান্ত থাকেন

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
প্রাপ্তবয়স্কদের নিয়ে আলোচিত ‘অ্যাডাল্টস ড্রিম’ গানে কী আছে

প্রাপ্তবয়স্কদের নিয়ে আলোচিত ‘অ্যাডাল্টস ড্রিম’ গানে কী আছে

স্কুল মাঠে মুরগির খামারের বর্জ্য, নাক চেপে চলাচল করে শিশুরা

স্কুল মাঠে মুরগির খামারের বর্জ্য, নাক চেপে চলাচল করে শিশুরা

ফেল থেকে পাস ৪০৮৫, নতুন করে জিপিএ ফাইভ পেল ৩০৭৯ শিক্ষার্থী

ফেল থেকে পাস ৪০৮৫, নতুন করে জিপিএ ফাইভ পেল ৩০৭৯ শিক্ষার্থী

নজরদারি বন্ধ করে বিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি করুন
নজরদারি বন্ধ করে বিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি করুন

প্রথম আলো ট্রাস্টের একটি আয়োজন বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভা। এ আয়োজনের আওতায় ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রথম আলোর কার্যালয় কারওয়ান বাজারে ১৮০ তম অনলাইন পরামর্শ সহায়তা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপস্থিত থেকে পরামর্শ প্রদান করেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. জোবায়ের মিয়া। এইবারের বিষয়টি ছিল—‘সন্তানের মন বোঝার উপায়।’ অনুষ্ঠানটি সাক্ষাৎকার আকারে তুলে ধরা হলো। উক্ত অনুষ্ঠানের আলোচনা থেকে একটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।সন্তান যদি নিজের কথা সহজে না বলতে চায় বা অন্তর্মুখী হয়, তবে অভিভাবক কীভাবে তার মন বুঝবেন?এমন প্রশ্নের উত্তরে ডা. জোবায়ের মিয়া বলেন, ‘সব শিশু সমান হয় না। কিছু শিশু প্রাণবন্ত হয় এবং সব কথা বলে দেয়। কিন্তু যারা অন্তর্মুখী, তারা যদি অভিভাবককে পুরোপুরি বিশ্বাস করতে না পারে—যেমন তাদের কথা নিয়ে অন্যদের সামনে আলোচনা বা উপহাস করা হবে—তখন দেখা যায় তারা মনের কথা লুকিয়ে ফেলে। সেক্ষেত্রে এদের ওপর স্পাই বা নজরদারি না করে পাশে বসতে হবে। পড়ার টেবিলে অমনোযোগী হলে বা আনমনা থাকলে একটু সময় দিয়ে পরম মমতায় ও ট্রাস্ট তৈরি করে তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে।’

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
শ্রমশক্তি রপ্তানি: ক্রমেই ছোট হয়ে আসছে পৃথিবী

শ্রমশক্তি রপ্তানি: ক্রমেই ছোট হয়ে আসছে পৃথিবী

পড়াশোনার ফাঁকে ৩৬০ টাকায় শুরু, এখন মাসে আয় ৩ লাখ

পড়াশোনার ফাঁকে ৩৬০ টাকায় শুরু, এখন মাসে আয় ৩ লাখ

ওমর সানি-মিশার ঝগড়ায় রেফারি মৌসুমী, কার্ড দেখায় ছেলেমেয়েরা

ওমর সানি-মিশার ঝগড়ায় রেফারি মৌসুমী, কার্ড দেখায় ছেলেমেয়েরা

0 Comments