জাতীয়

দলে ৭ পরিবর্তন নিয়ে অধিনায়ক বাবর বললেন, পিসিবি ভালো ব্যাখ্যা করতে পারবে

News সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ 0
দলে ৭ পরিবর্তন নিয়ে অধিনায়ক বাবর বললেন, পিসিবি ভালো ব্যাখ্যা করতে পারবে
দলে ৭ পরিবর্তন নিয়ে অধিনায়ক বাবর বললেন, পিসিবি ভালো ব্যাখ্যা করতে পারবে

সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নটা বাবর আজমের কাছে আসতই। লর্ডস টেস্টের পর পাকিস্তান দলে যে বড় পরিবর্তন এসেছে, তাতে তাঁর কোনো ভূমিকা ছিল কি? এজবাস্টন টেস্টের আগে সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তান অধিনায়ক জানালেন, তাঁর সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

লর্ডসে হারের পর পিসিবি একসঙ্গে সাত ক্রিকেটারকে দল থেকে বাদ দিয়ে দেশে ফিরিয়ে নেয়। প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। তাঁদের জায়গায় দলে নেওয়া হয় সাত নতুন ক্রিকেটারকে। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনের এখনো টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা নেই।

দলের এই বড় পরিবর্তনের খবর বাবরও সবার মতোই পরে জেনেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন এভাবে, ‘এটা আমার জন্যও খবর ছিল। পরে জানতে পেরেছি। পিসিবি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাই তারাই বিষয়টি ভালোভাবে ব্যাখ্যা করতে পারবে। পিসিবি নিশ্চয়ই কিছু চিন্তাভাবনা করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেটা তাদেরই জিজ্ঞাসা করা ভালো।’

পাকিস্তান ক্রিকেট কিছুদিন ধরে ইতিবাচক আলোচনায় নেই। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টানা দুই টেস্টে হেরেছে দলটি, মাঠে ন্যূনতম লড়াইটাও করতে পারেনি পাকিস্তান। তবে মাঠের বাজে পারফরম্যান্স ছাড়িয়ে গেছে মাঠের বাইরে পিসিবির কীর্তিকলাপে। এর মধ্য পিসিবি আবার আরেকটি তদন্তের ঘোষণাও দিয়েছে। গণমাধ্যমে আসা শৃঙ্খলা ও আচরণসংক্রান্ত প্রতিবেদন খতিয়ে দেখতে সেই তদন্ত শুরু করার কথা জানিয়েছে তারা। এ বিষয়েও নতুন কোনো তথ্য নেই বাবরের কাছে।

বরং নতুন টেস্ট কোচ মাইক হেসন ও অ্যাশলি নফকের মতোই বাবর এখন পুরো মনোযোগ দিতে চান এজবাস্টনের টেস্টে। আগের ঘটনা কিংবা সিরিজ শেষে কী হতে পারে, সেদিকে তাকাতে চান না তিনি।

বাবর নিজেও ফর্মে নেই, সর্বশেষ ইনিংসে আউট হয়েছেন বাজেভাবে

বাবর বলেছেন, ‘সিরিজ হেরে গেছি; কিন্তু আমাদের হারানোর আর কিছু নেই। আমাদের স্বাধীনভাবে খেলতে হবে এবং দল হিসেবে নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে। আমরা কয়েক দিন অনুশীলন করেছি এবং নতুন ছেলেদের বিষয়গুলো বুঝিয়ে বলেছি। যে তরুণ খেলোয়াড়ই দলে আসে, রোমাঞ্চিত থাকে। সেই রোমাঞ্চ আমরা দেখতে পাচ্ছি। আমি বিশ্বাস করি, ম্যাচেও সেটা দেখা যাবে।’

লর্ডসে ১৯৪ রানে হারের পর পাকিস্তানের নির্বাচক কমিটির প্রধান আকিব জাভেদ দল নির্বাচনের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। তবে প্রথম দুই টেস্টে পাকিস্তানের একাদশ বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন বাবর। এ নিয়ে বাবর বলেছেন, ‘দল হিসেবে আমরা তিন বিভাগেই ভালো খেলতে পারিনি। আর যখন ফল আসে না, তখন বাইরে থেকে অনেক সমালোচনা হবে; কিন্তু তখন আমরা যেটাকে ভালো মনে করেছি, সেটিই করেছি। পিচ ও কন্ডিশন যেভাবে বুঝেছি, সেই অনুযায়ী একাদশ বেছে নিয়েছি। তখন সেটাকেই সেরা সিদ্ধান্ত মনে হয়েছিল; কিন্তু আমরা প্রত্যাশিত ফল পাইনি।’

দলে এত নতুন মুখ থাকায় এজবাস্টনে পাকিস্তানের একাদশ কেমন হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে বাবর মনে করেন, দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের ওপর পারফর্ম করার দায়িত্ব বেশি।

সেই দায়িত্বের মধ্যে বাবর নিজেও আছেন। লর্ডসে প্রথম ইনিংসে ৮ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ রান করেন তিনি। এর আগে হাতের চোটের কারণে হেডিংলিতে প্রথম টেস্ট খেলতে পারেননি। এজবাস্টনেও এই স্কোয়াডের অন্য সবার মতো তাঁর টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা নেই।

বাবর বলছেন, ‘আপনি যখন কোনো সিরিজ বা টুর্নামেন্ট খেলতে নামেন, তখন নিজের পারফরম্যান্সের ওপর বিশ্বাস রাখেন। একজন সিনিয়র খেলোয়াড় হিসেবে আপনাকে বেশি দায়িত্ব নিতে হবে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সুযোগ কাজে লাগাতে হবে এবং কঠিন কন্ডিশনে পারফর্ম করতে হবে। এ কারণেই আমরা ক্রিকেট খেলি—কঠিন পরিস্থিতিতে পারফর্ম করতে এবং আধিপত্য দেখাতে। আমাদের আগের ব্যর্থতাগুলো ভুলে ভবিষ্যতে মনোযোগ দিতে হবে।’

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
পাচারের থাবায় নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে বিচিত্র প্রাণী লেমুর
পাচারের থাবায় নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে বিচিত্র প্রাণী লেমুর

​সাব্বির হোসাইন ​গাছের ডালপালা টপকে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে লাফিয়ে চলা বিচিত্র প্রাণী—লেমুর। মাদাগাস্কারের পাইন ও বাঁশবনের বুক চিরে ভেসে আসা এদের কোলাহল দিনদিন নিস্তব্ধ হয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) লাল তালিকা বা রেড লিস্টে পৃথিবীর অন্যতম বিপন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণী হিসেবে স্থান পেয়েছে। বিশ্বজুড়ে এদের বিপন্নতার সংকট যখন তুঙ্গে; ঠিক তখনই বাংলাদেশের সরকারি সাফারি পার্ক থেকে লেমুর চুরির পর ভারতে পাচারের চাঞ্চল্যকর ঘটনা উন্মোচিত করেছে গভীর উদ্বেগের চিত্র। ​আইইউসিএন রেড লিস্টের অশনিসংকেত ​আইইউসিএনের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে বিদ্যমান ১১২টি লেমুর প্রজাতির মধ্যে প্রায় ৯৪ শতাংশই বিলুপ্তির চরম হুমকিতে। এর মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ (৩১%) প্রজাতিকে সরাসরি ‘অতি বিপন্ন’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ​আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি ‘সাইটিস’র পরিশিষ্ট-১ ভুক্ত হওয়ায় বিশেষ অনুমতি ছাড়া বিশ্ববাজারে রিং-টেইলড লেমুরসহ এই প্রাণীদের কেনাবেচা সম্পূর্ণ বেআইনি। তা সত্ত্বেও বন উজাড়, ঝুম চাষ, চোরাশিকার এবং বিত্তবানদের কাছে ‌বিলাসবহুল খাবার কিংবা পোষা প্রাণী হিসেবে বেআইনি চাহিদার কারণে অরণ্যের এই সন্তানদের প্রজননক্ষম সংখ্যা দিনদিন তলানিতে ঠেকছে। আরও পড়ুন সামুদ্রিক কচ্ছপের বংশরক্ষায় করণীয় পৃথিবীর একমাত্র বিশেষ ভৌগোলিক অঞ্চল হিসেবে মাদাগাস্কার দ্বীপে লেমুর প্রাকৃতিকভাবে বসবাস করে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এদের ভূমিকা অপরিহার্য। এরা বনের বিভিন্ন ফল ও বীজ খেয়ে তা অরণ্যে ছড়িয়ে দেয় এবং দূর-দূরান্তের উদ্ভিদের পরাগায়ন ঘটায়। পরিবেশবিদরা তাই লেমুরদের বলেন ‘অরণ্যের স্থপতি’। নির্দিষ্ট সীমানায় আবদ্ধ এই প্রাণী পৃথিবীর আর কোথাও প্রাকৃতিকভাবে বাঁচে না। ফলে এখান থেকে লেমুর নিশ্চিহ্ন হওয়া মানে পুরো বিশ্ব থেকে প্রজাতিটির চিরতরে হারিয়ে যাওয়া। ​কড়া নিরাপত্তা ডিঙিয়ে সাফারি পার্কের লেমুর গুজরাটের ‘বনতারা’য় ​আন্তর্জাতিক স্তরে লেমুর যখন অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে ব্যস্ত; তখন বাংলাদেশে সামনে এসেছে ভয়াবহ পাচারকাহিনি। গাজীপুরের সাফারি পার্কের নিরাপত্তা বলয় ভেঙে চুরি যাওয়া দুটি অতি-বিপন্ন রিংটেইল লেমুরের সন্ধান মিলল ভারতের গুজরাটে—ধনাঢ্য আম্বানি পরিবারের বন্যপ্রাণী সেবাকেন্দ্র ‘বনতারা’য়। আরও পড়ুন বিশ্বের সবচেয়ে বড় কাঠবিড়ালি বাংলাদেশে, তবুও কেন হারিয়ে যাচ্ছে? যেভাবে সীমান্ত পার হলো অতি-বিপন্ন প্রাণী ​তদন্তকারী সংস্থা সিআইডির অনুসন্ধান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ গভীর রাতে সাফারি পার্কের চুক্তভিত্তিক এক রক্ষীর সহায়তায় খাঁচা ভেঙে একটি মা লেমুর ও তার দুই ছানা চুরি করে আন্তর্জাতিক চোরাকারবারি চক্রের দেশীয় এজেন্টরা। চুরির পর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয় ভারতের সম্ভাব্য ক্রেতাদের কাছে। ​কলকাতা ও মুম্বাইয়ের পাচারকারীদের সাথে দরদাম পাকা হওয়ার পর দর্শনা সীমান্ত দিয়ে মা লেমুর ও একটি ছানাকে ভারতে পাচার করে দেওয়া হয়। প্রায় ৪৮ লাখ ভারতীয় রুপিতে (প্রায় ৬৮ লাখ টাকা) কয়েক দফা হাতবদল হয়ে লেমুর দুটি ঠাঁই পায় গুজরাটের জামনগরে আম্বানিদের ‌‘বনতারা’ আশ্রয়ে। চুরি যাওয়া অন্য ছানাটির হদিস এখনো মেলেনি। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসা ছবি থেকেই পাচারের রহস্য উন্মোচিত হয়। ​২০১৮ সালে ঢাকার বিমানবন্দর থেকে জব্দ করার পর লেমুর জোড়াটিকে স্থায়ী আবাস হিসেবে সাফারি পার্কে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে ছানার জন্ম হলেও টানা পাঁচ বছরেরও বেশি সময় সরকারি হেফাজতে থাকা এই প্রাণীর শরীরে বসানো হয়নি কোনো শনাক্তকারী ইলেকট্রনিক মাইক্রোচিপ বা ডিএনএ ট্র্যাকিং ডেটাবেজ। ​আন্তর্জাতিক আইনে পাচারকৃত প্রাণীর স্বত্ব প্রমাণের মূল শর্তই হলো মাইক্রোচিপ বা জেনেটিক কোড। পার্ক কর্তৃপক্ষের এই উদাসীনতার কারণে ইন্টারপোলের সহায়তায় পাচার হওয়া প্রাণী দুটিকে বৈজ্ঞানিকভাবে নিজেদের বলে দাবি করার আইনি পথ এখন অত্যন্ত জটিল রূপ নিয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে থাকা অন্য ছানাটির ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে পাচার হওয়া লেমুর দুটির সাথে বংশগত সূত্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে। আরও পড়ুন ৩ কারণে বিপন্ন হচ্ছে প্রকৃতির পরম বন্ধু ‘গন্ধগোকুল’ ​অরণ্যপতিদের বাঁচাতে এখন যা জরুরি ​বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ ড. মো. রেজা খানের মতে, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কেবল প্রচলিত আইন যথেষ্ট নয়। এর জন্য সরকারি বা বেসরকারি আশ্রয়ে থাকা প্রতিটি বিপন্ন প্রাণীর শরীরে মাইক্রোচিপ স্থাপন ও ডিএনএ প্রোফাইলিং বাধ্যতামূলক করা জরুরি। তাছাড়া আন্তর্জাতিক পাচার রুখতে দর্শনার মতো স্পর্শকাতর সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে ডিজিটাল নজরদারি ও সিসিটিভি জোরদার করা আবশ্যক। এমনকি বন বিভাগ, পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে রিয়েল-টাইম তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। মাদাগাস্কারের অরণ্য থেকে শুরু করে বাংলাদেশের সংরক্ষিত সাফারি পার্ক—কোথাওই যদি লেমুরদের জন্য নিরাপদ আবাস্থল নিশ্চিত করা না যায়, তবে পৃথিবীর অমূল্য এই ‘অরণ্যের স্থপতি’রা একদিন কেবল রূপকথার বই আর আলোকচিত্রেই সীমাবদ্ধ হয়ে থাকবে। লেখক: শিক্ষার্থী, তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা, টঙ্গী। এসইউ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ইউনিটে বদলি

পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ইউনিটে বদলি

সত্যিই ৮০-র দশকে ফিরতে পারলে সোনা নাকি জমি কিনতেন?

সত্যিই ৮০-র দশকে ফিরতে পারলে সোনা নাকি জমি কিনতেন?

যে কোনো দলের বৈধ প্রার্থী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন

যে কোনো দলের বৈধ প্রার্থী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন

মহাখালীর আগুন নিয়ন্ত্রণে
মহাখালীর আগুন নিয়ন্ত্রণে

রাজধানীর মহাখালীতে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর ভবনের পাশে চারতলা ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ১২ মিনিটে ওই ভবনের ছাদে পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের মালামালে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। আরও পড়ুন এবার মহাখালীতে একটি ভবনে আগুন ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার খালেদা ইয়াসমিন জাগো নিউজকে বলেন, আগুনের খবর পেয়ে তেজগাঁও ফায়ার স্টেশন থেকে তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। তবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে এবং এতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না তা জানাতে পারেননি তিনি। টিটি/ইএ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
আড়ংয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, থাকতে হবে স্নাতক পাস

আড়ংয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, থাকতে হবে স্নাতক পাস

দূরদর্শিতা, একজন জেনারেল ও কয়েকটি প্রশ্ন

দূরদর্শিতা, একজন জেনারেল ও কয়েকটি প্রশ্ন

১১ বারের হাজী, ১২তম হজটা করে যেতে পারেননি এটিএম শামসুজ্জামান

১১ বারের হাজী, ১২তম হজটা করে যেতে পারেননি এটিএম শামসুজ্জামান

মির্জা ফখরুলের আসনে উপনির্বাচনের ভোট ২৯ অক্টোবর
মির্জা ফখরুলের আসনে উপনির্বাচনের ভোট ২৯ অক্টোবর

শূন্য ঘোষিত ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসনে আগামী ২৯ অক্টোবর উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ তফসিল ঘোষণা করেছে। এদিন আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন ইসি তফসিল চূড়ান্ত করার পর নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। আরও পড়ুন ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির হাল ধরবেন কে? ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর। এছাড়া মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২৯ সেপ্টেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৭ অক্টোবর, প্রতীক বরাদ্দ হবে ৮ অক্টোবর। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২৯ অক্টোবর। গত ২০ আগাস্ট জাতীয় সংসদে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরদিন তিনি শপথ নিলে ওই আসনটি শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়। সংবিধানের ৫০ (৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাহার কার্যভারকালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, এবং কোনো সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাহার কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাহার আসন শূন্য হইবে। আরও পড়ুন মির্জা ফখরুল ইসলাম রাষ্ট্রপতি হওয়ায় ঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য ঘোষণা সংবিধানের ১২৩ (৪) অনুচ্ছেদ মোতাবেক, সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।  এমওএস/এমকেআর 

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
চার মেয়ের পর জন্মেছিল এক ছেলে, তাঁর মৃত্যুর খবরে বারবার সংজ্ঞা হারাচ্ছেন মা

চার মেয়ের পর জন্মেছিল এক ছেলে, তাঁর মৃত্যুর খবরে বারবার সংজ্ঞা হারাচ্ছেন মা

খ্যাঁকশিয়াল কেবল ‘মুরগিচোর’ নয়, প্রকৃতি-কৃষির রক্ষকও

খ্যাঁকশিয়াল কেবল ‘মুরগিচোর’ নয়, প্রকৃতি-কৃষির রক্ষকও

গেন্ডারিয়ায় মাদক নিয়ে গোলাগুলি, গ্রেফতার ৫

গেন্ডারিয়ায় মাদক নিয়ে গোলাগুলি, গ্রেফতার ৫

0 Comments