অর্থনীতি

চুক্তিভিত্তিক সরকারি চাকরিজীবীরাও বাড়তি বেতন পাবেন

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
চুক্তিভিত্তিক সরকারি চাকরিজীবীরাও বাড়তি বেতন পাবেন
চুক্তিভিত্তিক সরকারি চাকরিজীবীরাও বাড়তি বেতন পাবেন
চুক্তিভিত্তিক সরকারি চাকরিজীবীরাও বাড়তি বেতন পাবেন

Prothomalo

View more
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের স্থান পরিবর্তন, সময় একই আছে
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের স্থান পরিবর্তন, সময় একই আছে

<p>এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬–এর ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানের বিজ্ঞপ্তিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আগামী শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে ফলাফল প্রকাশের ঘোষণা দেওয়া হবে। এর আগে ফলাফল প্রকাশের অনুষ্ঠানটি রাজধানীর সেগুনবাগিচার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে হওয়ার কথা ছিল।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/gdjtmpe5jp">প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা</a></aside><p>আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির প্রকাশিত সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন।</p><p>এদিকে এর আগে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অনলাইনে রেজাল্ট পোর্টাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যম ও মুঠোফোনে এসএমএস বা খুদে বার্তায় ফলাফল পাবেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড বা পত্রিকা অফিসে কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/w10ysi0rr2">এআই যুগে গণিত শেখা কি জরুরি, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ জেনে নিন</a></aside><p>এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ২ জুলাই। লিখিত পরীক্ষা ৮ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হয়। এবার নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ পরীক্ষার্থী অংশ নেন। অবশ্য পরীক্ষায় বেশ কিছুসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/5dp552hmbv">উন্নত ক্যারিয়ার গঠনে যে ১০ বিদেশি ভাষা শিক্ষা এগিয়ে রাখবে আপনাকে </a></aside>

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
পাঠকের ছবি (২৯ অক্টোবর ২০২৬)
পাঠকের ছবি (২৯ অক্টোবর ২০২৬)

<p>পাঠকের পাঠানো ছবি থেকে বাছাই করা ছবি নিয়মিত প্রকাশিত হয় নাগরিক সংবাদে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/vgnly9mg/200.jpg"><figcaption>সারা দিনের ক্লান্তি শেষে ঘরে ফেরার পালা। ছবিটি সম্প্রতি তোলা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/973tw7oa/201.jpg"><figcaption> গতকালের ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিতে নেতিয়ে পড়েছে জমির ফসল। পলাশতলা, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, ২৯ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/a43nm25g/202.jpg"><figcaption>প্রমত্ত পদ্মার বুকে অস্তগামী সূর্য, লালন শাহ সেতু আর হার্ডিঞ্জ রেলসেতুর এক অপরূপ চিত্র। পাকশী, ঈশ্বরদী, পাবনা। ছবিটি সম্প্রতি তোলা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/6wq7ztqk/203.webp"><figcaption> চিরচেনা মেঠোপথ, ধানের জমি আর মাটির ঘ্রাণ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/gevlv6in/204.jpg"><figcaption>জোছনারাতে চাঁদ ও এলইডির চকচকে আলোয় ঐতিহাসিক ছয় আনি পুকুরের শোভা। ছয় আনি পুকুরপাড়, টাঙ্গাইল। ছবিটি সম্প্রতি তোলা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/co7a1f50/205.jpg"><figcaption>বাঁশের মাচায় ঝিঙে ফুলের বাহার। কামার বায়সা, সাতক্ষীরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/zr0be668/206.jpg"><figcaption> ভোরের আলোয় ঘাস খাওয়ায় ব্যস্ত অ্যানিমেল ফার্মের একটি ঘোড়া। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ, ২৮ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure>

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
বাংলাদেশ–মালয়েশিয়া এফটিএর প্রথম আলোচনা শেষ, জানুয়ারিতে কুয়ালালালামপুরে আবার দর–কষাকষি
বাংলাদেশ–মালয়েশিয়া এফটিএর প্রথম আলোচনা শেষ, জানুয়ারিতে কুয়ালালালামপুরে আবার দর–কষাকষি

ঢাকার একটি হোটেলে ২৭ অক্টোবর শুরু হওয়া বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া এফটিএ আলোচনা আজ বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। এতে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিরা চুক্তির বিভিন্ন অধ্যায়ের খসড়া ও কাঠামো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
এমবাপ্পে ও রিয়াল মাদ্রিদের ক্ষমাপ্রার্থনায়ও মন গলছে না চীনের
এমবাপ্পে ও রিয়াল মাদ্রিদের ক্ষমাপ্রার্থনায়ও মন গলছে না চীনের

চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চীনা জনগণের অনুভূতিতে আঘাত করে, এমন যেকোনো কথা বা কাজ চীনের সমাজের সব স্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়বে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
ট্রাক থামিয়ে ৩০ হাজার ইয়াবা আত্মসাতের 
অভিযোগ, ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
ট্রাক থামিয়ে ৩০ হাজার ইয়াবা আত্মসাতের অভিযোগ, ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

<p>ট্রাক থামিয়ে ৩০ হাজার ইয়াবা আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানার এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।</p><p> অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা হলেন সাতকানিয়া থানার এসআই এস এম মাহবুবুল ইসলাম, কনস্টেবল ফয়েজ আহমেদ ও গাজী মো. মহসিন।</p><p> গত বুধবার চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের সই করা এক চিঠিতে তাঁদের সাতকানিয়া থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার বিষয়টি জানাজানি হয়।</p><p>অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে তিন পুলিশ সদস্যকে সাতকানিয়া থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><p>পুলিশ সূত্র জানায়, গত শনিবার রাতে কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে একটি মিনিট্রাকে করে ৩০ হাজার ইয়াবা চট্টগ্রামের দিকে আনা হচ্ছিল। লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ইউনিয়নের একটি নির্জন সড়কে পৌঁছালে মোটরসাইকেল নিয়ে পুলিশ সদস্যরা ট্রাকটির গতি রোধ করেন। এ সময় ট্রাকচালক নাছিরকে হাতকড়া পরিয়ে জিম্মি করা হয়। পরে ট্রাকটি সাতকানিয়ার কেরানীহাট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।</p><p>সেখানে পুলিশের দুই কথিত সোর্স রবিন ও মোমিনের সহযোগিতায় ট্রাকের চালকের আসন থেকে ৩০ হাজার ইয়াবা সরিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার প্রমাণ মুছে ফেলতে ট্রাকের সিসিটিভি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং মেমোরি কার্ড ফরম্যাট করে দেওয়া হয় বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।</p>

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
খুলনা অভিমুখে বহরে হাজারের বেশি গাড়ি থাকার আশা করছে জামায়াত
খুলনা অভিমুখে বহরে হাজারের বেশি গাড়ি থাকার আশা করছে জামায়াত

<p>চট্টগ্রাম ও রংপুরের পর এবার খুলনা বিভাগ অভিমুখে লংমার্চ করতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্য। আগামী শনিবার এই কর্মসূচির বহরে এক হাজারের বেশি গাড়ি যুক্ত হতে পারে বলে আশা করছেন জামায়াতের নেতারা। কুষ্টিয়ায় সমাপনী সমাবেশে লক্ষাধিক মানুষের সমাগমের প্রত্যাশাও করছেন তাঁরা।</p><p> সাত দফা দাবিতে আয়োজিত এই কর্মসূচি ঘিরে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে প্রস্তুতি চলছে। পথসভা ও সমাবেশের স্থানগুলোয় মঞ্চ তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। প্রচারপত্র বিতরণ, মাইকিং ও গণসংযোগ চলছে। আয়োজকদের ভাষ্য, আগের দুটি লংমার্চের তুলনায় এবার তাঁরা বেশি সাড়া পাচ্ছেন।</p><p> জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, ঢাকা থেকে খুলনা–কুষ্টিয়া অভিমুখে লংমার্চের পথে ১৯টি জেলা পড়েছে। লংমার্চ নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও রেঞ্জ ডিআইজিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। পথসভা ও সমাবেশের স্থানগুলো পরিদর্শন করা হচ্ছে।</p><p> মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, খুলনায় প্রবেশের আগেই বহরে এক হাজার গাড়ি যুক্ত হতে পারে। মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের আশাও করছেন তাঁরা।</p><h3>বায়তুল মোকাররম থেকে যাত্রা </h3><p>১১–দলীয় ঐক্যের পরিকল্পনা অনুযায়ী, শনিবার সকাল সাতটায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ফটক থেকে লংমার্চের উদ্বোধন হবে। এতে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের।</p><p>ঢাকা থেকে মাওয়া হয়ে মাদারীপুর–শরীয়তপুরের মাঝামাঝি নাওডোবা দিয়ে খুলনা বিভাগের দিকে যাবে গাড়িবহর। পথে নাওডোবা, বাগেরহাটের কাটাখালী, খুলনার বাবরী চত্বর ও স্বাধীনতা চত্বর, যশোরের মুড়লি মোড় এবং ঝিনাইদহ–চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পথসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী সমাবেশ হবে।</p><p>এর আগে কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে সমাবেশ করার কথা বলেছিল ১১–দলীয় ঐক্য। তবে প্রশাসন আট শর্তে তাদের আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম ব্যবহারের অনুমতি দেয়।</p><p>কুষ্টিয়া–২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আবদুল গফুর আজ বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, সমাবেশের মঞ্চ নির্মাণসহ প্রস্তুতি প্রায় শেষের দিকে। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রচার চালানো হয়েছে। কুষ্টিয়ার সমাপনী সমাবেশে লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতি আশা করছেন তাঁরা।</p><h3>গোপালগঞ্জে নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা </h3><p>লংমার্চের পথ গোপালগঞ্জের মধ্য দিয়ে যাওয়ায় নিরাপত্তার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা গোপালগঞ্জে গেলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীদের হামলার শিকার হয়েছিলেন। সেই ঘটনার পর এবার লংমার্চ ঘিরেও কেউ কেউ সংঘাতের আশঙ্কা করছেন।</p><p>তবে ১১–দলীয় ঐক্যের নেতারা বিষয়টিকে আশঙ্কা হিসেবে দেখছেন না। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১–দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ আজ দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, গোপালগঞ্জ বাংলাদেশেরই একটি অংশ। সেখানে বিরোধী দলের লংমার্চ ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের।</p><p>হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা কমছে। এ কারণে বিরোধী দলের কর্মসূচিতে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যাচ্ছে। তাঁর দাবি, খুলনা–কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চে আগের দুই কর্মসূচির তুলনায় গাড়িবহর ও মানুষের উপস্থিতি বেশি হতে পারে।</p><h3>সাত দফা দাবিতে রাজনৈতিক চাপ </h3><p>গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি সামনে রেখে এই লংমার্চ করছে ১১–দলীয় ঐক্য। তাদের অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ–জ্বালানি–গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, দুর্নীতি–চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে দলীয়করণ বন্ধ করা।</p><p>১১ দলের নেতাদের বক্তব্য, সরকার গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। এর প্রতিবাদেই রাজপথে কর্মসূচি জোরদার করছেন তাঁরা। এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম ও ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে লংমার্চ করেছিল ১১–দলীয় ঐক্য। খুলনা বিভাগের কর্মসূচিতে স্থানীয় পর্যায়ে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।</p>

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
পালিয়ে থাকতে চঞ্চল বিশ্বাস থেকে হলেন সুজা বিশ্বাস, ১৩ বছর পর সিআইডির জালে
পালিয়ে থাকতে চঞ্চল বিশ্বাস থেকে হলেন সুজা বিশ্বাস, ১৩ বছর পর সিআইডির জালে

মুঠোফোনে সুলতানকে ডেকে নেন চঞ্চল। পরদিন সকালে উদয়পুর গ্রামের মাঠ থেকে তাঁর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
সাবেক বিমান কর্মকর্তার মৃত্যু: বাবার দাবি, খুন!
সাবেক বিমান কর্মকর্তার মৃত্যু: বাবার দাবি, খুন!

সাবেক বিমান কর্মকর্তার মৃত্যু: বাবার দাবি, খুন!

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
নরসিংদীর চরাঞ্চলে দুই পক্ষের টেঁটাযুদ্ধে অন্তত ২৪ জন আহত
নরসিংদীর চরাঞ্চলে দুই পক্ষের টেঁটাযুদ্ধে অন্তত ২৪ জন আহত

নরসিংদী সদর উপজেলার চরাঞ্চল চরদিঘলদীতে আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে দুই পক্ষের টেঁটাযুদ্ধে অন্তত ২৪ জন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার চরদিঘলদী ইউনিয়নে জিৎরামপুর গ্রামে টিটিরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।