কর্দোবায় মারিও কেম্পেস স্টেডিয়ামে বলিভিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে বড় জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা।
<p>দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে সংবিধান অনুযায়ী শান্তিবাদের নীতিতে চলা জাপান এখন নিজস্ব প্রতিরক্ষা খাতে নজিরবিহীন বিনিয়োগ করছে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তায় অকল্পনীয় ভূমিকা রাখছে। জাপান প্রতিরক্ষা বাজেট দ্বিগুণ করা, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কেনা, বিদেশে সেনা মোতায়েনের চুক্তি, সামরিক মহড়ায় সরাসরি অংশ নেওয়া এবং মারণাস্ত্র রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার মতো নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিয়েছে।</p><p>জাপানের বর্তমান কৌশল যুক্তরাষ্ট্রের জন্যই লাভজনক। টোকিও ওয়াশিংটনের সঙ্গে তার মিত্রতা থেকে সরে আসছে না কিংবা সামরিক স্বায়ত্তশাসনও খুঁজছে না; বরং তারা ইন্দো-প্যাসিফিকে মার্কিন শক্তির স্থায়িত্ব বাড়াতে কাজ করছে।</p><p>চীনকে ঠেকানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের উচিত জাপানের এই সংস্কার ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করা। কারণ, এতে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ও ঝুঁকি দুই-ই অনেক কমে যায়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/3ih1l1ri90"> চীন, রাশিয়া, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র— সবার সঙ্গে সম্পর্কের কৌশলে ভারত</a></aside><p>তবে যুক্তরাষ্ট্র জাপানকে যথাযথ অগ্রাধিকার না দিয়ে এ সুযোগ নষ্ট করার ঝুঁকিতে রয়েছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি তাইওয়ান রক্ষা নিয়ে একটি মন্তব্য করার পর বেইজিং টোকিওর বিরুদ্ধে ব্যাপক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে। তারা জাপানে ভারী বিরল মৃত্তিকা খনিজের সরবরাহ সংকুচিত করে এবং জাপানি সামুদ্রিক খাবার আমদানি স্থগিত করে।</p><p>তাকাইচির বক্তব্য মার্কিন নীতিমালার অনুকূলে থাকা সত্ত্বেও ওয়াশিংটন প্রকাশ্যে তাঁর পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ায়নি। এরপর ২০২৬ সালের মে মাসে ওয়াশিংটন টোকিওকে জানায় যে ইরান যুদ্ধের কারণে দুই বছর আগে জাপানের কেনা টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ বিলম্বিত হবে।</p><p>আপাতত জাপান এসব ঘটনা উপেক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারত্বে বিনিয়োগ চালিয়ে যাচ্ছে। কারণ, ওয়াশিংটন ছাড়া টোকিওর হাতে আর কোনো উন্নত বিকল্প নেই। ওয়াশিংটনের উদাসীনতা ও টোকিওর প্রতি অবহেলা পুরো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমিয়ে দিতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-30/l6ahm4ck/2026-09-23T053706Z1958701863RC2SONANRT3VRTRMADP3UN-ASSEMBLY-JAPAN.JPG.webp"><figcaption>জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি </figcaption></figure><h3>একক পাহারা</h3><p>কয়েক দশক ধরে মার্কিন-জাপান জোটের ভিত্তি ছিল কাজের এক দ্বিপক্ষীয় বণ্টন: যুক্তরাষ্ট্র জাপানের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবে, আর জাপান তার জাতীয় শক্তি অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে নিয়োজিত করবে। অসম হলেও এই সমঝোতা দুই পক্ষকেই সন্তুষ্ট করেছিল।</p><p>স্নায়যুদ্ধকালে এশিয়ায় সোভিয়েত প্রভাব ঠেকানোর পাশাপাশি জাপানি সামরিকবাদের পুনরুত্থান রোধে আমেরিকা অঞ্চলে স্থায়ী অবস্থান পায়, আর ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পায় জাপান।</p><p>কিন্তু গত দুই দশকের একাধিক বাহ্যিক ধাক্কা জাপানি নেতাদের এই যুদ্ধোত্তর সমঝোতা পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করেছে। ২০১০ সালে বিরোধপূর্ণ সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ (চীনে দিয়াওইউ দ্বীপপুঞ্জ নামে পরিচিত) নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিলে বেইজিং টোকিওতে বিরল খনিজ রপ্তানির ওপর অনানুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে।</p><p>এর মাধ্যমে চীন দেখিয়ে দেয় যে তারা সরবরাহশৃঙ্খলকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে প্রস্তুত, যা টোকিওর দুর্বলতাকে প্রকাশ করে দেয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/vycxb3mx7k">যুক্তরাষ্ট্র-চীনের এআই যুদ্ধ কতটা ভয়ংকর হতে যাচ্ছে</a></aside><p>জাপানি নেতৃত্বও মার্কিন প্রতিশ্রুতির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন আরও প্রমাণ করে যে পরাশক্তিগুলো জোর খাটিয়ে ভৌগোলিক সীমানা পুনর্বিন্যাস করতে ইচ্ছুক।</p><p>একই বছর তৎকালীন মার্কিন হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের পর চীনের আগ্রাসী সামরিক মহড়া জাপানের কাছে স্পষ্ট করে দেয় যে তাইওয়ান প্রণালির সংঘাত এখন আর কেবল তাত্ত্বিক বিষয় নয়। টোকিও ধীরে ধীরে উপলব্ধি করে যে তাদের নিজস্ব সক্ষমতা বাড়ানো এবং স্বার্থ রক্ষায় আরও দায়িত্ব নেওয়া প্রয়োজন।</p><p>২০১৬ সাল থেকে জাপান ‘মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক’ কৌশল অনুসরণ করছে, যার উদ্দেশ্য হলো ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোকে আইনের শাসন, নৌ চলাচলের স্বাধীনতা এবং মুক্তবাণিজ্যের ভিত্তিতে সুসংগঠিত করা।</p><p>এই কৌশলের অংশ হিসেবে জাপান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোয়াড জোট পুনরুজ্জীবিত করে, যা অবৈধ সামুদ্রিক গতিবিধি শনাক্তকরণ এবং সমুদ্রের তলদেশের কেব্ল সুরক্ষায় কাজ করছে।</p><p>২০২২ সাল থেকে জাপান অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপাইন ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সামরিক সমঝোতা চুক্তি সই করেছে, যা এক দেশের সামরিক বাহিনীকে অন্য দেশের ভূমিতে প্রশিক্ষণ ও অপারেশনের অনুমতি দেয়। এসব চুক্তি গভীর সামরিক সহযোগিতার ভিত্তি গড়ে তোলে।</p><p>চলতি বছরের শুরুর দিকে জাপান প্রথমবারের মতো মার্কিন-ফিলিপাইন যৌথ সামরিক মহড়ায় কমব্যাট ভূমিকায় অংশ নিতে সেনা পাঠায়। </p><blockquote>জাপান এখনো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জোটবদ্ধ থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু ওয়াশিংটনের এতে আত্মতুষ্টিতে ভোগা উচিত নয়। যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সমর্থন না পেলে মার্কিন-জাপান সম্পর্ক দুর্বল হয়ে পড়বে, যা বিশ্বরাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সেরা মিত্রকে দূরে ঠেলে দেবে। </blockquote><p>জাপান তাদের শিল্পশক্তিকেও নিরাপত্তা অংশীদারত্বে রূপান্তর করছে। তারা ইতালি ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ষষ্ঠ প্রজন্মের একটি যুদ্ধবিমান যৌথভাবে তৈরি করছে। ২০২৩ সালে জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে একটি নিরাপত্তা সহায়তা কর্মসূচি শুরু করে, যার মাধ্যমে অংশীদার দেশগুলোকে সামরিক সরঞ্জাম ও অবকাঠামো দেওয়া হচ্ছে।</p><p>২০২৬ সালে টোকিও প্রাণঘাতী অস্ত্র রপ্তানির ওপর বহু দশকের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। তাইওয়ানকেন্দ্রিক সংঘাত ঠেকাতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন প্রচেষ্টায় আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের ইঙ্গিত দিয়েছে জাপান। </p><p>গত নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি বলেন, চীনের তাইওয়ান অবরোধ জাপানের জন্য একটি ‘অস্তিত্বের সংকটজনক পরিস্থিতি’ তৈরি করতে পারে। জাপানের অধিকাংশ নাগরিক তাকাইচির এ বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন।</p><p>কথার সঙ্গে কাজের মিল রেখে জাপান তাইওয়ানের সবচেয়ে কাছের অঞ্চল রিউকিউ দ্বীপপুঞ্জে তাদের সামরিক অবকাঠামো আধুনিকীকরণ করেছে। ২০২৪ সালে জাপানের নৌবাহিনী প্রথমবারের মতো তাইওয়ান প্রণালি অতিক্রম করে এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৪০০টি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহ করে। </p><p>নিজস্ব সামরিক শক্তি বাড়িয়ে মার্কিন সক্ষমতার পরিপূরক হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে জাপান এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি বজায় রাখা ও চীনের আগ্রাসন রোধ করার লক্ষ্য রাখছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-30/vcz6r59g/J35ACUR4I5KHBFRL5CEY3I5JVA.avif"><figcaption>জাপানের সামরিক মহড়া</figcaption></figure><h3>আমেরিকার উদাসীনতার ঝুঁকি</h3><p>যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য জাপানের এই ঐতিহাসিক নীতিগত পরিবর্তনকে প্রকাশ্যে তেমন একটা উদ্যাপন করেনি; বরং এ অঞ্চলকে আশ্বস্ত করার মতো পদক্ষেপ নিতেও তারা ব্যর্থ হয়েছে। টোকিওতে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ বিলম্বিত করা এবং রণতরি সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে দিয়েছে বা বাতিল করেছে।</p><p>তারা তাইওয়ানের কাছে একটি বড় অস্ত্র বিক্রি স্থগিত রেখেছে এবং ইরান যুদ্ধের কারণে তাইওয়ানের কেনা অন্যান্য অস্ত্র সরবরাহও পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।</p><p>জাপান এখনো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জোটবদ্ধ থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু ওয়াশিংটনের এতে আত্মতুষ্টিতে ভোগা উচিত নয়। যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সমর্থন না পেলে মার্কিন-জাপান সম্পর্ক দুর্বল হয়ে পড়বে, যা বিশ্বরাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সেরা মিত্রকে দূরে ঠেলে দেবে।</p><p>এক অনিশ্চিত টোকিওকে তখন অনেক সম্পর্ক নতুন করে বিবেচনা করতে হবে। তারা মার্কিন স্বার্থের পরিপন্থী হলেও অন্যান্য দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে পারে। </p><p>তাদের উত্তর সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে এবং জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে জাপান ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন কমিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে আপস করতে পারে। খনিজ সম্পদের জন্য তারা মিয়ানমারের সামরিক জান্তার সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে পারে, এমনকি কম দামে ইরানি তেল কেনার পথও খুঁজতে পারে। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/3ru2qaj0nr">‘রেয়ার–আর্থ’ কি চীনের নতুন হাতিয়ার হতে যাচ্ছে</a></aside><p>জাপান যদি বুঝতে পারে যে তারা আর মার্কিন পারমাণবিক সুরক্ষার ওপর ভরসা করতে পারছে না, তবে তারা নিজেরাও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দিকে হাঁটতে পারে। চীন, উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়া—সবার হাতেই বিশাল পারমাণবিক অস্ত্রাগার রয়েছে; ফলে পারমাণবিক চাপ থেকে বাঁচতে জাপান নিজেকেও পারমাণবিক শক্তিতে সমৃদ্ধ করতে বাধ্য মনে করবে। </p><p>একই সঙ্গে জাপান ব্যাপক প্রথাগত সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে হাত দেবে। যুক্তরাষ্ট্র পাশে নেই দেখে এবং জাপানের সামরিক শক্তি বাড়ার আগেই সুযোগ নিতে চীন পূর্ব চীন সাগরে তাদের দাবিগুলো জোর খাটিয়ে আদায় করতে চাইতে পারে, যা সংঘাতের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। </p><p>জাপান যদি মার্কিন ঘাঁটিগুলোর অবস্থান সংকুচিত করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে ওয়াশিংটন এ অঞ্চলে তার সবচেয়ে সেরা সামরিক অবস্থানটি হারাবে। এতে ইন্দো-প্যাসিফিকে ক্ষমতা প্রদর্শন এবং গুরুত্বপূর্ণ বাজারগুলোর প্রবেশাধিকার সুরক্ষিত রাখার মার্কিন সক্ষমতা মারাত্মকভাবে মার খাবে। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-30/a6amtd14/3NRTOK2QXZMKHOWK5BR342CJ4Q.jpg"><figcaption>ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের বাইরে একসঙ্গে উড়ছে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের জাতীয় পতাকা </figcaption></figure><h3>টোকিওর লাভ, ওয়াশিংটনের লাভ</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের উচিত জাপানের এ আস্থাকে অবহেলা না করে তার যথাযথ মূল্যায়ন করা। ওয়াশিংটন এমন কিছু পদক্ষেপ নিতে পারে, যা জাপানকে এই কৌশলগত পথে থাকতে উৎসাহিত করবে, মার্কিন প্রতিশ্রুতি নিয়ে তৈরি হওয়া সংশয় দূর করবে এবং চীনকে স্পষ্ট বার্তা দেবে যে টোকিওর ওপর তাদের চাপ প্রয়োগ সফল হবে না।</p><p>চীনের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতায় জয়ী হতে এবং ইন্দো-প্যাসিফিকে মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় একটি শক্তিশালী মার্কিন-জাপান জোট অপরিহার্য।</p><p>প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান উন্নত প্রযুক্তির মারণাস্ত্র যৌথভাবে তৈরি করতে পারে। এটি যেমন ওয়াশিংটনের অস্ত্রঘাটতি মেটাতে সাহায্য করবে, তেমনি টোকিওর প্রতিরক্ষাশিল্পকেও চাঙা করবে।</p><p>দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান তাদের সামরিক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন আরও নিবিড়ভাবে সমন্বিত করতে পারে। তারা জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমের দ্বীপগুলোকে সামরিক পরিচালনার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/19dxc7d953">মার্কিন নৌবাহিনী চরম বিপর্যয়ে, চীন যেভাবে টেক্কা দিচ্ছে</a></aside><p>কূটনৈতিক গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়ও বাড়ানো যেতে পারে। অতীতে টোকিওর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অভাব এবং সাইবার নিরাপত্তার ঘাটতির কারণে গোয়েন্দা তথ্য শেয়ারিং সীমিত ছিল। </p><p>কিন্তু ২০২৬ সালে জাপান একটি ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স কাউন্সিল ও ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো গঠন করেছে এবং শীর্ষ গোপনীয় ক্লাউড অবকাঠামো তৈরিতে মার্কিন ফার্মগুলোর সঙ্গে কাজ করছে।</p><p>অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। সংকটপূর্ণ খনিজ ও ‘রেয়ার আর্থ’ উপাদানে চীনের আধিপত্য ওয়াশিংটন ও টোকিও উভয়ের জন্যই বড় দুর্বলতা।</p><p>দুই দেশের উন্নয়ন অর্থায়ন সংস্থাগুলো যৌথভাবে একটি ‘ক্রিটিক্যাল মিনারেলস ফান্ড’ গঠন করতে পারে, যা চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করবে। এ ছাড়া শক্তি বা জ্বালানি খাতেও সহযোগিতা বাড়ানো যায়।</p><ul><li><p><strong>ডেভিড স্যাক্স</strong> কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের একজন ফেলো। <strong>নিক স্নাইডার</strong> হাডসন ইনস্টিটিউটের একজন সিনিয়র ফেলো।</p><p><em>ফরেন অ্যাফেয়ার্স</em> থেকে সংক্ষেপে অনূদিত।</p></li></ul>
উদ্বেগের মধ্যে জাপানে প্রথমবার অ্যানিমেল ক্যাফেগুলো নিয়ে জাতীয় জরিপ শুরু হয়েছে। এতে প্রাণীর পরিবেশ ও তাদের সঙ্গে দর্শনার্থীদের মেলামেশা পর্যালোচনা হবে
<p>রাজধানীতে কয়েক দিন ধরে চলছে প্রচণ্ড গরম। রোদের মধ্যে মানুষের পাশাপাশি অস্বস্তিতে পড়ছে পাখিরাও। তাপ থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জলাশয়ে নেমেছে একঝাঁক চিল। কোনোটি পানিতে শরীর ভেজাচ্ছে, কোনোটি ডানা ঝাপটে পানি ছিটিয়ে নিচ্ছে, আবার কোনোটি পানির ওপর ডানা মেলে উড়ছে। ২৯ সেপ্টেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এমন দৃশ্য দেখা যায়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-30/0iaip5uh/1.-DhakaheatkitebirdwaterSuhrawardy-Udyansummerhot-weather30092026.jpg"><figcaption>পানিতে নেমে ডানা মেলে স্বস্তি খুঁজতে গা ভিজিয়ে নিচ্ছে একটি চিল। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-30/9g4imnki/2.-DhakaheatkitebirdwaterSuhrawardy-Udyansummerhot-weather30092026.jpg"><figcaption>মাথা ডুবিয়ে, পানি ছিটিয়ে শরীর ভেজাচ্ছে চিল। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-30/77i9be9d/3.-DhakaheatkitebirdwaterSuhrawardy-Udyansummerhot-weather30092026.jpg"><figcaption>গা ভেজানো শেষে ডানা ঝাপটে উড়তে প্রস্তুত একটি চিল। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-30/80umagxa/4.-DhakaheatkitebirdwaterSuhrawardy-Udyansummerhot-weather30092026.jpg"><figcaption>পানিতে নেমে ডানা ঝাপটিয়ে শরীর ঝাড়া দিচ্ছে চিল। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-30/1hax1799/5.-DhakaheatkitebirdwaterSuhrawardy-Udyansummerhot-weather30092026.jpg"><figcaption>পানিতে স্বস্তি খুঁজছে কয়েকটি চিল। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-30/o2r997fw/6.-DhakaheatkitebirdwaterSuhrawardy-Udyansummerhot-weather30092026.jpg"><figcaption>পানিতে নেমে ডানা মেলে উড়তে চাইছে একটি চিল।</figcaption></figure>
<p>গত সপ্তাহের ধারাবাহিকতায় চলতি সপ্তাহেও ঢাকার কম্পিউটার বাজারে বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের র্যামের দাম বেড়েছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্র্যান্ড ও মডেলভেদে জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের র্যামগুলোর দাম গত সপ্তাহের তুলনায় এক থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তবে সাধারণ ব্র্যান্ডের র্যাম, মাদারবোর্ড, মনিটর, প্রসেসরসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশের দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি। ঢাকার একাধিক কম্পিউটার বাজার ঘুরে কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের দাম তুলে ধরা হলো।</p><p><strong>প্রসেসর</strong></p><p>ইন্টেল: কোর আলট্রা ৯ ২৮৫কে ৫.৭০ গিগাহার্টজ (গি.হা.) ৬২ হাজার টাকা, কোর আই–৯ ৬.০০ গি.হা. ১৪ প্রজন্ম র্যাপ্টর লেক রিফ্রেশ ৫৬ হাজার টাকা, কোর আলট্রা ৭ ২৬৫কে (৫.৫ গি.হা.) ৩৫ হাজার টাকা, কোর আই–৭ ৫.৬০ গি.হা. ১৪ প্রজন্ম ৫০ হাজার টাকা, কোর আই–৭ ৫.৪০ গি.হা. ১৩ প্রজন্ম ৪৩ হাজার টাকা, কোর আলট্রা–৫ ২৪৫ কেএফ (৫.২ গি.হা.) ৩৮ হাজার টাকা, কোর আই–৫ (৫.৩০ গি.হা.) ১৪৬০০কেএফ ১৪ প্রজন্ম ৩৮ হাজার টাকা, কোর আই–৫ (৪.৬০ গি.হা.) ১৩ প্রজন্ম ১৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং কোর আই–৩ (৪.৫০ গি.হা.) ১৩ প্রজন্ম ১৬ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>এএমডি: রাইজেন–৯ ৭৯৫০এক্স ৪.৫ গি.হা. ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা, রাইজেন–৭ ৫৭০০জি ৩.৮–৪.৬ গি.হা. ২৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং রাইজেন–৫ ৫৬০০জি ৩.৬–৪.৬ গি.হা. ১৯ হাজার টাকা।</p><p><strong>মাদারবোর্ড</strong></p><p>এমএসআই: এ৫২০ এম–এ প্রো (ডিডিআর ৪) ৭ হাজার ২০০ টাকা, প্রো এইচ ৬১০ এম–ই (ডিডিআর ৪) ১০ হাজার টাকা, বি৪৫০ এম–এ প্রো ম্যাক্স ৮ হাজার ৫০০ টাকা, এইচ৮১০ এম–বি (ডিডিআর ৫) ১৬ হাজার ৭০০ টাকা, বি৬৫০ এম গেমিং ওয়াই–ফাই (ডিডিআর ৫) ১৯ হাজার টাকা এবং বি৭৬০ গেমিং প্লাস (ডিডিআর ৫) ২২ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>আসুস: প্রাইম এইচ৬১০এম (ডিডিআর ৪) ১০ হাজার ৬০০ টাকা, টাফ গেমিং বি৫৫০এম প্লাস (ডিডিআর ৪) ১৮ হাজার ৯০০ টাকা এবং প্রাইম জেড৮৯০ প্লাস সিএসএম (ডিডিআর ৫) (ওয়াই–ফাই–৭) ৩৭ হাজার ৯০০ টাকা।</p><p>গিগাবাইট: বি৭৬০এম (ডিডিআর ৫) ১৭ হাজার ২০০ টাকা এবং বি৪৫০এম কে এএমডি মাদারবোর্ড ৮ হাজার ৯০০ টাকা।</p><p><strong>র্যাম</strong></p><p>করজেয়ার: ভেনজিন্স এলপিএক্স ৩২০০ মেগাহার্টজ (ডিডিআর ৪) ৮ জিবি ৮ হাজার ২০০ টাকা, ভেনজিন্স এলপিএক্স ৩২০০ মেগাহার্টজ (ডিডিআর ৪) ১৬ জিবি ১৫ হাজার টাকা এবং ভেনজিন্স আরজিবি ১৬ জিবি (ডিডিআর ৫) ৫২০০ মেগাহার্টজ ৩৪ হাজার টাকা।</p><p>জিস্কিল: ট্রাইডেন্ট জেড আরজিবি ৩২০০ মেগাহার্টজ ৮ জিবি (ডিডিআর ৪) ৮ হাজার ৯০০ টাকা, ফ্লেয়ার এক্স৫ ১৬ জিবি (ডিডিআর ৫) ৫৬০০ মেগাহার্টজ ৩১ হাজার ৫০০ টাকা এবং ট্রাইডেন্ট জেড ৫ নিও আরজিবি ৩২ জিবি (ডিডিআর ৫) ৬০০০ মেগাহার্টজ ৬৪ হাজার ৮০০ টাকা।</p><p>কিংস্টন: ফিউরি ৮ জিবি ৩২০০ মেগাহার্টজ (ডিডিআর ৪) ৮ হাজার ৫০০ টাকা, ফিউরি ১৬ জিবি ৩২০০ মেগাহার্টজ (ডিডিআর ৪) ১৬ হাজার ৭০০ টাকা, ফিউরি আরজিবি ১৬ জিবি ৬০০০ মেগাহার্টজ (ডিডিআর ৫) ৩৫ হাজার টাকা এবং আরজিবি ৩২ জিবি ৬০০০ মেগাহার্টজ (ডিডিআর ৫) ৭১ হাজার টাকা।</p><p>ওসিপিসি: এক্সটি ডাবল আই ১৬ জিবি ৩২০০ মেগাহার্টজ (ডিডিআর ৪) ১২ হাজার ৯০০ টাকা, এক্স৩ আরজিবি ৮ জিবি ৩২০০ মেগাহার্টজ (ডিডিআর ৪) ৭ হাজার ৯০০ টাকা এবং এক্সটি ডাবল আই ৮ জিবি ৩২০০ মেগাহার্টজ (ডিডিআর ৪) ৭ হাজার ২০০ টাকা।</p><p><strong>হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (এইচডিডি)</strong></p><p>সিগেট: বারাকুডা ৭২০০ আরপিএম সাটা ২ টেরাবাইট ১৭ হাজার ৩০০ টাকা এবং বারাকুডা ৪ টেরাবাইট ২৩ হাজার টাকা।</p><p>তোশিবা: পি৩০০ ৭২০০ আরপিএম ২ টেরাবাইট ১৪ হাজার টাকা এবং এক্স৩০০ ৭২০০ আরপিএম ৪ টেরাবাইট ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p><strong>সলিড স্টেট ড্রাইভ (এসএসডি)</strong></p><p>স্যামসাং: ৯৯০ প্রো এনভিএমই ১ টেরাবাইট ৩২ হাজার ৫০০ টাকা, ৯৯০ প্রো এনভিএমই ২ টেরাবাইট ৫১ হাজার টাকা এবং ৪৮০ জিবি সাটা ৬জিবিপিএস ৫৫ হাজার টাকা।</p><p>টিম: এমপি৩৩ ২৫৬ জিবি ৭ হাজার ৫০০ টাকা, সিএক্স২ সাটা ১ টেরাবাইট ১৭ হাজার টাকা এবং টি–ফোর্স সাটা ২৫৬ জিবি ৫ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>করজেয়ার: এমপি৬০০ প্রো ১ টিবি ২৮ হাজার টাকা এবং এমপি৬০০ ৫০০ জিবি ১৪ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>এইচপি: ইএক্স৯০০ ৫১২ জিবি ১২ হাজার টাকা, এস৭০০ প্রো ১২৮ জিবি ৩ হাজার টাকা এবং এফএক্স ৯০০ প্লাস ১ টেরাবাইট ২০ হাজার টাকা।</p><p>ওসিপিসি: এক্সটিএল–২০০ ১ টিবি ১৬ হাজার টাকা, এক্সটিএল–২০০ ৫১২ জিবি ৯ হাজার টাকা এবং এক্সটিএল–২০০ ২৫৬ জিবি ৫ হাজার ৬০০ টাকা।</p><p><strong>বহনযোগ্য হার্ডডিস্ক</strong></p><p>ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল: মাই পাসপোর্ট ১ টেরাবাইট ১০ হাজার ৯০০ টাকা, মাই পাসপোর্ট ২ টেরাবাইট ১৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং মাই পাসপোর্ট ৪ টেরাবাইট ১৮ হাজার ৮০০ টাকা।</p><p>ট্রান্সসেন্ড: স্টোরজেট ২৫এইচ৩ ১ টেরাবাইট ১৫ হাজার ৫০০ টাকা, টিএস২টিএসজে২৫সি৩এন ২ টেরাবাইট ১৯ হাজার টাকা এবং স্টোরজেট ২৫এইচ৩পি ৪ টেরাবাইট ৩২ হাজার ৩০০ টাকা।</p><p>সিগেট: আইরন ওলফ প্রো ৮ টেরাবাইট ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং স্কাইহক এআই ১৬ টেরাবাইট ৭০ হাজার টাকা।</p><p><strong>মনিটর</strong></p><p>আসুস: ভিওয়াই২৪৯এইচজিআর ২৪ ইঞ্চি ১৫ হাজার টাকা, ভিএ২৪৯এইচজি ২৪ ইঞ্চি ১৬ হাজার টাকা এবং টাফ গেমিং সিরিজ ৫ ভিজি২৫৯কিউ৫এ ২৪.৫ ইঞ্চি ২৫ হাজার টাকা।</p><p>এইচপি: ১৯.৫ ইঞ্চি পি২০৪ভি ১৩ হাজার টাকা, ২২ ইঞ্চি এম২২এফ ১৬ হাজার টাকা, ২৪ ইঞ্চি এম২৪এফ ১৭ হাজার টাকা এবং এলিট ডিসপ্লে ই২৭ জি৫ ২৭ ইঞ্চি ২৭ হাজার টাকা।</p><p>ডেল: ২২ ইঞ্চি এসই২২২২এইচ ১২ হাজার ৯০০ টাকা এবং প্রো ২৪ প্লাস পি২৪২৫এইচ ২৪ ইঞ্চি ৩০ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>এমএসআই: প্রো এমপি২২৩ ২২ ইঞ্চি ১১ হাজার ২০০ টাকা, প্রো এমপি২২৫ ২২ ইঞ্চি ১২ হাজার ৮০০ টাকা, প্রো এমপি২৫১ ২৪.৫ ইঞ্চি ১৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং ২৫৫এফ ২৫ ইঞ্চি ২০ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>এলজি: ২৪এমএস৫৭০বি–বি ২৪ ইঞ্চি ১৭ হাজার ৫০০ টাকা, ২২এমকে৬০০এম ২১.৫ ইঞ্চি ১৫ হাজার ৫০০ টাকা, আলট্রাফাইন ২৭ ইঞ্চি ৪০ হাজার টাকা।</p><p>স্যামসাং: এলএস২৪ডি৩০০জিএডব্লিউ ২৪ ইঞ্চি ১৭ হাজার টাকা এবং ওডিসি জি৫ ২৭ ইঞ্চি ৪৩ হাজার টাকা।</p><p><strong>গ্রাফিকস কার্ড</strong></p><p>গিগাবাইট: জিটি ১০৩০ ২ জিবি ১১ হাজার ৫০০ টাকা, আরটিএক্স ৩০৫০ উইন্ডফোর্স ওসি ভি২ ৬জিবি ৩০ হাজার টাকা এবং আরটিএক্স ৩০৫০ উইন্ডফোর্স ওসি ভি২ ৮ জিবি ৩৪ হাজার টাকা।</p><p>আসুস: জিফোর্স জিটি ৭৩০ এনভিডিয়া (ডিডিআর ৫) ২জিবি ১৫ হাজার ৯০০ টাকা, ডুয়াল আরটিএক্স ৩০৫০ ৬ জিবি ৩৩ হাজার টাকা এবং ডুয়াল আরটিএক্স ৩০৫০ ভি২ ৮ জিবি ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>এমএসআই: জিফোর্স আরটিএক্স ৫০৮০ ১৬জি ইন্সপায়ার ৩এক্স ওসি প্লাস ১৬ জিবি ২ লাখ টাকা, আরটিএক্স ৩০৫০ ভেন্টাস ২এক্স ৬জি ওসি ৬জিবি ৩২ হাজার টাকা, আরটিএক্স ৩০৬০ ভেন্টাস ওসি ১২ জিবি ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং আরটিএক্স ৪০৬০ ভেন্টাস ওসি ১৬ জিবি ৬৭ হাজার টাকা।</p><p>ওসিপিসি: এনভিডিয়া জিটি ৭৩০ ৪ জিবি (ডিডিআর ৩) ৭ হাজার ৪০০ টাকা, আরটিএক্স ৫০৫০ ৮ জিবি (ডিডিআর ৬) এক্সই সাদা ৪৩ হাজার ৭০০ টাকা এবং আরটিএক্স ৩০৫০ ৮ জিবি (ডিডিআর ৬) এক্সই কালো ৩২ হাজার ২০০ টাকা।</p><p><strong>কি–বোর্ড</strong></p><p>লজিটেক: কে১২০ ৭৭০ টাকা, পেবল কিস ২ কে৩৮০এস মাল্টি ডিভাইস ব্লুটুথ ৪ হাজার টাকা এবং এমকে২৪০ ওয়্যারলেস ২ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>এফোরটেক: কেআরএস–৮২ ৮৫০ টাকা, এফকে১১ ১ হাজার টাকা এবং এফজি১০১০ ওয়্যারলেস ২ হাজার টাকা।</p><p>হ্যাভিট: কেবি২৭১ আলট্রা থিন ৫০০ টাকা, কেবি২৭৫এল গেমিং ৯২০ টাকা, কেবি৪৮৮এল গেমিং ১ হাজার ৫০ টাকা এবং কেবি ৪৮৭এল গেমিং ১ হাজার ৩৬০ টাকা।</p><p>রয়েল ক্লুজ: আরকে৭১ ডুয়াল মোড গেমিং ৪ হাজার ৫০০ টাকা এবং আরকে ৮৪ ট্রাই মোড গেমিং ৫ হাজার ৭০০ টাকা।</p><p>এক্সট্রিম: কেএম০৭জি মেকানিক্যাল ২ হাজার ৩০০ টাকা।</p><p><strong>প্রিন্টার</strong></p><p>এইচপি: স্মার্ট ট্যাঙ্ক ৫৮০ অল–ইন–ওয়ান কালার ইঙ্ক ১৯ হাজার ৩০০ টাকা এবং লেজার ১০০৮এ সিঙ্গেল ফাংশন ১৩ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>এপসন: ইকোট্যাঙ্ক এল৩২১০ ১৮ হাজার টাকা (রঙিন) এবং ইকোট্যাঙ্ক এল৩২৫০ ২১ হাজার ২০০ টাকা (রঙিন)।</p><p>ক্যানন: পিক্সমা জি১০১০ (রঙিন) ১৪ হাজার ৫০০ টাকা, ইমেজক্লাস এলবিপি৬০৩০ লেজার প্রিন্টার (সাদা–কালো) ১৭ হাজার ৩০০ টাকা এবং ইমেজক্লাস এলবিপি৬০৩০ডব্লিউ লেজার প্রিন্টার (সাদা–কালো) ২০ হাজার টাকা।</p><p><strong>কেসিং</strong></p><p>১ হাজার টাকা থেকে ৩৮ হাজার ৮০০ টাকা।</p><p><strong>ইউপিএস</strong></p><p>ম্যাক্সগ্রিন: এমজি সিলভার (৬৫০ ভিএ) ৩ হাজার ৩০০ টাকা, এমজি–এলআই–ইএপি (১২০০ ভিএ) ৬ হাজার ৭৫০ টাকা।</p><p>অ্যাপোলো: ১০৬৫ এ/১০৬৫ (৬৫০ ভিএ) ৩ হাজার ৫০০ টাকা, ১১২০এফ (১২০০ভিএ) ৬ হাজার ৬০০ টাকা ও ১২৪০ (২০০০ ভিএ) ১১ হাজার ৮০০ টাকা।</p><p>ডিজিটাল এক্স: ৬৫০ ভিএ ৩ হাজার ২০০ টাকা এবং ৮৫০ ভিএ ৪ হাজার ১০০ টাকা।</p><p>পাওয়ার গার্ড: ১২০০ ভিএ সিএস অফলাইন ৭ হাজার ৩০০ টাকা।</p><p><strong>অ্যান্টিভাইরাস</strong></p><p>ক্যাসপারস্কি: ক্যাসপারস্কি স্ট্যান্ডার্ড ১ ব্যবহারকারী অ্যান্টিভাইরাস (১ বছর) ৬০০ টাকা, ক্যাসপারস্কি স্ট্যান্ডার্ড ৩ ব্যবহারকারী অ্যান্টিভাইরাস (১ বছর) ১ হাজার ২২৫ টাকা এবং ক্যাসপারস্কি টোটাল সিকিউরিটি ১ ব্যবহারকারী (১ বছর) ১ হাজার টাকা।</p><p>ইসেট: এনওডি৩২ অ্যান্টিভাইরাস ১ ব্যবহারকারী (১ বছর) ৪৫০ টাকা, ইন্টারনেট সিকিউরিটি ১ ব্যবহারকারী (৩ বছর) ১ হাজার ১৫০ টাকা এবং স্মার্ট সিকিউরিটি প্রিমিয়াম ১ ব্যবহারকারী (১ বছর) ২ হাজার ২৫০ টাকা।</p><p>বিটডিফেন্ডার: ইন্টারনেট সিকিউরিটি ১ ব্যবহারকারী (১ বছর) ৫৭৫ টাকা এবং টোটাল সিকিউরিটি ১ ব্যবহারকারী (১ বছর) ৮৫০ টাকা।</p><p>পান্ডা: ডোম অ্যাডভান্স ১ ব্যবহারকারী (১ বছর) ৬০০ টাকা এবং ডোম অ্যাডভান্স ইন্টারনেট সিকিউরিটি ৩ ব্যবহারকারী (১ বছর) ১ হাজার ৩০০ টাকা।</p><p><strong>রাউটার</strong></p><p>টিপি–লিংক: টিএল–ডব্লিউআর৮৪০এন ৩০০ এমবিপিএস ইথারনেট সিঙ্গেল–ব্যান্ড ওয়াই–ফাই ১ হাজার ৫০০ টাকা, আর্চার সি২০ এসি৭৫০ এমবিপিএস ইথারনেট ডুয়াল–ব্যান্ড ওয়াই–ফাই ২ হাজার ৪০০ টাকা, আর্চার সি৬৪ ওয়্যারলেস অ্যান্ড ইথারনেট ডুয়াল–ব্যান্ড এসি১২০০ এমবিপিএস গিগাবিট ৩ হাজার ২০০ টাকা।</p><p>ডি–লিংক: ডিআইআর–৬১৫ জেড১ ৩০০ এমবিপিএস ইথারনেট সিঙ্গেল–ব্যান্ড ওয়াই–ফাই ১ হাজার ১০০ টাকা এবং ডিআইআর–৮৪১ এসি১২০০ এমবিপিএস গিগাবিট ডুয়াল–ব্যান্ড ওয়াই–ফাই ২ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>টেন্ডা: এফ৩ ৩০০ এমবিপিএস ইথারনেট সিঙ্গেল–ব্যান্ড ওয়াই–ফাই ১ হাজার ৩০০ টাকা এবং এফ৬ এন৩০০ এমবিপিএস ইথারনেট সিঙ্গেল–ব্যান্ড ওয়াই–ফাই ১ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>আসুস: আরটি–এন১২+ ৩০০ এমবিপিএস ইথারনেট সিঙ্গেল–ব্যান্ড ওয়াই–ফাই ২ হাজার ৩০০ টাকা এবং আরটি–এএক্স৫২ এএক্স১৮০০ এমবিপিএস গিগাবিট ডুয়াল–ব্যান্ড ওয়াই–ফাই৬ ৭ হাজার ৩০০ টাকা।</p><p>এখানে শুধু যন্ত্রাংশের দাম দেওয়া হয়েছে। পুরো কম্পিউটার কেনার ক্ষেত্রে সার্ভিস চার্জ সংযোজিত হবে। ঢাকার বিভিন্ন বাজার থেকে সংগৃহীত যন্ত্রাংশের দামে হেরফের হতে পারে।</p>
<p>এক বছর কিচ্ছু না করে ছুটি কাটাবেন—পরামর্শটা কেমন? ঘুম থেকে উঠেই আবিষ্কার করবেন, আপনি অবসর যাপন করছেন। কোনো কাজ নেই, ই–মেইল নেই, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সহকর্মীদের মেসেজ নেই, বসের হুকুম নেই। অবসরে যা মন চাইছে, তা–ই করতে পারছেন। শুনেই ভালো লাগছে, তাই না? তবে কাজের ভিড়ে কিছু না করে বছর কাটানোর এই কথা ভীষণ আজগুবি বা স্বপ্নের মতোই শোনায়। অবশ্য কেউ কেউ এই অসম্ভব পথেও হাঁটছেন। কেন হাঁটছেন? এতে বার্নআউট থেকে মুক্তি মেলে?</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-24/04xjjvgz/040A9233.jpg"><figcaption>এই প্রজন্মের অনেকের কাছেই ক্যারিয়ার ও রোজগার জীবনের সবকিছু নয়। বরং জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময়টা কেবলই ক্যারিয়ারের পেছনে না দিয়ে নিজের মতো করে কাটাতে চান তাঁরা</figcaption></figure><p>জেন–জির মধ্যে ‘স্লো লিভিং’ ধারণাটি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, বিশেষত উন্নত দেশগুলোয়। শুধু জেন–জি নয়, মিলেনিয়াল প্রজন্মের শেষ দিকে জন্ম নেওয়া অনেকে এই পথের যাত্রী হচ্ছেন বা হতে চাইছেন।</p><p>এই প্রজন্মের অনেকের কাছেই ক্যারিয়ার ও রোজগার জীবনের সবকিছু নয়। বরং জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময়টা কেবলই ক্যারিয়ারের পেছনে না দিয়ে নিজের মতো করে কাটাতে চান তাঁরা। যেখানে প্রাধান্য পায় আবেগ, শখ আর সম্পর্ক। সে কারণেই কাজের থেকেও বড় হয়ে উঠছে বিরতি। সহজ কথায় বলতে গেলে, অনেকের কাছে ছোটাছুটির বদলে প্রাধান্য পাচ্ছে বিশ্রাম। </p><h3>সবাই কি পারেন </h3><p>ইংরেজ লেখক, পডকাস্টার এবং উদ্যোক্তা এমা গ্যানন একটা বই লিখেছেন তাঁর ছুটি কাটানোর গল্প নিয়ে। ‘আ ইয়ার অব নাথিং’ বইয়ে তাঁর জীবনে কাটানো ১২ মাসের লম্বা ছুটির এক গল্প লিখেছেন।</p><p>২০২২ সালে টানা কাজ করতে করতে বার্নআউটের শিকার হয়েছিলেন এমা। সে সময় কাজ থেকে ছুটি নেওয়া ছাড়া কোনো উপায় ছিল না তাঁর।</p><p>এমা গ্যানন লিখেছেন, ‘মাথার ভেতর দপদপানি, কোনো কিছুর ওপর ফোকাস করতে না পারা, যেকোনো কাজ করতে গেলে বিভ্রান্তি—সবকিছু এড়িয়ে কাজ করছিলাম। নিজেকে বোঝাতাম, আমাকে তো যেভাবেই হোক কাজ চালিয়ে যেতে হবে। নইলে তো কিছুই চলবে না।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-30/o0l1l3er/images.jpg"><figcaption>ইংরেজ লেখক, পডকাস্টার এবং উদ্যোক্তা এমা গ্যানন একটা বই লিখেছেন তাঁর ছুটি কাটানোর গল্প নিয়ে</figcaption></figure><p>তবে ২০২২ সালে এমার শরীর একপ্রকার জোরপূর্বক শাটডাউন মোডে চলে যায়। এরপর টানা এক বছর এমা ছুটি কাটিয়েছেন। তাঁর মতে, ‘আমাদের শরীর ও মন তৈরিই হয়েছে একটু জিরিয়ে নেওয়ার জন্য, পার্কে হাঁটার জন্য। স্বাস্থ্যের চেয়ে দামি আর কিছু নেই।’</p><p>এমার মতো ভাগ্যবান হয়তো সবাই নন। টানা এক বছর ছুটি কাটানো অনেকের কাছেই অসম্ভব। কিন্তু তাই বলে চরম ক্লান্তি নিয়ে কাজ করাও অনেকের জন্য অসম্ভব হয়ে উঠতে পারে।</p><p>আপনার জন্য কোনো কিছু যেমন থেমে থাকবে না। একইভাবে শরীরকে প্রাধান্য না দিয়ে কাজ করলেও খুব বেশি পার্থক্য তৈরি হবে না জীবনে। তাই বিশ্রামকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয় সব সময়। বার্নআউট হয়ে যাওয়ার আগেই নিজেকে রিচার্জ করে নিন। </p><h3>ক্লান্তির কারণ </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-10/lugxqsip/Tackling_Mental_Exhaustion_in_the_workplace_scaled.jpg"><figcaption>আজকের যুগে ক্লান্তির প্রধান কারণ হাতের কাছে থাকা প্রযুক্তি</figcaption></figure><p>আজকের যুগে ক্লান্তির প্রধান কারণ হাতের কাছে থাকা প্রযুক্তি। ফোন যেমন যোগাযোগকে সহজ করেছে, তেমনি কাজের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে প্রতিটি মুহূর্ত থাকতে হয় তটস্থ। </p><p>করোনা জানান দিয়ে গিয়েছিল এই ইঁদুর–দৌড়ে সবাইকে না নামলেও চলবে, বরং শরীরটার একটু বিরতি প্রয়োজন।</p><p>কিন্তু অনেকের কাছেই ছুটি মানে যেন আরও কাজের চাপ। সারা সপ্তাহ কাজ করে শুক্রবারে যতটা না বিশ্রাম হয়, তার থেকে বেশি জমা হয় ক্লান্তি। </p><p>এই কাজ, সেই কাজ…সঙ্গে ঘরের কাজ মিলিয়ে পূর্ণাঙ্গ বিশ্রাম যেন সোনার হরিণ। ফলে বার্নআউট নিত্যসঙ্গী। ছুটির দিনেও কাজ করতে করতে চলে আসে নতুন সপ্তাহ, মানে আবারও কাজে ফিরে যাওয়া। ফলে বিশ্রাম থেকে যায় অধরা।</p><h3>বার্নআউট থেকে বাঁচতে </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2019/06/12/0b1ee1d681f1a5c7c341067797f2f0b3-5d00966fd0591.jpg"><figcaption>বার্নআউট রুখতে নিজেকে সময় দিন</figcaption></figure><p>টানা ছুটি নেওয়া যখন বাস্তবসম্মত নয়, তখন উপায় কী? প্রথম কথা, বার্নআউট রুখতে নিজেকে সময় দিন। হুট করে অফিস থেকে একদিন ছুটি নিন। সেদিন কোনো কাজ না করে হয়তো শুয়েই থাকুন। একটা সিরিজ শেষ করে ফেলুন। নিজেকে কল্পনা করুন সিরিজের চরিত্র হিসেবে। সব মিলিয়ে সময়টা নিজেকে দিন।</p><p>জেন–জি থেকে শুরু করে মিলেনিয়াল—অনেকেই এখন এই পথে হাঁটছেন। চাকরিতে থাকা প্রতিটি ছুটি ব্যবহার করছেন নিজের জন্য। অফিস যেমন আপনার সময় কিনে নিচ্ছে, তেমনি অফিসের দেওয়া ছুটি ব্যবহার করুন নিজেকে সময় দেওয়া জন্য। কারণ, বার্নআউটের ভিড়ে নিজের জন্য সময় বের করতে পারাটা বড্ড জরুরি। নইলে কাজের ভিড়ে কখন হারিয়ে যাবেন, সেই জরুরি খবরটা পাওয়া হবে না কারও।</p><p><sup>সূত্র: বিবিসি</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/qpn2jq5e4p">অফিসের বস ছুটি দিতে না চাইলে কী করবেন</a></aside>
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে জাইমা রহমানের নিয়োগে বাংলাদেশ সরকারের 'ন্যূনতম কোনো সম্পৃক্ততা নেই' বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। এদিকে, দুই পাইলটের মধ্যে ‘হাতাহাতি’র পর দুবাই থেকে তেল আভিভগামী একটি উড়োজাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করে সৌদি আরবে অবতরণ করানো হয়।
কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াত ও ভ্রমণ সংক্রান্ত যে বিধি-নিষেধ জারি করা হয়েছিল বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে আমলে, তাতে বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে বর্তমান বিএনপি সরকার। সেক্ষেত্রে পর্যটকদের রাত্রিযাপন ও ভ্রমণের সময়সীমায় পরিবর্তন আসতে পারে বলেও ধারণা মিলছে।
দুবাই থেকে তেল আভিভগামী একটি ফ্লাইট অপ্রত্যাশিতভাবে সৌদি আরবে অবতরণ করানো হয়। কারণ বলা হয়, দুই পাইলটের একজন অন্যজনকে ছুরিকাঘাত করেন এবং "স্পষ্টতই বিমানটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেন"। এমনটাই বলেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় বলছে, দেশের কোথাও এলপি গ্যাসের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী। কিন্তু সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ছে কেন? এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে কারা?
মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীতে যে মসজিদটি আংশিকভাবে ভাঙা হচ্ছে, সেটি ১৩৯০ সালে তৈরি বলে ইতিহাসবিদদের দাবি।
পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউরেনিয়াম নির্ধারিত সময়ে রাশিয়া থেকে বাংলাদেশ আসেনি। এ নিয়ে নানা আলোচনা সমালোচনা চলছে। পাকিস্তান কেন নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দিলো না, এই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।
শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র তিন ওভারেই তিন উইকেট হারিয়েছে লিটন দাসের দল।
৪০৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়ায় ভারতের জয়ের নায়ক অধিনায়ক শুভমান গিল।
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ডেভিড হেম্প। দুই বছরের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাকে এই দায়িত্ব দিয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বেলা ৩টার দিকে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা গানপাউডার ও পেট্রোল নিয়ে ওই হোটেলে ঢোকে। দুর্বৃত্তরা হোটেলের ক্যাশ ভল্ট ভেঙে ৯০ লাখ টাকা চুরি করে। এরপর ১০০টি ফ্রিজ, ১০০টি স্মার্ট টেলিভিশন, ৪৫০ কিলোভোল্টের দুটি জেনারেটর, হোটেলের স্টোরে রাখা বিভিন্ন ধরনের মালামাল, আসবাবপত্র, এক হাজার কিলোভোল্টের ট্রান্সফরমারসহ সাবস্টেশন, প্রেসার পাম্প, সাইবার স্টেশন, ফায়ার ইঞ্জিনসহ বিভিন্ন মূল্যবান সম্পদ লুট করে নিয়ে যায়।
ভারতে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এবং নির্বাচন কমিশনের (ইসিআই) ওপর প্রশাসনিক চাপ বাড়াতে এবার একযোগে দেশব্যাপী বৃহৎ আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করল বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। ভোটার তালিকা থেকে বেআইনিভাবে নাম বাদ দেওয়া এবং নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে এই রণকৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন