জাতীয়

অতিবুদ্ধিমান এআই মানবজাতির বিলুপ্তির কারণ হতে পারে: এআইয়ের গডফাদার জিওফ্রি হিন্টন

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
অতিবুদ্ধিমান এআই মানবজাতির বিলুপ্তির কারণ হতে পারে: এআইয়ের গডফাদার জিওফ্রি হিন্টন
অতিবুদ্ধিমান এআই মানবজাতির বিলুপ্তির কারণ হতে পারে: এআইয়ের গডফাদার জিওফ্রি হিন্টন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মানুষের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান ও শক্তিশালী হয়ে উঠলে তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতির পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে, এমনকি মানবজাতির বিলুপ্তিও ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছেন এআই প্রযুক্তির অন্যতম পথিকৃৎ জিওফ্রি হিন্টন। এআইয়ের গডফাদার হিসেবে পরিচিত জিওফ্রি হিন্টনের মতে, নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য এআই প্রযুক্তি তৈরির বিষয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে এখনো কোনো ঐকমত্য তৈরি হয়নি। তাই এখনই অতিবুদ্ধিমান এআই বা অতিমানবীয় বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন এআই তৈরির পথে এগোনো উচিত নয়।

জিওফ্রি হিন্টন কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্ক নিয়ে গবেষণার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এআই প্রযুক্তির বর্তমান বিকাশে তাঁর গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ কারণে তাঁকে এআইয়ের গডফাদার বলা হয়। তবে এআইয়ের সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই প্রযুক্তির ঝুঁকি নিয়েও বারবার সতর্ক করেছেন তিনি।

অতিবুদ্ধিমান এআই বলতে এমন একধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে বোঝানো হয়, যা বুদ্ধিমত্তা ও সক্ষমতার দিক থেকে যেকোনো মানুষ, প্রতিষ্ঠান; এমনকি একটি দেশের সক্ষমতাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। হিন্টনের আশঙ্কা, মানুষের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান এআইয়ের ওপর একবার নিয়ন্ত্রণ হারালে সেটিকে আবার নিয়ন্ত্রণে আনা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

হিন্টনের এই সতর্কবার্তা এমন এক সময়ে এল, যখন যুক্তরাজ্যে অতিবুদ্ধিমান এআইয়ের উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা সংগঠন কন্ট্রোলএআইয়ের সহায়তায় তৈরি ‘ইউকে আর্টিফিশিয়াল সুপারইন্টেলিজেন্স সিকিউরিটি’ নামের বিলটি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে উপস্থাপন করবেন লেবার পার্টির সংসদ সদস্য অ্যালেক্স সোবার। কন্ট্রোলএআইয়ের তথ্যমতে, এআইয়ের সুফল কাজে লাগানোর পাশাপাশি সম্ভাব্য ঝুঁকি কমাতে হলে সবচেয়ে শক্তিশালী এআই ব্যবস্থাগুলোর ওপর বাধ্যতামূলক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা প্রয়োজন।

অবশ্য এআই খাতের সবাই এমন কঠোর নিয়ন্ত্রণের পক্ষে নন। ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যান অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের বিরোধিতা করে আসছেন। যদিও এআই প্রযুক্তির বিকাশের শুরুর দিকে তিনি এই খাতের ওপর আরও নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন।

সূত্র: ডেইলি মেইল

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
লোডশেডিংয়ে বাড়ছে জেনারেটরের ব্যবহার, বিপদ এড়াতে মানতে হবে যেসব সতর্কতা
লোডশেডিংয়ে বাড়ছে জেনারেটরের ব্যবহার, বিপদ এড়াতে মানতে হবে যেসব সতর্কতা

বর্তমানে লোডশেডিং এর সমস্যা বেড়েই যাচ্ছে। ফলে বিদ্যুৎ ফেরার অপেক্ষায় না থেকে অনেকেই জেনারেটর চালিয়ে ঘর, দোকান বা অফিসের প্রয়োজনীয় যন্ত্র সচল রাখছেন। কিন্তু সঠিক নিয়ম না মেনে জেনারেটর ব্যবহার করলে আগুন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া এমনকি বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইডে মৃত্যুর মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। তাই বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটর চালানোর পাশাপাশি নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দিতে হবে। চলুন লোডশেডিংয়ে জেনারেটরের ব্যবহারে বিপদ এড়াতে যেসব সতর্কতা মানবেন জেনে নিন- জেনারেটর ঘরের ভেতর নয়, বাইরে রাখুন জেনারেটর ব্যবহারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো এটি কখনোই ঘরের ভেতর, গ্যারেজ, বেসমেন্ট, সিঁড়িঘর বা অন্য কোনো আবদ্ধ জায়গায় চালানো যাবে না। দরজা-জানালা খোলা রাখলেও ঝুঁকি দূর হয় না। জেনারেটরের ধোঁয়ায় থাকা কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস বর্ণহীন ও গন্ধহীন; ফলে বিপদ বুঝে ওঠার আগেই শরীরে বিষক্রিয়া হতে পারে। জেনারেটর খোলা জায়গায় ভবন থেকে অন্তত ২০ ফুট বা প্রায় ৬ মিটার দূরে রাখার পরামর্শ দেয় মার্কিন কাস্টমার প্রোডাক্ট সেফটি কমিশন (সিপিএসসি)। এর ধোঁয়ার মুখও জানালা, দরজা ও বাতাস চলাচলের পথ থেকে বিপরীত দিকে রাখতে হবে। আরও পড়ুন বারবার লোডশেডিং, তবু বিদ্যুৎ বিল বেশি? যেভাবে খরচ কমাবেন আগুন এড়াতে জ্বালানিতে সতর্কতা জেনারেটরের আশপাশে পেট্রল, ডিজেল, কাগজ, কাপড়, প্লাস্টিক বা অন্য দাহ্য জিনিস রাখা ঠিক নয়। জ্বালানি ভরার সময় জেনারেটর অবশ্যই বন্ধ রাখতে হবে। চালু থাকা বা গরম ইঞ্জিনে কখনোই তেল বা জ্বালানি ঢালা উচিত নয়। এনএফপিএ-ও জ্বালানি দেওয়ার আগে জেনারেটর বন্ধ করে ঠান্ডা হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে বলেছে। জ্বালানি সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট ও উপযুক্ত কনটেইনার ব্যবহার করা জরুরি। বসতঘরের ভেতর বা আগুনের উৎসের কাছাকাছি জ্বালানি রাখা বিপজ্জনক। ভেজা জায়গায় জেনারেটর চালাবেন না বৃষ্টি বা ভেজা জায়গায় জেনারেটর চালালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই শুকনো ও সমতল জায়গায় জেনারেটর রাখতে হবে। বৃষ্টির মধ্যে চালানোর প্রয়োজন হলে প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা মেনে নিরাপদ ব্যবস্থা নিতে হবে। অতিরিক্ত লোড দেবেন না একসঙ্গে অনেক বেশি বৈদ্যুতিক যন্ত্র চালানোর চেষ্টা করলে জেনারেটরের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। ফলে তার, প্লাগ বা যন্ত্রাংশ অতিরিক্ত গরম হয়ে আগুনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। জেনারেটরের নির্ধারিত ক্ষমতা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় যন্ত্র চালানো উচিত। বাড়ির বৈদ্যুতিক লাইনে সরাসরি জেনারেটর সংযোগ দেওয়াও বিপজ্জনক। এ ধরনের সংযোগের প্রয়োজন হলে যোগ্য ইলেকট্রিশিয়ানের মাধ্যমে উপযুক্ত ট্রান্সফার সুইচ বসাতে হবে। আরও পড়ুন এসির চেয়েও বেশি বিদ্যুৎ বিল বাড়ায় ঘরের যেসব গ্যাজেট নিয়মিত পরীক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি সময়ে চালু করতে গিয়ে সমস্যা এড়াতে জেনারেটর নিয়মিত পরীক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা দরকার। তেল, তার, প্লাগ, সংযোগ এবং অন্যান্য অংশে অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে নিজে পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে দক্ষ মেকানিকের সাহায্য নেওয়া ভালো। বাড়িতে স্মোক অ্যালার্ম ও কার্বন মনোক্সাইড অ্যালার্ম থাকলে ঝুঁকি সম্পর্কে দ্রুত সতর্ক হওয়া যায়। অ্যালার্ম বাজলে বা জেনারেটরের কারণে মাথা ঘোরা, দুর্বল লাগা, বমি বমি ভাব বা বিভ্রান্তির মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত খোলা বাতাসে যেতে হবে। লোডশেডিং যত দীর্ঘই হোক, কয়েক ঘণ্টার বিদ্যুৎ পাওয়ার জন্য জীবন ও সম্পত্তিকে ঝুঁকিতে ফেলা উচিত নয়। জেনারেটর ব্যবহারের আগে নিরাপদ জায়গা, সঠিক সংযোগ, জ্বালানি ব্যবস্থাপনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ এই চারটি বিষয় নিশ্চিত করলেই দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। কেএসকে

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
‘সুপার হিউম্যান’ হবেন জয় চৌধুরী, পরিচালক রুবেল

‘সুপার হিউম্যান’ হবেন জয় চৌধুরী, পরিচালক রুবেল

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি: সরবরাহ ব্যবস্থার সব পর্যায়ে যেভাবে ব্যয় কমানো সম্ভব

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি: সরবরাহ ব্যবস্থার সব পর্যায়ে যেভাবে ব্যয় কমানো সম্ভব

আইআরও বাংলাদেশ ওপেনের জাতীয় পর্ব আগামীকাল

আইআরও বাংলাদেশ ওপেনের জাতীয় পর্ব আগামীকাল

এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনায় ট্রাকে আটকে পড়েন চালক, পরে জীবিত উদ্ধার
এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনায় ট্রাকে আটকে পড়েন চালক, পরে জীবিত উদ্ধার

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে একটি কাভার্ড ভ্যানের পেছনে ধাক্কা দেয় গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাক। এতে ট্রাকটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে চালক গুরুতর আহত হয়ে গাড়ির ভেতরে আটকে পড়েন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার সরঞ্জাম ব্যবহার করে তাঁকে জীবিত উদ্ধার করেন।গতকাল বুধবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে উপজেলার কামারখোলা এলাকায় এক্সপ্রেসওয়ের ঢাকামুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।আহত ট্রাকচালকের নাম আজগর খন্দকার (৫৫)। তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার বাসিন্দা। উদ্ধারের পর তাঁকে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাকটি মোংলা থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। কাভার্ড ভ্যানটিও মাগুরা থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। কামারখোলা এলাকায় পৌঁছালে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কাভার্ড ভ্যানটিকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে গিয়ে চালক ভেতরে আটকে পড়েন।মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম, মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শ্রীনগর ফায়ার স্টেশনের দুটি উদ্ধারকারী ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাকটি উল্টে গেলে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঝুঁকি ছিল। তবে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতার কারণে আহত চালককে নিরাপদে বের করে আনা সম্ভব হয়েছে।ফায়ার সার্ভিসের একাধিক কর্মী জানান, চালকের বুক স্টিয়ারিংয়ের সঙ্গে আটকে ছিল। সাধারণভাবে তাঁকে বের করার উপায় ছিল না। উদ্ধারকারীরা বিশেষ উদ্ধারযন্ত্র আনেন। সেটা দিয়ে প্রায় ২০ মিনিট চেষ্টা চালিয়ে ট্রাকের ভেতর থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শ্রীনগর ফায়ার স্টেশনের দুটি উদ্ধারকারী ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাকটি উল্টে গেলে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঝুঁকি ছিল। তবে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতার কারণে আহত চালককে নিরাপদে বের করে আনা সম্ভব হয়েছে।

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত

আকিজ সিমেন্টে ম্যানেজার পদে চাকরি, আবেদন ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে

আকিজ সিমেন্টে ম্যানেজার পদে চাকরি, আবেদন ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মেঘ ও সন্ধ্যার গান’

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মেঘ ও সন্ধ্যার গান’

আইফোন ১৮ নজর কাড়া যেসব রঙে পাওয়া যাবে
আইফোন ১৮ নজর কাড়া যেসব রঙে পাওয়া যাবে

নতুন আইফোন কেনার ক্ষেত্রে শুধু ক্যামেরা, প্রসেসর বা ব্যাটারি নয়, রংও এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে প্রিমিয়াম আইফোন প্রো মডেলের ক্ষেত্রে অ্যাপল প্রতি বছরই নতুন কোনো রং নিয়ে আসে। ২০২৬ সালের আইফোন ১৮ প্রো সিরিজেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এবার একেবারে নতুন বার্গেন্ডি রঙের পাশাপাশি থাকছে বেশ কিছু পরিচিত ও পরিমিত শেড। অ্যাপলের ঘোষণা অনুযায়ী, আইফোন ১৮ প্রো এবং আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স মোট চারটি রঙে পাওয়া যাবে-ব্ল্যাক, সিলভার, গ্লেসিয়ার এবং বার্গেন্ডি। অর্থাৎ গত প্রজন্মের উজ্জ্বল কসমিক অরেঞ্জের বদলে এবার অ্যাপল তুলনামূলকভাবে পরিণত ও ক্লাসিক রঙের দিকে ঝুঁকেছে। ব্ল্যাক: চিরকালীন পছন্দ কালো রঙের আইফোন আবার প্রো সিরিজে ফিরেছে। যারা খুব বেশি নজরকাড়া রং পছন্দ করেন না, তাদের জন্য ব্ল্যাক হতে পারে সবচেয়ে নিরাপদ পছন্দ। অফিস, ব্যবসায়িক পরিবেশ কিংবা দৈনন্দিন ব্যবহার সব ক্ষেত্রেই এই রং সহজে মানিয়ে যায়। গত বছরের আইফোন ১৭ প্রো-তে কালো রং না থাকায় অনেক ব্যবহারকারী হতাশ হয়েছিলেন। এবার অ্যাপল সেই জনপ্রিয় রং ফিরিয়ে এনেছে। আরও পড়ুন আইফোন ১৮ প্রো-তে ক্যামেরায় বড় চমক, ফটোগ্রাফারদের জন্য আশীর্বাদ সিলভার অ্যাপলের পরিচিত ক্লাসিক সিলভার রংও থাকছে নতুন প্রো মডেলে। অ্যাপলের প্রো সিরিজে এই ধরনের ধাতব ও পরিষ্কার লুক দীর্ঘদিন ধরেই জনপ্রিয়। যারা ফোনে একটু প্রিমিয়াম কিন্তু অতিরিক্ত উজ্জ্বল নয় এমন চেহারা চান, তাদের কাছে সিলভার আকর্ষণীয় হতে পারে। গ্লেসিয়ার নতুন প্রজন্মের হালকা নীল এবারের আরেকটি নজরকাড়া রং গ্লেসিয়ার। এটি মূলত হালকা নীল ধরনের একটি শেড, যা আইফোন ১৮ প্রো-এর ডিজাইনকে তুলনামূলকভাবে আধুনিক ও সতেজ চেহারা দিয়েছে। অ্যাপলের অফিসিয়াল ছবিতেও এই রংটি বেশ আলাদা করে নজরে পড়ছে। বার্গেন্ডি এবারের নতুন চমক সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে বার্গেন্ডি। এটি আইফোন ১৮ প্রো সিরিজের একেবারে নতুন রং। গাঢ় লালচে-বেগুনি ধরনের এই শেডটি আগের প্রজন্মের কসমিক অরেঞ্জের তুলনায় অনেক বেশি সংযত, কিন্তু একই সঙ্গে আলাদা করে নজর কাড়ে। বাজারে আসার আগে বিভিন্ন প্রতিবেদনে এই রংকে ডার্ক চেরি বা গভীর লাল শেড হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত অ্যাপলের অফিসিয়াল নাম হয়েছে বার্গেন্ডি। আরও পড়ুন অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল ফোনে কী থাকছে, দাম কত? তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি সাধারণ আইফোন ১৮ প্রো-এর রং এখনো অ্যাপল ঘোষণা করেনি। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে অ্যাপল মূলত আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্স উন্মোচন করেছে; বেস মডেল আইফোন ১৮ পরে, সম্ভাব্যভাবে ২০২৭ সালের প্রথম দিকে আসতে পারে। ফলে সাধারণ মডেলের রং নিয়ে এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলা ঠিক হবে না। অর্থাৎ আপাতত প্রো সিরিজে চারটি অপশন ব্ল্যাক, সিলভার, গ্লেসিয়ার ও বার্গেন্ডি। এর মধ্যে নতুন বার্গেন্ডি এবং গ্লেসিয়ার-ই সবচেয়ে বেশি নজর কাড়তে পারে, আর ব্ল্যাক ও সিলভার থাকছে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ও চিরাচরিত পছন্দ হিসেবে। কেএসকে

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
আওয়ামী লীগ নেতারা স্থানীয় নির্বাচনে এলে বিএনপির অবস্থান কী হবে

আওয়ামী লীগ নেতারা স্থানীয় নির্বাচনে এলে বিএনপির অবস্থান কী হবে

এলিয়েনার জন্য ভালোবাসা!

এলিয়েনার জন্য ভালোবাসা!

ইরানের পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে গোপন তৎপরতা, হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ইরানের পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে গোপন তৎপরতা, হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

0 Comments