সাধারণত ছোটবেলায় আমরা জোরে শব্দ করে পড়ি। এতে সুবিধা হলো, বইয়ের লেখাগুলো ঠিকভাবে উচ্চারণ করতে পারছি কি না, তা আমাদের অভিভাবক বা শিক্ষকেরা শুনে বুঝতে পারেন এবং প্রয়োজনে সংশোধন করে দিতে পারেন। এদিক থেকে শব্দ করে পড়া ভালো। বইয়ে লেখা বাক্যগুলো নিজ থেকে নির্দিষ্ট কোনো ছন্দ বা অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে না। সশব্দে পড়লে পাঠক লেখার নিষ্প্রাণ অক্ষরগুলোকে আবেগ-অনুভূতি দিয়ে প্রকাশ করতে পারে। এদিক থেকে এর সুবিধা রয়েছে। তবে নীরবে পড়ারও কিছু সুবিধা রয়েছে। নিঃশব্দে দ্রুত পড়া যায় এবং তা সহজে মনে থাকে। সাধারণত একটু উঁচু ক্লাসের শিক্ষার্থীরা নীরবে পড়া সুবিধাজনক বলে মনে করে।

কোনো অনুচ্ছেদ সহজে শেখার জন্য শব্দ করে পড়লে ভালো না মনে মনে পড়লে ভালো, এ বিষয়ে আমেরিকায় একবার প্রথম ও দ্বিতীয় গ্রেডের ৮৯ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে পরীক্ষা চালানো হয়। দেখা যায়, এ দুইয়ের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই (সূত্র: সাইকোলজি ইন দ্য স্কুলস: অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড ইন্টারভেনশন অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং, খণ্ড ৪৮, সংখ্যা ১, পৃ. ৪-১৩, জানুয়ারি ২০১১)। সশব্দে পড়ার সুবিধা হলো যা পড়ছি, সেটা আবার কানে শুনে বুঝে নিচ্ছি। আর নীরবে পড়ার সুবিধা হলো কোনো বড় লেখার সবটুকু অংশ পড়ার প্রয়োজন না থাকলে দ্রুত প্রয়োজনীয় অংশে চোখ নিয়ে যেতে পারি। তাই বলা যায়, দুই ধরনের পড়ায় সুবিধা ও অসুবিধা দুই-ই আছে।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
টানা দুই টেস্টে হেরে স্কোয়াডের ৭ ক্রিকেটারকে বদলে ফেলে পাকিস্তান। এরপরও তৃতীয় ও শেষ টেস্টেও শঙ্কা জাগে ইনিংস পরাজয়ের। তবে সেই ঝুঁকি এড়িয়েছে সফরকারীরা অভিষিক্ত রাজাউল্লাহর ব্যাটে। ফলো-অন এড়ানোর পর লিডও নিয়েছে পাকিস্তান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৪৯ রানে অলআউট হয়ে ইংল্যান্ডকে লক্ষ্য দিয়েছে ১৩০ রানের। গতকাল শুক্রবার এজবাস্টনে তৃতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলায় চার অর্ধশতকে ইনিংস হারের বিপদ দূর করে পাকিস্তান। আজান আওয়াইজ, শান মাসুদ, বাবর আজম ও অভিষিক্ত রাজাউল্লাহ দেখা পান ফিফটির। তবে শতকের খুব কাছাকাছি গিয়েও ৫ রানের জন্য মিস করেছেন শান মাসুদ। আউট হয়েছেন ৯৫ রানে। অ্যাটকিনসনের বলে আউট হওয়ার আগে আজান ও বাবরের সঙ্গে গড়েন ১২৫ ও ৮৯ রানের জুটি। আজান ৫৯ করে ফিরলে তৃতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান। এরপর আউট হন শান মাসুদ। তবে হাল ধরে রেখেছিলেন অধিনায়ক বাবর আজম। কিন্তু তিনিও শেষ পর্যন্ত কাটা পড়েন জশ টাঙের বলে ৭৬ রানে। এরপরও লেজের ব্যাটাররা লড়াই চালিয়ে যান। অভিষিক্ত রাজাউল্লাহ ও মোহাম্মদ আব্বাদ মিলে গড়েন ১২১ রানের জুটি। ৪২ রান করা আব্বাসের বিদায়ে নবম উইকেটের পতন হয়। তবে সবাইকে অবাক করে দেয় রাজাউল্লাহর ব্যাটিং। ৮১ রান করেন তিনি ড্যান লরেন্সের বলে। ৪৪৯ রানে অলআউট হওয়া পাকিস্তান লিড নেয় ১২৯ রানের। এরপরই শেষ হয় পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস। ফলে ইংল্যান্ডের সামনে চতুর্থ দিন টেস্ট জিততে লক্ষ্য ১৩০ রান। ইংলিশদের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন অ্যাটকিনসন। সমান দুটি করে রবিনসন, টাঙ ও লরেন্স। একটি আর্চার। আইএন
খাদ্যে ভেজাল ও কৃষিকাজে কীটনাশকের ব্যবহার—বর্তমান সময়ের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল দুটি বিষয় নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘দ্য ইন্ডিয়া স্টোরি’। চেতন ডিকে পরিচালিত ছবিটির মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন শ্রেয়স তলপড়ে। কমেডি ছবিতে দর্শক মাতানো শ্রেয়সকে এবার গম্ভীর ও আবেগঘন চরিত্রে দেখা গেছে। সম্প্রতি মুম্বাইয়ের রেহেজা ক্লাবে শ্রেয়স তলপড়ের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন প্রথম আলোর মুম্বাই প্রতিনিধি দেবারতি ভট্টাচার্য‘দ্য ইন্ডিয়া স্টোরি’তে অভিনয়ের পর খাবারের ব্যাপারে আগের চেয়ে অনেক বেশি সতর্ক শ্রেয়স তলপড়ে। খাবার সামনে এলেই এখন তাঁর মনে প্রশ্ন জাগে—এটি কোথা থেকে এসেছে, কতটা নিরাপদ? শ্রেয়স বলেন, ‘খাবার খেতে বসলেই ভাবি, আসলে আমি কী খাচ্ছি। এমনকি দুধ খাওয়া বন্ধ করেছি, পনিরও অনেক কমিয়ে দিয়েছি। কোনটি আসল আর কোনটি ভেজাল, বোঝা কঠিন। তাই যতটা সম্ভব নির্ভরযোগ্য জায়গা থেকে খাবার কেনার চেষ্টা করি।’ছবিটিতে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়ে শ্রেয়সের মনে হয়েছিল, এমন একটি বিষয় নিয়ে আরও আগেই সিনেমা হওয়া উচিত ছিল। তাঁর মতে, অভিনয়শিল্পীর জন্য এমন গল্পে কাজ করা জরুরি, যা তাঁকে নতুনভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে। ছবির প্রস্তুতির জন্য অনেক গবেষণাও করতে হয়েছে তাঁকে।খাদ্যে ভেজাল নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির প্রসঙ্গে শ্রেয়স মনে করেন, শুধু সিনেমা বানালেই পরিবর্তন আসবে না; দর্শককেও প্রশ্ন তুলতে হবে। তিনি বলেন, ‘অভিনয়শিল্পীরা কাজের মাধ্যমে একটি বক্তব্য তুলে ধরতে পারেন। কিন্তু দর্শক সেটি কীভাবে গ্রহণ করবেন, সেই সিদ্ধান্ত তাঁদেরই। সচেতনতা তৈরির জন্য মানুষের নিজের আগ্রহও প্রয়োজন।’‘দ্য ইন্ডিয়া স্টোরি’ সিনেমার পোস্টার। আইএমডিবি ডাবিংয়েও চোখে জলকিছু চরিত্র অভিনয় শেষ হওয়ার পরও দীর্ঘদিন মনে থেকে যায়। ‘দ্য ইন্ডিয়া স্টোরি’র চরিত্রটিও শ্রেয়সের তাঁর কাছে তেমন। ছবিতে এক কন্যাসন্তানের বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন শ্রেয়স। বাস্তব জীবনেও বাবা হওয়ায় চরিত্রটি তাঁর কাছে ব্যক্তিগত হয়ে উঠেছিল। ছবির অনেক দৃশ্যকে নিজের জীবনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখেছেন তিনি। কয়েকটি দৃশ্য এতটাই আবেগপ্রবণ ছিল যে ডাবিংয়ের সময়ও নিজেকে সামলাতে পারেননি। অভিনেতা বলেন, ‘ডাবিংয়ের সময় কয়েকটি দৃশ্যে চোখে জল চলে এসেছিল। এমনও হয়েছে, আবেগ সামলাতে না পেরে সেদিন আর ডাবিং করতে পারিনি। কাজটি পরের দিনের জন্য রেখে দিতে হয়েছে।’কমেডি ছবির জন্য দর্শকের কাছে বেশি জনপ্রিয় হলেও শ্রেয়স নিজেকে শুধু একটি ঘরানায় আটকে রাখতে চান না। প্রতিদিন একই ধরনের চরিত্রে অভিনয় করলে একসময় একঘেয়েমি চলে আসে বলে মনে করেন তিনি। ‘আমি এই ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছি নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে। নতুন চরিত্রের মধ্য দিয়ে নিজেকে আবিষ্কার করতেই সবচেয়ে বেশি আনন্দ পাই,’ বলেন শ্রেয়স।পরিবারের সঙ্গে দেখার মতো কাজওটিটির কারণে প্রেক্ষাগৃহে দর্শক কমছে—এমন ধারণার সঙ্গে পুরোপুরি একমত নন শ্রেয়স। তাঁর মতে, পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে বড় পর্দায় সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা আলাদা। কোনো ছবিকে ঘিরে দর্শকের মধ্যে ‘ফোমো’ তৈরি হলেও অন্যদের উৎসাহে অনেকে প্রেক্ষাগৃহে ছোটেন। ভারতের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে মঙ্গলবার কম দামে টিকিট পাওয়ার সুবিধাও দর্শক ফেরাতে ভূমিকা রাখছে বলে মনে করেন তিনি।শ্রেয়স তলপড়ে। অভিনেতার ইনস্টাগ্রাম থেকে ওটিটির প্রসারকে নির্মাতা ও অভিনয়শিল্পীদের জন্য বড় সুযোগ হিসেবেই দেখছেন শ্রেয়স। তিনি বলেন, ‘প্রেক্ষাগৃহ ও টেলিভিশনের পাশাপাশি মুঠোফোনের মাধ্যমেও এখন দর্শকের কাছে গল্প পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। নতুন বিষয় ও ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ ওটিটিতে বেশি।’তবে এই স্বাধীনতার সঙ্গে দায়িত্বশীলতাও জরুরি বলে মনে করেন অভিনেতা। গল্পের প্রয়োজন না থাকলে অকারণে গালিগালাজ কিংবা অস্বস্তিকর দৃশ্য রাখা উচিত নয়। শ্রেয়স বলেন, ‘মা–বাবা ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের নিয়ে নিজের ছবি দেখতে পছন্দ করি। চাই না, ছবি দেখতে গিয়ে তাঁরা অস্বস্তিতে পড়ুন। মেয়েকে নিয়ে ওটিটিতে কিছু দেখার সময়ও ভয় হয়—কখন গালিগালাজ বা অস্বস্তিকর দৃশ্য চলে আসে। সত্যি বলতে, পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে দেখতে পারেন, এমন কাজের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।’শ্রেয়স তলপড়ে। অভিনেতার ইনস্টাগ্রাম থেকে আবার পরিচালনায়?অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনাও উপভোগ করেন শ্রেয়স। তাঁর মতে, অভিনয়শিল্পী হিসেবে একটি চরিত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হয়। প্রযোজক হিসেবে গল্প নির্বাচন, অভিনয়শিল্পী বাছাই, শুটিং ও পোস্ট-প্রোডাকশন থেকে মুক্তি পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকা যায়।নতুন করে পরিচালনায় ফেরার পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চাইলে শ্রেয়স বলেন, ‘হতে পারে, আগামী বছর।’১০০ কোটি আয় থেকে মা হওয়া—সব নিয়ে বললেন সামান্থানতুন পরিচালক চেতন ডিকের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতাও ভালো বলে জানান শ্রেয়স। তাঁর কাছে পরিচালকের অভিজ্ঞতার চেয়ে দৃষ্টিভঙ্গি ও আন্তরিকতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর ভাষ্যে, ‘গল্প বলার সময়ই বোঝা যায়, পরিচালক বিষয়টি কতটা বিশ্বাস করেন। ‘দ্য ইন্ডিয়া স্টোরি’র গল্প ও চরিত্র আমাকে টেনেছিল। প্রথম ছবি হওয়ায় চেতন শক্তিশালী একটি দল গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছিলেন। সবাই নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।’প্রযোজক হিসেবে ভবিষ্যতে সামাজিক বিষয় নিয়ে ছবি করতে চান শ্রেয়স। তবে তাঁর মতে, শুধু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থাকলেই হবে না, প্রয়োজন শক্তিশালী গল্পও। ‘বিষয় ও গল্পের সুন্দর সমন্বয় ঘটলে অবশ্যই এমন ছবি প্রযোজনা করতে চাই,’ বলেন তিনি।‘দ্য ইন্ডিয়া স্টোরি’ নিয়ে শ্রেয়সের প্রত্যাশা, দর্শক ছবিটি শুধু দেখবেন না; নিজেদের খাবার ও জীবনযাপন নিয়েও নতুন করে ভাববেন।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও সাম্প্রতিক গ্র্যাজুয়েটদের জন্য ২০২৬ সালের ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম চালু করেছে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। বিভিন্ন দেশ ও ক্ষেত্রে এসব ইন্টার্নশিপের সুযোগ রয়েছে। কিছু পদে ইন্টার্নদের মাসিক স্টাইপেন্ডসহ অন্যান্য আর্থিক সুবিধা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।ইউনিসেফের ইন্টার্নশিপ সাধারণত ৬ থেকে ২৬ সপ্তাহ মেয়াদি হয়ে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থী এসব সুযোগের জন্য আবেদন করতে পারবেন।আবেদনের যোগ্যতা ইউনিসেফের ইন্টার্নশিপে আবেদন করতে হলে প্রার্থীদের কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে:স্নাতক, স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি পর্যায়ে অধ্যয়নরত হতে হবে অথবা গত দুই বছরের মধ্যে স্নাতক সম্পন্ন করতে হবে।বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে।ইউনিসেফের কর্মভাষা ইংরেজি, স্প্যানিশ বা ফরাসির অন্তত একটি ভাষায় দক্ষতা থাকতে হবে। যে অফিসে আবেদন করা হবে, প্রয়োজনে সেই অফিসের ভাষাতেও দক্ষতা প্রয়োজন হতে পারে।নিজস্ব ক্যাম্পাস ছাড়াই ২৫ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, ভাড়া স্থাপনায় যেনতেন পাঠদানযেসব সুবিধা মিলবেইন্টার্নশিপের ধরন ও কর্মস্থল অনুযায়ী সুবিধা ভিন্ন হতে পারে। এসব ইন্টার্নশিপে মাসিক স্টাইপেন্ড দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার ব্যয়ের জন্য অতিরিক্ত অর্থ এবং ভিসা ও যাতায়াত ব্যয়ের জন্য এককালীন সহায়তাও দেওয়া হতে পারে।ইন্টার্নশিপের ধরন ও কর্মস্থল অনুযায়ী সুবিধা ভিন্ন হতে পারে। এসব ইন্টার্নশিপে মাসিক স্টাইপেন্ড দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার ব্যয়ের জন্য অতিরিক্ত অর্থ এবং ভিসা ও যাতায়াত ব্যয়ের জন্য এককালীন সহায়তাও দেওয়া হতে পারে।প্রয়োজনীয় কাগজপত্রআবেদনের ক্ষেত্রে সাধারণত জীবনবৃত্তান্ত, কভার লেটার, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও পাসপোর্টের মতো কাগজপত্র প্রয়োজন হবে। নির্দিষ্ট পদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত নথি চাওয়া হতে পারে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে মার্কেটিং–বিষয়ক সার্টিফিকেট কোর্স, ২ বছরের অভিজ্ঞতা, ফি ৩২০০০আবেদনের নিয়ম ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।আবেদনের শেষ তারিখইন্টার্নশিপের আবেদনের শেষ তারিখ পদভেদে আলাদা। তাই যে পদের জন্য আবেদন করা হবে, সেই পদের বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া নির্ধারিত সময়সীমা অনুসরণ করতে হবে।কাতারে দোহা ইনস্টিটিউটে স্কলারশিপ, আবেদন ১৫ জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্তনেটফ্লিক্সে ইন্টার্নশিপ, যুক্তরাষ্ট্র–ভারত–পোল্যান্ড–জাপানে কাজ, সুযোগ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদেরও