জাতীয়

কোর্টে লড়াই, গ্যালারিতে তারার মেলা

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
কোর্টে লড়াই, গ্যালারিতে তারার মেলা
কোর্টে লড়াই, গ্যালারিতে তারার মেলা
কোর্টে তখন জার্মানির আলেক্সান্দার জভেরেভ ও যুক্তরাষ্ট্রের বেন শেলটনের লড়াই। আর গ্যালারিতে বসে সেই লড়াই উপভোগ করছিলেন হলিউড, সংগীত, ফ্যাশন ও ক্রীড়াঙ্গনের একঝাঁক পরিচিত মুখ। ব্র্যাড পিট, এমিলি ব্লান্ট, জেফ বেজোস থেকে শুরু করে লিন-ম্যানুয়েল মিরান্ডা—ইউএস ওপেনের পুরুষ এককের ফাইনালে বসেছিল তারার মেলা।
নিউইয়র্কের আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে জভেরেভ-শেলটনের লড়াই দেখতে সাধারণ দর্শকের সঙ্গে ছিলেন বিভিন্ন অঙ্গনের তারকারা
ওয়াশিংটন স্পিরিটের ফুটবলার ট্রিনিটি রডম্যান এসেছিলেন বেন শেলটনকে উৎসাহ দিতে। রডম্যানের আরেক পরিচয়, তিনি শেলটনের প্রেমিকা
হলিউড অভিনেতা ব্র্যাড পিট ও তাঁর প্রেমিকা ইনেস দে রামনও ছিলেন গ্যালারিতে
‘জুরাসিক পার্ক’খ্যাত অভিনেতা জেফ গোল্ডব্লাম ও তাঁর স্ত্রী এমিলি গোল্ডব্লাম
অভিনেত্রী কেটি হোমস ও তাঁর প্রেমিক জেসন বার্ড ইয়ারমোস্কি
অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস ও তাঁর স্ত্রী লরেন সানচেজ বেজোস
‘দ্য ডেভিল ওয়ারস প্রাডা’খ্যাত অভিনেত্রী এমিলি ব্লান্ট, ‘দ্য অফিস’খ্যাত অভিনেতা জন ক্রাসিনস্কি ও র‍্যাপার পুশা টি গ্যালারিতে বসেছিলেন পাশাপাশি
‘সিনফেল্ড’খ্যাত অভিনেতা ও কমেডিয়ান জেরি সিনফেল্ড, তাঁর স্ত্রী জেসিকা সিনফেল্ড ও অভিনেত্রী সুসি এসম্যান
‘হ্যামিল্টন’-এর স্রষ্টা, গীতিকার ও অভিনেতা লিন-ম্যানুয়েল মিরান্ডা
‘জাস্ট গিভ মি আ রিজন’-খ্যাত মার্কিন গায়িকা পিংক, সঙ্গে তাঁর ছেলে জেমসন হার্ট
কমেডিয়ান অ্যামি শুমার ও অভিনেত্রী জেনি স্লেট
‘সাকসেশন’ অভিনেতা জেরেমি স্ট্রং, ২০২০ সালে যিনি এমি জিতেছিলেন
‘বোহেমিয়ান র‍্যাপসোডি’খ্যাত অভিনেতা রামি মালেক
‘স্টার ওয়ার্স’ অভিনেতা অ্যাডাম ড্রাইভার
‘মার্সেল দ্য শেল উইথ শুজ অন’খ্যাত অভিনেত্রী জেনি স্লেট
এই ছবিটি ঠিক গ্যালারির নয়, তবে আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামের ভেতরেরই। ব্রাড পিটের সঙ্গে দেখা ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিওর
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
অবৈধ সম্পদ: সাবেক চসিক মেয়র নাসিরের বিরুদ্ধে মামলা অনুমোদন
অবৈধ সম্পদ: সাবেক চসিক মেয়র নাসিরের বিরুদ্ধে মামলা অনুমোদন

প্রায় ১৪ কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) সাবেক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দিনের নামে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুদকের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি জানিয়েছেন। বিস্তারিত আসছে... এসএম/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশক নিধন ও জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশক নিধন ও জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে

সুইডেনের নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থীরা কে কতটা এগোলেন, যেভাবে প্রার্থী নির্বাচিত হন

সুইডেনের নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থীরা কে কতটা এগোলেন, যেভাবে প্রার্থী নির্বাচিত হন

বৃদ্ধ শাহজাহানের ঘরে খাবার নেই, দুই মাসের ঘরভাড়া বাকি

বৃদ্ধ শাহজাহানের ঘরে খাবার নেই, দুই মাসের ঘরভাড়া বাকি

জামালপুর বন্ধুসভার পাঠচক্রে বিভূতিভূষণের ‘পাগলী’
জামালপুর বন্ধুসভার পাঠচক্রে বিভূতিভূষণের ‘পাগলী’

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক ও গল্পকার। তিনি ১২ সেপ্টেম্বর ১৮৯৪ সালে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনার মুরারিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১ নভেম্বর ১৯৫০ সালে মৃত্যুবরণ করেন।বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ‘পাগলী’ গল্প নিয়ে পাঠের আসর করেছে জামালপুর বন্ধুসভা। ১১ সেপ্টেম্বর বিকেলে এটি অনুষ্ঠিত হয়।গল্পটা আসলে তারানাথ তান্ত্রিকের নিজের মুখে বলা একটি পুরোনো অভিজ্ঞতা। তখন তারানাথ অনেক কম বয়সী এবং তন্ত্রসাধনা শেখার জন্য খুব আগ্রহী। সাধু-সন্ন্যাসীদের খুঁজতে খুঁজতে সে বীরভূমের একটি গ্রামের শ্মশানে থাকা এক রহস্যময় নারীর কথা জানতে পারে। সবাই তাকে মাতু পাগলী বলে ডাকত এবং বলত, সে সাধারণ পাগল নয়—ভয়ংকর শক্তিশালী তান্ত্রিক সাধিকা।তারানাথ প্রথমবার পাগলীর কাছে গেলে পাগলী তাকে দেখেই তাড়িয়ে দেয়। বলে, এখান থেকে চলে যেতে। কারণ, তার দ্বারা তন্ত্রসাধনা হবে না এবং বিপদ হতে পারে। কিন্তু তারানাথ হাল ছাড়ে না। বারবার তার কাছে যায় এবং শিষ্য হতে চায়।একদিন পাগলী তাকে কাছে বসতে দেয়। তারানাথ পরীক্ষা করার জন্য কিছু খাবার চাইলে পাগলী শ্মশানের পোড়া কয়লা হাতে দিয়ে বলে, এগুলোই খাবার। তারানাথ কয়লা মুখে দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ফেলে দেয়। পাগলী তাকে নিয়ে হাসাহাসি করে এবং বলে, সে শুধু খাবারের লোভে তন্ত্রসাধনা করতে এসেছে নাকি!এরপর পাগলী তাকে তন্ত্রের নানা রহস্যের কথা বলতে থাকে। সে ডাকিনী, শাঁখিনী, হাকিনী ইত্যাদি অদৃশ্য শক্তির কথা বলে এবং সতর্ক করে যে এসব শক্তি নিয়ে খেলতে গেলে বিপদ হতে পারে। গ্রামের লোকেরাও তারানাথকে সাবধান করে—পাগলীর কাছাকাছি না যেতে। কিন্তু তারানাথের কৌতূহল এত বেশি যে সে যেতে থাকে।একদিন সন্ধ্যায় তারানাথ পাগলীর বটগাছের কাছে গিয়ে দেখে, সেখানে পাগলীর বদলে একজন সুন্দরী ষোড়শী মেয়ে বসে আছে। তার কথা, হাসি ও আচরণ দেখে তারানাথ বুঝতে পারে—এই মেয়ের মধ্যে যেন সেই পাগলীরই উপস্থিতি আছে।পরে পাগলী তাকে বলে, তার তন্ত্রসাধনা করা উচিত নয়। কিন্তু তাকে পরীক্ষা করার জন্য সে শবসাধনা করার ব্যবস্থা করে। নদীর ধারে একটি অল্পবয়সী মেয়ের মরদেহ পাওয়া যায়। আশ্চর্যের বিষয়, মরদেহটির মুখ সেই ষোড়শী মেয়েটির মুখের মতোই।তারানাথ শবের ওপর বসে মন্ত্র জপ শুরু করে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে ভয়ংকর সব দৃশ্য দেখতে থাকে—চারদিকে অদ্ভুত নারী, পাখি, অসংখ্য নরকঙ্কাল এবং নানা ভয়াবহ বিভীষিকা। শেষে তার সামনে এক সুন্দরী মেয়ে এসে নিজেকে ষোড়শী মহাবিদ্যা বলে পরিচয় দেয়। পরে আরও ভয়ংকর এক নারীমূর্তি দেখা যায়, যাকে পাগলী মহাডামরী মহাভৈরবী বলে ব্যাখ্যা করে।তারানাথ শেষ পর্যন্ত ভয় পেয়ে শবসাধনার আসন ছেড়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু আসল রহস্য এখানেই! সকালে হয়েছে ভেবে তারানাথ যখন ফিরে আসে, তখন পাগলী তাকে দেখে হাসতে থাকে। সে বলে, সে আসলে সারা রাত শ্মশানে ছিল না!তারানাথের কাছে মনে হয়েছিল যেন পুরো রাত কেটে গেছে, কিন্তু বাস্তবে তখনো সবে সন্ধ্যা; অর্থাৎ পাগলী তাকে একধরনের তান্ত্রিক ভ্রম বা মায়ার মধ্যে ফেলেছিল। নরকঙ্কাল, ষোড়শী, মহাডামরী—সবকিছুই তার সাধনার পরীক্ষা হিসেবে তার সামনে প্রকাশিত হয়েছিল।পাগলী তখন তাকে পরিষ্কার করে জানিয়ে দেয়, তারানাথের জন্য তন্ত্রসাধনার পথ নয়। সে এই পথে এগোলে বিপদে পড়বে। পাগলী তার মধ্যে কিছু শক্তি দিয়েছিল, কিন্তু সেই শক্তি বেশি দিন থাকবে না। কারণ, তারানাথের মধ্যে অর্থের প্রতি লোভ আছে।শেষে তারানাথ সেখান থেকে চলে আসে এবং আর কোনো দিন পাগলীর দেখা পায়নি। বহু বছর পর সে যখন এই ঘটনা বর্ণনা করে, তখনো তার বিশ্বাস, মাতু পাগলী সাধারণ কোনো মানুষ ছিল না।পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক, জামালপুর বন্ধুসভা

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
বিআরটিসি পিষে দিলো স্কুলছাত্রকে

বিআরটিসি পিষে দিলো স্কুলছাত্রকে

বিনামূল্যে ৮৩ হাজার গবাদিপশুকে টিকা, স্বস্তিতে প্রান্তিক খামারিরা

বিনামূল্যে ৮৩ হাজার গবাদিপশুকে টিকা, স্বস্তিতে প্রান্তিক খামারিরা

‘হয় ১৩ লাখ টাকা চাঁদা দে, না হয় এলাকা ছাড়’

‘হয় ১৩ লাখ টাকা চাঁদা দে, না হয় এলাকা ছাড়’

চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার টার্মিনাল ইজারা বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ
চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার টার্মিনাল ইজারা বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ

চট্টগ্রাম বন্দরের চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) ও নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) কোনো দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা না দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বন্দর রক্ষা কমিটির উদ্যোগে নগরের বারিক বিল্ডিং এলাকা থেকে মিছিলটি বের হয়। পরে বন্দর অভিমুখে এগিয়ে দুই নম্বর গেটের সামনে পৌঁছালে পুলিশের অনুরোধে কর্মসূচি শেষ করেন আন্দোলনকারীরা। মিছিলে ‘মা মাটি মোহনা, বিদেশিদের দেবো না’, ‘আমার মাটি আমার মা, বিদেশিদের দেবো না’, ‘দুনিয়ার মজদুর এক হও, লড়াই করো’, ‘বাধা আসবে যেখানে, লড়াই হবে সেখানে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। আরও পড়ুন চট্টগ্রাম বন্দরে চার শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটরের লাইসেন্স স্থগিত মিছিলপূর্ব সমাবেশে বক্তব্য দেন বন্দর রক্ষা কমিটির চট্টগ্রাম অঞ্চলের আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর সোনার ডিম পাড়া হাঁস। এখন সোনার ডিম নয়, পুরো হাঁসটিই খেয়ে ফেলতে চায়। চট্টগ্রাম বন্দরের নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি সিসিটি ও এনসিটি কোনোভাবেই ইজারা দেওয়া যাবে না। তিনি বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন সরকারবিরোধী নয়। জনগণের সরকারকে জনগণের দিকে টেনে আনার আন্দোলন এটি।’ বন্দর রক্ষা কমিটির এ নেতা জানান, পুলিশের অনুরোধে আজকের কর্মসূচি শেষ করা হয়েছে। তবে আগামী ৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দর ভবনের গেটে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। এমআরএএইচ/একিউএফ

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
দিনাজপুরে অভিযানে চালিয়ে ১৩৯১ বস্তা সার জব্দ, অর্থদণ্ড

দিনাজপুরে অভিযানে চালিয়ে ১৩৯১ বস্তা সার জব্দ, অর্থদণ্ড

আইফোনের অর্থ জানেন?

আইফোনের অর্থ জানেন?

চেয়ারম্যান-সদস্য দ্বন্দ্বে ইউপি কার্যালয়ে তালা

চেয়ারম্যান-সদস্য দ্বন্দ্বে ইউপি কার্যালয়ে তালা

0 Comments