ইয়েমেনে নতুন করে শুরু হওয়া সামরিক উত্তেজনা এখন আর স্রেফ সে দেশের মধ্যকার কোনো যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নেই। রিয়াদের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি এখন সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং আঞ্চলিক উত্তাপকে নিজের সীমানার বাইরে আটকে রাখার সক্ষমতার ওপর এক বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
হুতিদের সাম্প্রতিক হামলাগুলো সেই বার্তাই দিচ্ছে। আবহা, খামিস মুশাইত, জিজান ও নাজরানের বেসামরিক এলাকা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক স্থাপনায় আঘাত হেনেছে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন। এতে বহু বেসামরিক নাগরিক আহত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি জ্বালানি কেন্দ্রে সাময়িক অগ্নিকাণ্ড ও কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়েছে।
একদিকে ইয়েমেনের ভেতরে এবং দেশটির পশ্চিম উপকূলে যখন সংঘাত তীব্র রূপ নিচ্ছে, ঠিক তখনই লোহিত সাগর ও বাব আল-মানদেব প্রণালিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজে হুমকি বজায় রেখেছে হুতিরা।
সৌদি আরব তাই এখন দুটি পরস্পর সংযুক্ত সংকটে মুখোমুখি: প্রথমত, নিজস্ব ভূখণ্ডে সরাসরি আক্রমণ; দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বাণিজ্যের জন্য অপরিহার্য সামুদ্রিক পথ অবরুদ্ধ করার প্রচেষ্টা।
পরিস্থিতি রিয়াদের সামনে এক জটিল কৌশলগত সমীকরণ তৈরি করেছে। গত কয়েক বছর ধরে সৌদি আরব ইয়েমেনে সরাসরি সামরিক উপস্থিতি কমিয়ে এনে দ্বিপক্ষীয় কূটনীতি, উত্তেজনা প্রশমন এবং রাজনৈতিক সমাধানের দিকে জোর দিচ্ছিল।
কিন্তু একটি নতুন দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের মুখোমুখি হওয়া মানে সেই কৌশল থেকে বিচ্যুত হওয়া, যা অনাবশ্যক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করবে।
তবে সংযম দেখানোর অর্থ এই নয় যে নিজস্ব ভূখণ্ডে একের পর এক হামলা চুপচাপ সহ্য করে নেওয়া হবে।

ইয়েমেন যুদ্ধের শুরুর দিনগুলোর তুলনায় আজকের নিরাপত্তাসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের ধরন অনেকটাই আলাদা।
সৌদি আরব তাদের আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে বহুলাংশে আধুনিক করেছে। সেই সঙ্গে সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর পাশাপাশি ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানোর ভালো অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। ফলে এক দশক আগের তুলনায় রিয়াদ এখন নিজস্ব ভূখণ্ড রক্ষায় আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রস্তুত।
তবে হুতিদের শক্তির জায়গাতেও বিবর্তন ঘটেছে।
তাদের হাতে এখন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং প্রযুক্তিসম্পন্ন ড্রোনের এক শক্তিশালী ভান্ডার রয়েছে। অধিকাংশ হামলা আকাশেই ব্যর্থ করে দেওয়া হলেও, তুলনামূলক সস্তা এই ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করতে সৌদিকে গুনতে হচ্ছে চড়া প্রতিরক্ষামূলক খরচ।
উপরন্তু বিমানবন্দর, শিল্পাঞ্চল, সীমান্ত এলাকা ও জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে একটি স্থায়ী নিরাপত্তাহীনতা ও অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।
বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ জ্বালানি রপ্তানিকারক হিসেবে সৌদি তেল স্থাপনায় হামলার প্রভাব পড়ে বিশ্ববাজারেও, তা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যতই কম হোক না কেন। সাম্প্রতিক এসব হামলায় বেশ কিছু জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইতিমধ্যেই অস্থিতিশীল আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।
এর অর্থ হলো, সৌদি আরব শুধু এই প্রতিরক্ষা বা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার ওপর নির্ভর করে নিশ্চিন্ত থাকতে পারে না। পৃথিবীর কোনো বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থাই শতভাগ নিরাপত্তার গ্যারান্টি দিতে পারে না।
তাই সৌদি আরবের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত ‘প্রতিরোধমূলক বার্তা’ (ডিটারেন্স) দেওয়া। হুতিদের এটা স্পষ্ট করে বোঝানো প্রয়োজন যে সৌদি ভূখণ্ডে হামলা চালিয়ে তারা রাজনৈতিক বা সামরিকভাবে যতটা সুবিধা পাবে, তার চেয়ে অনেক বেশি চড়া মূল্য তাদের দিতে হবে।
এর জন্য পূর্বের মতো বড় আকারের সামরিক অভিযানে নামার কোনো প্রয়োজন নেই; কারণ, রিয়াদের সামনে এখন একাধিক বিকল্প খোলা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা অভিযান পরিচালনা, ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীকে শক্তিশালী করা, সীমান্ত নিরাপত্তা কঠোর করা, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ বন্ধের পথ রুদ্ধ করা এবং প্রয়োজনে যেসব পয়েন্ট থেকে হামলা চালানো হচ্ছে, সেখানে সুনির্দিষ্ট ও আনুপাতিক পাল্টা হামলা চালানোর পথ খোলাই আছে।
এখানে পার্থক্যটা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ: নীরব দর্শক হয়ে থাকা আর পুরোমাত্রার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার মাঝখানেও সৌদি আরবের হাতে অনেকগুলো কার্যকর পথ রয়েছে।
এই সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রতিক্রিয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ জ্বালানি রপ্তানিকারক হিসেবে সৌদি তেল স্থাপনায় হামলার প্রভাব পড়ে বিশ্ববাজারেও, তা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যতই কম হোক না কেন। সাম্প্রতিক এসব হামলায় বেশ কিছু জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইতিমধ্যেই অস্থিতিশীল আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।
এখানে একটি আপাত বৈপরীত্য বা প্যারাডক্স কাজ করে: আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার কারণে তেলের দাম সাময়িকভাবে বাড়লে সৌদি আরবের রাজস্ব বৃদ্ধি পায় ঠিকই, তবে যুদ্ধের কারণে তেলের চড়া দামকে কোনোভাবেই দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সাফল্য বলা চলে না।
সীমান্তজুড়ে চলতে থাকা এই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের চোখ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করে, যা পরিবহন ও বিমা খরচ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
আরও বড় কৌশলগত দুশ্চিন্তার জায়গা হলো সামুদ্রিক পথের নিরাপত্তা।
বিশ্বের দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথের মধ্যে সৌদি আরবের অবস্থান-পূর্বে হরমুজ প্রণালি আর পশ্চিমে বাব আল-মানদেব। এই দুটি পথের যেকোনো একটিতে বিঘ্ন ঘটা পুরো বিশ্ব অর্থনীতির জন্যই বড় হুমকি।
এই প্রেক্ষাপটে ইয়েমেন সংঘাতের লোহিত সাগর অংশটি অত্যন্ত সংবেদনশীল।
বাব আল-মানদেব প্রণালি ভারত মহাসাগরকে লোহিত সাগর ও সুয়েজ খালের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এখানে বাণিজ্য জাহাজে হুতিদের ধারাবাহিক হুমকি পণ্য পরিবহন ও বিমা খরচ বাড়াবে, যার ফলে বাধ্য হয়ে অনেক জাহাজকে পুরো আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরে যাতায়াত করতে হবে।
তবে এ ক্ষেত্রে রিয়াদের একটি বড় কৌশলগত সুবিধা রয়েছে। তাদের পুরো জ্বালানি খাত কেবল পারস্য উপসাগরের ওপর নির্ভরশীল নয়। দেশটি তাদের ‘ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন’-এর মাধ্যমে লোহিত সাগরের টার্মিনালগুলোতে প্রচুর পরিমাণে অপরিশোধিত তেল পাঠাতে পারে। এটি হরমুজ প্রণালির চমৎকার একটি বিকল্প এবং রিয়াদকে কৌশলগত সুবিধা দেয়।
তবে এই সুবিধা সত্ত্বেও লোহিত সাগর বা বাব আল-মানদেবের অস্থিতিশীলতা থেকে সৃষ্ট ঝুঁকি থেকে সৌদি আরব পুরোপুরি মুক্ত নয়।
কাজেই বাব আল-মানদেবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে শুধু সৌদি বা ইয়েমেনের নিজস্ব স্বার্থ হিসেবে দেখলে চলবে না, বরং এটিকে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার অংশ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
রিয়াদের জন্য আসল বিপদ সামরিক শক্তির চেয়ে রাজনৈতিক ফাঁদে।
হুতিরা চাইছে সৌদি আরবকে আবার সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে টেনে আনতে। এতে করে তারা ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ সংঘাতকে আবার ‘বাইরের শক্তির বিরুদ্ধে ইয়েমেনের লড়াই’ হিসেবে প্রচার করার সুযোগ পাবে।
সৌদি আরবকে অবশ্যই এই রাজনৈতিক কৌশল এড়িয়ে চলতে হবে।
হুতি সংঘাতের মুখোমুখি হওয়ার মূল দায়িত্বটি ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ শক্তির ওপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার ও তাদের সামরিক বাহিনীকেই ভূমিতে হুতিদের প্রতিরোধের মূল দায়িত্ব নিতে হবে; আর সৌদি আরব পেছন থেকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, গোয়েন্দা ও প্রতিরক্ষামূলক সহায়তা দিয়ে যাবে।
বিশেষ করে লোহিত সাগর ও বাব আল-মানদেবের উপকূলীয় সামরিক অবস্থানগুলোতে হুতিদের শিকড় যেন শক্ত না হতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি।
তাই লক্ষ্য আবার সানা দখলের জন্য কোনো সর্বাত্মক বিমান হামলা চালানো বা দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া হওয়া উচিত নয়। বরং আসল লক্ষ্য হওয়া উচিত—হুতিরা যেন সামরিক শক্তি ব্যবহার করে অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক ভারসাম্য বদলে দিতে না পারে এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্র বা আন্তর্জাতিক নৌপথকে জিম্মি করতে না পারে।
সৌদি নীতিকে এখন একই সঙ্গে কয়েকটি ট্র্যাকে চালাতে হবে।
প্রথমত, নিজেদের আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা জোরদার করা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষিত রাখা। দ্বিতীয়ত, প্রত্যক্ষ যুদ্ধে না জড়িয়ে ইয়েমেন সরকারের অনুগত বাহিনীকে সর্বাত্মক সহায়তা দেওয়া। তৃতীয়ত, লোহিত সাগর ও বাব আল-মানদেবের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক জোটের সহযোগিতা জোরদার করা।
একই সঙ্গে আলোচনার পথও খোলা রাখতে হবে।
সৌদি আরব বারবার ইয়েমেনে আলোচনার মাধ্যমে স্থায়ী সমাধানের পক্ষেই মত দিয়েছে। তবে আলোচনা তখনই সফল হয়, যখন প্রতিপক্ষ বুঝতে পারে যে সংঘাত বাড়ালে তাদেরই বেশি ক্ষতি হবে।
সহজ কথায়, কার্যকর কূটনীতির পেছনে শক্তিশালী সামরিক শক্তির বার্তাও থাকতে হয়।
সৌদি আরব অবশ্যই চাইবে না ইয়েমেন আঞ্চলিক সংঘাতের একটি স্থায়ী ফ্রন্টে পরিণত হোক। দেশটির অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক রূপান্তরের জন্য স্থিতিশীলতা জরুরি, আর ভূরাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করতে হলে প্রয়োজন নিরাপদ সীমান্ত, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি রপ্তানি ও নিরাপদ নৌপথ।
তবে যে যুক্তি সৌদিকে সংযমী হতে বলছে, সেই একই যুক্তি তাদের ধৈর্যের সীমানাও নির্ধারণ করে দিচ্ছে।
যদি সৌদি শহর, বেসামরিক নাগরিক ও তেল স্থাপনায় হামলা চলতে থাকে, তবে রিয়াদ এটিকে আর ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ হিসেবে দেখবে না—বরং একে তারা দেখবে নিজস্ব সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ড রক্ষার লড়াই হিসেবে।
সেই দৃষ্টিভঙ্গিই ঠিক করে দেবে আগামী দিনের পদক্ষেপ।
খালেদ এম বাতারফি সৌদিভিত্তিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও লেখক।
আল-জাজিরা থেকে সংক্ষেপে অনূদিত।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান রানার গ্রুপ ‘সিনিয়র অফিসার’ পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। তবে প্রার্থীকে অবশ্যই বিবিএ অথবা বিকম ডিগ্রিধারী হতে হবে। এক নজরে রানার গ্রুপের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ তথ্যের ধরন বিবরণ প্রতিষ্ঠানের নাম রানার গ্রুপ বিভাগের নাম সেলস পদের নাম সিনিয়র অফিসার পদসংখ্যা ১০ জন চাকরির ধরন বেসরকারি, ফুল টাইম প্রার্থীর ধরন নারী-পুরুষ শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবিএ অথবা বিকম (ম্যানেজমেন্ট/মার্কেটিং) অভিজ্ঞতা ২ বছর। তবে ফ্রেশার প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। বেতন ও অন্যান্য সুবিধা আলোচনা সাপেক্ষে বয়সসীমা ২৩-৩৬ বছর সূত্র বিডিজবস ডটকম আবেদন করার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আবেদন শুরু: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আবেদনের শেষ তারিখ: ৯ অক্টোবর ২০২৬ আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে কর্মস্থল: যে কোনো জেলায় কাজ করার মানসিকতা থাকা আবশ্যক। আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন রানার গ্রুপ। আরও পড়ুনসেনাবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ৪০ বছর বয়সেও আবেদনের সুযোগনার্স হিসেবে ক্যারিয়ার গড়বেন যেভাবেনৌবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এইচএসসি পাসেই অফিসার ক্যাডেট হওয়ার সুযোগসেনাবাহিনীর চাকরি পেতে যেসব যোগ্যতা আপনাকে এগিয়ে রাখবে১১২ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেবে বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনসেনাবাহিনী নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এসএসসি পাসেই আবেদন১৪২ জনকে নিয়োগ দেবে সমরাস্ত্র কারখানা, এসএসসি পাসেও আবেদন৮৫ জনকে নিয়োগ দেবে পল্লী উন্নয়ন বোর্ড, আবেদন ফি ১০০ টাকাসেনাবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এইচএসসি পাসেই আবেদনের সুযোগ এমআইএইচ
পথের ধারে ফুটে আছে হলুদ বন-লবঙ্গ ফুল। দেলুয়াকান্দি, বেলকুচি, সিরাজগঞ্জ, ১২ সেপ্টেম্বরপথের দুই ধারে পাটকাঠি শুকাতে দেওয়া হয়েছে। জিরানী, আটঘরিয়া, পাবনা, ১২ সেপ্টেম্বরট্রেনে করে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় পাঠানোর জন্য স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে জড়ো করে রাখা হয়েছে ডাব। ফুলতলা, খুলনা, ১২ সেপ্টেম্বরলুঙ্গি–গামছার পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। ফুলতলা, খুলনা, ১২ সেপ্টেম্বরপাহাড়ে উৎপাদিত পণ্য নিয়ে নৌকায় চেপে সাপ্তাহিক হাটে যাচ্ছেন তাঁরা। ঝুলুক্কে পাহাড় এলাকা, কাপ্তাই হ্রদ, রাঙামাটি, ১২ সেপ্টেম্বরফুলের পাপড়ির ওপর জমেছে বৃষ্টির ফোঁটা। ঢেপ্পোছড়ি মুখ, রাঙামাটি, ১২ সেপ্টেম্বরপড়ন্ত বেলায় কালীগঙ্গা নদীতে চলছে নৌকা। কান্দা পৌলি, মানিকগঞ্জ, ১২ সেপ্টেম্বরকাঠ ও টিন দিয়ে কবুতর ও মুরগির জন্য ঘর বানাচ্ছেন তিনি। বারোইপাড়া, পাবনা, ১২ সেপ্টেম্বরবাসার ছাদে ড্রাগনগাছে ফুল ফুটেছে। ধানগড়া, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, ১২ সেপ্টেম্বর
দেশে সারের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, একটি দুষ্টচক্র সার মজুতের চেষ্টা করছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফেনী সফরকে সামনে রেখে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফুলগাজীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, কৃষকদের সহায়তায় প্রথম ধাপে সারাদেশে এক লাখ ১০ হাজার কৃষি কার্ড বিতরণ করা হবে। ফেনীতে এ কার্ড পাবেন সাড়ে সাত হাজার কৃষক। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেনীতে এসে কৃষি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এর আগে মন্ত্রী ফুলগাজীতে প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি সমাবেশের প্রস্তুতি ও সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন। মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে। তাই সার নিয়ে কৃষকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরির জন্য সার মজুত করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মাহবুব উল করিম, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার, কৃষি বিভাগের উপপরিচালক আতিক উল্লাহ, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির গ্রাম বিষয়ক সহ-সম্পাদক বেলাল আহমেদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আবদুল্লাহ আল-মামুন/এফএ