জাতীয়

গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, গ্রেপ্তার আরো ৪০

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় এক ব্যক্তির ১০ বছরের কারাদণ্ড
চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় এক ব্যক্তির ১০ বছরের কারাদণ্ড

চুয়াডাঙ্গায় ৯৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের মামলায় আশরাফ আলী (৭০) নামে এক ব্যক্তিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সত্যব্রত শিকদার এ রায় ঘোষণা করেন। অ্যাডভোকেট মারুফ সারোয়ার বাবু এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আশরাফ আলী জীবননগর উপজেলার কাশিপুর গ্রামের মৃত এলাহী বকসোর ছেলে। আরও পড়ুন শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানিয়ে নোয়াখালীতে মিছিল, গ্রেফতার ৩ আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে আশরাফ আলীকে ৯৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করে। এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই আবুবক্কর সিদ্দিক বাদী হয়ে ওই দিন জীবননগর থানায় মামলা করেন। এরপর বিচারিক প্রক্রিয়ায় মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। পরে সাক্ষ্য-প্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত আশরাফ আলীকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও একই সঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। হুসাইন মালিক/এনএইচআর

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
পোশাকখাতে ব্যবসা বাড়াতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চায় বিজিবিএ

পোশাকখাতে ব্যবসা বাড়াতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চায় বিজিবিএ

শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানিয়ে নোয়াখালীতে মিছিল, গ্রেফতার ৩

শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানিয়ে নোয়াখালীতে মিছিল, গ্রেফতার ৩

শুভশ্রীর সঙ্গে আজকাল কথা বলতেও ভয় পান দেব, জানালেন কারণ

শুভশ্রীর সঙ্গে আজকাল কথা বলতেও ভয় পান দেব, জানালেন কারণ

জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন ঢাবি শিক্ষার্থী, যে ব্যাখ্যা দিলেন ফরহাদ
জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন ঢাবি শিক্ষার্থী, যে ব্যাখ্যা দিলেন ফরহাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালা থেকে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ডাকসুর সাবেক ভিপি প্রার্থী আবু তৈয়ব হাবিলদার। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ডাকসু সংগ্রহশালায় গিয়ে তিনি ছবিটি ছিঁড়ে ফেলেন। জিন্নাহর ছবি ছেঁড়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আবু তৈয়ব হাবিলদার। এসময় তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো ব্যক্তিকে ডাকসু সংগ্রহশালায় কীভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে—এ নিয়ে প্রশ্ন তোলা প্রয়োজন। তিনি বলেন, যে জিন্নাহ আমাদের মুখের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল, তার ছবি এখানে রাখা হবে—এটা মেনে নেওয়া যায় না। জিন্নাহর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে তার অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন। আবু তৈয়ব হাবিলদার আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘রক্তের গৌরব’ বহনকারী প্রতিষ্ঠান। ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাই সংগ্রহশালায় ইতিহাস উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। আরও পড়ুন ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন ঢাবি শিক্ষার্থী তিনি ডাকসুর বর্তমান নেতৃত্বের উদ্দেশে বলেন, ইতিহাসের বিতর্কিত অধ্যায়গুলোকে কীভাবে উপস্থাপন করা হবে, সে বিষয়ে দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তার ভাষ্য, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের বিপরীত কোনো অবস্থানকে স্বাভাবিকভাবে উপস্থাপন করা উচিত নয়। ‘ছবি না দিলে বলা হতো ইতিহাস লুকানো হয়েছে’ এদিকে জিন্নাহর ছবি সংগ্রহশালায় রাখার বিষয়ে ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ বলেন, জিন্নাহর ছবি রাখার উদ্দেশ্য তাকে গৌরবান্বিত করা নয়; বরং বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে তার অবস্থানকে ইতিহাসের অংশ হিসেবে তুলে ধরা। তিনি বলেন, ৫২-এর ভাষা আন্দোলন হঠাৎ করে হয়নি। এর আগে ধারাবাহিকভাবে অনেকগুলো প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল। জিন্নাহ সরাসরি বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং এই অঞ্চলের রাষ্ট্রভাষা উর্দু হবে বলে বক্তব্য দিয়েছিলেন। আমরা সেই বক্তব্যের ক্যাপশনসহ তার ছবি দিয়েছি। এস এম ফরহাদ বলেন, আমরা যদি জিন্নাহর ছবি না দিতাম, তখন বলা হতো—জিন্নাহ বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন, সেটা আমরা লুকিয়েছি। এখন ছবি ও ক্যাপশন দেওয়ার পর বলা হচ্ছে ছবি কেন রাখা হয়েছে।’ তার দাবি, সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি রাখার মাধ্যমে তাকে দায়মুক্তি দেওয়ার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। বরং তার বিতর্কিত ভূমিকা তুলে ধরতেই ছবির সঙ্গে ক্যাপশন দেওয়া হয়েছে। ‘এক সপ্তাহ সময় নিয়েছি, সংযোজন-বিয়োজন হবে’ ডাকসু জিএস বলেন, সংগ্রহশালা উদ্বোধনের পর তারা এক সপ্তাহ সময় নিয়েছেন। এ সময়ের মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে গঠনমূলক মতামত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, যে কোনো কারেকশন, সংযোজন কিংবা বিয়োজনের বিষয়ে আপনারা ইনপুট দিন। আমরা সেগুলো গ্রহণ করে সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবো। এস এম ফরহাদ জানান, এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অনেকে মেসেজ, ই-মেইল ও চিঠির মাধ্যমে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। কিছু পরামর্শ গ্রহণও করা হয়েছে। পুরোনো ছবি সরানো প্রসঙ্গে যা বললেন ডাকসুর পুরোনো ছবিগুলো কোথায়—এমন প্রশ্নের জবাবে এস এম ফরহাদ বলেন, সংগ্রহশালায় থাকা কিছু পুরোনো ছবির মধ্যে এমন উপাদান ছিল, যা তাদের বিবেচনায় রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট বা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপন করে। আরও পড়ুন সংস্কার শেষে উদ্বোধন ডাকসুর সংগ্রহশালা, থাকছে ইতিহাসের দুর্লভ স্মৃতি তিনি বলেন, যে পুরোনো ছবি ফ্যাসিবাদকে গ্লোরিফাই করে, যে পুরোনো ছবি খালেদা জিয়াকে ক্রিমিনালাইজ করে বা ব্যঙ্গ করে পশু আকৃতিতে উপস্থাপন করে—এ ধরনের ছবি আমরা এখানে রাখবো না। তবে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপাদান রাখা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল দাবি ডাকসু জিএসের সংগ্রহশালা সংস্কার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে এস এম ফরহাদ বলেন, বিষয়টি ডাকসুর ফরমাল বডিতে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, সংগ্রহশালার কাজ চলার সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম দুইবার সেটি পরিদর্শন করেছেন। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তিনি উপস্থিত হতে পারেননি। এস এম ফরহাদ বলেন, ভিসি স্যার এলে ভালো হতো। আমি স্যারের বক্তব্য নিয়ে কোনো নেগেটিভ ফিডব্যাক দেবো না। আমি অনুরোধ করবো, তিনি এখনই এসে সংগ্রহশালা ভিজিট করুন এবং কোনটা রাখা হবে, কোনটা বাদ দেওয়া হবে—সে বিষয়ে মতামত দিন। ৭ মার্চের ছবি নিয়েও প্রশ্ন সংগ্রহশালায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ছবি দেখা যাচ্ছে না—এমন প্রশ্নের জবাবে এস এম ফরহাদ বলেন, ৭ মার্চের ছবি সেখানে রাখা হবে। তিনি দাবি করেন, সংগ্রহশালায় ৭ মার্চের বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়নি। বরং সাংবাদিকদের সরেজমিনে গিয়ে দেখার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অন্তর্ভুক্ত করে ৭ মার্চের ছবি রাখার কথা বলেন তিনি। গোলাম আযমের ছবি নিয়ে জিএস সংগ্রহশালায় একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত ও জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ছবি থাকার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে এস এম ফরহাদ বলেন, ছবিটি কে বা কারা সেখানে রেখেছে, তা তিনি জানেন না। তিনি বলেন, ‘আমি ছবি দেখিনি। কারা করেছে, সেটা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং করে তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।’ সংগ্রহশালায় ছবিটি থাকবে কি না—এ বিষয়ে তিনি বলেন, এটি ডাকসুর বডির সিদ্ধান্তের বিষয়। তিনি আরও বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে পাওয়া সব ধরনের মতামত, সংযোজন-বিয়োজন ও সংশোধনের প্রস্তাব নিয়ে ডাকসুর ফরমাল সভায় আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ডাকসু জিএস বলেন, সংগ্রহশালাকে তারা এখনই সম্পূর্ণ বা চূড়ান্ত দাবি করছেন না। বরং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গঠনমূলক পরামর্শের ভিত্তিতে এটি আরও সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আরটি/এমকেআর

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
শেলটনকে হারিয়ে ইউএস ওপেনের মুকুট জভেরেভের

শেলটনকে হারিয়ে ইউএস ওপেনের মুকুট জভেরেভের

তিনতলা ভবন আছে, শ্রেণিকক্ষও আছে, কিন্তু শিক্ষক আছেন মাত্র দুজন

তিনতলা ভবন আছে, শ্রেণিকক্ষও আছে, কিন্তু শিক্ষক আছেন মাত্র দুজন

কোকোনাট সাবুদানা পুডিং বানাবেন যেভাবে

কোকোনাট সাবুদানা পুডিং বানাবেন যেভাবে

চাকরির লোভে দুই বোনকে ভারতে পাচার, আসামীকে ১০ বছরের কারাদণ্ড
চাকরির লোভে দুই বোনকে ভারতে পাচার, আসামীকে ১০ বছরের কারাদণ্ড

‎ফরিদপুরে চাকরির লোভে দুই বোনকে ভারতে পাচার করে অসামাজিক কাজে বাধ্য করার অভিযোগে মো. শহীদ শেখ (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে দুই ধারায় ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে মোট ৭০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।‎‎সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে ফরিদপুরের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। পরে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত শহীদ শেখ ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার গজারকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। আদালত মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইনে তাকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। ‎মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৯ জুলাই ফরিদপুরের একটি জুট মিলে কর্মরত ২০ ও ১৮ বছর বয়সী দুই বোনকে উন্নত চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সহকর্মী শহীদ শেখ ভারতের বোম্বে শহরে পাচার করেন। সেখানে তাদের অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হয়। এ ঘটনায় দুই তরুণীর বাবা ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট সালথা থানায় শহীদ শেখ ও তার স্ত্রীকে আসামি করে মানব পাচার আইনে মামলা করেন। একই বছরের ৩১ অক্টোবর সালথা থানার উপপরিদর্শক(এসআই) ওমর আলী তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ‎রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া জানান, শহীদ শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে সাজা দিয়েছেন। তবে অপর আসামি তার স্ত্রীকে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট। এন কে বি নয়ন/কেজে/এএসএম

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
পণ্যের দাম ওঠানামার ঝুঁকি কমাতে হেজিং সুবিধা চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক

পণ্যের দাম ওঠানামার ঝুঁকি কমাতে হেজিং সুবিধা চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক

সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ধাপের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর

সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ধাপের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর

হামের উপসর্গে একদিনে ৮ শিশুর প্রাণহানি

হামের উপসর্গে একদিনে ৮ শিশুর প্রাণহানি

0 Comments