জাতীয়

গায়েহলুদের দাওয়াতে যান নারী, আলোকসজ্জার তার পায়ে জড়িয়ে গেল প্রাণ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
গায়েহলুদের দাওয়াতে যান নারী, আলোকসজ্জার তার পায়ে জড়িয়ে গেল প্রাণ
গায়েহলুদের দাওয়াতে যান নারী, আলোকসজ্জার তার পায়ে জড়িয়ে গেল প্রাণ

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জার তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার লেলাং ইউনিয়নের পূর্ব শাহনগর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত নারীর নাম নুর আয়েশা (৬০)। তিনি ওই গ্রামের মোহাম্মদ শফির স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নুর আয়েশার প্রতিবেশীর বাড়িতে গায়েহলুদের অনুষ্ঠান চলছিল। তিনি সেখানে দাওয়াতে গিয়েছিলেন। এ সময় অনুষ্ঠান আলোকসজ্জার জন্য টাঙানো বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে পড়েন তিনি। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিবারের অনুরোধে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
জুমার নামাজের পর কী করতেন নবীজি (সা.)?
জুমার নামাজের পর কী করতেন নবীজি (সা.)?

দুপুরের দিকে অর্থাৎ সূর্য ঢলে যাওয়ার সামান্য পূর্বে কিংবা পরে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়া বা হালকা ঘুমিয়ে নেওয়াকে আরবিতে ‘কাইলুলা’ বলা হয়। বিখ্যাত আরবি ভাষাবিদ ইবনুল আসীরের (রহ.) মতে, মধ্যাহ্নে শুয়ে বিশ্রাম নেওয়াই কাইলুলা, সে সময় ঘুম আসুক কিংবা না আসুক, বিশ্রাম নেওয়াটাই মুখ্য। রাসুলুল্লাহর (সা.) যুগে তাঁর ও সাহাবায়ে কেরামের একটি দৈনন্দিন অভ্যাস ছিল এই কাইলুলা। সাধারণ দিনগুলোতে তাঁরা সাধারণত জোহরের নামাজের আগেই আহার সম্পন্ন করতেন এবং কাইলুলা করতেন। তবে জুমার দিন তাঁদের এই রুটিনে কিছুটা ভিন্নতা দেখা যেত। জুমার দিনে রাসুলুল্লাহ (সা.) ও সাহাবায়ে কেরাম (রা.) মধ্যাহ্নের পর প্রথম জুমার নামাজ আদায় করতেন। জুমার নামাজের পর তারা দুপুরের খাবার গ্রহণ করতেন এবং কাইলুলা করতেন বা শুয়ে বিশ্রাম নিতেন। হজরত সাহল (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘জুমার দিন আমরা নবী কারীমের (সা.) সঙ্গে প্রথমে জুমার নামাজ আদায় করতাম, তারপর কাইলুলা করতাম।’ (সহিহ বুখারি) বিখ্যাত মুহাদ্দিস হাফেজ ইবনে হাজার (রহ.) তাঁর বিশ্ববিখ্যাত হাদিস ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘ফাতহুল বারি’তে বলেন, এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, কাইলুলা করা সাহাবিদের প্রতিদিনের অভ্যাস ছিল, জুমার দিন কাইলুলার সময়সূচির কিছুটা পরিবর্তন ঘটত। আরও পড়ুন শুক্রবার আসরের পর যে আমল করবেন কাইলুলার উপকারিতা কী? নবীজি (সা.) ও সাহাবায়ে কেরাম শেষ রাতে তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করতেন। তারপর ফজরের নামাজ আদায় করে প্রয়োজনীয় কাজে ব্যস্ত হয়ে যেতেন। ফজরের নামাজের পর ঘুমানোর অভ্যাস তাদের ছিল না। তাই মধ্যাহ্নের আগে-পরে খাবার খেয়ে এই কায়লুলা বা কিছুক্ষণের বিশ্রাম তাদের ক্লান্তি দূর করে দিনের বাকি সময় কর্ম তৎপর থাকতে সাহায্য করতো। পাশাপাশি পরবর্তী রাতে তাহাজ্জুদের জন্য রাত জাগও তাদের জন্য সহজ হতো। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী কারীম (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আপনারা সাহরি খাওয়ার মাধ্যমে দিনের রোজা রাখার শক্তি অর্জন করুন এবং দুপুরে কাইলুলার মাধ্যমে রাতের কিয়াম তথা তাহাজ্জুদ আদায়ের শক্তি লাভ করুন।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, সহিহ ইবনে খুজাইমা) হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা কাইলুলা করো; শয়তান কাইলুলা করে না।’ (আল-মুজামুল আওসাত) দিনের কোন সময়ের ঘুম কেমন? দিনের বিভিন্ন সময়ের ঘুমের প্রভাব সম্পর্কে হজরত খাওয়ার ইবনে জুবাইর (রা.) চমৎকার একটি অনুসিদ্ধান্ত দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘দিনের প্রথম ভাগের ঘুম (সকালবেলার ঘুম) মানুষের প্রফুল্লতা ও বরকত জ্বালিয়ে ছাই করে দেয়; দিনের মধ্যভাগের ঘুম (কাইলুলা) একটি উত্তম স্বভাব ও সুন্নাহ; আর দিনের শেষভাগের ঘুম (আসরপরবর্তী ঘুম) বুদ্ধিহীনতা বা নির্বুদ্ধিতা তৈরি করে।’ খাবার ও কাইলুলার সম্পর্ক অনেকে মনে করেন খাবারের পরপরই ঘুমানো বুঝি কাইলুলা। এই ধারণা সঠিক নয়। কাইলুলা মূলত দিনের মধ্যভাগের বিশ্রাম, খাওয়ার পরের বিশ্রাম নয়। মধ্যাহ্নের আগে-পরে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়া বা শুয়ে থাকলে এই সুন্নত আদায় হয়ে যায়। ডাক্তার মুহাম্মদ আবদুল হাই (রহ.) তার ‘উসওয়ায়ে রাসুল আকরাম (সা.)’ গ্রন্থে লিখেছেন, সুযোগ ও অবসর থাকলে সুন্নাতের অনুসরণের নিয়তে দুপুরে খাবারের পর কিছুক্ষণ শুয়ে থাকা উত্তম। এটিকে কাইলুলা বলা হয়। তবে এই আমলের জন্য ঘুমানো শর্ত নয়, কেবল শুয়ে বিশ্রাম নিলেই সুন্নাত আদায় হয়ে যাবে। আরও পড়ুন জুমার দিন দোয়া কবুলের বিশেষ সময় ওএফএফ

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
মরুর রূপান্তর: সৌদি আরবের নবজাগরণের কাব্য

মরুর রূপান্তর: সৌদি আরবের নবজাগরণের কাব্য

পুরোনো বইয়ের গন্ধ কেন এত ভালো লাগে?

পুরোনো বইয়ের গন্ধ কেন এত ভালো লাগে?

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই

রাশিয়ার মাউন্ট এলব্রুস জয় করতে যাচ্ছেন এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী শাকিল
রাশিয়ার মাউন্ট এলব্রুস জয় করতে যাচ্ছেন এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী শাকিল

রাশিয়ায় ইউরোপ মহাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া মাউন্ট এলব্রুস অভিযানে যাচ্ছেন এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী ইকরামুল হাসান শাকিল। এ উপলক্ষে ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় ধানমন্ডিতে রাশিয়ান হাউজে সাংবাদিক সম্মেলন ও পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ‘বাংলাদেশ-রাশিয়া ফ্রেন্ডশিপ অভিযান’ উপলক্ষে শাকিলের হাতে বাংলাদেশের পতাকা তুলে দেওয়া হয়। এ সময় শাকিল তার অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। শাকিল বলেন, ‘আমার জন্য প্রতিটি অভিযানই চ্যালেঞ্জের। এলব্রুসের উচ্চতা নিয়ে চিন্তিত না হলেও এর আচরণ নিয়ে সাবধান থাকতে হবে। এটা তো সুপ্ত আগ্নেয়গিরি। সে কারণেই নিশ্চিত করে কিছুই বলতে পারব না। তবে এলব্রুস চূড়ায় দেশের পতাকা উড়িয়ে ধরতে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে। সবার দোয়া চাই।’ জানা যায়, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রাশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন শাকিল। এরপর প্রায় ১৫ দিনের অভিযানে মাউন্ট এলব্রুসের চূড়ায় আরোহণের চেষ্টা করবেন। অভিযানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি বাংলাদেশের পতাকা ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গে তুলে ধরার লক্ষ্য আছে এই অভিযাত্রীর। আরও পড়ুন ১৮৫ দেশ ভ্রমণকারী নাজমুন নাহার কি বিশ্বের প্রথম মুসলিম নারী পর্যটক? সংবাদ সম্মেলনে রাশিয়ান হাউজের পরিচালক অ্যালেক্সান্দ্রা খ্লেভনয়ে, অ্যান্টার্কটিকা অভিযাত্রী ও পাখি-বিজ্ঞানী ইনাম আল হক, কিডলন বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অন্তু করিম, টার্কিশ এয়ারলাইনসের কান্ট্রি ম্যানেজার ইসলাম গোরে, ডেইলি স্টারের চিফ বিজনেস অফিসার তাজদীন হাসান এবং আইইউসিএন বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার সীমান্ত দীপু উপস্থিত ছিলেন। অ্যালেক্সান্দ্রা খ্লেভনয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে ভৌগোলিক দূরত্ব আছে। কিন্তু বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতিতে দুই দেশ খুবই নিকটে। বাংলাদেশ-রাশিয়া ফ্রেন্ডশিপ অভিযানের অংশ হয়েছেন শাকিল। বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে তিনি রাশিয়ায় যাচ্ছেন। আশা করি, এলব্রুস চূড়ায় দেশের পতাকা উড়িয়ে তিনি ঢাকায় সুস্থভাবে ফিরে আসবেন।’ মাউন্ট এলব্রুস রাশিয়া ও ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। ককেশাস পর্বতমালায় অবস্থিত এই শৃঙ্গের উচ্চতা ৫ হাজার ৬৪২ মিটার বা ১৮ হাজার ৫১০ ফুট। এটি একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি। মাউন্ট এলব্রুসকে ইউরেশিয়ার সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি হিসেবেও উল্লেখ করা হয়। পর্বতটি ককেশাস পর্বতমালার সর্বোচ্চ চূড়া। আরও পড়ুন ১৮৫ দেশে পা রেখেছেন নাজমুন, ছিল ভয়ংকর অভিজ্ঞতা ও ঝুঁকি সাংবাদিক সম্মেলনটি পরিচালনা করেন এভারেস্ট বিজয়ী নুরুন্নাহার নিম্নি। অভিযানটি আয়োজন করছে রাশিয়ান হাউজ ইন ঢাকা এবং বাংলা মাউন্টেইনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাব। অভিযানের পৃষ্ঠপোষকতায় আছে টার্কিশ এয়ারলাইন্স এবং জীবন ও প্রকৃতি ফাউন্ডেশন। এসইউ

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
যৌথ খতিয়ানে ভূমি উন্নয়ন কর নিয়ে হয়রানি নিরসনে ৬ নির্দেশনা

যৌথ খতিয়ানে ভূমি উন্নয়ন কর নিয়ে হয়রানি নিরসনে ৬ নির্দেশনা

ছুটির দিনে পার্লারে না গিয়ে ঘরে বসেই করুন হেয়ার স্পা

ছুটির দিনে পার্লারে না গিয়ে ঘরে বসেই করুন হেয়ার স্পা

সন্তান কুসন্তান হলে আইন করেও বাবা-মায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়

সন্তান কুসন্তান হলে আইন করেও বাবা-মায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়

ভুল লেখার কারণে শিক্ষিকার মারধরে অজ্ঞান দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী
ভুল লেখার কারণে শিক্ষিকার মারধরে অজ্ঞান দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনায় ঘটেছে এক মর্মান্তিক ঘটনা। সেখানে এক স্কুলে ক্লাস চলাকালীন শিক্ষিকার মারধরে দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রের অজ্ঞান হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে আটক করেছে পুলিশ। উত্তর ২৪ পরগনার বিরাটির স্কুলে ক্লাস চলাকালীন হওয়া এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই শিক্ষিকাকে আটকের দাবি জানিয়ে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় নিমতা থানার সামনে বিক্ষোভ করেন স্কুলের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা। এরপরই তাকে আটক করা হয়। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার। জানা গেছে, বুধবার বিরাটি ইউপি স্কুলে ক্লাস চলাকালীন দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রকে মারধর করেন ওই শিক্ষিকা। ছাত্রের পরিবারের দাবি, মারধরের পরই অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং স্কুলেই জ্ঞান হারায় শিশুটি। ঘটনার পরপরই নিমতা থানায় অভিযোগ দায়ের করে শিশুটির পরিবার। এরপর বৃহস্পতিবার স্কুলের অন্যান্য শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা অভিযুক্ত শিক্ষিকার শাস্তির দাবিতে থানায় এসে বিক্ষোভ করেন। স্কুলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি বলে তারা অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ওই ইংরেজির শিক্ষিকাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আগেও কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি করেন অভিভাবকরা। আরও অভিযোগ আছে- এর আগে নাকি তিনি বাচ্চাদের দিয়ে নিজের হাত-পা টিপিয়েছেন। তবে, ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা জানান, এ ধরনের ঘটনায় তার কাছে আগে কখনো অভিযোগ আসেনি। তিনি এ বিষয়ে স্কুল শিক্ষা দফতরে ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেবেন। এদিকে, ভুক্তভোগী ছাত্রের মা জানান, ওইদিন সাড়ে ৮টার দিকে তার কাছে ফোন আসে-ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তিনি জানতে পারেন, ইংরেজি ক্লাসে ছেলে কিছু ভুল করে, যার পরিপ্রেক্ষিতে রেগে যান শিক্ষিকা। প্রথমে তার ছেলের দুই গালে চড় মারা হয়। তার পরে ঘাড়েও আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। এ ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এএমএ

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
সিডির দিন কি ফিরছে, এক বছরে বিক্রি বেড়েছে ৪৬ শতাংশ

সিডির দিন কি ফিরছে, এক বছরে বিক্রি বেড়েছে ৪৬ শতাংশ

হংকংয়ে চমকে দিলেন মেহজাবীন

হংকংয়ে চমকে দিলেন মেহজাবীন

লিটল ব্ল্যাক ড্রেস, টুকটুক রাইড আর বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি, দেখুন মিথিলার 'হ্যাপেনিং' ব্যাংকক ডাম্প

লিটল ব্ল্যাক ড্রেস, টুকটুক রাইড আর বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি, দেখুন মিথিলার 'হ্যাপেনিং' ব্যাংকক ডাম্প

0 Comments