জাতীয়

এসিল্যান্ডের সই জাল করে নামজারি, দলিল লেখকের সহকারী আটক

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
এসিল্যান্ডের সই জাল করে নামজারি, দলিল লেখকের সহকারী আটক
এসিল্যান্ডের সই জাল করে নামজারি, দলিল লেখকের সহকারী আটক

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেকের সই নকল করে জমির নামজারি জালিয়াতির অভিযোগে কে এম প্রিন্স (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি দলিল লেখকের সহকারী হিসেবে কাজ করেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ভূমি অফিসে ম্যাকটেন হোল্ডিং লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) শাম্মী আক্তারের মৌখিক অভিযোগের পর তাকে আটক করা হয়।

আটক কেএম প্রিন্স কলাপাড়া পৌর শহরের এতিমখানা এলাকার বাসিন্দা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে ৫৬ নম্বর জেএল খাজুরা মৌজার সাতটি দলিলের নামজারি (মিউটেশন) করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কেএম প্রিন্সের কাছে জমা দেন শাম্মী আক্তার। পরবর্তী সময়ে প্রিন্স দুটি দলিলের নামজারি সম্পন্ন হওয়ার কাগজপত্র তাকে দেন। কাগজপত্র হাতে পাওয়ার পর শাম্মী আক্তার কিউআর কোড স্ক্যান করে যাচাই করলে নামজারি দুটি ভুয়া বলে শনাক্ত হয়।

ওই কাগজপত্রে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেকের সইয়ের স্ক্যান কপি ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।

আরও পড়ুন

ঘুসের রেট ২০ হাজার থেকে দেড় লাখ, টাকা ছাড়া কাজ করেন না ভূমি কর্মকর্তা

রোববার দুপুরে উপজেলা ভূমি অফিসে গিয়ে এসিল্যান্ডকে বিষয়টি জানান শাম্মী আক্তার। পরে পুলিশের কাছে মৌখিক অভিযোগ দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কেএম প্রিন্সকে আটক করে।

কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেক বলেন, ‌‘এ ধরনের জালিয়াতি চক্রের প্রতারণার কারণে বিনিয়োগকারীরা কুয়াকাটা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। আমার কাছে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৭টি জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়েছে। এসব জালিয়াতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

আসাদুজ্জামান মিরাজ/এসআর/এএসএম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা বাতিলের আদেশ স্থগিত
সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা বাতিলের আদেশ স্থগিত

দেশীয় বস্ত্রকলকে সুরক্ষা দিতে বন্ড সুবিধায় ১০-৩০ কাউন্টের কটন (তুলা) সুতা আমদানির সুবিধা প্রত্যাহার করেছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ওই আদেশ স্থগিত করে তা অধিকতর পর্যালোচনার অনুরোধ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-৮ শাখা থেকে এনবিআরকে পাঠানো এক চিঠিতে এ অনুরোধ জানানো হয়। চিঠিতে গত ৭ সেপ্টেম্বর এনবিআরের জারি করা আদেশটি অধিকতর পর্যালোচনার নিমিত্ত স্থগিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান (রপ্তানি-৮ শাখা) মোহাম্মদ খায়রুল আলমের সই করা চিঠিটি এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে এনবিআরের কাস্টমস রপ্তানি ও বন্ড শাখার দ্বিতীয় সচিব কাজী রায়হানুজ্জামানের। আরও পড়ুন সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারে কর বাড়তে পারে ৪০% পর্যন্ত এতে বল হয়, ‌‘বাংলাদেশ কাস্টমস ট্যারিফ-এর এইচএস হেডিং ৫২০৫, ৫২০৬ ও ৫২০৭ এর আওতায় ১০-৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার এবং ব্যাংক গ্যারান্টি দাখিলের মাধ্যমে আমদানি সংক্রান্ত আদেশটি অধিকতর পর্যালোচনার নিমিত্ত স্থগিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’ এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর এনবিআর ‘বাংলাদেশ কাস্টমস ট্যারিফ-এর এইচএস হেডিং ৫২০৫, ৫২০৬ ও ৫২০৭-এর আওতাধীন ১০-৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার এবং ব্যাংক গ্যারান্টি দাখিলের মাধ্যমে আমদানি’ বিষয়ে আদেশ জারি করে। এনবিআরের ওই আদেশে বলা হয়, টেক্সটাইল শিল্পের বিদ্যমান সমস্যা পর্যালোচনা ও সমাধানের লক্ষ্যে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির প্রথম সভা গত ২০ আগস্ট বাণিজ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় ১০-৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার এবং ব্যাংক গ্যারান্টি দাখিলের মাধ্যমে আমদানির সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় শিল্পের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং প্রকৃত রপ্তানিকারকদের কাঁচামাল প্রাপ্তি সহজ করার লক্ষ্যে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার করে ওয়্যারহাউস লাইসেন্সধারী প্রকৃত রপ্তানিকারকদের নির্দিষ্ট শর্তে কটন সুতা আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়। আরও পড়ুন ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার শর্তগুলোর মধ্যে ছিল- বিজিএমইএ, বিকেএমইএ বা বিটিএমএর প্রত্যয়নপত্র সংশ্লিষ্ট কাস্টমস স্টেশনে দাখিল করা। একই সঙ্গে আমদানি পর্যায়ে প্রযোজ্য শুল্ক ও করের সমপরিমাণ নিঃশর্ত ও অব্যাহত ব্যাংক গ্যারান্টি সংশ্লিষ্ট কাস্টমস স্টেশনে জমা দিতে বলা হয়। এছাড়া খালাস করা কাঁচামাল দিয়ে প্রস্তুত পণ্য সম্পূর্ণভাবে রপ্তানি হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতে ব্যাংক গ্যারান্টি অবমুক্ত করার কথা বলা হয়েছিল। এনবিআরের আদেশে আরও বলা হয়, কাস্টমস আইন ২০২৩-এর ধারা ২৬৬-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করা আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। তবে আদেশ জারির তারিখের আগে জাহাজীকরণ করা পণ্যচালানের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না। এসএম/কেএসআর

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
নতুন পরিচয়ে আসছেন সামিনা চৌধুরী

নতুন পরিচয়ে আসছেন সামিনা চৌধুরী

জান্নাতের টিকিট বিক্রি করা দলটি এলাকায় দোজখের আগুন জ্বালাচ্ছে: রিজভী

জান্নাতের টিকিট বিক্রি করা দলটি এলাকায় দোজখের আগুন জ্বালাচ্ছে: রিজভী

১৭ বছর অত্যাচারী-লুণ্ঠনকারীদের হাতে মানুষ জিম্মি ছিল: স্পিকার

১৭ বছর অত্যাচারী-লুণ্ঠনকারীদের হাতে মানুষ জিম্মি ছিল: স্পিকার

বারির দুই জাতের কফি নিয়ে পাহাড়ে নতুন স্বপ্ন
বারির দুই জাতের কফি নিয়ে পাহাড়ে নতুন স্বপ্ন

দেশের আমদানিনির্ভর কফির বাজারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)। প্রায় আড়াই দশকের গবেষণায় খাগড়াছড়িতে কফির দুটি জাত উদ্ভাবন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। পাহাড়ের অনাবাদি ও পতিত জমির পাশাপাশি ফলবাগান কিংবা বনজ গাছের ছায়াতেও আবাদ করা যাবে এসব কফি। ফলে অনুৎপাদনশীল জমিকে কাজে লাগিয়ে পাহাড়ি কৃষিতে নতুন অর্থকরী ফসল হিসেবে কফি চাষের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শুধু নতুন জাত উদ্ভাবনেই থেমে নেই গবেষণা। কৃষকের মাঠে চারা পৌঁছানো, পাহাড়ি পরিবেশে উৎপাদনের সম্ভাবনা যাচাই এবং কফিকে ঘিরে স্থানীয় প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজার তৈরির সম্ভাবনাও সামনে এসেছে। ২০২১ সাল থেকে প্রায় ১ হাজার ৩০০ চারা বিতরণ করেছে গবেষণা কেন্দ্র। তবে পাহাড়ি কফিকে বাণিজ্যিক ফসলে রূপ দিতে উৎপাদনের পাশাপাশি মানসম্মত প্রক্রিয়াজাতকরণ, বাজারব্যবস্থা ও মূল্য সংযোজনের অবকাঠামো গড়ে তোলাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। বারি সূত্রে জানা গেছে, কফির পাশাপাশি কাজুবাদাম নিয়েও গবেষণা ও জাত উদ্ভাবনের কাজ এগিয়ে চলছে। এ লক্ষ্যে পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের গবেষণা অবকাঠামোর বিভিন্ন কাজও সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৬ সালের মে মাসে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইটে ‘কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ (বারি অংগ)’ প্রকল্পের চূড়ান্ত মূল্যায়ন কার্যক্রমের তথ্য প্রকাশ করা হয়। ‘দেশে কফির চাহিদা বাড়ছে এবং বাজারের একটি বড় অংশ আমদানিনির্ভর। স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানো গেলে আমদানি ব্যয় কমানোর পাশাপাশি মানসম্মত উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে রপ্তানির সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে’ শুধু কফি উৎপাদন নয়, পাহাড়ে এই ফসলকে ঘিরে গড়ে উঠতে পারে নতুন কৃষি অর্থনীতি। বিদ্যমান ফলদ ও বনজ গাছের সঙ্গে companion crop হিসেবে কফি চাষ করা সম্ভব হওয়ায় নতুন করে পুরো জমি পরিষ্কার করারও প্রয়োজন নেই। একই জমি থেকে একাধিক ফসলের আয় পাওয়ার সুযোগের পাশাপাশি চারা উৎপাদন, বাগান পরিচর্যা, ফল সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণনেও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে। আরও পড়ুন কাজুবাদাম-কফিতে বদলে যাচ্ছে পাহাড়ের কৃষি জানা গেছে, খাগড়াছড়ির পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে কফি নিয়ে গবেষণার সূচনা হয় ২০০১ সালে। এরপর বিভিন্ন উৎস থেকে কফির জার্মপ্লাজম সংগ্রহ, বাছাই, অগ্রবর্তী লাইন তৈরি, ফলন ও গুণগত মান যাচাই এবং পাহাড়ি পরিবেশে অভিযোজন পরীক্ষা চালানো হয়। দীর্ঘ গবেষণার ধারাবাহিকতায় পাহাড়ি পরিবেশে রোবাস্টা ও অ্যারাবিকা—দুই ধরনের কফির উপযোগী জাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়। গবেষণা-সংশ্লিষ্ট নথি ও কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, ২০২৩ সালে বারি কফি-১ (রোবাস্টা) এবং ২০২৫ সালে বারি কফি-২ (অ্যারাবিকা) অবমুক্ত করা হয়। ২০২১ সাল থেকেই বারি কফি-১ নিয়ে গবেষণার অগ্রগতির খবর প্রকাশিত হয়ে আসছিল। পরবর্তী সময়ে গবেষণার ফল হিসেবে দুটি জাত অবমুক্ত করা হয়। গবেষণা নথি অনুযায়ী, ২০২১ সাল থেকে পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, খাগড়াছড়ি থেকে প্রায় ১ হাজার ৩০০টি কফির চারা কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। এসব চারা মাঠপর্যায়ে রোপণের পর কৃষক পর্যায়েও কফি উৎপাদনের বাস্তব উদাহরণ তৈরি হয়েছে। গবেষণা নথির হিসাবে, প্রতিদিন ৫০ কাপ কফি ৮০ টাকা দরে বিক্রি করা হলে দৈনিক বিক্রি দাঁড়ায় প্রায় ৪ হাজার টাকা। অর্থাৎ কফিকে শুধু কৃষিপণ্য হিসেবে না দেখে উৎপাদনের পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও স্থানীয় বিক্রয়ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা গেলে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। আরও পড়ুন কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা / সীতাকুণ্ডে ‘রোভাস্টা জাতের’ কফি চাষে বাজিমাত ২০২৫ সালের একটি মাঠভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খাগড়াছড়ির পাহাড়ে পূর্ণবয়স্ক একটি কফি গাছ থেকে বছরে প্রায় ৩ থেকে ৪ কেজি কফি বীজ পাওয়া যেতে পারে। একই প্রতিবেদনে উৎপাদিত কফি বীজের দাম প্রতি কেজি প্রায় ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কফির জাত, গুণগত মান, প্রক্রিয়াজাতকরণ পদ্ধতি ও বাজার পরিস্থিতির ওপর দামের তারতম্য হতে পারে। ফলে এ হিসাবকে নির্দিষ্ট বাজারদর না ধরে সম্ভাব্য কৃষি-অর্থনৈতিক হিসাব হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। পাহাড়ি এলাকায় কফি চাষের আরেকটি সুবিধা হলো এটি বিভিন্ন ফলদ ও বনজ গাছের সঙ্গে সমন্বিতভাবে চাষ করা যায়। ফলে নতুন করে পুরো জমি পরিষ্কার করে শুধু কফির বাগান তৈরি না করেও বিদ্যমান বাগান ব্যবস্থার সঙ্গে কফিকে যুক্ত করা সম্ভব। এতে একই জমি থেকে একাধিক ফসলের আয় পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি পাহাড়ের পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রেখেও কৃষিকে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক করার সুযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তবে পাহাড়ে কফির সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুধু চারা রোপণ ও উৎপাদন বাড়ানোই যথেষ্ট নয়। কাঙ্ক্ষিত ফলনের জন্য পাহাড়ের মাটি, উচ্চতা ও আবহাওয়া বিবেচনায় উপযুক্ত জাত ও ক্লোন নির্বাচন, ছায়াব্যবস্থা, সার প্রয়োগ, পানি ব্যবস্থাপনা, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ এবং সময়মতো ফল সংগ্রহ জরুরি। এর সঙ্গে সঠিক প্রক্রিয়াজাতকরণ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। গবেষক ও কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, পাহাড়ে কফির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে কাঁচা কফি উৎপাদনের পাশাপাশি ‘চারা থেকে কাপ’ পর্যন্ত পূর্ণ মূল্যশৃঙ্খলা গড়ে তুলতে হবে। পাহাড়েই কফি শুকানো, বীজ আলাদা করা, রোস্টিং, গ্রাইন্ডিং ও প্যাকেটজাত করার ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ গড়ে উঠলে কৃষক কাঁচা কফির ফল বিক্রির পরিবর্তে প্রক্রিয়াজাত পণ্যে বেশি মূল্য সংযোজন করতে পারবেন। আরও পড়ুন রাঙ্গামাটিতে কাজুবাদামে আশাবাদী চাষিরা এতে কফি চাষের সঙ্গে চারা উৎপাদন, বাগান পরিচর্যা, ফল সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, পরিবহন ও বিপণনে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। অর্থাৎ পাহাড়ে কফি চাষ শুধু একটি নতুন অর্থকরী ফসলের সম্ভাবনাই নয়, স্থানীয় পর্যায়ে একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষিভিত্তিক মূল্যশৃঙ্খল তৈরির সুযোগও তৈরি করছে। পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট নথিতে সাবেক প্রকল্প সমন্বয়কারী পরিচালক ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেন এবং প্রকল্প সমন্বয়কারী পরিচালক ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আব্দুস সাত্তার উল্লেখ করেন, পাহাড়ি এলাকার অনাবাদি ও পতিত জমিকে উপযুক্ত অর্থকরী ফসলের আওতায় আনা গেলে কৃষকের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি পাহাড়ের কৃষি অর্থনীতিতে বৈচিত্র্য আনা সম্ভব। কফি উৎপাদনের সঙ্গে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থা গড়ে উঠলে স্থানীয় পর্যায়েই মূল্য সংযোজন করা সম্ভব হবে। আরও পড়ুন খেজুরের বীজ থেকে শাহিনের অভিনব ‘কফি’ উদ্ভাবন বর্তমানে পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ড. মো. আব্দুস সাত্তার বলেন, দেশে কফির চাহিদা বাড়ছে এবং বাজারের একটি বড় অংশ আমদানিনির্ভর। স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানো গেলে আমদানি ব্যয় কমানোর পাশাপাশি মানসম্মত উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে রপ্তানির সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে। তিনি বলেন, রপ্তানির জন্য শুধু কফি উৎপাদন যথেষ্ট নয়। আন্তর্জাতিক মানের কফি বীজ, ধারাবাহিক গুণগত মান, সঠিক প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেজিং, ব্র্যান্ডিং, পরীক্ষাগার সুবিধা এবং নির্ভরযোগ্য বাজারসংযোগ প্রয়োজন। এসসিএন/কেএইচকে/এএসএম

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
নতুন যে কোনো যুদ্ধ মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত ইরান: প্রতিরক্ষামন্ত্রী

নতুন যে কোনো যুদ্ধ মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত ইরান: প্রতিরক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশ-ফ্রান্স সম্পর্ক আরও জোরদারে গুরুত্ব

বাংলাদেশ-ফ্রান্স সম্পর্ক আরও জোরদারে গুরুত্ব

জার্মানিজুড়ে উগ্র ডানপন্থার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

জার্মানিজুড়ে উগ্র ডানপন্থার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

পুরস্কার, উচ্ছ্বাস থেকে কান্না, আরও যা হলো ভেনিস উৎসবের শেষ দিনে
পুরস্কার, উচ্ছ্বাস থেকে কান্না, আরও যা হলো ভেনিস উৎসবের শেষ দিনে

অষ্টম নারী পরিচালক হিসেবে ভেনিসের স্বর্ণসিহং জিতলেন মে এল-তুখি। লি চ্যাং-দংয়ের পসিবল লাভ পেল গ্র্যান্ড জুরি পুরস্কার। গাজায় ইসরায়েলের হত্যাযজ্ঞ নিয়ে নির্মিত ‘নাজা’ জিতেছে বিশেষ জুরি পুরস্কার।ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের ৮৩তম আসরের সর্বোচ্চ পুরস্কার স্বর্ণসিংহ (গোল্ডেন লায়ন) জিতেছে ডেনিশ সিনেমা ‘ওম্যান আননোন’। গত শনিবার রাতে উৎসবের সমাপনী দিনে মিসরীয়-ডেনিশ নির্মাতা মে এল-তুখির ছবিটি এ পুরস্কার পায়।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ডেনমার্ক নাৎসি জার্মানির দখলমুক্ত হওয়ার ঠিক পরের পটভূমি নিয়ে ছবিটি। কেন্দ্রীয় চরিত্র মেরি—এক তরুণ গৃহকর্মী। কাজ করেন ধনী ব্যবসায়ী ক্রিশ্চিয়ানের বাসায়। ক্রিশ্চিয়ান মেরিকে বিয়ে করতে চান। নিজের সামাজিক অবস্থা বদলে যাবে ভেবে মেরি রাজি হন। কিন্তু মেরির আছে এক গোপন অতীত। তাই মনে ভয়—সত্য যদি প্রকাশ হয়ে যায়! যুদ্ধের সময় এক জার্মান সেনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন মেরি। যুদ্ধের পর সেই সম্পর্কই তাঁর জীবনে হয়ে ওঠে লজ্জা, অপরাধবোধ ও আতঙ্কের উৎস। ছবির এই গল্পকে সমালোচকেরা আলফ্রেড হিচককের ‘রেবেকা’র সঙ্গে তুলনা করেছেন। স্বর্ণসিংহ হাতে মে এল-তুখি। ছবি: এএফপি উৎসবের সর্বোচ্চ পুরস্কার নেওয়ার সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মে এল-তুখি। ভেনিস উৎসবের শুরুতে চলচ্চিত্রে নারী নির্মাতাদের কম উপস্থিতি নিয়ে কথা বলেছিলেন প্রধান জুরি ম্যাগি গিলেনহাল। তাঁকে ধন্যবাদ জানান তুখি। এবারের প্রতিযোগিতা বিভাগে ওম্যান আননোন ছিল একমাত্র ছবি, যেটি নারী নির্মাতা পরিচালনা করেছেন। তুখি বলেন, ছবিটি নির্মাণ করতে তাঁকে আর্থিক ও মানসিক—সব দিক থেকেই কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। কিন্তু তাঁকে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দিয়েছে ইতিহাসের ‘অজানা নারীদের’ সামনে নিয়ে আসার তাগিদ। ছবিটি নির্মাণ করতে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতিদিন প্রায় ১৬ ঘণ্টা কাজ করেছেন তিনি। নিজের সঞ্চয়ের অর্থও ব্যয় করেছেন।গ্র্যান্ড জুরি পুরস্কার হাতে লি চ্যাং-দং। ছবি: এএফপি ফিরেই বাজিমাতএবারের উৎসবে গ্র্যান্ড জুরি পুরস্কার পেয়েছে লি চ্যাং-দংয়ের ‘পসিবল লাভ’। ২৪ বছর পর ভেনিসে ফিরেই বাজিমাত করলেন দক্ষিণ কোরিয়ার খ্যাতিমান এই নির্মাতা। অসুখী এক দম্পতির জীবনে জড়িয়ে পড়ে এক তথ্যচিত্র নির্মাতা ও তাঁর ধনী স্বামী। সম্পর্ক, বন্ধুত্ব ও শোষণের জটিল সমীকরণ নিয়ে তৈরি ছবিটি উৎসবে প্রশংসিত হয়েছে। ছবিটি এবার অস্কারের আন্তর্জাতিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধিত্বও করবে। পুরস্কার গ্রহণের সময় লি চ্যাং-দং বলেন, এই সম্মান তাঁর কাছে বিশেষভাবে মূল্যবান। ২৪ বছর পর তাঁকে আবার ভেনিসে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য উৎসব কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান তিনি। বলেন, ‘অনেক মানুষের ধৈর্য আর দীর্ঘ অপেক্ষা না থাকলে হয়তো সিনেমাটি কখনোই তৈরি হতো না।’ নেটফ্লিক্স ছবিটির আন্তর্জাতিক পরিবেশনার দায়িত্বে রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি মুক্তি পাবে ২৩ সেপ্টেম্বর। বিশ্বজুড়ে নেটফ্লিক্সে ছবিটি দেখা যাবে ৬ নভেম্বর থেকে।আলোচনায় ‘নাজা’গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্র ‘নাজা’ পেয়েছে বিশেষ জুরি পুরস্কার। ইসরায়েলি নির্মাতা ইউভাল আব্রাহাম ও র‍্যাচেল সোরের ছবিটি পুরস্কার পাওয়ার পাশাপাশি ভেনিসে গড়েছে অভ্যর্থনার নতুন রেকর্ড। গত ১০ সেপ্টেম্বর ভেনিসে নাজার প্রিমিয়ারের পর দর্শকেরা প্রায় ২৫ মিনিট দাঁড়িয়ে করতালি দেন। এটিই ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের ইতিহাসে দীর্ঘতম স্ট্যান্ডিং ওভেশন। বিশেষ জুরি পুরস্কার হাতে নিয়ে আব্রাহাম বলেন, ছবিটি নিয়ে ইসরায়েলের রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিকদের আক্রমণ এবং ছবিটি না দেখেই সেটিকে অস্বীকার করার বিষয়টি মোকাবিলা করা তাঁর জন্য সহজ ছিল না। আব্রাহাম বলেন, ‘এই উৎসব শুরুর পর মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই গাজায় ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ছয় ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে। গাজায় ব্যাপক হত্যাকাণ্ড কোনো দুর্ঘটনা নয়; বরং এটি একটি পরিকল্পিত ও পদ্ধতিগত প্রক্রিয়ার অংশ।’ তাঁর মতে, কোনো অপরাধ অস্বীকার করাই সেই অপরাধকে টিকে থাকার সুযোগ করে দেয়। সে কারণেই তিনি চান ইসরায়েলিরা ‘নাজা’ দেখুন।২৪ ইসরায়েলি সেনা-গোয়েন্দার সাক্ষ্যে তৈরি ‘নাজা’, জিতল পুরস্কারপ্রায় তিন বছর ধরে অনুসন্ধান করে তৈরি হয়েছে ৮০ মিনিটের ‘নাজা’। ছবিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা বিভাগের ২৪ জন সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা, সেনা এবং অভ্যন্তরীণ সূত্রের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে তাঁদের পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে। ছবিতে নির্মাতারা দেখাতে চেয়েছেন, এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে কীভাবে বিপুলসংখ্যক লক্ষ্য দ্রুত শনাক্ত ও হামলার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। ছবির নামটিও ইসরায়েলি সামরিক ও গোয়েন্দা ব্যবস্থায় প্রচলিত একটি শব্দ থেকে এসেছে। নাজা এমন একটি সংক্ষিপ্ত রূপ, যার মাধ্যমে কোনো বিমান হামলায় সম্ভাব্য বেসামরিক প্রাণহানির সংখ্যা বোঝানো হয় বলে ছবিতে দাবি করা হয়েছে। যে মানুষগুলো হামলার সরাসরি লক্ষ্য নয়, কিন্তু হামলায় মারা যেতে পারেন—তাঁদের সম্ভাব্য সংখ্যা আগেই হিসাবের মধ্যে রাখার একটি ধারণার সঙ্গে শব্দটি যুক্ত।র‍্যাচেল সোর ও ইউভাল আব্রাহাম। ছবি: এএফপি অভিনয়ে সেরা‘ওম্যান আননোন’–এর জন্য সেরা অভিনেত্রীর ভলপি কাপ জিতেছেন মাতিলদা আর্সেল। একটি ছবির স্বর্ণসিংহ ও অভিনয়ের পুরস্কার পাওয়ার ঘটনা ভেনিসে খুব একটা দেখা যায় না। পুরস্কার ঘোষণার পর সংবাদ সম্মেলনে জুরি সভাপতি ম্যাগি গিলেনহাল জানান, এবার ব্যতিক্রম করার কারণ জুরিদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত। আর্সেলের অভিনয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এই অভিনেত্রী দর্শকদের চমকে দেবেন। পুরস্কার গ্রহণ করতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন আর্সেল। পরে নিজেকে সামলে নিয়ে এমন জটিল চরিত্রে সুযোগ দেওয়ার জন্য নির্মাতাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি পুরস্কারটি উৎসর্গ করেন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সেই নারীদের যাঁরা সিনেমাটিতে তাঁর অভিনীত চরিত্রটির মানসিক অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার হাতে মাতিলদা আর্সেল। ছবি: এএফপি‘ওয়াইল্ড হর্স নাইন’-এ সিআইএ এজেন্টের চরিত্রে অভিনয় করে সেরা অভিনেতা হয়েছেন জন মালকোভিচ। মার্টিন ম্যাকডোনা পরিচালিত ছবিটি তৈরি হয়েছে ষাটের দশকের চিলির পটভূমিতে। মালকোভিচ অবশ্য ভেনিসে ছিলেন না। অন্য একটি ছবির শুটিংয়ে তিনি তখন কানাডার মন্ট্রিয়লে। ভিডিও বার্তায় পুরস্কার দেওয়ার জন্য জুরিদের ধন্যবাদ জানান তিনি।আরও পুরস্কারসেরা পরিচালকের পুরস্কার রৌপ্যসিংহ জিতেছেন রুশ নির্মাতা ইলিয়া খ্রঝানভস্কি। নোবেলজয়ী কোয়ান্টাম পদার্থবিদ লেভ লান্দাউয়ের জীবন অবলম্বনে নির্মিত ‘দাও’ ছবির জন্য এই পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। ছবিতে দেখা যায়, সোভিয়েত ইউনিয়নের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচিতে কাজ করতে লান্দাউকে কীভাবে চাপের মুখে পড়তে হয়েছিল।‘ওয়াইল্ড হর্স নাইন’-এ অভিনয় করে সেরা অভিনেতা হয়েছেন জন মালকোভিচ। অন্য একটি ছবির শুটিংয়ে তিনি তখন কানাডার মন্ট্রিয়লে। ভিডিও বার্তায় পুরস্কার দেওয়ার জন্য জুরিদের ধন্যবাদ জানান তিনি। এএফপি ‘আ গুড লিটল সোলজার’ ছবির জন্য সেরা চিত্রনাট্যের পুরস্কার পেয়েছেন কোরালি আমেদিও, স্তেফান ব্রিজে ও অলিভিয়ে গর্স। ফরাসি নির্মাতা স্তেফান ব্রিজের এই ছবিটি এবারের ভেনিসের মূল প্রতিযোগিতায় ছিল। এবারের মারচেল্লো মাস্ত্রোয়ান্নি পুরস্কার পেয়েছেন ফরাসি অভিনেত্রী মালু খেবিজি। ‘আ প্লেস টু হিল’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য এ পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। উৎসবে তরুণ অভিনয়শিল্পীদের দেওয়া হয় এই পুরস্কার। এ ছাড়া চলচ্চিত্র অবদানের জন্য আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন জর্জ ক্লুনি ও এলেন বার্স্টিন।ভ্যারাইটি, এএফপি ও দ্য গার্ডিয়ান অবলম্বনে

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
পাকিস্তানের লাল বলেরও কোচ হতে চান মাইক হেসন

পাকিস্তানের লাল বলেরও কোচ হতে চান মাইক হেসন

যাত্রাবাড়ীতে চার ছিনতাইকারী গ্রেফতার

যাত্রাবাড়ীতে চার ছিনতাইকারী গ্রেফতার

পাচার করা সম্পদ থেকে কর আদায়ে ৭ সদস্যের কমিটি

পাচার করা সম্পদ থেকে কর আদায়ে ৭ সদস্যের কমিটি

0 Comments