জাতীয়

জার্মানিজুড়ে উগ্র ডানপন্থার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
জার্মানিজুড়ে উগ্র ডানপন্থার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ
জার্মানিজুড়ে উগ্র ডানপন্থার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

জার্মানির পূর্বাঞ্চলীয় সাক্সনি-আনহাল্টের রাজ্য নির্বাচনে কট্টর বর্ণবাদী ডানপন্থী দল অলটারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি)–এর সাফল্যের পর জার্মানিজুড়ে প্রতিবাদের ঢেউ শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার দেশটির ২৯টি শহরে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে মোট ১ লাখ ২৭ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নেন বলে জার্মানির টাজ পত্রিকা জানিয়েছে।

শনিবার সবচেয়ে বড় বিক্ষোভটি অনুষ্ঠিত হয় হামবুর্গে। সেখানে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ চরম ডানপন্থী, অভিবাসী ও বর্ণবাদী দলটির বিরুদ্ধে রাস্তায় নামেন। ডুসেলডর্ফে অংশ নেন প্রায় ২০ হাজার মানুষ। বার্লিনে পুলিশের হিসাবে বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ছিল ১৮ হাজার। তবে আয়োজকদের দাবি, রাজধানীর রাস্তায় উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৩২ হাজার মানুষ।

৬ সেপ্টেম্বর সাক্সনি-আনহাল্টের রাজ্য পার্লামেন্ট নির্বাচনের পর গত এক সপ্তাহে জার্মানির বিভিন্ন শহরে ডানপন্থী অলটারনেটিভ ফর জার্মানি দলটির বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে অংশ নেওয়া মানুষের সংখ্যা ইতিমধ্যে অন্তত ১ লাখ ৭০ হাজারে পৌঁছেছে। অন্য একটি হিসাবে এই সংখ্যা ১ লাখ ৭৩ হাজারের বেশি।

জার্মানির বিভিন্ন পত্রপত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে ছোট শহর ও জনপদে। এসব বিক্ষোভে কয়েক শ থেকে কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন। অন্তত পাঁচটি বিক্ষোভে ১০ হাজারের বেশি মানুষ রাস্তায় নেমেছিলেন। এর অধিকাংশই অনুষ্ঠিত হয় শনিবার।

‘প্রুফ’ নামের প্রতিবাদ কর্মসূচির সবচেয়ে বড় সমাবেশটি হয় মিউনিখে। সেখানে প্রায় ১২ হাজার মানুষ অংশ নেন। মাইনৎস, জারব্রুকেনসহ আরও কয়েকটি শহরেও হাজার হাজার মানুষ এএফডি দল ও চরম ডানপন্থার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।

‘প্রুফ’ আন্দোলনের অন্যতম দাবি হলো—জার্মানির সংবিধান রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষ যেসব রাজনৈতিক দলকে পর্যবেক্ষণ করছে এবং যাদের ‘সন্দেহভাজন’ বা ‘নিশ্চিত চরম ডানপন্থী’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তাদের সাংবিধানিক অবস্থান পরীক্ষা করার উদ্যোগ নেওয়া। এ দাবিতে প্রতি মাসের দ্বিতীয় শনিবার বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হচ্ছে।

গতকাল হামবুর্গে ২৫ হাজার মানুষের ব্যাপক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীদের মূল স্লোগান ছিল, ‘এখনই পদক্ষেপ নেওয়ার সময়—স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে হবে’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে বিক্ষোভকারীরা শহরের কেন্দ্র দিয়ে মিছিল করেন। আয়োজকদের হিসাবে, বিক্ষোভে সর্বোচ্চ সময়ে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশের আগে বিক্ষোভকারীরা হামবুর্গের শহরকেন্দ্র ঘুরে বিনেনআলস্টারের চারপাশ দিয়ে মিছিল করেন। মিছিলটি এএফডি দলটির স্থানীয় কার্যালয়ের সামনে দিয়েও যায়। হামবুর্গের এই বিক্ষোভ সাক্সনি-আনহাল্টের রাজ্য নির্বাচনের পর দ্বিতীয় বিক্ষোভ। এর আগের রবিবারও হামবুর্গের শহরকেন্দ্রে প্রায় দেড় হাজার মানুষ ডানপন্থী প্রবণতা ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছিলেন।

আগামী দিনগুলোতেও জার্মানির বিভিন্ন শহরে আরও বিক্ষোভের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

জার্মানিতে গত কয়েক বছর ধরেই গণতন্ত্র রক্ষা এবং চরম ডানপন্থার উত্থানের বিরুদ্ধে একাধিক বড় বিক্ষোভ হয়েছে। বিশেষ করে অলটারনেটিভ ফর জার্মানি বা এএফডি রাজনীতিকদের সঙ্গে নব্য-নাৎসিদের বৈঠক এবং সেখানে অভিবাসী ও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী নির্বাসন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার খবর প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদ দেখা গিয়েছিল।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
‌‌‌‌‌‌‘খেলনা’ ভেবে বাড়িতে এনেছিল জিসান, পরে জানা গেল এটি কার্তুজ
‌‌‌‌‌‌‘খেলনা’ ভেবে বাড়িতে এনেছিল জিসান, পরে জানা গেল এটি কার্তুজ

পটুয়াখালীর দুমকিতে সরকারি জনতা কলেজের মাঠে ফুটবল খেলতে গিয়ে মেশিনগানের একটি কার্তুজ পেয়েছে এক শিক্ষার্থী। ওই শিক্ষার্থী এটিকে খেলনা মনে করে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে কার্তুজটি উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কলেজ মাঠে ফুটবল খেলছিল নবম শ্রেণির ছাত্র জিহাদুল ইসলাম জিসান। একপর্যায়ে মাঠে যাওয়া বল আনতে গিয়ে গাছের নিচে ইটের ফাঁকে তামার মতো দেখতে একটি বস্তু দেখতে পায় সে। পরে খেলনা ভেবে এটি বাড়িতে নিয়ে যায় জিসান। রোববার টিফিনের সময় বন্ধুদের বস্তুটি দেখানোর পর বিষয়টি স্থানীয় জিহাদ হোসাইনের নজরে আসে। তিনি বস্তুটি দেখে সন্দেহ প্রকাশ করে সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন। পরে দুমকি থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কার্তুজটি উদ্ধার করেন। শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম জিসান বলে, ‌‍‌‌ফুটবল খেলার সময় বল আনতে গিয়ে গাছের নিচে ইটের ফাঁকে তামার মতো দেখতে বস্তুটি দেখতে পাই। খেলনা মনে করে বাড়িতে নিয়ে আসি। পরদিন বড় ভাই জিহাদ হোসাইনকে দেখালে তিনি পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে এটি কার্তুজ বলে জানায়। দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি মেশিনগানের কার্তুজ বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এটি কীভাবে কলেজ চত্বরে এলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মাহমুদ হাসান রায়হান/এসআর/এএসএম

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
এক হাজার গোলের মাইফলক: কোথায় দাঁড়িয়ে মেসি এবং রোনালদো

এক হাজার গোলের মাইফলক: কোথায় দাঁড়িয়ে মেসি এবং রোনালদো

ইলেকট্রিকের কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল মিস্ত্রির

ইলেকট্রিকের কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল মিস্ত্রির

৫ কোটি টাকা ব্যয়ে শোধনাগার, ২ বছরেও মিলছে না সুপেয় পানি

৫ কোটি টাকা ব্যয়ে শোধনাগার, ২ বছরেও মিলছে না সুপেয় পানি

সিভিল সার্জনের বিদায়–যোগদান অনুষ্ঠান, নার্সদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়
সিভিল সার্জনের বিদায়–যোগদান অনুষ্ঠান, নার্সদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়

নারায়ণগঞ্জের সদ্যবিদায়ী ও নবাগত সিভিল সার্জনের বিদায় ও যোগদান অনুষ্ঠান উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের (ভিক্টোরিয়া) নার্সদের কাছ থেকে জনপ্রতি এক হাজার টাকা করে চাঁদা তোলার অভিযোগ উঠেছে। অনুষ্ঠানের উপহার ও খাবারের জন্য ইতিমধ্যে নার্সদের কাছ থেকে ৭০ হাজার ও চিকিৎসকদের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা তোলা হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের উদ্যোগে আগামীকাল সোমবার এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কিন্তু চাঁদা তোলার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর বিদায়ী সিভিল সার্জন মুশিউর রহমান ও নবাগত সিভিল সার্জন এস এম সাখাওয়াত হোসেন অনুষ্ঠানে আসবেন না বলে জানিয়েছেন। অনুষ্ঠানটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) নাজমুল হাসান।গত বৃহস্পতিবার একটি হাতে লেখা চাঁদা তোলার নোট প্রথম আলোর হাতে এসেছে। এতে সোমবার বিদায়ী ও নবাগত সিভিল সার্জনের বিদায় ও যোগদান উপলক্ষে সভা আয়োজনের কথা উল্লেখ আছে। সেখানে প্রত্যেকের কাছ থেকে এক হাজার টাকা করে নেওয়ার কথাও লেখা আছে। নোটের নিচে নার্সদের নামের তালিকা দেওয়া হয়।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে প্রায় ১২০ জন নার্স কর্মরত। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে এক হাজার টাকা করে চাঁদা নেওয়ার কথা ছিল। আজ বিকেল পর্যন্ত নার্সদের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা তোলা হয়েছে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন নার্স প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের প্রত্যেককে এক হাজার টাকা করে চাঁদা দিতে বলা হয়েছিল। অনেকে এই টাকা দিতে আগ্রহী নন। এতে নার্সদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। তাঁরা বলেন, তাঁরা হাসপাতালে চাকরি করেন। সিভিল সার্জনের বিদায় বা যোগদান অনুষ্ঠানের সঙ্গে তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক নেই। এখানে নার্সদের থেকে কেন টাকা নিতে হবে, প্রশ্ন তোলেন তাঁরা।তবে হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার শিখা রাণী মণ্ডল প্রথম আলোকে বলেন, চিকিৎসক ও নার্সদের উদ্যোগেই এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সেভাবেই হালকা-পাতলা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জনপ্রতি এক হাজার টাকা চাঁদা চাওয়া হলেও যিনি পারবেন, তিনি দেবেন। এখানে জোরের কিছু নেই। পুরো আয়োজনের বিষয়ে তিনি আরএমও নাজমুল হাসানের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।অনুষ্ঠানের উপহার ও খাওয়াদাওয়ার জন্য চাঁদা তোলা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন আরএমও নাজমুল হাসান। নার্সদের আপত্তির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের তো ফান্ড নেই। সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে চাঁদা দিয়ে নিজেরাই অনুষ্ঠান করছিলাম। কিন্তু চাঁদার বিষয়টি সামনে আসার পর অনুষ্ঠানটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত হচ্ছে।’যোগাযোগ করলে বিদায়ী সিভিল সার্জন মুশিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি তো কোনো ফেয়ারওয়েল চাইনি। আর বিদায় উপলক্ষে চাঁদাবাজি করবে কেন? এটা তো অনৈতিক কাজ। আমি এই অনুষ্ঠান প্রত্যাখান করছি। যাঁদের কাছ থেকে চাঁদা নেওয়া হয়েছে, তাঁদের টাকা ফেরত দিতে হবে। এ বিষয়ে আরএমও নাজমুল হাসান বলতে পারবে।’চাঁদা তোলার বিষয়টি জানেন না বলে জানিয়েছেন নবাগত সিভিল সার্জন ও নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এস এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ‘ঘরোয়া একটি অনুষ্ঠানের কথা হয়েছিল। কিন্তু নার্সদের থেকে চাঁদা আদায়ের বিষয়টি জানি না। এটা আমার জন্য বিব্রতকরও। এই অনুষ্ঠানে আমার যাওয়া উচিত হবে না।’২০২২ সালের শুরু থেকে নারায়ণগঞ্জের সিভিল সার্জন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মশিউর রহমান। গত ২০ আগস্ট তাঁকে ওএসডি করা হয়। পরে তাঁর জায়গায় নতুন সিভিল সার্জন হিসেবে এস এম সাখাওয়াত হোসেনকে পদায়ন করা হয়।

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
মাদক-চাঁদাবাজি থেকে যানজট, আইনশৃঙ্খলা সভায় উঠে এলো নানা সমস্যা

মাদক-চাঁদাবাজি থেকে যানজট, আইনশৃঙ্খলা সভায় উঠে এলো নানা সমস্যা

জমি নিয়ে বিরোধ, বড় ভাইয়ের হাঁসুয়ার আঘাতে ছোট ভাই নিহত

জমি নিয়ে বিরোধ, বড় ভাইয়ের হাঁসুয়ার আঘাতে ছোট ভাই নিহত

অনিয়মের অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ, ১০০ মাদ্রাসাকে শোকজ

অনিয়মের অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ, ১০০ মাদ্রাসাকে শোকজ

নিবন্ধন পেল অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্স
নিবন্ধন পেল অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্স

দেশের শীর্ষস্থানীয় মূলধারার গণমাধ্যমগুলোর অনলাইন ও ডিজিটাল বিভাগের প্রধানদের পেশাজীবী সংগঠন ‘অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্স’ আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধন পেয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (আরজেএসসি) থেকে সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৮৬০-এর আওতায় সংগঠনটিকে নিবন্ধন দেওয়া হয়। এর নিবন্ধন নম্বর এস-১৫৩৪৩/২০২৬। আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ‘অনলাইন এডিটরস সোসাইটি’ নামে নিবন্ধন সম্পন্ন হলেও, সংগঠনের অনুমোদিত নথিতে থাকা বিশেষ বিধান অনুযায়ী এটি পূর্বনির্ধারিত ও পরিচিত নাম ‘অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্স’ নামেই কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সংগঠনের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই নিবন্ধন দেশের ডিজিটাল গণমাধ্যমের বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর মাধ্যমে অনলাইন গণমাধ্যমের পেশাজীবীদের পেশাগত মানোন্নয়ন, অধিকার ও মর্যাদা সুরক্ষা এবং সাইবার সাংবাদিকতার নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও সুসংগঠিতভাবে কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে। নিবন্ধন প্রসঙ্গে অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের সভাপতি হাসান শরীফ বলেন, ‘অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের এই নিবন্ধন আমাদের পেশাজীবী সংগঠনের প্রাতিষ্ঠানিক পথচলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আমরা ডিজিটাল সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন এবং পেশাগত অধিকার ও মর্যাদা সুরক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে চাই।’ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সোহেল বলেন, ‘এই নিবন্ধনের মাধ্যমে অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্স আরও সুসংগঠিত ও কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেল। দেশের ডিজিটাল সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং পেশাজীবীদের স্বার্থে সংগঠনটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’ বিএ

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
মাদরাসায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ, এক মাসেও সন্ধান মেলেনি তাসিমের

মাদরাসায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ, এক মাসেও সন্ধান মেলেনি তাসিমের

বক শিকার করায় ৭ দিনের কারাদণ্ড, জরিমানা ৫০ টাকা

বক শিকার করায় ৭ দিনের কারাদণ্ড, জরিমানা ৫০ টাকা

ভেটিংয়ের অপেক্ষায় নতুন পে-স্কেল, হালনাগাদ হচ্ছে পেনশনভোগীদের তথ্য

ভেটিংয়ের অপেক্ষায় নতুন পে-স্কেল, হালনাগাদ হচ্ছে পেনশনভোগীদের তথ্য

0 Comments