জাতীয়

এনআরবিসি ব্যাংকে নিয়োগ, ৪০ বছর বয়সেও আবেদন

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
এনআরবিসি ব্যাংকে নিয়োগ, ৪০ বছর বয়সেও আবেদন
এনআরবিসি ব্যাংকে নিয়োগ, ৪০ বছর বয়সেও আবেদন

এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি ‘রিলেশনশিপ ম্যানেজার’ পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। তবে প্রার্থীকে অবশ্যই স্নাতক অথবা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে।

এক নজরে এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

তথ্যের ধরন বিবরণ
প্রতিষ্ঠানের নাম এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি
পদের নাম রিলেশনশিপ ম্যানেজার
পদসংখ্যা নির্ধারিত নয়
চাকরির ধরন বেসরকারি, ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন নারী-পুরুষ
শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক অথবা স্নাতকোত্তর
অভিজ্ঞতা ৪-৭ বছর
বেতন ও অন্যান্য সুবিধা আলোচনা সাপেক্ষে
বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৪০ বছর
সূত্র বিডিজবস ডটকম

আবেদন করার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • আবেদন শুরু: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • আবেদনের শেষ তারিখ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে
  • কর্মস্থল: যে কোনো জেলায় কাজ করার মানসিকতা থাকা আবশ্যক।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি

এমআইএইচ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩,৮০০ কোটি ডলার, মাসে খরচ বাড়ছে আরও ৩০০ কোটি
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩,৮০০ কোটি ডলার, মাসে খরচ বাড়ছে আরও ৩০০ কোটি

ইরানের সঙ্গে প্রায় ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ৩৮ বিলিয়ন (৩ হাজার ৮০০ কোটি) ডলার। এ খরচ প্রতি মাসে আরও ৩ বিলিয়ন (৩০০ কোটি) ডলার করে বাড়তে পারে বলে আভাস দিয়েছে মার্কিন কংগ্রেসের নির্দলীয় বাজেট গবেষণাপ্রতিষ্ঠান কংগ্রেসনাল বাজেট অফিস (সিবিও)। ট্রাম্প প্রশাসন যখন এ সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আবার সচল করার উপায় খুঁজছে, তখনই যুদ্ধের এ বিপুল খরচের হিসাব সামনে এল। সিবিওর হিসাব অনুযায়ী, গত ১ আগস্ট পর্যন্ত হওয়া এ খরচের জেরে ২০২৭ সালের প্রথম ৩ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বাড়তে পারে। যুদ্ধের ক্রমবর্ধমান এ ব্যয় মার্কিন অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুতে টান ফেলেছে এবং জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে অন্য কোনো সম্ভাব্য সংঘাতের মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা নিয়ে যেমন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তেমনি চাপ বাড়ছে দেশটির এমনিতেই টানাপোড়েনে থাকা ফেডারেল বাজেটের ওপর।যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত ও অত্যাধুনিক অস্ত্রের মজুতে টান, তীব্র সংকটে মার্কিন বাহিনীএ খরচের পরিমাণ গত ২১ জুলাই মার্কিন সিনেটের এক শুনানিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের দেওয়া ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের হিসাবের কাছাকাছি। সিবিও জানিয়েছে, ব্যয়ের সিংহভাগই গেছে দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া গোলাবারুদ বাবদ।যুক্তরাষ্ট্রের এ সামরিক মজুত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে প্রায় পাঁচ বছর লাগতে পারে। এর আগে গত আগস্টে রয়টার্স তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র তাদের দূরপাল্লার নিখুঁত নিশানার (প্রিসিশন) ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় পুরোটা ব্যবহার করে ফেলেছে। কংগ্রেসের আর্থিক নিরীক্ষকদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কোনো সহযোগিতা করেনি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে সিবিও।যুক্তরাষ্ট্রের এ সামরিক মজুত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে প্রায় পাঁচ বছর লাগতে পারে। এর আগে গত আগস্টে রয়টার্স তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র তাদের দূরপাল্লার নিখুঁত নিশানার ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় পুরোটা ব্যবহার করে ফেলেছে। কংগ্রেসের আর্থিক নিরীক্ষকদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কোনো সহযোগিতা করেনি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে সিবিও।অবশ্য হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি এক বিবৃতিতে ইরানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হামলাকে মার্কিন কর্মী ও স্বার্থ রক্ষায় একটি নির্ধারক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। প্রেসিডেন্টের সব কৌশলগত লক্ষ্য এবং এর বাইরের প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনীর কাছে পর্যাপ্ত গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জামের মজুত রয়েছে বলে দাবি তাঁর। প্রাকৃতিক গ্যাসের পাইপলাইনের একটি মডেল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পতাকা এবং এক ডলারের নোট। ছবিটি একটি প্রতীকী চিত্র হিসেবে ১৮ জুন ২০২৫ তোলামার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেলও গোলাবারুদের ঘাটতিসংক্রান্ত প্রতিবেদনের তথ্য প্রত্যাখ্যান করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট যখন, যেখানে চাইবেন, সেখানেই আঘাত হানার মতো সব ধরনের প্রস্তুতি পেন্টাগনের রয়েছে বলে তাঁর মন্তব্য।মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের বাজেট কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য এবং পেনসিলভানিয়ার প্রতিনিধি ব্র্যান্ডন বয়েলের অনুরোধে যুদ্ধের এ ব্যয়সংক্রান্ত তদন্তটি পরিচালনা করা হয়।ব্র্যান্ডন বয়েল, মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের বাজেট কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্যইরানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিপর্যয়কর যুদ্ধ ইতিমধ্যে বহু সাহসী মার্কিন সেনার প্রাণ কেড়ে নিয়েছে ও অনেককে আহত করেছে। মানবিক এ ক্ষয়ক্ষতির বাইরে, সিবিওর নির্দলীয় প্রতিবেদনটি স্পষ্ট করে দিয়েছে, যুদ্ধ মার্কিন করদাতাদের শত শত কোটি ডলার খসিয়ে চলেছে এবং খরচ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।এক বিবৃতিতে ব্র্যান্ডন বয়েল বলেন, ‘ইরানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিপর্যয়কর যুদ্ধ ইতিমধ্যে বহু সাহসী মার্কিন সেনার প্রাণ কেড়ে নিয়েছে ও অনেককে আহত করেছে। মানবিক এ ক্ষয়ক্ষতির বাইরে, সিবিওর নির্দলীয় প্রতিবেদনটি স্পষ্ট করে দিয়েছে, যুদ্ধ মার্কিন করদাতাদের শত শত কোটি ডলার খসিয়ে চলেছে এবং খরচ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।’হরমুজে সহায়তা না করা দেশগুলোর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পেরহরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে সাম্প্রতিক হামলা এবং এ অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় আক্রমণের খরচ এ প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এ ছাড়া যুদ্ধ পরিচালনার জন্য নেওয়া ঋণের ব্যয়ও এতে ধরা হয়নি, যা যুক্ত হলে মোট খরচে আরও শত শত কোটি ডলার যোগ হতে পারে।ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত মার্কিন সামরিক বাহিনীর ১৮ জন সদস্য নিহত হয়েছেন বলে তথ্য প্রকাশ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে সাম্প্রতিক হামলা এবং এ অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় আক্রমণের খরচ এ প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এ ছাড়া যুদ্ধ পরিচালনার জন্য নেওয়া ঋণের ব্যয়ও এতে ধরা হয়নি, যা যুক্ত হলে মোট খরচে আরও শত শত কোটি ডলার যোগ হতে পারে।ইরান যুদ্ধে চার মাসেই অন্তত ৫২টি যুদ্ধবিমান–ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
টি-টোয়েন্টিতে রোহিত শর্মাকে পেছনে ফেললেন বাটলার

টি-টোয়েন্টিতে রোহিত শর্মাকে পেছনে ফেললেন বাটলার

জুলাইয়ের মানুষকে জুলাই জাদুঘরের মহাপরিচালক করা সরকারের সঠিক সিদ্ধান্ত

জুলাইয়ের মানুষকে জুলাই জাদুঘরের মহাপরিচালক করা সরকারের সঠিক সিদ্ধান্ত

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নাগরিক সচেতনতা-প্রজননস্থল ধ্বংস জরুরি: মেয়র শাহাদাত

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নাগরিক সচেতনতা-প্রজননস্থল ধ্বংস জরুরি: মেয়র শাহাদাত

সেপ্টেম্বরের ১৬ দিনে আগস্টের চেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী
সেপ্টেম্বরের ১৬ দিনে আগস্টের চেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী

ডেঙ্গুতে প্রতিদিন সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়ছে। চলতি মাসে আজ বুধবার পর্যন্ত যতজন আক্রান্ত হয়েছেন, তা আগস্টের মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যার চেয়ে বেশি। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সাতজন ডেঙ্গুতে মারা গেছেন। এ সময় ১ হাজার ৭৫৩ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এটি চলতি বছরে এক দিনে সর্বোচ্চ রোগী ভর্তি। গত সোমবার চলতি বছরের সর্বোচ্চ ভর্তির রেকর্ড ছিল। আজ দুই দিনের মধ্যেই সেই সংখ্যা ছাড়িয়ে গেল। এ মাসে রোগী আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৫৬ হাজার ৯১৬ জন। এর মধ্যে চলতি মাসে আজ পর্যন্ত রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৭০। গত আগস্ট মাসে রোগীর সংখ্যা ছিল ২০ হাজার ৫৩৬। এরই মধ্যে গত মাসের মৃত্যুর রেকর্ড পার হয়ে গেছে। আজ পর্যন্ত চলতি মাসে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৭৪ জন। গত মাসে এ সংখ্যা ছিল ৫৪।জনস্বাস্থ্য ও কীটতত্ববিদেরা এ মাসের শুরুতেই উচ্চ সংক্রমণের আশঙ্কা করেছিলেন। কীটতত্ত্ববিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবীরুল বাশার আজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ মাসে রোগীর সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে বলে আমরা আগেই আশঙ্কা করেছিলাম। এর কারণ হলো শুরু থেকেই ডেঙ্গু নিয়ে একধরনের অবহেলা দেখা গেছে। প্রধানমন্ত্রী যে উদ্যোগ নিয়েছেন, সেটিকে সাধুবাদ জানাই। এটা আগামী নভেম্বর পর্যন্ত চলবে আশা করি। কিন্তু এসব উদ্যোগ শুধু মিডিয়া কাভারেজের মধ্যে না রেখে সত্যিকার অর্থে বাস্তবায়ন করা হলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে।’সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় যে সাতজন মারা গেছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই ঢাকার বাইরের। তাঁদের মধ্যে তিনজনই খুলনা বিভাগের। অন্য চারজন চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন দুই সিটির বাইরে ঢাকা বিভাগের অন্যত্র। এ সংখ্যা ৩৯৪। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রোগী হয়েছেন খুলনা বিভাগে—৩৪৯ জন।এখন পর্যন্ত দেশে সর্বোচ্চ রোগী ভর্তি হয়েছেন দুই সিটির বাইরে ঢাকা বিভাগে—৯ হাজার ৫০৬ জন। এরপরেই আছে খুলনা বিভাগ—৯ হাজার ৩১২ জন।

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
১,১৫০ টাকার নামজারিতে ৭০ হাজার দাবি, রাঙ্গাবালীতে তহশিলদারের ভিডিও ভাইরাল

১,১৫০ টাকার নামজারিতে ৭০ হাজার দাবি, রাঙ্গাবালীতে তহশিলদারের ভিডিও ভাইরাল

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের নতুন মহাপরিচালক এহসান মাহমুদ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের নতুন মহাপরিচালক এহসান মাহমুদ

অবুঝ রায়হানের পা কেটে বানানো হয় ‘ভিক্ষার মেশিন’

অবুঝ রায়হানের পা কেটে বানানো হয় ‘ভিক্ষার মেশিন’

গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ওসির পর সরানো হলো ডিসিকেও
গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ওসির পর সরানো হলো ডিসিকেও

রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের মিছিলকে কেন্দ্র করে এবার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদকে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পরবর্তী জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার কাছে দায়িত্ব অর্পণ করে তাকে ডিএমপি সদর দপ্তরে রিপোর্ট করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সই করা এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এম তানভীর আহমেদকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রশাসনিক কারণে ঢাকা মেট্রোপলিটন সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হলো। আরও পড়ুন গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি ক্লোজড এর আগে, একই দিন গুলশান মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়। ওসির প্রত্যাহার আদেশে বলা হয়, প্রশাসনিক কারণে ১৬ সেপ্টেম্বর পূর্বাহ্নে ডিএমপি সদর দপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে দাউদ হোসেনকে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হলো। গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর গুলশান থানাধীন ৩ নম্বর সড়কের কেএফসি-সংলগ্ন সড়কে মিছিল করে কার্যক্রমে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে গেলে মিছিলকারীরা পুলিশের দিকে ককটেল নিক্ষেপ করে। এসময় হাতেনাতে দুজনকে গ্রেফতার ও পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনার পর এখন পর্যন্ত অন্তত ৭৫ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আরও পড়ুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী / গুলশানে আ’লীগের মিছিলের বিষয়ে তথ্য ছিল, তবে পুলিশ আন্দাজ করতে পারেনি গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য ছিল। তবে শুক্রবার পুলিশ হয়তো আন্দাজ করতে পারেনি যে ওই সময় ওই এলাকায় জুমার নামাজ পড়তে এসে তারা এরকম একটা কিছু করতে পারে। গুলশানে মিছিলের বিষয়ে তিনি বলেন, বেলা ১১টার দিকে জুমার নামাজ আদায়ের কথা বলে সেখানে কিছু লোক জড়ো হয়েছিল। পরে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। টিটি/এমকেআর

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
এনসিএলে বাড়ল মর্যাদা, ব্যাগি ক্যাপ পেয়ে অধিনায়কদের উচ্ছ্বাস

এনসিএলে বাড়ল মর্যাদা, ব্যাগি ক্যাপ পেয়ে অধিনায়কদের উচ্ছ্বাস

দুর্ঘটনার কবলে বহনকারী মাইক্রোবাস, অক্ষত মহিবুল্লাহ বাবুনগরী

দুর্ঘটনার কবলে বহনকারী মাইক্রোবাস, অক্ষত মহিবুল্লাহ বাবুনগরী

ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির স্থানীয় বিল ২৭০ দিন পর ওভারডিউ

ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির স্থানীয় বিল ২৭০ দিন পর ওভারডিউ

0 Comments