ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি নগরবাসীকে নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানিয়েছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
তিনি বলেছেন, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা না গেলে শুধু ওষুধ ছিটিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এজন্য নগরবাসীকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নগরের কাজীর দেউরী মোড়ে চসিকের মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।
মেয়র বলেন, এডিস মশা জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতেও বংশবিস্তার করতে পারে। বাসাবাড়ি, ছাদ, নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত পাত্র, ফুলের টব, ডাবের খোসা, প্লাস্টিক ও পলিথিনসহ যেসব স্থানে পানি জমে থাকে, সেগুলো এডিস মশার প্রজননস্থলে পরিণত হতে পারে। তাই নিয়মিত এসব স্থান পরিষ্কার করতে হবে এবং কোনো পাত্রে পানি জমতে দেওয়া যাবে না।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু ভাইরাসের বিভিন্ন সেরোটাইপের উপস্থিতি ও পরিবর্তন নিয়ে দেশে গবেষণা ও জিনগত বিশ্লেষণ চলছে। চলতি বছর বাংলাদেশে ডেনভি-থ্রি সেরোটাইপের আধিক্যের কথা বিভিন্ন স্বাস্থ্য গবেষণা ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
ডা. শাহাদাত বলেন, ডেঙ্গু শুধু সিটি করপোরেশনের একার সমস্যা নয়। এটি মোকাবিলায় নগরবাসীকেও দায়িত্ব নিতে হবে। আমরা নিয়মিত মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করছি। কিন্তু নাগরিকরা যদি বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে দেন, ময়লা-আবর্জনা এবং প্লাস্টিক-পলিথিন যত্রতত্র ফেলেন, তাহলে এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে থাকবে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ডেঙ্গুতে যেন কোনো মানুষের মৃত্যু না হয়। এজন্য চসিকের কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিন দিনে একদিন জমে থাকা পানি ফেলে দিন। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন।’
নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে মেয়র আরও বলেন, ময়লা, প্লাস্টিক ও পলিথিন যেখানে-সেখানে ফেলা যাবে না। পানি জমতে দেওয়া যাবে না। নিজের ঘর, আঙিনা, ছাদ ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর চট্টগ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব।
চসিকের জনসংযোগ শাখা জানায়, ডেঙ্গুর ঝুঁকি মোকাবিলায় নগরের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম, লার্ভিসাইড প্রয়োগ, ক্রাশ প্রোগ্রাম ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সম্প্রতি চসিক জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় ‘ডেঙ্গু ম্যানেজমেন্ট সেল’ চালু করা হয়েছে।
এ সময় চসিকের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এমআরএএইচ/এমএএইচ/
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনসেবায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাসে সিট দখল, র্যাগিং, শিক্ষার্থীকে হয়রানি, ধূমপান ও মাদকদ্রব্য বহন বা সেবন নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক তারেক বিন আতিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন অফিসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব একতলা, দ্বিতল ও বিআরটিসি থেকে ভাড়া করা বাসে শিক্ষার্থীদের বসার সিট পূর্বেই খাতা, কলম, পানির বোতল, ব্যাগ, মানিব্যাগ কিংবা কাগজ রেখে দখল করার অসৌজন্যমূলক চর্চা লক্ষ করা যাচ্ছে। পাশাপাশি বাস কমিটির প্রভাব খাটানো এবং নবীন শিক্ষার্থীদের আসন পেতে বাধা সৃষ্টি বা হেনস্তা করার বিষয়ও প্রশাসনের নজরে এসেছে।বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এ ধরনের আচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুস্থ পরিবেশ, সাধারণ শিষ্টাচার ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের পরিপন্থী। কোনো শিক্ষার্থীর ওপর প্রভাব বিস্তার বা সিট দখলের নামে অসম আচরণ, র্যাগিংয়ে শামিল হওয়া শৃঙ্খলাভঙ্গ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী কঠোর প্রশাসনিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সরকারি আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক পরিবহনের কোনো যানবাহনের অভ্যন্তরে ধূমপান এবং যেকোনো ধরনের মাদকদ্রব্য বহন বা সেবন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।বাস ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগে শিক্ষার্থীদের জন্য বাসের দরজা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চালক ও হেলপারদের নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগে দরজা খুলে দেওয়ার এবং বাসে কোনো অবৈধ সিট দখল বা বিশৃঙ্খলা না ঘটে, তা নিশ্চিত করে প্রশাসনকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনসেবাকে সুশৃঙ্খল, শিক্ষার্থীবান্ধব ও র্যাগিংমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছে প্রশাসন।
মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) ঢাকার নভোথিয়েটারে ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর আয়োজিত বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। দেশের ৭৩টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ আয়োজনে তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে অংশগ্রহণ করে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতিযোগিতামূলক মূল্যায়নের মাধ্যমে নির্বাচিত ৫০টি প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর সামনে প্রদর্শনের জন্য উপস্থাপিত হয়। এর মধ্যে এমআইএসটির ৬টি প্রকল্প স্থান পায়, যা একক কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ। আরও গৌরবের বিষয় হলো, এমআইএসটির দুটি প্রকল্প সেরা ১০-এর মধ্যে স্থান করে নেয়, যা অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ সাফল্য। সেরা ১০-এ স্থান পাওয়া এমআইএসটির প্রকল্প দুটি হলো ‘Water Repellent Jute Fabric’ এবং ‘Voice Assist Device’।এ দুটি প্রকল্পের উদ্ভাবকদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হয়। ‘Water Repellent Jute Fabric’ প্রকল্পের মাধ্যমে পাটের তৈরি শপিং ব্যাগ, ল্যাপটপ ব্যাগ, মোবাইল ক্যারিয়ারসহ বিভিন্ন ব্যবহার্য পণ্যে পরিবেশবান্ধব জলরোধী প্রলেপ দেওয়ার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে।‘Voice Assist Device’ প্রকল্পটি কথা বলার অক্ষম, বিশেষ করে অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের দৈনন্দিন প্রয়োজন সহজে প্রকাশের সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে। বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ এমআইএসটির এ সাফল্য দেশের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক গবেষণায় প্রতিষ্ঠানটির ক্রমবর্ধমান সক্ষমতার প্রতিফলন।একই সঙ্গে এ অর্জন এমআইএসটির শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডকে আরও উৎসাহিত করবে এবং জাতীয় উন্নয়নে প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান তৈরির ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা যায়।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট বন্ধে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর জন্য ২৫টি এজেন্সি চূড়ান্ত করা হয়েছে। এসব এজেন্সি কিসের ভিত্তিতে নির্বাচন করা হয়েছে, তা সরকারকে পরিষ্কার করতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে ‘সিন্ডিকেট ও মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান এ কথা বলেন। সেমিনারের আয়োজন করে জামায়াতে ইসলামী। সেমিনারে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, ‘২৫টি এজেন্সিকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। বোঝা যাচ্ছে, তারা হবে মাস্টার এজেন্সি। তাদের আন্ডারে (আওতায়) অ্যাসোসিয়েট (সহযোগী) থাকবে। ক্রাইটেরিয়াটা (যোগ্যতা) কী এখানে? ইতিমধ্যেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে আপনারাই নিয়ে এসেছেন যে এমন কিছু এজেন্সি আছে, যাদের পূর্বের কোনো অভিজ্ঞতা নেই। তো কিসের ভিত্তিতে এটা সিলেক্ট (নির্ধারণ) করা হলো?’শফিকুর রহমান বলেন, ‘তাহলে আমরা যেটা শুনছি, সেইটা যে ১৫ থেকে ২২ কোটি টাকা সেখানে ইনভেস্ট করা হচ্ছে, ওইটা? যদি ওইটা হয়ে থাকে, তাহলে আমরা এটাকে অত্যন্ত ঘৃণার সঙ্গে ধিক্কার জানাই। নিশ্চয়ই সরকারের সঙ্গে জড়িত না হলে এটা হয় কীভাবে? সরকারকেই পরিষ্কার করতে হবে তারা জড়িত নয়। সরকারকে পরিষ্কার করতে হবে, কোন ক্রাইটেরিয়ার (যোগ্যতা) ভিত্তিতে এদেরকে সিলেক্ট করা হয়েছে।’মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মীদের শোষণ বন্ধের দাবি জানান জামায়াতের আমির। তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার তিনবার বন্ধ হয়েছে। আবার চালুর পর এটি চতুর্থবার বন্ধ হোক, তাঁরা তা চান না। এ জন্য শ্রমিক পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করার পাশাপাশি কোনো সিন্ডিকেটকে সুযোগ না দেওয়ার দাবি জানান তিনি।জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমরা কোনো সিন্ডিকেট চাই না, আমরা একটা সুস্থ শ্রমবাজার পরিবেশ চাই। সমস্যাটা শুধু মালয়েশিয়াকে ঘিরে নয়, দুনিয়ার বিভিন্ন জায়গায় সমস্যা হচ্ছে বিশেষ করে এশিয়া এবং মিডেল ইস্টের দেশগুলোতেই বেশি হচ্ছে।’মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে অতীতে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেট এখনো কার্যকর রয়েছে বলে অভিযোগ করেন শফিকুর রহমান। দাতো শ্রী আমিন নামের একজনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে এই ব্যক্তি মালয়েশিয়ায় সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিল। সেটি এখনো চালু আছে। এই ব্যক্তির সঙ্গে কোনো কোনো নেতা এখনো গোপনে বৈঠক করেন।শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা সরকারকে বলব, বন্ধ করেন। কোনো আমিনের নাম আর শুনতে চাই না। এই আমিনরা কী করবে বাংলাদেশ দেখে ফেলেছে।’নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়া যেভাবে মালয়েশিয়ার সঙ্গে শ্রমবাজার নিয়ে আলোচনা করে, বাংলাদেশকেও সেভাবে আলোচনা করার আহ্বান জানান শফিকুর রহমান। সরকার উদ্যোগ নিলে বিরোধী দল সব ধরনের সহযোগিতা করবে বলেও জানান তিনি।সিন্ডিকেট বন্ধে সরকারকে বাধ্য করা হবে বলে ঘোষণা দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, সরকার সেটি না করলে জনগণই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। যদি জামায়াত কোনো দিন ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ পায়, তাহলে এই সিন্ডিকেটের অস্তিত্ব রাখা হবে না।‘উচ্ছৃঙ্খল বিরোধী দল হতে চাই না’সেমিনারে সরকারের সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় যাওয়ার আগে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এখন সেগুলো অস্বীকার করছে এবং উল্টো পথে চলছে। কাউকে সরিয়ে কাউকে বসানোর দাবিতে বিরোধী দল আন্দোলন করছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি দাবি আদায় না করে তাঁরা ঘরে ফিরবেন না।বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘উচ্ছৃঙ্খল বিরোধী দল হতে চাই না। এর মাধ্যমে কোনো কলঙ্ক লেপন করতে চাই না। আবার আমরা মহান আল্লাহ ছাড়া আর কারও কাছে অনুগত হব না। জায়গামতো কথা বলব, যা উচিত মনে করব, চোখের দিকে তাকিয়ে তা বলব।’ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ‘যা ন্যায্য কথা, তা বলব। আইন যা করে করুক। এটার পরোয়া করি না। সেই আইনও হওয়ার পথে বাধা দেব।…আর যদি এরপরে গায়ের জোরে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে যা ন্যায়, যা সত্য তা বলতেই থাকব। আইন যতবার পারে আমার ওপর প্রয়োগ করুক।’স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোট বাদ করার চিন্তা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, তারা যেখানেই থাকুক, তাদের ভোট দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জামায়াতের নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইনজীবী শাহরিয়ার কবির। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সাবেক কূটনৈতিক সাকিব আলী, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের (বায়রা) সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আযাদ ও এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান (মিলন), ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান (ইরান), বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আতিকুর রহমান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধানসহ অনেকে।