জাতীয়

একঝলক (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
একঝলক (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
একঝলক (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
পায়রা নদীতে মাছ ধরছেন জেলেরা। আয়লা, বরগুনা, ১০ সেপ্টেম্বর
দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় মন্দিরের দেয়ালে জন্মেছে গাছপালা। শ্যামসুন্দর মন্দির, সোনাবাড়িয়া, কলারোয়া, সাতক্ষীরা, ১১ সেপ্টেম্বর
সিংড়ার বিয়াশবাজারে অভিযান চালিয়ে সার মজুত রাখার দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বিয়াশবাজার, সিংড়া, নাটোর, ১০ সেপ্টেম্বর
ভাদ্রের হঠাৎ নামা বৃষ্টিতে শরীর ভিজিয়ে নিচ্ছে হাঁসটি। আমভিটা, ডুমুরিয়া, খুলনা, ১১ সেপ্টেম্বর
কাপ্তাই হ্রদের মাঝে ডিঙিনৌকাভর্তি জাল নিয়ে মাছ ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন জেলেরা। বালুখালী, রাঙামাটি, ১১ সেপ্টেম্বর
নদী-বিলের দেশি মাছের সমারোহ। তবে দাম চড়া। মাসুমবাজার, পাবনা, ১১ সেপ্টেম্বর
ভাঙনের কারণে হাঁটার জায়গা কমেছে সৈকতে। তাই জিও ব্যাগের বাঁধের ওপর বসানো হয়েছে পর্যটকদের চেয়ার-ছাতা। লাবণী পয়েন্ট, কক্সবাজার, ১১ সেপ্টেম্বর
গাছে পেরেক ঠুকে লাগানো হয়েছে নানা ধরনের ব্যানার। ঘটবাড়িয়া বাজার, বরগুনা, ১০ সেপ্টেম্বর
বৃষ্টিভেজা সকালে ফুটে আছে রেইন লিলি। হানসামাপাড়া, বান্দরবান, ১১ সেপ্টেম্বর
গ্রামের পথে খেলনা গাড়িতে ভাইকে নিয়ে আনন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছে বড় বোন। জামছড়িমুখপাড়া, বান্দরবান, ১১ সেপ্টেম্বর
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
পুরোনো বইয়ের গন্ধ কেন এত ভালো লাগে?
পুরোনো বইয়ের গন্ধ কেন এত ভালো লাগে?

অনেক দিনের পুরোনো একটি বই হাতে নিলে শুধু তার পাতায় জমে থাকা ইতিহাসই চোখে পড়ে না, নাকে পৌঁছায় এক অদ্ভুত পরিচিত সুবাসও। কারো কাছে তা শৈশবের স্কুল লাইব্রেরির স্মৃতি, কারো কাছে পুরোনো বইয়ের দোকানে কাটানো সময়। আবার কারো মনে এই গন্ধ ফিরিয়ে আনে বহু বছর আগের কোনো প্রিয় বই পড়ার মুহূর্ত। বইপ্রেমীদের কাছে এই গন্ধের আলাদা আকর্ষণ আছে। অনেকেই হয়তো ভাবেন, পুরোনো বইয়ের নিজস্ব কোনো বিশেষ সুগন্ধ রয়েছে। আসলে বিষয়টি একটু অন্যরকম। কাগজের বয়স বাড়লে যা ঘটে কাগজ তৈরির প্রধান উপাদানগুলোর একটি হলো কাঠ থেকে পাওয়া আঁশ। এতে সেলুলোজের পাশাপাশি লিগনিনসহ আরও কিছু রাসায়নিক উপাদান থাকে। বছরের পর বছর ধরে আলো, বাতাস, আর্দ্রতা ও তাপমাত্রার প্রভাবে এসব উপাদানের মধ্যে ধীরে ধীরে পরিবর্তন ঘটতে থাকে। বিশেষ করে পুরোনো কাগজে অ্যাসিড-নির্ভর রাসায়নিক বিক্রিয়া চলতে থাকলে কাগজের কিছু উপাদান ভেঙে যেতে শুরু করে। তখন একাধিক উদ্বায়ী রাসায়নিক পদার্থ তৈরি হয়। এগুলো বাতাসে ছড়িয়ে পড়ার পরই আমাদের নাকে পৌঁছায় সেই বিশেষ পুরোনো বইয়ের গন্ধ। এই গন্ধের পেছনে একক কোনো রাসায়নিক পদার্থ দায়ী নয়। বরং বিভিন্ন যৌগের সম্মিলিত প্রভাবেই তৈরি হয় বইটির স্বতন্ত্র সুবাস। ভ্যানিলার সঙ্গে মিল যেখানে পুরোনো বইয়ের গন্ধকে অনেকে ভ্যানিলার সঙ্গে তুলনা করেন। এর একটি কারণ হলো ভ্যানিলিন নামের একটি যৌগ। পুরোনো কাগজে লিগনিনের অবক্ষয়ের ফলে ভ্যানিলিন তৈরি হতে পারে এবং এই যৌগের সুবাস ভ্যানিলার পরিচিত গন্ধের সঙ্গে মেলে। তবে বইয়ের গন্ধ শুধু ভ্যানিলিনের কারণে হয়-এমনটা ভাবা ঠিক নয়। কাগজের বিভিন্ন উপাদান থেকে তৈরি আরও অনেক উদ্বায়ী যৌগ একসঙ্গে মিশে সেই গন্ধ তৈরি করে। কোনো কোনো যৌগ বাদাম বা কাঠের মতো অনুভূতি দিতে পারে, আবার কোনোটি মিষ্টি কিংবা ফুলের গন্ধের সঙ্গে মিল তৈরি করতে পারে। এই কারণেই একেকটি পুরোনো বইয়ের গন্ধ একেক রকম মনে হয়। সব পুরোনো বইয়ের গন্ধ এক নয় এখানেই রয়েছে আরও মজার বিষয়। সব পুরোনো বই খুললে কিন্তু একই গন্ধ পাওয়া যায় না। কারণ প্রতিটি বইয়ের কাগজ, কালি, আঠা এবং সংরক্ষণের পরিবেশ এক নয়। কোন ধরনের কাগজ ব্যবহার করা হয়েছে, সেটি তৈরির সময় কী উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে, বইয়ের মুদ্রণে কোন কালি বা আঠা ব্যবহার হয়েছে-এসবই বইয়ের গন্ধে প্রভাব ফেলতে পারে। এমনকি বইটি বছরের পর বছর কোথায় রাখা হয়েছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। শুষ্ক ও পরিচ্ছন্ন জায়গায় রাখা বইয়ের গন্ধ একরকম হতে পারে। অন্যদিকে দীর্ঘদিন স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে থাকা বইয়ে ভ্যাপসা গন্ধ তৈরি হতে পারে। ধুলা, ধোঁয়া, রান্নাঘরের গন্ধ, পারফিউম কিংবা আশপাশের অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থও বছরের পর বছর ধরে কাগজে প্রভাব গন্ধকে বদলে দিতে পারে। গন্ধ বিশ্লেষণ করেও বই পরীক্ষা করা যায় বইয়ের গন্ধ নিয়ে গবেষণা শুধু কৌতূহলের বিষয় নয়। সংরক্ষণবিদদের কাছেও এটি গুরুত্বপূর্ণ। বই বা ঐতিহাসিক নথি থেকে বের হওয়া উদ্বায়ী রাসায়নিক যৌগ বিশ্লেষণ করে কাগজের অবক্ষয়ের ধরন সম্পর্কে ধারণা নেওয়া সম্ভব। এ ধরনের গবেষণায় ম্যাটেরিয়াল ডিগ্রাডোমিক্স পদ্ধতির ব্যবহারও দেখা গেছে। এর বিশেষত্ব হলো, পুরোনো নথি বা বইয়ের পাতা কেটে পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয় না। গন্ধের সঙ্গে যুক্ত রাসায়নিক উপাদান বিশ্লেষণ করেই কাগজের অবস্থার কিছু ধারণা পাওয়া যেতে পারে। পুরোনো কাগজের সুবাসকে মানুষের পরিচিত বিভিন্ন গন্ধের সঙ্গে তুলনা করার জন্য গবেষণায় 'হিস্টোরিক পেপার ওডর হুইল' -এর মতো নির্দেশিকাও তৈরি হয়েছে। সেখানে চকলেট, কফি, ভ্যানিলাসহ নানা ধরনের গন্ধের সঙ্গে পুরোনো কাগজের সুবাসের তুলনা করা হয়। নতুন বইয়ে কেন সেই মায়াবী গন্ধ নেই? নতুন বইয়ের কাগজে সাধারণত পুরোনো কাগজের মতো দীর্ঘ সময়ের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটেনি। তার ওপর আধুনিক বইয়ের কাগজ তৈরির পদ্ধতিও অনেক বদলে গেছে। উন্নতমানের কাগজে লিগনিনের পরিমাণ কম রাখা হয়, যাতে কাগজ দ্রুত হলুদ হয়ে না যায় এবং দীর্ঘদিন ভালো থাকে। ফলে কয়েক দশক ধরে পুরোনো হওয়া কাগজে যে ধরনের যৌগ তৈরি হতে পারে, নতুন বইয়ে শুরুতেই সেগুলোর একই মাত্রা থাকে না। আরও পড়ুন মানুষ প্যারার মধ্যেই হাসির কারণ খুঁজে নেয় তাই পুরোনো বইয়ের সেই মিষ্টি গন্ধ আসলে এক ধরনের রাসায়নিক স্মৃতি। একটি বই যত পুরোনো হয়, তার পাতায় তত জমতে থাকে সময়ের ছাপ। আর সেই ছাপেরই একটি অংশ আমরা অনুভব করি নাকে-কখনো ভ্যানিলা, কখনো কফি, কখনো কাঠের মতো পরিচিত কোনো সুবাস হিসেবে। আরও পড়ুন ‘নৌকাডুবি’ আজও কেন জনপ্রিয় মানুষের কাছে বইয়ের পাতার সেই গন্ধ তাই শুধু নস্টালজিয়া নয়, এটি কাগজের বয়স, পরিবেশ এবং ধীরে ধীরে বদলে যাওয়ার এক অদৃশ্য গল্প। সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট, টাইমস অব ইন্ডিয়া এসএকেওয়াই

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই

রাশিয়ার মাউন্ট এলব্রুস জয় করতে যাচ্ছেন এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী শাকিল

রাশিয়ার মাউন্ট এলব্রুস জয় করতে যাচ্ছেন এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী শাকিল

যৌথ খতিয়ানে ভূমি উন্নয়ন কর নিয়ে হয়রানি নিরসনে ৬ নির্দেশনা

যৌথ খতিয়ানে ভূমি উন্নয়ন কর নিয়ে হয়রানি নিরসনে ৬ নির্দেশনা

ছুটির দিনে পার্লারে না গিয়ে ঘরে বসেই করুন হেয়ার স্পা
ছুটির দিনে পার্লারে না গিয়ে ঘরে বসেই করুন হেয়ার স্পা

ব্যস্ততা বা খরচের চিন্তায় পার্লারে যাওয়া হচ্ছে না? ছুটির দিনে ঘরে থাকা সহজ কিছু উপকরণ দিয়েই চুলে ফেরাতে পারেন পার্লার ট্রিটমেন্টের মতো গ্লো। রূপ বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘরোয়া হেয়ার স্পা চুলে পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি রুক্ষতা দূর করে। তাই চুলকে সতেজ এবং ঝরঝরে রাখতে মাঝে মাঝে হেয়ার স্পা করুন। আসুন জেনে নেওয়া যাক  বাড়িতে ​যেভাবে হেয়ার স্পা করবেন- ছুটির দিনে পার্লারে না গিয়েও ঘরেই নিতে পারেন চুলের যত্ন তেল ম্যাসাজ ও শ্যাম্পু চুলে কুসুম গরম তেল ১০ মিনিট ম্যাসাজ করে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তোয়ালে দিয়ে অতিরিক্ত পানি মুছে নিন। জট ছাড়িয়ে নিন ভেজা চুল হালকা শুকিয়ে মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে নিচ থেকে ওপরের দিকে জট ছাড়িয়ে নিন। হেয়ার প্যাক ব্যবহার ১টি ডিম, ১ চা চামচ লেবুর রস, কাস্টর অয়েল, গ্লিসারিন ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে পুরো চুলে লাগিয়ে নিন। শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে ১ ঘণ্টা ঢেকে রেখে ধুয়ে ফেলুন। আরও পড়ুন ২১ দিনের সহজ রুটিনে চোখের নিচের কালো দাগ দূর করুন কন্ডিশনিং করুন প্যাক ধোয়ার পর অবশ্যই কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। কন্ডিশনার ঘরোয়া উপায়ে করতে চাইলে ফুটিয়ে ঠান্ডা করা চা-পাতার পানিতে ১ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চুল ধুয়ে নিন। আরও পড়ুন ৫০ বছরে উজ্জ্বল ত্বক, রাতে ব্যবহার করুন ঘরোয়া ক্রিম ​জরুরি টিপস শ্যাম্পু বা কন্ডিশনার যেন কোনোভাবেই স্ক্যাল্পে লেগে না থাকে। ​তৈলাক্ত চুলে অতিরিক্ত ভারী কন্ডিশনার এড়িয়ে চলাই ভালো। ​চুলে অতিরিক্ত হেয়ার ড্রায়ার বা আয়রন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুলে চুল থাকবে স্বাস্থ্যজ্জ্বল ও সুন্দর। এসএকেওয়াই

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
সন্তান কুসন্তান হলে আইন করেও বাবা-মায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়

সন্তান কুসন্তান হলে আইন করেও বাবা-মায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়

ভুল লেখার কারণে শিক্ষিকার মারধরে অজ্ঞান দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী

ভুল লেখার কারণে শিক্ষিকার মারধরে অজ্ঞান দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী

সিডির দিন কি ফিরছে, এক বছরে বিক্রি বেড়েছে ৪৬ শতাংশ

সিডির দিন কি ফিরছে, এক বছরে বিক্রি বেড়েছে ৪৬ শতাংশ

হংকংয়ে চমকে দিলেন মেহজাবীন
হংকংয়ে চমকে দিলেন মেহজাবীন

অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ঘুরতে ভালোবাসেন। কাজের ফাঁকে প্রায়ই ঢুঁ মারেন দেশ–বিদেশের এখানে–সেখানে। এবার হংকং সফরের ছবি পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। ছবিতে ছবিতে জেনে নেওয়া যাক অভিনেত্রী সম্পর্কে কিছু তথ্য—গতকাল রাতে একগুচ্ছ নতুন ছবি পোস্ট করেছেন মেহজাবীন। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে ছবিগুলোতে তাঁকে বেশ ফুরফুরে মেজাজে দেখা যাচ্ছে। হংকংয়ে তোলা ছবিগুলো পোস্ট করে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘আচ্ছা, থাক…উমম…কিছু না।’ অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে গতকাল রাতে পোস্ট করা ছবিগুলো বেশ পছন্দ করেছেন তাঁর ভক্ত–অনুসারীরা। এ পর্যন্ত প্রতিক্রিয়া এসেছে প্রায় ১৩ হাজার। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে মন্তব্যের ঘরে অনেকেই তাঁর ছবিগুলোর প্রশংসা করেছেন। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে ‘প্রিয় মালতী’ দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেকের পর ছোট পর্দায় কাজ কমিয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী। মেহজাবীনের ফেসবুক থেকে ব্রুকলিন ব্রিজে মেহজাবীন, রইল ১০টি ছবিগত বছর মুক্তি পায় তাঁর আরেকটি ছবি ‘সাবা’। ‘প্রিয় মালতী’র মতো এ সিনেমাটিও প্রশংসা পায়। মেহজাবীনকে সবশেষ দেখা গেছে ‘ক্যাকটাস’–এ। শিহাব শাহীন পরিচালিত সিরিজটি চলতি বছর পবিত্র ঈদুল ফিতরে চরকিতে মুক্তি পায়। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
লিটল ব্ল্যাক ড্রেস, টুকটুক রাইড আর বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি, দেখুন মিথিলার 'হ্যাপেনিং' ব্যাংকক ডাম্প

লিটল ব্ল্যাক ড্রেস, টুকটুক রাইড আর বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি, দেখুন মিথিলার 'হ্যাপেনিং' ব্যাংকক ডাম্প

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার, ফলাফল শিগগির: চিফ হুইপ

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার, ফলাফল শিগগির: চিফ হুইপ

চট্টগ্রামে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে একদিনে গ্রেফতার ৫৪২

চট্টগ্রামে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে একদিনে গ্রেফতার ৫৪২

0 Comments