জাতীয়

এআই ছাড়াই আশির দশকের ট্রেন্ডে

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
এআই ছাড়াই আশির দশকের ট্রেন্ডে
এআই ছাড়াই আশির দশকের ট্রেন্ডে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ছোঁয়ায় আশির দশকের সাজে নিজেদের ছবি তৈরি করছেন তারকা থেকে সাধারণ মানুষ—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন এ প্রবণতাই আলোচনায়। তবে ভারতীয় সংগীতশিল্পী শানকে সে জন্য এআইয়ের সাহায্য নিতে হয়নি। পুরোনো অ্যালবাম থেকে তুলে আনা ছবিগুলোয় দেখা মিলেছে শানের শৈশব ও কৈশোরের—যে সময়ের সাজপোশাক এখন নতুন করে ফিরেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। রইল এই সময়েরও কিছু ছবি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আশির দশকের সাজে ছবি তৈরির প্রবণতার মধ্যে নিজের সেই সময়ের আসল ছবি প্রকাশ করেছেন শান। ছবি: শিল্পীর ফেসবুক থেকে
আশির দশকে ক্যামেরাবন্দী কিশোর শান। পুরোনো ছবিই এখন তাঁকে যুক্ত করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নতুন ট্রেন্ডে। ছবি: শিল্পীর ফেসবুক থেকে
এআইয়ের তৈরি নয়—শানের অ্যালবাম থেকে উঠে এসেছে আশির দশকের এই স্মৃতি। ছবি: শিল্পীর ফেসবুক থেকে
পুরোনো দিনের ছবি প্রকাশ করে শান লিখেছেন, আশির দশকের ট্রেন্ডে যোগ দিতে তাঁর এআইয়ের প্রয়োজন হয়নি। ছবি: শিল্পীর ফেসবুক থেকে
নব্বইয়ের দশকের শেষ ভাগ থেকে শানের গানে মেতেছেন শ্রোতারা। এত বছর পরও তাঁর অনেক গান রয়েছে সেই প্রজন্মের পছন্দের তালিকায়। ছবি: শিল্পীর ফেসবুক থেকে
সময়ের সঙ্গে বদলেছে শানের সাজ ও উপস্থিতি; পুরোনো ছবিতে ধরা রয়েছে তাঁর বেড়ে ওঠার নানা মুহূর্ত। ছবি: শিল্পীর ফেসবুক থেকে
শাহরুখ খান, আমির খান, সাইফ আলী খানসহ বলিউডের বহু তারকার ঠোঁটে পর্দায় শোনা গেছে শানের কণ্ঠ। তাঁর গাওয়া অনেক গান পেয়েছে কালজয়ী জনপ্রিয়তা। ছবি: শিল্পীর ফেসবুক থেকে
চলচ্চিত্রের নেপথ্য সংগীত থেকে একক গান—সবখানেই শানের স্বচ্ছন্দ বিচরণ। বাংলা সিনেমার জন্যও গেয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় গান। ছবি: শিল্পীর ফেসবুক থেকে
আধুনিক ও চলচ্চিত্রের গানের পাশাপাশি রবীন্দ্রসংগীতেও কণ্ঠ দিয়েছেন শান। সময়ের সঙ্গে বদলেছে সংগীতের ধরন, তবে গান নিয়ে তাঁর পথচলা থামেনি। ছবি: শিল্পীর ফেসবুক থেকে
বলিউডের রোমান্টিক গানের পরিচিত কণ্ঠ শান। তাঁর গান পর্দায় প্রাণ পেয়েছে বিভিন্ন প্রজন্মের জনপ্রিয় তারকাদের অভিনয়ে। ছবি: শিল্পীর ফেসবুক থেকে
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
সমন্বিত বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি চায় ব্রিকস
সমন্বিত বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি চায় ব্রিকস

সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করে সমন্বিত বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি চান ব্রিকস জোটের নেতারা। উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর এই জোটের শীর্ষ সম্মেলনের সমাপনী দিনে গতকাল রোববার নেতারা এই অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে বিরল সমঝোতায় পৌঁছার পর ওই অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখার আহ্বানও জানিয়েছেন জোটের নেতারা।ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আয়োজিত দুই দিনের এই শীর্ষ সম্মেলন গতকাল শেষ হয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসকিয়ান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ ব্রিকস জোটের সদস্যদেশগুলোর নেতারা এতে যোগ দেন।গতকাল ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি এই জোটের মধ্যে ‘সহযোগিতার’ আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ব্রিকস জোটকে বিশ্বের ৫০ শতাংশ জনসংখ্যা, বৈশ্বিক জিডিপির ৪০ শতাংশ এবং বিশ্ববাণিজ্যের ২৫ শতাংশের বেশি অংশের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পুতিন ও চিন পিংসহ জোটের নেতাদের উদ্দেশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শক্তি বৈচিত্র্য ও সহযোগিতার মধ্যে নিহিত।’ তিনি বলেন, ‘আমরা অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়ার চেষ্টা করেছি।...আমাদের বাস্তবতা ভিন্ন হতে পারে; কিন্তু আমরা সহযোগিতার মাধ্যমে একসঙ্গে এগিয়ে যাই এবং মানবজাতির কল্যাণে বিকশিত হই।’রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, ব্রিকস জোট একটি ‘নতুন, আরও ন্যায্য ও বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা’ গড়ে তুলতে কাজ করছে; আর চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বলেন, নিয়মহীন পৃথিবী যেন ট্রাফিক লাইট ছাড়া এক মোড়ের মতো, যেখানে বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য অনিবার্য।সম্মেলনের প্রথম দিন শনিবার ব্রিকস জোটের নেতাদের আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের বিষয়টিই প্রাধান্য পেয়েছিল। গত মে মাসে নয়াদিল্লিতে ব্রিকস পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা একটি যৌথ বিবৃতিতে সম্মত হতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। কারণ, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরায়েলি হামলাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া যুদ্ধে ইরান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বিভাজিত হয়ে পড়েছিল।তবে এবার ভারতের তীব্র কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পর ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ জোটের নেতারা একটি যৌথ ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেছেন। এতে বলা হয়, ‘মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিম এশিয়ায় অব্যাহত উত্তেজনা বৃদ্ধি নিয়ে আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।’ এতে আরও যোগ করা হয়, ব্রিকসভুক্ত দেশগুলো ‘সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানায়’।শীর্ষ সম্মেলন শুরুর দিন শনিবার এই জোট সর্বসম্মতিক্রমে ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা’ গ্রহণ করে। যৌথ ঘোষণাপত্রে ব্রিকস সহযোগিতায় অংশীদার দেশগুলোর ‘অবদান’ স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ঘোষণাপত্রে ‘অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উন্নয়নমুখী অংশীদারত্ব রাখার’ অঙ্গীকার করা হয়েছে।

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
ফিল ফোডেনের লাল কার্ড: আসলে দোষী কে, কী বললেন বিশ্লেষকেরা

ফিল ফোডেনের লাল কার্ড: আসলে দোষী কে, কী বললেন বিশ্লেষকেরা

দিল্লিতে অভিষেক ঝড়, আফগানিস্তানকে উড়িয়ে দিলো ভারত

দিল্লিতে অভিষেক ঝড়, আফগানিস্তানকে উড়িয়ে দিলো ভারত

ফ্রান্সের ২৫ শহরে বাংলাদেশের সিনেমার শুটিং

ফ্রান্সের ২৫ শহরে বাংলাদেশের সিনেমার শুটিং

রেকর্ড অষ্টমবারের মতো এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন ভারতের মেয়েরা
রেকর্ড অষ্টমবারের মতো এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন ভারতের মেয়েরা

শুরুতেই ঝড়। তারপর নিয়ন্ত্রণ। শেষটা ছিল আনুষ্ঠানিকতা।নারীদের এশিয়া কাপে আরেকটি শিরোপা জিতল ভারত। আজ ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে রেকর্ড অষ্টমবারের মতো ট্রফি তুলেছে তারা। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আসলে নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল ভারতের ইনিংসের প্রথম ১৩ ওভারেই।ভারতের টি–টুয়েন্টি দল—যেখানে এই আছেন, এই নেইওপেনিং জুটিতে শেফালি ভার্মা ও স্মৃতি মান্ধানা যা করলেন, সেটি ছিল একতরফা আধিপত্য। মাত্র ১২.৫ ওভারে ১২৯ রান যোগ করে ম্যাচের ভিত গড়ে দেন দুজন। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন শেফালি। ২২ বছর বয়সী এই ব্যাটার মাত্র ২৪ বলে ফিফটি করেন, যা নারী এশিয়া কাপের ইতিহাসে দ্রুততম। আগের রেকর্ডটিও ছিল মান্ধানার, ২০২২ সালে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ২৫ বলে।১২.৫ ওভারে ১২৯ রান যোগ করে ম্যাচের ভিত গড়ে দেন শেফালি ভার্মা ও স্মৃতি মান্ধানা শেষ পর্যন্ত ৩৯ বলে ৬৮ রান করেন শেফালি, চার ৯টি ও ছক্কা ২টি। পাওয়ারপ্লেতেই ম্যাচের রাশ হাতে নেয় ভারত। শ্রীলঙ্কা অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তুর এক ওভারে টানা তিন বাউন্ডারি, যার মধ্যে ছিল দুটি ছক্কা, ম্যাচের সুরটাই বদলে দেয়। ৬ ওভার শেষে ভারতের রান ছিল উইকেট না হারিয়ে ৫৭। শুরুর দিকে একটু ধীর ছিলেন মান্ধানা। ২২ বলে ২৩ রান করে সঙ্গীর পাশে ছিলেন। কিন্তু শেফালি ফিফটি পাওয়ার পর তিনিও গতি বাড়ান। নিলাক্ষি সিলভা ও চামুদি প্রাবোদার বলে ছক্কা হাঁকান। আতাপাত্তুর বিপক্ষে কভার দিয়ে তাঁর পরিচিত ইনসাইড আউট শটটিও ছিল চোখে পড়ার মতো। ৩৫ বলে ফিফটি ছুঁয়ে শেষ পর্যন্ত ৩৯ বলে ৫৯ রান করেন মান্ধানা, চার ৫টি ও ছক্কা ৩টি।শ্রেয়া চারানি ২০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে শ্রীলঙ্কার লোয়ার অর্ডার গুঁড়িয়ে দেন। ১৫ ওভারে ভারতের রান ছিল ২ উইকেটে ১৪০। শেষ দিকে অবশ্য ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলঙ্কা। রিচা ঘোষ ১৭ রানে আউট হন, পেসার মিথালি আয়োধ্যা ও অন্য বোলাররা লাইনে ফেরেন। শেষ ৫ ওভারে ভারত তোলে মাত্র ৪৩ রান। তবু শুরুতে পাওয়া ভিতই ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয়। শেষ দিকে গুনালান কামালিনির ৫ বলে ১৫ রানের ক্যামিও ভারতকে নিয়ে যায় ৫ উইকেটে ১৮৩ রানে। জবাবে শুরু থেকেই চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। একমাত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন আতাপাত্তু। ভিশমি গুনারত্নের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৫৮ রান যোগ করেন তিনি। কিন্তু ১০ম ওভারে দীপ্তি শর্মার স্পেলে ম্যাচ পুরোপুরি ভারতের দিকে ঝুঁকে যায়। এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে স্টাম্পড হন আতাপাত্তু। তিন বল পর গুনারত্ন সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড।১০ ওভারে ৩ উইকেটে ৬৩ রান, প্রয়োজনীয় রানরেট তখন ১২ ছাড়িয়েছে। সেখান থেকেই ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে যায় শ্রীলঙ্কার। পরে শ্রেয়া চারানি ২০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে লোয়ার অর্ডার গুঁড়িয়ে দেন। একই বৃত্তে ঘুরপাক নারী ক্রিকেটের, সমাধান কী

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
ডেঙ্গুতে মৃত্যু দেড় শ ছুঁই ছুঁই

ডেঙ্গুতে মৃত্যু দেড় শ ছুঁই ছুঁই

এআইয়ের অগ্রগতির লাগাম না টানলে সবাই মারা যেতে পারি: অ্যানথ্রোপিকের সাবেক গবেষক

এআইয়ের অগ্রগতির লাগাম না টানলে সবাই মারা যেতে পারি: অ্যানথ্রোপিকের সাবেক গবেষক

ধর্ম নিয়ে টানাটানির জেরে হিমঘরে লাশ, আট দিন পর আদালতের নির্দেশে দাফন

ধর্ম নিয়ে টানাটানির জেরে হিমঘরে লাশ, আট দিন পর আদালতের নির্দেশে দাফন

পাটওয়ারীর দুই ছাগল–তত্ত্ব
পাটওয়ারীর দুই ছাগল–তত্ত্ব

: আপনি ছাগলগুলোকে প্রতিদিন কী খেতে দেন?: কোন ছাগলটাকে—সাদাটা, না কালোটা?: আচ্ছা, সাদাটা!: সাদাটা ঘাস খায়।: আর কালোটা?: কালোটাও ঘাস খায়।: আপনি ছাগল দুটোকে কেমন করে নিয়ে যান?: কোনটাকে—সাদাটা, না কালোটা?: (এইবার বিরক্ত হয়ে) আচ্ছা, কালোটা?: কালোটাকে দেয়াল টপকে নিয়ে যাই।: আর সাদাটা?: সাদাটাও দেয়াল টপকে নিয়ে যাই।সাংবাদিক রেগে গিয়ে চেঁচিয়ে বললেন,‘দুইটাই যখন একই খাবার খায় আর একই জায়গা থেকে নিয়ে যান, তাহলে বারবার আমাকে সাদা-কালো করছেন কেন?!’: কারণ, কালো ছাগলটা আসিফ নজরুলের।: আর সাদা ছাগলটা?: সাদাটাও আসিফ নজরুলের।তাই দুটোই খাওয়া উচিত ছিল। একটা খাওয়া ঠিক হয় নাই!

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

কিনে জিততে না পারলে বিক্রি করে লাভ করা যায় না: মাহমুদুন্নবী সোহাগ

কিনে জিততে না পারলে বিক্রি করে লাভ করা যায় না: মাহমুদুন্নবী সোহাগ

আদাবরের খাল থেকে কিশোরীর মরদেহের খণ্ডিত দুই পা উদ্ধার

আদাবরের খাল থেকে কিশোরীর মরদেহের খণ্ডিত দুই পা উদ্ধার

0 Comments