ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতি করেছেন।
ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ফ্লাইটটি আজ শুক্রবার বেলা ১টা ৫৫ মিনিটে ঢাকায় অবতরণ করে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একই কর্মকর্তা জানান, বিমানবন্দরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ভুটান থেকে জার্মানি যাওয়ার পথে শেরিং তোবগে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করেন। প্রায় পৌনে ১ ঘণ্টার যাত্রাবিরতি শেষে তাঁর জার্মানির উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার কথা।
এর আগে গত ২৬ আগস্ট ভোরে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করেছিলেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক। সেদিন তাঁকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিমানবন্দরে অবস্থানকালে ভিভিআইপি লাউঞ্জে ভুটানের রাজার সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তাঁরা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
ত্রিশালে নিয়ন্ত্রণ হারানো বাসের ধাক্কায় মাহিন্দ্রা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ কর্মসূচিতে সরকার যেন বাধা না দেয়, সেই আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই সঙ্গে তিনি লংমার্চ ঘিরে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতা-কর্মীদের হাজারো উসকানির মুখে চরম ধৈর্য–সংযম দেখাতে বলেছেন। এ প্রসঙ্গে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির এই আহ্বায়ক বলেন, ‘আমরা কারও উসকানিতে পা দেব না।’ আজ শুক্রবার বেলা ১১টায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। আগামীকাল শনিবার অনুষ্ঠেয় ১১ দলীয় ঐক্যের রংপুরমুখী লংমার্চের প্রস্তুতি জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, তাঁরা মনে করেন, আঘাত এলেও কোনো প্রতিশোধের চেয়ে এই লংমার্চ সফল করার মধ্যে সার্থকতা সবচেয়ে বেশি।এই লংমার্চ ঘিরে ঢাকা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, গাইবান্ধা ও রংপুরের পথে পথে জনসভা–পথসভার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, কাল সকাল সাতটায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে প্রথম সমাবেশ শুরু হবে। সমাবেশ শেষ হবে সকাল আটটায়। এরপর ঢাকার উত্তর দিক দিয়ে গাজীপুরের টঙ্গী, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, গাইবান্ধা হয়ে পথসভা শেষ করে লংমার্চ রংপুরের দিকে যাবে।লংমার্চ ঘিরে দল–অঙ্গসংগঠনের সংশ্লিষ্ট সব শাখার নেতাদের সঙ্গে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ভার্চ্যুয়াল সভা হয়েছে বলে জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। তিনি বলেন, সভার তথ্য অনুযায়ী, লংমার্চে ব্যাপক জনসমাগম হবে।রংপুর অভিমুখে লংমার্চে হাজারের বেশি গাড়ি যুক্ত হবে বলে জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, রাস্তার দুই ধারে লাখ লাখ লোক দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানসহ জোটের শীর্ষ নেতাদের অভিবাদন জানাবেন। নারীরাও রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে এই বহরকে স্বাগত জানাবেন। চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চের চেয়ে উত্তরবঙ্গ অভিমুখে এই লংমার্চে বেশি সাড়া পাওয়ার আশা করেন তিনি।সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, দলের মিডিয়া সেলের সদস্য জাহিদুর রহমান, ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম, সহকারী সেক্রেটারি ইয়াসিন আরাফাত, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার প্রমুখ।
সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে এসময়ের ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে রণবীরের দৌড়ে এসে দীপিকার হাত ধরা আর সেভাবেই তাঁকে আগলে নিয়ে যাওয়া মন্দিরের ভেতরে।মুম্বাইয়ের সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে দেখা গেল হবু বাবা-মা দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিংকে। সঙ্গে ছিলেন স্বামী রণবীর সিংয়ের মা-বাবা। View this post on Instagram A post shared by Bollywood Paparazzi (@bollywoodpaparazzii) মন্দিরে যাওয়ার সময় পুরো পরিবারের উপস্থিতিই নজর কেড়েছে। আর এই শুভ মুহূর্তের ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে আলোড়ন তুলেছে। এদিন দীপিকার পরনে ছিল কমলা ও বেগুনি রঙের ঝলমলে কুর্তা-সেট। মাথায় সাদা ফুলের গাজরা রণবীর সিং পরেছিলেন বেগুনি কুর্তার সঙ্গে সাদা পায়জামা। দুজনের পোশাকেই ছিল উৎসবের আবহ। View this post on Instagram A post shared by Bollywood Paparazzi (@bollywoodpaparazzii) তবে নেটিজেনদের সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে এসময়ের ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে রণবীরের দৌড়ে এসে দীপিকার হাত ধরা আর সেভাবেই তাঁকে আগলে নিয়ে যাওয়া মন্দিরের ভেতরে। রণবীর সিং স্বামী হিসেবে সবগুলো গ্রিন ফ্ল্যাগই বহন করেন বলে সকলে মত দেন। এই ভিডিওতেও তারই জোরালো সমর্থন মিলছে।সম্প্রতি নিজেদের গর্ভাবস্থার ফটোশুটের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন দীপিকা ও রণবীর। তাঁদের ঘোষণার পর পেরিয়ে যাওয়া সময়ের হিসাব অনুযায়ী, দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের সময়ও ঘনিয়ে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। View this post on Instagram A post shared by Voompla (@voompla) দীপিকা-রণবীরের সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে যাওয়ার সঙ্গে জড়িয়ে আছে আরেকটি পুরোনো স্মৃতিও। দুই বছর আগে, ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বরও এই দম্পতিকে মুম্বাইয়ের সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে দেখা গিয়েছিল। মজার বিষয় হলো, এর ঠিক দুই দিন পর, ৮ সেপ্টেম্বর তাঁদের কন্যাসন্তান দুয়ার জন্ম হয়। ফলে এবারের মন্দিরে যাওয়া ঘিরেও ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বাড়তি কৌতূহল। দ্বিতীয় সন্তানের আগমনের অপেক্ষায় থাকা এই তারকা দম্পতির সাম্প্রতিক মন্দির সফরের ছবিগুলোও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনায় এসেছে।সূত্র: এনডিটিভিছবি: ইন্সটাগ্রাম রিলসের স্ক্রিনশট