জাতীয়

ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবসে উত্তর সিটির স্টল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবসে উত্তর সিটির স্টল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর
ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবসে উত্তর সিটির স্টল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রতিরোধবিষয়ক স্টল পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধন শেষে তিনি ডিএনসিসির স্টলটি পরিদর্শন করেন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন।

এ সময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. ইমরুল কায়েস প্রধানমন্ত্রীকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ডিএনসিসির বিভিন্ন পদক্ষেপ, এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্তকরণ ও ধ্বংসের কার্যক্রম এবং ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত বিভিন্ন কার্যকরী উপকরণ সম্পর্কে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমের উদ্বোধনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে আজ থেকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১০টি অঞ্চলের ৫৪টি ওয়ার্ডে বিশেষ ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রমে ডিএনসিসির প্রায় ১ হাজার ৫০০ সদস্য ২৪টি দলে ভাগ হয়ে বাড়ি বাড়ি পরিদর্শন, এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্তকরণ, সোর্স রিডাকশন এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগেও বিশেষ মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এর আওতায় ডিএনসিসির অঞ্চল-৫, বিশেষ করে জাতীয় সংসদ ভবন ও এর পার্শ্ববর্তী ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ সোর্স রিডাকশন, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং লার্ভানিধন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

ডিএনসিসির ১০টি অঞ্চলের ৫৪টি ওয়ার্ডেই জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবসের কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় রেখে বিশেষ মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রমে বিশেষভাবে চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ স্থান, এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল এবং পূর্বে শনাক্ত ডেঙ্গু হটস্পটগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, এ কার্যক্রমে শুধু মশক নিধনের ওপর নির্ভর না করে এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্তকরণ, উৎস ধ্বংস, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং প্রয়োজনে যথাযথ লার্ভিসাইড প্রয়োগের মাধ্যমে সোর্স রিডাকশনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর ডিএনসিসির স্টল পরিদর্শন এবং দেশব্যাপী কার্যক্রম উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে চলতি মৌসুমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত কার্যক্রম আরও জোরদার করার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

এমএমএ/এসএনআর

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
১০ অফিসার নিয়োগ দেবে রানার গ্রুপ, ফ্রেশাররাও পাবেন আবেদনের সুযোগ
১০ অফিসার নিয়োগ দেবে রানার গ্রুপ, ফ্রেশাররাও পাবেন আবেদনের সুযোগ

শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান রানার গ্রুপ ‘সিনিয়র অফিসার’ পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। তবে প্রার্থীকে অবশ্যই বিবিএ অথবা বিকম ডিগ্রিধারী হতে হবে। এক নজরে রানার গ্রুপের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ তথ্যের ধরন বিবরণ প্রতিষ্ঠানের নাম রানার গ্রুপ বিভাগের নাম সেলস পদের নাম সিনিয়র অফিসার পদসংখ্যা ১০ জন চাকরির ধরন বেসরকারি, ফুল টাইম প্রার্থীর ধরন নারী-পুরুষ শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবিএ অথবা বিকম (ম্যানেজমেন্ট/মার্কেটিং) অভিজ্ঞতা ২ বছর। তবে ফ্রেশার প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। বেতন ও অন্যান্য সুবিধা আলোচনা সাপেক্ষে বয়সসীমা ২৩-৩৬ বছর সূত্র বিডিজবস ডটকম আবেদন করার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আবেদন শুরু: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আবেদনের শেষ তারিখ: ৯ অক্টোবর ২০২৬ আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে কর্মস্থল: যে কোনো জেলায় কাজ করার মানসিকতা থাকা আবশ্যক। আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন রানার গ্রুপ। আরও পড়ুনসেনাবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ৪০ বছর বয়সেও আবেদনের সুযোগনার্স হিসেবে ক্যারিয়ার গড়বেন যেভাবেনৌবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এইচএসসি পাসেই অফিসার ক্যাডেট হওয়ার সুযোগসেনাবাহিনীর চাকরি পেতে যেসব যোগ্যতা আপনাকে এগিয়ে রাখবে১১২ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেবে বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনসেনাবাহিনী নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এসএসসি পাসেই আবেদন১৪২ জনকে নিয়োগ দেবে সমরাস্ত্র কারখানা, এসএসসি পাসেও আবেদন৮৫ জনকে নিয়োগ দেবে পল্লী উন্নয়ন বোর্ড, আবেদন ফি ১০০ টাকাসেনাবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এইচএসসি পাসেই আবেদনের সুযোগ এমআইএইচ

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
ফেসবুকে লেখা ‘সবাই ক্ষমা কইরেন’, সেলুনে ঝুলছিল তরুণের লাশ

ফেসবুকে লেখা ‘সবাই ক্ষমা কইরেন’, সেলুনে ঝুলছিল তরুণের লাশ

ব্রিকস সম্মেলন: দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন মোদি-সি, দুই প্রতিবেশীর সম্পর্ক আসলে কেমন

ব্রিকস সম্মেলন: দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন মোদি-সি, দুই প্রতিবেশীর সম্পর্ক আসলে কেমন

ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও দেশ পুনর্গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও দেশ পুনর্গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

একঝলক (১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
একঝলক (১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬)

পথের ধারে ফুটে আছে হলুদ বন-লবঙ্গ ফুল। দেলুয়াকান্দি, বেলকুচি, সিরাজগঞ্জ, ১২ সেপ্টেম্বরপথের দুই ধারে পাটকাঠি শুকাতে দেওয়া হয়েছে। জিরানী, আটঘরিয়া, পাবনা, ১২ সেপ্টেম্বরট্রেনে করে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় পাঠানোর জন্য স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে জড়ো করে রাখা হয়েছে ডাব। ফুলতলা, খুলনা, ১২ সেপ্টেম্বরলুঙ্গি–গামছার পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। ফুলতলা, খুলনা, ১২ সেপ্টেম্বরপাহাড়ে উৎপাদিত পণ্য নিয়ে নৌকায় চেপে সাপ্তাহিক হাটে যাচ্ছেন তাঁরা। ঝুলুক্কে পাহাড় এলাকা, কাপ্তাই হ্রদ, রাঙামাটি, ১২ সেপ্টেম্বরফুলের পাপড়ির ওপর জমেছে বৃষ্টির ফোঁটা। ঢেপ্পোছড়ি মুখ, রাঙামাটি, ১২ সেপ্টেম্বরপড়ন্ত বেলায় কালীগঙ্গা নদীতে চলছে নৌকা। কান্দা পৌলি, মানিকগঞ্জ, ১২ সেপ্টেম্বরকাঠ ও টিন দিয়ে কবুতর ও মুরগির জন্য ঘর বানাচ্ছেন তিনি। বারোইপাড়া, পাবনা, ১২ সেপ্টেম্বরবাসার ছাদে ড্রাগনগাছে ফুল ফুটেছে। ধানগড়া, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, ১২ সেপ্টেম্বর

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, আবেদন ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে

আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, আবেদন ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে

ব্রিকসের হাত ধরে বদলাচ্ছে বিশ্ব, বাংলাদেশ কী করবে

ব্রিকসের হাত ধরে বদলাচ্ছে বিশ্ব, বাংলাদেশ কী করবে

আপনার বাচ্চাকে অঙ্কটার সঙ্গে একটু থাকতে দিন

আপনার বাচ্চাকে অঙ্কটার সঙ্গে একটু থাকতে দিন

সংকট নেই, একটি দুষ্টচক্র সার মজুতের চেষ্টা করছে: কৃষিমন্ত্রী
সংকট নেই, একটি দুষ্টচক্র সার মজুতের চেষ্টা করছে: কৃষিমন্ত্রী

দেশে সারের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, একটি দুষ্টচক্র সার মজুতের চেষ্টা করছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফেনী সফরকে সামনে রেখে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফুলগাজীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, কৃষকদের সহায়তায় প্রথম ধাপে সারাদেশে এক লাখ ১০ হাজার কৃষি কার্ড বিতরণ করা হবে। ফেনীতে এ কার্ড পাবেন সাড়ে সাত হাজার কৃষক। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেনীতে এসে কৃষি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এর আগে মন্ত্রী ফুলগাজীতে প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি সমাবেশের প্রস্তুতি ও সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন। মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে। তাই সার নিয়ে কৃষকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরির জন্য সার মজুত করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মাহবুব উল করিম, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার, কৃষি বিভাগের উপপরিচালক আতিক উল্লাহ, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির গ্রাম বিষয়ক সহ-সম্পাদক বেলাল আহমেদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আবদুল্লাহ আল-মামুন/এফএ

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
অরেঞ্জ গাউনে গর্জিয়াস সাফা কবির, ছবিতে চোখ ফেরানো দায়

অরেঞ্জ গাউনে গর্জিয়াস সাফা কবির, ছবিতে চোখ ফেরানো দায়

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও জনসম্পৃক্ততাই প্রধান হাতিয়ার

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও জনসম্পৃক্ততাই প্রধান হাতিয়ার

হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে চাচা-ভাতিজার মৃত্যু

হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে চাচা-ভাতিজার মৃত্যু

0 Comments