জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় অবহেলা বা গাফিলতির সুযোগ নেই

RIPOTER NEWS সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় অবহেলা বা গাফিলতির সুযোগ নেই
ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় অবহেলা বা গাফিলতির সুযোগ নেই

ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সর্বাধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেছেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতির সুযোগ নেই। রোগীর শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, পর্যবেক্ষণ ও আধুনিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ডেঙ্গু প্রতিরোধে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নিয়ে এবং ডেঙ্গু রোগীদের খোঁজ-খবর নিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, ডেঙ্গু এখন শুধু মশক নিধনের বিষয় নয়, এটি একটি সমন্বিত জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ। আক্রান্ত রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ডেঙ্গুর উৎস এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে। এক্ষেত্রে সিটি করপোরেশন, স্বাস্থ্য বিভাগ, চিকিৎসক সমাজ ও নগরবাসীকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

আরও পড়ুন

মেয়র শাহাদাত / ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও জনসম্পৃক্ততাই প্রধান হাতিয়ার

শাহাদাত হোসেন বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রে দ্রুত রোগ নির্ণয় ও সময়মতো চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য নগরের হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমরা নগরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো অগ্রাধিকার দিয়ে মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছি। একই সঙ্গে ডেঙ্গু আক্রান্তদের চিকিৎসায় আধুনিক ও কার্যকর চিকিৎসাপদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, শুধু সিটি করপোরেশনের ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসাবাড়ি, ছাদ, বারান্দা, আঙিনা ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না। বিশেষ করে তিন দিনে একদিন জমে থাকা পানি অপসারণের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, এডিস মশা আমাদের ঘরবাড়ির আশপাশেই বংশবিস্তার করে। তাই নিজের ঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব প্রত্যেক নাগরিকের। নগরবাসী সচেতন হলে এবং সিটি করপোরেশনের চলমান কার্যক্রমে সহযোগিতা করলে ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

ডেঙ্গু মোকাবিলায় চসিকের চলমান কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে জানিয়ে মেয়র বলেন, নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ নগর গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশন সর্বাত্মকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

এমআরএএইচ/এমএমকে

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জাতীয়

View more
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক চীনের নতুন ‘কাগজি’ বিলিয়নেয়ার
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক চীনের নতুন ‘কাগজি’ বিলিয়নেয়ার

চীনের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক এখন বিলিয়নেয়ারদের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। প্রযুক্তি জায়ান্টদের কাছে টেপ ও অন্যান্য আঠালো পণ্য বিক্রয়কারী তার কোম্পানিটি শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর তিনি এই অবস্থানে পৌঁছান। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বসের বরাত দিয়ে বুধবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

RIPOTER NEWS নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
বন্ধ বিও চালুর অনুমোদনে লেনদেনের পরিমাণ বাড়বে: ডিবিএ

বন্ধ বিও চালুর অনুমোদনে লেনদেনের পরিমাণ বাড়বে: ডিবিএ

খাগড়াছড়িতে চলাচলের সুবিধার্থে স্বেচ্ছাশ্রমে কাঠের সেতু নির্মাণ

খাগড়াছড়িতে চলাচলের সুবিধার্থে স্বেচ্ছাশ্রমে কাঠের সেতু নির্মাণ

জয় উপহার দিয়ে হামজাকে স্বাগত জানাতে চায় বাংলাদেশ

জয় উপহার দিয়ে হামজাকে স্বাগত জানাতে চায় বাংলাদেশ

ফল বিপর্যয়ের পর পিরোজপুরে শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে মাইকিং
ফল বিপর্যয়ের পর পিরোজপুরে শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে মাইকিং

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় এইচএসসি ও আলিম ২০২৬ পরীক্ষার ফল হতাশাজনক হওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী করতে এবং শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।

RIPOTER NEWS নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
সিরাজগঞ্জে ১০৩ আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার

সিরাজগঞ্জে ১০৩ আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার

ঝিনাইদহে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে সড়কে আগুন, আটক ১ 

ঝিনাইদহে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে সড়কে আগুন, আটক ১ 

দুদকের প্রেস ব্রিফিং নিয়ে ১১ নভেম্বর আসিফ মাহমুদের রিটের আদেশ

দুদকের প্রেস ব্রিফিং নিয়ে ১১ নভেম্বর আসিফ মাহমুদের রিটের আদেশ

গাজীপুরে শ্রমিক অসন্তোষের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ ও পথসভা
গাজীপুরে শ্রমিক অসন্তোষের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ ও পথসভা

গাজীপুরের টঙ্গীতে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিকে কেন্দ্র করে শিল্পাঞ্চলে চলমান অস্থিরতা, ভাঙচুর ও নাশকতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা করেছে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

RIPOTER NEWS নভেম্বর ৪, ২০২৬ 0
দিনাজপুরে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যু

দিনাজপুরে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যু

চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ১১৭৯, কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৬৩৩ 

চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ১১৭৯, কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৬৩৩ 

ভিডিও কনটেন্ট তৈরির আড়ালে চাঁদাবাজি, কনটেন্ট ক্রিয়েটর গ্রেপ্তার

ভিডিও কনটেন্ট তৈরির আড়ালে চাঁদাবাজি, কনটেন্ট ক্রিয়েটর গ্রেপ্তার

0 Comments