জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়ছে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ। বদলে যাওয়া আড্ডার ধরন আর ক্রমাগত নগরায়ণের হাত ধরে দেশের কোমল পানীয়র চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। একসময় কোমল পানীয় মানেই ছিল পারিবারিক অনুষ্ঠান বা অতিথি আপ্যায়নের অনুষঙ্গ; এখন বন্ধুদের আড্ডা, অফিসের বিরতি কিংবা যেকোনো করপোরেট আয়োজন আর গেট টুগেদারে কোমল পানীয়, জুস বা এনার্জি ড্রিংকের উপস্থিতি যেন স্বাভাবিক নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এতে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে কোমল পানীয়র বাজার, যা ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে কয়েক বছর হলো। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, নগরায়ণ ও তরুণ প্রজন্মের বদলে যাওয়া জীবনযাত্রার হাত ধরে পাঁচ বছরের মধ্যে এই খাতের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে বিশাল সম্ভাবনার পাশাপাশি খাতটি নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেও আছে। উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি ও বারবার করনীতি পরিবর্তনের ফলে ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ পড়ছে, এতে এ খাতের প্রবৃদ্ধি এক অঙ্কের ঘরে ঘোরাফেরা করছে।
এর সঙ্গে বৈশ্বিক উত্তপ্ত ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি, দেশের বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের ওঠানামা এবং জ্বালানিসংকটে আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি ও পরিবহন খরচ বাড়ায় উৎপাদনেও প্রভাব পড়েছে। কনসেনট্রেট, কিছু খাদ্য উপাদান এবং প্যাকেজিং–সামগ্রী এখনো আমদানির ওপর ভর করেই চলছে।
একই সঙ্গে দেশের ভেতরেও চিনি, পিইটি বোতল, ক্যাপ, কার্টন, বিদ্যুৎ, গ্যাস, শ্রম ও পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ফলে সামগ্রিকভাবে উৎপাদন ব্যয় ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে; তবে ক্রেতার সক্ষমতায় দাম বাড়ানোর সুযোগ বরাবরের মতো রয়েছে সীমিত।
গেল চার বছরের উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যে ভোক্তার নাগালের মধ্যে কোমল পানীয় রাখতে এ খাত–সংশ্লিষ্টদের মান ও খাদ্যনিরাপত্তা অক্ষুণ্ন রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।
ছোট ও সাশ্রয়ী মূল্যের পণ্য বাজারজাত করে আর উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থায় দক্ষতা বাড়িয়ে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রেখে বাজারে টিকে থাকতে হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের রুচি ও চাহিদা মাথায় রেখে নতুন স্বাদ, আকর্ষণীয় প্যাকেজিং এবং উদ্ভাবনী পণ্য তৈরির সুযোগও দেখছেন খাত–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) কাজী মো. মহিউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের কোমল পানীয় ও বেভারেজ শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা যথেষ্ট শক্তিশালী। বিশাল জনগোষ্ঠী, তরুণ ভোক্তাশ্রেণি, নগরায়ণ এবং পরিবর্তিত জীবনযাত্রা এ বাজারের প্রবৃদ্ধির বড় ভিত্তি।
তবে বর্তমানে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ—দুই দিক থেকেই শিল্পটি নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।
চ্যালেঞ্জের এই সময়ে বাজারে টিকে থাকতে কী করতে হচ্ছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে ছোট ও সাশ্রয়ী প্যাকেজ, উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থায় দক্ষতা বৃদ্ধি এবং যেখানে সম্ভব স্থানীয় কাঁচামাল ও প্যাকেজিং–সামগ্রীর ব্যবহার বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ।
একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের ভোক্তাদের জন্য নতুন স্বাদ, আকর্ষণীয় প্যাকেজিং এবং পরিবর্তিত চাহিদার উপযোগী পণ্য তৈরিতে উদ্ভাবনের বড় সুযোগ রয়েছে।
কোমল পানীয়র বাজার সম্প্রসারণ হতে হতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ, বদলে যাওয়া জীবনযাত্রা ও আড্ডার ধরনের কারণে বোতলজাত পানি, কার্বোনেটেড পানীয়, এনার্জি ড্রিংক, দুগ্ধজাত পানীয় ও চা-কফির মতো বৈচিত্র্যময় পণ্যের চাহিদা বেড়েছে ব্যাপকভাবে।
অতীতে বছরে গড়ে ২০ শতাংশ হারেও এ খাতের প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) করনীতি কাঠামো বারবার বদলে দিয়ে যেমন এ খাতের প্রবৃদ্ধি আটকে দিয়েছে, তেমনি প্রভাব পড়েছে রাজস্ব আদায়ের হালচিত্রেও।
বর্তমানে কোমল পানীয় থেকে সরকার নানাভাবে রাজস্ব আদায় করে থাকে। সবচেয়ে বেশি আদায় হয়ে থাকে মূল্য সংযোজন কর মূসক বা ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক থেকে।
ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক থেকে আদায়ের তথ্য বলছে, এনবিআর ২০২০-২১ অর্থবছরে কোমল পানীয় খাতে রাজস্ব আদায় করেছে ১ হাজার ৭২ কোটি টাকা, ২০২১-২২ অর্থবছরে ১ হাজার ১৪৪ কোটি, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১ হাজার ৫৩৩ কোটি এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১ হাজার ৪২৪ কোটি টাকা।
উচ্চ সম্পূরক শুল্ক সত্ত্বেও রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি না হয়ে উল্টো কমে যাওয়ার মূলে ছিল ওই অর্থবছরে টার্নওভার কর দশমিক ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩ শতাংশ করা। টার্নওভার কর বোঝায় ন্যূনতম কর। প্রতিষ্ঠানের মুনাফা হোক বা না হোক, বার্ষিক বিক্রির ওপর ৩ শতাংশ হারে বাড়তি কর দিয়ে যেতে হবে। এতে এ খাতের প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ায় রাজস্ব আদায়ে ভাটা দেখা যায়।
এনবিআর ওই সময়ে করছাড় না দিয়ে উল্টো রাজস্ব আদায় বাড়াতে সম্পূরক শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করা হয়। এতে মোট করভার ৫০ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। অথচ প্রতিবেশী দেশ ভারতে এ হার ৪০ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ৩০ শতাংশের মতো, নেপালে ৩৮ শতাংশের মতো এবং ভুটানে ৩০ শতাংশ রয়েছে কেবল।
পরে রাজস্ব আদায় কমে যাওয়া এবং ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে টার্নওভার কর ৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে আড়াই শতাংশ করা হয়।
কোমল পানীয় উৎপাদনকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ বেভারেজ ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, ১৩০টির বেশি কোম্পানি দেশে পানি, কোমল পানীয় ও অন্যান্য বেভারেজ তৈরি করছে, যার বাজার বছরে ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আগামী দিনগুলোতে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ আরও বাড়বে; এতে কোমল পানীয়র জ্যামিতিক হারে বাড়বে চাহিদাও। এই প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা থেকে দেশি ও আন্তর্জাতিক বেভারেজ কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগ আরও বাড়াচ্ছে। এ খাতে বৈদেশিক বিনিয়োগ বাড়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।
দেশে বর্তমানে পেপসিকো ও কোকা-কোলার মতো বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ট্রান্সকম বেভারেজেস, প্রাণ, আব্দুল মোনেম, মেঘনা ও আকিজ ভেঞ্চারের মতো দেশীয় কোম্পানিগুলোও বাজারে নিজেদের অবস্থান দিন দিন শক্ত করছে।
নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাজার সম্ভাবনায় এমজিআইর সিএমও কাজী মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশের বৃহৎ ও তরুণ ভোক্তাবাজার এ খাতের অন্যতম বড় শক্তি। দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দক্ষতা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে মানসম্পন্ন পণ্য সাধারণ ভোক্তার নাগালের মধ্যে রাখা।’
এ শিল্পের সম্ভাবনা সামনে রেখে সহায়ক নীতিকাঠামো তৈরি ও ঘন ঘন করকাঠামো পরিবর্তন না করার পরামর্শ খাত–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের। না হলে চাহিদা বাড়লেও বিনিয়োগ ও সরবরাহ সক্ষমতা সেই গতির সঙ্গে তাল মেলাতে পারবে না বলে শঙ্কা তাদের।
শিল্পসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী ও সরকারের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ এবং বিনিয়োগবান্ধব একটি কর পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে এ খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধি হবে এবং এতে বাড়তি রাজস্ব আদায় হবে বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
নগদ লিমিটেড জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। পদের নাম ‘এক্সিকিউটিভ’। প্রতিষ্ঠানটি তাদের এমআইএস বিভাগে এ পদে কর্মী নিয়োগ দেবে। আবেদন চলছে। আবেদন করা যাবে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।বিভাগের নাম: এমআইএস (কাস্টমার ডেমোগ্রাফি অ্যান্ড ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট)।পদের নাম: এক্সিকিউটিভ।পদসংখ্যা: ১।সমাজসেবায় ১৪৮৫ পদে নিয়োগ: আবেদনকারী কত, পরীক্ষার তারিখ কবেশিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি।অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১-৩ বছর।বয়স: উল্লেখ নেই।বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে।অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিবার আনার সুযোগ বন্ধের প্রস্তাবঅন্যান্য সুবিধা: ভ্রমণ ভাতা, প্রভিডেন্ট ফান্ড, সপ্তাহে ২ দিন ছুটি, মোবাইল বিল ভাতা, স্বাস্থ্যবিমা, উৎসব বোনাস ও প্রতিবছর ইনক্রিমেন্টের সুবিধা রয়েছে।*আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও আবেদনের বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় কবরস্থানের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আনোয়ার ভূঁইয়া (৪২) নামের এক অটোরিকশাচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক এক সদস্য আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার বিকেলে উপজেলার ভূমখাড়া ইউনিয়নের মানাখান গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।আনোয়ার ভূঁইয়া ভূমখাড়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সেকেন্দার ভূঁইয়ার ছেলে। আহত সাবেক ইউপি সদস্য রুবেল ঢালীকে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।আনোয়ারের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ লোকজন অভিযুক্ত ব্যক্তির বসতবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। খবর পেয়ে নড়িয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় মানাখান জামে মসজিদের কবরস্থানের জমি নিয়ে ভূমখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাহেদুল ঢালী ও একই ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য রুবেল ঢালীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে আদালতে একটি মামলাও চলমান।শরীয়তপুরের নড়িয়ায় আনোয়ার ভূঁইয়া নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পরে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। গতকাল বুধবার রাতে উপজেলার মানাখান এলাকায়স্থানীয় সূত্র জানায়, আজ বিকেলে কবরস্থানের জমি নিয়ে জাহেদুল ও রুবেলের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জাহেদুল ও তাঁর লোকজন রড দিয়ে রুবেলকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ। এ সময় রুবেলকে রক্ষা করতে তাঁর শ্যালক আনোয়ার ভূঁইয়া এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করেন বলে অভিযোগ।পরে স্থানীয় লোকজন আনোয়ারকে উদ্ধার করে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছিল। পথে সন্ধ্যার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। রুবেলকে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। রাত আটটার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকেও ঢাকায় পাঠানো হয়।ঘটনার পর থেকে জাহেদুল ঢালী গা ঢাকা দিয়েছেন। তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। এ কারণে তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তাঁর পরিবারের সদস্যরাও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।ভূমখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বাবুল ঢালী বলেন, ‘দুই পক্ষই আমার আত্মীয়। কী থেকে কী হয়ে গেল, কিছুই বুঝতে পারছি না।’মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ, শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) যার বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ, তিনি এলাকা থেকে পালিয়ে গেছেন। হামলার ঘটনায় যাঁরা অভিযুক্ত, তাঁদের আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।মানাখান গ্রামের একটি বসতবাড়িতে এলাকার উত্তেজিত লোকজন আগুন ধরিয়ে দেন বলে জানান নড়িয়া ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মজিদ। খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নেভান। পুরো বসতঘর পুড়ে গেছে।’বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে জানিয়ে শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ বলেন, যার বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ, তিনি এলাকা থেকে পালিয়ে গেছেন। হামলার ঘটনায় যাঁরা অভিযুক্ত, তাঁদের আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
লস অ্যাঞ্জেলেসে খবর সংগ্রহের সময় একটি নিউজ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন একজন অ্যারিয়াল সাংবাদিক ও পাইলট। আহত দুজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে...