জাতীয়

চর আষাড়িয়াদহের আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘরবন্দি ২০ পরিবার

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
চর আষাড়িয়াদহের আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘরবন্দি ২০ পরিবার
চর আষাড়িয়াদহের আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘরবন্দি ২০ পরিবার

রাজশাহীর গোদাগাড়ী আশ্রয়ণ প্রকল্পের ২০টি পরিবারের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। যাতায়াতের জন্য আলাদা রাস্তা না থাকায় সামান্য বৃষ্টি ও বন্যার পানিতে প্রকল্পের ঘরগুলোর চারপাশ তলিয়ে যায়। এতে গত দুইদিন ধরে কয়েকটি পরিবার ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভূবনপাড়া গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ঘর থেকে বের হতে হলে পানির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা সুজন আলী বলেন, ‘আমরা দুই-তিনদিন ধরে পানিবন্দি হয়ে পড়ে আছি। বাসা থেকে বের হলে জামাকাপড় ভিজিয়ে পানির মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বাড়ির চারপাশে পানি উঠে গেছে। নারী-পুরুষ কেউ সহজে বাইরে যেতে পারছে না। আমাদের নিজস্ব কোনো রাস্তা নেই। ফলে পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আশপাশের সবকিছু পানিতে তলিয়ে গেছে।’

৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আয়নাল হক বাবু বলেন, ‘আশ্রয়ণ প্রকল্পে ২০টি ঘর রয়েছে। এসব ঘরের আশপাশে পানি উঠে গেছে। ফলে বাসিন্দাদের ঘর থেকে বের হওয়া খুব কঠিন হয়ে পড়েছে।’

তবে চর আষাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম (ভোলা) বলেন, ‘সেখানে বন্যার পানি ওঠেনি। বৃষ্টির পানি জমে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে বন্যার পানি ওঠার সম্ভাবনাও খুবই কম।’

পরে চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম ফোন করে জানান, তিনি ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন এবং সরেজমিনে পরিস্থিতি দেখে এ বিষয়ে জানাবেন।

এ বিষয়ে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান বলেন, ‘কিছুক্ষণ আগে বিষয়টি জানতে পেরেছি। আমি রাজশাহীতে একটি মিটিংয়ে আছি। সেখানে গিয়ে বিষয়টি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মনির হোসেন মাহিন/কেজে/জেআইএম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
এমপিও শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সিদ্ধান্ত দেবে ইসি
এমপিও শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সিদ্ধান্ত দেবে ইসি

এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সেই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সিদ্ধান্ত দেবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। আরএমএম/

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
লিবিয়ায় মৃত্যু, ৯ মাস পর দেশে ফিরল প্রবাসীর লাশ

লিবিয়ায় মৃত্যু, ৯ মাস পর দেশে ফিরল প্রবাসীর লাশ

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস: নাগরিক অধিকার ও আগামীর উত্তরণ

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস: নাগরিক অধিকার ও আগামীর উত্তরণ

‘অশ্লীলতা হবে না’, এই শর্তে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হবে সেই কনসার্ট

‘অশ্লীলতা হবে না’, এই শর্তে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হবে সেই কনসার্ট

মাদকের টাকার জন্য মাকে মারধর, বাধা দিতে গিয়ে প্রাণ গেল ভাইয়ের
মাদকের টাকার জন্য মাকে মারধর, বাধা দিতে গিয়ে প্রাণ গেল ভাইয়ের

কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকা চেয়ে মাকে মারধর করেন ছেলে। তা দেখে বাধা দিতে এগিয়ে আসেন বড় ভাই। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে শুরু হয় তর্ক-বিতর্ক ও ধস্তাধস্তি। একপর্যায়ে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার এগারসিন্দুর ইউনিয়নের চরদেবকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গেন্দু মিয়া (৩০) ওই গ্রামের কালাচান মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় ট্রাক্টরচালক। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বড় ভাই হৃদয় মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গেন্দু মিয়া মাদকাসক্ত ছিলেন। শনিবার রাতে মাদকের টাকা চেয়ে তিনি মায়ের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ান এবং একপর্যায়ে তাকে মারধর করেন। বিষয়টি দেখে বড় ভাই হৃদয় মিয়া বাধা দিলে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে হৃদয় মিয়া ছুরি দিয়ে গেন্দু মিয়ার বুকে আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। স্থানীয়রা দ্রুত গেন্দু মিয়াকে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান বলেন, ঘটনার পরপরই মূল অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। নিহত গেন্দু মিয়া মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। এসকে রাসেল/কেজে/জেআইএম

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
পদ্মার নাকি গুজরাটের ইলিশ, চিনবেন যেভাবে

পদ্মার নাকি গুজরাটের ইলিশ, চিনবেন যেভাবে

রবীন্দ্রনাথের হৈমন্তী গল্পে প্রাকৃতিক উপাদানের মেলবন্ধন

রবীন্দ্রনাথের হৈমন্তী গল্পে প্রাকৃতিক উপাদানের মেলবন্ধন

‘লড়াইয়ের মানসিকতাই আমাদের শক্তি’

‘লড়াইয়ের মানসিকতাই আমাদের শক্তি’

আলোকচিত্রীদের আচরণেই অস্বস্তি, পোশাক দায়ী নয়: ঐশ্বরিয়া
আলোকচিত্রীদের আচরণেই অস্বস্তি, পোশাক দায়ী নয়: ঐশ্বরিয়া

পোশাক নিয়ে সমালোচনার জবাব দিয়েছেন ভারতের দক্ষিণি সিনেমার অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মী। গত মে মাসে একটি হীরার গয়নার প্রদর্শনীতে পরা পোশাক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন তিনি। অনেকে প্রশ্ন তুলেছিলেন, অনুষ্ঠানের জন্য তাঁর পোশাকটি উপযুক্ত ছিল কি না।সম্প্রতি রাজিনি হরিদাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়া বলেন, পোশাকের কারণে নয়, অনুষ্ঠানে আলোকচিত্রীদের আচরণে তিনি অস্বস্তি বোধ করেছিলেন। তাঁর দাবি, আলোকচিত্রীরা তাঁর মুখের দিকে মনোযোগ না দিয়ে বিভিন্ন আপত্তিকর কোণ থেকে ছবি তুলছিলেন।ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মীঐশ্বরিয়া বলেন, ‘তারা আমার মুখের দিকে মনোযোগ দিচ্ছিলেন না। আমি অস্বস্তি বোধ করেছিলাম। অস্বস্তি বোধ করলে শরীরী ভাষাতেও তার প্রভাব পড়ে। আমার মনে হয়েছিল, আমার ব্যক্তিগত সীমারেখা লঙ্ঘন করা হয়েছে।’অনুষ্ঠানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর অস্বস্তির ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। তবে অনেকেই বিষয়টির কারণ হিসেবে তাঁর পোশাককে দায়ী করেন। কেউ কেউ প্রশ্ন করেন, পোশাকটি যদি অস্বস্তিকরই হয়, তাহলে তিনি সেটি পরেছিলেন কেন।এসব মন্তব্যের জবাবে ঐশ্বরিয়া বলেন, ‘সংস্কৃতি কি শুধু নারীর ক্লিভেজের মধ্যে সীমাবদ্ধ? আমরা যেভাবে আচরণ করি, সেখানেও তো সংস্কৃতি আছে।’অভিনেত্রীর ভাষ্য, নারীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা বা তাঁদের অস্বস্তিতে ফেলার বিষয়ে খুব একটা আলোচনা হয় না। অথচ একজন নারী কী পরছেন, তাঁর গলার অংশ কতটা ঢাকা—এসব নিয়ে শুরু হয় নানা ধরনের সমালোচনা।ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মীশুরুতে অবশ্য বিষয়টি নিয়ে হওয়া ট্রলকে গুরুত্ব দেননি ঐশ্বরিয়া। প্রথম ২৪ ঘণ্টা এসব নিয়ে হেসেছেন তিনি। কিন্তু পরে আলোচনা বাড়তে থাকলে বিষয়টি তাঁকে ভাবিয়ে তোলে।ঐশ্বরিয়া বলেন, ‘প্রথম ২৪ ঘণ্টা আমি বিষয়টি নিয়ে হেসেছিলাম। কিন্তু সময় যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যে পরিমাণ আলোচনা তৈরি হলো, তাতে আমি হতবাক হয়ে যাই। আমরা কেন আমাদের জিডিপি নিয়ে আলোচনা করতে পারি না? কত বৃদ্ধ মা–বাবাকে পরিত্যক্ত হতে হচ্ছে, তা নিয়ে কেন কথা বলতে পারি না? আমার ক্লিভেজ নিয়ে এত তীব্র আলোচনা কেন হতে হবে?’এর কয়েক সপ্তাহ আগে একই ধরনের সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। একটি গয়না প্রতিষ্ঠানের রক্ষাবন্ধনের বিজ্ঞাপনে তাঁর পোশাক নিয়ে সমালোচনা হয়। পরে বিজ্ঞাপনটি সরিয়ে নেয় প্রতিষ্ঠানটি। তখন কৃতি বলেছিলেন, একজন নারীর সংস্কৃতির প্রতি সম্মান শুধু তাঁর পোশাক দিয়ে মাপা উচিত নয়।ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মীচিকিৎসা পেশা ছেড়ে অভিনয়ে আসেন ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মী। ২০১৭ সালে মালয়ালম সিনেমা ‘নজান্ডুকালুডে নাট্টিল ওরিদাভেলা’ দিয়ে তাঁর অভিনয়ে অভিষেক। ‘মায়ানাধি’ সিনেমায় অভিনয় করে পরিচিতি পান তিনি। এরপর ‘ভারাথান’, ‘আম্মু’, ‘কুমারী’, ‘গাটা কুস্তি’সহ বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেছেন। মণি রত্নমের ‘পন্নিয়িন সেলভান’ সিরিজের সিনেমার মাধ্যমেও তামিল দর্শকের কাছে পরিচিতি পান তিনি।ঐশ্বরিয়ার সর্বশেষ সিনেমা ‘আশা’। উর্বশী ও জোজু জর্জ অভিনীত সিনেমাটি ১১ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়েছে।ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
ময়মনসিংহ মেডিকেলে ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিকেলে ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু

রাইট শেয়ার ছেড়ে ৯৬৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায় জিপিএইচ ইস্পাত

রাইট শেয়ার ছেড়ে ৯৬৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায় জিপিএইচ ইস্পাত

ইয়াবার চালান মিললো অটোরিকশার সিটের নিচে, মাদক কারবারি আটক

ইয়াবার চালান মিললো অটোরিকশার সিটের নিচে, মাদক কারবারি আটক

0 Comments