জাতীয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৯ কক্ষের স্বাস্থ্যকেন্দ্র, জনবল বলতে একজন নিরাপত্তা প্রহরী

D HASAN সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0

দুজন চিকিৎসকসহ ২৪ পদের ২৩টিই শূন্য। ১৯টি কক্ষের ১৭টিই অব্যবহৃত পড়ে আছে।

চিকিৎসাকেন্দ্রটি প্রায় চার একর জায়গার ওপর অবস্থিত। পুরোনো ভবনটির পুরোটাই পরিত্যক্ত। নতুন ভবনে অস্ত্রোপচার (ওটি) কক্ষসহ ১৯টি কক্ষ আছে। এর মধ্যে ১৭টিই অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। চারপাশে নোংরা পরিবেশ। চিকিৎসকের ২টি পদসহ মোট পদ আছে ২৪টি। একজন নিরাপত্তা প্রহরী ছাড়া বাকি ২৩টি পদই শূন্য। এমন পরিস্থিতিতে উপজেলা থেকে সপ্তাহে দুই দিন একজন চিকিৎসক আসেন। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের তিনি ওষুধ লিখে দেন। আর সারি করে দাঁড় করিয়ে রোগীদের ওষুধ দেন নিরাপত্তা প্রহরী।

এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার গুনিয়াউক ১০ শয্যাবিশিষ্ট পল্লি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিত্র। উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অবস্থান। বছর তিনেক ধরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি এভাবে ধুঁকে ধুঁকে চলছে।

গুনিয়াউক ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবদুল মালেক প্রথম আলোকে বলেন, আড়াই থেকে তিন বছর আগে এখানে চিকিৎসক থাকতেন। তখন প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ রোগী হতো। কিন্তু বর্তমানে চিকিৎসার বেহাল অবস্থা চলছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিবেশও নোংরা। চিকিৎসার কোনো পরিবেশ নেই। কোনো সেবাই পাওয়া যায় না। দুই দিন ডাক্তার আসেন, বাকি পাঁচ দিনই মানুষ এসে ফিরে যান।

স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নাসিরনগরে ১৯৭৫ সালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠিত হয়। এরও আগে ১৯৬৫ সালে এই পল্লি স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়। গুনিয়াউক ইউনিয়নের জনসংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার। উপজেলার পূর্বভাগ, চাপরতলা ও হরিপুর ইউনিয়ন এবং হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নের লোকজন এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য বি এম ফরহাদ হোসেনের বাড়ি এই গ্রামে। ২০১৮ সাল থেকে তিনি সংসদ সদস্য থাকার পর এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক-নার্স সবই ছিল। রোগীও ভর্তি থাকত। তবে ২০২৪ সালের সংসদ নির্বাচনে বি এম ফরহাদ হোসেন পরাজিত হওয়ার পর তিন বছর ধরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে কোনো চিকিৎসক নেই।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে মোট পদ আছে ২৪টি। এর মধ্যে চিকিৎসকের পদ দুইটি, সিনিয়র স্টাফ নার্সের পদ চারটি, সহ-সেবকের পদ চারটি, মেডিকেল টেকনোলজিস্টের (ল্যাব) পদ একটি, ফার্মাসিস্টের পদ একটি, অফিস সহায়কের পদ চারটি, ওয়ার্ড বয়ের পদ দুটি, কুক মশালচির পদ দুটি, নিরাপত্তা প্রহরীর পদ দুটি ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পদ দুটি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্যে কাগজে-কলমে বর্তমানে পাঁচজনকে কর্মরত দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে সিনিয়র স্টাফ নার্স একজন, ওয়ার্ড বয় একজন, কুক মশালচি দুইজন ও নিরাপত্তা প্রহরী একজন। কিন্তু বাস্তবে কর্মরত আছেন মাত্র একজন। তিনি নিরাপত্তা প্রহরী কামাল উদ্দিন। গত ১ জুলাই এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সিনিয়র স্টাফ নার্স লাকি আক্তারের (২৮) মৃত্যু হয়। আর ওয়ার্ড বয় ও কুক মশালচিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বপালন করেন। এর বাইরে দুই মাস ধরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সপ্তাহে দুই দিন সময় দেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা সাইদুল মোস্তফা। এ ছাড়া চলতি মাসের প্রথম দিন মেডিকেল টোকনোলজিস্ট (ডেন্টাল) রমজান আলী খানকে অস্থায়ীভাবে এখানে পাঠানো হয়।

নিরাপত্তা প্রহরী কামাল উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘২০১৪ সাল থেকে আমি এখানে আছি। এত দিন কোনো চিকিৎসক ছিলেন না। গত দুই মাস ধরে সপ্তাহে দুই দিন চিকিৎসক আসে। তাই রোগীও তেমন আসে না। বর্তমানে এখানে কর্মরত আমিই আছি।’

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসেন বলে জানান চিকিৎসক সাইদুল মোস্তফা। তিনি বলেন, এ সময় গড়ে ৭০-৮০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। অনেক সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাত্রিকালীন ডিউটি করে সকালে এখানে এসে সময় দেন তিনি।

১ সেপ্টেম্বর সরেজমিনে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ১৯টি কক্ষের মধ্যে একটিতে চিকিৎসক সাইদুল মোস্তফা রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন। পাশের আরেকটি কক্ষে বসে রোগীদের কয়েক ধরনের ওষুধ সরবরাহ করছেন নিরাপত্তা প্রহরী ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট।

হাসপাতালে আসা গুনিয়াউক গ্রামের বাসিন্দা মমতাজ বেগম বলেন, ‘প্রায়ই মাথাব্যথা ও হাত-পা জ্বালাপোড়া করে। তিন দিন আইয়্যা ফিরা গেছি। আজকা ডাক্তার পাইছি। কিছু ওষুধ দিছে। কইছে ভালা অইয়্যা যাইব গা।’

এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জনবলের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অদিতি রায়। সে জন্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে একজন চিকিৎসক ও একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্টকে (ডেন্টাল) সেখানে সংযুক্তিতে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। অদিতি রায় প্রথম আলোকে বলেন, ‘জনবল নিয়োগের বিষয়ে প্রতি মাসেই মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হচ্ছে। নতুন নিয়োগ হলে এখানে চিকিৎসক-নার্স পাব বলে আশা করছি। তখন ১০ শয্যার এই হাসপাতালে রোগীও ভর্তি থাকতে পারবে।’

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

জাতীয়

View more
এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ২ ডিসেম্বর, ফল ৩১ ডিসেম্বর
এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ২ ডিসেম্বর, ফল ৩১ ডিসেম্বর

এইচএসসি পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের জন্য আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা নেওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি। এ পরীক্ষার ফল ৩১ ডিসেম্বর প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

D HASAN অক্টোবর ৩১, ২০২৬ 0
ধানমন্ডিতে ছুরিকাঘাতে সাবেক রাষ্ট্রদূতের স্ত্রী নিহত, গ্রেফতার ছেলে

ধানমন্ডিতে ছুরিকাঘাতে সাবেক রাষ্ট্রদূতের স্ত্রী নিহত, গ্রেফতার ছেলে

রাজধানীর পল্টনে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় রিকশাচালক আহত

রাজধানীর পল্টনে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় রিকশাচালক আহত

সংগঠিত, দক্ষ ও অঙ্গীকারবদ্ধ যুবসমাজ দেশের মূল্যবান সম্পদ: রাষ্ট্রপতি

সংগঠিত, দক্ষ ও অঙ্গীকারবদ্ধ যুবসমাজ দেশের মূল্যবান সম্পদ: রাষ্ট্রপতি

প্রযুক্তি কেড়ে নিয়েছে আবেগ, এইচএসসির ফল প্রকাশের পরও ক্যাম্পাসে উৎসব
প্রযুক্তি কেড়ে নিয়েছে আবেগ, এইচএসসির ফল প্রকাশের পরও ক্যাম্পাসে উৎসব

সারা দেশের মতো ময়মনসিংহেও নির্ধারিত সময়ে প্রকাশ করা হয়েছে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফল। তবে, ফল প্রকাশের দিনেও নগরীর কলেজ ক্যাম্পাসগুলোতে দেখা যায়নি চিরচেনা উৎসব। শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস, বন্ধুদের সঙ্গে ফল জানার অপেক্ষা কিংবা আনন্দ-হতাশা ভাগাভাগির সেই দৃশ্য যেন হারিয়ে যাচ্ছে সময়ের ব্যবধানে। প্রযুক্তির কল্যাণে ঘরে বসেই ফল জানার সুযোগ তৈরি হওয়ায় বদলে গেছে ফল প্রকাশের দিনের চেনা চিত্র।

D HASAN অক্টোবর ৩১, ২০২৬ 0
যুবসমাজ জাতির অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যুবসমাজ জাতির অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সিলেট টেস্টের জন্য বাংলাদেশ দলে পরিবর্তন, বাদ পড়লেন কে?

সিলেট টেস্টের জন্য বাংলাদেশ দলে পরিবর্তন, বাদ পড়লেন কে?

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোট দেওয়ার হার বেড়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোট দেওয়ার হার বেড়েছে

গাজীপুরে ৬ ঘণ্টার অবরোধ-সংঘর্ষের পর যান চলাচল স্বাভাবিক
গাজীপুরে ৬ ঘণ্টার অবরোধ-সংঘর্ষের পর যান চলাচল স্বাভাবিক

ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা।

D HASAN অক্টোবর ৩১, ২০২৬ 0
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতা বিষয়ে পাকিস্তান ‘সতর্ক আশাবাদী’

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতা বিষয়ে পাকিস্তান ‘সতর্ক আশাবাদী’

অতিরিক্ত ডিআইজি জহির সাময়িক বরখাস্ত 

অতিরিক্ত ডিআইজি জহির সাময়িক বরখাস্ত 

৫২ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করলেন শেফালী

৫২ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করলেন শেফালী

0 Comments