
পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিরা খান আবারও মা হতে চলেছেন। ৪১ বছর বয়সে দ্বিতীয়বারের মতো মাতৃত্বের স্বাদ পেতে চলেছেন এই অভিনেত্রী। কানাডার টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (টিআইএফএফ) ২০২৬-এর লালগালিচায় বেবি বাম্প নিয়ে হাজির হয়ে সুখবরটি জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি প্রকাশ করে জানিয়েছিলেন, এই গর্ভাবস্থা তাঁর পরিকল্পনায় ছিল না। ক্যাপশনে লিখেছিলেন, ‘আমরা পরিকল্পনা করি...আর তারপর আসে আল্লাহর পরিকল্পনা।’
মাহিরার প্রথম মাতৃত্বের গল্প প্রায় ১৭ বছর আগের। ২০১০ সালে মাত্র ২৪ বছর বয়সে প্রথমবার মা হন তিনি। তাঁর প্রথম সন্তান ছেলে আজলান। সন্তানের বাবা মাহিরার প্রথম স্বামী আলি আসকারি।

যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার সময় ব্যবসায়ী আলি আসকারির সঙ্গে মাহিরার পরিচয় হয়। ২০০৭ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে তাঁকে বিয়ে করেন মাহিরা। তিন বছর পর তাঁদের সংসারে আসে আজলান। ২০১৫ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়।
বিচ্ছেদের পর ছেলে আজলানকে বড় করে তোলার অভিজ্ঞতা মাহিরার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় হয়ে ওঠে। প্রথম সংসার ভেঙে যাওয়ার কয়েক বছর পর তাঁর জীবনে আসেন পাকিস্তানি ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা সেলিম করিম।
২০১৯ সালে তাঁদের সম্পর্কের খবর প্রকাশ্যে আসে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে সেলিমকে বিয়ে করেন মাহিরা। আজলানের বয়স এখন ১৭ বছর।
দ্বিতীয় বিয়ের তিন বছর পর আবার মা হতে চলেছেন মাহিরা।

টিআইএফএফে এক সংবাদ সম্মেলনে মাহিরা পাকিস্তানি ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে জানান, এবারের গর্ভাবস্থা পরিকল্পিত ছিল না। ২৪ বছর বয়সে প্রথমবার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিজ্ঞতার সঙ্গে ৪১ বছর বয়সে দ্বিতীয়বারের অভিজ্ঞতার অনেক পার্থক্য আছে। বয়সের কারণে এবারের গর্ভাবস্থা শারীরিকভাবে বেশি চ্যালেঞ্জিং বলেও জানান তিনি।
একই সঙ্গে বড় হয়ে যাওয়া সন্তানের মা হিসেবে আবার নবজাতকের মা হওয়ার জন্য তাঁকে মানসিকভাবেও নতুন করে প্রস্তুত হতে হচ্ছে। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব বেশি কথা বলতে পছন্দ করেন না মাহিরা। তাই সুখবরটি প্রকাশ্যে আনতেও কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন। শেষ পর্যন্ত জীবনের নতুন এই অধ্যায়কে লুকিয়ে না রেখে উদ্যাপন করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

২০২৬ সালের টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্মাতা বাসাম তারিকের আমন্ত্রণে গেছেন মাহিরা। পরিচালকের ‘ইয়োর মাদার, ইয়োর মাদার, ইয়োর মাদার’ সিনেমার ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ারে অংশ নিতে উৎসবে হাজির হন তিনি। ছবিটিতে অস্কারজয়ী অভিনেতা মাহেরশালা আলীও অভিনয় করেছেন। টিআইএফএফে এটাই মাহিরার প্রথম উপস্থিতি।
লালগালিচায় মাহিরাকে দেখা যায় পাকিস্তানি ঐতিহ্যবাহী জমকালো শাড়িতে। মেকআপ ছিল মিনিমাল। কানে লম্বা ঝুমকা ছাড়া বিশেষ কোনো অলংকারও পরেননি।

সিনেমাটির প্রিমিয়ার ছাড়াও উৎসবের কমিউনিটি ইমপ্যাক্ট প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছেন মাহিরা। চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য সেখানে তাঁকে সম্মানিত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানি সিনেমা ও দক্ষিণ এশিয়ার গল্প তুলে ধরার এই সুযোগও হাতছাড়া করেননি তিনি।
সব মিলিয়ে, টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের লালগালিচায় প্রথমবার হাঁটার অভিজ্ঞতা মাহিরার জন্য এসেছে দ্বিগুণ আনন্দের উপলক্ষ হয়ে।
সূত্র: এনডিটিভি
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।
এইচএসসি পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের জন্য আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা নেওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি। এ পরীক্ষার ফল ৩১ ডিসেম্বর প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
সারা দেশের মতো ময়মনসিংহেও নির্ধারিত সময়ে প্রকাশ করা হয়েছে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফল। তবে, ফল প্রকাশের দিনেও নগরীর কলেজ ক্যাম্পাসগুলোতে দেখা যায়নি চিরচেনা উৎসব। শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস, বন্ধুদের সঙ্গে ফল জানার অপেক্ষা কিংবা আনন্দ-হতাশা ভাগাভাগির সেই দৃশ্য যেন হারিয়ে যাচ্ছে সময়ের ব্যবধানে। প্রযুক্তির কল্যাণে ঘরে বসেই ফল জানার সুযোগ তৈরি হওয়ায় বদলে গেছে ফল প্রকাশের দিনের চেনা চিত্র।
ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা।