জাতীয়

বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন-গুলিসহ নারী গ্রেফতার

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন-গুলিসহ নারী গ্রেফতার
বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন-গুলিসহ নারী গ্রেফতার

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে দুটি বিদেশি পিস্তল, তিনটি ম্যাগাজিন ও সাত রাউন্ড গুলিসহ রোজিনা খাতুন (৪৫) নামে এক নারীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তার স্বামী মো. রুবেল হোসেন (৪৮) পালিয়ে যান।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার আলাইপুর (নাপিতপাড়া) গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। গ্রেফতার রোজিনা খাতুন ওই গ্রামের রুবেল হোসেনের স্ত্রী।

পুলিশ জানায়, শনিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা ডিবি পুলিশ জানতে পারে, রুবেল হোসেনের বসতবাড়িতে অবৈধ অস্ত্র ও গুলি মজুত রয়েছে। পরে জেলা ডিবির পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোমিনুল হাসানের নেতৃত্বে একটি দল রাত ৮টার দিকে ওই বাড়িতে অভিযান চালায়।

ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রোজিনা খাতুন পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে নিজ শয়নকক্ষের খাটের নিচে রাখা একটি সাদা বড় পলিথিনে মোড়ানো শপিং ব্যাগ তল্লাশি করে দুটি কাঠের বাট সদৃশ অবৈধ বিদেশি পিস্তল, তিনটি খালি ম্যাগাজিন ও সাত রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, অভিযানের সময় রুবেল হোসেন কৌশলে পালিয়ে যান। তাকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার রোজিনা খাতুনের বিরুদ্ধে বাঘা থানায় একটি মামলা রয়েছে। অন্যদিকে পলাতক রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে রাজশাহী জেলার বিভিন্ন থানায় ১৩টি, নরসিংদী জেলায় একটি এবং কুষ্টিয়া জেলায় একটি-মোট ১৫টি মামলা রয়েছে।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার রোজিনা খাতুন ও পলাতক রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে বাঘা থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে।

রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, অস্ত্র ও গুলিসহ এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার নারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মনির হোসেন মাহিন/কেজে/জেআইএম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
নতুন আমদানি নীতিতে ওপেন অ্যাকাউন্টে মূল্য পরিশোধ করা যাবে
নতুন আমদানি নীতিতে ওপেন অ্যাকাউন্টে মূল্য পরিশোধ করা যাবে

নতুন আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২৯ অনুযায়ী আমদানিকারকদের জন্য ওপেন অ্যাকাউন্ট পদ্ধতিতে মূল্য পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে ঋণপত্র (এলসি) ছাড়াই বিক্রয় চুক্তিপত্রের মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ রাখা হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে নিয়োজিত সব অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও প্রিন্সিপাল অফিসে পাঠানো এক সার্কুলারে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট। সার্কুলারে বলা হয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত ২৪ আগস্ট আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২৯ জারি করেছে। নতুন আমদানি নীতি আদেশটি ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। পরবর্তী নতুন আমদানি নীতি আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত এর বিধান কার্যকর থাকবে। আরও পড়ুন বিজিবিএর বিবৃতি / নিট ফেব্রিক আমদানি বন্ধ হলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাত নতুন নীতির বিভিন্ন বিধান তুলে ধরে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, আমদানি নীতি আদেশের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদে ওপেন অ্যাকাউন্ট পদ্ধতিতে মূল্য পরিশোধের সুযোগ রাখা হয়েছে। এছাড়া শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে আমদানিযোগ্য পণ্যের ক্ষেত্রে নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এলসি না খুলে বিক্রয় চুক্তিপত্রের মাধ্যমে আমদানি করা যাবে। সার্কুলারে আরও বলা হয়, রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণ আমদানি ও সংরক্ষণের বিষয়ে নতুন আমদানি নীতিতে বিধান রাখা হয়েছে। ব্যাংক-টু-ব্যাংক ঋণপত্রের মাধ্যমে স্থানীয় উৎস থেকে স্থানীয় মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের বিষয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গত ১৩ আগস্ট জারি করা বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী, বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্সধারী রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্র খোলার অনুমতি রয়েছে। নতুন আমদানি নীতি আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ওই সার্কুলারের সংশ্লিষ্ট বিধান প্রয়োজনে সংশোধিত বলে গণ্য হবে। আরও পড়ুন আমদানি নীতিতে বড় পরিবর্তন / ব্যবসা সহজ করতে নতুন কাঠামো, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গুরুত্ব বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশ দিয়েছে, পণ্য আমদানি বা স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ-সংক্রান্ত লেনদেন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে নতুন আমদানি নীতি আদেশের বিধান এবং বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন-সংক্রান্ত অন্যান্য বিধিবিধান যথাযথভাবে পরিপালন করতে হবে। ইএআর/এমকেআর

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়েছে ২৫০ ইসরায়েলি

আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়েছে ২৫০ ইসরায়েলি

দিল্লিতে কিশোর কুমারের গান গাইলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

দিল্লিতে কিশোর কুমারের গান গাইলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

ইমানের তৃতীয় শাখা: ফেরেশতাগণের ওপর বিশ্বাস
ইমানের তৃতীয় শাখা: ফেরেশতাগণের ওপর বিশ্বাস

মানুষের দেখা জগতের বাইরেও রয়েছে এক বিশাল জগত। সেখানে এমন কিছু মাখলুকের বসবাস আছে যারা অদৃশ্য হলেও তাদের প্রতি ইমান আনা অত্যাবশ্যক। এমনই এক মাখলুক হলো ফেরেশতা। ফেরেশতাগণ নুরের সৃষ্টি। তাদের প্রতি ইমানের মধ্যে কয়েকটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত: প্রথমত, তাদের অস্তিত্বের প্রতি বিশ্বাস রাখা। দ্বিতীয়ত, তাদের যথাযথ মর্যাদা ও অবস্থান স্বীকার করা এবং বিশ্বাস করা যে, তারা আল্লাহর বান্দা ও তার সৃষ্টি। তারা আল্লাহর আদেশপ্রাপ্ত ও দায়িত্বশীল। আল্লাহ তাআলা তাদের যতটুকু সামর্থ্য দিয়েছেন, তারা কেবল ততটুকুই করতে পারে। তাদের মৃত্যুও সম্ভব। তবে আল্লাহ তাআলা তাদের জন্য দীর্ঘ হায়াত নির্ধারণ করেছেন। তাদের এমন কোনো গুণে গুণান্বিত করা যাবে না, যার মাধ্যমে তাদেরকে আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা হয়। তাদের দেবতা বা পূজনীয় মনে করা যাবে না। তৃতীয়ত, এ কথাও স্বীকার করা যে, তাদের মধ্যে ‘বার্তাবাহক’ রয়েছেন, যাদের তিনি মানুষের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা তার কাছে প্রেরণ করেন। এমনও হতে পারে যে, আল্লাহ তাদের কোনো ফেরেশতাকে অন্য ফেরেশতার কাছেও প্রেরণ করেন। এর সঙ্গে এ বিশ্বাসও অন্তর্ভুক্ত যে, তাদের মধ্যে আরশ বহনকারী ফেরেশতা রয়েছেন, কাতারবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ফেরেশতা রয়েছেন, জান্নাতের রক্ষক রয়েছেন, জাহান্নামের রক্ষক রয়েছেন, মানুষের আমল লিপিবদ্ধকারী ফেরেশতা রয়েছেন এবং মেঘমালা পরিচালনাকারী ফেরেশতাও রয়েছেন। (শুআবুল ইমান লি-বাইহাকি, ১/২৯৬) আরও পড়ুন ইমানের দ্বিতীয় শাখা / আল্লাহর রাসুলগণের প্রতি বিশ্বাস আল্লাহ তাআলা বিশেষভাবে ফেরেশতাদের প্রতি ইমান সম্পর্কে বলেন: ‘রাসুল তার পক্ষ থেকে তার প্রতি যা নাজিল করা হয়েছে, তার প্রতি ইমান এনেছেন এবং মুমিনগণও। তারা সবাই আল্লাহ, তার ফেরেশতাগণ, তার কিতাবসমূহ ও তার রাসুলগণের প্রতি ইমান এনেছেন।’ (সুরা বাকারা: ২৮৫) হাদিসে এসেছে: ‘ইমান হলো তুমি আল্লাহ, তার ফেরেশতাগণ, তার কিতাবসমূহ, তার সঙ্গে মোলাকাত, তার রাসুলগণের প্রতি এবং পুনরুত্থানের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে।’ (সহিহ বুখারি: ৫০) ফেরেশতাদের গুণ সম্পর্কে কোরআন জানায়, তারা কখনও আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করেন না। তাদের যে কাজের নির্দেশ দেওয়া হয়, তারা সেটিই করেন। (সুরা তাহরিম: ৬) তারা অনেক ধরনের কাজে নিয়োজিত থাকেন। তাদের মধ্যে কেউ নবী-রাসুলগণের কাছে আল্লাহর ওহি পৌঁছে দেন। জিবরাইল (আ.) প্রধানত এই দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। কোরআন তাকে ‘রুহুল আমিন’ বা বিশ্বস্ত আত্মা হিসেবে উল্লেখ করেছে। (সুরা শুআরা: ১৯৩–১৯৪) আবার ফেরেশতাদের কেউ মানুষের আমল লিপিবদ্ধ করেন, কেউ বান্দার হেফাজতের দায়িত্বে থাকেন, আবার কেউ জান কবজ করেন। ফেরেশতাদের সম্পর্কে কোরআন ও হাদিসে যে বিবরণ এসেছে, তাতে তাদের বিশালত্বও ফুটে ওঠে। জিবরাইলকে (আ.) রাসুলুল্লাহ (সা.) তার প্রকৃত আকৃতিতে দেখেছিলেন। তার ছয়শ ডানা ছিল এবং তার বিশাল আকৃতি আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী স্থান পূর্ণ করেছিল। (সহিহ মুসলিম: ১৭৭) কোরআনও ফেরেশতাদের বিভিন্ন সংখ্যক ডানার কথা উল্লেখ করেছে। (সুরা ফাতির: ১) আবার সপ্তম আকাশের বাইতুল মামুরে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক ফেরেশতার ইবাদত করার কথা হাদিসে এসেছে। (সহিহ বুখারি: ৩২০৭) এসব বর্ণনা মানুষের সামনে এমন এক বিশাল সৃষ্টিজগতের ধারণা তুলে ধরে, যা তার দৃশ্যমান পৃথিবীর তুলনায় অনেক বিস্তৃত। তবে ফেরেশতাদের প্রতি ইমানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব সম্ভবত মানুষের নিজের জীবনবোধে। একজন মানুষ যখন বিশ্বাস করে যে আল্লাহর সৃষ্টি জগৎ তার চোখে দেখা পৃথিবীর চেয়ে অনেক বড়, তখন তার নিজের সীমাবদ্ধতাও তার সামনে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সে বুঝতে পারে, বাস্তবতার সবকিছু তার ইন্দ্রিয়ের নাগালে থাকা জরুরি নয়। আবার যখন সে জানে, তার কথাবার্তা ও কাজকর্ম লিপিবদ্ধ করার জন্য ফেরেশতা নিয়োজিত রয়েছেন, তখন তার আচরণে জবাবদিহির অনুভূতি তৈরি হয়। কোরআন বলে, মানুষের ডানে ও বামে আমলের হিসাব গ্রহণকারী ফেরেশতা রয়েছে; সে যে কথাই উচ্চারণ করে, তা রেকর্ড করা হয়। (সুরা কাফ: ১৭–১৮) আরও পড়ুন ইমানের সর্বোচ্চ শাখা কী? এখানেই অদৃশ্যের প্রতি ইমান দৃশ্যমান জীবনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়। মানুষ একা থাকলেও তার কাজ অর্থহীন নয়, তার কথা হারিয়ে যায় না, তার দায়িত্বেরও কোনো গোপন পরিসর নেই। ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস মানুষের মনে তাকওয়া, নিজের কাজের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং আখেরাতের জবাবদিহির অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। এ কারণেই ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস গুরুত্বের দিক থেকে ইমানের তৃতীয় শাখা। ওএফএফ

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য-শিক্ষায় সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য-শিক্ষায় সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আইটি বিভাগে নিয়োগ দেবে নগদ, কর্মস্থল ঢাকা

আইটি বিভাগে নিয়োগ দেবে নগদ, কর্মস্থল ঢাকা

চাকরি হারালেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষক

চাকরি হারালেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষক

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী কারা
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী কারা

মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে কৌশলগত বাব আল-মানদেব প্রণালি দখল করেছে। এর মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান–সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে হুতিদের শক্ত অবস্থান আরও পাকাপোক্ত হলো। একসময় হুতিদের তুলনামূলক বিচ্ছিন্ন একটি ধর্মীয় ও সামরিক সংগঠন হিসেবে দেখা হতো। কিন্তু তারা এখন ইয়েমেনের পুরো লোহিত সাগর উপকূল নিয়ন্ত্রণ করছে। পাশাপাশি দেশটির উত্তরাঞ্চলের বড় একটি অংশও হুতিদের নিয়ন্ত্রণে। এর মধ্যে রাজধানী সানাও রয়েছে।

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
চোখের সামনে কালো, গোল ছায়া দেখতে পাওয়া কি কোনো রোগ

চোখের সামনে কালো, গোল ছায়া দেখতে পাওয়া কি কোনো রোগ

এআইইউবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হাসানুল এ হাসান, ভাইস চেয়ারম্যান ইশতিয়াক আবেদীন

এআইইউবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হাসানুল এ হাসান, ভাইস চেয়ারম্যান ইশতিয়াক আবেদীন

সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয় দেশের অন্যতম ‘প্রশ্নবোধক ডিপার্টমেন্ট’: আইনমন্ত্রী

সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয় দেশের অন্যতম ‘প্রশ্নবোধক ডিপার্টমেন্ট’: আইনমন্ত্রী

0 Comments