জাতীয়

বাংলা কিউআরে সঙ্গে সঙ্গেই টাকা পাবেন বিক্রেতা, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
বাংলা কিউআরে সঙ্গে সঙ্গেই টাকা পাবেন বিক্রেতা, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা
বাংলা কিউআরে সঙ্গে সঙ্গেই টাকা পাবেন বিক্রেতা, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা

ডিজিটাল লেনদেন বাড়াতে বাংলা কিউআরের ব্যবহার আরও জনপ্রিয় করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। উদ্যোগটি হলো বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির টাকা সঙ্গে সঙ্গেই সব বিক্রেতার (মার্চেন্ট) হিসাবে জমা করতে হবে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এই নিয়ম কার্যকর হবে।

আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ–সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রোভাইডার, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) এবং পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরদের (পিএসও) কাছে পাঠানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলা কিউআরের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেনকে আরও জনপ্রিয়, গ্রাহকবান্ধব ও বিক্রেতাদের পেমেন্ট গ্রহণে উৎসাহিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

৪ নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের

তাৎক্ষণিক পেমেন্ট

১ অক্টোবর থেকে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে কোডভিত্তিক সব পরিশোধিত অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট বিক্রেতার হিসাবে স্থানান্তর করতে হবে। আগে ছোট বিক্রেতারা তাৎক্ষণিক হিসাবে অর্থ বুঝে পেলেও বড় বিক্রেতারা পরের দিন বা দুই দিন পর হিসাবে অর্থ পেতেন। ফলে অনেকে ডিজিটাল মাধ্যমে অর্থ গ্রহণে নিরুৎসাহিত হন। এখন বাংলা কিউআরে সবার অংশগ্রহণ বাড়াতে তাৎক্ষণিক হিসাবে অর্থ জমা দিতে বলা হয়েছে।

অ্যাপ খুললেই দেখা যাবে বাংলাকিউআর

১ অক্টোবর থেকে সব ব্যাংক, এমএফএস ও পিএসপির মোবাইল অ্যাপের হোম পেজের নিচে মাঝখানের অংশে, যা সহজে হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে ছোঁয়া যায়, সেখানে বাংলা কিউআরের আইকন দৃশ্যমান করতে হবে। যাতে গ্রাহকেরা সহজেই লেনদেন করতে পারে।

ছবি আপলোড করে পেমেন্ট

৩১ অক্টোবরের মধ্যে শুধু সরাসরি কিউআর স্ক্যানই নয়, গ্যালারি থেকে বাংলা কিউআরের ছবি আপলোড করেও মূল্য পরিশোধের সুবিধা চালু করতে হবে।

সব হিসাবধারীর জন্য উন্মুক্ত

৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্যাংকগুলোর কার্ডধারী ছাড়াও সব সঞ্চয়ী ও চলতি হিসাবধারীদের মোবাইল অ্যাপ থেকে বাংলা কিউআর স্ক্যান করে লেনদেন করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
সুপারশপ ব্যবসা চ্যানেলে রিমার্কের পণ্য বাড়ছে
সুপারশপ ব্যবসা চ্যানেলে রিমার্কের পণ্য বাড়ছে

দ্রুত সম্প্রসারিত সুপারশপ ব্যবসা চ্যানেলে নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে দেশের অন্যতম শীর্ষ ভোগ্যপণ্য ও কসমেটিকস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রিমার্ক এইচবি লিমিটেড। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার সুপারশপ ও আধুনিক খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পণ্যের উপস্থিতি দিন দিন বাড়ছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় , রিমার্কের লিলি, অরিক্স, একনল, সানবিট, টাইলক্স, নিওর, সিওডিল, স্কিন মিন্টসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পণ্য এখন এসব আধুনিক বিপনন চ্যানেলে পাওয়া যাচ্ছে। ব্যক্তিগত পরিচর্যা, স্কিন কেয়ার, হোম কেয়ার, হেয়ার কেয়ার ও কসমেটিকস—বিভিন্ন ক্যাটাগরির পণ্য নিয়ে এই চ্যানেলে নিজেদের পরিসর বাড়াচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এগুলোর মধ্যে বেস্টসেলিং পণ্য হিসেবে বড় জায়গা করে নিয়েছে লিলি বডিওয়াশ।প্রতিষ্ঠানের হেড অব সেলস হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘রিমার্কের এই সাফল্য কোনো একক ব্যক্তি বা বিভাগের নয়; এটি পুরো টিমের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। সবচেয়ে বড় অর্জন হলো ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করা।তিনি বলেন, ‘রিমার্ক শুধু পণ্য বিক্রি করতে চায় না, মানসম্মত ও নির্ভরযোগ্য পণ্যের মাধ্যমে ক্রেতার দীর্ঘমেয়াদি আস্থা তৈরি করতে চায়। আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা ও গুণগত মানকে গুরুত্ব দিয়ে আমরা এমন পণ্য তৈরি করছি, যা দেশের ক্রেতাদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও জায়গা করে নিতে পারে।’সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রিমার্ক মূলত স্বপ্ন, আগোরা, মীনাবাজার, ইউনিমার্ট, বেস্টবাই, প্রিন্সবাজার, আলফা মার্ট, মুস্তফা মার্ট ও আপন ফ্যামিলি মার্টের মতো দেশের বিভিন্ন সুপারশপে রিমার্কের পণ্য বিক্রি করে।রিমার্ক জানায়, দেশের বাজারের পাশাপাশি রিমার্কের পণ্য ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন ও ভারতসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি ও বাজারজাত হচ্ছে। রিমার্ক মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন ও গুণগত মানের স্বীকৃতি হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানদণ্ড অনুযায়ী বিএসটিআইয়ের হালাল ও সিজিএমপি সার্টিফিকেশন অর্জন করেছে। এ ছাড়া ২০২৫ সালে পরিবেশবান্ধব উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রিমার্ক মর্যাদাপূর্ণ ‘গ্রিন ফ্যাক্টরি অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করে।সেলস মিটে সেরা ৫ জনকে সম্মাননারিমার্কের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গতকাল বুধবার রাজধানীর ধানমন্ডির এক রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠিত হয় সেলস মিট। এতে চ্যানেলের দুই শতাধিক কী-অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার, এরিয়া ম্যানেজার, মার্চেন্ডাইজার ও ব্র্যান্ড প্রোমোটর অংশ নেন।অনুষ্ঠানে সেলস পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করে সেরা পাঁচজনকে সম্মাননা দেওয়া হয়। তাঁরা হলেন কুমিল্লা স্মার্ট বিগ বাজারের হাফসা আক্তার, গাজীপুরের মাওনা স্বপ্নের ফারহানা আক্তার, নারায়ণগঞ্জ বন্দরের স্বপ্নের শ্রাবণী সাহা, ঢাকার মিরপুর রিংরোড স্বপ্নের সুমাইয়া ইসলাম মিতু এবং বগুড়া মালতিনগর স্বপ্নের হালিমা খাতুন নদী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত কর্মকর্তারা সেরা পাঁচজনের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।এতে মডার্ন ট্রেডের হেড অব সেলস হেলাল উদ্দিন, কী-অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার ইয়ামিন শিকদার ও সাইফুল ইসলাম, অপারেশন ম্যানেজার রাশেদুল ইসলাম এবং মানবসম্পদ বিভাগের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর মাহারুন নেসা লিজা বক্তব্য দেন।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
‘শেখ হাসিনা ফিরলে পুলিশ দুর্বল’: ওসি প্রত্যাহার

‘শেখ হাসিনা ফিরলে পুলিশ দুর্বল’: ওসি প্রত্যাহার

আদালতের হাজতখানায় হস্তান্তরের সময় পালালেন আসামি, দুই ঘণ্টা পর গ্রেপ্তার

আদালতের হাজতখানায় হস্তান্তরের সময় পালালেন আসামি, দুই ঘণ্টা পর গ্রেপ্তার

স্রোতের টানে সাগরে ভেসে যাচ্ছিল কুকুর, যেভাবে উদ্ধার হলো

স্রোতের টানে সাগরে ভেসে যাচ্ছিল কুকুর, যেভাবে উদ্ধার হলো

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে উৎসবমুখর ‘ফ্যামিলি ডে’ অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে উৎসবমুখর ‘ফ্যামিলি ডে’ অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির ‘ফ্যামিলি ডে ২০২৬’–এ ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণশিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করা এবং কর্মস্পৃহা বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে (বিইউ) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ফ্যামিলি ডে ২০২৬’। রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে সকাল থেকেই ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সেক্রেটারি প্রকৌশলী এম এ গোলাম দস্তগীর, বিইউর উপাচার্য অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম, রেজিস্ট্রার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. মাহবুবুল হক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক (পিআর) সোহেল আহসান নিপুসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা।অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের পেছনে শুধু একাডেমিক কার্যক্রম নয়, এর সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি মানুষের আন্তরিকতা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সুসম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কর্মব্যস্ততার বাইরে আমরা যখন সবাই একসঙ্গে আনন্দ করি, তখন পারস্পরিক দূরত্ব কমে এবং সহকর্মীদের মধ্যে আন্তরিকতা ও সম্প্রীতি বাড়ে। আমি আশা করি, এই আয়োজন আমাদের প্রত্যেককে নতুন উদ্যমে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করবে।দিনব্যাপী ছিল নানা ধরনের খেলাধুলা ও বিনোদনমূলক আয়োজন। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত হয় র‍্যাফল ড্র ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
ডুপার নতুন ওয়েবসাইট উদ্বোধন

ডুপার নতুন ওয়েবসাইট উদ্বোধন

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে অ্যাওয়ার্ড পেল এআইইউবি

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে অ্যাওয়ার্ড পেল এআইইউবি

সিইউএফএল চালুর দুই দিনের মাথায় আবার সার উৎপাদন বন্ধ

সিইউএফএল চালুর দুই দিনের মাথায় আবার সার উৎপাদন বন্ধ

0 Comments