জাতীয়

আরও চড়া দামে এলএনজি কিনছে সরকার, প্রতি ইউনিট ২৯.৭৯৫ ডলার

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
আরও চড়া দামে এলএনজি কিনছে সরকার, প্রতি ইউনিট ২৯.৭৯৫ ডলার
আরও চড়া দামে এলএনজি কিনছে সরকার, প্রতি ইউনিট ২৯.৭৯৫ ডলার

আরও চড়া দামে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনতে যাচ্ছেন সরকার। এবার আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় প্রতি এমএমবিটিইউ (মেট্রিক মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট) সর্বোচ্চ ২৯ দশমিক ৭৯৫ মার্কিন ডলার দরে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ২০২৬ সালের ৪৪তম সভায় এমন উচ্চ দামে এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এই সভা হয়। এতে মোট তিনটি প্রস্তাব উপস্থাপিত হয়। সবই জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের।

সভায়, আগামী অক্টোবর মাসে সরবরাহের জন্য দুই কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করে কমিটি। একই সঙ্গে সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় আরও চার কার্গো এলএনজি কেনার দুটি প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়।
 
সভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫-এর বিধি ১০৫-এর উপবিধি ৩-এর (ক) অনুসরণে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় পাঁচ কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে দুই কার্গো আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়।
 
প্রস্তাব অনুযায়ী, ৯ থেকে ১০ অক্টোবর সময়ের জন্য ৫২তম কার্গো, ১২ থেকে ১৩ অক্টোবরের জন্য ৫৩তম কার্গো, ১৪ থেকে ১৫ অক্টোবরের জন্য ৫৪তম কার্গো, ১৫ থেকে ১৬ অক্টোবরের জন্য ৫৫তম কার্গো ও ২৭ থেকে ২৮ অক্টোবরের জন্য ৫৬তম কার্গো এলএনজি কেনা হবে।
 
এর মধ্যে ৫২তম কার্গোর জন্য যুক্তরাজ্যের টোটালএনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডকে সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কার্গোর একক দর প্রতি এমএমবিটিইউ ২৮ দশমিক ৯৫ মার্কিন ডলার।

আর ৫৬তম কার্গোর জন্য সিঙ্গাপুরের ভিটাল এশিয়া পিটিই লিমিটেডকে সুপারিশ করা হয়েছে। এ কার্গোর একক দর প্রতি এমএমবিটিইউ ২৯ দশমিক ৭৯৫ মার্কিন ডলার।
 
এছাড়া সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় দুই কার্গো এলএনজি কেনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ডারাব ইনকরপোরেটেডের প্রস্তাবও সভায় অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়। এ প্রস্তাবে একক দর নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি এমএমবিটিইউ ১৭ মার্কিন ডলার। প্রতিষ্ঠানটিকে সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
 
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মাইন্ড মিঙ্গল এলএলসির কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় আরও দুই কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে একক দর প্রতি এমএমবিটিইউ ১৯ মার্কিন ডলার। মাইন্ড মিঙ্গল এলএলসিকেও সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
 
অর্থাৎ আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় দুই কার্গো এবং সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় চার কার্গো মিলিয়ে মোট ছয় কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব সভায় অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়।
 
এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর প্রতি এমএমবিটিইউ ২৮ দশমিক শূন্য ৩ মার্কিন ডলারে এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার এক সপ্তাহ আগে ২৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৪ দশমিক ৬৩ মার্কিন ডলারে এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। তারও এক সপ্তাহ আগে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৩ দশমিক ৯৩ মার্কিন ডলারে এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 
 
অথচ গত বছরের ডিসেম্বরেও প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজি সাড়ে ১০ ডলারে নিচে কিনতে পেরেছিল সরকার। অর্থাৎ কয়েক মাসের ব্যবধানে এলএনজির দাম বেড়ে প্রায় তিনগুণ হয়ে গেছে।

এমএএস/একিউএফ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
স্ত্রীর ক্যানসারের সংবাদ পেয়ে কেন সিনেমা দেখতে গিয়েছিলেন আয়ুষ্মান খুরানা
স্ত্রীর ক্যানসারের সংবাদ পেয়ে কেন সিনেমা দেখতে গিয়েছিলেন আয়ুষ্মান খুরানা

বলিউড অভিনেতা আয়ুষ্মান খুরানা ও তাহিরা কশ্যপের পরিচয় ভারতের চণ্ডীগড়ে, দ্বাদশ শ্রেণিতে। তাঁরা একই শিক্ষকের ব্যাচে পদার্থবিজ্ঞান পড়তেন। সেখান থেকে এই দুজনের রসায়নের শুরুআয়ুষ্মান তখন নিজেকে নিয়ে হীনম্মন্যতায় ভুগতেন। নিজেকে তাহিরার যোগ্য ভাবতেন না। চশমা পরতেন। দাঁতে ব্রেস লাগানো ছিল। তাহিরার ‘ক্রাশ’ আছে শুনে ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়েছিলেন। যদিও তত দিনে আয়ুষ্মান বা তাহিরার কোনো কথাই হয়নিএকদিন বন্ধুবান্ধব নিয়ে পারিবারিক ডিনারে আয়ুষ্মান গান গাইলে তাহিরা তাঁর গান, রসবোধ ও ব্যক্তিত্বে মুগ্ধ হন, সেখান থেকেই দুজনের বন্ধুত্বের শুরু১৯ বছর বয়সে আয়ুষ্মান ও তাহিরা দুজনেই চণ্ডীগড়ের থিয়েটার গ্রুপ ‘মঞ্চ মন্ত্রা’য় যোগ দেন। মঞ্চ মন্ত্রার প্রথম প্রযোজিত নাটকটি লিখেছিলেন তাহিরা। এখান থেকেই বন্ধুত্ব প্রেমে গড়ায়আট বছরের প্রেম, তারপর বিয়ে। আয়ুষ্মানের তাঁর জীবনের প্রথম ক্রাশ আর প্রথম প্রেমকেই জীবনসঙ্গী বানিয়েছেন। প্রায় আট বছর প্রেমের পর ২০০৮ সালের ১ নভেম্বর তাঁদের বিয়ে হয়আয়ুষ্মান তাহিরাকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন সিনেমার মতো করে। হীরার আংটি, লাল গোলাপ, গান আর ক্যান্ডেল লাইট ডিনার—বাদ যায়নি কিছুইআয়ুষ্মান ও তাহিরা দম্পতির দুই সন্তান। তাঁদের ছেলে বিরাজবীর খুরানার জন্ম ২০১২ সালের ২ জানুয়ারি। মেয়ে বরুষ্কা খুরানার জন্ম ২০১৪ সালের ২১ এপ্রিলআয়ুষ্মান নিজেকে বেশ ‘ঢিলেঢালা বাবা’ বলে মনে করেন। বছরের প্রায় ছয় মাস শুটিংয়ে কাটে বলে সন্তানদের সঙ্গে কড়া হওয়ার সুযোগ কম পান। মজা করে নিজেকে ‘গুড কপ’ আর তাহিরাকে ‘ব্যাড কপ’ বলেনমেয়ের প্রতি একটু বেশিই দুর্বল আয়ুষ্মান। যতটুকু সময় পান, সন্তানদের সঙ্গে হেসে, খেলে, আনন্দ করে কাটিয়ে দিতে চানআয়ুষ্মানের বাবা বাঁশি বাজাতেন, দাদি গান গাইতেন। ফলে সংগীত তাঁর রক্তে। স্কুলে থাকতে আয়ুষ্মান ‘গ্র্যাভিটি’ নামের ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে নিজের ব্যান্ড ‘আয়ুষ্মান ভাবা’ নিয়ে লাইভ কনসার্টও করেনকবিতা লেখার ঝোঁক আয়ুষ্মানের ছোটবেলা থেকেই। হিন্দি-উর্দুতে কবিতা লেখেন। এখনো একটি নিজস্ব ডায়েরি সঙ্গে রাখেন, যখন যা মনে হয়, লিখে ফেলেনমজার বিষয়, আয়ুষ্মানের অনেক কবিতা হৃদয় ভাঙার। তবে বাস্তবে প্রেমের কারণে তাঁর হৃদয় কখনো ভাঙেনি বলেই জানে সবাইবই, গিটার আর ক্রিকেট—এসবই আয়ুষ্মানের শখ। গিটার বাজানো তাঁর স্ট্রেস কমানোর উপায়। আর ক্রিকেটের প্রতি তাঁর আলাদা টানপ্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় ১০ মিনিট করে মেডিটেশন করেন আয়ুষ্মান। তাহিরার উৎসাহেই এই অভ্যাসে বেশি মনোযোগী হয়েছেন২০১৮ সালে তাহিরার যেদিন স্তন ক্যানসার ধরা পড়েছিল, সেদিন ছিল ১৪ সেপ্টেম্বর, আয়ুষ্মানের জন্মদিনসেদিন হাসপাতালে সেই ভয়াবহ খবর পাওয়ার পরও তাঁরা বাড়ি ফিরে বসে থাকেননি। বরং ঠিক করেছিলেন, মন খারাপ করে বসে না থেকে সিনেমা দেখতে যাবেন। তাঁরা ‘মানমারজিয়া’ দেখতে গিয়েছিলেন এবং সেদিনই ম্যাসটেকটমির (এক বা উভয় স্তন সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কেটে ফেলে দেওয়ার অস্ত্রোপচার) তারিখও ঠিক করেন। কেমোথেরাপিও নেন২০১৯ সালের জানুয়ারিতে তাহিরা ক্যানসারমুক্ত হওয়ার পর আয়ুষ্মান এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘আমরা দুজন মিলে ঠিক করেছিলাম, আমরা এই রোগের কাছে হার মানব না। আর মন খারাপ না করে নিজেদের সব ইতিবাচক শক্তি দিয়ে এর বিরুদ্ধে লড়ব।’সেলিব্রিটি নেট ওর্থের তথ্য অনুসারে, আয়ুষ্মানের মোট সম্পদের পরিমাণ ৮০ কোটি থেকে ১০০ কোটি রুপিক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ‘ভিকি ডোনার’, ‘শুভ মঙ্গল সাবধান’, ‘আর্টিকেল ১৫’, ‘বালা’র মতো সিনেমায় তিনি এমন সব চরিত্র বেছে নিয়েছেন, যেখানে পুরুষের দুর্বলতা, আত্মবিশ্বাসের অভাব বা হীনম্মন্যতা, শরীর নিয়ে সামাজিক ট্যাবুকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো হয়েছেবলিউডে তিনি ‘আউটকামার’ হয়েও ‘সেফ গেম’ খেলেননি। কোনো ফর্মুলায় নিজেকে আটকাননি। এটিই বলিউডের রাস্তায় তাঁর স্বতন্ত্র পরিচিতি দিয়েছেশাহরুখ খানকে অনুসরণ করে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা নিয়ে পড়াশোনা করেছিলেন। ভেবেছিলেন, সেভাবেই অভিনেতা হবেনসাংবাদিকতায় পড়াশোনা শেষে আয়ুষ্মান রেডিও জকি হিসেবে কাজ শুরু করেন। এমটিভির জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘রোডিস’–এর দ্বিতীয় সিজনের বিজয়ী হন। এরপর একে একে এমটিভির বিভিন্ন শো হোস্ট করা শুরু করেন। ডাক পান বলিউডেসূত্র: ভ্যারাইটি ও জিকিউ

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
নতুন সড়ক কাটতে দেবেন না ডিএসসিসি প্রশাসক, আগেও ছিল এমন ঘোষণা

নতুন সড়ক কাটতে দেবেন না ডিএসসিসি প্রশাসক, আগেও ছিল এমন ঘোষণা

২৫০ শয্যার যক্ষ্মা হাসপাতালকে জাতীয় যক্ষ্মা ইনস্টিটিউট করার চিন্তা

২৫০ শয্যার যক্ষ্মা হাসপাতালকে জাতীয় যক্ষ্মা ইনস্টিটিউট করার চিন্তা

মঙ্গলবার থেকে শিল্পে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ আগের অবস্থায় ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

মঙ্গলবার থেকে শিল্পে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ আগের অবস্থায় ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড থেকে ধোঁয়া, রোগী–স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক
ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড থেকে ধোঁয়া, রোগী–স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন ভবনের একটি বন্ধ লিফটের কাভারিংয়ে (দেয়াল–দরজার আবরণ) আগুন লেগেছে। আজ সোমবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।আগুন ও ধোঁয়া দেখে হাসপাতালের রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে সিঁড়ি দিয়ে দ্রুত নিচে নেমে আসেন। এ সময় ধাক্কাধাক্কিতে এক–দুজন আহত হয়েছেন বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।এ সম্পর্কে ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী বলেন, হাসপাতালের নতুন আটতলা ভবনের একটি লিফটের কন্ট্রোল রুমের কন্ট্রোলার মেশিনের সঙ্গে থাকা বোর্ডে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অতিরিক্ত উত্তাপের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আগুনের প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী আরও বলেন, লিফট কন্ট্রোল রুমে আগুন লাগায় ভবনের বিভিন্ন তলায় ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। আগুন বড় না হলেও ধোঁয়া দেখে মানুষের মধ্যে বেশি আতঙ্ক তৈরি হয়। ৫টি স্টেশনের ১০টি ইউনিট একসঙ্গে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর অতিরিক্ত ইউনিটগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়।ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন ভবনে অগ্নিকান্ডের পর অনেক রোগীকে সিঁড়ি দিয়ে নামিয়ে নেন স্বজনেরা। আজ সোমবার সন্ধ্যায়হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর স্বজন সুমিত সরকার বলেন, হঠাৎ হাসপাতালে আগুন ধরে গেলে সবার মধ্যে আতঙ্ক শুরু হয়ে যায়। সিঁড়ি দিয়ে ধাক্কাধাক্কি করে সবাইকে নামতে হয়েছে। এতে অনেকে আহত হয়েছেন।হাসপাতালের উপপরিচালক জাকিউল ইসলাম বলেন, লিফটটি চালু ছিল না। তবে পাশের লিফটগুলো চালু ছিল। আগুন ও ধোঁয়া দেখে রোগীরা আতঙ্কিত হয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় দু-একজন আহত হয়ে থাকতে পারেন। তবে সন্ধ্যা সোয়া সাতটা পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। ওয়ার্ডগুলোর কোনো ক্ষতি হয়নি। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পর রোগীদের নিজ নিজ ওয়ার্ডে ফিরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে।এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের ছয়তলার শিশু ওয়ার্ডের একটি গুদামঘরে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছিল। ফায়ার সার্ভিস গিয়ে ওই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
ডাকসুর ব্যাখ্যা সমর্থনযোগ্য নয়, জিন্নাহর ছবি টানানো ‘ইতিহাস বিকৃতি’

ডাকসুর ব্যাখ্যা সমর্থনযোগ্য নয়, জিন্নাহর ছবি টানানো ‘ইতিহাস বিকৃতি’

তিন মাসে ৫ হাজার নতুন কোটিপতি হিসাব, বেড়েছে আমানতও

তিন মাসে ৫ হাজার নতুন কোটিপতি হিসাব, বেড়েছে আমানতও

সাতকানিয়ায় পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু

সাতকানিয়ায় পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু

ইয়েমেনের তেল-গ্যাসসমৃদ্ধ প্রদেশের দিকে এগোচ্ছে হুথিরা
ইয়েমেনের তেল-গ্যাসসমৃদ্ধ প্রদেশের দিকে এগোচ্ছে হুথিরা

ইয়েমেনের তেল ও গ্যাসসমৃদ্ধ প্রদেশ মারিব দখলের চেষ্টায় ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে হুথি বাহিনী। এদিকে, মারিব শহর রক্ষায় প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করেছে সৌদি ও সরকারি বাহিনী। জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হুথিদের বিভিন্ন অবস্থানে ৫৮টি বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি বাহিনী। এছাড়া, তাইজ প্রদেশের কিছু এলাকা থেকে হুথিদের হটিয়ে দেওয়ার দাবি করেছে সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনী। ইয়েমেনের তেল ও গ্যাসসমৃদ্ধ প্রদেশ মারিব। উত্তরাঞ্চলের এই গুরুত্বপূর্ণ শহরটি ইয়েমেনি সরকারের অন্যতম আয়ের উৎস। সম্প্রতি পশ্চিম উপকূলের কিছু এলাকা দখলের পর মারিবের দিকে অগ্রসর হচ্ছে হুথি বাহিনী। হুথিদের ঠেকাতে কৌশলে পরিবর্তন এনেছে সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনী। মোখা ও তাইজের মতো পশ্চিমাঞ্চলে হারানো এলাকায় অভিযান না চালিয়ে মারিবসহ সরকারি নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকাগুলো রক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে তারা। জানা গেছে, মারিবের পতন ঠেকাতে বিমান হামলাসহ পাল্টা আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকারি বাহিনী। ধুবাব ও মোখা এলাকায় হুথিদের সাঁজোয়া যানের ওপর হামলাও করেছে তারা। হুথির দাবি, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সৌদি আরব ৫৮টি বিমান হামলা চালিয়েছে। এফ-১৫ যুদ্ধবিমান দিয়ে এসব আগ্রাসন চালানো হয়েছে বলে দাবি হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারির। হামলার শঙ্কায় রোববার ইয়েমেন সীমান্তবর্তী খামিস মুশাইত ও আবহা এলাকায় জরুরি সতর্কতা জারি করে সৌদি কর্তৃপক্ষ, যদিও কয়েক ঘণ্টা পরে তা প্রত্যাহার করা হয়। এরপরই, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে সামরিক (বিমান) ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় হুথিরা। ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী জানিয়েছে, হুথিদের বিরুদ্ধে মাসব্যাপী লড়াইয়ে তাদের অন্তত ৫০০ সেনা নিহত ও দেড় হাজারের বেশি আহত হয়েছে। অন্যদিকে, এসব সংঘর্ষে হুথিদের ১ হাজারেরও বেশি যোদ্ধা নিহত ও কয়েক হাজার আহত হয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা এসএএইচ

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
বরিশালে স্ত্রী হত্যায় প্রকৌশলী স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

বরিশালে স্ত্রী হত্যায় প্রকৌশলী স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

এমবাপেকে সেরা মানলেও ব্যালন ডি’অর নিজেরই প্রাপ্য মনে করেন ইয়ামাল

এমবাপেকে সেরা মানলেও ব্যালন ডি’অর নিজেরই প্রাপ্য মনে করেন ইয়ামাল

নতুন সরকারের প্রথম সচিব সভা মঙ্গলবার, যা থাকছে আলোচ্যসূচিতে

নতুন সরকারের প্রথম সচিব সভা মঙ্গলবার, যা থাকছে আলোচ্যসূচিতে

0 Comments