জাতীয়

আইফোন ডুওর দাম প্রায় ৫ লাখ, তবুও কেন মানুষ কিনবে

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
আইফোন ডুওর দাম প্রায় ৫ লাখ, তবুও কেন মানুষ কিনবে
আইফোন ডুওর দাম প্রায় ৫ লাখ, তবুও কেন মানুষ কিনবে

আইফোন কিনতে গিয়ে এত দিন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল কোন মডেলের ক্যামেরা ভালো, ব্যাটারি বেশি টিকবে কিংবা প্রসেসর কতটা শক্তিশালী। কিন্তু এবার অ্যাপলের নতুন আইফোন ডুও সেই হিসাবটাই বদলে দিয়েছে। কারণ এটি আর সাধারণ স্মার্টফোন নয়। অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল আইফোনটি খুললেই পাওয়া যাচ্ছে ৭.৬ ইঞ্চির বড় ডিসপ্লে, অথচ বন্ধ করলে এটি আবার একটি পকেটসাইজ ফোন।

খুললেই বদলে যাবে ফোনের চেহারা

আইফোন ডুওর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ অবশ্যই এর ফোল্ডেবল ডিজাইন। খোলা অবস্থায় রয়েছে ৭.৬ ইঞ্চির ওএলইডি সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে। অ্যাপল বলছে, এটি এখন পর্যন্ত আইফোনে ব্যবহৃত সবচেয়ে বড় ডিসপ্লে। আর ফোনটি ভাঁজ করলে সামনে পাওয়া যাবে ৫.৪ ইঞ্চির কভার স্ক্রিন। ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী ছোট ফোনের মতো ব্যবহার করা যাবে, আবার ভিডিও দেখা, গেম খেলা বা কাজের সময় বড় স্ক্রিন পাওয়া যাবে।

শুধু বড় স্ক্রিন নয়, কাজেও সুবিধা

ডুওর বড় ডিসপ্লের আসল সুবিধা পাওয়া যাবে মাল্টিটাস্কিংয়ে। একই সঙ্গে একাধিক অ্যাপ ব্যবহার, ভিডিও দেখা, ওয়েব ব্রাউজিং কিংবা বড় স্ক্রিনে কাজ করার অভিজ্ঞতা অনেকটা ছোট ট্যাবলেটের মতো হতে পারে। অ্যাপল পেন্সিলের সমর্থনও রয়েছে, ফলে নোট নেওয়া বা সৃজনশীল কাজের ক্ষেত্রেও ফোনটি অন্য আইফোনের তুলনায় আলাদা।

আরও পড়ুন

আইফোনে ১৮ এর সঙ্গে আর কী কী আনলো অ্যাপল

ক্যামেরাতেও রয়েছে নতুনত্ব

পেছনে রয়েছে ৪৮ মেগাপিক্সেলের ফিউশন মেইন এবং ৪৮ মেগাপিক্সেলের ফিউশন আলট্রা ওয়াইড ক্যামেরা। মেইন ক্যামেরায় অপটিক্যাল-কোয়ালিটি 2x টেলিফোটো সুবিধাও রয়েছে। পাশাপাশি সেন্টার স্টেজ ফ্রন্ট ক্যামেরা ফ্রেমে থাকা ব্যক্তিদের অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিউ সামঞ্জস্য করতে পারে। সবচেয়ে মজার বিষয়, ডুও-প্রিভিউয়ের মাধ্যমে ফোনের বাইরের ডিসপ্লেতেই ছবির লাইভ প্রিভিউ দেখা যায়। ফলে পেছনের ক্যামেরা দিয়ে নিজের ছবি তোলার সময়ও ফ্রেম ঠিকভাবে দেখা সম্ভব।

শক্তির দিক থেকেও পিছিয়ে নেই

ফোনটিতে রয়েছে অ্যাপলের নতুন এ২০ প্রো চিপ। এর সঙ্গে উন্নত থার্মাল ম্যানেজমেন্ট দেওয়া হয়েছে, যাতে দীর্ঘ সময় গেম খেলা বা ভারী কাজের সময় পারফরম্যান্স ধরে রাখা যায়। অ্যাপলের দাবি, আইফোন ডুও আইফোন ১৭ প্রো-এর তুলনায় দীর্ঘ সময়ের পারফরম্যান্সে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত উন্নতি দিতে পারে।

ব্যাটারির ক্ষেত্রেও রয়েছে বড় সুবিধা। ভেতরে দুই পাশে আলাদা উচ্চ-ক্ষমতার ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে। অ্যাপলের হিসাবে, ভেতরের বড় স্ক্রিনে ৩১ ঘণ্টা পর্যন্ত এবং বাইরের স্ক্রিনে ৪৪ ঘণ্টা পর্যন্ত ভিডিও প্লেব্যাক পাওয়া যেতে পারে। ম্যাগসেফ বা কিউআই২ ওয়্যারলেস চার্জারেও দ্রুত চার্জিংয়ের সুবিধা রয়েছে।

তাহলে এত দাম দিয়ে কে কিনবেন?

যুক্তরাষ্ট্রে এর দাম শুরু হচ্ছে ১ হাজার ৯৯৯ ডলার থেকে। এর ২টিবি মডেলের দাম প্রায় ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৯০০ রুপি পর্যন্ত যেতে পারে। ফলে ভারতীয় বাজারে ফোনটির দাম বাংলাদেশি মুদ্রায় হিসাব করলে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার বেশি হতে পারে।

আরও পড়ুন

আইফোন ১৮ প্রো-তে ক্যামেরায় বড় চমক, ফটোগ্রাফারদের জন্য আশীর্বাদ

প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে এত দাম দিয়ে কে কিনবেন? সত্যি বলতে, শুধু ফোন করার জন্য বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের জন্য আইফোন ডুও কেনার যুক্তি খুব শক্তিশালী নয়। একই কাজ অনেক কম দামের আইফোন বা অ্যান্ড্রয়েড ফোনেও করা সম্ভব। কিন্তু যারা ফোল্ডেবল ফোনের নতুন অভিজ্ঞতা, বড় স্ক্রিনে কাজ, শক্তিশালী পারফরম্যান্স, উন্নত ক্যামেরা এবং অ্যাপলের ইকোসিস্টেম সবকিছু একসঙ্গে চান, তাদের কাছে ডুও-র আকর্ষণ আলাদা।

আর সবচেয়ে বড় কারণ? এত দিন অ্যান্ড্রয়েড ফোনেই দেখা যেত ফোল্ডেবল আইফোন। এবার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়েছে অ্যাপল। তাই প্রযুক্তিপ্রেমী এবং অ্যাপলের নতুন প্রযুক্তি সবার আগে ব্যবহার করতে চান এমন ক্রেতাদের কাছে প্রায় ৫ লাখ টাকার এই ফোনই হয়ে উঠতে পারে পরবর্তী বড় আকর্ষণ।

কেএসকে

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
প্রবাসীদের জন্য জহুর বাহরুতে বিশেষ কনস্যুলার সেবা
প্রবাসীদের জন্য জহুর বাহরুতে বিশেষ কনস্যুলার সেবা

মালয়েশিয়ার জহুর বাহরুতে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা কার্যক্রম চালু রেখেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। জহুর বাহরুর অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউজে এসব সেবা দেওয়া হচ্ছে। আজ শনিবার থেকে শুরু হওয়া আগামীকাল রবিবারও নির্ধারিত স্থানে কনস্যুলার সেবাগুলো অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, জহুর বাহরুর অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউজে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ই-পাসপোর্ট আবেদন, ট্রাভেল পারমিট (টিপি), একই ব্যক্তি মর্মে পাসপোর্টের রেফারেন্স বা এপিডি পত্র, লেটার অব ইন্ট্রোডাকশন এবং বিভিন্ন নথি সত্যায়নসহ প্রয়োজনীয় সেবা। বিশেষ করে যেসব বাংলাদেশি নাগরিকের পাসপোর্ট সংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে কিংবা জরুরি প্রয়োজনে দেশে ফেরার জন্য ভ্রমণসংক্রান্ত কাগজপত্র প্রয়োজন, তাদের জন্য ট্রাভেল পারমিটসহ সংশ্লিষ্ট সেবা গুরুত্বপূর্ণ। একইভাবে পাসপোর্টের তথ্যের সঙ্গে পরিচয়-সংক্রান্ত সামঞ্জস্য নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় এপিডি পত্র এবং বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে ব্যবহারের জন্য লেটার অব ইন্ট্রোডাকশন ও নথি সত্যায়নের সুযোগও থাকছে। হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জহুর বাহরু ও আশপাশের এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশিরা আগামীকালও অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউজে গিয়ে এসব কনস্যুলার সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এতে কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে যাওয়ার প্রয়োজন না থাকায় জহুর ও আশপাশের রাজ্যে বসবাসরত প্রবাসীদের সময় ও যাতায়াত খরচ কমবে। কনস্যুলার সেবা নিতে আগ্রহী প্রবাসীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সেবা গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে হাইকমিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন ইউরোপীয় ইউনিয়নে কড়াকড়ি সত্ত্বেও বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদন বাড়ছে জহুর বাহরুতে সেবা কার্যক্রমের স্থান অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউজ, জালান ওং আহ ফুক, বান্দার জহুর বাহরু, ৮০০০০, জহুর বাহরু, জহুর। সেখানে আগামীকালও ট্রাভেল পারমিট, এপিডি পত্র, লেটার অব ইন্ট্রোডাকশন, সত্যায়নসহ বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা চলবে। প্রবাসীদের সুবিধার্থে হাইকমিশনের এ ধরনের সেবা কার্যক্রমকে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। জহুরসহ মালয়েশিয়ার বিভিন্ন রাজ্যে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি বসবাস ও কর্মরত রয়েছেন। দূরবর্তী এলাকার প্রবাসীদের কাছে সরাসরি কনস্যুলার সেবা পৌঁছে দিতে এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিত আয়োজন করা হলে ভোগান্তি আরও কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এমআরএম

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
ওটিটিতে অভিষেকের আগেই পরিণীতির জীবনে এলো বিশেষ চমক

ওটিটিতে অভিষেকের আগেই পরিণীতির জীবনে এলো বিশেষ চমক

হুথিদের ড্রোন হামলা, গুরুত্বপূর্ণ তেলের পাইপলাইন বন্ধ করলো সৌদি আরব

হুথিদের ড্রোন হামলা, গুরুত্বপূর্ণ তেলের পাইপলাইন বন্ধ করলো সৌদি আরব

মালয়েশিয়াকে হারিয়ে জুনিয়র এশিয়া কাপে পঞ্চম বাংলাদেশের মেয়েরা

মালয়েশিয়াকে হারিয়ে জুনিয়র এশিয়া কাপে পঞ্চম বাংলাদেশের মেয়েরা

আদ্যোপান্ত
আদ্যোপান্ত

দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: dp@prothomalo.comতোমার কাছে এলেই শব্দ ছাড়াই ভাষা শেখা যায়। তোমার হাসিও তখন দূরত্বকে কাছে টানে। শূন্যতাগুলো ভরে ওঠে সৌন্দর্যে। তুমি কাছে এলেই মনে হয়, তুমিই তো নির্ভুল বিস্ময়। জানি, তুমি বসন্ত নও।তবু মনে হয়, তুমি গোপন অন্য কোনো ঋতু।তোমাকে ভাবলেই আমি ভুলে যাইবিশেষ সংলাপের কথা,আমি ভুলে যাই প্রতিশ্রুতির কথা।তোমার ঘনত্বের স্তরে স্তরে কত কাছের বিশ্বাস—মনে হয়, এই বুঝি চূড়ান্ত অর্জন।মাটির স্তরের মতোআমিও তোমাকে স্তরে স্তরে সাজিয়ে রাখি—নির্বাসিত আলো।অনুচ্চারিত উৎসগুলো আমার কাছে কেবলই এখন বিভ্রম।ভাবি, তবে কি তোমার কাছে আমার এখন সাময়িক আশ্রয়?নাকি অসম্পূর্ণ সাক্ষ্য?নাকি শূন্যতার প্রান্তে ক্ষণস্থায়ী এক যতিচিহ্ন?মেঘ জানে না কোথায় থামবে তার ভেসে চলা,তবে বাতাস জানে তার গন্তব্যের দিক।কেবল মানুষ জানে না তার আদ্যোপান্ত।আমি এক বৃত্তাকার শূন্য।জানি, শূন্য কোনো সংখ্যা নয়;শূন্য মানেই মানহীন সংখ্যা মাত্র।যেমন বিধানেরও থাকে কিছু উপবিধান,অদৃশ্যের থাকে প্রহেলিকা,গোপনের থাকে কিছু গোপন শৃঙ্খলা,আর পথ হারানো পথে থাকে নতুন পথের ইঙ্গিত।

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছেলের ডায়াবেটিস, জানতেন না মা–বাবা, হাসপাতালও পরীক্ষা করায়নি

এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছেলের ডায়াবেটিস, জানতেন না মা–বাবা, হাসপাতালও পরীক্ষা করায়নি

শিক্ষার্থীদের দক্ষতার আন্তর্জাতিক তালিকায় পিছিয়ে যাঁরা

শিক্ষার্থীদের দক্ষতার আন্তর্জাতিক তালিকায় পিছিয়ে যাঁরা

নেত্রকোনা সরকারি কলেজে ইংরেজি শিক্ষক মাত্র ‘দুজন’

নেত্রকোনা সরকারি কলেজে ইংরেজি শিক্ষক মাত্র ‘দুজন’

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে সুবাতাস: আগস্টে বাড়ল ১ লাখ ৬২ হাজার কর্মসংস্থান
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে সুবাতাস: আগস্টে বাড়ল ১ লাখ ৬২ হাজার কর্মসংস্থান

গ্রীষ্মকালীন মন্দা কাটিয়ে আগস্ট মাসে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে ব্যাপক গতি ফিরে এসেছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাশাকে বহুদূর ছাড়িয়ে আগস্ট মাসে দেশটিতে নতুন করে এক লাখ ৬২ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, যা গত মার্চ মাসের পর সর্বোচ্চ মাসিক বৃদ্ধি। একই সময়ে দেশটির বেকারত্বের হার আগের মতোই ৪ দশমিক ১ শতাংশে স্থির রয়েছে। সম্প্রতি দেশটির শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো এই ইতিবাচক তথ্য প্রকাশ করেছে। এর আগে ডাউ জোন্সের জরিপে অর্থনীতিবিদেরা মাত্র ৫৩ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।সাম্প্রতিক এই প্রতিবেদনে জানানো হয়, সার্বিক বেকারত্বের হার অপরিবর্তিত থাকলেও বাজারে নতুন কর্মশক্তির অংশগ্রহণ বেড়ে যাওয়ায় গৃহস্থালি জরিপে প্রায় পাঁচ লাখ ৬৯ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া আগের দুই মাস জুন ও জুলাইয়ের সংশোধিত তথ্যেও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ইতিবাচক চিত্র উঠে এসেছে। জুলাই মাসে যেখানে আগে চাকরি হারানোর কথা বলা হয়েছিল, তা সংশোধন করে ২১ হাজার নতুন চাকরি যুক্ত হওয়ার কথা জানানো হয়। আগস্ট মাসে কর্মীদের গড় ঘণ্টাভিত্তিক আয় বেড়েছে ০.৩ শতাংশ, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩.১ শতাংশ বেশি।৩ ধাপে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা, চলতি বর্ষে যত জনখাতভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, আগস্ট মাসে সবচেয়ে বেশি নতুন চাকরি তৈরি হয়েছে রেস্তোরাঁ ও বার খাতে, যেখানে প্রায় ৫৯ হাজার মানুষ কাজের সুযোগ পেয়েছেন। এ ছাড়া সরকারি শিক্ষা খাতে ৪২ হাজার, উৎপাদন বা ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে ১৬ হাজার এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে ১৩ হাজার নতুন চাকরি সৃষ্টি হয়েছে। বিপরীতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রভাবে তথ্যপ্রযুক্তি ও তথ্যভিত্তিক শিল্প খাতে ২৩ হাজার চাকরি সংকুচিত হয়েছে।এই খবর প্রকাশের পর যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার পুনর্নির্ধারণ নিয়ে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের নীতিনির্ধারণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ফলে সুদের হার বাড়ার একটি আশঙ্কা তৈরি হলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে মূল্যস্ফীতিসংক্রান্ত প্রতিবেদনের ওপর।নিজস্ব ক্যাম্পাস ছাড়াই ২৫ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, ভাড়া স্থাপনায় যেনতেন পাঠদানএদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগস্টের এই পরিসংখ্যানকে ‘দারুণ এক চাকরির খবর’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি সুদের হার না বাড়িয়ে কমানোর জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ফেড সুদের হার না কমালে যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যঘাটতি রয়েছে, তাদের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তবে সার্বিকভাবে বাজার বিশ্লেষণ করে অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার এখনো বেশ শক্তিশালী ও প্রাণবন্ত রয়েছে। সিএনবিসি অবলম্বনে

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
ব্যাংক এশিয়ার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, কর্মস্থল চট্টগ্রাম

ব্যাংক এশিয়ার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, কর্মস্থল চট্টগ্রাম

মালয়েশিয়াকে হারিয়ে পঞ্চম হয়ে ফিরছে হকির মেয়েরা

মালয়েশিয়াকে হারিয়ে পঞ্চম হয়ে ফিরছে হকির মেয়েরা

ভেনিসে হামলার শিকার বাঁধন, সেই সিনেমার ঐতিহাসিক জয়

ভেনিসে হামলার শিকার বাঁধন, সেই সিনেমার ঐতিহাসিক জয়

0 Comments