জাতীয়

আগামী শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিকের বইয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গুরুত্ব পাবে: মাহদী আমিন

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
আগামী শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিকের বইয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গুরুত্ব পাবে: মাহদী আমিন
আগামী শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিকের বইয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গুরুত্ব পাবে: মাহদী আমিন

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যবইয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবোটিকস, মেশিন লার্নিং ও সাইবার নিরাপত্তাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে শুধু মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়েই নয়, উচ্চশিক্ষা স্তরেও স্টেম (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত) শিক্ষাকে সমানভাবে অগ্রাধিকার দিতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর বিজয় সরণির নভোথিয়েটারে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর প্লেনারি সেশনে তিনি এ কথা বলেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ মেলার আয়োজন করা হয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় শিক্ষাক্রমে এসব যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাক্রমে বেশ কিছু নতুন বিষয় যুক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছেন মাহদী আমিন। তিনি বলেন, চতুর্থ শ্রেণিতে প্রাথমিক পর্যায়ে ‘খেলাধুলা’ ও ‘সংস্কৃতি’ নামে দুটি নতুন বিষয় যুক্ত হচ্ছে। আর ষষ্ঠ শ্রেণিতে আসছে আরও দুটি নতুন বিষয়, যার একটি হলো ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দের সঙ্গে শিক্ষা। একই সঙ্গে কারিগরি শিক্ষাকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মূলধারায় নিয়ে এসে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে এটি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পর্যায়ক্রমে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বাধ্যতামূলকভাবে কারিগরি শিক্ষার এই অংশটুকু সম্পন্ন করতে হবে।

উচ্চশিক্ষায় বাস্তবমুখী জ্ঞান

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পুঁথিগত বিদ্যা ও বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে যে দূরত্ব রয়েছে, তা কমিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার। মাহদী আমিন বলেন, বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের জন্য নিছক সনদ বা থিওরি যথেষ্ট নয়। থিওরি ও প্র্যাকটিসের উপযুক্ত সমন্বয়ের মাধ্যমেই শিক্ষার্থীদের অর্জিত সনদকে কর্মসংস্থান ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির শক্ত হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার শিক্ষাক্রম সংস্কারের ওপর জোর দিচ্ছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সারা দেশে প্রায় আড়াই হাজার কলেজ থাকার কথা উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে আলোচনা করেছি—কীভাবে কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা যায় এবং বাস্তবতার নিরিখে পাঠ্যক্রমকে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা যায়।’

এর পাশাপাশি দেশে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে দেড় শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে উল্লেখ করে মাহদী আমিন জানান, তাঁদের লক্ষ্য হলো পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে বাস্তব জীবনের প্রয়োজনের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত করা। এ কারণে প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পরিমার্জনের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

প্লেনারি সেশনটি সঞ্চালনা করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। আলোচনায় আরও অংশ নেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (আইইউবি) উপাচার্য অধ্যাপক ম তামিম, ইউনেসকো ঢাকা অফিসের শিক্ষা প্রধান এস কিয়াং কো, টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তানভীর মোহাম্মদ প্রমুখ।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
অ্যানফিল্ড লিভারপুলের ঘরের মাঠ, না পরের মাঠ
অ্যানফিল্ড লিভারপুলের ঘরের মাঠ, না পরের মাঠ

লিভারপুল ০ : ০ ফুলহাম লিভারপুলের ঘরের মাঠ এখন ‘পরের মাঠ’ হয়ে গেছে?আরও একবার অ্যানফিল্ডে আটকে গেছে দলটি। আজ প্রিমিয়ার লিগে ফুলহামের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে লিভারপুল। এ নিয়ে অ্যানফিল্ডে খেলা টানা চারটি লিগ ম্যাচে পয়েন্ট খোয়াল অলরেডরা। অথচ আজকের ড্রয়ের আগেই অ্যাওয়েতে টানা দুই ম্যাচে জয় ছিল তাদের।অ্যানফিল্ডে খেলা লিগের সর্বশেষ চার ম্যাচের তিনটিতে ড্র আর একটিতে হেরেছে লিভারপুল। ২০১১ সালের নভেম্বরের পর এই প্রথম অ্যানফিল্ডে টানা চার লিগ ম্যাচে জয়হীন থাকল দলটি।আজ ফুলহামের বিপক্ষে লিভারপুলের আক্রমণভাগ ছিল অনেকটাই নির্বিষ। বড় অঙ্কের দলবদলে আসা ব্র্যাডলি বারকোলা প্রথমবারের মতো একাদশে শুরু করলেও আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি। সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি আলেক্সান্দার ইসাক আর ফ্লোরিয়ান ভির্টজও। বিরতির পর মিলোস কেরকেজ, কোডি গাকপো আর অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারকে নামিয়েও ম্যাচের গতিপথ বদলাতে পারেননি কোচ আন্দোনি ইরাওলা।অন্যদিকে ফুলহামের জন্য গোলশূন্য ড্রটি বেশ স্বস্তিরই। মৌসুমের প্রথম তিন ম্যাচে হারের পর অবশেষে প্রথম পয়েন্ট পেয়েছে দলটি। তাতে ছাঁটাইয়ের শঙ্কায় থাকা কোচ আরবেলোয়ার চাকরিটা হয়তো আরও কয়েক দিনের জন্য টিকেই গেল।অ্যানফিল্ডে আরও একবার নিজেদের সমর্থকদের হতাশ করেছে লিভারপুলএ দিকে লিভারপুলের ড্রয়ের দিনে পয়েন্ট খুইয়েছে চেলসিও। হাল সিটির সঙ্গে জাবি আলোনসোর দলের ফল ২-২। চেলসির হয়ে গোল করেছেন মরগান রজার্স ও জোয়াও পেদ্রো। হাল সিটির হয়ে দুটিই মোহাম্মদ বেলুমি। ম্যানচেস্টার সিটি ও আর্সেনাল প্রথম তিন ম্যাচের সব কটি জিতে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুইয়ে আছে। লিভারপুলের অবস্থান ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠে। সমান ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে চারে চেলসি।হ্যাটট্রিকের ‘মাস্তানি’তে মেসির রেকর্ড মাস্তানতুয়োনোর

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী হিসেবে দেশেই একজনকে পাওয়া গিয়েছিল: স্পিকার

বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী হিসেবে দেশেই একজনকে পাওয়া গিয়েছিল: স্পিকার

ফেসবুকে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে অবৈধ গ্যাস কম্প্রেসর, বাড়ছে ঝুঁকি

ফেসবুকে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে অবৈধ গ্যাস কম্প্রেসর, বাড়ছে ঝুঁকি

দুই আয়ারল্যান্ডকে এক দেখতে চান ট্রাম্প, এখনই গণভোটে রাজি নয় যুক্তরাজ্য

দুই আয়ারল্যান্ডকে এক দেখতে চান ট্রাম্প, এখনই গণভোটে রাজি নয় যুক্তরাজ্য

আমাদের স্বৈরাচার ফিরে আসার ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে: জামায়াত আমির
আমাদের স্বৈরাচার ফিরে আসার ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে: জামায়াত আমির

সংসদের ভেতরে বারবার কথা বলেও কোনো সমাধান না পেয়ে বাধ্য হয়ে রাজপথে নামতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, এখন স্বৈরাচার ফিরে আসবে—এমন কথা বলে তাঁদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।আজ শনিবার বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের দায়িত্বশীল সমাবেশে দলের আমির এ কথা বলেন।দেশের মানুষ ভালো নেই, দেশও ভালো নেই মন্তব্য করে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ে বিরোধী দলকে চৌকিদার ও ভ্যানগার্ডের ভূমিকা পালন করতে হয়। দেশের যেখানেই অসংগতি দেখা যাবে, সেখানেই তাঁরা কথা বলবেন।শফিকুর রহমান বলেন, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ–সংকট সমাধানে সরকারকে সহযোগিতা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সরকার সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ–সংকটের কারণে শিল্প উৎপাদন আরও কমতে থাকলে মালিকদের পক্ষে ব্যাংকঋণ পরিশোধ, কারখানা চালু রাখা এবং শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। প্রয়োজনে অন্য খাত থেকে কাটছাঁট করে শিল্প খাতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম মানুষের নাগালের মধ্যে রাখার আহ্বান জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, মধ্যস্বত্বভোগী, সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ। চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সরকারকে আহ্বান জানান তিনি।দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘দুর্নীতির লাগাম টানা না গেলে সরকারের কোনো পরিকল্পনাই সফল হবে না। জনগণ আমাদের কাছে বলে, আপনাদের (সরকারের কাছে) কাছেও নিশ্চয় বলেন, দুর্নীতির মাত্রা আগের থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে। এটার যদি আমরা লাগাম টেনে ধরতে না পারি, তাহলে যত পরিকল্পনাই আমরা নিই—আসলে তা সফলতার মুখ দেখবে না।’বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রসঙ্গ তুলে শফিকুর রহমান বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে তিনি তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেছিলেন, চার-পাঁচ মাসে কোনো পরিবর্তন হয়নি, বরং দুর্নীতির প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এটা আমার কথা নয়, এটা মহামান্য প্রেসিডেন্ট জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেবের কথা।’সরকারের ইঙ্গিতেই আওয়ামী লীগ সারা দেশে মিছিল করেছে, অভিযোগ পরওয়ারের

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কাগজে জন্ম, কাগজেই মৃত্যু

লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কাগজে জন্ম, কাগজেই মৃত্যু

বাব আল-মান্দেব পুরোপুরি বন্ধের হুমকি হুথিদের

বাব আল-মান্দেব পুরোপুরি বন্ধের হুমকি হুথিদের

মতিঝিল এলাকায় বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৭২

মতিঝিল এলাকায় বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৭২

খুনিরা এসেছিল বোরকা পরে, কৃষককে হত্যার পর লাশ ফেলে যায় খালে
খুনিরা এসেছিল বোরকা পরে, কৃষককে হত্যার পর লাশ ফেলে যায় খালে

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার ভাসানচর বাজারে সাপ্তাহিক হাট চলাকালে কবির ব্যাপারী নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বোরকা পরা একদল দুর্বৃত্ত। পরে তাঁর মরদেহ পাশের একটি খালে ফেলে দেওয়া হয়। আজ শনিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে কবিরের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত কবির ব্যাপারী (৫৫) পার্শ্ববর্তী মুলাদী উপজেলার নামার বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় কৃষক, সদাই করতে ভাসানচর বাজারে গিয়েছিলেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে স্থানীয় দুজন ব্যক্তি জানান, বিকেলে ভাসানচর বাজারে সাপ্তাহিক হাটের ব্যস্ততা চলছিল। এর মধ্যে বাজারসংলগ্ন খালপাড়ে বোরকা পরা ছয় থেকে সাতজন দুর্বৃত্ত কবির ব্যাপারীর ওপর হামলা চালায়। তারা কবিরের হাত-পা, গলা ও পেটে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি কোপ দেয়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে পাশের খালে ফেলে তারা পালিয়ে যায়।প্রকাশ্য বাজারে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ব্যবসায়ী ও বাজারে আসা লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কে অনেক ব্যবসায়ী দোকানপাট বন্ধ করে দেন। সন্ধ্যার পর বাজারটি প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়ে।হত্যার ঘটনার পর বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার ভাসানচর বাজারে সাপ্তাহিক হাট জনশূন্য হয়ে পড়ে। শনিবার রাত ৮ টার দিকেখবর পেয়ে মেহেন্দীগঞ্জের কাজীরহাট থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। খালপাড় থেকে কবির ব্যাপারীর মরদেহ উদ্ধার করে তারা। কী কারণে এবং কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, এ বিষয়ে স্থানীয় কেউ নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেননি।কাজীরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। প্রাথমিকভাবে এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করছে পুলি

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
লং মার্চ: টাঙ্গাইলে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের সংবাদ সম্মেলন

লং মার্চ: টাঙ্গাইলে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের সংবাদ সম্মেলন

ভারত থেকে বাংলাদেশে আসছে ইলিশ 

ভারত থেকে বাংলাদেশে আসছে ইলিশ 

ব্যালন ডি’অরে ৬ষ্ঠ মেক্সিকান কুইনোনেস, সবারই স্বপ্ন এক

ব্যালন ডি’অরে ৬ষ্ঠ মেক্সিকান কুইনোনেস, সবারই স্বপ্ন এক

0 Comments