বহিরাগতদের ইন্ধনে কারখানায় কাজ বন্ধ করে শ্রমিকরা
ডিসেম্বরের মধ্যে শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণ করা হবে। নতুন বেতন কাঠামো ১ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করার বিষয়ে সব পক্ষ একমত হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষের মধ্যে প্রায় শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ রয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে নিজ পিস্তলের গুলিতে জাহাঙ্গীর আলম (৫২) নামে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকের (এসআই) মৃত্যু হয়েছে।
বিএনপির প্রয়াত নেতা, মুক্তিযোদ্ধা ও অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা জীবনের শেষ পাঁচ বছর দেশে ফিরতে পারেননি। বাবা-মায়ের কবর শেষবারের মতো দেখা এবং এলাকার মানুষের সঙ্গে দেখা করতে...
পর্দায় শাহরুখ খানের সঙ্গে জুটি বাঁধলেই দর্শকের মনে জায়গা করে নেন তার সহশিল্পী। তবে, বলিউড বাদশাহর সেরা জুটি কে—কাজল নাকি দীপিকা পাড়ুকোন?
ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরে শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ে লাইভ চলাকালে নিউজ টোয়েন্টিফোরের প্রতিবেদক নাজমুল হুদা ও ক্যামেরাপার্সন ইমদাদুল হকের ওপর হামলা হয়েছে।
চলচ্চিত্র নির্মাণে নাম লেখাচ্ছেন প্রযোজক ও সংগঠক লায়ন এম নজরুল ইসলাম চৌধুরী।
সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।
<a href="https://www.bigganchinta.com/physics/acelgly87r" target="_blank" rel=""><span>আগের পর্ব</span></a><p>চিরায়ত কণারা প্রকৃতির নিয়ম মেনেই আমাদের চেনা কণার মতো আচরণ করে। ব্যাপারটা বোঝার জন্য সমুদ্রসৈকত থেকে কিছু চিরায়ত কণা হাতে তুলে নেওয়ার কথা ভাবো। অবশ্য এখানে সেই ‘কণা’ বলতে আসলে বালুকণাই বোঝাচ্ছি। এবার একটি কাঠের পাটাতনে পাশাপাশি দুটি সরু ছিদ্র কেটে নাও। সেই দুটি ছিদ্রের ওপর দিয়ে বালুকণাগুলো ছিটিয়ে দাও। প্রতিটি বালুকণা দুটি ছিদ্রেরযেকোনো একটির মধ্য দিয়ে যাবে। তারপর ছিদ্রদুটির নিচে তৈরি হবে বালুর দুটি আলাদা স্তূপ। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।</p><p>কিন্তু এবার যদি বালুর বদলে দুটি ছিদ্রের দিকে ইলেকট্রনের মতো খুদে কোয়ান্টাম কণা ছিটিয়ে দিই, তাহলে কী হবে? তখন কিন্তু বালুর মতো দুটি স্তূপ তৈরি হবে না। তার বদলে চিরায়ত পদার্থবিজ্ঞানের প্রায় সব ধারণার বিপরীত এবং আমাদের সাধারণ কাণ্ডজ্ঞান বিরোধী এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটবে। দুটি ফাঁক দিয়ে ইলেকট্রন যাওয়ার পর পর্দায় তৈরি হবে ব্যতিচার বা ইন্টারফেয়ারেন্স প্যাটার্ন। সেখানে একের পর এক উজ্জ্বল ও অনুজ্জ্বল দাগ বা ফ্রিঞ্জ দেখা যাবে।</p><p>বালুর ক্ষেত্রে যেখানে দুটি ছিদ্রের নিচে কণাগুলো বেশি জমা হওয়ার কথা, ইলেকট্রনের ক্ষেত্রে ঘটে ঠিক তার উল্টো ঘটনা। একটি ইলেকট্রন ছিদ্র দিয়ে বেরিয়ে আসার পর দুটি ছিদ্রের ঠিক মাঝামাঝি জায়গায় তা সবচেয়ে বেশি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমন নকশা তৈরি করতে হলে ইলেকট্রনগুলোকে অবশ্যই কণার বদলে তরঙ্গের মতো আচরণ করতে হবে। আর সেই তরঙ্গগুলোর নিজেদের মধ্যে ব্যতিচার ঘটাতে হবে। এখানেই আসে আরও অবাক করা ব্যাপার।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/qfw27qjg4u">কোয়ান্টাম বলবিদ্যার অদ্ভুত জগৎ</a></aside><blockquote>দুটি ফাঁক দিয়ে ইলেকট্রন যাওয়ার পর পর্দায় তৈরি হবে ব্যতিচার বা ইন্টারফেয়ারেন্স প্যাটার্ন। সেখানে একের পর এক উজ্জ্বল ও অনুজ্জ্বল দাগ বা ফ্রিঞ্জ দেখা যাবে।</blockquote><p>একই পরীক্ষা আবারও করা যাক। তবে এবার একসঙ্গে অনেক ইলেকট্রন না ছুড়ে, একবারে মাত্র একটি করে ইলেকট্রন দুটি ছিদ্রের দিকে পাঠানো হলো। প্রতিটি ইলেকট্রন কোথায় গিয়ে পৌঁছায়, সেটাও মেপে রাখো। প্রথমে হয়তো পর্দায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কিছু বিন্দু দেখা যাবে। কিন্তু একের পর এক ইলেকট্রন পাঠাতে থাকলে, শেষ পর্যন্ত ঠিক আগের মতোই সেই একই ব্যতিচার নকশা ফুটে উঠবে। এর মানে কী?</p><p>এ ঘটনার একমাত্র ব্যাখ্যা হলো, প্রতিটি ইলেকট্রন নিজের সঙ্গেই ব্যতিচার ঘটিয়েছে। অর্থাৎ প্রতিটি ইলেকট্রনকে একই সময়ে দুটি ছিদ্র দিয়েই বেরিয়ে গেছে! এই পরীক্ষাকে বলা হয় দ্বিচির পরীক্ষা বা ডাবল-স্লিট এক্সপেরিমেন্ট। আর এর মাধ্যমে নিঃসন্দেহে প্রমাণ করা সম্ভব যে কোয়ান্টাম কণারা কখনো কখনো তরঙ্গের মতোও আচরণ করতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/xjg0yhl7/12.jpg"><figcaption>ছবি ১২: ইলেকট্রনের দ্বিচির পরীক্ষা বা ডাবল স্লিট এক্সপেরিমেন্ট। ইলেকট্রন দুটি সরু ছিদ্র পেরিয়ে পর্দায় তৈরি করছে আলোর উজ্জ্বল ডোরা। কোয়ান্টাম জগতে কণা কখনো কণার মতো, কখনো তরঙ্গের মতো আচরণ করে। এই দ্বৈত স্বভাবই পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে বিস্ময়কর রহস্যগুলোর একটি</figcaption></figure><p>একসময় মনে করা হতো, আলো শুধু একটি তরঙ্গ। কারণ আলো কোনো কোণের চারপাশ দিয়ে বেঁকে যেতে পারে (অপবর্তন) এবং অন্য আলোকরশ্মির সঙ্গে ব্যতিচার ঘটাতে পারে। কিন্তু ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক এবং আইনস্টাইনের গবেষণা থেকে আমরা এখন জানি, আলো আসলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেট দিয়ে তৈরি। এই প্যাকেটগুলোকেই বলা হয় কোয়ান্টা। আলোর এই কোয়ান্টাগুলোর নামই ফোটন।</p><p>ফোটন এমন এক ধরনের কোয়ান্টাম কণা, যা একই সঙ্গে কণা এবং তরঙ্গ—দুইয়ের মতোই আচরণ করতে পারে। আলোর কণা-ধর্ম আবিষ্কার করেছিলেন মেধাবী বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন। ১৯০৫ সালে আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া বা ফটোইলেকট্রিক ইফেক্ট নিয়ে ভাবতে গিয়ে এই ধারণায় পৌঁছান। সরাসরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর ক্ষেত্রে আইনস্টাইন খুব একটা দক্ষ ছিলেন না। কিন্তু পরীক্ষার ফলাফল ব্যাখ্যা করার জন্য তাত্ত্বিক মডেল দাঁড় করাতে তিনি ছিলেন অসাধারণ প্রতিভাবান।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/tb94bwacdh">কোয়ান্টাম জগৎ কি আসলেই অদৃশ্য</a></aside><blockquote>ফোটন এমন এক ধরনের কোয়ান্টাম কণা, যা একই সঙ্গে কণা এবং তরঙ্গ—দুইয়ের মতোই আচরণ করতে পারে। আলোর কণা-ধর্ম আবিষ্কার করেছিলেন মেধাবী বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন।</blockquote><p>আলোক-তড়িৎ ক্রিয়ার ক্ষেত্রেও তিনি সেই পরীক্ষিত কৌশলই কাজে লাগালেন। ১৮৮৭ সালে জার্মান পদার্থবিদ হাইনরিখ হার্টজ প্রথম যে পরীক্ষাটি করেছিলেন, তার ফলাফল ব্যাখ্যা করতেই আইনস্টাইন এই সুপরীক্ষিত কৌশল প্রয়োগ করেন। আলোক-তড়িৎ ক্রিয়ায় দেখা যায়, কোনো ধাতুর ওপর আলো ফেললে ধাতুটি ইলেকট্রন নির্গত করে। কিন্তু আলো যদি চিরায়ত বিদ্যুৎচুম্বকত্বের ধারণা অনুযায়ী কোনো অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গ হতো, তাহলে ঘটনাটি ঘটার কথা অন্যভাবে। সে ক্ষেত্রে আলো ধাতুর ইলেকট্রনগুলোর কাছে ধীরে ধীরে শক্তি জোগাত। কিছু সময় পর ইলেকট্রনগুলো পর্যাপ্ত শক্তি অর্জন করলে ধাতুর পৃষ্ঠ থেকে বেরিয়ে আসতে পারত। এমনকি আলোর তরঙ্গের শক্তি যদি খুব কমও হতো (যা এর কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক), তবুও দীর্ঘদিন বা যথেষ্ট সময় ধরে আলো ফেললে সেখান থেকে ইলেকট্রন নির্গত হওয়া উচিত ছিল।</p><p>চিরায়ত পদার্থবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে আরও একটি বিষয় প্রত্যাশিত ছিল। সেটা হলো, আলোর তীব্রতা বাড়ালে, অর্থাৎ প্রতি একক ক্ষেত্রফলে আলোর মাধ্যমে সরবরাহ করা শক্তি বাড়ালে, নির্গত ইলেকট্রনগুলোর গতিশক্তিও বাড়ার কথা। ফলে বেশি তীব্র আলো ফেললে ইলেকট্রনগুলো ধাতুর পৃষ্ঠ থেকে আরও বেশি গতিতে বেরিয়ে আসবে—এটাই ছিল চিরায়ত ধারণা।</p><p>কিন্তু আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া নিয়ে পরীক্ষা চালিয়ে বিজ্ঞানীরা যা দেখলেন, তা ছিল একেবারেই ভিন্ন। আলো থেকে পর্যাপ্ত শক্তি পাওয়ার জন্য ইলেকট্রনগুলোকে অপেক্ষা করতে হয়নি। আলোতে যথেষ্ট শক্তি বা কম্পাঙ্ক থাকলেই ইলেকট্রন সঙ্গে সঙ্গে ধাতু থেকে বেরিয়ে আসত।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/4dm0codddv">কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটি কেন প্রয়োজন</a></aside><blockquote>১৮৮৭ সালে জার্মান পদার্থবিদ হাইনরিখ হার্টজ প্রথম যে পরীক্ষাটি করেছিলেন, তার ফলাফল ব্যাখ্যা করতেই আইনস্টাইন এই সুপরীক্ষিত কৌশল প্রয়োগ করেন।</blockquote><p>আরও একটি অদ্ভুত ব্যাপার দেখা গেল। একটি নির্দিষ্ট ধাতু থেকে ইলেকট্রন বের করে আনার জন্য আলোর একটি ন্যূনতম শক্তি সীমা বা থ্রেশহোল্ড ছিল। সেই সীমার নিচে আলো যতক্ষণই কোনো নির্দিষ্ট ধাতুর ওপর ফেলা হোক না কেন, কোনো ইলেকট্রন বের হবে না। ইলেকট্রনগুলো যেন জেদ করে একগুঁয়ের মতো ধাতুর গায়ে আটকে থাকবে! শুধু তা-ই নয়, আলোর তীব্রতা বাড়ালেও বেরিয়ে আসা ইলেকট্রনগুলোর গতিশক্তি বাড়ল না। বরং বেড়ে গেল নির্গত ইলেকট্রনের সংখ্যা।</p><p>আইনস্টাইনের অসাধারণ কৃতিত্ব ছিল, তিনি বুঝতে পারলেন—এই আলোক-তড়িৎ ক্রিয়ার ফলাফলগুলো আসলে দেখাচ্ছে যে আলো শুধু তরঙ্গ নয়। আলো ধাতুর ওপর আসছে একেকটি আলাদা শক্তির প্যাকেট বা ফোটন হিসেবে। প্রতিটি ফোটনের শক্তি আলোর কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক। একটি ফোটনের শক্তি যথেষ্ট হলে সেটি ধাতু শোষণ করে নেবে এবং একটি ইলেকট্রনকে সঙ্গে সঙ্গে বাইরে বের করে দেবে। সেই ইলেকট্রনের শক্তিও হবে আলোর কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক। অন্যদিকে, আলোর তীব্রতা বাড়ালে প্রতি সেকেন্ডে ধাতুর ওপর এসে পড়া ফোটনের সংখ্যা বেড়ে যাবে। ফলে সেই সঙ্গে বেড়ে যাবে ধাতু থেকে বেরিয়ে আসা ইলেকট্রনের সংখ্যাও। তবে প্রতিটি ইলেকট্রনের গতিশক্তি থাকবে একই।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/4wmywedo44">কোয়ান্টাম কণাদের পথ পাড়ি দিতে কি সময় লাগে না</a></aside><blockquote>একটি ফোটনের শক্তি যথেষ্ট হলে সেটি ধাতু শোষণ করে নেবে এবং একটি ইলেকট্রনকে সঙ্গে সঙ্গে বাইরে বের করে দেবে। সেই ইলেকট্রনের শক্তিও হবে আলোর কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক।</blockquote><p>আলোর প্রকৃতি নিয়ে কয়েক শতাব্দীর পুরোনো ধারণাই যেন এক ধাক্কায় বদলে দেন আইনস্টাইন। তিনি দেখালেন, আলো শুধু তরঙ্গ নয়, বরং এটি আসলে কণার স্রোতও বটে। একই বছর, ১৯০৫ সালে, আইনস্টাইন আরও বেশ কিছু অসাধারণ কাজ করেন। পানিতে ভাসতে থাকা পরাগরেণুর ব্রাউনিয়ান গতি ব্যাখ্যা করে পরমাণুর অস্তিত্বের পক্ষে প্রমাণ দেন তিনি। এছাড়া প্রস্তাব করেন বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব বা থিওরি অব রিলেটিভিটি। এই তত্ত্বে দেখানো হয় যে আলোর বেগ একটি ধ্রুবক—c। কোনো পর্যবেক্ষক যত দ্রুতই চলুক না কেন, তার কাছে আলোর বেগ সবসময় একই থাকবে। একই সঙ্গে তিনি ভর ও শক্তির সমতুল্যতার বিখ্যাত সমীকরণও খুঁজে পান। সেটিই পদার্থবিজ্ঞানের বিখ্যাত সমীকরণ E = mc<sup>2</sup>। তাই ১৯০৫ সাল আইনস্টাইনের মিরাকল ইয়ার বা অলৌকিক বছর নামে পরিচিতি পায়। বার্ন শহরের এক পেটেন্ট অফিসের সামান্য একজন কেরানির জন্য বছরটা মন্দ ছিল না! এর কিছুদিন আগেই পদোন্নতির আবেদন করে প্রত্যাখ্যাত হন তিনি।</p><p>কোয়ান্টাম কণার তরঙ্গ-কণা দ্বৈততার আবিষ্কারের আরেকটি মজার উদাহরণ পাওয়া যায় ইলেকট্রনের ক্ষেত্রে। ১৮৯৭ সালে ক্যাথোড রশ্মি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিলেন ব্রিটিশ পদার্থবিদ জে. জে. টমসন। ক্যাথোড রশ্মি হলো ঋণাত্মক চার্জযুক্ত একটি ইলেকট্রোড বা ক্যাথোড থেকে বেরিয়ে আসা ইলেকট্রনের স্রোত।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/ss975jwam6">কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় সবকিছুই কি অনিশ্চিত</a></aside><blockquote>১৯০৫ সাল আইনস্টাইনের মিরাকল ইয়ার বা অলৌকিক বছর নামে পরিচিতি পায়। বার্ন শহরের এক পেটেন্ট অফিসের সামান্য একজন কেরানির জন্য বছরটা মন্দ ছিল না!</blockquote><p>সে সময়ে ক্যাথোড-রে টিউব নিত্যনতুন উদ্ভাবিত হচ্ছিল। নানারকম পরীক্ষা-নিরীক্ষাও চলছিল ওই যন্ত্রটা নিয়ে। বলা যায়, সে যুগে বিজ্ঞানীদের ফ্যাশনের পরিণত হয়েছিল ক্যাথোড রে টিউব। ঘটনাটি ঘটেছিল মোটামুটি সেই সময়েই। এই টিউবে একটি ক্যাথোড থেকে ইলেকট্রনের স্রোত বের করে বায়ুশূন্য কাচের নলের মধ্য দিয়ে পাঠানো হয়। শেষ পর্যন্ত সেই ইলেকট্রন একটি ফস্ফরেসেন্ট পর্দায় ছুড়ে মারা হতো। সেটা সেখানে ছবি তৈরি করত।</p><p>তখনও কেউ জানত না, ক্যাথোড রশ্মি আসলে কী দিয়ে তৈরি। পদার্থবিদ টমসন দেখলেন, বাতাসের গ্যাস অণুর মধ্য দিয়ে ক্যাথোড রশ্মি যতটা দূর যাওয়ার কথা, তার চেয়ে অনেক বেশি দূর পর্যন্ত যেতে পারে। এত ছোট কণার ক্ষেত্রে এমনটা হওয়ার কথা নয়। এই অপ্রত্যাশিত ফল থেকেই তিনি আবিষ্কার করে ফেললেন পরমাণুর প্রথম উপ-পরমাণবিক কণা (ভুলভাবে অনেকে একে বলেন অতিপারমাণবিক কণা)।</p><p>টমসন দেখলেন, ক্যাথোড রশ্মিতে প্রবাহিত বিদ্যুৎ আসলে চার্জযুক্ত কণার একটি স্রোত। সেই কণাগুলো পরমাণুর চেয়ে এক হাজার ভাগেরও বেশি ছোট। টমসন এই ঋণাত্মক আধানযুক্ত উপ-পরমাণবিক কণাগুলোর নাম দেন করপাসল। কয়েক বছর পরে এই কণাগুলোই ইলেকট্রন নামে পরিচিত হয়। ইলেকট্রন যে আসলে এক ধরনের কণা—এটি আবিষ্কারের জন্য ১৯০৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান জে. জে. টমসন।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/rrs02oirc9">কোয়ান্টাম মেকানিকস কেউ বোঝে না, বিজ্ঞানীরাও নয়!</a></aside><blockquote>পদার্থবিদ টমসন দেখলেন, বাতাসের গ্যাস অণুর মধ্য দিয়ে ক্যাথোড রশ্মি যতটা দূর যাওয়ার কথা, তার চেয়ে অনেক বেশি দূর পর্যন্ত যেতে পারে। এত ছোট কণার ক্ষেত্রে এমনটা হওয়ার কথা নয়।</blockquote><p>বিষয়টির মধ্যে এক অদ্ভুত পরিহাস রয়েছে! কারণ ১৯৩৭ সালে টমসনের ছেলে জর্জ পেজেট টমসন পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। তাঁর পুরস্কার পাওয়ার কারণ ছিল—ইলেকট্রন আসলে তরঙ্গের মতোও আচরণ করে, তা আবিষ্কার করা। অর্থাৎ বাবার আবিষ্কারের ঠিক উল্টো কথাই প্রমাণ করে ছেলে নোবেল পুরস্কার পেলেন!</p><p>১৯২৭ সালে জর্জ দেখলেন, অ্যালুমিনিয়াম, সোনা ও প্লাটিনামের ধাতব পাতলা ফিল্মের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন পাঠালে তারা অন্য রকম আচরণ করে। এই ধাতুগুলোর পরমাণু ক্রিস্টালের মধ্যে একটি নিয়মিত পুনরাবৃত্ত বিন্যাসে সাজানো থাকে। সেই পাতলা স্তরের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় ইলেকট্রনগুলো ঠিক তরঙ্গের মতো বিচ্ছুরিত বা বেঁকে ছড়িয়ে পড়ে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/6d299vc8tn">কোয়ান্টাম মেকানিকস কেন বলে অতীত সত্যি নয়</a></aside><blockquote>১৯২৭ সালে জর্জ দেখলেন, অ্যালুমিনিয়াম, সোনা ও প্লাটিনামের ধাতব পাতলা ফিল্মের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন পাঠালে তারা অন্য রকম আচরণ করে।</blockquote><p>আসলে বাবা ও ছেলে—দুজনেই সঠিক ছিলেন! কারণ এখন আমরা জানি, ইলেকট্রন একই সঙ্গে কণা এবং তরঙ্গ। তাঁরা শুধু ইলেকট্রনের স্বভাবের দুটি ভিন্ন দিক দেখেছিলেন। ভিন্ন ভৌত পরিস্থিতিতে কোয়ান্টাম বস্তু কণা বা তরঙ্গ—দুই রকম আচরণের যেকোনো একটি দেখায়। একদিকে তাদের কণার মতো স্বভাব আছে। তখন তারা আলাদা আলাদা শক্তির প্যাকেট হিসেবে শোষিত বা নির্গত হয়। অন্যদিকে তাদের তরঙ্গের মতো স্বভাবও আছে। তখন তারা কোনো বাধার চারপাশে বেঁকে ছড়িয়ে পড়তে পারে, কিংবা নিজের সঙ্গেই অথবা অন্য তরঙ্গের সঙ্গে ব্যতিচার ঘটাতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/deord8mh/13.jpg"><figcaption>ছবি ১৩: কোয়ান্টাম জগতের অদ্ভুত সৌন্দর্য এখানেই—ইলেকট্রন কিংবা আলোককণার মতো ক্ষুদ্র বস্তু কখনো কণার মতো আচরণ করে, কখনো আবার প্রকাশ করে তরঙ্গের ধর্ম। অর্থাৎ, কোয়ান্টাম জগতে তরঙ্গ আর কণা আলাদা সত্তা নয়; একই বস্তুর মধ্যে লুকিয়ে আছে দুয়েরই বৈশিষ্ট্য</figcaption></figure><p>জর্জের পরীক্ষাগুলো ফরাসি পদার্থবিদ লুই দ্য ব্রগলির একটি ধারণাকেও সমর্থন করেছিল। দ্য ব্রগলি বলেছিলেন, সব পদার্থেরই তরঙ্গের মতো বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ১৯২৪ সালে নিজের পিএইচডি থিসিসে এই ওয়েভ-পার্টিকেল ডুয়ালিটি বা তরঙ্গ-কণা দ্বৈততার ধারণা প্রস্তাব করেন দ্য ব্রগলি। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল একটি অদ্ভুত প্রশ্নের উত্তর খোঁজা—বোরের পরমাণুর মডেলে ইলেকট্রন কেন শুধু নির্দিষ্ট কিছু কক্ষপথেই থাকতে পারে? এর ব্যাখ্যায় দ্য ব্রগলি কল্পনা করলেন, পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে ঘিরে ইলেকট্রন আসলে তরঙ্গের মতো কম্পিত হয়। অনেকটা টেনে ছেড়ে দেওয়া গিটারের তারের কম্পনের মতো।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/quantum-tunneling">কোয়ান্টাম টানেলিং কীভাবে হয়?</a></aside><blockquote>দ্য ব্রগলি বলেছিলেন, সব পদার্থেরই তরঙ্গের মতো বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ১৯২৪ সালে নিজের পিএইচডি থিসিসে এই ওয়েভ-পার্টিকেল ডুয়ালিটি বা তরঙ্গ-কণা দ্বৈততার ধারণা প্রস্তাব করেন দ্য ব্রগলি।</blockquote><p>এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ শর্ত আছে। ইলেকট্রন যে কক্ষপথে ঘুরছে, সেই কক্ষপথের পরিধি ইলেকট্রনের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পূর্ণসংখ্যক গুণিতক হতে হবে। তাহলেই ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে প্রতিটি চক্কর দেওয়ার সময় তার তরঙ্গটি আগেরবারের চক্করের তরঙ্গের সঙ্গে মিলে যাবে নিখুঁতভাবে। অর্থাৎ দুই তরঙ্গ একে অন্যকে শক্তিশালী করবে। একে বলা হয় গঠনমূলক ব্যতিচার। ফলে ইলেকট্রনের তরঙ্গ টিকে থাকতে পারবে। একে অপরকে বাতিল করে দিয়ে অদৃশ্য হয়ে যাবে না।</p><p>এই ধারণাটাই ব্যাখ্যা করে, কেন একটি ইলেকট্রনের বোরের কক্ষপথ যেকোনো মানের হতে পারে না। কক্ষপথের পরিধির মধ্যে ইলেকট্রনের তরঙ্গদৈর্ঘ্য অবশ্যই পূর্ণসংখ্যক বার ঠিকমতো বসতে হবে। তাই ইলেকট্রন কেবল নির্দিষ্ট কিছু কক্ষপথেই থাকতে পারে।</p><h4>সূত্র: ড্যানি হোমসের <em>ওয়ান্ডার অব কোয়ান্টাম ওয়ার্ল্ডস</em> অবলম্বনে</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/7h579bn9yo">কোয়ান্টাম ডিকোহেরেন্স : নিশ্চয়তা আর অনিশ্চয়তার দ্বন্দ্ব</a></aside>
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/bangladese-garir-dam-et-besi-ken-rikndisnd-garir-dam-ki-kmche</figure>
ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরের পদ্মার মোড় এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল ও কাঁদানেগ্যাসের শেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার সকালে সদর উপজেলার কাঠেরপুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/jeebnannd-daser-sngoe-basarer-mil-omil</figure>
অকারণে মনে হয়, এই বুঝি তুমি! কত অদ্ভুত, তাই না? যে মানুষটিকে চোখের সামনে আর কোনো দিন পাব না, তাকেই চোখের ভুলে প্রতিদিন খুঁজে ফিরি। তোমার জন্য রাখা চিঠিগুলো এখন আর চিঠি নয়—
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/valo-pricalkera-kaj-seshei-parisrmik-diye-den</figure>
<p>তৈরি পোশাকশিল্পে আগামী ডিসেম্বর থেকে নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকর হবে। আর জানুয়ারি থেকে শ্রমিকেরা বাড়তি বেতন হাতে পাবেন । </p><p>নিম্নতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা শেষে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি এবিএম শামসুদ্দিন ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি বাবুল আখতার এমনটাই জানিয়েছেন। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মজুরি বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানী।</p><p>সভা শেষে সৈয়দ আজাদ সুবহানী সাংবাদিকদের বলেন, মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভায় শ্রমিক ও মালিকপক্ষ তাদের মজুরি প্রস্তাব পৃথকভাবে জমা দেবেন। একইসঙ্গে নিরপেক্ষ সদস্যও একটি মজুরি প্রস্তাব দেবেন। তারপর সেই মজুরি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।</p><p>গত রোববার শ্রম মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে নিম্নতম মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন করে। বোর্ডে নিরপেক্ষ সদস্য হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এবং মালিক ও শ্রমিকপক্ষের স্থায়ী সদস্য হিসেবে যথাক্রমে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের যুগ্ম মহাসচিব আসিফ আইয়ুব ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে নিয়োগ করা হয়।</p> <p>ওই দিনই আরেকটি প্রজ্ঞাপনে তৈরি পোশাকশিল্পের জন্য গঠিত নিম্নতম মজুরি বোর্ডে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বিজিএমইএর পরিচালক এ বি এম সামছুদ্দিন ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের (বিজিআইডব্লিউএফ) সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতারকে নিয়োগ করা হয়।</p><p>গতকাল পর্যন্ত মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন শেখ আশফাকুর রহমান। আজকে সকালে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) পদে বদলি করা হয়। একই আদেশে নিম্নতম মজুরি বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান করা হয়েছে জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ আজাদ সুবহানীকে। তবে আশফাকুর রহমানকে সরানোর কোনো কারণ প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়নি।</p><p>একাধিক সূত্র জানায়, পোশাক শিল্পের মতো স্পর্শকাতর খাতের মজুরি নির্ধারণে সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যানের ওপর ভরসা করা যাচ্ছিল না। সেজন্য গত দুই তিন দিনে তাঁকে বদলির প্রক্রিয়া চলে।</p><p>পোশাকশিল্পে চলমান শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পরপর তিনি দেশের কয়েকটি জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।</p><p>প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এসে দেশের কয়েকটি পত্রিকা সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠকে বিজিএমইএর সভাপতি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুতই সরকার গঠিত মজুরির বোর্ডের সভা বসবে। হতে পারে সেটি কালই (আজ বুধবার)। সভা থেকে মজুরি পুনর্নির্ধারণের একটি সময়সীমা ঘোষিত হলে সাধারণ পোশাকশ্রমিকেরা আশ্বস্ত হবেন বলে মনে করেন তিনি।</p>
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষেই ডেমোক্র্যাটদের জয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বুথ ফেরত জরিপে দেখা যাচ্ছে অর্থনীতি নিয়ে অধিকাংশ ভোটার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...
রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটিগুলোতে ডেমোক্র্যাটরা একের পর এক জয় তুলে নেওয়ায় আলিঙ্গন, উল্লাস ও হাসির ঢেউ বয়ে যাচ্ছে।
মিশিগান রাজ্যে জনমত জরিপগুলোও ইঙ্গিত দিচ্ছিলো, ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী আব্দুল এল-সাইয়েদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সেনেটর হতে যাচ্ছেন।
এক বছর আগে যে দুটি সিনেট আসনকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ক্ষেত্র বলে মনে করা হচ্ছিল, সেগুলো ডেমোক্র্যাটদের জন্য নিশ্চিত জয়ে পরিণত হয়েছে।
আজ বুধবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার খবরে গুরুত্ব পেয়েছে গার্মেন্ট কারখানাগুলোয় আন্দোলন – সহিংসতার খবর। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের খবরও গুরুত্ব পেয়েছে।
মোটা দাগে বলতে গেলে, আমেরিকানদের মতামত জানানোর পর তিনটি সম্ভাব্য ফলাফল রয়েছে। সেগুলো কী হতে পারে, ফলাফল আসতে শুরু করলে প্রাথমিক লক্ষণগুলো কী হতে পারে এবং সেদেশের জন্য এর অর্থ কী হতে পারে, তা এখানে তুলে ধরা হলো।
বাংলাদেশে মুসলিমদের এমন অনেকেই আছেন, যারা শুধু কবুল পড়ে অথবা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিড করে বিয়ে করেন। আইনজীবী এবং কাজী অফিস সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে মসজিদে গিয়ে বর-কনে কবুল বলে বিয়ে করলে সেটি রেজিস্ট্রি না করলেও শরীয়তসম্মত। কিন্তু আইনের দৃষ্টিতে এ ধরনের বিয়ে কী বৈধ?
ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধিসহ কয়েকদফা দাবিতে গত কয়েকদিনের মতো সোমবারও সকাল থেকে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ করেছে পোশাক শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবারও ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে আরো ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হামের প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৬৯ জনে। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে আরো এক হাজার ৪০২ শিশু।
গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় শ্রমিক আন্দোলনে নিহত পোশাকশ্রমিক তৌফিক মিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত গায়েবানা জানাজা পণ্ড করে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
বিক্ষোভকারীরা গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানায় হামলার চেষ্টা করেন বলে জানা গেছে। এ সময় থানার ভেতরে ইটপাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার চেষ্টা চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) খুলনা সফর করবেন।
তারা সকাল ৯টায় ইউনিয়ন পরিষদে এসে অপেক্ষা করলেও সচিবের দেখা মেলে সকাল ১০টা, কখনো ১১টায়। কোনো কোনো দিন দুপুর গড়িয়ে গেলেও তিনি অফিসে আসেন না। কখন অফিসে আসবেন, তা জানতে ফোন করলেও খারাপ আচরণ করেন বলে অভিযোগ তাদের। এতে গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নিতে এসে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশের প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি (চার্জ) ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান বলেছেন, “মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু অভিযান কিংবা বাহক ও খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া সম্ভব নয়।”
রাত ৩টার দিকে বিস্ফোরণের শব্দে আমার ঘুম ভেঙে গেল। ঘরের দুটি ভারী দেয়ালের আড়ালে বসে থেকে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কোন দিকে যাচ্ছে তা জানার জন্য টেলিগ্রামে স্ক্রোল করতে করতে খেয়াল করলাম লাইট জ্বলছে।
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় তার বান্ধবী জেরিকা তাসনিম দিশাকে (১৯) আবারো সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছে পুলিশ।