সড়কে জমে থাকা নোংরা পানিতে নষ্ট হচ্ছে পোশাক, ভোগান্তি
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরো আটজন আহত হয়েছেন।
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস আজ। সড়ক দুর্ঘটনা রোধ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছর ২২ অক্টোবর বাংলাদেশে এই দিবসটি পালন করা হয়।
নদীভাঙন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও বৃষ্টিপাতের অনিয়মে মানিকগঞ্জের মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ক্রমেই ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
বৃষ্টি নেই, তবু সড়কে জমে আছে হাঁটুপানি। সেই পানি মাড়িয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে শিশুদের, একই পথে চলাচল করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ পথচারীরা।
সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে দুই বাংলাদেশিকে বাঁচাতে জেদ্দায় বাংলাদেশ মিশনের কোনো চেষ্টাও ছিল না; প্রশাসনে ঘন ঘন রদবদলে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা নিয়ে উদ্বেগ এবং সড়ক দুর্ঘ...
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস আজ
প্রত্যাশা অনুযায়ী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে সরকার
সভায় জানানো হয়, বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে পৃথক ব্যবস্থায় ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হয়। প্রস্তাবিত অনলাইন পোর্টালে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে আবেদন ও নির্ধারিত ফি পরিশোধের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা ঘরে বসেই ট্রেড লাইসেন্স নিতে পারবেন। লাইসেন্সের মেয়াদ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রচলিত ট্রেড লাইসেন্সকে ‘বিজনেস রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট’ বা সমজাতীয় নামে রূপান্তরের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।
<p>২০০৬ সালের ২২ অক্টোবর জীবনানন্দ দাশের ৫২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর গদ্যভাষা নিয়ে লেখেন ফয়জুল লতিফ চৌধুরী। প্রথম আলোর সাহিত্য সাময়িকীতে প্রকাশিত এ লেখা এত দিন শুধু ছাপা কাগজের পাতাজুড়েই ছিল, আজ অনলাইন পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো।</p><p>আজ সম্ভবত বুদ্ধদেব বসুর সঙ্গে নিঃসংকোচে একমত হতে আর কারও আপত্তি নেই যে কবি জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯-১৯৫৪) নিজের জন্য একটি স্বতন্ত্র কাব্যভাষা আবিষ্কার করেছিলেন। কিন্তু তাঁর গদ্যভাষারীতিও বিশেষ প্রণিধানযোগ্য। তাঁর প্রবন্ধগুলোর বাক্যগঠনরীতি সমসাময়িককালে সুপরিচিত ছিল না। এমনকি মনোযোগী পাঠকের কাছেও তা জটিল প্রতীয়মান হতে পারে।</p><p>জীবনানন্দ দাশের প্রাবন্ধিক পরিচয় অদ্যাবধি বিশেষ কোনো মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়নি। তবে তিনি বেশ কিছু প্রবন্ধ-নিবন্ধ-আলোচনা লিখেছিলেন, যার প্রতিটি অত্যন্ত মৌলিক চিন্তাভাবনার স্বাক্ষর বহন করে। তাঁর প্রবন্ধের সংকলন ‘কবিতার কথা’ বেরিয়েছিল তাঁর মৃত্যুর পর—১৩৬২ বঙ্গাব্দে। এতে তাঁর জীবদ্দশায় বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় মুদ্রিত ১৫টি প্রবন্ধ সংকলিত হয়েছিল। এই প্রবন্ধগুলো বহুল পঠিত। এই বিখ্যাত ১৫টি প্রবন্ধের বাইরেও জীবনানন্দের আরও কিছু প্রবন্ধ, নিবন্ধ, সমালোচনা রয়েছে। এই রচনাসমষ্টির সংখ্যা খুব বেশি নয়। হিসাব করলে দেখা যায়, তাঁর সাহিত্য-সমাজ-শিক্ষাবিষয়ক রচনার সংখ্যা ৩০, গ্রন্থভূমিকা ও গ্রন্থালোচনা–জাতীয় রচনার সংখ্যা ৯, স্মৃতিতর্পণমূলক রচনার সংখ্যা ৩ এবং বিবিধ প্রবন্ধ-নিবন্ধের সংখ্যা ৭। তদুপরি আরও সাতটি খসড়া প্রবন্ধের হদিস করা গেছে। অনুমিত হয়, অপুনরুদ্ধারকৃত প্রবন্ধের সংখ্যা এখন আর বেশি নেই।</p><p>বুদ্ধদেব বসু ‘কবিতা’ পত্রিকার একটি প্রবন্ধ সংখ্যার (১৩৪৫, বৈশাখ) পরিকল্পনা করেছিলেন মূলত কবিদের গদ্য প্রকাশের উদ্দেশ্য নিয়ে। এরই সূত্রে জীবনানন্দ তাঁর প্রথম গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধটি লিখেছিলেন, যার নাম ‘কবিতার কথা’। এ প্রবন্ধের শুরু এভাবে—</p><p>‘সকলেই কবি নয়। কেউ কেউ কবি; কবি-কেননা তাদের হৃদয়ে কল্পনার এবং কল্পনার ভিতরে চিন্তা ও অভিজ্ঞতার সারবত্তা রয়েছে, এবং তাদের পশ্চাতে অনেক বিগত শতাব্দী ধরে এবং তাদের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিক জগতের নব নব কাব্যবিকীরণ তাদের সাহায্য করেছে। কিন্তু সকলকে সাহায্য করতে পারে না; যাদের হৃদয়ে কল্পনা ও কল্পনার ভিতরে অভিজ্ঞতা ও চিন্তার সারবত্তা রয়েছে তারাই সাহায্যপ্রাপ্ত হয়; নানা রকম চরাচরের সম্পর্কে এসে তারা কবিতা সৃষ্টি করবার অবসর পায়।’</p><p>প্রারম্ভিক বাক্যটি হ্রস্ব হলেও অব্যবহিত পরেই তিনি দীর্ঘ বাক্যের ঘন বুনোট গড়ে তুলেছেন। ‘এবং’, ‘ও’ ইত্যাদি অন্বয়মূলক পদ এবং ‘কমা’, ‘সেমিকোলন’, ‘ড্যাশ’ প্রভৃতি যতিচিহ্নের সমম্বয়ে গড়ে উঠেছে এমন একটি গদ্যভাষা, যার সঙ্গে সমকালীন বাঙালি লেখক-পাঠকের আদৌ পরিচয় ছিল না।</p><blockquote>আঠারো শতকে বাংলা গদ্যের বিকাশ সূচিত হয়েছিল একটি সরল কাঠামো নিয়ে। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ‘বাল্মীকির জয়’–এর আলোচনা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় শুরু করেছিলেন এভাবে: ‘বঙ্গদর্শনে যে সকল প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়, পুনর্মুদ্রিত হইলে তাহা বঙ্গদর্শনে সমালোচিত হইয়া থাকে না। “বাল্মীকির জয়” কিয়দংশে বঙ্গদর্শনে প্রকাশিত হইয়াছিল, কিন্তু গ্রন্থের অধিকাংশই বঙ্গদর্শনে বাহির হয় নাই।’</blockquote><p>আঠারো শতকে বাংলা গদ্যের বিকাশ সূচিত হয়েছিল একটি সরল কাঠামো নিয়ে। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ‘বাল্মীকির জয়’–এর আলোচনা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় শুরু করেছিলেন এভাবে, ‘বঙ্গদর্শনে যে সকল প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়, পুনর্মুদ্রিত হইলে তাহা বঙ্গদর্শনে সমালোচিত হইয়া থাকে না। “বাল্মীকির জয়” কিয়দংশে বঙ্গদর্শনে প্রকাশিত হইয়াছিল, কিন্তু গ্রন্থের অধিকাংশই বঙ্গদর্শনে বাহির হয় নাই। উহার যে অংশ প্রকাশিত হইয়াছিল, তাহাও বিশেষরূপে পরিবর্তিত হইয়া পুনর্মুদ্রিত হইয়াছে। এ অবস্থায় আমরা সমালোচ্য গ্রন্থ বঙ্গদর্শনে প্রকাশিত হইয়াছিল বলিয়া স্বীকার করিতে পারি না। অতএব পাঠক যদি অনুমতি করেন, তবে ইহার সমালোচনায় প্রবৃত্ত হই। সম্পাদকের অনুমতি পাইয়াছি।’—বাক্যের দৈর্ঘ্য সীমিত। সীমিত দৈর্ঘ্যের বাক্য ধারণ করেছে একেকটি সাধারণ বক্তব্য। বাক্যপ্রকরণের এই অবক্র চারিত্র্য প্রমথ চৌধুরীর রচনাতেও অব্যাহত থেকেছে।</p><p>প্রমথ চৌধুরী বাংলা গদ্যকে একটি দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়ে দিয়ে গেছেন। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ঘরোয়া’র আলোচনা থেকে প্রমথ চৌধুরীর গদ্যরীতির সুস্পষ্ট পরিচয় মেলে। তিনি লিখেছেন, ‘শ্রীযুক্ত অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “ঘরোয়া” পড়লুম। চমত্কার বই। ঘরোয়া মানে ঠাকুর পরিবারের ঘরের কথা।...অবনীন্দ্রনাথ রবীন্দ্রনাথের ভ্রাতুষ্পুত্র এবং স্বগুণে স্বনামধন্য, সুতরাং তাঁর কোনও পরিচয় দেওয়া অনাবশ্যক। তিনি চিত্রবিদ্যায় একজন আর্টিস্ট বলে দেশে–বিদেশে যথেষ্ট খ্যাতি অর্জ্জন করেছেন। কিন্তু এ পুস্তকে তিনি নিজের কৃতিত্ব বিষয়ে কোনও কথা উল্লেখ করেন নি। তিনি ঠাকুর পরিবারের ঘরোয়া কথা বলেছেন। পূর্ব্বে বলেছি, এ পুস্তক ঠাকুর পরিবারের ইতিহাস নয়, তাই বলে উপন্যাসও নয়।’ এ গদ্যকাঠামোর চারিত্র্য ঋজু ও প্রাঞ্জল, যদিও এর প্রকাশক্ষমতাকে খাটো করে দেখার কারণ নেই।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2020/04/21/56aa856007907f5403cccbd7fbce3dd1-5e9ea375a15d7.jpeg"><figcaption>পরিবারের সঙ্গে জীবনানন্দ দাশ</figcaption></figure><p>‘পরিচয়’–এর কার্তিক ১৩৩৮ সংখ্যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জগদীশ গুপ্তর ‘লঘু-গুরু’ উপন্যাসটি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। আলোচনার বিস্তারে রবীন্দ্রনাথ কেবল ‘লঘু-গুরু’র মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, সাহিত্যের মানমর্যাদা নিয়েও দু-চারটি কথা বলেছেন, ‘সাহিত্যে সম্মানের অধিকার বহির্নির্দিষ্ট শ্রেণী নিয়ে নয়, অন্তর্নিহিত চরিত্র নিয়ে। অর্থাৎ, পৈতে নিয়ে নয়, গুণ নিয়ে। আধুনিক একদল লেখক পণ করেছেন তাঁরা পুরাতনের অনুবৃত্তি করবেন না। কোনোকালেই অনুবৃত্তি করাটা ভালো নয়, এ কথা মানতেই হবে। নরসংহিতাসম্মত ফোঁটা—তিলকটা, আধুনিকতাও গতানুগতিক হয়ে ওঠে। সেটার অনুবৃত্তিও দুর্বলতা। চন্দনের তিলক যখন চলতি ছিল, তখন অধিকাংশ লেখা চন্দনের তিলকধারী হয়ে সাহিত্যে মান পেতে চাইত। পঙ্কের তিলকই যদি সাহিত্যসমাজে চলতি হয়ে ওঠে, তা হলে পঙ্কের বাজারও দেখতে দেখতে চড়ে যায়।’ বলার অপেক্ষা রাখে না যে রবীন্দ্রগদ্য মননশীলতায় ঋদ্ধ; তথাপি তাঁর ভাষার গাঁথুনিতে তেমন কোনো জটিলতা পরিদৃষ্ট হয় না। রবীন্দ্রনাথ স্বীয় চিন্তাচেতনাকে বোধগম্য করে প্রকাশ করার সুললিত একটি ভঙ্গি বেছে নিয়েছিলেন।</p><p>পত্রপত্রিকার পাতা ঘেঁটে দেখা যায়, সমসাময়িককালে মোহিতলাল মজুমদার তাঁর গদ্যে জটিল বাক্যরীতিকে অবলম্বন করেছিলেন। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘কবি’ উপন্যাসটির আলোচনায় এর উত্কৃষ্ট উদাহরণ মেলে। এর পক্ষে দীর্ঘ উদ্ধৃতির বিকল্প নেই। এ আলোচনায় মোহিতলাল লিখেছেন, ‘এই যে তারাশঙ্কর, ইনিই যখন জীবনের শিল্পরূপ নির্মাণ করেন, যেমন তাঁহার গল্পগুলিতে করিয়াছেন, তখন যে তাহাতে একটা সম্পূর্ণ নূতন ধরনের রসসৃষ্টি হইবে, ইহাই তো স্বাভাবিক। সে রস বাস্তবের রসই বটে, কিন্তু তাহার অন্তরালে একটা নির্মম অনাসক্ত তান্ত্রিক-দৃষ্টি আছে; সেই দৃষ্টি যখন নর-নারীর হৃদয়মধ্যেও উঁকি দিয়াছে তখন তাহা খাঁটি আর্টিস্টের নির্মমতায় পরিণত হইয়া, সর্বসংস্কারমুক্তির যে-আনন্দ সেই আনন্দের রস-সৃষ্টি করিয়াছে। ইহাই তারাশঙ্করের আর্ট, আমি তাহাকে একরূপ তান্ত্রিক রস-প্রেরণা বলিয়াছি; ইহার স্থূল দৃষ্টান্ত হিসাবে, তাঁহার গল্পে নর-নারীর প্রেম ও প্রেম-বিকারগুলি স্মরণ করিয়া বলি, সেই প্রেমে নীতি-দুর্নীতির সংস্কার নাই, আছে কেবল প্রত্যেক চরিত্রে সেই প্রবৃত্তির রক্তগত সংস্কার।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-06/hfdzjs3c/MasukArt161.jpg"><figcaption>কবি জীবনানন্দ দাশ</figcaption></figure><p>লক্ষ করা যেতে পারে, মোহিতলাল একটি বাক্যের ভেতরে একাধিক অণুবাক্যকে ধারণ করার প্রয়াস পেয়েছেন। ফলে বাক্য কেবল দীর্ঘায়িত হয়নি, তার গঠনে জটিলতা অনুপ্রবেশ করেছে। তিনি বিশেষ করে মূল বাক্যের জরায়ুতে যতিচিহ্ন-চিহ্নিত নতুন বাক্য জুড়ে দিয়ে বক্তব্যকে সংহত রূপ দেওয়ার প্রয়াস পেয়েছেন। ঊনবিংশ শতকের শেষ পাদে বা বিশ শতকের প্রথমাংশে কার হাতে বাংলা গদ্যসাহিত্যে প্রথম এরূপ বাক্যকাঠামো প্রবর্তিত হয়েছিল তা নিরূপণ করার অপেক্ষা রাখে। তবে নিঃসংকোচে বলা চলে যে এর ফলে বাংলা গদ্যের আঙ্গিক ও স্বাদ বহুলাংশে বদলে গিয়েছিল। অন্যদিকে গদ্য লাভ করেছিল বক্তব্য প্রকাশের গভীরতর শক্তি ও বিস্তৃত অবকাশ। জীবনানন্দের গদ্য এই ঘরানারই উচ্চতর বিকাশ। তাঁর গদ্যভাষাতেও লক্ষ করা যায় অনুরূপ দীর্ঘ বাক্যে বহুতর বক্তব্য ধারণের প্রয়াস। অত্যুক্তি হবে না যে এভাবেই বাংলায় প্রবন্ধের যথোপযুক্ত একটি গদ্যভাষার প্রবর্তনা হয়েছিল। কিন্তু জীবনানন্দের রূপবন্ধ ও জটিলতা কেবল বাক্যপ্রকরণ রীতির মধ্যে সূত্রাবদ্ধ নয়, তাঁর শব্দ ব্যবহারের রীতিও অনন্যসাধারণ। শব্দচয়নে তিনি অক্লেশে তত্সম শব্দের আশ্রয় নিয়েছেন। তাঁর ব্যবহৃত সমাসবদ্ধ পদগুলো গদ্যের প্রকাশক্ষমতাকে বিস্তৃত করেছে।</p><blockquote>জীবনানন্দ দাশ একই বাক্যে ধারণ করেছেন বক্তব্যের নিহিতার্থ ও তার শর্ত; একই বাক্যে রয়েছে বক্তব্য ও তার বিশেষায়িত টীকা। একটি বাক্যের একদিকে রয়েছে মূল বক্তব্য, অন্যদিকে রয়েছে সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা। পূর্ণ বাক্য শেষে পূর্ণ যতির পরিবর্তে জীবনানন্দ দাশ অর্ধ-যতি ব্যবহার করে যুক্ত করেছেন আরেকটি পূর্ণ বাক্য; ফলে বাক্যের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পেয়েছে, অনুপ্রবেশ করেছে জটিলতা। সন্দেহ নেই এর ফলে ভাষার নির্মলতা হ্রাস পেয়েছে। কিন্তু অন্যদিকে তাঁর গদ্যভঙ্গিতে প্রোথিত হয়েছে সুললিত দার্ঢ্য যা গভীর ও সূক্ষ্ম চিন্তাসূত্রকে ধারণ করতে সক্ষম। এই গদ্যরীতির সঙ্গে ইউরোপীয় প্রবন্ধ সাহিত্যের গদ্যরীতির সাযুজ্য পরিলক্ষিত হয়।</blockquote><p>ভাষাচিন্তাও উপলব্ধির বাহন। চিন্তা ও উপলব্ধির গভীরতার ওপর নির্ভর করে ভাষার চারিত্র্য। নির্দ্বিধায় বলা চলে, জীবনানন্দ স্বীয় মননশীলতা ও অন্তর্দৃষ্টির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ একটি স্বতন্ত্র গদ্যকাঠামো প্রণয়নে সমর্থ হয়েছিলেন। এ পর্যায়ে জীবনানন্দ থেকে আরেকটি উদ্ধৃতি দেওয়া যেতে পারে। উদ্ধৃটি দীর্ঘ হলেও জীবনানন্দীয় গদ্যভঙ্গির অনেক বৈশিষ্ট্যই এতে অবধৃত ও পরিস্ফুট—</p><p>‘...আমি বলতে চাই না যে কাব্যের সঙ্গে জীবনের কোনো সম্বন্ধ নেই; সম্বন্ধ রয়েছে, কিন্তু প্রসিদ্ধ প্রকটভাবে নেই। কবিতা ও জীবন একই জিনিসেরই দুই রকম উত্সারণ; জীবন বলতে আমরা সচরাচর যা বুঝি তার ভিতর বাস্তব নামে আমরা সাধারণত যা জানি তা রয়েছে, কিন্তু এই অসংলগ্ন অব্যবস্থিত জীবনের দিকে তাকিয়ে কবির কল্পনা-প্রতিভা কিংবা মানুষের ইমাজিনেশন সম্পূর্ণভাবে তৃপ্ত হয় না; কিন্তু কবিতা সৃষ্টি করে কবির বিবেক সান্ত্বনা পায়, তার কল্পনা-মনীষা শান্তি বোধ করে, পাঠকের ইমাজিনেশন তৃপ্তি পায়। কিন্তু সাধারণত বাস্তব বলতে আমরা যা বুঝি তার সম্পূর্ণ পুনর্গঠন তবুও কাব্যের ভিতর থাকে না; আমরা এক নতুন প্রদেশে প্রবেশ করেছি। পৃথিবীর সমস্ত জল ছেড়ে দিয়ে যদি এক নতুন জলের কল্পনা করা যায় কিংবা পৃথিবীর সমস্ত দীপ ছেড়ে দিয়ে এক নতুন প্রদীপের কল্পনা করা যায়, তাহলে পৃথিবীর এই দিন, রাত্রি, মানুষ ও তার আকাঙ্ক্ষা এবং সৃষ্টির সমস্ত ধুলো সমস্ত কঙ্কাল ও সমস্ত নক্ষত্রকে ছেড়ে দিয়ে এক নতুন ব্যবহারের কল্পনা করা যেতে পারে। যা কাব্য—অথচ জীবনের সঙ্গে যার গোপনীয় সুড়ঙ্গলালিত সম্পূর্ণ সম্বন্ধ; সম্বন্ধের ধূসরতা ও নূতনতা। সৃষ্টির ভিতর মাঝে মাঝে এমন শব্দ শোনা যায়, এমন বর্ণ দেখা যায়, এমন আঘ্রাণ পাওয়া যায়, এমন মানুষের বা এমন অমানবীয় সংঘাত লাভ করা যায় কিংবা প্রভূত বেদনার সঙ্গে পরিচয় হয় যে মনে হয় এই সমস্ত জিনিসই অনেক দিন থেকে প্রতিফলিত হয়ে কোথাও যেন ছিল; এবং ভঙ্গুর হয়ে নয়, সংহত হয়ে, আরও অনেক দিন পর্যন্ত, হয়তো মানুষের সভ্যতার শেষ জাফরান রৌদ্রলোক পর্যন্ত, কোথাও যেন রয়ে যাবে; এইসবের অপরূপ উদ্গীরণ ভিতর এসে হৃদয়ে অনুভূতির জন্ম হয়, নীহারিকা যেমন নক্ষত্রের আকার ধারণ করতে থাকে তেমনি বস্তু-সঙ্গতির প্রসব হতে থাকে যেন হৃদয়ের ভিতরে; এবং সেই প্রতিফলিত অনুচ্চারিত দেশ ধীরে ধীরে উচ্চারণ করে ওঠে যেন সুরের জন্ম হয়; এই বস্তু ও সুরের পরিণয় শুধু নয়, কোনো কোনো মানুষের কল্পনামনীষার ভিতর তাদের একাত্মতা ঘটে, কাব্য জন্ম লাভ করে।’ (‘কবিতার কথা’)</p><p>জীবনানন্দ দাশ একই বাক্যে ধারণ করেছেন বক্তব্যের নিহিতার্থ ও তার শর্ত; একই বাক্যে রয়েছে বক্তব্য ও তার বিশেষায়িত টীকা। একটি বাক্যের একদিকে রয়েছে মূল বক্তব্য, অন্যদিকে রয়েছে সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা। পূর্ণ বাক্য শেষে পূর্ণ যতির পরিবর্তে জীবনানন্দ দাশ অর্ধযতি ব্যবহার করে যুক্ত করেছেন আরেকটি পূর্ণ বাক্য। ফলে বাক্যের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পেয়েছে, অনুপ্রবেশ করেছে জটিলতা। সন্দেহ নেই এর ফলে ভাষার নির্মলতা হ্রাস পেয়েছে। কিন্তু অন্যদিকে তাঁর গদ্যভঙ্গিতে প্রোথিত হয়েছে সুললিত দার্ঢ্য, যা গভীর ও সূক্ষ্ম চিন্তাসূত্রকে ধারণ করতে সক্ষম। এই গদ্যরীতির সঙ্গে ইউরোপীয় প্রবন্ধ সাহিত্যের গদ্যরীতির সাযুজ্য পরিলক্ষিত হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2020-10/e718c46f-023e-4595-ad60-bc6fe3c93747/Jibanananda_Das__1899_1954_.jpg"><figcaption>জীবনানন্দ দাশ</figcaption></figure><p>তথাপি লক্ষণীয় যে জীবনানন্দ তাঁর গদ্যে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত বাক্য-পদ-স্থাপনার রীতি অনুসরণ করেছেন। বস্তুত তার মূল অবদান একই বাক্যের কাঠামোতে যুক্তিসম্মত বিবিধ বাক্য, অণুবাক্য ও বাক্যাংশের সমাবেশ। ফলে ভাষার লৌকিক রীতি পরিত্যক্ত হয়েছে; প্রণীত হয়েছে এমন একটি বাক্যকাঠামো, যাতে একই বাক্যে একটি জটিল অথচ পূর্ণাঙ্গ চিন্তাসূত্র স্থান লাভ করেছে। লৌকিক ভাষায় বক্তব্য প্রকাশের যে পরমঙ্রা আমরা লক্ষ করি, জীবনানন্দের গদ্যভাষা তার বিপরীতে প্রবাহিত হয়েছে। লৌকিক ভাষার স্বভাবী শিথিলতা দূরীভূত করে জীবনানন্দ দাশ বাংলা গদ্যকে দিয়েছেন গভীর মননশীল বক্তব্য প্রকাশের অপরিমেয় শক্তি।</p><p>জীবনানন্দের অধিকাংশ গদ্য রচনাই ফরমায়েশি। সাহিত্য, শিক্ষা, সমাজ—এই তিনটি পরিক্ষেত্রে জীবনানন্দ প্রবন্ধ-নিবন্ধগুলো লিখেছেন। তাঁর বিশিষ্ট প্রবন্ধগুলোর শিরোনাম এ রকম—‘কবিতার কথা’, ‘রবীন্দ্রনাথ ও আধুনিক বাংলা কবিতা’, ‘মাত্রাচেতনা’, ‘উত্তররৈবিক বাংলা কাব্য’, ‘কবিতার আত্মা ও শরীর’, ‘কি হিসাবে কবিতা শাশ্বত’, ‘কবিতাপাঠ’, ‘দেশকাল ও কবিতা’, ‘সত্যবিশ্বাস ও কবিতা’, ‘রুচি, বিচার ও অন্যান্য কথা’, ‘কবিতার আলোচনা’, ‘আধুনিক কবিতা’, ‘বাংলা কবিতার ভবিষ্যৎ’, ‘কেন লিখি’, ‘রবীন্দ্রনাথ’, ‘শরত্চন্দ্র’, ‘কঙ্কাবতী ও অন্যান্য কবিতা’, ‘বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ভবিষ্যৎ’, ‘পৃথিবী ও সময়’, ‘যুক্তি, জিজ্ঞাসা ও বাঙালি’, ‘অর্থনৈতিক দিক’, ‘শিক্ষা ও ইংরেজি’, ‘শিক্ষা-দীক্ষা-শিক্ষকতা’, ‘শিক্ষার কথা’, ‘শিক্ষা সাহিত্যে ইংরেজী’ ও ‘শিক্ষা-দীক্ষা’। বলা যায়, সাহিত্য, বিশেষ করে কবিতা নিয়ে জীবনানন্দ বেশ কিছু প্রবন্ধ-নিবন্ধ উপহার দিয়েছেন। প্রতিটি রচনাই বহুমাত্রিক মৌলিক চিন্তাসূত্রের স্বাক্ষর বহন করে। তাঁর গদ্যভাষাভঙ্গি চিন্তাসূত্রের এই বহুমাত্রিকতা ধারণে সহায়ক হয়েছে বলেই মনে হয়। স্বীকার্য যে শব্দ প্রয়োগের নৈপুণ্য ভাষাকে শিল্পসম্মত সাহিত্যের পর্যায়ে উন্নীত করে। জীবনানন্দ দাশ এই অনুশীলনে যোগ করেছেন বাক্যগঠনরীতির সুচারু নিপুণতা। তবে তা কখনোই শূন্যগর্ভ বাক্চাতুর্যে পর্যবসিত হয়নি। জীবনানন্দের গদ্য গভীর অনুভূতির চৌকস প্রকাশ, যা বাংলা প্রবন্ধকে বৈশ্বিক অবস্থানে পৌঁছানোর পরিপূর্ণ ইঙ্গিত দিয়ে গেছে।</p><p>ব্রাসেলস, ১১ অক্টোবর ২০০৬</p>
ভিক্টোরিয়াস সিক্রেট ফ্যাশন শো ২০২৬-এর পিঙ্ক কার্পেটে কালো করসেট, কারুকাজ করা স্কার্ট আর ঝলমলে জ্যাকেটে তেমনই এক ব্যতিক্রমী সাজে হাজির হলেন বলিউড অভিনেত্রী তৃপ্তি দিমরি।
মিসরে রুটিকে বলা হয় এইশ। আরবি ভাষায় এইশ শব্দের অর্থ জীবন। রুটিকে যারা জীবন বলে ডাকে, তাদের কাছে এর গুরুত্ব কতটা, তা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছ। মিসরের সবচেয়ে পরিচিত রুটিগুলোর
<p>ঝালকাঠি ও পিরোজপুরের নদী-খালে এখন আমড়ার ভরা মৌসুম। বাগান থেকে নৌকায় করে হাটে আনা, বস্তাবন্দী আর ট্রাক বোঝাইয়ে ব্যস্ত। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure></figure>
তাহলে কি এসব খাবারের বিশেষ উপকার নেই? তা অবশ্য আছে। যেমন বেরি–জাতীয় ফলে অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট থাকে।
<p>অনেক বছর পর মামুন ভাই দেশে ফিরে এসেছেন। বিদেশে পড়াশোনা শেষ করে কোথায় চাকরি করবেন, সেটেলড হবেন; তা না করে ভাই চলে এলেন দেশে।</p><p>আমরা তখনো অনার্স শেষ করি নাই। লাইফটা এখনো বেশ রঙিন। ছোটবেলায় মামুন ভাই আমাদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলতেন। বেশির ভাগ সময়ই বল আর টেপের ব্যবস্থা তিনিই করতেন। কারণ, তাঁর পরিবারের আর্থিক অবস্থা বেশ ভালো ছিল। </p><p>আমরা আড্ডা দিচ্ছিলাম প্রাইমারি স্কুলের মাঠে। আমাদের দলে আমরা পাঁচজন। মামুন ভাই এসে বললেন, ‘তোরা নাকি দল বেঁধেই চলস? বিদেশে তো অনেক দিন ছিলাম। ভালো লাগল না। তোদের দলে আমাকে নিয়ে নে। আমার বন্ধুবান্ধব সব সেটেলড, দিন শেষে আবার তারা বউ-বাচ্চা নিয়ে ব্যস্ত। সারা দিন একা চলাফেরা ভালো লাগে না।</p><p>ওনাকে দুই দিন পরে জানাব বলে আমরা মিটিং করে সিদ্ধান্ত নিলাম, ওনাকে আমাদের দলে রাখা যায়। ওনাকে দলে রাখলে টাকাপয়সা নিয়ে টেনশন করতে হবে না আমাদের।</p><p>ওনার বন্ধুবান্ধব সবারই এক–দুইটা করে বাচ্চা আছে। অথচ মামুন ভাই বাইরে থাকার কারণে, বিয়েশাদি কিছুই করে নাই।</p><p>এলাকার যত সুন্দরী মেয়ে আছে তাদের খোঁজখবর নিতেন আমাদের কাছে। আমরা তেমন কিছুই মনে করতাম না। কারণ, তিনি এলাকার বাকি সবারও খোঁজ রাখতেন।</p><p>একদিন কলেজ মাঠে আমরা সবাই গেলাম কলেজের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে। মামুন ভাইয়ের খোঁজ নেই। যেই না মেয়েদের যেমন খুশি তেমন সাজে অনুষ্ঠান শুরু হলো, মামুন ভাই হঠাৎ সবাইকে ঠেলেঠুলে সামনে চলে এলেন! কলেজের এক ছেলে সেই ভিডিও আবার ছেড়ে দিছে ফেসবুকে। এলাকায় এটা নিয়ে সেই হাসাহাসি। অনেকে কমেন্ট করেছে হাসি আপাকে দেখতেই নাকি তিনি গেছেন।</p><p>আমাদের দলের একটা সুন্দর নাম আছে ‘ব্ল্যাক ড্রাগন’। এলাকার অনেক উন্নয়নকাজের সঙ্গে আমাদের সম্পৃক্ততা থাকায় বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে আমাদের ডাক পড়েই৷</p><p>এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় আমাদের আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং বলা হয় জাতীয় সংগীতের পরেই যেন প্রধান অতিথিদের সঙ্গে আমরা পেছনের সারিতে বসি। জাতীয় সংগীত শেষে হয়ে আমাদের নির্ধারিত স্থানে গিয়ে বসার পরও মামুন ভাইয়ের দেখা নেই। স্টেজ থেকে একটা চেয়ার সরিয়ে ফেলার পরেই মামুন ভাই স্টেজে উঠে যায় এবং বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন। দর্শকসারি থেকেও হাসির রোল ওঠে।</p><p>মামুন ভাই যে মনে মনে এলাকার হাসি আপাকে পছন্দ করতেন, তা আমরা তখনো জানতামই না। হাসি আপার বিয়ের দিন আমরা সবাই গিফট নিয়ে উপস্থিত। মামুন ভাই নাই। অথচ গিফটের পুরো টাকাই উনি দিছেন।</p><p>যখন বিয়ে পড়ানোর সময় হলো তখন মামুন ভাই হঠাৎ গাড়ি নিয়ে উপস্থিত ১০–১২ জন নিয়ে৷ সবার হাতেই লাঠি। জামাই পক্ষ এবং কাজি সাহেবকে বেধড়ক মাইর দিয়ে, সেই মাইরের ভিডিও পোস্ট করে লিখলেন, ‘এলাকায় বাল্যবিবাহ রোধ কর্মসূচি চলবেই।’ </p><p>এটা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কারণ, হাসি আপার বয়স ২৪। এলাকার কাউন্সিলের নির্দেশে ‘ব্ল্যাক ড্রাগন’ দল থেকে মামুন ভাইকে বহিষ্কারের নির্দেশ শোনা যায়৷ </p><p>এ নিয়ে মামুন ভাই পাল্টা পোস্ট করলেন গুজবে কান না দিতে। ‘আমি টাকা না দিলে “ব্ল্যাক ড্রাগন” এলাকায় এত কাজ করতে পারত না।’ ওই দিনই এলাকার কাউন্সিলর ২০০ চারা গাছ লাগান প্রাইমারি স্কুল ও কলেজের আশপাশে। সে আলোচনা কোথায় থাকবে মুখে মুখে, তা না। এ নিয়ে ব্ল্যাক ড্রাগনের সদস্যরাও বেশ বিব্রত। কারণ, কাউন্সিলর ব্ল্যাক ড্রাগনের অ্যাডভাইজার। আর তিনি সামনের নিবার্চনে এমপি পদপ্রার্থী হবেন বলে আশা করছেন।</p><p>ভোরেই আবার মামুন ভাইয়ের পোস্ট, আমি নিজ থেকে আজ দুপুর ১২টায় ‘ব্ল্যাক ড্রাগন’ থেকে পদত্যাগ করব। </p><p>প্রাইমারি স্কুলের মাঠে এসে দলের অন্য সদস্যদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তখন দলের প্রধান কামাল বলে উঠল, ‘আপনাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’</p><p>কিছু বলার আগেই দূরে পুলিশের গাড়ি দেখা যায়। মামুন ভাই উঠেই দৌড়। কারণ, বিয়ের বাড়িতে যে ঘটনা ঘটাইছে, তার জন্য মেয়েপক্ষ মামলা ঠুকে দিয়েছে।</p><p>তিন দিন পর মামুন ভাইয়ের পোস্ট বিদেশ থেকে হলেও ‘ব্ল্যাক ড্রাগনের’ পক্ষে এলাকার কাজ করে যেতে চান। একটা হাসির ইমোজিও যুক্ত করেন পোস্টে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/s5aevbjngs">রিয়াজুল, তুমি করিয়াছ ভুল</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/u86yf3kq5z">অজুহাতের কামব্যাক</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/6ivlyjbko1">চাঁদা নিয়ে বিখ্যাত কবি–সাহিত্যিকেরা যা লিখতেন</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/72zdocu7yj">এলাকার ট্যালেন্টেড বড় ভাই রবীন্দ্রনাথ</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/dkgc2prfwa">কোথায় কোথায় কালি মাখানো যায়?</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/z87t7zqecu">স্মার্টফোনের অবসর চেয়ে আবেদন</a></aside>
<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/040b9e86/204.jpg"><figcaption>জিন হার্লো ও চলচ্চিত্র প্রযোজক পল বার্ন</figcaption></figure><p>হলিউডের সোনালি যুগে রুপালি আভাযুক্ত স্বর্ণালি চুলের জন্য ‘প্ল্যাটিনাম ব্লন্ড’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন জিন হার্লো। পর্দায় আবেদনময়ী উপস্থিতি ও কৌতুকাভিনয়ের দক্ষতায় অল্প বয়সেই হয়ে উঠেছিলেন তারকা। সেই উত্থানের মধ্যেই তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে নেমে আসে বিপর্যয়। বিয়ের মাত্র দুই মাস পর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় স্বামী পল বার্নের গুলিবিদ্ধ মরদেহ। পাওয়া যায় একটি রহস্যময় চিঠিও। তদন্তে মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলা হলেও পরে সামনে আসে হত্যাকাণ্ডের তথ্য। প্রায় এক শতাব্দী পরও ঘটনাটি নিয়ে কৌতূহল রয়ে গেছে। কী ঘটেছিল সেদিন? </p><p><strong>তারকাখ্যাতির পথে</strong><br>জিন হার্লোর জন্মনাম হারলিন কারপেন্টার। ১৯১১ সালের ৩ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের মিজৌরি অঙ্গরাজ্যের কানসাস সিটিতে জন্ম তাঁর। অভিনয়ে এসে মায়ের বিয়ের আগের নাম ‘জিন হার্লো’ গ্রহণ করেন তিনি।<br> ১৯৩০ সালে হাওয়ার্ড হিউজের ‘হেলস অ্যাঞ্জেলস’ ছবিতে অভিনয় করে পরিচিতি পান হার্লো। এরপর ‘প্ল্যাটিনাম ব্লন্ড’ ও ‘রেড-হেডেড ওম্যান’ তাঁকে আরও আলোচনায় নিয়ে আসে। সৌন্দর্য ও পর্দার আবেদনের পাশাপাশি তাঁর কৌতুকাভিনয়ের সামর্থ্যও নজর কাড়তে থাকে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/elrnqjlv/Screenshot_2026_10_21_202719.jpg"><figcaption>জিন হার্লো ও চলচ্চিত্র প্রযোজক পল বার্ন</figcaption></figure><p><strong>আলোচিত বিয়ে</strong><br>পল বার্ন ছিলেন মেট্রো-গোল্ডউইন-মেয়ার বা এমজিএমের সহযোগী প্রযোজক এবং স্টুডিওর প্রযোজনা বিভাগের প্রধান আরভিং থালবার্গের ঘনিষ্ঠ সহকর্মী। হার্লোকে অভিনেত্রী হিসেবে গুরুত্ব দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর ক্যারিয়ার এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রেও বার্নের ভূমিকা ছিল।<br>পরিচয় থেকে ঘনিষ্ঠতা, এরপর বিয়ে। ১৯৩২ সালের ২ জুলাই বিয়ে করেন তাঁরা। তখন হার্লোর বয়স ২১ বছর, বার্নের ৪২। তাঁদের এই বিয়ে হলিউডে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।</p><p><strong>দুই মাস পরই বিপর্যয়</strong><br>১৯৩২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বেভারলি হিলসের বাড়িতে বার্নের গুলিবিদ্ধ মরদেহ পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে পাওয়া চিঠিটিকে কর্তৃপক্ষ তাঁর আত্মহত্যার চিরকুট হিসেবে বিবেচনা করে।<br>সে বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত টাইম সাময়িকীর প্রতিবেদনে চিঠিটির বিবরণ রয়েছে। তাতে বার্ন নিজের কোনো ভয়াবহ অন্যায় এবং গভীর অপমানবোধের কথা লিখেছিলেন। শেষের একটি বাক্যে আগের রাতকে ‘কমেডি’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। কিন্তু কোন ঘটনা বোঝাতে কথাটি লেখা হয়েছিল, তা স্পষ্ট ছিল না। চিঠির এই অস্পষ্ট ভাষা ঘটনাটিকে ঘিরে নানা প্রশ্নের জন্ম দেয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/exif2w2k/MV5BZTQ2NTczYjItMDgwNi00YmJjLTk5YTUtMzFjYmUwZDJkOTZlXkEyXkFqcGc___V1_.jpg"><figcaption>সিনেমার পোস্টারে জিন হার্লো</figcaption></figure><p><strong>সামনে আসে আরেক নারীর নাম</strong><br>বার্নের মৃত্যুর পর হার্লোও সাময়িকভাবে সন্দেহের মুখে পড়েছিলেন। তবে তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধের প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বার্নের মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।<br>তদন্তে উঠে আসে ডরোথি মিলেটের নাম। বার্নের সঙ্গে আগে তাঁর দাম্পত্যসদৃশ সম্পর্ক ছিল। একই সময়ে মিলেটের মৃত্যুও ঘটনাটিকে আরও আলোচনায় নিয়ে আসে।<br>যুক্তরাষ্ট্রের লাইব্রেরি অব কংগ্রেসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত চলচ্চিত্র গবেষক ড্যানিয়েল ইগানের ‘রেড ডাস্ট’–বিষয়ক নিবন্ধ অনুযায়ী, একটি স্টিমার থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মিলেটের মৃত্যু হয়। তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয় ১৪ সেপ্টেম্বর। তবে এ ঘটনাগুলো বার্নকে হত্যা করা হয়েছিল—এমন প্রমাণ দেয়নি।</p><p><strong>পুনঃ তদন্তেও বদলায়নি সিদ্ধান্ত</strong><br>পরবর্তী সময়ে বার্নের মৃত্যু নিয়ে নানা ব্যাখ্যা দিয়েছেন লেখক ও জীবনীকারেরা। চিত্রনাট্যকার বেন হেক্ট হত্যাকাণ্ডের সম্ভাবনা উত্থাপন করেন। ১৯৬০ সালে লস অ্যাঞ্জেলেসের ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির দপ্তর তদন্ত পুনরায় খোলে। হার্লোর বাড়ির কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু নতুন প্রমাণ না পাওয়ায় আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।<br>পরে বার্নের সহকর্মী স্যামুয়েল মার্ক্সও হত্যাকাণ্ডের তথ্য তুলে ধরেন। তাঁর দাবি ছিল, বার্নকে হত্যা করেছিলেন মিলেট এবং কেলেঙ্কারি এড়াতে ঘটনাটি আড়াল করেছিল এমজিএম। তবে এই দাবি প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্তের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তও বদলায়নি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/dhallywood/ips93m47z8">মোবাইল থাকলে বাপ্পারাজের দুষ্টুমি ভাইরাল হতো: ওমর সানী</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/xxy0c9jn/61SvJTFb3kL__AC_UF894_1000_QL80_.jpg"><figcaption>জিন হার্লো</figcaption></figure><p><strong>অভিনয়ে ফিরেছিলেন হার্লো</strong><br>স্বামীর মৃত্যুর সময় ‘রেড ডাস্ট’ ছবিতে কাজ করছিলেন হার্লো। ব্যক্তিগত বিপর্যয় ও সংবাদমাধ্যমের তীব্র কৌতূহলের মধ্যেও আবার শুটিংয়ে ফেরেন তিনি। এরপর ‘ডিনার অ্যাট এইট’ ও ‘বম্বশেল’–এর মতো ছবিতে অভিনয় করে হলিউডে নিজের অবস্থান আরও দৃঢ় করেন।</p><p>১৯৩৩ সালে চিত্রগ্রাহক হ্যারল্ড রসনকে বিয়ে করেন হার্লো। তবে পরের বছরই তাঁরা আলাদা হয়ে যান। হার্লোর জীবনও দীর্ঘ হয়নি। ১৯৩৭ সালের ৭ জুন কিডনি বিকল হয়ে মাত্র ২৬ বছর বয়সে মারা যান এই অভিনেত্রী।</p><p>হার্লোর মৃত্যুর পরও বার্নকে ঘিরে আলোচনা থামেনি। চিঠির দুর্বোধ্য ভাষা, অতীতের সম্পর্ক এবং পরবর্তী লেখকদের ভিন্ন ব্যাখ্যা ঘটনাটিকে বারবার সামনে এনেছে। তবে নানা জল্পনা সত্ত্বেও হত্যাকাণ্ডের তথ্য প্রমাণিত হয়নি। আনুষ্ঠানিকভাবে পল বার্নের মৃত্যু আত্মহত্যা হিসেবেই নথিভুক্ত রয়েছে।</p>
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক প্রাণঘাতী হামলার মুখে রয়েছে সৌদি আরব। এমন প্রেক্ষাপটে গতকাল বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এই নির্দেশের কথা জানাল।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ট্রাকচাপায় মো. শামীম (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত শামীম মুরগির দোকানের কর্মচারী ছিলেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভোরে এ দুর্ঘটনা ঘটে...
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ২৮ হাজার ৫৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারিকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-৭। এ সময় ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত নম্বরবিহীন একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে...
এক ভয়াবহ চক্রান্ত থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পেরেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, আল্লাহর রহমতে দেশনায়ক তারেক রহমান আমাকে ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহের চোখে দেখেন...
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বেসরকারি ফিরোজা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিজারিয়ান অপারেশনের পর জান্নাতুল খাতুন (১৯) নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে...
মুক্তির এখনও ১৫ দিন বাকি। এর মধ্যেই অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে দারুণ সাড়া ফেলেছে রণবীর কাপুর ও যশ অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘রামায়ণ.....
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশে যাত্রীবেশে বাসে করে ইয়াবা বহনের সময় ৯ হাজার ৬২০ পিস ইয়াবাসহ মো. ফরহাদ-উজ-জামান জয় (৩৪) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে...
অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে এমন ঘটনা সচরাচর ঘটে না। গেবেখায় মার্কো জানসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে মাত্র ৯৯ রানেই অলআউট হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তাতে সফরকারীদের ফলোঅন করিয়েছে প্রোটিয়ারা...
খুলনায় মো. তুষার (৩২) নামে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে নগরীর মিস্ত্রিপাড়া বাজারের...
সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে দুই বাংলাদেশিকে বাঁচাতে জেদ্দায় বাংলাদেশ মিশনের কোনো চেষ্টাও ছিল না; প্রশাসনে ঘন ঘন রদবদলে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা নিয়ে উদ্বেগ এবং সড়ক দুর্ঘটনায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশুদের প্রাণহানির ঘটনা খবর আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার পত্রিকায় গুরুত্ব পেয়েছে।
সৌদি আরব থেকে ফিরে আসা নারী কর্মীদের নিয়ে কাজ করে এমন সংস্থাগুলো বলছে, মূলত শারীরিক মানসিক নিপীড়ন, ঠিকমতো বেতন না পাওয়া কিংবা একেবারেই না পাওয়া এবং যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়াটাই অধিকাংশ নারী শ্রমিকের ফিরে আসার মূল কারণ।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানাচ্ছে, বিভিন্ন সময় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া বিদেশি নাগরিকদের অনেকেরই মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে ফেরত দেয়নি সৌদি সরকার। কিছুক্ষেত্রে মরদেহ কোথায় দাফন করা হয়েছে, সেই তথ্যও স্বজনদের না জানানোর অভিযোগ পেয়েছে মানবাধিকার সংস্থাটি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার একটি জনসভায় আওয়ামী লীগ ও জামায়াতকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, তার কাছে পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে দুই পক্ষ এক হয়ে গেছে। তার এই বক্তব্য ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকার বিষয়টি নতুন করে সামনে আসছে।
পৃথক বিক্ষোভের ঘটনায় সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। অভিজিৎ দীপকে আদালত থেকে মুক্তি পেলেও আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাস বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।
স্যাটেলাইট চিত্র থেকে কিম কীভাবে ছুটি কাটান সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়, যা বেশিরভাগ উত্তর কোরীয়দের নাগালের বাইরে। দেশটির মানুষেরা যেখানে খাবার জোটাতে হিমশিম খান, সেখানে দেশটির নেতা চারটি প্রমোদতরীতে ঘনঘন সময় কাটাচ্ছেন - এটা অনেকেই ভাবতে পারেন না।
এমন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে যে, একসময় বিশ্বজুড়ে একঘরে হয়ে থাকা মিয়ানমারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র তার নীতি পরিবর্তন করছে।
এ দুটি ঘটনায় কী বোঝাতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি কী দলের ভেতরে ক্রমশ নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়া নেতাদের সামলানোর চেষ্টা থেকে এই পদক্ষেপ নিয়েছেন ? নাকি শুধু দল ও সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার চেষ্টা করেছেন তিনি? কিংবা 'বিতর্ক তৈরি করলেই' পদ হারাতে হবে- এই কঠিন বার্তাই দিতে চেয়েছেন দলের নেতাদের।
বৃষ্টি নেই, তবু সড়কে জমে আছে হাঁটুপানি। সেই পানি মাড়িয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে শিশুদের, একই পথে চলাচল করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ পথচারীরা।
নদীভাঙন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও বৃষ্টিপাতের অনিয়মে মানিকগঞ্জের মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ক্রমেই ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস আজ। সড়ক দুর্ঘটনা রোধ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছর ২২ অক্টোবর বাংলাদেশে এই দিবসটি পালন করা হয়।
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরো আটজন আহত হয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৃহস্পতিবারের (২২ অক্টোবর) বাগেরহাটের মোংলা বন্দর ও খুলনার দাকোপ উপজেলা সফরকে ঘিরে দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শিল্পায়ন ত্বরান্বিত হওয়ার আশায় রয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তারা।
বলিউড অভিনেত্রী বিদ্যা বালান অভিনীত আলোচিত সিনেমা ‘দ্য ডার্টি পিকচার’।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জহির ফকির নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।