জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত ও অত্যাধুনিক অস্ত্রের মজুতে টান, তীব্র সংকটে মার্কিন বাহিনী

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত ও অত্যাধুনিক অস্ত্রের মজুতে টান, তীব্র সংকটে মার্কিন বাহিনী
যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত ও অত্যাধুনিক অস্ত্রের মজুতে টান, তীব্র সংকটে মার্কিন বাহিনী

ইরানের সঙ্গে কয়েক মাসের সরাসরি যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী কৌশলগত অস্ত্রের ঘাটতিতে এবং অত্যাধুনিক অস্ত্র সরবরাহের ক্ষেত্রে তীব্র সংকটের মুখে পড়েছে।

মার্কিন সরকারের একটি বিশেষ নজরদারি সংস্থার প্রতিবেদনে সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে মার্কিন ঘাঁটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির বিবরণও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটির শত শত কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর (পেন্টাগন), পররাষ্ট্র দপ্তর এবং ইউএসএআইডির পরিদর্শক জেনারেলদের যৌথ মূল্যায়নে এ চিত্র উঠে এসেছে।

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন সামরিক সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ গোলাবারুদ ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক হিসাব প্রকাশ।

যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা বিশেষজ্ঞদের প্রাক্কলন অনুযায়ী, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত যুদ্ধ–পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে প্রতিরক্ষা খাতের ঠিকাদারদের অন্তত তিন বছর লাগবে।

এ প্রতিবেদনে মার্কিন ঘাঁটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির বিবরণও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটির শত শত কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

ইসরায়েলে থাড ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

দেশগুলো হলো কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইরাক, ওমান ও জর্ডান। এসব হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু যুদ্ধবিমান ও ড্রোনও ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
কাদেরসহ ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ ডাকসুর
কাদেরসহ ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ ডাকসুর

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) মিষ্টি বিতরণ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং সমাজসেবা সম্পাদক এবি জোবায়ের (জুবায়ের বিন নেসারী) ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ করেন। এসময় শিক্ষার্থী, পথচারী, রিকশাচালকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সাত আসামিকেই মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। আরও পড়ুন মানবতাবিরোধী অপরাধ / আওয়ামী লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগ তিন সংগঠনেরই সভাপতি-সেক্রেটারির ফাঁসির আদেশ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। সাত আসামির সবাই পলাতক। রায়ে ওবায়দুল কাদের, বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ ও মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করারও আদেশ দেওয়া হয়েছে। বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবার ও আহতদের মধ্যে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। যেভাবে শুরু হয় বিচার মামলাটির তদন্ত শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৮ জুন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৭ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয় এবং একই দিন অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২। পরবর্তী সময়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, স্টেট ডিফেন্স নিয়োগসহ বিভিন্ন ধাপের শুনানি শেষে ২০২৬ সালের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য ও প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৯ জন সাক্ষ্য দেন। গত ২ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। আরও পড়ুন কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড: সাত আসামির কার কী অপরাধ এরপর ৪ আগস্ট থেকে প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শুরু হয়। ১৭ আগস্ট প্রসিকিউশন ও স্টেট ডিফেন্সের যুক্তিতর্ক শেষ হলে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করা হয়। প্রসিকিউশনের অভিযোগ ছিল, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন এবং বিভিন্ন পর্যায়ে সহিংসতা ও দমন-পীড়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাদের বিচার অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়। আরটি/এমকেআর

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে মহিলা দলের ঝাড়ু মিছিল

এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে মহিলা দলের ঝাড়ু মিছিল

সমাহিত হলেন নির্মাতা মারুফ হোসেন সজীব

সমাহিত হলেন নির্মাতা মারুফ হোসেন সজীব

আবারও ২০২৪-এর মতো পরিস্থিতি চাই না: টিআইবি

আবারও ২০২৪-এর মতো পরিস্থিতি চাই না: টিআইবি

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ৪ বছরের বেশি থাকতে না দেওয়ার ট্রাম্পের নীতি স্থগিত করলেন আদালত
যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ৪ বছরের বেশি থাকতে না দেওয়ার ট্রাম্পের নীতি স্থগিত করলেন আদালত

নিজেদের কঠোর অভিবাসন নীতি কার্যকর করতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন বড় দুটি ধাক্কার মুখে পড়েছে। একদিকে ফেডারেল আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত ভিসা নীতি স্থগিত করে দিয়েছেন। অন্যদিকে প্রায় দুই ডজন অঙ্গরাজ্য অভিবাসীদের স্থায়ী বসবাসের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই শুরু করেছে।বিদেশি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের সময়সীমা নির্দিষ্ট করে একটি ভিসা নীতি গ্রহণ করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার এ নীতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এর আগেই গতকাল সোমবার একজন ফেডারেল বিচারক এটি স্থগিত করে দেন।প্রস্তাবিত ভিসা নীতি অনুযায়ী, শিক্ষার্থী ভিসায় বিদেশিরা যুক্তরাষ্ট্রে চার বছরের বেশি অবস্থান করতে পারবেন না। আর বিদেশি সাংবাদিকেরা ভিসা নিয়ে দেশটিতে অবস্থান করতে পারবেন মাত্র ২৪০ দিন, যদিও তাঁরা বাড়তি ২৪০ দিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকার আবেদন করতে পারবেন।২০২৫ সালের আগস্টে প্রস্তাবিত ওই ভিসা নীতি অনুযায়ী, শিক্ষার্থী ভিসায় বিদেশিরা যুক্তরাষ্ট্রে চার বছরের বেশি অবস্থান করতে পারবেন না। আর বিদেশি সাংবাদিকেরা ভিসা নিয়ে দেশটিতে অবস্থান করতে পারবেন মাত্র ২৪০ দিন, যদিও তাঁরা বাড়তি ২৪০ দিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকার আবেদন করতে পারবেন।মার্কিন শ্রমিক ইউনিয়ন ও উচ্চশিক্ষা–বিষয়ক সংগঠনগুলোর জোটের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বোস্টনের ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক এফ ডেনিস সেলর (চতুর্থ) হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের এ নীতি কার্যকর হওয়ার এক দিন আগে তা স্থগিত করার আদেশ দিলেন।সাবেক রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের নিয়োগ দেওয়া বিচারক সেলর বলেন, বিদ্যমান ব্যবস্থার মাধ্যমে কোটি কোটি শিক্ষাবিদ যুগান্তকারী গবেষণা ও উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক সম্প্রসারণে অবদান রেখেছেন। প্রস্তাবিত ভিসা নীতির কারণে উচ্চশিক্ষা ও যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক অর্থনীতিতে যে ক্ষতি হবে, তা বিপর্যয়কর হতে পারে।আইনি ভাষায় ‘পাবলিক চার্জ’ বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রধানত সরকারি ভাতা ও অনুদানের ওপর নির্ভরশীল।এফ ভিসাধারী প্রায় ১৬ লাখ বিদেশি শিক্ষার্থী এবং শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির (এক্সচেঞ্জ ভিজিটর ভিসা) আওতায় প্রায় ৫ লাখ জে ভিসাধারী ট্রাম্প প্রশাসনের এ ভিসা নীতির আওতায় পড়তেন।বিচারক সেলর বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ও ভিসা কর্মসূচিতে জালিয়াতি ঠেকানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলে ট্রাম্প প্রশাসন যে যুক্তি দিয়েছে, তা অত্যন্ত দুর্বল।‘পাবলিক চার্জ’ নীতির বিরুদ্ধে মামলাএদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের ‘পাবলিক চার্জ’ নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ২২টি অঙ্গরাজ্য ও ওয়াশিংটন ডিসিতে মামলা হয়েছে। গতকাল ম্যানহাটানের একটি ফেডারেল আদালতেও দুটি মামলা হয়েছে। নীতিটি আগামী শুক্রবার কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।আইনি ভাষায় ‘পাবলিক চার্জ’ বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রধানত সরকারি ভাতা ও অনুদানের ওপর নির্ভরশীল।'পাবলিক চার্জ' নীতির কার্যকারিতা বন্ধে ডি ব্লাজিওর মামলানতুন নিয়ম অনুযায়ী, গ্রিন কার্ড বা স্থায়ী অবস্থানের আবেদনকারীরা যদি ‘পাবলিক চার্জ’ হিসেবে বিবেচিত হন, তবে মার্কিন প্রশাসন চাইলে তাঁদের সেই আবেদন সরাসরি বাতিল বা প্রত্যাখ্যান করতে পারবে।বিদ্যমান নীতিতে একজন ব্যক্তিকে ‘পাবলিক চার্জ’ হিসেবে বিবেচনার ক্ষেত্রে সরকারি সুবিধা গ্রহণের বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা আছে। ট্রাম্পের প্রস্তাবিত নীতিমালায় এ নির্দেশনা সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে মূলত কোনো অভিবাসীকে ‘পাবলিক চার্জ’ হিসেবে বিবেচনা করার ক্ষেত্রে অভিবাসন কর্মকর্তাদের ক্ষমতা বৃদ্ধির কথা বলা আছে। এতে করে নগদ অর্থ নয়—এমন সরকারি সহায়তা পাওয়াকেও ‘পাবলিক চার্জ’ হিসেবে বিবেচনা করতে পারবেন কর্মকর্তারা।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পতা ছাড়া ট্রাম্পের প্রস্তাবিত নীতিমালায় অভিবাসী পরিবারগুলো জানতেও পারবে না, কোন সেবা নিলে তাদের ‘পাবলিক চার্জ’ হিসেবে গণ্য করা হতে পারে। ফলে মেডিকেডের মতো বিনা মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, খাবার কার্ডসহ অন্যান্য সেবা নিলে তাদের বিপদে পড়তে হতে পারে।নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া ও ইলিনয়সহ ২২টি অঙ্গরাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসি কর্তৃপক্ষ প্রস্তাবিত ওই নীতির বিরুদ্ধে মামলা করেছে। ছয়টি শহর ও কাউন্টিও আলাদা এক মামলায় নীতিটিকে চ্যালেঞ্জ করেছে।বিদেশি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের সময় কমাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসননিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি এক বিবৃতিতে বলেন, এ নীতির লক্ষ্য হলো অভিবাসী পরিবারগুলোকে এমন কর্মসূচি থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া, যেগুলো বহু দশক ধরে মানুষকে খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে।মামলাগুলোতে বলা হয়েছে, স্থায়ী বসবাসের (গ্রিন কার্ড) যোগ্যতা ঠিক করার একক ক্ষমতা একমাত্র মার্কিন কংগ্রেসের। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে নিজেরাই নতুন নীতি কার্যকর করতে চাইছে। তারা তাদের আইনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে।বাদীদের যুক্তি, খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তার মতো বৈধ সরকারি সুবিধা গ্রহণের কারণে কারও স্থায়ী বসবাসের আবেদন বাতিল বা অধিকার কেড়ে নেওয়া বেআইনি। ট্রাম্প প্রশাসনের এ নীতি দেশটির আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
আত্মহত্যার চেষ্টা থেকে করুণ মৃত্যু, খ্যাতির আড়ালে বেবি নাজের করুণ জীবন

আত্মহত্যার চেষ্টা থেকে করুণ মৃত্যু, খ্যাতির আড়ালে বেবি নাজের করুণ জীবন

গুলশানে আ’লীগের মিছিলের বিষয়ে তথ্য ছিল, তবে পুলিশ আন্দাজ করতে পারেনি

গুলশানে আ’লীগের মিছিলের বিষয়ে তথ্য ছিল, তবে পুলিশ আন্দাজ করতে পারেনি

সাতক্ষীরায় বিআরটিসি বাসের চাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

সাতক্ষীরায় বিআরটিসি বাসের চাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

সৌদির তেল ফুরিয়ে যেতে পারে কয়েক দিনের মধ্যেই
সৌদির তেল ফুরিয়ে যেতে পারে কয়েক দিনের মধ্যেই

  মরুভূমির বুক চিরে তেল পৌঁছে দিত যে পাইপলাইন, ড্রোন হামলার কারণে সেটিই এখন বন্ধ। এত দিন এ পাইপলাইন দিয়ে সৌদি আরবের তেল পৌঁছেছে লোহিত সাগরের বন্দরে। এখন দ্রুত পাইপলাইনটি চালু করা না গেলে কয়েক দিনের মধ্যেই রপ্তানির জন্য সৌদি আরবের তেলের মজুত ফুরিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তেল ব্যবসায়ীরা। গত রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবিতে পাইপলাইনের একটি পাম্পিং স্টেশনের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখা গেছে। ছবিতে স্টেশনটির একটি অংশ পুড়ে কালো হয়ে যেতে দেখা যায়। গত শুক্রবার ড্রোন হামলার পর থেকেই পাইপলাইনটির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে, ক্ষয়ক্ষতি কতটা হয়েছে এবং এটি কবে নাগাদ চালু হবে, সে বিষয়ে সৌদি আরব এখনো বিস্তারিত জানায়নি। আরও পড়ুন ইয়েমেনে তাইজের দিকে এগোচ্ছে সরকারি বাহিনী, বাড়ছে মানবিক সংকট বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবের জন্য এই পাইপলাইন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত ছয় মাস ধরে হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থার কারণে তেল পরিবহনে এটিকে বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। এ পাইপলাইন দিয়েই প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে নেওয়া সম্ভব হতো। এ পরিমাণ বিশ্বে প্রতিদিন সরবরাহ হওয়া মোট তেলের প্রায় ৪ শতাংশ। তবে, পাইপলাইনটি বন্ধ থাকায় ইয়ানবু বন্দরে থাকা তেলের মজুত দিয়ে আর মাত্র পাঁচ থেকে সাত দিন রপ্তানি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন সৌদি তেল রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত তিনটি সূত্র। আরও পড়ুন ইয়েমেনে অস্ত্র তৈরিতে এআই ব্যবহারের চেষ্টা মিসরের আইন সোখনা ও সিদি কেরির বন্দরেও সৌদি আরবের কিছু তেল মজুত রয়েছে। সেখান থেকেও কয়েকদিন রপ্তানি চালানো সম্ভব হবে। তবে, পাইপলাইনটি আবার চালু না হলে এসব মজুতও শেষ হয়ে যাবে। গত শুক্রবারের হামলার জন্য ইরাক থেকে আসা ড্রোনকে দায়ী করেছে সৌদি আরব। তবে, সৌদি সরকারের মিডিয়া অফিস ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় ক্ষয়ক্ষতি এবং মেরামতের সময় নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দুই সৌদি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাইপলাইনটি কয়েক সপ্তাহ ধরে বেশির ভাগ সময় বন্ধ থাকতে পারে। তবে, এটি কত দিনে পুরোপুরি চালু হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। আরও পড়ুন তেলের পথে যুদ্ধের আগুন, সবার নজর সৌদি আরবে এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে একটি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তবে আরেকটি সূত্রের ধারণা, এর আগেই মেরামতের কাজ শেষ করা সম্ভব। একই সঙ্গে, মেরামতের কাজ চলার সময় পাইপলাইনের কিছু অংশ দিয়ে আংশিকভাবে তেল সরবরাহ শুরু করা যেতে পারে বলেও ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান এমডিআরএইচ/

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের রায়ে জুলাই শহীদ পরিবারের সন্তুষ্টি প্রকাশ

সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের রায়ে জুলাই শহীদ পরিবারের সন্তুষ্টি প্রকাশ

পুরো সড়ক বন্ধ করে নির্মাণ কাজ, চলাচলে ভোগান্তিতে মানুষ

পুরো সড়ক বন্ধ করে নির্মাণ কাজ, চলাচলে ভোগান্তিতে মানুষ

বিবেকের চোখে গণতন্ত্র ও নৈতিকতা

বিবেকের চোখে গণতন্ত্র ও নৈতিকতা

0 Comments