জাতীয়

সুডোকু সমাধান করে A, B, C, D, E এর মান বের কর?

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0

সুডোকু নিয়ে নিয়মিত আয়োজন থাকছে গণিত ইশকুলে।

আজ সুডোকু পর্ব–৭ এ সুডোকু সমাধান করে A, B, C, D, E এর মান বের কর? গণিত ইশকুলের ফেসবুক পেজে পোস্টের মন্তব্যে ঘরে উত্তর জানিয়ে দাও।

ফেসবুক পেজের লিংক https://www.facebook.com/PA.GonitIshkul

স্ট্যানফোর্ডে পড়াশোনার সুযোগ অনলাইনে, নেই টিউশন ফি, যাঁরা আবেদনের যোগ্য
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে তৈরি কমিক বই পড়ানো হবে পশ্চিমবঙ্গের শিশু স্কুলে
নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে তৈরি কমিক বই পড়ানো হবে পশ্চিমবঙ্গের শিশু স্কুলে

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এবং তাঁর বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য কাজ সম্পর্কে শিশুদের সচেতন করতে প্রকাশিত হতে চলেছে একটি বাংলা কমিক বই। পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ১ লাখ ১৯ হাজার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পাঠরত প্রায় ৬৯ লাখ শিশুর হাতে এই বই তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্যের বিজেপি সরকার। অঙ্গনওয়াড়ি শিশুকেন্দ্রে গ্রামীণ শিশুদের একেবারে প্রাথমিক স্তরের পড়াশোনার পাশাপাশি পুষ্টি বাড়াতে খাবারদাবার দেওয়া হয়। সম্প্রতি রাজ্য সরকারের এক শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর জীবন আলেখ্য থাকা এই কমিক বইয়ে নরেন্দ্র মোদির গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হওয়া থেকে শুরু করে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং তাঁর নেতৃত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নতির নানা চিত্র তুলে ধরা হবে। বইটিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতিতে তৃতীয় বৃহৎ রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের উত্তরণের ঘটনাবহুল যাত্রা।পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সচিবালয় নবান্ন সূত্রে আরও জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত আয়োজিত ‘সেবা সংকল্প’ প্রচার অভিযানের অংশ হিসেবে এই কমিক বই বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এই সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পদে নরেন্দ্র মোদির মেয়াদকালে শুরু হওয়া কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পগুলো থেকে সাধারণ মানুষ কীভাবে লাভবান হয়েছে, তা সবিস্তারে নথিবদ্ধ করবেন রাজ্য সরকারের কর্মীরা।রাজ্য নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণ দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই প্রচার অভিযান চলার সময় তিনটি নির্দিষ্ট দিনে শিশুদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর জীবনকাহিনি–সংবলিত কমিক বইটি বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই বইগুলো ছাপা হচ্ছে এবং খুব শিগগির সেগুলো এসে সরকারি দপ্তরে পৌঁছালে বিতরণের তারিখ চূড়ান্ত করা হবে। নির্ধারিত দিনে যাতে সব ছাত্রছাত্রী উপস্থিত থাকে, সে ব্যাপারে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলোতে আগে থেকেই বিস্তারিত সময়সূচি জানিয়ে দেওয়া হবে।এর আগে ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনী প্রচার শুরু হওয়ার ঠিক আগে মার্চ মাসে প্রকাশিত হয়েছিল নরেন্দ্র মোদির শৈশবগাথা অনুসারে তৈরি কমিক বই ‘বাল নরেন্দ্র: চাইল্ডহুড স্টোরিজ অব নরেন্দ্র মোদি’। বইটির নির্মাতা আহমেদাবাদের ‘ব্লু স্নেইল অ্যানিমেশন’ এবং প্রকাশক রানাডে প্রকাশন। ৪৫-৪৮ পৃষ্ঠার এই কমিক বইটিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছোটবেলার ১৭টি বাস্তব ঘটনা ও সাহসিকতার গল্প সচিত্র আকারে তুলে ধরা হয়েছিল। বইয়ে উল্লেখিত কাহিনির তালিকায় ছিল শিশু মোদির নদী থেকে কুমিরের বাচ্চা ধরা এবং ডুবন্ত ছেলেকে উদ্ধার করার মতো রোমহর্ষক ঘটনাপঞ্জি। তবে বইটি ‘অত্যন্ত বিরক্তিকর এবং শিশুমনে ন্যূনতম আগ্রহ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ’ বলে মন্তব্য করেছিলেন গ্রন্থ সমালোচকদের একাংশ।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কী উদ্যোগ, প্রতিবেদন চেয়েছে সংসদীয় কমিটি

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কী উদ্যোগ, প্রতিবেদন চেয়েছে সংসদীয় কমিটি

আবাহনী মাঠের বরাদ্দ বাতিল, দেখভাল করবে সরকার

আবাহনী মাঠের বরাদ্দ বাতিল, দেখভাল করবে সরকার

সমালোচনার মুখে ‘অচেনা’ তিন প্রবাসীকে উপদেষ্টা করার সিদ্ধান্ত স্থগিত

সমালোচনার মুখে ‘অচেনা’ তিন প্রবাসীকে উপদেষ্টা করার সিদ্ধান্ত স্থগিত

৩০ বলে সেঞ্চুরি, পাওয়ার প্লেতে বিশ্ব রেকর্ড—ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে অভিষেকের ইতিহাস
৩০ বলে সেঞ্চুরি, পাওয়ার প্লেতে বিশ্ব রেকর্ড—ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে অভিষেকের ইতিহাস

না, দ্রুততম সেঞ্চুরির বিশ্ব রেকর্ড ভাঙতে পারেননি। আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটা এস্তোনিয়ার সাহিল চৌহানেরই রইল।তবে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন ভারতের অভিষেক শর্মা। আজ দিল্লিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ৩০ বলে সেঞ্চুরি করেছেন ভারতের এই ওপেনার। যা আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টি ইতিহাসে তৃতীয় দ্রুততম। তবে এই সেঞ্চুরির পথেই অভিষেক গড়েছেন পাওয়ার প্লেতে সবচেয়ে বেশি রানের বিশ্ব রেকর্ড। ভারতের ইনিংসের প্রথম ছয় ওভারের মধ্যেই একাই ৭৬ রান তুলেছেন অভিষেক।দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে সিরিজের তৃতীয় টি-টুয়েন্টিতে আফগানিস্তান টসে জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠায়। শুরুতে পিচ বোলারদের সহায়তা করবে, এমন আশাই ছিল আফগান অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরানের। কিন্তু সেটা যে কত বড় ভুল ছিল, খেলা শুরু হওয়ার পর তা হাড়ে হাড়ে টের পেতে শুরু করে আফগানিস্তান। প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে প্রথম বাউন্ডারি মারা অভিষেক দ্বিতীয় ওভার থেকে রীতিমতো তাণ্ডব শুরু করেন। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ওভার থেকে ২টি ছক্কা ১টি চার, এরপর ফজলহক ফারুকির তৃতীয় ওভার থেকে ২টি ছক্কা ২টি চার... আক্রমণের গতি শুধু বেড়েছেই।আইসিসি পূর্ণ সদস্যে দেশগুলোর মধ্যে আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরিচতুর্থ ওভারে বোলিংয়ে আসা মুজিব উর রেহমানকে ছক্কা মেরে ১৪ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন অভিষেক। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে রশিদ খানের বল খেলেছেন চারটি, দুটিতে চার একটি ছক্কা। ৬ ওভার শেষে ভারতের রান ১০০, অভিষেকেরই ২২ বলে ৭৬।আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে পাওয়ার প্লেতে সবচেয়ে বেশি ব্যক্তিগত রানের রেকর্ড ছিল পর্তুগালের কুলদীপ গোলিয়ার। ২০২৩ সালে মাল্টার বিপক্ষে ২৫ বলে ৭৪ রান করেছিলেন তিনি। ৩ বল কম খেলেই তাঁকে ছাড়িয়ে গেছেন অভিষেক।টি–টুয়েন্টিতে পাওয়ার প্লেতে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চউদ্বোধনী জুটিতে ১৪২ রান পেয়ে যাওয়া ভারত শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২২১ রান তোলে। অভিষেক ৩৪ বলে ১০৮ রান করে রশিদের বলে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ দেন। তাঁর ইনিংসে ৯ চারের সঙ্গে ছিল ১১ ছক্কা।এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩ ওভারে বিনা উইকেটে ৩১ রান তুলেছিল আফগানিস্তান।হ্যাটট্রিকের কথা ভুলেই গিয়েছিলেন খালেদ

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
রাজধানীর একাধিক লেকের দূষণ রোধে উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এবং অন্যান্য খবর

রাজধানীর একাধিক লেকের দূষণ রোধে উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এবং অন্যান্য খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহ-মালেকের ছবি মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস বিকৃতি: গণতান্ত্রিক যুক্ত ফ্রন্ট

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহ-মালেকের ছবি মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস বিকৃতি: গণতান্ত্রিক যুক্ত ফ্রন্ট

সেপটিক ট্যাংকে নেমে অসুস্থ, হাসপাতালে রাজমিস্ত্রিসহ দুজনের মৃত্যু

সেপটিক ট্যাংকে নেমে অসুস্থ, হাসপাতালে রাজমিস্ত্রিসহ দুজনের মৃত্যু

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে সিট দখল, র‍্যাগিং ও ধূমপান নিষিদ্ধ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে সিট দখল, র‍্যাগিং ও ধূমপান নিষিদ্ধ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনসেবায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাসে সিট দখল, র‍্যাগিং, শিক্ষার্থীকে হয়রানি, ধূমপান ও মাদকদ্রব্য বহন বা সেবন নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক তারেক বিন আতিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন অফিসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব একতলা, দ্বিতল ও বিআরটিসি থেকে ভাড়া করা বাসে শিক্ষার্থীদের বসার সিট পূর্বেই খাতা, কলম, পানির বোতল, ব্যাগ, মানিব্যাগ কিংবা কাগজ রেখে দখল করার অসৌজন্যমূলক চর্চা লক্ষ করা যাচ্ছে। পাশাপাশি বাস কমিটির প্রভাব খাটানো এবং নবীন শিক্ষার্থীদের আসন পেতে বাধা সৃষ্টি বা হেনস্তা করার বিষয়ও প্রশাসনের নজরে এসেছে।বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এ ধরনের আচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুস্থ পরিবেশ, সাধারণ শিষ্টাচার ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের পরিপন্থী। কোনো শিক্ষার্থীর ওপর প্রভাব বিস্তার বা সিট দখলের নামে অসম আচরণ, র‍্যাগিংয়ে শামিল হওয়া শৃঙ্খলাভঙ্গ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী কঠোর প্রশাসনিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সরকারি আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক পরিবহনের কোনো যানবাহনের অভ্যন্তরে ধূমপান এবং যেকোনো ধরনের মাদকদ্রব্য বহন বা সেবন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।বাস ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগে শিক্ষার্থীদের জন্য বাসের দরজা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চালক ও হেলপারদের নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগে দরজা খুলে দেওয়ার এবং বাসে কোনো অবৈধ সিট দখল বা বিশৃঙ্খলা না ঘটে, তা নিশ্চিত করে প্রশাসনকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনসেবাকে সুশৃঙ্খল, শিক্ষার্থীবান্ধব ও র‍্যাগিংমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছে প্রশাসন।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
ক্ষমা চাওয়া, দল বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত থেকে কেন সরে এসেছিল জামায়াত

ক্ষমা চাওয়া, দল বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত থেকে কেন সরে এসেছিল জামায়াত

আবার অশান্ত মণিপুর, অন্তত দুজন নিহত

আবার অশান্ত মণিপুর, অন্তত দুজন নিহত

ময়মনসিংহে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে শিশুকে যৌন নির্যাতন ও হত্যা, কিশোর আটক

ময়মনসিংহে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে শিশুকে যৌন নির্যাতন ও হত্যা, কিশোর আটক

0 Comments