জাতীয়

সংসদে জনগণের কষ্টের কথা বলতে দিচ্ছে না সরকার: বিরোধীদলীয় নেতা

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
সংসদে জনগণের কষ্টের কথা বলতে দিচ্ছে না সরকার: বিরোধীদলীয় নেতা
সংসদে জনগণের কষ্টের কথা বলতে দিচ্ছে না সরকার: বিরোধীদলীয় নেতা

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মানুষ ভালো নেই, দেশও ভালো নেই। বিদ্যুৎ ও সারের সংকট চরমে। মানুষ কষ্ট পাচ্ছে।

আজ শনিবার সকালে বগুড়ার ধুনট উপজেলার মানিকপোটল স্থানীয় মাদ্রাসা মাঠে উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।

বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন, জনগণের কষ্টের কথা জাতীয় সংসদে বলার চেষ্টা করলেও সরকার তাঁদের কথা বলতে দিচ্ছে না। এ কারণে জনগণের অধিকার আদায়ে তাঁরা রাজপথে নেমেছেন।

এর আগে সকালে শহীদ আবদুল মালেকের কবর জিয়ারত করেন শফিকুর রহমান। তিনি ওই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

শফিকুর রহমান গতকাল শুক্রবার রাতে বগুড়ায় এসে সার্কিট হাউসে ছিলেন। আজ ভোর সোয়া পাঁচটার দিকে তিনি সার্কিট হাউস থেকে ধুনটের উদ্দেশে রওনা হন।

এ সময় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম, নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ধুনট উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আমিনুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শফিকুর রহমান গতকাল শুক্রবার রাতে বগুড়ায় এসে সার্কিট হাউসে ছিলেন। আজ ভোর সোয়া পাঁচটার দিকে তিনি সার্কিট হাউস থেকে ধুনটের উদ্দেশে রওনা হন। বেলা ১১টার দিকে বগুড়া সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের মতবিনিময়ের কথা আছে। দুপুর ১২টায় বগুড়া জেলা ও মহানগর জামায়াতের রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তিনি।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ নেতা ও একাধিক মামলার আসামি গ্রেফতার
চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ নেতা ও একাধিক মামলার আসামি গ্রেফতার

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ব্যবসায়ীকে হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক মামলার আসামি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার সহ-সভাপতি হাসান মুরাদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নগরের খুলশী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে হাটহাজারী থানা পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়। গ্রেফতার হাসান মুরাদ হাটহাজারী উপজেলার চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ধোপাদিঘীর পাড় এলাকায়। তিনি আকমল মিয়াজির বাড়ির দিদারুল আলমের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিল ও কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে হাসান মুরাদের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি সংগঠনটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার অংশ হিসেবে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া ব্যবসায়ীকে হত্যাচেষ্টার মামলাসহ হাটহাজারী থানায় হাসান মুরাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান বলেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা হাসান মুরাদকে শুক্রবার রাতে নগরের খুলশী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। মামলাগুলো যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমআরএএইচ/এসএনআর

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবসে উত্তর সিটির স্টল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবসে উত্তর সিটির স্টল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

কম দামে গাড়ি দিতে রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির সুযোগ চায় বারভিডা

কম দামে গাড়ি দিতে রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির সুযোগ চায় বারভিডা

কবিতায় বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের বন্ধুত্বের বার্তা দিলেন সামিনা নাজ

কবিতায় বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের বন্ধুত্বের বার্তা দিলেন সামিনা নাজ

তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গু পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সারা দেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তিন মাসব্যাপী এ অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানো, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং সরকারি, বেসরকারি ও সামাজিক উদ্যোগকে সমন্বিত করার লক্ষ্যে এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।আজ থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে চলবে। ঢাকায় নানা উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি দেশের সব জেলা ও উপজেলায় একযোগে সচেতনতামূলক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলবে।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ‘দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান বাস্তবায়ন কমিটির’ আহ্বায়ক এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম।স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।আগামী সপ্তাহগুলোতে ১৫ জেলায় ডেঙ্গু সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তারসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী, শিক্ষার্থী, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য এবং সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।দেশের সব জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন।

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
শর্ত না মানলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়: ইরান

শর্ত না মানলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়: ইরান

শেলটনের ‘আমেরিকান ড্রিমে’র সামনে জভেরেভ

শেলটনের ‘আমেরিকান ড্রিমে’র সামনে জভেরেভ

এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ: ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের আবেদন নিয়ে যে তথ্য দিল বোর্ড

এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ: ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের আবেদন নিয়ে যে তথ্য দিল বোর্ড

মালদ্বীপে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ওয়াজ মাহফিল
মালদ্বীপে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ওয়াজ মাহফিল

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে মদিনার জামাত, মালদ্বীপ শাখার উদ্যোগে এবং ঢাকা ট্রেডার্সের সার্বিক তত্ত্বাবধানে রাজধানী মালের সি বিল্ডিং অডিটোরিয়ামে ওয়াজ, দোয়া ও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার আয়োজিত এ মাহফিলে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি, আলেম-ওলামা, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। মাহফিলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল ঢাকা ট্রেডার্স, মালদ্বীপ। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বাবুল হোসেনের সমন্বয়ে মাহফিলের আয়োজন ও বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত আলহাজ হযরত মাওলানা মুহাম্মদ মহসিন কবীর ইউছুফী। তিনি ইসলামিক চিন্তাবিদ ও মুফাসসিরে কুরআন এবং বিটিভি, বিটিভি ওয়ার্ল্ড ও দেশ টিভির ইসলামিক আলোচক। তিনি মদিনার জামাত কদমতলী শাহী দরবার শরীফের পীর। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. খলিলুর রহমান, সমাজসেবক ও সভাপতি, মালদ্বীপ বিএনপি। আরও পড়ুন চীনে শিক্ষক দিবস: ‌যে ফুল একদিন ফিরে আসে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. জহিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক, মালদ্বীপ বিএনপি; মো. নেহের মিয়া রানা, সিনিয়র সহ-সভাপতি; মোহাম্মদ ফারুক হোসেন, সহ-সভাপতি; মো. মুক্তার হোসেন, সহ-সভাপতি; মো. শরীফুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক; মোহাম্মদ মাহামুদুল হাসান কালাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক; আবুল কালাম আজাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, মালদ্বীপ বিএনপি এবং মো. আলমগীর সিকদার, সভাপতি, প্রবাসী অধিকার পরিষদ, মালদ্বীপ। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মো. আরিফুর ইসলাম, সভাপতি পদপ্রার্থী, মালদ্বীপ যুবদল; মো. মাসুদ মুন্না, আহ্বায়ক, স্বেচ্ছাসেবক দল মালদ্বীপ শাখা এবং মো. আবু আহমেদ সেলিম মিয়া, প্রবাসী ব্যবসায়ী, মালদ্বীপ। মাহফিলে আমন্ত্রিত ওলামায়ে কেরামের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হযরত মাওলানা মো. মাসুম বিল্লাহ, হযরত মাওলানা মো. নজরুল ইসলাম, হযরত মাওলানা হাফেজ মো. ইসরাফিল হোসেন, হযরত মাওলানা মো. আঃ হান্নান, হযরত মাওলানা হাফেজ মো. রিফাতুল ইসলাম এবং মো. ইসমাইল হোসেন, খাদেম, মদিনার জামাত মালদ্বীপ। মাহফিলে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর জীবন, আদর্শ, মানবিক মূল্যবোধ ও ইসলামের শান্তির বার্তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা প্রবাসী জীবনে ধর্মীয় মূল্যবোধ, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও মানবিক দায়িত্ববোধের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানের বিশেষ পর্বে মালদ্বীপে বসবাসরত বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। সবশেষে দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এমআরএম

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ রেলওয়ের ৩ অঞ্চলে নিয়োগ, পদ ২২

বাংলাদেশ রেলওয়ের ৩ অঞ্চলে নিয়োগ, পদ ২২

‘সার চাওয়া কি আমাগরে অপরাধ? এহন প্রতি রাতে গ্রামে পুলিশ আহে’

‘সার চাওয়া কি আমাগরে অপরাধ? এহন প্রতি রাতে গ্রামে পুলিশ আহে’

ঠান্ডায় পানি যেভাবে রূপ নেয় রহস্যময় কাচে

ঠান্ডায় পানি যেভাবে রূপ নেয় রহস্যময় কাচে

0 Comments