কুড়িগ্রামের রাজীবপুরে সরকারি বরাদ্দের ইউরিয়া সার গুদামে রেখে বেশি দামে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে বিএনপি নেতা ও সার ডিলার শফিউর রহমানের গুদামে হামলা চালিয়ে তালা ভাঙার চেষ্টা করেছেন ক্ষুব্ধ কৃষকরা।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজীবপুর বাজারে শফি এন্টারপ্রাইজের গুদামে এ ঘটনা ঘটে। পরে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং গুদামে থাকা সার কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করেন।
শফিউর রহমান উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তৌফিক আল জুবায়ের বলেন, শফিউর রহমানের গুদামে ৫০০ বস্তা ইউরিয়া সার ছিল। সকালে কৃষকদের মধ্যে সার বিতরণের জন্য স্লিপ দেওয়া হচ্ছিল। এ প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগায় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। একপর্যায়ে তারা গুদামের তালা ভেঙে সার নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে সার বিতরণ করেন।
কৃষকদের অভিযোগ, সার পাওয়ার আশায় তারা রাত ৩টা থেকে বিভিন্ন ডিলারের দোকান ও গুদামের সামনে অপেক্ষা করছিলেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অনেকে সার পাননি। তাদের দাবি, অন্য ডিলারদের তুলনায় শফিউর রহমানের গুদামে বেশি সার মজুত থাকলেও তা আটকে রাখা হয়েছিল।
কৃষক মফিজুল হক ও আবদুল হাকিম বলেন, তারা রাত ৩টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাদের অভিযোগ, সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির জন্য শফিউর রহমান কৃত্রিম সংকট তৈরি করছিলেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শফিউর রহমান। তিনি বলেন, ওই দিন বিতরণের জন্য তার গুদামে ৫০০ বস্তা ইউরিয়া সার ছিল। এর চেয়ে কয়েকশ বেশি কৃষক সেখানে ভিড় করেন। ভিড় সামলানো ও বিতরণের সুবিধার জন্য পাশের বাড়ি থেকে কৃষকদের স্লিপ দেওয়া হচ্ছিল। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগকে জানানো হয়েছিল।
শফিউর রহমানের দাবি, কিছু ব্যক্তি স্লিপধারী কৃষকদের গুদাম থেকে সার নিতে বাধা দেন। তাদের সার না দিলে স্লিপধারী কৃষকদেরও সার দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়। একপর্যায়ে গুদামে হামলা চালিয়ে সার নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়।
হামলার সময় উসকানিদাতাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের কয়েকজন ‘চিহ্নিত ব্যক্তি’ ছিলেন বলেও অভিযোগ করেন শফিউর রহমান। তার দাবি, তাদের আবাদি জমি না থাকলেও তারা সারের জন্য ভিড়ের মধ্যে ঢুকেছিলেন।
এদিকে রাজীবপুরের আরেক সার ডিলার আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধেও সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ করেছেন কৃষকরা। তাদের অভিযোগ, ১ হাজার ৩৫০ টাকা দামের সার ১ হাজার ৭৩০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
আবদুল হাই জানান, তিনি সরকারি বরাদ্দের বাইরে চট্টগ্রাম থেকে বেশি দামে সার কিনে এনেছেন। তাই ওই সারের দাম বেশি। তবে সরকারি বরাদ্দের সার ১ হাজার ৩৫০ টাকা দামেই বিক্রি করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তৌফিক আল জুবায়ের বলেন, আবদুল হাইয়ের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে। তিনি চট্টগ্রাম থেকে সার কিনে আনার কথা জানিয়েছেন।
সরকারি বরাদ্দের সার গুদামে রেখে বাইরে থেকে কেনা সার বেশি দামে বিক্রি করা আইনবহির্ভূত কি না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই আইনবহির্ভূত। তার বিরুদ্ধে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’
কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, রাজীবপুরে কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী কৃষি কর্মকর্তা ও প্রশাসনের উপস্থিতিতে সার বিতরণ করা হয়েছে। সার ডিলার শফিউর রহমানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
রোকনুজ্জামান মানু/কেএইচকে
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
এশিয়ান গেমস আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে ১৯ সেপ্টেম্বর। এর আগেই মেয়েদের ফুটবলে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। আগামীকাল ভোরে নামছে নারী ক্রিকেট দলও। চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশ সময় সকাল ছয়টায় শুরু হবে ম্যাচটি।কোয়ার্টার ফাইনাল দিয়েই শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের যাত্রা। এই ম্যাচ জিতলে সেমিফাইনালে নিগার সুলতানার দলের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন ভারত। শুক্রবার ভারত-জাপান কোয়ার্টার ফাইনালে যে ভারত নিরঙ্কুশ ফেবারিট, সেটি না বললেও চলে। কদিন আগেই তাদের কাছে এশিয়া কাপের সেমিফাইনালেও হেরেছিল বাংলাদেশ।এশিয়া কাপের ব্যর্থতা ভুলে এবার ঘুরে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ। চীনের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এটিই সবচেয়ে বড় ম্যাচ। ২০১০ এশিয়ান গেমস সেমিতে চীনকে ৩৪ রানে অলআউট করে ৭ ওভারে ৯ উইকেটে জিতে যায় বাংলাদেশের মেয়েরা। কিন্তু সেই ম্যাচের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ছিল না। যার অর্থ আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে আজই প্রথম চীন পরীক্ষা বাংলাদেশের।আইচির নিশিনের কোরিগি অ্যাথলেটিক পার্কে এবার টি-টুয়েন্টি স্বীকৃতি পাওয়ার পরও বাংলাদেশ সহজ জয়ই আশা করছে। এশিয়ান গেমসে নারী ক্রিকেট দল এর আগে দুবার রুপা এবং একবার ব্রোঞ্জ জিতেছে।একই বৃত্তে ঘুরপাক নারী ক্রিকেটের, সমাধান কীবাংলাদেশ দলের ব্যাটার সোবহানা মুশতারিও এবার পদক নিয়ে দেশে ফেরার আশাবাদ রেখেছেন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের পাঠানো ভিডিও বার্তায়, ‘আমরা প্রথম অনুশীলন করলাম। এর আগে আমরা এশিয়ান গেমসে একটা পদক পেয়েছি (আসলে তিনটি)। আশা করছি, এবারও একটা পদক নিয়ে দেশে ফিরতে পারব।’আইচি-নাগোয়ায় গতকাল সারা দিন বৃষ্টি হয়েছে। মূল মাঠের পাশের ফুটবল মাঠে অনুশীলনের সময় বৃষ্টির বাধায় পড়েছিল বাংলাদেশ দলও। আজ অবশ্য বৃষ্টির শঙ্কা কমই। তারপরও খেলা পণ্ড হলে আইসিসি টি-টুয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা দলকে জয়ী ঘোষণা করা হবে।বাংলাদেশের টি-টুয়েন্টি র্যাঙ্কিং ১০, চীন ৩৬তম। বৃষ্টিতে ম্যাচ পণ্ড হলেও তাই সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে বাংলাদেশ।
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার জোড়খালী উচ্চবিদ্যালয়ে আবারও শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার অভিভাবক সমাবেশ চলাকালে ১০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে বিদ্যালয়টিতে তৃতীয়বারের মতো শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ল। ৭ সেপ্টেম্বর থেকে আজ ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিদ্যালয়টিতে মোট ৫০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের প্রায় সবারই একই ধরনের উপসর্গ দেখা গেছে—মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাবের পর অচেতন হয়ে পড়া। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকেরা শুরু থেকেই এটিকে গণহিস্টিরিয়া বা গণমনস্তাত্ত্বিক সমস্যা হিসেবে দেখছেন।বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ সকালে প্রধান শিক্ষক অভিভাবক সমাবেশের আয়োজন করেন। এ উপলক্ষে বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়। এরপরও বেশ কিছু শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিল। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিদ্যালয়ের পঞ্চম তলায় সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর একে একে আরও নয়জন অসুস্থ হয়ে পড়ে। এতে বিদ্যালয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।কয়েকজন অভিভাবক বলেন, এমন পরিস্থিতিতে অভিভাবক সমাবেশ না ডেকে চিকিৎসক এনে শিক্ষার্থীদের মানসিক সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা উচিত ছিল।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) শেখ মাহমুদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, জোড়খালী উচ্চবিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি সাতজনের চিকিৎসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলছে।হাতিয়ার বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অচেতন ১৮ শিক্ষার্থী, ১৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তিশেখ মাহমুদুর রহমান বলেন, সব শিক্ষার্থীর প্রায় একই ধরনের লক্ষণ—অচেতন হয়ে পড়া ও বমি বমি ভাব। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকেরা এটিকে গণহিস্টিরিয়া বা গণমনস্তাত্ত্বিক সমস্যা হিসেবে দেখছেন। এ ক্ষেত্রে একজনের অসুস্থ হওয়ার ঘটনা দেখে অন্যদেরও একই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে।এর আগে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক মানসী রানী সরকার প্রথম আলোকে বলেন, জোড়খালী উচ্চবিদ্যালয়ে একের পর এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেনি। কমিটির অপর দুই সদস্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সময় দিলে তাঁরা সরেজমিন বিদ্যালয়ে যাবেন।তবে আজ সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার আগে ও পরে তার বাবার আচরণ নিয়ে সন্দেহের কথা জানিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ওই ব্যক্তি বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য এবং স্থানীয়ভাবে ওষুধের ব্যবসা করেন। তাঁর দোকানে কীটনাশকও বিক্রি করা হয়।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, সপ্তম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী বিদ্যালয় ভবনের পঞ্চম তলায় অসুস্থ হয়ে পড়ে। তখন সেখানে অন্য কোনো শিক্ষার্থী ছিল না। ওই শিক্ষার্থীর বাবা বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য। তিনি স্থানীয়ভাবে ওষুধের ব্যবসা করেন এবং তাঁর দোকানে কীটনাশকও বিক্রি করা হয়। ছেলে অসুস্থ হওয়ার পর তাঁর আচরণ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়েছে। তাই বিষয়টি উপজেলা ও থানা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল প্রথম আলোকে বলেন, প্রধান শিক্ষক তাঁকে না জানিয়েই অভিভাবক সমাবেশের আয়োজন করেছিলেন। আজ অসুস্থ হয়ে পড়া এক শিক্ষার্থীর বাবার ওষুধের দোকানে তল্লাশি চালানো হয়েছে। সেখানে ওষুধের পাশাপাশি কীটনাশক বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে ব্যবস্থাপনা কমিটি নিয়ে বিরোধের কথাও শোনা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা নিছক মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা, নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তদন্ত কমিটিকে সব দিক বিবেচনায় নিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছে।নোয়াখালীর সেই বিদ্যালয়ে আবারও শিক্ষার্থীরা অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি ২২এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর একই বিদ্যালয়ে পাঠদান চলাকালে ১৮ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে ১৩ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এরপর ১৪ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফায় ২২ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়। তাদের মধ্যে একজনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। আজ তৃতীয় দফায় অসুস্থ হয়েছে আরও ১০ জন। তাদের মধ্যে তিনজনকে জেলা সদরের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।জেলা সিভিল সার্জন ও নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক মো. আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, হাতিয়ার বিদ্যালয়টির অসুস্থ তিন শিক্ষার্থীকে জেনারেল হাসপাতালে আনার পর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের মেডিসিন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষাও চলছে। প্রাথমিকভাবে তাঁরও ধারণা, এটি গণহিস্টিরিয়া বা গণমনস্তাত্ত্বিক সমস্যা হতে পারে।মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বরও ওই বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়েছিল। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে সে বাড়ি ফিরে গেছে।
আইন বিভাগ ভালো চলছে না বলে অভিযোগ করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। ১৬ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। বিস্তারিত ভিডিওতে...