জাতীয়

রংপুরে ৩ খুচরা বিক্রেতা পেলেন মোটরসাইকেল

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
রংপুরে ৩ খুচরা বিক্রেতা পেলেন মোটরসাইকেল
রংপুরে ৩ খুচরা বিক্রেতা পেলেন মোটরসাইকেল
‘কনফিডেন্স সিমেন্ট রোডমাস্টার’ শীর্ষক ক্যাম্পেইনের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে কনফিডেন্স সিমেন্ট ঢাকা লিমিটেডের সিইও জহির উদ্দিন আহমদ এবং প্রধান বিপণন কর্মকর্তা নাসির উল আলম সুমনসহ কর্মকর্তারা। সম্প্রতি রংপুরের ভিন্নজগৎ বিনোদনকেন্দ্রে

‘কনফিডেন্স সিমেন্ট রোডমাস্টার’ শীর্ষক ক্যাম্পেইনের আওতায় অনুষ্ঠিত র্যাফল ড্রয়ে লালমনিরহাট, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার তিনজন রিটেইলার বা খুচরা বিক্রেতা একটি করে মোটরসাইকেল পুরস্কার পেয়েছেন। সম্প্রতি রংপুরের ভিন্নজগৎ বিনোদনকেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে মোটরসাইকলের চাবি তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কনফিডেন্স সিমেন্ট ঢাকা লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জহির উদ্দিন আহমদ। অনুষ্ঠানে কোম্পানির প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (সিএমও) নাসির উল আলম সুমন, উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) জানে আলম মোহাম্মদ রুবায়েত, ব্র্যান্ড ও রিসার্চ বিভাগের প্রধান অনিন্দ্য সরকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং রংপুর বিভাগের বিভিন্ন এলাকার পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কনফিডেন্স সিমেন্ট ঢাকা লিমিটেড এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, রিটেইলার তথা খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং তাঁদের ব্যবসায়িক অগ্রযাত্রায় উৎসাহ দিতে দেশব্যাপী ‘কনফিডেন্স সিমেন্ট রোডমাস্টার’ শীর্ষক এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে কনফিডেন্স সিমেন্ট। এ কার্যক্রমে রিটেইলাররা সিমেন্ট ক্রয়ের বিপরীতে কুপন সংগ্রহ করেন। পরে মেগা র্যাফল ড্রয়ের মাধ্যমে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
পড়াশোনার ফাঁকে ৩৬০ টাকায় শুরু, এখন মাসে আয় ৩ লাখ
পড়াশোনার ফাঁকে ৩৬০ টাকায় শুরু, এখন মাসে আয় ৩ লাখ

মাত্র ৩৬০ টাকা পুঁজি নিয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি শুরু করেছিলেন সিল তৈরির কাজ। সেই ছোট উদ্যোগই এখন পরিণত হয়েছে সফল ব্যবসায়। ‘বেঙ্গলস সিগনেচার’ নামে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানে সিল তৈরি ও বিক্রি করে বর্তমানে মাসে প্রায় ৩ লাখ টাকা আয় করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী দম্পতি এস এম রিজন ও রিসা আফরিন। নিজেদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি তাদের উদ্যোগে তৈরি হয়েছে ১৫ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থানের সুযোগ। এস এম রিজন ও রিসা আফরিনের যাত্রার শুরু ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। ঢাকা থেকে কিছুসংখ্যক সিল তৈরি করে এনে অর্ডার নিতে শুরু করেন তারা। বিভিন্ন ফেসবুক ও মেসেঞ্জার গ্রুপ এবং অফলাইনে পরিচিতজনদের কাছ থেকে অর্ডার সংগ্রহ করতেন। অল্প সময়ের মধ্যেই পান কাঙ্ক্ষিত সাড়া। কিন্তু তখন তারা ছিলেন অনেকটাই এলোমেলো অবস্থায়। একদিকে বিনিয়োগের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ ছিল না, অন্যদিকে জানতেন না কীভাবে সিল তৈরি করতে হয় কিংবা কোথা থেকে এর কাঁচামাল সংগ্রহ করতে হয়। এস এম রিজন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং রিসা আফরিন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে অধ্যয়নরত। সবার থেকে আলাদা ও ভিন্ন কিছু করার তীব্র বাসনা, মনের মধ্যে বুনতে থাকা স্বপ্ন এবং আত্মবিশ্বাস থেকেই ছোট পরিসরে কাজ শুরু করেন তারা। ক্রেতাদের পছন্দ ও চাহিদা অনুযায়ী মানসম্মত কাজ করতে করতে ধীরে ধীরে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন। শুরুতে অল্প টাকা আয় হলেও ব্যবসার পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বর্তমানে সিল তৈরি ও বিক্রি করে প্রতিমাসে প্রায় ৩ লাখ টাকা আয় করছেন এই দম্পতি। ‘প্রথমদিকে পড়াশোনার কথা চিন্তা করে আমি ওর এই উদ্যোগকে সেভাবে সমর্থন করিনি। আমার কাছে লেখাপড়াটাই আগে ছিল। তবে এখন ও পড়াশোনার পাশাপাশি উদ্যোগটিও চালিয়ে যাচ্ছে, বিষয়টি আমি ইতিবাচকভাবেই দেখছি। ছেলের সাফল্যে আমিও খুব আনন্দিত। লেখাপড়ার ক্ষতি না করে যদি নিজের উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়া যায়, তাহলে অবশ্যই ভালো লাগে। ভবিষ্যতে ও কী করবে, সেটা ওর নিজের পছন্দ। ও যে কাজ করে খুশি থাকবে এবং ভালো থাকবে, সেটাই আমি চাই।’ রিজন ও রিসা বুকভরা স্বপ্ন ও দৃঢ় সাহস নিয়ে শুরু করেন সিল-অর্থাৎ দাফতরিক কাজে ব্যবহৃত মোহর-তৈরির কাজ। ব্যর্থতার বেড়াজাল ও নানা সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে আজ তারা ‘বেঙ্গলস সিগনেচার’ নামে গড়ে তুলেছেন সিল তৈরি ও প্রদর্শনীর শোরুম। প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে দেশব্যাপী সাড়া ফেলেছে। মানসম্মত পণ্য ও চমৎকার ডিজাইনের কারণে অনলাইন ও অফলাইনে ক্রেতাদের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে কাস্টমারদের চাহিদা অনুযায়ী সিল পৌঁছে দিচ্ছেন তারা। তবে এই যাত্রায় অনিশ্চয়তার পাশাপাশি বড় বাধা ছিল পরিবার। রিজনের বাবা ছিলেন এমন ব্যবসার ঘোর বিরোধী। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছেলে সিল তৈরি করবেন-বিষয়টি তার কাছে ছিল চরম দৃষ্টিকটু। তবে মায়ের মানসিক সমর্থন এবং বড় ভাইয়ের কাছ থেকে পাওয়া কিছু অর্থ তাকে এগিয়ে যেতে সাহস জোগায়। পরে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে চীন থেকে সিল তৈরির কাঁচামাল সংগ্রহ করেন তারা। একই সঙ্গে মনোযোগ দেন কাজ শেখার দিকে। প্রথম দিকে কিছুটা লোকসানও হয়। অনেক সামগ্রী নষ্ট হলেও ধীরে ধীরে কাজ শিখে একটি আধাপাকা টিনের দোকান নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন তারা। সেই ছোট পরিসরের উদ্যোগই এখন বড় হয়েছে। বর্তমানে পদ্মা আবাসিক এলাকায় অফিস নিয়ে পুরোদমে ব্যবসা পরিচালনা করছেন তারা। নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি বর্তমানে ১৫ জন বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন এই দম্পতি। রাজশাহীতে শিক্ষার্থীদের জন্য পার্টটাইম কাজের সুযোগ তুলনামূলক কম হওয়ায় বেঙ্গলস সিগনেচারে কাজের সুযোগ পেয়ে খুশি কর্মরত শিক্ষার্থীরাও। প্রতিষ্ঠানটির কর্মীদের বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য খাতে প্রতি মাসে প্রায় দেড় লাখ টাকা ব্যয় হয়। সব খরচ বাদ দেওয়ার পরও রিজনের মাসিক আয় হচ্ছে প্রায় দেড় থেকে ২ লাখ টাকা। ‘রাজশাহীতে আসার পর প্রায় এক বছর চাকরি খুঁজেছি। শিক্ষার্থীদের জন্য এখানে পার্টটাইম কাজের সুযোগ কম হওয়ায় বেঙ্গলস সিগনেচারে কাজের সুযোগটি আমার জন্য ভালো একটি অপরচুনিটি। বিকেল ৫টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত কাজ করার পাশাপাশি এখানে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও কমিউনিকেশন স্কিল বাড়ানোর সুযোগ পাচ্ছি। ভবিষ্যতে করপোরেট সেক্টরে যেতে চাই, তাই এই অভিজ্ঞতা আমার ক্যারিয়ারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’ এ বিষয়ে বিস্তারিত কথা হয় রিজন-রিসা দম্পতির সঙ্গে। তারা জানান, গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে ভিন্ন কিছু করার ইচ্ছা থেকেই তাদের ব্যবসার চিন্তা আসে। এমন কিছু নিয়ে কাজ করতে চেয়েছিলেন, যা একদিকে মানুষের প্রয়োজন মেটাবে, অন্যদিকে শৌখিন ও ব্যতিক্রমী হবে। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে তারা লক্ষ্য করেন, অনলাইনে ভালো মানের কাস্টম সিল সরবরাহ করে-এমন নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা খুবই কম। সেখান থেকেই আমরা ফ্ল্যাশ সিল নিয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিই এবং লক্ষ্য ঠিক করে ধীরে ধীরে কাজ শুরু করি। তারা আরও বলেন, শুরুতে আমাদের এ ধরনের ব্যবসা সম্পর্কে তেমন কোনো ধারণাই ছিল না। কীভাবে কাজ করতে হবে, কীভাবে পণ্য তৈরি করতে হবে কিংবা কাস্টমারের চাহিদা অনুযায়ী সেবা দিতে হবে-এসব কিছুই ধীরে ধীরে শিখেছি। বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি এবং সময়ের সঙ্গে নিজেদের কাজকে আরও উন্নত করার চেষ্টা করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, বর্তমানে আমরা একটি অবস্থানে আসতে পেরেছি। আরও পড়ুন একটি পরিবারের স্বাবলম্বী হয়ে ওঠার গল্প এ দম্পতি বলেন, বর্তমানে বেঙ্গলস সিগনেচারের মাধ্যমে আমরা সারাদেশে ফ্ল্যাশ সিল পৌঁছে দিচ্ছি। সিল আমাদের কাছে শুধু একটি প্রয়োজনীয় পণ্য নয়, এটি অনেকটা শৌখিন প্রোডাক্টও। তাই প্রতিটি কাস্টমারের চাহিদা ও পছন্দকে গুরুত্ব দিয়ে সিল তৈরির চেষ্টা করি। আমরা চাই, একটি সিল দেখলেই যেন বোঝা যায়-এটি একজন শৌখিন মানুষের চিন্তা, রুচি ও মনন থেকে তৈরি। ‘আমি এখানে প্রায় আট মাস ধরে কাজ করছি। এটি আমার প্রথম চাকরি। এখানে আসার আগে আমার কোনো কাজের অভিজ্ঞতা ছিল না। প্রথমবার ইন্টারভিউ দিতে এসে ফ্রেশার হিসেবে কাজের সুযোগ পাই। শুরু থেকেই এখানে কাজ করতে গিয়ে অনেক কিছু শেখার সুযোগ হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য পার্টটাইম কাজের সুযোগ তুলনামূলক কম, তাই বেঙ্গলস সিগনেচারে কাজের সুযোগ পাওয়া আমার জন্য খুবই ভালো একটি অভিজ্ঞতা ও সুযোগ।’ কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রসঙ্গে তারা বলেন, সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, আমাদের এই উদ্যোগের মাধ্যমে বর্তমানে ১৫ জনের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। একটি ছোট উদ্যোগ থেকে কয়েকজন মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারাটাই আমাদের কাছে অনেক বড় অর্জন ও আনন্দের বিষয়। ভবিষ্যতে বেঙ্গলস সিগনেচারকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে গিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রাহকদের জন্য আরও মানসম্মত ও বৈচিত্র্যময় পণ্য দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। বেঙ্গলস সিগনেচারের জুনিয়র সেলস এক্সিকিউটিভ দিশামনি বলেন, আমি এখানে প্রায় আট মাস ধরে কাজ করছি। এটি আমার প্রথম চাকরি। এখানে আসার আগে আমার কোনো কাজের অভিজ্ঞতা ছিল না। প্রথমবার ইন্টারভিউ দিতে এসে ফ্রেশার হিসেবে কাজের সুযোগ পাই। শুরু থেকেই এখানে কাজ করতে গিয়ে অনেক কিছু শেখার সুযোগ হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য পার্টটাইম কাজের সুযোগ তুলনামূলক কম, তাই বেঙ্গলস সিগনেচারে কাজের সুযোগ পাওয়া আমার জন্য খুবই ভালো একটি অভিজ্ঞতা ও সুযোগ। আরও পড়ুন শেরপুরে সবজিতে নীরব বিপ্লব, ২৫০ কোটি টাকার বাণিজ্যের আশা বেঙ্গলস সিগনেচারের ক্রিয়েটিভ হেড লক কাউসার বলেন, বর্তমানে আমি বেঙ্গলস সিগনেচারে কনটেন্ট ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছি এবং পাশাপাশি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা বিষয়ে ফাইনাল ইয়ারে পড়ছি। বেঙ্গলস সিগনেচারের সঙ্গে আমার প্রায় দেড় বছরের পথচলা। রাজশাহীতে টিউশন পাওয়া কঠিন, পেলেও আয় তুলনামূলক কম। তাই প্রায় দেড় বছর আগে গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে এখানে কাজ শুরু করি। ধীরে ধীরে নিজের দক্ষতা বাড়িয়ে আজকের অবস্থানে এসেছি। নিঃসন্দেহে বেঙ্গলস সিগনেচার আমার জন্য একটি লাইফ চেঞ্জিং অভিজ্ঞতা। তিনি আরও বলেন, এখানে ডিজাইন, কনটেন্ট, সেলস, ম্যানেজমেন্ট ও প্রোডাকশনসহ বিভিন্ন টিম সমন্বয় করে কাজ করে। কোনো একটি টিমে ঘাটতি থাকলে অন্য টিমগুলো সহযোগিতার মাধ্যমে তা পূরণ করার চেষ্টা করে। এই টিমওয়ার্কের পরিবেশই আমাদের কাজকে আরও সহজ ও গতিশীল করেছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে পড়াশোনার পাশাপাশি বেঙ্গলস সিগনেচারে সেলস এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ করছেন রায়হান আহমেদ। আরও পড়ুন ‘পাগল’ বলতেন স্ত্রী, সেলিমের সংগ্রহশালায় এখন ইতিহাসের ছোঁয়া তিনি বলেন, রাজশাহীতে আসার পর প্রায় এক বছর চাকরি খুঁজেছি। শিক্ষার্থীদের জন্য এখানে পার্টটাইম কাজের সুযোগ কম হওয়ায় বেঙ্গলস সিগনেচারে কাজের সুযোগটি আমার জন্য ভালো একটি অপরচুনিটি। বিকেল ৫টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত কাজ করার পাশাপাশি এখানে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও কমিউনিকেশন স্কিল বাড়ানোর সুযোগ পাচ্ছি। ভবিষ্যতে করপোরেট সেক্টরে যেতে চাই, তাই এই অভিজ্ঞতা আমার ক্যারিয়ারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পড়াশোনার ক্ষতি হবে ভেবে প্রথমে সমর্থন না করলেও এখন ছেলের সাফল্যে খুশি রিজনের বাবা ড. মো নিজাম উদ্দিন। তিনি বলেন, প্রথমদিকে পড়াশোনার কথা চিন্তা করে আমি ওর এই উদ্যোগকে সেভাবে সমর্থন করিনি। আমার কাছে লেখাপড়াটাই আগে ছিল। তবে এখন ও পড়াশোনার পাশাপাশি উদ্যোগটিও চালিয়ে যাচ্ছে, বিষয়টি আমি ইতিবাচকভাবেই দেখছি। ছেলের সাফল্যে আমিও খুব আনন্দিত। লেখাপড়ার ক্ষতি না করে যদি নিজের উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়া যায়, তাহলে অবশ্যই ভালো লাগে। ভবিষ্যতে ও কী করবে, সেটা ওর নিজের পছন্দ। ও যে কাজ করে খুশি থাকবে এবং ভালো থাকবে, সেটাই আমি চাই। এনএইচআর/জেআইএম

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
ওমর সানি-মিশার ঝগড়ায় রেফারি মৌসুমী, কার্ড দেখায় ছেলেমেয়েরা

ওমর সানি-মিশার ঝগড়ায় রেফারি মৌসুমী, কার্ড দেখায় ছেলেমেয়েরা

গায়েহলুদের দাওয়াতে যান নারী, আলোকসজ্জার তার পায়ে জড়িয়ে গেল প্রাণ

গায়েহলুদের দাওয়াতে যান নারী, আলোকসজ্জার তার পায়ে জড়িয়ে গেল প্রাণ

আজও তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে, দাম কি আরও বাড়বে

আজও তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে, দাম কি আরও বাড়বে

অসময়ে কাটিমন আমের দাপট
অসময়ে কাটিমন আমের দাপট

ঢাকার ফুটপাত থেকে অভিজাত এলাকার ফলের দোকান—সবখানেই এখন কাটিমন আম পাওয়া যাচ্ছে। অসময়ের আম বলে দাম কিছুটা বেশি, তবে নাগালের বাইরে নয়। আকার ও মানভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ২৮০ টাকায়। কাটিমনের দ্রুত বিস্তার দেখে অনেকের মনে প্রশ্ন উঠেছে, এটি শেষ পর্যন্ত আগ্রাসী প্রজাতি হয়ে উঠবে কি না।

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
ধানমন্ডির পর মহাখালীর একটি ভবনে আগুন

ধানমন্ডির পর মহাখালীর একটি ভবনে আগুন

রেমা-কালেঙ্গা গহিন অরণ্যে গাছের মগডালে বিরল প্রাণী, মুগ্ধ পর্যটকরা

রেমা-কালেঙ্গা গহিন অরণ্যে গাছের মগডালে বিরল প্রাণী, মুগ্ধ পর্যটকরা

আইফোন ১৮ প্রো-তে ক্যামেরায় বড় চমক, ফটোগ্রাফারদের জন্য আশীর্বাদ

আইফোন ১৮ প্রো-তে ক্যামেরায় বড় চমক, ফটোগ্রাফারদের জন্য আশীর্বাদ

এজবাস্টনে প্রথম দিন ২৩ রানের লিড ইংল্যান্ডের
এজবাস্টনে প্রথম দিন ২৩ রানের লিড ইংল্যান্ডের

পাকিস্তানকে সুবিধাই করতে দিচ্ছে না ইংল্যান্ড। তৃতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৩৩ রানে অলআউট করার পর প্রথম দিন শেষে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৫৬ রান। এতে লিড জমা হয়েছে ২৩। এজবাস্টনে দ্রুত অলআউট হওয়ার পর অবশ্য বল হাতে শুরুটা ভালো করে পাকিস্তান। ৩৯ রানে তুলে নেয় স্বাগতিকদের ৩ উইকেট। পরে ১০৪ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধ গড়েন এমিলিও গে ও হ্যারি ব্রুক। ওপেনার বেন ডাকেট মোহাম্মদ আলীর বলে বাবর আজমকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মাত্র ১১ রান করে। ইংল্যান্ডের বোর্ডে তখন ১২ রান আর পতন হয় প্রথম উইকেটের। এরপর দলীয় ২৪ রানে জর্ডান কক্স লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন মোহাম্মদ আব্বাসের বলে মাত্র ৪ রান করে। জো রুট ৮ রান করে পাকিস্তানের অভিষিক্ত পেসার রাজাউল্লাহর বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়লে ৩৯ রানে ৩ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। সেই বিপর্যয় ইংলিশদের হয়ে সামাল দেন এমিলিও গে ও হ্যারি ব্রুক। অভিষিক্ত রাজাউল্লাহ-ই সেই জুটি ভাঙেন দলীয় ১৪৩ রানে এমিলিওকে বোল্ড করে। ৬০ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ভাঙে ১০৪ রানের জুটি। প্রথম দিন শেষে ৫২ রানে অপরাজিত আছেন ব্রুক আর ৫ রান ড্যান লরেন্স। ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৫৬ রান। লিড জমা হয়েছে ২৩। পাকিস্তানের হয়ে রাজাউল্লাহ দুটি আর বাকি দুটি উইকেট গেছে আব্বাস ও আলীর ঝুলিতে। এর আগে, প্রথম দুই টেস্টে ইংল্যান্ডের কাছে শোচনীয় পরাজয়ের পর তোলপাড় শুরু হয় পাকিস্তান ক্রিকেটে। রাতারাতি ৭জন ক্রিকেটারকে পাল্টে ফেলা হয়। দু’জন কোচকে বরখাস্ত করা হলো। নতুন সাতজন ক্রিকেটারকে দলে আনা হলো। অবশেষে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বার্মিংহ্যামে শুরু হলো পাকিস্তানের তৃতীয় টেস্ট। তিনজন ক্রিকেটারের অভিষেক হলো এই টেস্টে। কিন্তু শোচনীয় অবস্থা থেকে রেহাই মিললো না পাকিস্তানের। এজবাস্টনে টস হেরে ব্যাট করতে নামতে হয় পাকিস্তান দলকে। ব্যাট করতে নেমে ইংলিশ বোলারদের সামনে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। এক সময় তো এমন হয়েছিল যে, সর্বনিম্ন রানে অলআউট হওয়ার লজ্জার শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। ২৬ রানে ৪ উইকেট, ৪৮ রানে পড়ে ৫ উইকেট। তবে মিডল অর্ডারে সউদ শাকিল ৪৭ বলে সর্বোচ্চ ৪৩ রান না করলে ১০০’রও কম রানের লজ্জায় পড়তে হতো পাকিস্তান। তবুও ব্যাট করতে নেমে ৩৩.৫ ওভারে মাত্র ১৩৩ রানে অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান। সউদ শাকিলের ৪৩ রান ছাড়া ২১ রান করেন মোহাম্মদ আব্বাস, রাজাউল্লাহ করেন ১১ রান। বাকিদের কেউ দুই অংকের ঘরও স্পর্শ করতে পারেনি। সাইম আইয়ুব ০, আজান আওয়াইজ ৯, আবদুল্লাহ শফিক ৩, শান মাসুদ ৫, বাবর আজম ৭, গাজী গৌরি ৪, মোহাম্মদ ইমরান ৫ রান করে আউট হন। ৫ রানে অপরাজিত ছিলেন মোহাম্মদ আলি। ইংল্যান্ডের হয়ে ৪ উইকেট নেন জশ টাঙ এবং ৩টি করে উইকেট নেন অলি রবিনসন ও জোফরা আর্চার। আইএন

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
মেসি–লেভানডফস্কির উত্তাপ টের পেল যুক্তরাষ্ট্র

মেসি–লেভানডফস্কির উত্তাপ টের পেল যুক্তরাষ্ট্র

নির্বাচনে রিপাবলিকানরা জিতলে প্রাপ্তবয়স্কদের ৫ হাজার ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের

নির্বাচনে রিপাবলিকানরা জিতলে প্রাপ্তবয়স্কদের ৫ হাজার ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের

আদমজী কলেজ থেকে বহিষ্কার হচ্ছেন সেই আব্দুল্লাহ সিফাত

আদমজী কলেজ থেকে বহিষ্কার হচ্ছেন সেই আব্দুল্লাহ সিফাত

0 Comments