জাতীয়

রাষ্ট্রপতির এপিএস হলেন তৈমোর হোসেন খান

News সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ 0
রাষ্ট্রপতির এপিএস হলেন তৈমোর হোসেন খান
রাষ্ট্রপতির এপিএস হলেন তৈমোর হোসেন খান

রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন মো. তৈমোর হোসেন খান (বিপুল)। মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক ত্যাগের শর্তে তাঁকে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যোগদানের তারিখ থেকে রাষ্ট্রপতির মেয়াদকাল অথবা তাঁর সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) এই নিয়োগ কার্যকর থাকবে।

নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী।

তৈমোর হোসেন খান আশির দশকে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল ও যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তিনি সিলেট জেলা ছাত্রদলের তিনবারের সহসভাপতি ছিলেন। সিলেট বিভাগে ছাত্রদলের সুবক্তা হিসেবে তাঁর পরিচিতি ছিল।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ব্রাজিলিয়ান তারকার জোড়া গোলে প্রতিপক্ষের জালে ৫ গোল বার্সেলোনার
ব্রাজিলিয়ান তারকার জোড়া গোলে প্রতিপক্ষের জালে ৫ গোল বার্সেলোনার

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মৌসুমটা দারুণভাবে শুরু করেছে বার্সেলোনা। ফেইনুর্ডের বিপক্ষে ৫-১ গোলের জয়ে দাপুটে শুরুতে ফুরফুরে মেজাজেই আছে বার্সা। গতকাল বুধবার ব্রাজিলিয়ান তারকা রাফিনহার জোড়া গোলে এই জয় পেয়েছে কাতালান ক্লাবটি। বার্সার হয়ে গোল করেছেন করিম আদেয়েমি, লামিনে ইয়ামাল ও বদলি হিসেবে নামা গ্যাব্রিয়েল জেসুসও। ফেইনুর্ডের একমাত্র গোলটি করেন সেম স্টেইন। ম্যাচের মাত্র তৃতীয় মিনিটেই রাফিনহার গোলে লিড নেয় বার্সেলোনা। লেওয়ানডস্কি ও ফেরান তোরেসের ক্লাব ছাড়ার পর মূল স্ট্রাইকার হিসেবে খেলছেন তিনি। পেনাল্টি এরিয়ার ভেতর দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান তিনি। এই গোলের মধ্য দিয়ে চলমান মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে নিজের অষ্টম গোল সম্পন্ন করলেন তিনি। চলমান মৌসুমের সব প্রতিযোগিতার ৫ ম্যাচে এই পারফরম্যান্স করেছেন তিনি। দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আদেয়েমি। বক্সের বাইরে থেকে বাঁকানো শটে ফেইনুর্ড গোলরক্ষক তার্ক এর্নস্টকে পরাস্ত করেন তিনি। ফেইনুর্ডও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে। আনিস হাজ মোসা কাছের পোস্টে শট নিয়ে বার্সার গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়াকে পরীক্ষা নেন। তবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল বার্সার হাতেই। জোয়াও কানসেলো গিভাইরো রিডকে কাটিয়ে গোলের সুযোগ তৈরি করলেও তার শট পোস্টের বাইরের অংশে লেগে ফিরে আসে। ৫৭ মিনিটে নিজের জোড়া গোল সম্পন্ন করেন রাফিনহা। পেদ্রির বাড়ানো থ্রু-বল ধরে দ্রুত গতিতে এগিয়ে গিয়ে এর্নস্টকে পরাস্ত করেন তিনি। এর পরপরই নাকো ফেরি গোল করেন ফেইনুর্ডের হয়ে। কিন্তু ভিএআর সেই গোল বাতিল করে দেয় অফসাইডের কারণে। বার্সেলোনা প্রতিপক্ষের ওপর আরও চাপ প্রয়োগ করতে থাকে গোলের জন্য। ফারমিন লোপেজের শট ঠেকিয়ে দেন এর্নস্ট। তবে কিছুক্ষণ পর ইয়ামালের ফ্রি-কিক ফেইনুর্ডের দেয়াল ভেদ করে জালে জড়ালে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। ডাচ ক্লাবটির হয়ে ৮২ মিনিটে একটি গোল শোধ করেন স্টেইন। গনসালো বোরহেসের নিচু ক্রস দূরের পোস্টে পৌঁছালে সেখান থেকে বল জালে পাঠান তিনি। তবে শেষ হাসিটা হাসে বার্সেলোনাই। বদলি হিসেবে মাঠে নামা গ্যাব্রিয়েল জেসুস ইয়ামালের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে বল জালে পাঠান। আর্সেনাল থেকে গ্রীষ্মে বার্সায় যোগ দেওয়ার পর এটিই ক্লাবটির হয়ে তার প্রথম গোল। এই জয়ে মৌসুমে নিজেদের নিখুঁত শুরুটা আরও দীর্ঘ করলো বার্সেলোনা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে পাঁচ ম্যাচের পাঁচটিতেই জয় পেয়েছে ফ্লিকের দল। এর মধ্যে চার ম্যাচেই পাঁচটি করে গোল করেছে তারা। আইএন

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
ব্যবস্থাপনার সমস্যায় কেন ভুক্তভোগী কৃষক

ব্যবস্থাপনার সমস্যায় কেন ভুক্তভোগী কৃষক

বন্দীদের চিকিৎসা নিয়ে অবহেলা কেন

বন্দীদের চিকিৎসা নিয়ে অবহেলা কেন

বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় চাকরি, পদ ১৪২

বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় চাকরি, পদ ১৪২

পুলিশ বক্সের কথা বলে হোটেল-রিসোর্টে চাঁদাবাজি, যুবক গ্রেফতার
পুলিশ বক্সের কথা বলে হোটেল-রিসোর্টে চাঁদাবাজি, যুবক গ্রেফতার

কক্সবাজারের পর্যটন জোনে পুলিশ বক্স নির্মাণের কথা বলে বিভিন্ন অভিজাত হোটেল ও রিসোর্ট থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগে প্রতারক চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ পৌরসভার সৈকতপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে বলে জানান ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী। ​গ্রেফতার জিয়াবুল হক (৩২) চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থানার পদুয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের তেলিয়াপাড়ার আকতার কামালের ছেলে। বর্তমানে তিনি কক্সবাজার পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সৈকতপাড়া এলাকায় বাস করছিলেন এবং সেখানে ‘আবরার এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি মোবাইল ব্যাংকিং ও এক্সেসরিজের দোকান পরিচালনা করে আসছিলেন। ​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৬ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে একটি প্রতারক চক্র কক্সবাজার শহরের সীগাল হোটেল, হোটেল সাম্পান, হোটেল কক্স টুডেসহ বিভিন্ন তারকামানের হোটেল ও রিসোর্টে গিয়ে নিজেদের পুলিশ পরিচয় দেয়। তারা সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে স্থায়ী পুলিশ বক্স স্থাপন করা হবে আশ্বাস দিয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে চাঁদা দাবি করে এবং এ অজুহাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ তুলে আত্মসাৎ করে। ​এ ঘটনায় কক্সবাজার সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয় (নম্বর-১২, ৫/৯/২০২৬)। মামলাটির তদন্তের ধারাবাহিকতায় কক্সবাজার সদর মডেল থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে জিয়াবুল হককে গ্রেফতার করে। ​অভিযানকালে গ্রেফতার আসামির কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত তিনটি ভিন্ন অ্যাকাউন্টের চেক বই এবং ১০টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। ​কক্সবাজার সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সায়ীদ আলমগীর/এফএ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
রূপপুরে আগুনের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

রূপপুরে আগুনের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

যশোর আদালত ভবন সংস্কারে ২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বরাদ্দ

যশোর আদালত ভবন সংস্কারে ২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বরাদ্দ

চাকরিতে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব বাতিলের দাবি ছাত্র ফ্রন্টের

চাকরিতে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব বাতিলের দাবি ছাত্র ফ্রন্টের

ডিআরইউয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দিনভর থাকছে নানা আয়োজন
ডিআরইউয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দিনভর থাকছে নানা আয়োজন

পেশাদার সাংবাদিকদের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনভর নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সংগঠনটি। জাতীয় পতাকা ও সংগঠনের পতাকা উত্তোলন, বর্ণাঢ্য র‍্যালি, কেক কাটা, মধ্যাহ্নভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন আয়োজনে দিনটি উদযাপন করবেন সংগঠনের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় জাতীয় পতাকা ও সংগঠনের পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে শুরু হবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করা হবে। পরে বেলা ১১টায় ডিআরইউ প্রাঙ্গণ থেকে বের করা হবে বর্ণাঢ্য র‍্যালি। আরও পড়ুন চার সাংবাদিককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোই ডিআরইউ’র উদ্বেগ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. রুহুল কবির রিজভীর। দুপুর সাড়ে ১২টায় ডিআরইউ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে কেক কাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময়। এতে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক, পেশাজীবী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। কেক কাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. মঈন খান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম সালেহ (সালেহ শিবলী) অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। আরও পড়ুন সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ডিআরইউর নিন্দা ও প্রতিবাদ দুপুর ১টায় ডিআরইউয়ের সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হবে। এরপর বিকেল ৩টায় দেশবরেণ্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ডিআরইউ প্রাঙ্গণে দিনভর সাংবাদিকদের মিলনমেলায় পরিণত হবে বলে আশা করছেন সংগঠনের নেতারা। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও এতে অংশ নেবেন। ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি দেশের পেশাদার সাংবাদিকদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন, কল্যাণ, অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ইএআর/ইএ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
টিভিতে আজকের খেলা, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টিভিতে আজকের খেলা, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অবৈধ সম্পদ: বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

অবৈধ সম্পদ: বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

খাওয়ার পর পেটব্যথা কেন হয়, হলে কী করবেন? জানুন পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে

খাওয়ার পর পেটব্যথা কেন হয়, হলে কী করবেন? জানুন পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে

0 Comments