জাতীয়

রাজবাড়ীতে কৃষকের পাট কেটে দিল আনসার বাহিনীর সদস্যরা

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
রাজবাড়ীতে কৃষকের পাট কেটে দিল আনসার বাহিনীর সদস্যরা
রাজবাড়ীতে কৃষকের পাট কেটে দিল আনসার বাহিনীর সদস্যরা

রাজবাড়ীতে অসহায় কৃষকের শুকিয়ে যাওয়া ৩০ শতাংশ জ‌মির পাট কেটে সহায়তা করলো আনসার ভিডিপির সদস্যরা। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজবাড়ী জেলা সদরের বানিবহ বারিকগ্রাম বিলে কৃষকদের শুকিয়ে যাওয়া পাট কেটে সহায়তা করে আনসার ভিডিপির সদস্যরা।

আরও পড়ুন

পদ্মায় পানি বৃদ্ধি, নাজিরগঞ্জ-ধাওয়াপাড়া রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

জানা গেছে, ওই এলাকার কৃষকদের পাট ক্ষেত হঠাৎ বৃষ্টির কারণে পাট তলিয়ে যায়। পাট কাটার মৌসুমে জনবলের অভাব এবং আর্থিক সংকটের কারণে সময়মতো পাটগুলো কাটতে পারেনি। যে কারণে পাটগুলো শুকিয়ে গেছে, আর এ পাট এখন কৃষকের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় রাজবাড়ী আনসার ভিডিপির একটি টিম তাদের নিয়মিত সামাজিক কল্যাণমূলক কাজের অংশ হিসেবে কৃষকদের সহযোগিতা করে এবং তাদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এছাড়া রাস্তাঘাট সংস্কার, অসহায় মানুষের ঘর নির্মাণের সহায়তা ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক কল্যাণমূলক কাজ করে থাকে বাংলাদেশ আনসান ভিডিপি।

জেলা কমান্ডেন্ট জুয়েল রানা বলেন, সামাজিক কল্যাণমূলক কাজের অংশ হিসেবে আমাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সদর উপজেলা আনসার ভিডিপির প্রশিক্ষক শাহরিয়ার আহম্মেদের নেতৃত্বে এবং পৌর দলনেতা মো. কাদের রেজার সহযোগিতায় এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তারা ৩০ শতাংশ জ‌মি পরিষ্কার করে দেয়।

রুবেলুর রহমান/এনএইচআর/জেআইএম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
এলএনজি কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন, জ্বালানি তেলের দর নিয়ে আলোচনার সুপারিশ
এলএনজি কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন, জ্বালানি তেলের দর নিয়ে আলোচনার সুপারিশ

দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে টোটাল এনার্জিসের কাছ থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। তবে ডিজেল, উড়োজাহাজের জ্বালানি ও ফার্নেস অয়েল কেনার পাঁচটি প্রস্তাবের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়নি। এসব প্রস্তাবে সুপারিশ করা দরদাতাদের সঙ্গে প্রস্তাবিত অতিরিক্ত মূল্য ও ভিত্তিমূল্য নিয়ে আলোচনা করে পাওয়া দর পরবর্তী সভায় উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এসব প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।   বৈঠকে টোটাল এনার্জিসের কাছ থেকে সরাসরি এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়। প্রতি একক এলএনজির দর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের জেকেএম মূল্যের সঙ্গে দশমিক শূন্য ছয় মার্কিন ডলার যোগ করে নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।    আরও পড়ুন সংসদে প্রধানমন্ত্রী / ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলবে ইলেকট্রিক ট্রেন, কমবে যাতায়াতের সময় সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ সময়ে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে পাঁচটি প্যাকেজে ডিজেল, জেট এ-১ ও ফার্নেস অয়েল কেনার প্রস্তাব করা হয়। এসব প্যাকেজে মোট সম্ভাব্য ক্রয়মূল্য প্রায় ১১ হাজার ৯১৪ কোটি টাকা।   তবে পাঁচটি প্যাকেজের কোনোটির ক্ষেত্রেই চূড়ান্ত ক্রয় অনুমোদন দেওয়া হয়নি। সুপারিশ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রস্তাবিত অতিরিক্ত মূল্য ও ভিত্তিমূল্য নিয়ে আলোচনা করে চূড়ান্ত দর নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে। আলোচনা শেষে পাওয়া দর পরবর্তী সভায় উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে। পিজি-০১ প্যাকেজের আওতায় ২ লাখ ২০ হাজার থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার টন ডিজেল এবং ৫০ হাজার টন জেট এ-১ কেনার প্রস্তাব করা হয়। এর সম্ভাব্য ক্রয়মূল্য ধরা হয় ৪ হাজার ৮০৩ কোটি ২ লাখ টাকা। এ প্যাকেজে ট্রাফিগুরা প্রাইভেট লিমিটেডকে সুপারিশ করা দরদাতা হিসেবে দেখানো হয়েছে।  পিজি-০২ প্যাকেজে ২ লাখ থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং ৪০ হাজার টন জেট এ-১ কেনার প্রস্তাব করা হয়। এর সম্ভাব্য ক্রয়মূল্য ৪ হাজার ৩২৬ কোটি ৮৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ প্যাকেজে ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেডকে সুপারিশ করা দরদাতা হিসেবে দেখানো হয়েছে।  আরও পড়ুন তিন দেশ থেকে এক লাখ ১০ হাজার টন সার কিনবে সরকার পিজি-০৩ প্যাকেজে ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টন ডিজেল কেনার প্রস্তাব করা হয়। এর সম্ভাব্য ক্রয়মূল্য ৭৯২ কোটি ৭৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ প্যাকেজে ইউনিপ্যাক সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেডকে সুপারিশ করা দরদাতা হিসেবে দেখানো হয়েছে।   পিজি-০৪ প্যাকেজে ৫০ হাজার থেকে ৭৫ হাজার টন ডিজেল কেনার প্রস্তাব করা হয়। এর সম্ভাব্য ক্রয়মূল্য এক হাজার ১৮৯ কোটি ৮৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এ ক্ষেত্রেও সুপারিশ করা দরদাতা হিসেবে দেখানো হয়েছে ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেডকে।   পিজি-০৫ প্যাকেজের আওতায় ৭৫ হাজার থেকে এক লাখ টন ফার্নেস অয়েল কেনার প্রস্তাব করা হয়। এর সম্ভাব্য ক্রয়মূল্য ৮০১ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এ প্যাকেজে ট্রাফিগুরা প্রাইভেট লিমিটেডকে সুপারিশ করা দরদাতা হিসেবে দেখানো হয়েছে।  এমএএস/কেএসআর

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
ভাদ্র মাসে দিনাজপুরে কমে যায় ফুল বেচাকেনা, কারণ যা জানা গেল

ভাদ্র মাসে দিনাজপুরে কমে যায় ফুল বেচাকেনা, কারণ যা জানা গেল

সবাই যখন মেতেছে ৮০ দশকের লুকে, ফারিয়া তখন পৌরাণিক সাজে

সবাই যখন মেতেছে ৮০ দশকের লুকে, ফারিয়া তখন পৌরাণিক সাজে

পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন

পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন

ফুল প্যান্ট পরলেও মশা কামড়াতে পারে, জানুন কীভাবে
ফুল প্যান্ট পরলেও মশা কামড়াতে পারে, জানুন কীভাবে

মশা থেকে বাঁচতে বাইরে বের হওয়ার সময় আমরা সাধারণত ফুল প্যান্ট ও গা-ঢাকা পোশাক পরি। শরীরের যত বেশি অংশ ঢাকা থাকবে, মশার কামড়ের ঝুঁকিও তত কমবেসেটাইভেবে থাকি। কিন্তু শুধু ফুল প্যান্ট পরলেই যে মশার কামড় থেকে পুরোপুরি বেঁচে যাবেন, তা কিন্তু নয়। পোশাকের ধরন ও কাপড়ের বুননের ওপরও অনেকটা নির্ভর করে মশা শরীরে পৌঁছাতে পারবে কি না। কাপড় ভেদ করে মশা কামড়ায় কীভাবে নর্থ ক্যারোলাইনা স্টেট ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের মতে, মশার মুখের অংশ অত্যন্ত সরু ও সূক্ষ্ম। তাই খুব পাতলা কাপড়ের বুননে থাকা ক্ষুদ্র ফাঁক দিয়ে মশার মুখের অংশ ত্বকের কাছে পৌঁছাতে পারে। বিশেষ করে গরমের সময় পরা পাতলা সুতির পোশাক অনেক সময় মশার জন্য পুরোপুরি বাধা তৈরি করতে পারে না। শুধু পাতলা কাপড়ই নয়, খুব আঁটসাঁট পোশাকও সুরক্ষার ক্ষেত্রে সমস্যার কারণ হতে পারে। যেমন টাইট লেগিংস বা শরীরের সঙ্গে লেগে থাকা প্যান্টে কাপড় ও ত্বকের মধ্যে প্রায় কোনো ফাঁক থাকে না। ফলে মশা কাপড়ের ওপর বসেই ত্বকে কামড় দেওয়ার সুযোগ পেতে পারে। অর্থাৎ ফুল প্যান্ট পরা অবশ্যই ভালো অভ্যাস। তবে প্যান্টের দৈর্ঘ্য বেশি হলেই মশার কামড় থেকে শতভাগ সুরক্ষা নিশ্চিত হবে না। যেভাবে আরও নিরাপদ থাকবেন মশার কামড় এড়াতে শরীর ঢাকা রাখার পাশাপাশি পোশাকের ধরনেও নজর দিন। খুব পাতলা কাপড়ের পরিবর্তে তুলনামূলকভাবে ঘন বুননের কাপড় বেছে নিতে পারেন। একই সঙ্গে শরীরের সঙ্গে একেবারে চেপে থাকে এমন পোশাকের বদলে কিছুটা ঢিলেঢালা পোশাক পরলে ত্বক ও কাপড়ের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। প্রয়োজনে খোলা শরীরে মশা প্রতিরোধক রিপেলেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। বাইরে থাকার সময় বিশেষ করে সন্ধ্যা ও ভোরের দিকে সতর্ক থাকা ভালো, কারণ এ সময় অনেক মশার সক্রিয়তা বেশি থাকে। তবে শুধু নিজের শরীর ঢেকে রাখলেই হবে না। বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশেও নজর দিতে হবে। টব, বালতি, পরিত্যক্ত পাত্র, ড্রেন বা অন্য কোথাও পানি জমে থাকলে তা নিয়মিত পরিষ্কার করুন। কারণ জমে থাকা পানিতে মশা বংশবিস্তার করতে পারে। তাই ফুল প্যান্ট পরুন, তবে সেটাকেই একমাত্র সুরক্ষা মনে করে নিশ্চিন্ত হয়ে যাবেন না। সঠিক পোশাক, মশা প্রতিরোধক এবং আশপাশে জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখলেই মশার কামড় থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবেন। সূত্র:  টাইমস অব ইন্ডিয়া এসএকেওয়াই/জেআইএম

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
তিন নারীকর্মীকে নগদ অর্থ উপহার দিলেন ট্রাম্প

তিন নারীকর্মীকে নগদ অর্থ উপহার দিলেন ট্রাম্প

দুই জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-সেতু-কালভার্ট মেরামতে ১৪৩ কোটি টাকা অনুমোদন

দুই জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-সেতু-কালভার্ট মেরামতে ১৪৩ কোটি টাকা অনুমোদন

চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় ৭৩ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত, মৃত্যু ১

চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় ৭৩ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত, মৃত্যু ১

‘পরিবর্তন আসবে কবে?’ একের পর এক ঘটনায় হানিয়া আমিরের ক্ষোভ
‘পরিবর্তন আসবে কবে?’ একের পর এক ঘটনায় হানিয়া আমিরের ক্ষোভ

একটি ট্র্যাজেডির শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই সামনে হাজির হচ্ছে আরেকটি ঘটনা। কিন্তু একের পর এক এমন ঘটনায় ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির অভাব যেন ক্রমেই স্বাভাবিক হয়ে উঠছে। এমন আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানি অভিনেত্রী হানিয়া আমির। সাম্প্রতিক এক ঘটনায় আবেগঘন বার্তা দিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘পরিবর্তন আসার আগে আমাদের আর কত কিছু দেখতে হবে?’ মঙ্গলবার নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে হানিয়া লেখেন, একের পর এক অবিচারের মধ্য দিয়ে মানুষকে যেভাবে এগিয়ে যেতে হচ্ছে, বিষয়টি গভীরভাবে উদ্বেগজনক। একটি ট্র্যাজেডির শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই আরেকটি অন্যায় সামনে চলে আসছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। হানিয়ার এই মন্তব্যের সঙ্গে একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়। ভিডিওটিতে করাচির শাহরাহ-ই-ফয়সালে একটি অবস্থান কর্মসূচিতে পুলিশের হস্তক্ষেপের দৃশ্য দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। ওই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন সোমালি জলদস্যুদের হাতে জিম্মি হয়ে থাকা পাকিস্তানি নাবিকদের পরিবারের সদস্যরা। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ওই নাবিকরা জিম্মি অবস্থায় রয়েছেন। তাদের উদ্ধারের দাবিতে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময়ে প্রতিবাদ ও কর্মসূচি পালন করেছেন। রোববারও তারা একটি অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। হানিয়া লিখেছেন, ‘একটি ট্র্যাজেডি, একটি অবিচার থেকে আরেকটির দিকে আমাদের এত দ্রুত যেতে বাধ্য করা হচ্ছে- বিষয়টি গভীরভাবে ভয়ংকর।’ তার মতে, এই চক্রের কোথাও গিয়ে জবাবদিহির বিষয়টি হারিয়ে যাচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘বাস্তবে কোনো পরিবর্তন আসার আগে আমাদের আর কত কিছু দেখতে হবে?’ এর আগে জিম্মি নাবিকদের কয়েকজন স্বজন দাবি করেছিলেন, নির্ধারিত পদযাত্রার আগে পুলিশ তাদের অল্প সময়ের জন্য আটক করেছিল। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, তারা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে কর্মসূচির স্থান ছেড়ে যেতে অনুরোধ করেছিল। বিক্ষোভকারীদের ওপর বলপ্রয়োগ করে সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেছে পুলিশ। জিম্মি নাবিকদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন পাকিস্তানের বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় তারকাও। অভিনেত্রী মাহিরা খান, সাবিনা ফারুক ও সংগীতশিল্পী তালহা আনজুমসহ অনেকে তাদের নিরাপদে উদ্ধারের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে গত পাঁচ মাসে একাধিক প্রতিবাদ ও কর্মসূচি হলেও এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। জিম্মি হওয়ার পর নাবিকদের কয়েকটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। সেসব ভিডিওতে তারা পাকিস্তান সরকারের কাছে তাদের মুক্তির ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে পরিষ্কার পানি, খাবার ও ওষুধের মতো প্রয়োজনীয় সামগ্রীও শেষ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন তারা। জিম্মিকারীরা নাবিক ও তাদের বহনকারী পণ্যসহ জাহাজটি মুক্তির বিনিময়ে ৩০ লাখ মার্কিন ডলার মুক্তিপণ দাবি করেছে।   এলআইএ

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
হামে মৃত্যু হাজার ছাড়ালো

হামে মৃত্যু হাজার ছাড়ালো

ছাগলে শিমগাছ খাওয়া নিয়ে ঝগড়া, ভাতের মাড় দিয়ে গৃহবধূর শরীর ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ

ছাগলে শিমগাছ খাওয়া নিয়ে ঝগড়া, ভাতের মাড় দিয়ে গৃহবধূর শরীর ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ

বায়ু-বর্জ্য-পানি-সোলার থেকে ৫৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা

বায়ু-বর্জ্য-পানি-সোলার থেকে ৫৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা

0 Comments