জাতীয়

দুই জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-সেতু-কালভার্ট মেরামতে ১৪৩ কোটি টাকা অনুমোদন

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
দুই জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-সেতু-কালভার্ট মেরামতে ১৪৩ কোটি টাকা অনুমোদন
দুই জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-সেতু-কালভার্ট মেরামতে ১৪৩ কোটি টাকা অনুমোদন

২০২২ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ সড়ক বিভাগের বিভিন্ন সড়ক, সেতু ও কালভার্টের জরুরি পুনর্বাসন ও পুনর্নির্মাণে দুটি প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রস্তাব দুটি উপস্থাপন করা হয়।

এর মধ্যে সুনামগঞ্জ সড়ক বিভাগের আওতাধীন সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের প্যাকেজ নম্বর ডব্লিউপি-০১ এর একটি কাজের দরপত্র পুনর্মূল্যায়ন প্রস্তাব ছিল। দরপত্রটির প্যাকেজ নম্বর ০৪/ই-জিপি/ডিইভি/সুনামগঞ্জ/ইই/আরএইচডি/২০২৫-২০২৬ এবং দরপত্র পরিচিতি নম্বর ১১৮৪৯৮৪। এটি পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ প্রস্তাব হিসেবে বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। কমিটি প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে।

আরও পড়ুন

মিলেছে অনুমোদন, রোগ নির্ণয়ে বিভাগীয় সাত হাসপাতালে বসছে আধুনিক যন্ত্র

অন্যদিকে একই প্রকল্পের প্যাকেজ নম্বর ডব্লিউপি-১০ এর আওতায় একটি কাজের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এ দরপত্রের প্যাকেজ নম্বর ০২/ই-জিপি/ডিইভি/সুনামগঞ্জ/ইই/আরএইচডি/২০২৫-২০২৬ এবং দরপত্র পরিচিতি নম্বর ১১৮৩৫১৬।

প্রস্তাব অনুযায়ী, এ কাজের মূল চুক্তিমূল্য ১৪৩ কোটি ৪৭ লাখ ২৩ হাজার ৭৫৪ টাকা ৭৭ পয়সা। কাজটির জন্য সুপারিশ করা দরদাতা হিসেবে ওরিয়েন্ট ট্রেডিং অ্যান্ড বিল্ডার্স লিমিটেডের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ঠিকানা নিকেতন, গুলশান-১, ঢাকা।

বৈঠকে প্রস্তাব দুটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

এমএএস/এমএমকে

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
চাঁদাবাজি অপহরণের দায়ে কৃষক দল সভাপতি বহিষ্কার
চাঁদাবাজি অপহরণের দায়ে কৃষক দল সভাপতি বহিষ্কার

চাঁদাবাজির অভিযোগে ফেনী সদর উপজেলার ধলিয়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি আমিনুল হককে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।    মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ আবদুল গণি স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ​এর আগে, পাওনা টাকা আদায় ও চাঁদার দাবিতে এক যুবদল কর্মীকে অপহরণ, মারধর এবং নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। দলীয় সূত্রে জানা যায়, ধলিয়া ইউনিয়নের বালুয়া চৌমুহনী বাজারের ফার্নিচার ব্যবসায়ী ও যুবদল কর্মী আবদুল কুদ্দুস চৌধুরীর সঙ্গে স্থানীয় দোকানদারের পাওনা লেনদেন নিয়ে বিরোধ চলছিল। অভিযোগ উঠে, গত ৭ সেপ্টেম্বর রাতে আমিনুল হকের নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের এক কর্মী কুদ্দুস চৌধুরীকে তার দোকান থেকে অটোরিকশায় তুলে চিন্তারপোল এলাকার নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে বেধড়ক মারধর করে সঙ্গে থাকা নগদ এক  লাখ ৪২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে তিনশ টাকার সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়। ​পরে ভুক্তভোগী কুদ্দুস চৌধুরী ফেনী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ এবং মঙ্গলবার বিকেলে শহরের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনা তুলে ধরেন। ​সংবাদ সম্মেলন ও থানায় অভিযোগের পর বিষয়টি হাইকমান্ডের নজরে এলে জেলা কৃষক দল আমিনুল হককে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।  জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ আবদুল গণি জানান, দলে কোনো অপরাধী বা চাঁদাবাজের স্থান নেই। সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আবদুল্লাহ আল-মামুন/এএইচ 

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
যে বর্জ্য ছিল রাজধানীর বোঝা, তা এখন শিক্ষা উপকরণ: সেলিম উদ্দিন

যে বর্জ্য ছিল রাজধানীর বোঝা, তা এখন শিক্ষা উপকরণ: সেলিম উদ্দিন

অভিনব কায়দায় দেশে ঢুকছিল ১৪ লাখ ইয়াবা, ঠেকিয়ে দিলো বিজিবি

অভিনব কায়দায় দেশে ঢুকছিল ১৪ লাখ ইয়াবা, ঠেকিয়ে দিলো বিজিবি

সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) ‘ফল ২০২৬’ সেমিস্টারের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আশুলিয়াস্থ ‘ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটি’ ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী এ আয়োজনে নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রম, বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা এবং সেবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।সকালে স্বাধীনতা সম্মেলনকেন্দ্রে নবীনদের ফুল ও স্মারক উপহার দিয়ে স্বাগত জানান বিএনসিসি, এয়ার রোভার স্কাউট ও শিক্ষার্থী স্বেচ্ছাসেবকেরা। পাশাপাশি ডিআইইউর বিভিন্ন ক্লাব এবং আন্তর্জাতিকবিষয়ক দপ্তর, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টার, এইচআরডিআই, অ্যাডমিশন.এসি, স্কিল.জবস, গোএডু ও ডিআইএলসি-এর বুথের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সেবা ও কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ডিআইইউর অফিস অব দ্য স্টুডেন্টস অ্যাফেয়ার্সের উপদেষ্টা অধ্যাপক এ বি এম কামাল পাশা। নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আর কবির। এ ছাড়া বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান ভিডিও বার্তার মাধ্যমে নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত ও শুভেচ্ছা জানান।অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ মুশফিকুর রহিম। তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্যে নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে তাঁদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দেন। এরপর বিশেষ অতিথি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথিদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল সফল অ্যালামনাইদের অভিজ্ঞতা বিনিময় পর্ব। এতে এসএসএল কমার্সের কি–অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার ও সিএসই বিভাগের অ্যালামনাই প্রিয়া রানী দে, এসিআই মোটরস লিমিটেডের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার ও জেএমসি বিভাগের অ্যালামনাই মো. ফরহাদ হোসাইন, মিয়াকি মিডিয়া লিমিটেডের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার ও বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের অ্যালামনাই মো. সাজ্জাদুর রহমান শাওন এবং সানপাওয়ার টেকনোলজির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও এবং ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অ্যালামনাই ইঞ্জিনিয়ার মো. রেজাউল করিম অংশ নেন। তাঁরা নবীনদের সঙ্গে তাঁদের শিক্ষাজীবন, কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা ও ক্যারিয়ার গঠনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।এ ছাড়া ‘মিট দ্য অ্যাচিভার্স’ পর্বে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অফিস অব দ্য স্টুডেন্টস’ অ্যাফেয়ার্সের অ্যাডভাইজার অধ্যাপক এ বি এম কামাল পাশা।বিকেলে স্বাধীনতা সম্মেলনকেন্দ্রে নবীন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
৫ দাবিতে প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েটদের মানববন্ধন

৫ দাবিতে প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েটদের মানববন্ধন

সরকার উদ্যোগ নিলে ক্যানসার চিকিৎসা সহজলভ্য করা সম্ভব—রেজা সেলিম

সরকার উদ্যোগ নিলে ক্যানসার চিকিৎসা সহজলভ্য করা সম্ভব—রেজা সেলিম

এলএনজি আমদানি ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্পে নীতিগত অনুমোদন

এলএনজি আমদানি ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্পে নীতিগত অনুমোদন

বাঁধনের ওপর হামলার প্রতিবাদে শিল্পীদের মানববন্ধন
বাঁধনের ওপর হামলার প্রতিবাদে শিল্পীদের মানববন্ধন

অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর ‘মব সন্ত্রাস’ ও হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের শিল্পীরা। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘আমরা শিল্পীবৃন্দ’র আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বাঁধনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে দেশের শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নির্মাতা রিয়াজুল রিজু বলেন, ‘আমরা শিল্পী, আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের নই। দেশকে ভালোবেসে ’২৪-এর জুলাইয়ে রাস্তায় নেমেছিলাম। কিন্তু গত দুই বছরে আমাদের ওপরই বেশি হামলা হয়েছে। শোরুম উদ্বোধন করতে দেওয়া হয়নি, বিভিন্ন জায়গায় কনসার্ট বন্ধ হয়েছে, নৌকাবাইচ বন্ধ হয়েছে।’ আরও পড়ুন বাঁধনের দৃঢ় ঘোষণা, ‘কেস ফাইল না করে ভেনিস ছাড়ছি না’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সংস্কৃতির ইতিহাস হাজার বছরের। সংস্কৃতির ওপর আক্রমণ মানে দেশের ওপর আক্রমণ, অস্তিত্বের ওপর আক্রমণ। বাঁধন সব সময় অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছে। আমরা শিল্পীরাও তা-ই। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সব সময় আমরা সোচ্চার আছি, থাকব।’ সংগীতশিল্পী মুহিন খান বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। তারা সঙ্গে সঙ্গে এ ঘটনায় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন। এর সঙ্গে আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যে মব সন্ত্রাস হয়েছে, তা আমরা আর মেনে নেব না। দেশের কোনো অংশে এমন মব হলে আমরা বসে থাকব না।’ অভিনেতা ইভান সাইর বলেন, ‘আমরা ’২৪-এর জুলাইয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমেছিলাম। বর্তমান সরকারও যদি গণবিরোধী কিছু করে, আমরা প্রতিবাদ করব। বাঁধনের প্রশংসা করে বলব, এ পরিস্থিতিতে সে এতটা শক্ত থেকে প্রতিবাদ করে যাচ্ছে, যা আমাদের মনোবল শক্ত করছে।’ তিনি বলেন, ‘তার ওপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। বাংলাদেশের শিল্পীরা গান গাইবেন, নাটক করবেন, অন্য সব সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাবেন-আমরা এমন একটি পরিবেশ চাই।’ আরও পড়ুন সালমান শাহর সঙ্গে কেমন সম্পর্ক ছিল, জানালেন শাবনূর মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কোনো শিল্পী বা সাংস্কৃতিক কর্মীর ওপর হামলা কিংবা মব সন্ত্রাস কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শিল্পীদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও স্বাধীনভাবে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা। সম্প্রতি ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার দলের সঙ্গে অংশ নেন বাঁধন। উৎসবের প্রতিযোগিতামূলক অরিজন্তি বিভাগে জায়গা পেয়েছে সিনেমাটি। ৬ সেপ্টেম্বর সালা দারসেনা থিয়েটারে সিনেমাটির বিশ্ব প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়। প্রিমিয়ার শেষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঘুরতে বের হলে হামলা ও হেনস্তার শিকার হন বাঁধন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তাকে পানি, কোমল পানীয় ও ডিম ছুড়ে মারা হয়। একপর্যায়ে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং তার হাত থেকে মুঠোফোন ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনার সময় তার ভাইয়ের স্ত্রী ও তিন বছরের শিশুসন্তানও সঙ্গে ছিল। বাঁধনের দাবি, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তার সক্রিয় ভূমিকার কারণেই তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। হামলাকারীদের কয়েকজন নিজেদের আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ও ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ) কর্মী এবং ‘বঙ্গবন্ধুর সৈনিক’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন বলেও জানান তিনি। বাঁধন আরও জানান, তাকে জোর করে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে বলা হয়। পরে সেই দৃশ্য ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার ও প্রকাশের চেষ্টা করেন হামলাকারীরা। এমএমএফ

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
বিশ শতকের পঞ্চাশের দশকের বাংলাদেশের কবি ও কবিতা

বিশ শতকের পঞ্চাশের দশকের বাংলাদেশের কবি ও কবিতা

নকলায় পাখি শিকারের সরঞ্জামসহ ১০ বক উদ্ধার

নকলায় পাখি শিকারের সরঞ্জামসহ ১০ বক উদ্ধার

ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় যুক্ত হচ্ছে উন্নত তথ্য ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থা

ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় যুক্ত হচ্ছে উন্নত তথ্য ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থা

0 Comments