জাতীয়

অনলাইনে বিয়ে-তালাক নিবন্ধন, রোধ হবে বাল্যবিয়ে-বহুবিয়ে-জালিয়াতি

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
অনলাইনে বিয়ে-তালাক নিবন্ধন, রোধ হবে বাল্যবিয়ে-বহুবিয়ে-জালিয়াতি
অনলাইনে বিয়ে-তালাক নিবন্ধন, রোধ হবে বাল্যবিয়ে-বহুবিয়ে-জালিয়াতি

বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থা ডিজিটাল করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ‘সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স: বিয়ে ও তালাক নিবন্ধনের আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে দেশের ১০টি জেলার ১০টি উপজেলার ১০২টি ইউনিয়নে অনলাইনে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন কার্যক্রম চালু করা হবে।

এ প্রকল্প বাস্তবায়নে আইন ও বিচার বিভাগের সঙ্গে ব্র্যাকের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হয়।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রকল্পের আওতায় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ডাটাবেজের সঙ্গে অনলাইন বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থার আন্তঃসংযোগ করা হবে। এর মাধ্যমে বর-কনের পরিচয় ও বয়স যাচাই করা যাবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নারী ১৮ বছর এবং পুরুষ ২১ বছর পূর্ণ না করলে বিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করা যাবে না।

পাইলট প্রকল্পের জন্য গাজীপুরের কালীগঞ্জ, গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া, শেরপুরের ঝিনাইগাতী, কুড়িগ্রাম সদর, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, নড়াইল সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা, সিলেট সদর, কক্সবাজারের চকরিয়া ও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাচিত করা হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় রিয়েল টাইম কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ, ডাটা সেন্টার ও ব্যাকআপ ব্যবস্থা, অনলাইন নিবন্ধন সফটওয়্যার এবং নিকাহ রেজিস্ট্রারদের প্রয়োজনীয় আইটি সরঞ্জাম সরবরাহ করা হবে। এর ফলে বিয়ে ও তালাকের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে সংরক্ষণ এবং দ্রুত ডিজিটাল সনদ দেওয়ার ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, অনলাইন বিয়ে নিবন্ধন সফটওয়্যার উন্নয়নের কাজ প্রায় ৯৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। ন্যাশনাল ডাটা সেন্টার থেকে ক্লাউড সার্ভার বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ও এনআইডি ডাটাবেজের সঙ্গে এপিআই সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি সোনালী ব্যাংকের পেমেন্ট গেটওয়ে ও বায়োমেট্রিক ডিভাইস পরীক্ষামূলকভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, পাইলট এলাকার নিকাহ রেজিস্ট্রারদের ১০ দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ মডিউল প্রণয়ন, প্রশিক্ষক প্রস্তুত এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণের ভেন্যু নির্ধারণে ব্র্যাক কারিগরি সহায়তা দেবে। পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে ডিজিটাল বিয়ে নিবন্ধনের গুরুত্ব ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতেও কাজ করবে সংস্থাটি।

পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয় হবে। চুক্তির মেয়াদ আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্প সফল হলে পাইলটের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সারাদেশে অনলাইন বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন প্রকল্প পরিচালক মো. আজিজুল হক ও ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির পরিচালক শ্বাশ্বতী বিপ্লব।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন চালু হলে বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, জাল বিয়ে সনদ ও বিয়েসংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের জালিয়াতি রোধ করা সহজ হবে। একই সঙ্গে জনগণ দ্রুত বিয়ে ও তালাকের তথ্য যাচাই এবং ডিজিটাল সনদ পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এগিয়ে যেতে চাই। আমাদের সামনে যদি কোনো ইনোভেটিভ আইডিয়া আসে, সেটাকে আমরা গ্রহণ করে জনকল্যাণের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। এটাই আমাদের লক্ষ্য।’

তিনি বলেন, ব্র্যাক দীর্ঘদিন ধরে দেশের তৃণমূল পর্যায়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও নারীর অধিকার নিয়ে কাজ করছে। তাদের অভিজ্ঞতা ও বিশেষজ্ঞ জ্ঞান কাজে লাগাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরএমএম/এমএএইচ/

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলবে ইলেকট্রিক ট্রেন, কমবে যাতায়াতের সময়
ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলবে ইলেকট্রিক ট্রেন, কমবে যাতায়াতের সময়

প্রকল্পের অর্থায়ন প্রাপ্তি নিশ্চিত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালু করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার জন্য ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর প্রকল্পের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। অর্থায়ন প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনা করা সম্ভব হবে। ফলে ট্রেনের গড় গতি বৃদ্ধি পাবে এবং যাতায়াতের সময় কমবে। আরও পড়ুন সংসদে প্রধানমন্ত্রী / গভীর সাগরে নতুন এলএনজি টার্মিনাল ও ২৬ ব্লকে হবে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, দেশের অর্থনীতির লাইফ লাইন চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকার যাতায়াতে সময় ও দূরত্ব কমানোর লক্ষ্যে ইলেকট্রিক (বুলেট ট্রেন) ট্রেন চালুর পরিকল্পনা আছে কি? এই প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। উল্লেখিত পদক্ষেপের আওতায় টঙ্গী- আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম পর্যন্ত ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের জন্য এরই মধ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে। আরও পড়ুন প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর তিনি বলেন, এর মধ্যে লাকসাম-চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া, টঙ্গী-আখাউড়া ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়ন শেষ পর্যায়ে। আশা করি এই প্রকল্প দুটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডরে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা এবং ট্রেনের গতি বাড়বে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরের দূরত্ব কমাতে ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত কর্ডলাইন নির্মাণের উদ্দেশ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ চলছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে দূরত্ব কমবে এবং গড় গতি বাড়বে। এর ফলে অল্প সময়ে ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে যাতায়াত করা যাবে। এমওএস/কেএসআর

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
ভোলার গ্যাস মূল ভূখণ্ডে নিতে সাত বছর লাগবে: প্রধানমন্ত্রী

ভোলার গ্যাস মূল ভূখণ্ডে নিতে সাত বছর লাগবে: প্রধানমন্ত্রী

বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গুরোগীর চিকিৎসার খরচ সরকার দেবে

বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গুরোগীর চিকিৎসার খরচ সরকার দেবে

এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের ফল বৃহস্পতিবার, জানা যাবে যেভাবে

এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের ফল বৃহস্পতিবার, জানা যাবে যেভাবে

অনলাইন বিক্রিতে দুই কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি, আলফা ই-শপে অভিযান
অনলাইন বিক্রিতে দুই কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি, আলফা ই-শপে অভিযান

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পণ্য বিক্রির মাধ্যমে প্রায় দুই কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির প্রাথমিক তথ্য পেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভ্যাট গোয়েন্দা দল। এ ঘটনায় রাজধানীর বনানী ও মিরপুরে আলফা ই-শপের দুটি শোরুমে অভিযান চালিয়ে ক্রয়-বিক্রয়সংক্রান্ত বিভিন্ন বাণিজ্যিক দলিল জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আলফা শপের দুটি শোরুমে অভিযান চালিয়ে ক্রয়-বিক্রয়সংক্রান্ত বিভিন্ন বাণিজ্যিক দলিল জব্দ করেছে অধিদপ্তরের দুটি নিবারক দল। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ব্যবসা বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভ্যাট ফাঁকির প্রবণতাও বাড়ছে। বিষয়টি নিয়ে নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের রিসার্চ টিম মাঠপর্যায়ে জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এর ভিত্তিতে সম্প্রতি কয়েকটি অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠানকে অনুসন্ধানের আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে আলফা শপ অন্যতম। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৮ সেপ্টেম্বর অধিদপ্তরের দুটি নিবারক দল একযোগে প্রতিষ্ঠানটির দুটি শোরুমে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় প্রতিষ্ঠানটিতে সংরক্ষিত ক্রয়-বিক্রয়সংক্রান্ত বিভিন্ন বাণিজ্যিক দলিল জব্দ করা হয়। এনবিআর জানায়, আলফা ই-শপ বিভিন্ন দামি ব্র্যান্ডের ফ্যান, ডেকোরেটিভ ফ্যান, ঘর সাজানোর লাইটিং ও ঝাড়বাতি, ইলেকট্রনিক্স পণ্য, এসি, টিভিসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি ও স্থানীয়ভাবে কিনে বিক্রি করে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ইন্টেরিয়র ডিজাইন টিমের মাধ্যমে অফিস ও বাসার ইন্টেরিয়র ডিজাইনের কাজও করা হয়। ক্রেতা আকর্ষণে প্রতিষ্ঠানটি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে। পোশাক ব্র্যান্ডগুলোর মতো বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইনফ্লুয়েন্সারদের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করে পণ্য বিক্রির তথ্যও পেয়েছে ভ্যাট গোয়েন্দা দল। এনবিআর জানায়, অভিযানে জব্দ করা দলিলাদি ও বিক্রয়সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি করপোরেট সেল, শোরুম সেল, বনানী অনলাইন সেল, অনলাইন কল সেল, হোয়াটসঅ্যাপ কল সেল, ওয়েবসাইট সেলসহ বিভিন্ন মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে আসছিল। পাশাপাশি রাজধানীর বনানী-১১ ও মিরপুর-১২ এলাকায় থাকা দুটি শোরুমের মাধ্যমেও পণ্য বিক্রি করা হয়। এনবিআর জানায়, প্রাথমিকভাবে জব্দ করা দলিলাদি পর্যালোচনা করে প্রায় ২ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ফাঁকিকৃত রাজস্ব পরিশোধে মৌখিকভাবে সম্মতি দিয়েছে। এসএম/এমএএইচ/

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
প্রথমবার বৃত্তি পেলেন কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৫ শিক্ষার্থী

প্রথমবার বৃত্তি পেলেন কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৫ শিক্ষার্থী

সঙ্গীকে প্রতিদিন ১০ মিনিট সময় দিন, ব্যস্ততার মাঝেও সম্পর্ক থাকবে ঠিক

সঙ্গীকে প্রতিদিন ১০ মিনিট সময় দিন, ব্যস্ততার মাঝেও সম্পর্ক থাকবে ঠিক

শিল্পাঞ্চলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

শিল্পাঞ্চলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

শ্রীমঙ্গলে হাঁস খেতে এসে ধরা বনবিড়ালের দুই বাচ্চা
শ্রীমঙ্গলে হাঁস খেতে এসে ধরা বনবিড়ালের দুই বাচ্চা

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি বাড়িতে হাঁশ খেতে এসে জনতার হাতে আটক হওয়া বনবিড়ালের দুটি বাচ্চা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শ্রীমঙ্গলের আব্দুল ওহাব উচ্চ বিদ্যালয় এর পাশের এক বাসা থেকে বনবিড়ালের বাচ্চা দুটি উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, শ্রীমঙ্গল আব্দুল ওহাব উচ্চ বিদ্যালয়, লাহারপুরের পাশে সমর মোদকের বাসায় হাঁস খেতে বনবিড়াল আসে। পরে হাঁসের চিৎকার শুনে বাসার লোকজন বাইরে এসে দেখতে পান, তিনটি বনবিড়াল হাঁস শিকার করার চেষ্টা করছে। এ সময় বাসার লোকজন বনবিড়ালটিকে ধরার চেষ্টা করলে মা বনবিড়ালটি সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে দুইটি বাচ্চা বনবিড়ালকে আটক করে রাখা হয়। পরবর্তীতে সমর মোদক বিষয়টি বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে জানালে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল এবং পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাচ্চা বনবিড়াল দুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে উদ্ধার করা বনবিড়াল দুটি শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে শ্রীমঙ্গল বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা কাজী নাজমুল ইসলাম বলেন, বনবিড়ালের বাচ্চা গুলোকে বনে অবমুক্ত করা হবে। মাহিদুল ইসলাম/এসজেডএইচ/জেআইএম

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে ৩৬ খাল রক্ষণাবেক্ষণে প্রকল্প

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে ৩৬ খাল রক্ষণাবেক্ষণে প্রকল্প

বিমানবন্দর এলাকার সেন্টার পয়েন্ট শপিং মলের ফুডকোর্টে আগুন

বিমানবন্দর এলাকার সেন্টার পয়েন্ট শপিং মলের ফুডকোর্টে আগুন

চিরকুটে ‘কেউ আমাকে খোঁজার চেষ্টা করবে না’ লিখে স্কুলছাত্র নিখোঁজ

চিরকুটে ‘কেউ আমাকে খোঁজার চেষ্টা করবে না’ লিখে স্কুলছাত্র নিখোঁজ

0 Comments