জাতীয়

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলবে ইলেকট্রিক ট্রেন, কমবে যাতায়াতের সময়

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলবে ইলেকট্রিক ট্রেন, কমবে যাতায়াতের সময়
ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলবে ইলেকট্রিক ট্রেন, কমবে যাতায়াতের সময়

প্রকল্পের অর্থায়ন প্রাপ্তি নিশ্চিত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালু করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার জন্য ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর প্রকল্পের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

অর্থায়ন প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনা করা সম্ভব হবে। ফলে ট্রেনের গড় গতি বৃদ্ধি পাবে এবং যাতায়াতের সময় কমবে।

আরও পড়ুন

সংসদে প্রধানমন্ত্রী / গভীর সাগরে নতুন এলএনজি টার্মিনাল ও ২৬ ব্লকে হবে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, দেশের অর্থনীতির লাইফ লাইন চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকার যাতায়াতে সময় ও দূরত্ব কমানোর লক্ষ্যে ইলেকট্রিক (বুলেট ট্রেন) ট্রেন চালুর পরিকল্পনা আছে কি?

jagonews24.com

সংসদ অধিবেশনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান/ ছবি- পিএমও

এই প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। উল্লেখিত পদক্ষেপের আওতায় টঙ্গী- আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম পর্যন্ত ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের জন্য এরই মধ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে।

আরও পড়ুন

প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

তিনি বলেন, এর মধ্যে লাকসাম-চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া, টঙ্গী-আখাউড়া ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়ন শেষ পর্যায়ে। আশা করি এই প্রকল্প দুটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডরে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা এবং ট্রেনের গতি বাড়বে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরের দূরত্ব কমাতে ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত কর্ডলাইন নির্মাণের উদ্দেশ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ চলছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে দূরত্ব কমবে এবং গড় গতি বাড়বে। এর ফলে অল্প সময়ে ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে যাতায়াত করা যাবে।

এমওএস/কেএসআর

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
বেলুচিস্তানের শান্ত এলাকাও এখন রণক্ষেত্র, চাপে পাকিস্তান সরকার
বেলুচিস্তানের শান্ত এলাকাও এখন রণক্ষেত্র, চাপে পাকিস্তান সরকার

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানে নতুন করে ছড়াচ্ছে সহিংসতা। এখন হামলার কেন্দ্র হয়ে উঠছে প্রদেশটির পশতুন-অধ্যুষিত জেলাগুলো। দুই দশক ধরে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সশস্ত্র বিদ্রোহে জর্জরিত বেলুচিস্তানের কিছু পশতুন এলাকা এতদিন তুলনামূলকভাবে সংঘাতের বাইরে ছিল। তবে চলতি বছরের জুন থেকে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। আরও পড়ুন পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নিহত ৩০ গত কয়েক মাসে এসব এলাকায় পাকিস্তানি তালেবান বা টিটিপি এবং বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর হামলা বেড়েছে। সীমান্ত এলাকায় নতুন হামলা গত ১ সেপ্টেম্বর বেলুচিস্তানের পশতুন-অধ্যুষিত পিশিন জেলায় জিয়ারাত ক্রস এলাকায় একটি কাস্টমস স্থাপনায় হামলা হয়। পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী জানায়, টিটিপির চালানো ওই হামলা তারা প্রতিহত করেছে। এ ঘটনায় কয়েকজন হামলাকারী নিহত হন। নিহত হন নিরাপত্তা বাহিনী ও কাস্টমসের ছয় সদস্যও। এর তিনদিন পর কোয়েটার উপকণ্ঠে শাবান এলাকায় আরেক অভিযানে ২৬ জন টিটিপি সদস্যকে হত্যার দাবি করে নিরাপত্তা বাহিনী। এর মধ্যেই ৩ সেপ্টেম্বর জিয়ারাত থেকে ফেরার পথে একটি আধাসামরিক বাহিনীর গাড়িবহরে হামলা হয়। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ওই হামলায় এক ডজনের বেশি আধাসামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। আরও পড়ুন পাকিস্তানে ‘সন্ত্রাসী হামলায়’ ১৮ সেনাসদস্য নিহত বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি বা বিএলএ হামলার দায় স্বীকার করেছে। তবে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর হামলার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। বেলুচিস্তান এখন সবচেয়ে সহিংস প্রদেশ পাকিস্তানের বিভিন্ন সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্য বলছে, চলতি বছর বেলুচিস্তান সহিংসতার দিক থেকে পার্শ্ববর্তী খাইবার পাখতুনখাওয়াকে ছাড়িয়ে গেছে। ইসলামাবাদভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাকিস্তান ইনস্টিটিউট ফর কনফ্লিক্ট অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের (পিকস) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বেশিরভাগ সময় বেলুচিস্তানই ছিল দেশটির সবচেয়ে বেশি সহিংসতাপ্রবণ প্রদেশ। জুলাইয়ে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। পিকস ওই মাসকে ২০২৬ সালে দেশটির সবচেয়ে প্রাণঘাতী মাস হিসেবে উল্লেখ করেছে। শুধু জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে বেলুচিস্তানে ২৫টি হামলায় ১০২ জন নিহত হওয়ার তথ্য দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। উত্তরাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে টিটিপির কর্মকাণ্ড বাড়াকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আরও পড়ুন বেলুচিস্তানে ৩ সপ্তাহের জন্য ইন্টারনেট বন্ধ করলো পাকিস্তান সরকার আগস্টে বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ১১৫ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হওয়ার তথ্য দিয়েছে পিকস। একই সময়ে খাইবার পাখতুনখাওয়ায় নিহত হন ৫৬ জন। একীভূত উপজাতীয় জেলাগুলোতে নিহত হন ৩২ জন। জুনের আগে পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন গত জুনের আগে বেলুচিস্তানের ১১টি পশতুন-অধ্যুষিত জেলা প্রায় পুরোপুরি বড় ধরনের সশস্ত্র হামলা থেকে মুক্ত ছিল। জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ঝোব, শেরানি, কিলা সাইফুল্লাহ, লোরালাই, মুসাখাইল, দুকি, বারখান, পিশিন, কিলা আবদুল্লাহ, জিয়ারাত ও হারনাইয়ে কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলা নথিভুক্ত হয়নি। কিন্তু জুনে সেই চিত্র বদলে যায়। ১০ জুন মোটরসাইকেলে থাকা বন্দুকধারীরা চারটি জেলায় পুলিশ স্থাপনায় হামলা চালায়। এরপর থেকে পশতুন-অধ্যুষিত এসব এলাকায় কমপক্ষে ১৩টি সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। জুলাইয়ে জিয়ারাতের কাছে একটি বাঁধ প্রকল্প পাহারায় থাকা ২৭ পুলিশ সদস্য নিহত হন। এসব হামলার কোনোটি বিএলএ, আবার কোনোটি টিটিপি বা অন্যান্য বেলুচ গোষ্ঠী দাবি করেছে। আরও পড়ুন পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে আরও ২২ বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত পুলিশ সদস্যদের হত্যার ঘটনায় কোয়েটায় নিহতদের পরিবার ও পশতুন জাতীয়তাবাদী দলগুলো তিনদিনের অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। তাদের অভিযোগ ছিল, আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের যথাসময়ে অতিরিক্ত সহায়তা পাঠানো হয়নি। টিটিপি-বিএলএর যোগাযোগ নিয়ে প্রশ্ন বেলুচিস্তান নিয়ে কাজ করা নীতিবিশ্লেষক রাফিউল্লাহ কাকার এই পরিবর্তনকে গুরুত্বপূর্ণ ও তুলনামূলকভাবে নতুন ঘটনা হিসেবে দেখছেন। তার মতে, বিএলএর প্রচলিত কর্মকাণ্ডের এলাকার বাইরে হামলা চালানোর সক্ষমতা ও আগ্রহ তাদের ভৌগোলিক বিস্তারের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর পাশাপাশি টিটিপি ও বিএলএর মধ্যে কোনো ধরনের কৌশলগত সমন্বয় বা সহযোগিতা আছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে। তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষক ইফতিখার ফিরদৌস দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সরাসরি সহযোগিতার বিষয়ে সতর্ক। তার মতে, টিটিপি ২০১৯ সাল থেকেই বেলুচিস্তানে নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে। টিটিপির প্রধান নূর ওয়ালি মেহসুদও বেলুচ সশস্ত্র যোদ্ধাদের সঙ্গে জোট গড়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। আরও পড়ুন বেলুচিস্তানে বাস থামিয়ে ৯ যাত্রীকে অপহরণের পর হত্যা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বেলুচিস্তানের উত্তরাঞ্চলের মহাসড়ক এন-৫০। এই সড়ক ঝোব ও জিয়ারাতকে কোয়েটার মাধ্যমে খাইবার পাখতুনখাওয়ার দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করেছে। দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানই টিটিপির ঐতিহাসিক ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। বাণিজ্যপথও এখন ঝুঁকিতে বেলুচিস্তানের সাম্প্রতিক সহিংসতার আরেকটি বড় প্রভাব পড়েছে বাণিজ্য ও পরিবহন খাতে। ইরান সীমান্তের তাফতান থেকে কোয়েটা পর্যন্ত এন-৪০ মহাসড়ক এবং কোয়েটা থেকে করাচি পর্যন্ত এন-২৫ মহাসড়ক দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রায় চার মাস ধরে সড়ক দুটির স্বাভাবিক ব্যবহার ব্যাহত হচ্ছে। বেলুচিস্তান গুডস ট্রাকস ওনার অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাহী সদস্য হাজি আমিন সুমালানি বলেন, নিরাপত্তাহীনতার কারণে চালকেরা এসব পথে যেতে ভয় পাচ্ছেন। তার দাবি, এই সময়ে ১০০টির বেশি পণ্যবাহী ট্রাকে আগুন দেওয়া হয়েছে। এতে কয়েক কোটি রুপির ক্ষতি হয়েছে। দুই চালকও নিহত হয়েছেন বলে জানান তিনি। আরও পড়ুন পাকিস্তানে দফায় দফায় হামলা, ১০ নিরাপত্তাকর্মীসহ নিহত ৯৮ কোয়েটা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মুহাম্মদ আইয়ুব মিরইয়ানি বলেন, চেম্বারের প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে। কেন বাড়ছে হামলা বিশ্লেষকদের মতে, বেলুচিস্তানের পশতুন এলাকাগুলোতে হামলা বাড়ার পেছনে একাধিক কারণ কাজ করছে। কোয়েটাভিত্তিক গবেষক ইমতিয়াজ বেলুচের মতে, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো তাদের প্রচলিত ঘাঁটির বাইরে অভিযান ছড়িয়ে দিতে চাইছে। বিশেষ করে যেসব পরিবহনপথের সামরিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে, সেগুলোকে তারা লক্ষ্যবস্তু করছে। উত্তর বেলুচিস্তানের মহাসড়কগুলো প্রদেশের অন্য অনেক সড়কের তুলনায় এতদিন সচল ছিল। সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর জন্য সেটিই এখন এই অঞ্চলকে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে বলে মনে করছেন তিনি। আরেক নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক রহিম নাসার বলেন, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে খাইবার পাখতুনখাওয়ায় পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বড় অভিযান চালানোর পর অনেক যোদ্ধা বেলুচিস্তানে চলে আসে। এপ্রিলের পর তাদের কর্মকাণ্ড আবার বাড়তে শুরু করে। জুনে এসে হামলার মাত্রা আরও বেড়ে যায়। তবে টিটিপি ও বিএলএর মধ্যে সরাসরি যোগসাজশ রয়েছে কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত নন তিনি। তার মতে, যে গোষ্ঠী কোনো এলাকায় প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে, সেখানেই হামলা চালাচ্ছে। বাড়তে পারে স্থানীয় ক্ষোভ বিশ্লেষকেরা বলছেন, শুধু সামরিক পদক্ষেপ দিয়ে এই পরিস্থিতির সমাধান কঠিন হতে পারে। বেলুচিস্তানের পশতুন অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে আগেই রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অসন্তোষ রয়েছে। সীমান্ত বন্ধ এবং সীমান্তনির্ভর জীবিকার ওপর বিভিন্ন বিধিনিষেধ নিয়েও এসব এলাকায় প্রতিবাদ হয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হলে সাধারণ মানুষের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর হলে স্থানীয় জনগণের অসন্তোষও গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বেলুচিস্তানে তাই সহিংসতার নতুন বিস্তার পাকিস্তান সরকারের জন্য শুধু নিরাপত্তা নয়, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবেও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। সূত্র: আল-জাজিরাকেএএ/

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
‘পাগল’ বলতেন স্ত্রী, সেলিমের সংগ্রহশালায় এখন ইতিহাসের ছোঁয়া

‘পাগল’ বলতেন স্ত্রী, সেলিমের সংগ্রহশালায় এখন ইতিহাসের ছোঁয়া

৯ হাজার টন ছোলা ও এক কোটি লিটার রাইস ব্রান তেল কিনবে সরকার

৯ হাজার টন ছোলা ও এক কোটি লিটার রাইস ব্রান তেল কিনবে সরকার

জিগাতলার সেই কিশোরী আজ সুইডিশ পার্লামেন্টের প্রতিদ্বন্দ্বী

জিগাতলার সেই কিশোরী আজ সুইডিশ পার্লামেন্টের প্রতিদ্বন্দ্বী

গবেষক বা শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন বিউটি
গবেষক বা শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন বিউটি

প্রথম আলো ট্রাস্টের একটি নিয়মিত আয়োজন হলো ‘অদ্বিতীয়ার গল্প’। এ আয়োজনে আইডিএলসি-প্রথম আলো ট্রাস্টের ‘অদ্বিতীয়া’ শিক্ষাবৃত্তি পাওয়া একজনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। অনলাইন এই আয়োজনে ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল বিকেল ৫টায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ২০২২ সালে এই বৃত্তি পাওয়া বিউটি সরকারকে। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার  এক গ্রামের মেয়ে বিউটি সরকার। তার পরিবারে মেয়েদের মধ্যে বিউটি-ই প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পা রেখেছেন। তিনি চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের (এইউডব্লিউ) পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। ভবিষ্যতে একজন শিক্ষক ও গবেষক হতে চান। পরিবারের প্রথম নারী হিসেবে স্নাতক পর্যায়ে যাওয়া এবং তাঁর স্বপ্নের কথাগুলো ওঠে এসেছে এ অনুষ্ঠানে। আয়োজনটি একযোগে সম্প্রচারিত হয় প্রথম আলো ও প্রথম আলো ট্রাস্টের ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেল থেকে। সভাটি সঞ্চালনা করেন প্রথম আলো ট্রাস্টের সমন্বয়ক মাহবুবা সুলতানা। প্রশ্ন উত্তর আলোকে অনুষ্ঠানের চুম্বক অংশ নিয়ে লিখেছেন মো. নাজিম উদ্দিন।'অদ্বিতীয়ার গল্প' অনুষ্ঠানে আপনাকে স্বাগত। কেমন আছেন বিউটি?বিউটি সরকার: ভালো আছি আপু।আপনার একদম ছোটবেলার কথা দিয়ে শুরু করতে চাই। গ্রাম থেকে চট্টগ্রামের এই স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা—যাত্রাপথটা কেমন ছিল?বিউটি সরকার: আমি ছোটবেলা থেকেই পড়তে ভালোবাসতাম। আমার মা পড়াশোনার বেশি সুযোগ পাননি, কিন্তু বাবা ছিলেন আমার সবচেয়ে বড় সাপোর্টার। গ্রাম থেকে আজকে এইউডব্লিউ পর্যন্ত আসার পুরো অবদানটাই আমার বাবার প্রচেষ্টার ফল।কিন্তু চট্টগ্রামের এই আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়ের খোঁজটি কীভাবে পেলেন? পরিবার কি মেয়েকে একা এতদূরে পাঠাতে দ্বিধা করেনি?বিউটি সরকার: ইন্টারমিডিয়েটের পর বাবাই চেয়েছিলেন আমি যেন উচ্চশিক্ষার ভালো সুযোগ পাই। বিশেষ করে আমার কলেজের শিক্ষক বাবাকে এইউডব্লিউ সম্পর্কে জানান এবং এখানে ভর্তি পরীক্ষায় বসতে অনুপ্রাণিত করেন। আর পরিবারের কথা বলতে গেলে, আমার পরিবার ভীষণ সাপোর্টিভ। তাই একা চট্টগ্রামে গিয়ে থাকার ক্ষেত্রে আমাকে কোনো পারিবারিক বা সামাজিক বাধা ফেস করতে হয়নি।সত্যিই আপনি ভাগ্যবতি। তবে এইউডব্লিউতে ক্লাস নেওয়া হয় সম্পূর্ণ ইংরেজিতে, প্রফেসরদের অধিকাংশই বিদেশি এবং অধিকাংশ রুমমেটও বিদেশি। বাংলা মিডিয়াম থেকে গিয়ে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া কতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল?বিউটি সরকার: সত্যি বলতে, শুরুতে খুব ভয় লাগত। আমার রুমমেটরা ছিল আফগানিস্তান ও ইরানের। তাদের সঙ্গে ইংরেজিতে কীভাবে যোগাযোগ করব বুঝতে পারতাম না, কারণ আগে তো বলার প্র্যাকটিস ছিল না। তবে ওরা খুব ভালো ছিল। আফগান রুমমেট প্রতিদিন সকালে আমাকে ইংরেজি গ্রামার শেখাত এবং পরামর্শ দিত। ধীরে ধীরে সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।আর ক্লাসরুম এবং প্রফেসরদের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?বিউটি সরকার: প্রফেসররা ভীষণ হেল্পফুল ও ফ্রেন্ডলি। পড়া না বুঝলে লার্নিং সেন্টারে আলাদা সময় দিতেন, এমনকি বাংলায় বুঝিয়ে দিতেন। পুরো বিশ্ববিদ্যালয়কে আমার একটি পরিবারের মতোই মনে হয়েছে।এইউডব্লিউতে একদিকে ক্লাসের অ্যাসাইনমেন্ট, টার্ম পেপার, অন্যদিকে বিভিন্ন ক্লাব ও সাংস্কৃতিক উৎসব—এত কিছু একসঙ্গে সামলান কীভাবে? দিনে তো ২৪ ঘণ্টাই।বিউটি সরকার: এটাকে বলে 'উইমেন পাওয়ার'। আমি পড়াশোনা আর রিসার্চ পেপার লেখার পাশাপাশি অর্গানিক কেমিস্ট্রি ও এনভারমেন্টাল সায়েন্স বিষয়ের 'টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট' হিসেবে পার্ট-টাইম কাজও করছি।অসাধারণ। এই টাইম ম্যানেজমেন্টের সিক্রেট বা টিপসটা কী?বিউটি সরকার: মূল টিপস হলো—আমাদের 'স্বপ্ন', যা আমাদের কখনোই দুর্বল হতে দেয় না। কাজের একটি প্রায়োরিটি লিস্ট করে ফেলি। গুরুত্বপূর্ণ কাজে বেশি সময় দিই, কম গুরুত্বপূর্ণ কাজে কম। সময়টা ভাগ করে নিলে সব সহজ হয়ে যায়।আপনি উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে শিক্ষকতা ও গবেষণা করতে চান। গবেষণায় দেশের জন্য ঠিক কোন জায়গাটিতে কাজ করার ইচ্ছে আছে?বিউটি সরকার: যেহেতু আমি পরিবেশ বিজ্ঞান নিয়ে পড়ছি, তাই আমার ইচ্ছা উদ্ভাবনী প্রযুক্তি এবং 'ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট' (বর্জ্য ব্যবস্থাপনা) নিয়ে কাজ করা। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চাই।দারুণ ভাবনা। আচ্ছা, আপনার এই সাফল্য দেখে আপনার বাবা-মা এখন কী বলেন?বিউটি সরকার: তাঁরা এখন আমাকে নিয়ে অনেক বড় স্বপ্ন দেখেন। এখন তাদের স্বপ্ন—আমি বিদেশে গিয়েও যেন উচ্চশিক্ষা অর্জন করি। তাদের স্বপ্ন পূরণ করাটাই এখন আমার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।একটি মজার প্রশ্ন করি— এইউডব্লিউতে আসার আগে নিজের কনফিডেন্স, প্রেজেন্টেশন আর টাইম ম্যানেজমেন্ট স্কিলে ১০-এ কত দিতেন, আর এখন ৩য় বর্ষে এসে কত দেবেন?বিউটি সরকার: আসার আগে দিতাম ১০-এ ৪! আর এখন দেব ৯ বা ৯.৫।বাহ, অভিনন্দন আপনাকে! একদম শেষ প্রশ্ন—নতুন যে অদ্বিতীয়া বা শিক্ষার্থীরা সম্প্রতি পড়াশোনা শুরু করেছে, তাদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?বিউটি সরকার: শুরুতেই ইংরেজি মিডিয়াম বা অন্য শিক্ষার্থীদের দেখে হতাশ হওয়া যাবে না। নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে। আর সবচেয়ে জরুরি হলো একটি ভালো ও সেফ ফ্রেন্ড সার্কেল বা কমিউনিটি তৈরি করা, যারা মেন্টাল পিস দেবে ও বিপদে-আপদে সাপোর্ট করবে। প্রয়োজনে সিনিয়রদের সহযোগিতা নিতে হবে।আপনার অভিজ্ঞতা আমাদের নতুন সাহস জোগাবে। প্রথম আলো ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বিউটি সরকারকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা।বিউটি সরকার: প্রথম আলো ট্রাস্ট এবং অদ্বিতীয়া প্রকল্পকে অনেক ধন্যবাদ আমার পাশে থাকার জন্য।

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
নিউইয়র্কের ভোরে চমক শেলটন

নিউইয়র্কের ভোরে চমক শেলটন

বিদেশযাত্রার নামে ডিজিটাল দালালের প্রতারণা ঠেকাবে কে

বিদেশযাত্রার নামে ডিজিটাল দালালের প্রতারণা ঠেকাবে কে

বরিশালে ময়লার স্তূপ থেকে দুই নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার

বরিশালে ময়লার স্তূপ থেকে দুই নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার

এলএনজি কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন, জ্বালানি তেলের দর নিয়ে আলোচনার সুপারিশ
এলএনজি কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন, জ্বালানি তেলের দর নিয়ে আলোচনার সুপারিশ

দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে টোটাল এনার্জিসের কাছ থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। তবে ডিজেল, উড়োজাহাজের জ্বালানি ও ফার্নেস অয়েল কেনার পাঁচটি প্রস্তাবের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়নি। এসব প্রস্তাবে সুপারিশ করা দরদাতাদের সঙ্গে প্রস্তাবিত অতিরিক্ত মূল্য ও ভিত্তিমূল্য নিয়ে আলোচনা করে পাওয়া দর পরবর্তী সভায় উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এসব প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।   বৈঠকে টোটাল এনার্জিসের কাছ থেকে সরাসরি এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়। প্রতি একক এলএনজির দর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের জেকেএম মূল্যের সঙ্গে দশমিক শূন্য ছয় মার্কিন ডলার যোগ করে নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।    আরও পড়ুন সংসদে প্রধানমন্ত্রী / ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলবে ইলেকট্রিক ট্রেন, কমবে যাতায়াতের সময় সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ সময়ে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে পাঁচটি প্যাকেজে ডিজেল, জেট এ-১ ও ফার্নেস অয়েল কেনার প্রস্তাব করা হয়। এসব প্যাকেজে মোট সম্ভাব্য ক্রয়মূল্য প্রায় ১১ হাজার ৯১৪ কোটি টাকা।   তবে পাঁচটি প্যাকেজের কোনোটির ক্ষেত্রেই চূড়ান্ত ক্রয় অনুমোদন দেওয়া হয়নি। সুপারিশ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রস্তাবিত অতিরিক্ত মূল্য ও ভিত্তিমূল্য নিয়ে আলোচনা করে চূড়ান্ত দর নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে। আলোচনা শেষে পাওয়া দর পরবর্তী সভায় উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে। পিজি-০১ প্যাকেজের আওতায় ২ লাখ ২০ হাজার থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার টন ডিজেল এবং ৫০ হাজার টন জেট এ-১ কেনার প্রস্তাব করা হয়। এর সম্ভাব্য ক্রয়মূল্য ধরা হয় ৪ হাজার ৮০৩ কোটি ২ লাখ টাকা। এ প্যাকেজে ট্রাফিগুরা প্রাইভেট লিমিটেডকে সুপারিশ করা দরদাতা হিসেবে দেখানো হয়েছে।  পিজি-০২ প্যাকেজে ২ লাখ থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং ৪০ হাজার টন জেট এ-১ কেনার প্রস্তাব করা হয়। এর সম্ভাব্য ক্রয়মূল্য ৪ হাজার ৩২৬ কোটি ৮৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ প্যাকেজে ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেডকে সুপারিশ করা দরদাতা হিসেবে দেখানো হয়েছে।  আরও পড়ুন তিন দেশ থেকে এক লাখ ১০ হাজার টন সার কিনবে সরকার পিজি-০৩ প্যাকেজে ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টন ডিজেল কেনার প্রস্তাব করা হয়। এর সম্ভাব্য ক্রয়মূল্য ৭৯২ কোটি ৭৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ প্যাকেজে ইউনিপ্যাক সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেডকে সুপারিশ করা দরদাতা হিসেবে দেখানো হয়েছে।   পিজি-০৪ প্যাকেজে ৫০ হাজার থেকে ৭৫ হাজার টন ডিজেল কেনার প্রস্তাব করা হয়। এর সম্ভাব্য ক্রয়মূল্য এক হাজার ১৮৯ কোটি ৮৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এ ক্ষেত্রেও সুপারিশ করা দরদাতা হিসেবে দেখানো হয়েছে ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেডকে।   পিজি-০৫ প্যাকেজের আওতায় ৭৫ হাজার থেকে এক লাখ টন ফার্নেস অয়েল কেনার প্রস্তাব করা হয়। এর সম্ভাব্য ক্রয়মূল্য ৮০১ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এ প্যাকেজে ট্রাফিগুরা প্রাইভেট লিমিটেডকে সুপারিশ করা দরদাতা হিসেবে দেখানো হয়েছে।  এমএএস/কেএসআর

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
ভাদ্র মাসে দিনাজপুরে কমে যায় ফুল বেচাকেনা, কারণ যা জানা গেল

ভাদ্র মাসে দিনাজপুরে কমে যায় ফুল বেচাকেনা, কারণ যা জানা গেল

সবাই যখন মেতেছে ৮০ দশকের লুকে, ফারিয়া তখন পৌরাণিক সাজে

সবাই যখন মেতেছে ৮০ দশকের লুকে, ফারিয়া তখন পৌরাণিক সাজে

পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন

পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন

0 Comments