‘সেক্সি বিউটি’ নিয়ে কটাক্ষের শিকার সালমান

ভক্তদের চমকে দিতে অভিনেতা সালমান খানের জুড়ি নেই!

আহত বায়ার্নের সাথেও পারল না আতলেতিকো

ম্যাচের শুরুতেই গোলের সুযোগ পেয়েছিল আতলেতিকো। দ্বিতীয় মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে রক্ষা পায় বায়ার্ন।

আহত বায়ার্নের সাথেও পারল না আতলেতিকো
ছবি তুললেই হামলা, গাজীপুরে ছয় সাংবাদিক আহত

গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে চলমান আন্দোলনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ছবি তুলতে গিয়ে হামলার শিকার হচ্ছেন সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষ।

ছবি তুললেই হামলা, গাজীপুরে ছয় সাংবাদিক আহত
কুমিল্লায় নিখোঁজ ভারতীয় শিক্ষার্থীর মরদেহ মিলল পুকুরে

কুমিল্লার ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের হোস্টেল থেকে নিখোঁজ হওয়া ভারতীয় শিক্ষার্থী আদনানের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

কুমিল্লায় নিখোঁজ ভারতীয় শিক্ষার্থীর মরদেহ মিলল পুকুরে
বিগব্যাশে মুস্তাফিজ, কাটার মাস্টারকে ঘিরে বিশেষ আয়োজন

অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ লিগে প্রথমবারের মতো নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশি তারকা মুস্তাফিজুর রহমান। শুধু মাঠের লড়াই নয়, মুস্তাফিজকে ঘিরে মেলবোর্নের বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্যও থাকছে বিশেষ চমক।

বিগব্যাশে মুস্তাফিজ, কাটার মাস্টারকে ঘিরে বিশেষ আয়োজন
মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের নতুন সভাপতি ইশরাক

বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের নতুন অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। কমিটির সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে জাতীয় স্যান্ডো ও কোরাস প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদকজয়ী খেলোয়াড় ও সংগ...

মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের নতুন সভাপতি ইশরাক
দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ফের মোংলা বন্দরে যাচ্ছেন তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রীর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে নতুন জেটি নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে গত ১০ অক্টোবর স্বাক্ষরিত চুক্তির ভিত্তিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর মোট ব্যয় ৪ হাজ...

দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ফের মোংলা বন্দরে যাচ্ছেন তারেক রহমান

সারা দেশ

View more
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার

সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।

Video news

Rss feed news

দিল্লির ঐতিহাসিক মসজিদ ঘিরে বড় হয়েছেন তাঁরা, এখন উচ্ছেদ হয়ে যেতে হলো ৩১ মাইল দূরে
দিল্লির ঐতিহাসিক মসজিদ ঘিরে বড় হয়েছেন তাঁরা, এখন উচ্ছেদ হয়ে যেতে হলো ৩১ মাইল দূরে

<p>ভারতের রাজধানী দিল্লির একেবারে কেন্দ্রস্থলে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে সামান্য দূরের একটি ছোট্ট মসজিদ। পুরোনো মসজিদটির চারপাশে ছড়িয়ে আছে ধ্বংসস্তূপ। তবে মসজিদের ধূসর দেয়াল, খিলান আর উঠানের সাদা–সবুজ টাইলসগুলো এখনো সেভাবেই অক্ষত আছে। শুধু নেই সেসব মানুষেরা, যাঁদের পদচারণে মুখর থাকত মসজিদ প্রাঙ্গণ, বসতি।</p><p> তাঁদেরই একজন মোহাম্মদ ওয়াসিম। বয়স ৫০ বছর। পেশায় গাড়িচালক তিনি। মসজিদঘেঁষা ধ্বংসস্তূপের দিকে তিনি আঙুল তুলে দেখালেন, সেখানেই একসময় বসতঘর ছিল ওয়াসিমের। বললেন, ‘এখানে আমার বাবার বিয়ে হয়েছিল। কয়েক দশক পর আমার মেয়ের বিয়েও এখানে হয়েছে।’</p><p> পরিবার নিয়ে শুধু ওয়াসিম নন, কয়েক শ মানুষ মসজিদটি ঘিরে বসবাস করতেন। জায়গাটি দিল্লির রেসকোর্স এলাকায়। ভারতের রাজধানীর অন্যতম অভিজাত ও কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত এলাকা এটি। সেখানে রয়েছে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনা, অভিজাত ক্লাব, সারি সারি বিশাল বাংলো। এসবের মাঝে ছোট ছোট কিছু ঘর নিয়ে গড়ে উঠেছিল মুসলিমদের ওই বসতি।</p><p>গত ৭ অক্টোবর সেখানে উচ্ছেদ অভিযান চালায় কর্তৃপক্ষ। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বাড়ি, দোকান, স্থাপনা; পুরো বসতি। কর্তৃপক্ষ জানায়, সরকারি জমিতে অবৈধ বসতি গড়ে তোলা হয়েছিল। তাই, অভিযান চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে সামরিক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টিও সামনে আনে কর্তৃপক্ষ।</p><p>মুসলিমরা কয়েক প্রজন্ম ধরে দিল্লির ওই জায়গাটিতে বসবাস করে আসছিলেন। আশপাশের অভিজাত বাড়িগুলোয় কেউ গাড়িচালক, কেউ পরিচ্ছন্নতাকর্মী, আবার কেউবা মালির কাজ করতেন। উচ্ছেদ করা হয়েছে ৭১৭টি পরিবারকে। তাদের এখন ঠাঁই হয়েছে ‘সাভদা ঘেবরা’ নামের একটি আবাসিক এলাকায়। জায়গাটি দিল্লির উপকণ্ঠে, আগের বসতি থেকে প্রায় ৩১ মাইল দূরে।</p><p>সরকারের উচ্ছেদ অভিযানের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যুক্তি ছিল কর্মস্থল, বিদ্যালয় আর পরিচিত জনপদ থেকে এত দূরে সরিয়ে নেওয়া হলে তাঁদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হতে পারে। তবে আদালত এসব যুক্তি আমলে নেননি।</p><p>গত আগস্টে আদালত তাঁদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার অনুমতি দেন। সরকার নিরাপত্তার উদ্বেগের কথা জানিয়েছিল, আদালত তা গ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথাও বলেছেন।</p><p>ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযানের পর এলাকাটিতে শুধু মসজিদটি আর কাছাকাছি থাকা একটি মন্দির অক্ষত আছে। তবে সেখানকার পানি ও বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। সেখানে যাতায়াতের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। মুসল্লিদের মসজিদের ফটক থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে অনুরোধ করে কেউ কেউ ভেতরে ঢুকছেন।</p><blockquote>উচ্ছেদের পর মসজিদের পানি–বিদ্যুতের সংযোগ আবার চালু করতে কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে ওয়াক্‌ফ বোর্ড। চিঠিতে মসজিদটির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগের কথাও লেখা রয়েছে। সেই সঙ্গে মসজিদটিতে নামাজ আদায়ে বিধিনিষেধ আরোপ এবং ভেঙে ফেলার আশঙ্কা জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন একজন মুসল্লি।</blockquote><p><strong>মসজিদটি শতাব্দীপ্রাচীন</strong></p><p>ভারত সরকার বলছে, মসজিদটি সরকারি জমিতে নির্মিত। তবে মসজিদ কর্তৃপক্ষের দাবি, ১৯৭৭ সালে এটি ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি হিসেবে নিবন্ধিত হয়। ইসলামি আইন অনুযায়ী, ধর্মীয় বা দাতব্য কাজের জন্য স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করা জমি বা স্থাপনাকে ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি বলা হয়। মসজিদটি ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা হিসেবেও তালিকাভুক্ত।</p><p>দিল্লি ওয়াক্‌ফ বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মসজিদটির বয়স প্রায় ৩০০ বছর। তবে অনেকে বলছেন, এর বয়স ১২৫ থেকে ১৫০ বছরের মধ্যে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কাজেই মসজিদটিকে শতাব্দীপ্রাচীন বলাই যায়।</p><p>উচ্ছেদের পর মসজিদের পানি–বিদ্যুতের সংযোগ আবার চালু করতে কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে ওয়াক্‌ফ বোর্ড। চিঠিতে মসজিদটির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগের কথাও লেখা রয়েছে। সেই সঙ্গে মসজিদটিতে নামাজ আদায়ে বিধিনিষেধ আরোপ এবং ভেঙে ফেলার আশঙ্কা জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন একজন মুসল্লি।</p><p>গত ২৯ অক্টোবর সরকার আদালতকে জানায়, ওয়াক্‌ফ বোর্ডের আপত্তিগুলো বিবেচনা করা হচ্ছে। এ জন্য আগামী চার সপ্তাহ কিছু করা হবে না। তবে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সেখানে নামাজ আদায়ের সুযোগ ফিরিয়ে দেওয়ার বিরোধিতা করেছে সরকার। তাদের যুক্তি, আশপাশে উচ্ছেদের কাজ চলায় সেখানে নামাজ আদায় করা ঝুঁকিপূর্ণ।</p><p>মুসল্লিদের আইনজীবী সরকারের এ যুক্তির বিরোধিতা করেছেন।</p><blockquote>সমালোচকদের মতে, দিল্লিতে এমন উচ্ছেদের ঘটনা নতুন নয়। এসব ঘটনা দীর্ঘদিনের সমস্যার অংশ। কাজের সন্ধানে শহরে আসা নিম্ন আয়ের মানুষদের বারবার শহরের দূরবর্তী প্রান্তে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এর বড় কারণ তাঁরা সেখানে কয়েক দশক ধরে বসবাস করলেও জমির বৈধ মালিকানার প্রমাণ দেখাতে পারেন না।</blockquote><p><strong>ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকণ্ঠা</strong></p><p>আদালত বিষয়টি নিয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে রাজি হননি। আগামী ১৬ ডিসেম্বর শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন।</p><p>মসজিদটির ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনো অনিশ্চিত। তবে একসময় যাঁরা মসজিদের আশপাশে বসবাস করতেন, তাঁদের কাছে এখন বড় প্রশ্ন—সেখানকার জীবনের কতটুকু আর ফিরে পাওয়া যাবে?</p><p>এখন ওয়াসিম সময় পেলেই মসজিদটিতে নামাজ আদায় করতে যান। কখনো কখনো নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে ফিরিয়ে দেয়। আবার কখনো অনুমতি মেলে। চার–পাঁচজন মিলে নামাজ আদায় করেন। বাইরে বড়সড় একটি জেনারেটর বসানো হয়েছে। উচ্চশব্দে চলছে সেটি। সেখান থেকেই বিদ্যুৎ সবরাহ করা হচ্ছে।</p><p>ওয়াসিম বলেন, ‘আমাদের পুরো জীবন এ জায়গাটি ঘিরে। শৈশবে এখানে খেলাধুলা করে বেড়ে উঠেছি। আমরা এখন কীভাবে জায়গাটি ছেড়ে যেতে পারি।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/qjrtwjpf/Dellhi-1.avif"><figcaption>মসজিদের সামনে ও আশপাশে বেশ কিছু স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব জায়গায় মুসলিম পরিবারগুলো বসবাস করত</figcaption></figure><p>রেখা নামে এক বিধবা নারী সেখানে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছিলেন। পাশের একটি বাসায় ধোয়ামোছার কাজ করতেন। সেই বেতন দিয়ে পরিবার চলত। পাশাপাশি স্থানীয় একটি মন্দিরে সেবায়েতের কাজেও যুক্ত ছিলেন। বাড়ি থেকে উচ্ছেদের কারণে এখন অকূলপাথারে পড়েছেন রেখা।</p><p>অসহায় কণ্ঠে রেখা বলেন, ‘বেশ কয়েক দশক এখানে ছিলাম। এখন উচ্ছেদ করা হলো। বহুদিনের গোছানো সংসার ফেলে এখন নতুন জায়গায় গিয়ে আবার কীভাবে সব গড়ে তুলব?’</p><p>নতুন জায়গায় যেতে হওয়ায় আগের কাজটি হারিয়েছেন রেখা। তাঁর ১৯ বছরের ছেলে হন্যে হয়ে চাকরি খুঁজছেন। তিনতলায় একটি ছোট্ট অ্যাপার্টমেন্ট দেওয়া হয়েছে রেখাকে। অস্ত্রোপচার হয়েছিল, পায়ে একটি লোহার পাত পরানো রয়েছে রেখার। তাই সিঁড়ি ভেঙে তিনতলায় ওঠানামা করতে ভীষণ কষ্ট হয় তাঁর।</p><p>ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকণ্ঠায় ভোগা রেখা বলেন, ‘আমাকে একটা বাসা দেওয়া হয়েছে ঠিকই, কিন্তু আমার বাড়িটি কেড়ে নিয়েছে।’</p><p><strong>‘জীবিকা চলে যায়, আয় কমে’</strong></p><p>সমালোচকদের মতে, দিল্লিতে এমন উচ্ছেদের ঘটনা নতুন নয়। এসব ঘটনা দীর্ঘদিনের সমস্যার অংশ। কাজের সন্ধানে শহরে আসা নিম্ন আয়ের মানুষদের বারবার শহরের দূরবর্তী প্রান্তে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এর বড় কারণ তাঁরা সেখানে কয়েক দশক ধরে বসবাস করলেও জমির বৈধ মালিকানার প্রমাণ দেখাতে পারেন না।</p><p>নগর গবেষক মুক্তা নায়েক বিবিসিকে বলেন, উচ্ছেদের ফলে এসব মানুষ কর্মস্থল ও পরিচিত সামাজিক যোগাযোগব্যবস্থা—দুটো থেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। এতে তাঁদের জীবিকা চলে যায়, আয় কমে।</p><p>পুরোনো জায়গায় পরিবারগুলো দীর্ঘদিন একসঙ্গে বসবাস করায় একে অপরের সহায় হয়ে ওঠেন। একটি পারস্পরিক সহযোগিতার ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। নতুন জায়গায় সেই নেটওয়ার্ক আবার গড়ে তোলাটি বেশ কঠিন। মুক্তা বলেন, ‘নতুন জায়গায় পরিবারগুলোকে একাই নিজেদের সবকিছু সামলাতে হয়।’</p><aside><cite>রেখা, ভুক্তভোগী নারী।</cite>‘বেশ কয়েক দশক এখানে ছিলাম। এখন উচ্ছেদ করা হলো। বহুদিনের গোছানো সংসার ফেলে এখন নতুন জায়গায় গিয়ে আবার কীভাবে সব গড়ে তুলব?</aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/jblj58coi4">বিদ্যুৎ ও পানি বন্ধ, উচ্ছেদ-আতঙ্কের মধ্যেই দিল্লির শতবর্ষী মসজিদে জুমার নামাজ পড়লেন মুসল্লিরা</a></aside><p>দিল্লির রাজ্য সরকারের আবাসন সংস্থা, স্থানীয় পৌর কাউন্সিল এবং কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমি দপ্তরের কাছে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চেয়েছিল বিবিসি। জবাব পাওয়া যায়নি।</p><p>সাভদা ঘেবরা জায়গাটি দিল্লি–হরিয়ানার সীমান্তঘেঁষা। ২০০৬ সালে সেখানে বিস্তৃর্ণ কৃষিজমিতে এটা গড়ে তোলা হয়েছিল। শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের জন্য এ আবাসিক এলাকা তৈরি করা হয়েছিল।</p><p>শুরুর দিকে এখানে যাঁরা বসতি গড়তে এসেছিলেন, তাঁরা পেয়েছিলেন খালি জমি। সড়ক, পানির ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ—কিছুই ছিল না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা নিজেদের ঘরবাড়ি বানান, দোকানপাট গড়ে তোলেন। তাঁদের মৌলিক নাগরিক সুবিধাগুলো আদায়ের জন্য লড়াই করতে হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/oyn7pn5d4k">আসামের পর দিল্লিতে ৭০০ মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে, মসজিদ ভেঙে দেওয়ার নোটিশ জারি</a></aside><p><strong>নিত্যদিনের যাতায়াতে সমস্যা</strong></p><p>চলতি শতকের শুরুর দশকে সাভদা ঘেবরায় হাজার পঞ্চাশেক মানুষ বসবাস করতেন। তাঁদের অন্য কোথাও যাওয়ার সুযোগ ছিল না। তাঁরা ধীরে ধীরে জায়গাটিকে একটি জনপদে পরিণত করেন। এখন রেসকোর্স থেকে উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলো সেখানে একইভাবে নতুন করে জীবন গড়ার কঠিন ও দীর্ঘ যাত্রা শুরু করেছে।</p><p>কথা হচ্ছিল বাবলুর সঙ্গে। তাঁর সন্তান এখনো দিল্লির মধ্যাঞ্চলের আগের বিদ্যালয় পড়ছে। বাবলু বলেন, সন্তানকে নিয়ে প্রতিদিন ভোর পাঁচটায় বাড়ি থেকে বেরোতে হয়। এরপর মেট্রোতে চড়ে সন্তানকে দিল্লির ওই বিদ্যালয়ে নিয়ে যেতে তাঁকে তিনবার ট্রেন বদলাতে হয়। বিদ্যালয় চলার পুরো সময়টা তিনি পাশের একটি চায়ের দোকানে বসে অপেক্ষা করেন। পরে একইভাবে ট্রেন বদলে আবার বাড়ি ফেরেন।</p><p>বাবলু জানান, তিনি কাজে চলে গেলে সন্তানকে নিয়ে তাঁর স্ত্রীকে এই যুদ্ধটা করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, নতুন বাড়িটা বেশ দূরে। তাই তিনি বা তাঁর স্ত্রীর সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফিরতে বিকেল চারটা বেজে যায়।</p><p>রেসকোর্সের একটি ক্লাবে কাজ করতেন বাবলু। এখন দিল্লির উত্তর–পূর্বাঞ্চলের মিরাট শহরে কাজ খুঁজছেন তিনি। বাবলু বলেন, কর্মস্থল আর ছেলেমেয়ের বিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকাগুলোয় চলে যাওয়ার কথা ভাবছেন অনেকেই।</p><p>সরকারের দাবি, রেসকোর্সের কাছাকাছি উপযুক্ত ফ্ল্যাট পাওয়া যায়নি। আদালতে সরকার বলেছে, সাভদা ঘেবরায় চিকিৎসাকেন্দ্র, বিদ্যালয় ও যোগাযোগব্যবস্থা রয়েছে। তাই বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর বসবাসের জন্য এলাকাটি বেশ উপযুক্ত।</p><aside><cite>মুক্তা নায়েক, নগর গবেষক।</cite>উচ্ছেদের ফলে এসব মানুষ কর্মস্থল ও পরিচিত সামাজিক যোগাযোগব্যবস্থা—দুটো থেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। এতে তাঁদের জীবিকা চলে যায়, আয় কমে।</aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/dw18w33elo">আসামের ধুবড়িতে উচ্ছেদ অভিযানে গৃহহীন ৪ হাজার বাঙালি মুসলমান</a></aside><p><strong>নাগরিক সুবিধার অপ্রতুলতা</strong></p><p>কিন্তু এসব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে খুব একটা আশ্বস্ত হতে পারছেন না ৬৩ বছর বয়সী নাঈম খান। তাঁর দুই নাতি কথা বলতে ও শুনতে পারে না। তাদের বিশেষায়িত চিকিৎসা ও শিক্ষার প্রয়োজন। নাঈমের দাবি, সাভদা ঘেবরায় এ ধরনের কোনো ব্যবস্থা নেই।</p><p>নাঈম বলেন, স্থানান্তরের কারণে তাঁর পরিবার ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। এক ছেলে আর বিবাহবিচ্ছিন্ন মেয়ে তাঁর সঙ্গে ছোট্ট এক কক্ষের ফ্ল্যাটে থাকেন। জায়গার অভাবে অন্য দুই ছেলেকে থাকতে হচ্ছে আলাদা জায়গায়। নাঈমের ভাষায়, ‘আমাদের প্রায় ২০ বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।’</p><p>এই বাস্তুচ্যুতি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে নারীদের ওপর। নগর গবেষক মুক্তা বলেন, শিশুদের দেখাশোনার দায়িত্ব, যাতায়াতের খরচ ও নিরাপত্তার উদ্বেগের কারণে নারীদের জন্য দূরে গিয়ে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/4l09a781wh">আসামে বাঙালি মুসলিমদের বাড়িঘর উচ্ছেদ, মসজিদ ভাঙার অভিযোগ</a></aside><p>রেসকোর্সের আশপাশের ধনী পরিবারগুলোয় কাজ করে আয় করার সুযোগ ছিল। কারও বাসায় থালাবাসন ধোয়া, বাগানের পরিচর্যা করা, ফেলে দেওয়া বোতল কুড়িয়ে বিক্রি করা—এসব কাজ করে উচ্ছেদ হওয়ার আগে নারীরা উপার্জন করতে পারতেন।</p><p>তাঁদেরই একজন আখতারি। স্বামী মারা গেছেন। ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকের পানির বোতল কুড়িয়ে দিনে প্রায় ১০০ রুপি আয় হতো তাঁর। এখন সেই আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে।</p><p>নতুন বসতির বিষয়ে আখতারি বলেন, ‘এখানে যাঁরা থাকেন সবাইকে একসময় উচ্ছেদ করা হয়েছে। সবাই গরিব, অসহায়। নিজেরা টিকে থাকার লড়াই করছেন। অন্যের বাসায় কাজের জন্য কে আর কাউকে নিয়োগ দেবে?’</p><p>হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে কী হবে, এখন সেই চিন্তা তাড়া করছে আখতারিকে। তিনি বলেন, ‘ঘরে মৃত পড়ে থাকলেও কেউ জানতে পারবে না। আশা করি কেউ একদিন দরজা ভেঙে আমাকে (মৃত অবস্থায়) খুঁজে পাবে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/64hkqcnuj7">এবার দিল্লির ১৫০ বছরের পুরোনো মসজিদ উচ্ছেদের নোটিশ</a></aside>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
পথিককে রাস্তা বলে দেওয়া: একটি ভুলে যাওয়া সুন্নত
পথিককে রাস্তা বলে দেওয়া: একটি ভুলে যাওয়া সুন্নত

পথ জিজ্ঞেস করে অনেককে বিরক্ত মুখ দেখতে হয়, কখনো অবজ্ঞা, কখনো ভুল ইশারা। অথচ মহানবী (সা.) পথহারাকে পথ দেখানোকে ইবাদত বলে গণ্য করেছেন।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
কেঁচোর গোসল
কেঁচোর গোসল

লেকের পাশে মাছ মারার ছিপ পেতে বসে আছে পল্টু। পাশেই একটা সাইন ঝোলানো। সেখানে লেখা, ‘এখানে মাছ ধরা নিষেধ’।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
এক চোখে আলো নেই, তবু ৪০ বছর ধরে পত্রিকা বিলি করেন ইনামুল
এক চোখে আলো নেই, তবু ৪০ বছর ধরে পত্রিকা বিলি করেন ইনামুল

জন্ম থেকেই এক চোখ দৃষ্টিহীন। অন্য চোখেও ঝাপসা দেখেন ইনামুল হক। তবু ৪০ বছর ধরে সাইকেলে পত্রিকা বিলি করছেন তিনি। এই কাজ করেই বড় করেছেন তিন সন্তানকে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
শক্তিশালী প্রসেসর ও ব্যাটারি রয়েছে শাওমির এই স্মার্টফোনে
শক্তিশালী প্রসেসর ও ব্যাটারি রয়েছে শাওমির এই স্মার্টফোনে

<p>দেশের বাজারে শক্তিশালী প্রসেসরে চলা নতুন মডেলের স্মার্টফোন এনেছে শাওমি। রেডমি ১৭ ফাইভ–জি মডেলের ফোনটিতে স্ন্যাপড্রাগন ৪ জেন ৫ মডেলের প্রসেসর থাকায় দ্রুতগতিতে ইন্টারনেট ব্যবহারের পাশাপাশি একসঙ্গে একাধিক কাজ করা যায়। ৭ হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারিযুক্ত ফোনটি একবার চার্জে দীর্ঘসময় ব্যবহার করা সম্ভব। শুধু তা–ই নয়, ৪৫ ওয়াটের টার্বো চার্জিং সুবিধা থাকায় দ্রুত চার্জ করা যায় ফোনটি। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে শাওমি বাংলাদেশ।</p><p>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শাওমি হাইপারওএস ৩ অপারেটিং সিস্টেমে চলা ফোনটিতে ৬ গিগাবাইট র‍্যাম এবং ১২৮ গিগাবাইট ধারণক্ষমতা রয়েছে। শক্তিশালী প্রসেসরের পাশাপাশি দ্রুতগতির র‍্যাম থাকায় ফোনটিতে সহজেই বিভিন্ন কাজ করার পাশাপাশি ভিডিও দেখা যায়।</p><p>৬.৯ ইঞ্চি পর্দার ফোনটির রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্ডজ হওয়ায় সহজেই ভালো মানের ছবি ও ভিডিও দেখা যায়। ফোনটির পেছনে ৫০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে। সেলফি তোলার জন্য সামনে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা।</p><p>কর্নিং গরিলা গ্লাস ৭আই ও আইপি৬৪ ডাস্ট অ্যান্ড স্প্ল্যাশ রেজিজট্যান্স প্রযুক্তি রয়েছে ফোনটিতে। ফলে দীর্ঘদিন ব্যবহার করলেও ফোনটিতে দাগ পড়ে না এবং হাত থেকে পড়ে ভেঙে যায় না। দুটি রঙে বাজারে আসা ফোনটির দাম ধরা হয়েছে ৩১ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
এসকেএস ফাউন্ডেশনে ৩২ জনের চাকরির সুযোগ, কর্মস্থল রাজশাহী ও রংপুর
এসকেএস ফাউন্ডেশনে ৩২ জনের চাকরির সুযোগ, কর্মস্থল রাজশাহী ও রংপুর

<p>বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘এসকেএস ফাউন্ডেশন’ তাদের একটি প্রকল্পের আওতায় জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি ইডকল–এর অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন ‘ডোমেস্টিক রুফটপ সোলার (ডিআরএস)’ প্রকল্পের জন্য ‘সেলস অফিসার কাম টেকনিশিয়ান’ পদে ৩২ কর্মী নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে ই–মেইলের মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন।</p><p> <strong>পদের নাম ও পদসংখ্যা<br></strong> -পদের নাম: সেলস অফিসার কাম টেকনিশিয়ান<br> -পদসংখ্যা: ৩২ জন<br> -শিক্ষাগত যোগ্যতা: ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং/রিনিউয়েবল এনার্জি টেকনোলজি অথবা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা কিংবা পদার্থবিজ্ঞানে বিএসসি ডিগ্রি থাকতে হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/upxozbi3if">৫১তম বিসিএস: ৫ হাজার চিকিৎসক হতে আবেদন করলেন ৪৪,৬৩৫ জন</a></aside><p><strong>অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য দক্ষতা<br></strong>এনজিও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে দুই থেকে তিন বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সোলার ইনভার্টার ও ব্যাটারি প্রযুক্তি, ইলেকট্রিক্যাল ওয়্যারিং, প্রটেকশন সিস্টেম ও আর্থিং বিষয়ে জ্ঞান থাকতে হবে। সাইট সার্ভে ও ফিজিবিলিটি অ্যাসেসমেন্টে দক্ষতা এবং এমএস অফিস, এক্সেল, অটোক্যাড ও সোলার ডিজাইন সফটওয়্যার পরিচালনায় পারদর্শী হতে হবে। পাশাপাশি কাস্টমার রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট ও নেগোসিয়েশনে দক্ষ হতে হবে।</p><p><strong>বয়সসীমা</strong><br>প্রার্থীর বয়স সর্বোচ্চ ৪০ বছর হতে পারবে।</p><p><strong>কর্মস্থল</strong><br>রাজশাহী ও রংপুর।</p><p><strong>বেতন ও সুবিধাগুলো<br></strong>মাসিক বেতন: ২৫,০০০ টাকা।<br>অন্যান্য সুবিধা: ভ্রমণের ভাতা, সপ্তাহে দুদিন ছুটি এবং প্রকল্প বাজেটের বিধান অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/dbdi5owhju">ইউরোপের ঘণ্টাপ্রতি বেতন যে ১০ দেশে সবচেয়ে বেশি</a></aside><p><strong>আবেদনের প্রক্রিয়া<br></strong>আগ্রহী প্রার্থীদের তাঁদের জীবনবৃত্তান্তের পিডিএফ কপি এবং দুজন রেফারির নাম ও যোগাযোগের বিবরণসহ আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত জীবনবৃত্তান্ত ই–মেইলের hr@sks-bd.org মাধ্যমে ডেপুটি ডিরেক্টর–এইচআর বরাবর পাঠাতে হবে। কেবল বাছাই করা প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে। নিয়োগে নারীদের বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হয়েছে।<br>আবেদনের শেষ সময়: ১২ নভেম্বর ২০২৬।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/xhk2txmvsx">নিউজিল্যান্ড শিক্ষার্থী ভিসায় আনল চার পরিবর্তন</a></aside>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
‘সখী, ভালোবাসা কারে কয়!’
‘সখী, ভালোবাসা কারে কয়!’

<p>মারজুক রাসেল লিখেছিলেন—</p><p> ‘আমি তো প্রেমে পড়িনি</p><p> প্রেম আমার উপরে পড়েছে’</p><p> সারা জীবন প্রেম–ভালোবাসা থেকে নিজেকে সংগত কারণেই সরিয়ে রাখতে হয়েছিল। কৈশোরের যে বয়সে মনের পাতায় রং লাগে, চোখে লাগে ঘোর, আর বিপরীত লিঙ্গের মানুষের প্রতি তৈরি হয় কুসুম কুসুম ভালোলাগা, তখন আমাকে জোর করে এসব অনুভূতি সরিয়ে রাখতে হয়েছিল। কারণ, আমার দাদির একটা প্রবাদ ছিল— ‘ভাতের কুড়কুড়ি কি যৌবনের কুড়কুড়ি।’ সহজ কথায়, পেটে ভাত থাকলে সবই ভালো লাগে, কিন্তু পেটে ক্ষুধা থাকলে আর কিছুই ভালো লাগে না।</p><p> পদ্মার পাড়ে জন্ম নেওয়া আমার জীবনটাও যেন নদীরই প্রতিচ্ছবি। পদ্মা যেমন শীতকালে শুকিয়ে যায়, আমার জীবনটাও কৈশোরের সময়ে একেবারে শুকিয়ে গিয়েছিল। পেটে ভাতের সংস্থান নেই। পরনের কাপড়ে শত তালি। এক পোশাকেই বছর পার করতে হয়। এর পাশাপাশি পড়াশোনাটা ছিল গরিবের ‘ঘোড়া রোগ’। তবু কোনো রকম চালিয়ে নিচ্ছিলাম। পাড়ার বন্ধুরা বিভিন্ন মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিতে শুরু করল এবং নগদে ‘ছ্যাঁকামাইসিন’ খেয়ে ‘ব্যাকা’ হয়ে গেল। পাশাপাশি পড়াশোনা উঠল চাঙে। কিন্তু আমাকে জোর করে এই বিলাসিতা থেকে মুক্ত রাখতে হলো। কারণ, পড়াশোনা করে নিজের এবং পরিবারের অভাব দূর করতে হবে। আমি তাই পাড়ার মোড়ের দোকানে বসে নচিকেতার গান শুনি আর নিজেকে নিজেই প্রেরণা জোগাই—</p><p> ‘এই তুমি কি আমায় ভালোবাসো?</p><p> যদি না বাসো, তবে পরোয়া করি না’</p><p>কলেজে ভর্তি হওয়ার পর যখন মনের রং আরও একটু গাঢ় হলো, তখন বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আরও বেশি ভালোলাগা তৈরি হলো। কিন্তু বাস্তবতা বিবেচনায় সেটাকেও চেপে রাখতে হলো। এরপর বুয়েটে ভর্তি হওয়ার পর বন্ধুরা সবাই মোটামুটি প্রেম করতে শুরু করল। অবস্থা এমন দাঁড়াল যে আমরা তখন চাইলেই রাজত্বসহ রাজকন্যার বাবা রাজি। কিন্তু আত্মসম্মানের গর্বে সেদিকে আর পা বাড়ালাম না। বন্ধুরা যখন বিকেলে নিজেদের প্রেয়সীকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়, আমি তখন ঢাকা শহরের এমাথা থেকে ওমাথা পর্যন্ত হেঁটে টিউশনি করে ক্লান্ত হয়ে হলে ফিরি। নিজের পড়াশোনার খরচ, ছোট ভাইদের পড়াশোনার খরচের পাশাপাশি সংসারেও কিছুটা সহযোগিতা করার চেষ্টা করি। তাই প্রেম বিষয়টা ঠিক যেন আমার করে ওঠা হলো না।</p><p>অবশ্য বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে প্রেম নিয়ে আমার কিছু তত্ত্বও ছিল। আমি প্রেমিকদের বলতাম, পোষা কুকুর। আর কুকুরের মালিক হচ্ছে প্রেমিকা। পোষা কুকুর যেমন মনিবভক্ত হয়, প্রেমিকও ঠিক তেমন। মালিকের দরকারের সময় তুতু করে ডাকলেই লেজ নাড়তে নাড়তে বেচারা কুকুর হাজির। আবার কোনো ভুলভ্রান্তি হয়ে গেলেই মালিক কষে পেছনে একটা লাথি দেন। লাথি খেয়ে ব্যথায় কুঁই কুঁই করতে করতে ফিরে আসে। এরপর আবারও মালিক তুতু করে ডাকলে আবারও হাজির হয়। এমন একটা অশোভন কাজ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে তাই সর্বোচ্চ চেষ্টা ছিল। উপরন্তু হলের রুমমেট তানভীরের এহেন কুকুর স্বভাবের কর্মকাণ্ড প্রেম সম্বন্ধে মনে আরও বিতৃষ্ণা তৈরি করেছিল। আমাদের সহপাঠী এক মেয়ে তার কাছ থেকে সর্বোচ্চ সুযোগ–সুবিধা নিয়েছিল। এরপর যখন সে সেই মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিল, মেয়েটা তৎক্ষণাৎ জানিয়ে দিয়েছিল—</p><p>‘আমি তোমাকে ভালো বন্ধু বলেই জানতাম, সেই তুমিও আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে!’</p><p>প্রেম নিয়ে আরও যেসব অভিজ্ঞতা হয়েছিল, সেগুলোও প্রেম করা থেকে আমাকে নিরুৎসাহিত করত। বন্ধুরা টিউশনি করে টাকা কামিয়ে প্রেমিকাকে দামি উপহার কিনে দিয়ে সেই টাকার শ্রাদ্ধ করত, যেটা আমার পক্ষে কোনোকালেই সম্ভবপর ছিল না। তখন সবে মুঠোফোন মানুষের হাতে আসছে। মুঠোফোনের দাম যেমন অনেক, তেমনি এক মিনিট কথা বলতে গেলেও অনেক টাকা খরচ করতে হয়। বন্ধুরা তাদের প্রেমিকাদের মুঠোফোন কিনে দিয়েই ক্ষান্ত হতো না। প্রেমিকা মিস কল দিলেই সাথে সাথে কল ব্যাক করা ছিল বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া অনেককেই দেখলাম ছ্যাঁকা খেতে। আমার খুব কাছের এক বন্ধুকে একদিন দেখলাম, ছ্যাঁকা খেয়ে আনাড়িভাবে দামি সিগারেট ফুঁকছে। এসব দেখেশুনে নিজে তো প্রেম করলামই না, পরিচিত যারা প্রেম করত তাদেরও চরমভাবে নিরুৎসাহিত করা নিজের নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করতাম।</p><blockquote>দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: dp@prothomalo.com</blockquote><p>আমি যেহেতু মানুষকে প্রেম করতে শুধু নিরুৎসাহিতই করি না, বরং ভুজুং ভাজুং দিয়ে তাই পরিচিতজনেরা একসময় আমাকে আর তাদের সম্পর্কের বিষয়গুলো বলত না। তাদের একসময় প্রকট ধারণা হলো এই ছেলে জীবনেও প্রেম বা বিয়ে থা করবে না। তারপরও মানুষের মন বলে কথা। অবচেতন মন নিশ্চয়ই চাইত একটা অন্তত প্রেম হোক। দুজন মুখোমুখি বসে গোধূলির মায়াবী আলোয় একে অপরের চোখে স্বপ্ন আঁকি। সেই সুযোগও এল। আমার নিজ জেলার প্রাক্তন এক ছাত্রী, যে আমারই সমবয়সী ছিল। আমরা প্রথমবারেই ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলাম, কিন্তু সে না পাওয়ায় তাকে প্রাইভেট পড়াতে হয়েছিল। সে নাকি আমাকে মনে মনে পছন্দ করত। তত দিনে সে–ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পার করে লাক্স চ্যানেল আই ফটোসুন্দরীর প্রথম ২০ জনের ১ জন ও হয়েছিল। কিন্তু পরিবারের বাধার কারণে আর এগোতে পারেনি। তার সঙ্গে যোগাযোগ হলো। এক ছুটির দিনে সকালে সে ফোন দিয়ে দেখা করতে বলল, কিন্তু তখন আমার কাছে ঘুমটাই মুখ্য। তাই মোবাইল বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়লাম। এরপর বুঝলাম, আমি আসলে সবেচেয়ে বেশি নিজেকেই ভালোবাসি। অন্য মানুষের ইচ্ছাপূরণের মতো ন্যূনতম ইচ্ছা আমার নেই।</p><p>এই পর্যন্ত বলে হাসান সাহেব আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসলেন। আমি বললাম, এই তাহলে আপনার প্রেমের আখ্যান। উনি বললেন, ইয়াকুব সাহেব গল্প এখনো শেষ হয়নি। আমি বললাম, বলেন কী! এখানে হাসান সাহেবের একটু পরিচয় দিয়ে রাখি। আমি অনেক হাঁটাহাঁটি করি এবং পথেঘাটে যেকোনো মানুষের সঙ্গে গল্প জুড়ে দিই। এভাবেই ওনার সঙ্গে পরিচয়। দুজনের মানসিকতা মিলে বলেই যোগাযোগটা বন্ধুত্বে রূপ নিয়েছে। যাহোক, এরপর উনি যেটা বললেন, আমি তার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। উনি বললেন, সংসারের দায়িত্ব পালন করেও অনলাইনে এক মহিলার সঙ্গে পরিচয় হয়। শুরুতেই দুজন সম্পর্কটাকে বন্ধুত্বের মধ্যে রাখার প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। সবই ঠিকঠাক চলছিল। এর মধ্যে একদিন দেখি, ওনার মুখটা শুকনো। বললাম, ‘ঘটনা কী, ভাবির সাথে ঝামেলা হয়েছে বুঝি।’</p><p>উত্তরে উনি বললেন, ‘না ভাই, বুড়ো বয়সে ছ্যাঁকামাইসিন খেয়েছি। তরুণ বয়সে খেলে হয়তোবা তেমন কিছু হতো না, কিন্তু বুড়ো বয়সে হাড়গোড় ভেঙে গেছে।’ উনি বলে চললেন, ‘মহিলার সাথে আমার আলাপ চলছিল ঠিকঠাক। এর মধ্যে একদিন মহিলা বললেন, তার নাকি একজনকে ভালো লাগে।’ হাসান সাহেব বললেন, তা লাগতেই পারে। এরপর বললেন, অনলাইনে এক লোকের লেখা পড়ে তাকে ভালো লেগে গেছে। এরপর হাসান সাহেব অবাক হয়ে আবিষ্কার করলেন, তার মন খারাপ হচ্ছে। এর পর থেকে তার আর মন খারাপ ভাব যাচ্ছেই না। উনি বললেন, ‘ভাই বিশ্বাস করেন, আমি কস্মিনকালেও সম্পর্কটাকে অন্যকিছু ভাবিনি, কিন্তু তবু এমন কেন হচ্ছে?’ আমি বললাম, ‘আমি আপনাকে চিনি এবং বিশ্বাস করি। কিন্তু মানুষের মন বলে কথা। সে যে কখন কার বাঁধনে আটকা পড়বে, কেউই সেটা আগে থেকে বুঝতে পারে না ভাই।’</p><p>উত্তর শুনে উনি বললেন, ‘এটা কাটিয়ে উঠতে কত দিন লাগতে পারে?’ আমি বললাম, ‘হয়তোবা বাকি জীবন আপনাকে এই স্মৃতি আঁকড়েই বাঁচতে হবে, যেহেতু আপনি এর আগে কখনো প্রেম করেননি, অথবা আপনি ধুর ছাই বলে সবকিছু কাটিয়ে উঠবেন। সময়ই আপনাকে বলে দেবে, আপনার ক্ষেত্রে কোনটা ঘটবে। তবে আমার উপদেশ হলো মনের ওপর জোর করবেন না।’ উনি বললেন, ‘জোর করছি না, কিন্তু মুশকিল হচ্ছে, ওনার সাথে কথা না বললে ভালো লাগে না, আবার কথা বললেও অশান্তি লাগে। আমি কী করব!’ আমি বললাম, ‘কবি এখানে নীরব।’ আমার মনে তখন কবিগুরুর গানের একটা চরণ ঘুরপাক খাচ্ছে—</p><p>‘সখী, ভালোবাসা কারে কয়! সে কি কেবলই যাতনাময়।’</p>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক স্লোগান নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, আলোচিত কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়া হলো
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক স্লোগান নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, আলোচিত কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়া হলো

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা করে বক্তব্য, ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক (সচিব) মোহাম্মদ মসিউর রহমানকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে

নভেম্বর ৪, ২০২৬
কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে ট্রাম্পের দল, জয়ের পথে ডেমোক্র্যাটরা
কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে ট্রাম্পের দল, জয়ের পথে ডেমোক্র্যাটরা

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষেই ডেমোক্র্যাটদের জয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বুথ ফেরত জরিপে দেখা যাচ্ছে অর্থনীতি নিয়ে অধিকাংশ ভোটার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

নভেম্বর ৪, ২০২৬
রিপাবলিকানদের এলাকায় আছড়ে পড়ছে ডেমোক্র্যাটিক ঢেউ
রিপাবলিকানদের এলাকায় আছড়ে পড়ছে ডেমোক্র্যাটিক ঢেউ

এক বছর আগে যে দুটি সিনেট আসনকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ক্ষেত্র বলে মনে করা হচ্ছিল, সেগুলো ডেমোক্র্যাটদের জন্য নিশ্চিত জয়ে পরিণত হয়েছে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
ছবিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন
ছবিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন

ভোটকেন্দ্রের সারি থেকে শুরু করে উৎসাহী সমর্থক পর্যন্ত, ছবিতে তুলে ধরা হলো প্রচারণার শেষ দিনগুলোর এক ঝলক।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
পত্রিকা: 'পোশাকশিল্পে উৎপাদন ক্ষতি দেড় হাজার কোটি টাকা'
পত্রিকা: 'পোশাকশিল্পে উৎপাদন ক্ষতি দেড় হাজার কোটি টাকা'

আজ বুধবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার খবরে গুরুত্ব পেয়েছে গার্মেন্ট কারখানাগুলোয় আন্দোলন – সহিংসতার খবর। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের খবরও গুরুত্ব পেয়েছে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
যে তিনভাবে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল আসতে পারে
যে তিনভাবে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল আসতে পারে

মোটা দাগে বলতে গেলে, আমেরিকানদের মতামত জানানোর পর তিনটি সম্ভাব্য ফলাফল রয়েছে। সেগুলো কী হতে পারে, ফলাফল আসতে শুরু করলে প্রাথমিক লক্ষণগুলো কী হতে পারে এবং সেদেশের জন্য এর অর্থ কী হতে পারে, তা এখানে তুলে ধরা হলো।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
ভিডিও কলে শুধু কবুল পড়ে বিয়ে করলে  কি বৈধ হয়?
ভিডিও কলে শুধু কবুল পড়ে বিয়ে করলে কি বৈধ হয়?

বাংলাদেশে মুসলিমদের এমন অনেকেই আছেন, যারা শুধু কবুল পড়ে অথবা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিড করে বিয়ে করেন। আইনজীবী এবং কাজী অফিস সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে মসজিদে গিয়ে বর-কনে কবুল বলে বিয়ে করলে সেটি রেজিস্ট্রি না করলেও শরীয়তসম্মত। কিন্তু আইনের দৃষ্টিতে এ ধরনের বিয়ে কী বৈধ?

নভেম্বর ৩, ২০২৬
বিক্ষোভ-সংঘর্ষ চলছেই, পোশাক কারখানার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে কবে?
বিক্ষোভ-সংঘর্ষ চলছেই, পোশাক কারখানার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে কবে?

ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধিসহ কয়েকদফা দাবিতে গত কয়েকদিনের মতো সোমবারও সকাল থেকে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ করেছে পোশাক শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবারও ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

নভেম্বর ২, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কী? সাতটি জরুরি প্রশ্নের উত্তর
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কী? সাতটি জরুরি প্রশ্নের উত্তর

তেসরা নভেম্বর মার্কিন ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যাবেন, যে নির্বাচন ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট পদের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
ভেঙে গেল ‘বেবি ডল’ গায়িকার দ্বিতীয় সংসার
ভেঙে গেল ‘বেবি ডল’ গায়িকার দ্বিতীয় সংসার

ভেঙে গেল ‘বেবি ডল’খ্যাত জনপ্রিয় গায়িকা কনিকা কাপুরের দ্বিতীয় সংসার।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং। 

নভেম্বর ৪, ২০২৬
যশোরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধসহ ৩ জন নিহত
যশোরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধসহ ৩ জন নিহত

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে অভয়নগরের ভৈরব ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় সড়ক পারাপারের সময় দ্রুতগতির একটি পরিবহনের ধাক্কায় ভ্যানযাত্রী আব্দুল সমাদ বিশ্বাস ও আব্দুল ওহাব গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
পাচার সন্দেহে ভোলায় ২৯০ বস্তা সরকারি সার জব্দ
পাচার সন্দেহে ভোলায় ২৯০ বস্তা সরকারি সার জব্দ

ভোলার সদর উপজেলার ইলিশায় পাচার সন্দেহে ২৯০ বস্তা সরকারি সার জব্দ করেছেন স্থানীয় জনতা। পরে খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে এসব সার উদ্ধারের পর স্থানীয় একটি গোডাউনে রেখে তা সিলগালা করে দেয়।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
শ্রমিক আন্দোলনে মহাসড়কে বাস সংকট, যাত্রীদের ভোগান্তি
শ্রমিক আন্দোলনে মহাসড়কে বাস সংকট, যাত্রীদের ভোগান্তি

গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের প্রভাবে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে গণপরিবহণ সংকট দেখা দিয়েছে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ফের মোংলা বন্দরে যাচ্ছেন তারেক রহমান
দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ফের মোংলা বন্দরে যাচ্ছেন তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রীর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে নতুন জেটি নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে গত ১০ অক্টোবর স্বাক্ষরিত চুক্তির ভিত্তিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর মোট ব্যয় ৪ হাজার ৬৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে চীনের অর্থায়ন ৩ হাজার ৫৯২ কোটি ৯০ লাখ টাকা এবং বাংলাদেশ সরকার দেবে ৪৭৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের নতুন সভাপতি ইশরাক
মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের নতুন সভাপতি ইশরাক

বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের নতুন অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। কমিটির সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে জাতীয় স্যান্ডো ও কোরাস প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদকজয়ী খেলোয়াড় ও সংগঠক মাহফুজ হাসানকে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
বিগব্যাশে মুস্তাফিজ, কাটার মাস্টারকে ঘিরে বিশেষ আয়োজন
বিগব্যাশে মুস্তাফিজ, কাটার মাস্টারকে ঘিরে বিশেষ আয়োজন

অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ লিগে প্রথমবারের মতো নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশি তারকা মুস্তাফিজুর রহমান। শুধু মাঠের লড়াই নয়, মুস্তাফিজকে ঘিরে মেলবোর্নের বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্যও থাকছে বিশেষ চমক।

নভেম্বর ৪, ২০২৬