যুক্তরাষ্ট্র

মৃত্যুদণ্ডের সরাসরি সম্প্রচার: সভ্যতা থেকে বর্বরতার পথে কি হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র

অক্টোবর ৯, ২০২৬
মৃত্যুদণ্ডের সরাসরি সম্প্রচার: সভ্যতা থেকে বর্বরতার পথে কি হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র
মৃত্যুদণ্ডের সরাসরি সম্প্রচার: সভ্যতা থেকে বর্বরতার পথে কি হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র
ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার অন্যতম একগুঁয়ে সদস্য পিট হেগসেথ ঘোষণা করেছেন, হত্যাকারী নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড প্রকাশ্যে ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে কার্যকর করবে যুক্তরাষ্ট্র।

Prothomalo

View more
এমন শুরুর পর এ কেমন শেষ বাংলাদেশের
এমন শুরুর পর এ কেমন শেষ বাংলাদেশের

প্রথম দিন শেষে ৮ উইকেটে বাংলাদেশ করেছে ৩১৭ রান।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
সিটির প্রতি অবিচল আস্থা মারেসকার, আপিলে জয় নিয়েও তিনি নিশ্চিত
সিটির প্রতি অবিচল আস্থা মারেসকার, আপিলে জয় নিয়েও তিনি নিশ্চিত

আজ সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ক্লাবের প্রতি তাঁর আস্থা অবিচল এবং আপিলে জয় নিয়ে তিনি এক শ ভাগ নিশ্চিত।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
ওয়ান্ডারার্সকে ৭ গোল কিংসের, ফর্টিস জিতল ৬ গোলে
ওয়ান্ডারার্সকে ৭ গোল কিংসের, ফর্টিস জিতল ৬ গোলে

বড় জয়ে তিন ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে লিগের শীর্ষে উঠে এসেছে ফর্টিস; আর দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে বসুন্ধরা।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো ছবি দেখে বাঁশবাড়ি কলোনি পরিদর্শনে পরিবেশমন্ত্রী, কী আছে সেখানে
প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো ছবি দেখে বাঁশবাড়ি কলোনি পরিদর্শনে পরিবেশমন্ত্রী, কী আছে সেখানে

উদ্যোক্তা মুরাদ হাসান বলেন, ‘আমাদের ছোট একটি উদ্যোগ এলাকার পরিবেশ বদলে দিয়েছে। আজ মন্ত্রী এসে ঘুরে দেখলেন।’

অক্টোবর ৯, ২০২৬
পরীক্ষায় পাস করানো ও বিদেশে চাকরির কথা বলে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিত তাঁরা
পরীক্ষায় পাস করানো ও বিদেশে চাকরির কথা বলে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিত তাঁরা

<p>বিদেশে চাকরি, ওয়ার্কিং ভিসা ও পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগে একটি চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৪)। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত সাতজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং পাঁচজনকে অর্থদণ্ড দেন।</p><p> আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর টেকনিক্যাল মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সাতজনকে সাত দিন থেকে তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হয়।</p><p>দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন শরীয়তপুরের সুরুজ মিয়া; পটুয়াখালীর সবুজ; পাবনার শাহিন; সিরাজগঞ্জের সুজন ও শামীম; কিশোরগঞ্জের আবুল বাশার, দুর্জয় ও কাইয়ুম; ভোলার হারুন, রিয়াজ ও কামরুননাহার এবং রংপুরের রেজাউল করিম।</p><p>আজ দুপুরে রাজধানীর টেকনিক্যাল মোড়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবি-৪-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিকেটিটিসি) ও বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) অভিযোগের ভিত্তিতে চক্রটির ওপর ছায়াতদন্ত চালানো হয়। সত্যতা পাওয়ার পর আজ সকালে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আইনের আওতায় আনা হয়।</p><h3>যেভাবে প্রতারণা করত চক্রটি </h3><p>এসআরবি জানায়, বিদেশ যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের স্বল্প খরচে কর্মী ভিসা ও লিখিত পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার নিশ্চয়তা দিত চক্রটি। এ জন্য প্রার্থীদের কাছ থেকে ক্ষেত্রবিশেষে ৪০ হাজার থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হতো। পরে নানা অজুহাতে সেই টাকা আত্মসাৎ করত চক্রের সদস্যরা।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন বোয়েসেল সরকারিভাবে বিদেশে কর্মী নিয়োগ করে। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় প্রার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি নেওয়া হয় না। কেবল পাসপোর্ট থাকলেই পরীক্ষার মাধ্যমে বিনা খরচে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ মেলে। প্রতি শুক্র ও শনিবার বিকেটিটিসি ভেন্যুতে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার জন্য জড়ো হওয়া প্রার্থীদের লক্ষ্য করেই মূলত দালাল চক্রটি সক্রিয় ছিল।</p><h3>বিকেটিটিসি কর্মী পাঠায় না </h3><p>লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান বলেন, বিকেটিটিসি একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। এখানে বিভিন্ন মেয়াদের মোট ২৪টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এসব সনদ বিদেশে চাকরির ক্ষেত্রে সহায়ক হলেও প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি কর্মী পাঠায় না বা চাকরির ব্যবস্থা করে না। ফলে প্রশিক্ষণ নেওয়া আর চাকরি পাওয়ার বিষয়টি এক নয়, এ সম্পর্কে প্রার্থীদের সচেতন থাকা জরুরি।</p><p>বিদেশে চাকরি কিংবা পরীক্ষায় উত্তীর্ণের নিশ্চয়তা দিয়ে কেউ অর্থ দাবি করলে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো লেনদেন না করার অনুরোধ জানিয়েছে এসআরবি। সংস্থাটি জানায়, প্রতারণা এড়াতে সরকারি দপ্তর ও অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে তথ্য যাচাই করতে হবে। কেউ এ ধরনের প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরামর্শ দিয়েছে বাহিনীটি।</p>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
বিদেশি কর্মী নিয়ে জালিয়াতি: মালয়েশিয়ায় ১১ বাংলাদেশিসহ আটক ২০
বিদেশি কর্মী নিয়ে জালিয়াতি: মালয়েশিয়ায় ১১ বাংলাদেশিসহ আটক ২০

<p>মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী সরবরাহের কোটা জালিয়াতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে ১১ বাংলাদেশিসহ ২০ জনকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম)। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটির তামান দাতুক আহমাদ রাজালি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বয়স ২৩ থেকে ৪৭ বছরের মধ্যে।</p><p> মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানিয়েছেন, সকাল সাড়ে সাতটায় এই অভিযান শুরু হয়। পুত্রজায়ায় অবস্থিত অভিবাসন সদর দপ্তরের ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অপারেশনস ডিভিশন এবং ইনল্যান্ড রেভিনিউ বোর্ডের (আইআরবি) দুটি বিভাগ যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। তিনি বলেন, জনসাধারণের দেওয়া তথ্য এবং অভিবাসন বিভাগের নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়েছে।</p><p>দাতুক জাকারিয়া শাবান বলেন, ‘আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশি পুরুষ রয়েছেন, যাঁরা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটির মালিক ও ব্যবস্থাপক বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া ৬ জন স্থানীয় নারী কর্মী এবং ১২ জন বিদেশি গ্রাহক রয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ৯ জন বাংলাদেশি পুরুষ ও ৩ জন ইন্দোনেশীয় নারী।’</p><p>আজ এক বিবৃতিতে দাতুক জাকারিয়া বলেন, অভিযান পরিচালনাকারী দল ২৬৫টি বাংলাদেশি, ৬৩টি ইন্দোনেশীয়, ১২টি পাকিস্তানি এবং ১টি ভারতীয় পাসপোর্ট জব্দ করেছে। একই সঙ্গে ৬ হাজার ৭০০ রিঙ্গিত (মালয়েশিয়ান মুদ্রা) জব্দ করা হয়েছে, যা গ্রাহকদের দেওয়া অর্থ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।</p><p>জাকারিয়া বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চক্রটি ‘এ-টু-বি’ নামের একটি পদ্ধতি ব্যবহার করত। এর মাধ্যমে একটি কোম্পানি (চাকরিদাতা এ) বিদেশি কর্মী আনার অনুমোদন নিত এবং অস্থায়ী কর্মসংস্থান পাসের (পিএলকেএস) অধীনে কর্মীদের নিয়ে আসত। কিন্তু পরে এই কর্মীদের আসল মালিকের হয়ে কাজ করার বদলে লাভের বিনিময়ে অন্য কোম্পানিতে (চাকরিদাতা বি) সরবরাহ করা হতো। তিনি আরও বলেন, বিদেশি কর্মী কোটার অনুমোদন পেতে চক্রটি কোম্পানিগুলোর ভুয়া তথ্য জমা দিয়েছিল বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে।</p><p>পরবর্তী অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেশে আনা বিদেশি কর্মীরা কোটার জন্য আবেদন করা কোম্পানিগুলোর হয়ে কাজ করতেন না। এর বদলে তাঁরা স্বাধীনভাবে অন্য কোম্পানিতে কাজ করতেন।</p><p>মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, এই কাজের মাধ্যমে প্রত্যেক কর্মীকে মালয়েশিয়ায় এনে ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৫ হাজার রিঙ্গিত পর্যন্ত লাভ করা হতো। কর ফাঁকি দেওয়ার জন্য জড়িত কোম্পানিগুলো তাদের আসল আয়ের চেয়ে অনেক কম লাভ দেখাত। এ ছাড়া তারা ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত নিজেদের ব্যক্তিগত আয়ের হিসাবও জমা দেয়নি। তিনি বলেন, যারা বিদেশি কর্মী কোটার অপব্যবহার করে পরিকল্পনা সাজায়, পরিচালনা করে এবং মুনাফা অর্জন করে, তাদেরসহ সব ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন বিভাগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত রাখবে।</p>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকে সাইবার হামলার পেছনে এআই এজেন্ট ব্যবহারের সম্ভাবনা
দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকে সাইবার হামলার পেছনে এআই এজেন্ট ব্যবহারের সম্ভাবনা

<p>গত মাসে দক্ষিণ কোরিয়ার অন্তত নয়টি ব্যাংকে সাইবার হামলা হয়েছিল। এসব ঘটনার তদন্ত করছে দেশটির পুলিশ। তবে ব্যাংকগুলোতে সাইবার হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সার্ভার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) কোডিং টুলের তথ্য বিশ্লেষণ করে যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্রাউডস্ট্রাইক জানিয়েছে, এই সাইবার হামলার পেছনে চীনের দক্ষিণাঞ্চলের গুয়াংডং প্রদেশের ২৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন। চীনে তৈরি একটি এআই এজেন্টের পাশাপাশি অ্যানথ্রোপিকের ক্লড এআই মডেল দিয়ে লেখা কোড ব্যবহার করে এসব সাইবার হামলা চালানো হতে পারে।</p><p>ক্রাউডস্ট্রাইকের কাউন্টার অ্যাডভারসারি অপারেশনস বিভাগের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাডাম মেয়ার্স জানিয়েছেন, এ ঘটনা দেখিয়েছে, কীভাবে একজন ব্যক্তি এআই এজেন্ট ব্যবহার করে অল্প সময়ে অনেক প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা চালাতে পারেন। এ ঘটনা এআই এজেন্টের অপব্যবহার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিচালিত হামলা প্রতিরোধে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রচলিত নিরাপত্তাব্যবস্থা কতটা কার্যকর, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।</p><p>ক্রাউডস্ট্রাইকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলাকারী এআরটেক্স নামের চীনে তৈরি একটি ওপেন সোর্স পেনিট্রেশন টেস্টিং টুল ব্যবহার করেছেন। এ ধরনের টুল দিয়ে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের নিরাপত্তাব্যবস্থা পরীক্ষা করে দুর্বলতা শনাক্ত করা যায়। এআরটেক্সের পাশাপাশি হামলাকারী বিভিন্ন লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলও ব্যবহার করেছেন। হামলার সঙ্গে এখন পর্যন্ত পরিচিত কোনো হ্যাকার গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করা যায়নি। তবে হামলাকারী চীনাভাষী এবং আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে কাজ করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ক্লডের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, সাইবার অপরাধীরা দক্ষিণ কোরিয়ার কোথায় চুরি করা তথ্য বিক্রি করে থাকেন। এসব তথ্য কেনাবেচা হয়, এমন টেলিগ্রাম গ্রুপ খুঁজে পেতেও তিনি এআই টুলের সহায়তা চেয়েছিলেন।</p><p>প্রসঙ্গত, এআই এজেন্ট গত জুনে অস্ট্রেলিয়ার সরকারি একটি স্বাস্থ্য ডেটা পোর্টালে অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করেছিল। এর ফলে স্বয়ংক্রিয় এআই এজেন্টকে প্রচলিত বিমা নীতিমালায় সাইবার হামলাকারী হিসেবে বিবেচনা করা হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ ছাড়া এআইয়ের কর্মকাণ্ডের কারণে কোনো আর্থিক ক্ষতি হলে তার দায় কার ওপর বর্তাবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p><p>সূত্র: রয়টার্স</p>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
কুমিল্লায় ১৫ বছরের তাজমিন হত্যা: সন্দেহের তির অটোরিকশাচালকের দিকে
কুমিল্লায় ১৫ বছরের তাজমিন হত্যা: সন্দেহের তির অটোরিকশাচালকের দিকে

কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন এক অটোরিকশাচালককে চট্টগ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ

অক্টোবর ৯, ২০২৬
মৃত্যুদণ্ডের সরাসরি সম্প্রচার: সভ্যতা থেকে বর্বরতার পথে কি হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র
মৃত্যুদণ্ডের সরাসরি সম্প্রচার: সভ্যতা থেকে বর্বরতার পথে কি হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার অন্যতম একগুঁয়ে সদস্য পিট হেগসেথ ঘোষণা করেছেন, হত্যাকারী নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড প্রকাশ্যে ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে কার্যকর করবে যুক্তরাষ্ট্র।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন