মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর কেইশা ল্যান্স বটমস
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের গভর্নর নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী রিক জ্যাকসনকে পরাজিত করে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কেইশা ল্যান্স বটমস মার্কিন ইতিহাসে কোনো অঙ্গরাজ্যের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন।
ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভের জেরে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
৬২ হাজার ১০০ মেট্রিকটন কয়লা নিয়ে পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরের বহির্নোঙরে ভিড়েছে সাড়ে ১৩ মিটার গভীরতার ‘এমভি এমবিএস তাইসি’ নামের একটি মাদার ভ্যাসেল।
বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির রহস্যজনক মৃত্যুর তদন্তে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মোড় এসেছে রিমান্ডে থাকা শাহরিয়ার রেজা দীপের দেওয়া তথ্যে।
খুলনা মহানগর তাঁতিদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির হত্যা মামলার আসামি ফায়েক শেখকে (৪৩) ঢাকার পল্লবী থেকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৬।
বিদেশে বসবাসরত ১৯টি দেশের প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি নাগরিক জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পেয়েছেন।
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটের ফলাফলে নিউ ইয়র্কে বড় ধাক্কা খেলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।
<p>বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গুপ্তসংকেত পরিদপ্তরের একটি পদের বাছাই (এমসিকিউ টাইপ) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে। গত ২৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মধ্যে যাঁরা লিখিত পরীক্ষার জন্য সাময়িকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ২১৪ জন।<br> চাকরির পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য<br> পদের নাম: সহকারী সাইফার অফিসার (১০ম গ্রেড)<br> উত্তীর্ণ প্রার্থীর সংখ্যা: ২১৪<br> পরীক্ষার তারিখ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬<br> পরবর্তী ধাপ: লিখিত পরীক্ষা</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/upxozbi3if">৫১তম বিসিএস: ৫ হাজার চিকিৎসক হতে আবেদন করলেন ৪৪,৬৩৫ জন</a></aside><p>বাছাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষার স্থান, তারিখ ও সময়সূচি পরবর্তী সময় কমিশনের ওয়েবসাইট ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকার মাধ্যমে জানানো হবে। প্রার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য নিয়মিত বিপিএসসির ওয়েবসাইট অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p><p><a href="https://bpsc.gov.bd/pages/psc-exams/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A7%A7%E0%A7%A6%E0%A6%AE-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A1-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%87-mcq-type-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AB%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B2-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B6-slgz49-6ae9baa6d7c2cddbef245f3b" target="_blank" rel="nofollow">ফলসহ বিস্তারিত দেখুন এখানে</a></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/dbdi5owhju">ইউরোপের ঘণ্টাপ্রতি বেতন যে ১০ দেশে সবচেয়ে বেশি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/xhk2txmvsx">নিউজিল্যান্ড শিক্ষার্থী ভিসায় আনল চার পরিবর্তন</a></aside>
<p>বরাবর</p><p>মহোদয়,</p><p>জন্মনিবন্ধন অধিদপ্তর।</p><p>বিষয়: আমার নামটি উদ্ধার করে আমাকে আমার পরিচয় ফিরিয়ে দেওয়ার আবেদন</p><p>মহোদয়,</p><p>বিনীত নিবেদন এই যে, জন্মের পর আমার মা-বাবা শখ করে আমার একটি নাম রেখেছিলেন। সেই নামেই তাঁরা আমাকে ডাকতেন, আত্মীয়স্বজন চিনতেন, পাড়া–প্রতিবেশী চিনতেন। আমিও দিব্যি জানতাম, আমি কে। কিন্তু জন্মনিবন্ধন সনদ হাতে পেয়ে দেখলাম, আমার নামটি আর আমার নেই। সরকারি খাতায় আমার নামের যে বানান লেখা হয়েছে, তা দেখে আমার মা-বাবাও আমাকে নতুন করে চিনতে বসেছেন! সেখানে এমন এক উদ্ভট বানান লেখা হয়েছে, নামের সেই বানান বাংলা ভাষার কোন বর্ণমালার অন্তর্ভুক্ত, তা জানতে অভিধান ঘেঁটেছি। অভিধান কিছু বলতে পারেনি। বাংলা ব্যাকরণও নীরব। শেষ পর্যন্ত মনে হয়েছে, বানানটি হয়তো কোনো গোপন ভাষায় লেখা, যার পাঠোদ্ধারের ক্ষমতা আমার মতো আম–পাবলিকের নেই। মনে হচ্ছে, কি–বোর্ডের ওপর কেউ ঘুমিয়ে পড়েছিলেন, আর কম্পিউটারটি সেই সুযোগে আমার নাম লিখে দিয়েছে!</p><p>বিপত্তি হলো, ভুলটি আমি করিনি; ভুলটি করেছে আপনার দপ্তর, অথচ সংশোধনের দায়িত্ব আমার। আমাকে আবেদন করতে হবে, কাগজপত্র জোগাড় করতে হবে, ফি দিতে হবে, দিনের পর দিন দপ্তরের বারান্দায় অপেক্ষা করতে হবে। অর্থাৎ আমার নামের বানান আপনারা বদলে দিয়েছেন, আর সেই বানান ফেরত পেতে আমার সময়, শ্রম ও অর্থ—তিনটিই জমা দিতে হবে।</p><p>এ এক অভিনব ব্যবস্থা, মহোদয়! এখানে ভুল করার অধিকার এক পক্ষের, আর ভুলের খেসারত দেওয়ার দায়িত্ব অন্য পক্ষের। ভুলটি সরকারি, কিন্তু ভোগান্তিটি ব্যক্তিগত।</p><p>মহোদয়, আমি নাম পরিবর্তনের আবেদন করিনি; আমি শুধু আমার নিজের নামটি ফেরত চাই। যে নাম নিয়ে জন্মেছি, যে নামে মা-বাবা ডাকেন, সে নামে পরিচিত হতে চাই—সেটুকু অধিকার ফিরে পেতে আর কতবার নিজের পরিচয় প্রমাণ করতে হবে?</p><p>অতএব, আপনার নিকট আকুল আবেদন, আমার নামটি সংশোধন করে আমাকে ফিরিয়ে দেওয়া হোক। আর সম্ভব হলে, যিনি নামটি ভুল লিখেছেন, তাঁকেও একবার সেটি পড়ে শোনানোর ব্যবস্থা করা হোক—তিনি যেন অন্তত বুঝতে পারেন, নিজের লেখা আর মানুষের পরিচয় এক জিনিস নয়।</p><p>পরিশেষে একটি ছোট অনুরোধ। আমার নামের বানানটি সংশোধন করার আগে দয়া করে নিশ্চিত হবেন, সংশোধন করতে গিয়ে আবার নতুন কোনো নামের জন্ম হচ্ছে না। কারণ, আমার জন্ম একবার হয়েছে; প্রতিটি সংশোধনে নতুন করে জন্ম নেওয়ার মতো সময়, সামর্থ্য কিংবা শখ—কোনোটিই আমার নেই।</p><p>বিনীত নিবেদক,</p><p>একজন নামবিভ্রান্ত নাগরিক, যাঁর জন্ম হয়েছে একবার, নিবন্ধনও হয়েছে—শুধু নামটি এখনো তাঁর হয়নি। নাম লেখা হয়েছে অন্যভাবে, আর নিজের পরিচয় ফিরে পেতে যাঁকে বারবার প্রমাণ করতে হচ্ছে—তিনি আসলে তিনিই।</p> <p>পুনশ্চ: মহোদয়, জন্মসনদে আমার নাম লেখা হয়েছে ক্জক্ল্জ্</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/4i2mb1vqgy">চড়া দামের আপেল</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/nay9oz11de">স্যরি!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/rwwutdbazl">সবজান্তা সমীপেষু</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/3y37khdj9g">আপনি কত বড় মিথ্যাবাদী?</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/3fbuod5lle">উগান্ডার হুইপের ফেসবুক প্রোফাইল</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/m9eme7ddwo">বেরেক কাম করে না!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/hik3yizsq8">সিনেপ্লেক্সে একদিন </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/tnsdadk1at">সড়কপথে বিমানের ছোঁয়া </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/bvavx49d33">Breaking Good</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/wio8c5i398">আরও যা যা ফাঁস হতে পারে</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/j2xtgsfcge">আমি ভুল করিনি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/l2v7tpucaz">চাঁদ দখল</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/kjqv1isuow">বন্ধু ফার্মেসি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/6dfwgsqw20">Lieসেন্স</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/d4fl17cod8">রসচিঠি</a></aside>
<p>প্রতিবছরের মতো এবারও হ্যালোইন ঘিরে নানা আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন তারকারা। সেই আমেজে শামিল হয়েছেন মডেল <strong>তানজিয়া জামান মিথিলা</strong>ও। সবুজ ডানার পরির সাজে ক্যামেরাবন্দী হয়েছেন তিনি, দেখুন ছবিগুলো</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/ch1drcn5/IMG20261103180252.jpg.jpeg"><figcaption>স্বচ্ছ ডানা আর হাতে জাদুর ছড়ি—হ্যালোইন পার্টিতে পরির সাজে হাজির তানজিয়া জামান মিথিলা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/7nhrlgu0/IMG20261103180129.jpg.jpeg"><figcaption>লিফটে মিথিলার পাশে বাদামি ঝলমলে পোশাকে অভিনেত্রী–মডেল মাহি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/glhou8vt/IMG20261103180036.jpg.jpeg"><figcaption>মিথিলার মিনি স্কার্ট ও পায়ের ফিতার নকশায় ছিল রূপকথার আবহ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/2slkiro6/IMG20261103180206.jpg.jpeg"><figcaption>হ্যালোইন পার্টিতে বন্ধুদের সঙ্গে তানজিয়া মিথিলা। সবার পোশাকেই হ্যালোইনের ছাপ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/unarbr7w/IMG20261103181035.jpg.jpeg"><figcaption>হ্যালোইন পার্টিতে বন্ধু সাইমুল করিমের সঙ্গে ক্যামেরায় ধরা দিলেন তানজিয়া মিথিলা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/o13k1y2d/IMG20261103180334.jpg.jpeg"><figcaption>প্রত্যেকেই সেজেছেন নিজেদের মতো করে</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/jeid4euew5">মা বললেন, ‘মিথিলা ট্রাক চালানোও শিখে নিয়েছিল’</a></aside>
মহসিনের নাম কীভাবে গিলা-কলিজা হয়ে গেল, সেই ইতিহাস শোনে নাই বনিজুল। লোকাল আন্ডারগ্রাউন্ডের এ রকম অসংখ্য ইতিহাস সংরক্ষণের অভাবে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।
<p>আমরা আইসক্রিমের দোকানে গিয়ে ভ্যানিলা আইসক্রিম চাই। কিংবা কেকের দোকানে ভ্যানিলা ফ্লেভারের কেক চাই। এমন আইসক্রিম থেকে শুরু করে পারফিউম—নানা পণ্যে ভ্যানিলার ফ্লেভার বা সুবাস ব্যবহার করা হয়। আইসক্রিম ও কেকের মতো বেকারি পণ্যের কারণে ভ্যানিলা এখন অনেকের কাছে দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।</p><p> সুখবর হলো, দেশেই এখন ভ্যানিলার বাণিজ্যিক উৎপাদনের চেষ্টা চলছে। ২০১৯ সালে বগুড়ায় অনেকটা শখের বশে পরীক্ষামূলকভাবে ভ্যানিলার চাষ শুরু হয়। এখন ঝিনাইদহ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, রংপুর, দিনাজপুর, সিলেট, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ কয়েকটি স্থানে ভ্যানিলা চাষ করছেন উদ্যোক্তারা। এখনো বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতে পারেননি চাষিরা। বর্তমানে বিশ্ববাজারে এক কেজি ভ্যানিলা ২৫০ ডলারের (৩০ হাজার টাকা) আশপাশে বিক্রি হচ্ছে।</p><p>অবাক করা তথ্য হচ্ছে, বিভিন্ন পণ্যে সচরাচর যে ভ্যানিলা ফ্লেভার ব্যবহার করা হয়, তা আসলে কৃত্রিম ভ্যানিলা; পরীক্ষাগারে রাসায়নিক দিয়ে তৈরি হয়। বাংলাদেশেও এই কৃত্রিম ভ্যানিলাই আমদানি হয়।</p><p>প্রাকৃতিকভাবে ভ্যানিলার উৎপাদন একেবারেই নগণ্য। দামি এই মসলাপণ্যের প্রাকৃতিক উৎপাদন কেন্দ্রীভূত মাত্র কয়েকটি দেশে।</p><blockquote>ফরচুন বিজনেস ইনসাইটসের তথ্য অনুসারে, ভ্যানিলার বৈশ্বিক বাজার ৪১০ কোটি ডলারের বেশি। ২০৩৪ সালে এই বাজার ৬৭০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। প্রতিবছর ভ্যানিলার বাজার ৬ শতাংশের বেশি হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।</blockquote><p>এই ভ্যানিলা আসলে একধরনের মসলাপণ্য। পণ্যটি এখন সহজলভ্য হলেও এর পেছনের গল্পটি একেবারেই সাধারণ নয়। আমেরিকা মহাদেশের গহিন জঙ্গল থেকে এটি ছড়িয়েছে দেশে দেশে। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ঔপনিবেশিক শাসনের ইতিহাসও।</p><h3>ভ্যানিলা আসলে কী</h3><p>ভ্যানিলা মূলত একটি লতানো অর্কিড–জাতীয় গাছের ফল, যা ভ্যানিলা বিন বা ভ্যানিলা পড বা ফল নামেও পরিচিত। কাঁচা ভ্যানিলা ফলে নিজস্ব কোনো ঘ্রাণ থাকে না। এগুলো পরিপক্ব হলে গাছ থেকে সংগ্রহ করে দীর্ঘ সময় ধরে প্রক্রিয়াকরণ করা হয়। এরপর বিশেষ সেই ঘ্রাণ তৈরি হয় এবং সেখান থেকে ভ্যানিলা নির্যাস সংগ্রহ করা হয়।</p><h3>বাংলাদেশে চাষ শুরু</h3><p>২০১৯ সালে বগুড়ায় পরীক্ষামূলকভাবে ভ্যানিলা চাষ শুরু হয়। ভ্যানিলা চাষ শুরু করেন বগুড়ার মসলা গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আবু হেনা ফয়সাল ফাহিম।</p><p>আবু হেনা ফয়সাল ফাহিম নিজের অভিজ্ঞতা প্রথম আলোকে জানান। ২০১৯ সালে মসলা নিয়ে একটি প্রশিক্ষণে অংশ নিতে তিনিসহ একদল গবেষক ইন্দোনেশিয়ায় যান। সেখানে তাঁরা ভ্যানিলা চাষ সম্পর্কে সরাসরি জানেন। পরে ইন্দোনেশিয়া থেকে ভ্যানিলাগাছের একটি কাটিং (কলম বা চারা) এনে মসলা গবেষণা কেন্দ্রে রোপণ করেন ফয়সাল ফাহিম। এরপর ওই গাছ থেকে আরও কাটিং বা কলম (চারা) বানিয়ে নতুন গাছ রোপণ করা হয়। বর্তমানে সেখানে ৩ শতক জায়গায় ৬০টি ভ্যানিলাগাছ আছে।</p><blockquote>ভ্যানিলা (প্রাকৃতিক) উৎপাদন ও রপ্তানিতে শীর্ষে রয়েছে আফ্রিকার দেশ মাদাগাস্কার। বিশ্বব্যাংকের ওয়ার্ল্ড ইন্টিগ্রেটেড ট্রেড সলিউশনের (ডব্লিউআইটিএস) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মাদাগাস্কার প্রায় ১২ কোটি ৮৩ লাখ ডলারের ভ্যানিলা রপ্তানি করে।</blockquote><p>পরবর্তী কয়েক বছরে ঝিনাইদহ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, রংপুর, দিনাজপুর, সিলেট, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ কয়েকটি স্থানে ব্যক্তি উদ্যোগেও স্বল্প পরিসরে এই ভ্যানিলা চাষের চেষ্টা করা হয়। ঢাকার শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকও পরীক্ষামূলকভাবে ভ্যানিলা নিয়ে গবেষণা করছেন। তবে দেশে এ পর্যন্ত কেউই বাণিজ্যিকভাবে ভ্যানিলা উৎপাদন শুরু করতে পারেননি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/1srra3ep/Vanilla-2.jpg"><figcaption>একটি ভ্যানিলা চারা (কাটিং) রোপনের দুই থেকে তিন বছর পরে গাছে ফুল আসতে পারে। প্রতিটি ফুলের থোকায় ১৩–১৮টি ফুল হয়। ফুল ফুটে সাধারণত কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী হয়। এই সময়ের মধ্যে পরাগায়ন হতে হয়। যশোরের একটি বাগানে ভ্যানিলা লতায় ফুল ফুটেছে</figcaption></figure><h3>ফল পেতে কত দিন লাগে</h3><p>ভ্যানিলা সাধারণ মাটিতে হয় না। এ জন্য অর্গানিক ডিকম্পোজড মিডিয়া তৈরি করতে হয়। এ ছাড়া প্রয়োজন হয় শেডের। ছায়াযুক্ত বাগানে বিভিন্ন গাছেও এটি করা যায়; তবে শেডেই বেশি সুবিধা।</p><p>একটি ভ্যানিলার চারা (কাটিং) রোপণের দু–তিন বছর পরে ফুল আসতে পারে। প্রতিটি ফুলের থোকায় ১৩ থেকে ১৮টি ফুল হয়। ফুল ফুটে সাধারণত কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী হয়। এই সময়ের মধ্যে পরাগায়ন হতে হয়। বাণিজ্যিক উৎপাদন চাইলে পরাগায়নের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করতে হয়। পরাগায়নের পর ফল এলে তা পরিপক্ব হতে আরও সাত থেকে আট মাস লাগে। সাধারণত এপ্রিলে ভ্যানিলাগাছে ফুল আসে; আর নভেম্বর–ডিসেম্বরের দিকে ফল পরিপক্ব হয়।</p><p>ফল সংগ্রহের পরও কাজ শেষ হয় না। সুগন্ধি মসলা হিসেবে বিক্রির উপযোগী করতে ফল প্রক্রিয়াজাত ও শুকাতে হয়। প্রথমে ৬০ ডিগ্রি গরম পানিতে ৩ মিনিটের জন্য রাখা হয়। এরপর ২৪ ঘণ্টা তা একটি বাক্সের মধ্যে ফারমেন্টেশন বা গাঁজনের জন্য রাখা হয়। এ অবস্থায় সবুজ ভ্যানিলা বিন কালো রং ধারণ করে।</p><p>পরবর্তী এক মাস নিয়ম করে প্রতিদিন সকালবেলা মৃদু আলোয় দুই ঘণ্টা করে রোদে শুকানো হয়। এভাবে ভ্যানিলার নির্যাস প্রস্তুত হয়। পরবর্তী সময়ে এই নির্যাস প্রক্রিয়াজাত করে ভ্যানিলার স্বাদ ও সুগন্ধির উপাদান বের করা হয়। বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে এই ভ্যানিলার নির্যাস বের করার পদ্ধতি নেই।</p><blockquote>ভ্যানিলার সবচেয়ে বড় আমদানিকারক হলো যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৫ সালে দেশটি প্রায় ১০ কোটি ডলারের ভ্যানিলা আমদানি করে।</blockquote><p>বগুড়ার মসলা গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ফয়সাল ফাহিম বলেন, ‘বাংলাদেশের আবহাওয়া ভ্যানিলা চাষের জন্য উপযোগী, তা প্রমাণিত হয়েছে। তবে ভ্যানিলা চাষ অত্যন্ত শ্রমঘন এবং প্রাথমিক খরচের দিক থেকে উচ্চ বিনিয়োগের ফসল। ৫০ শতক জমিতে ১ হাজার গাছের বাণিজ্যিক প্রকল্প নিতে প্রাথমিকভাবে ন্যূনতম ২০ থেকে ৫০ লাখ টাকা ব্যয় হতে পারে। ফলে বাণিজ্যিকভাবে এটি লাভজনক হবে কি না, সেটি যাচাইয়ের পরেই আমরা সরকারিভাবে কৃষকদের কাটিং সরবরাহ করতে পারব।’</p><p>তবে ইতিমধ্যে ব্যক্তি উদ্যোগে অনেকে ভ্যানিলা চাষে বিনিয়োগ করেছেন। তাঁরা ভারত, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া প্রভৃতি দেশ থেকে ভ্যানিলার কাটিং আনিয়েছেন। আবার এসব উদ্যোক্তা পরস্পরকেও কাটিং দিয়ে সহায়তা করছেন।</p><p>এমনই একজন উদ্যোক্তা যশোরের মো. সারোয়ার হোসেন। তিনি আম ও ড্রাগন চাষের পাশাপাশি ছায়াবৃত্ত ক্যানোপি পদ্ধতি ব্যবহার করে ভ্যানিলা চাষ শুরু করেছেন।</p><p>সারোয়ার হোসেন জানান, চার বছর আগে তিনি ভ্যানিলা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেন। অভিজ্ঞতা না থাকায় শুরুতে কিছু গাছ মারা গেলেও বর্তমানে তাঁর বাগানে প্রায় ১৫০টি ভ্যানিলাগাছ বেড়ে উঠছে।</p><p>সারোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাংলাদেশে ভ্যানিলা হবে না—এ রকম কোনো জায়গা নেই। এখন দরকার উৎপাদন বাড়ানো। দেশে যদি ১০০ জন কৃষককে প্রয়োজনীয় ভ্যানিলা কাটিং দেওয়া হয়, তাহলে চার থেকে পাঁচ বছর পর এক হাজার কেজি ভ্যানিলা বিন রপ্তানির জন্য প্রস্তুত করা সম্ভব। তখন আন্তর্জাতিক ক্রেতারা এমনিতেই বাংলাদেশে আসতে শুরু করবে।’</p><h3>বাজার কত বড়</h3><p>ফরচুন বিজনেস ইনসাইটসের তথ্য অনুসারে, ভ্যানিলার বৈশ্বিক বাজার প্রায় ৪১০ কোটি ডলারের বেশি। ২০৩৪ সালে এই বাজার ৬৭০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। প্রতিবছর ভ্যানিলার বাজার ৬ শতাংশের বেশি হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।</p><p>ভ্যানিলাকে পৃথিবীর দ্বিতীয় দামি মসলা মনে করা হয়। প্রথম স্থানে আছে জাফরান। আন্তর্জাতিক বাজারে ভ্যানিলার দামও অত্যন্ত চড়া। ভ্যানিলার বিভিন্ন গ্রেড রয়েছে। কয়েক বছর আগেও বৈশ্বিক বাজারে এক কেজি ভ্যানিলার গড় দাম ছিল ৫৫০ ডলার (প্রায় ৫০ হাজার টাকা)। পরে এই দাম কমে আসে। বর্তমানে তা ২৫০ ডলারের (৩০ হাজার টাকা) আশপাশে বিক্রি হচ্ছে। এই দাম কমার অন্যতম কারণ কৃত্রিম ভ্যানিলার উৎপাদন বৃদ্ধি।</p><h3>কোন কোন খাতে ব্যবহার</h3><p>ভ্যানিলার সবচেয়ে পরিচিত ব্যবহার খাদ্য ও পানীয় শিল্পে। কেক, বিস্কুট, মাফিন ও পেস্ট্রির পাশাপাশি আইসক্রিম, দই, কাস্টার্ড, ফ্লেভারড দুধ, ক্যান্ডি, চকলেট, বিভিন্ন দানাদার খাবার প্রভৃতিতে ভ্যানিলার ব্যবহার রয়েছে। সুগন্ধি, প্রসাধনী ও ওষুধশিল্পেও ভ্যানিলার ব্যবহার আছে। তবে ভ্যানিলার স্বাদযুক্ত সব পণ্যেই প্রাকৃতিক বিন ব্যবহার করা হয় না; কৃত্রিম ভ্যানিলাই বেশি ব্যবহৃত হয়।</p><p>ভ্যানিলিন হলো ভ্যানিলার প্রধান সুগন্ধি যৌগ, যা শিল্পপদ্ধতিতেও তৈরি করা যায়। বিবিসির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃত্রিম ভ্যানিলার ব্যবহার ব্যাপক। তাই ভ্যানিলা বিনের বাজার, প্রাকৃতিক নির্যাস এবং কৃত্রিম ভ্যানিলিনের বাজারকে আলাদা করে দেখতে হয়। প্রতিবেদনে ভ্যানিলার আমদানি ও রপ্তানির যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তা প্রাকৃতিক ভ্যানিলার। বিশ্বে ব্যবহৃত মোট ভ্যানিলা ফ্লেভারের ৯৫ থেকে ৯৯ শতাংশই হলো কৃত্রিম ভ্যানিলা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/4klsyp63/Vanilla-3.jpg"><figcaption>এটি একটি ভ্যানিলার চারাগাছ (কাটিং)। দেশে ব্যক্তি উদ্যোগে কয়েকজন ভারত, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ভ্যানিলার কাটিং আনিয়ে লাগিয়েছেন। এসব গাছ বড় হয়ে ফুল–ফলও ধরেছে</figcaption></figure><h3>প্রথম উৎপাদন মেক্সিকোতে</h3><p>বিবিসি জানায়, ভ্যানিলার বাণিজ্যে বর্তমানে শীর্ষ রয়েছে আফ্রিকার দেশ মাদাগাস্কার। তবে মসলাটির উৎপত্তি সেখানে হয়নি। ভ্যানিলার পথচলা শুরু হয়েছিল মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার জঙ্গলে। এরপর ভ্যানিলা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার ইতিহাসটি বেশ কৌতূহলোদ্দীপক।</p><p>ভ্যানিলার উৎপত্তির পর দেশে দেশে ছড়িয়ে যাওয়া নিয়ে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের সাবেক সাংবাদিক টিম ইকোট একটি বই লিখেছেন। বইটির নাম ‘ভ্যানিলা: ট্রাভেলস ইন সার্চ অব দ্য লাশাস সাবস্টেন্স’, যা ২০০৪ সালে প্রকাশিত হয়।</p><p>বইয়ে টিম ইকোট বলেন, বর্তমান মেক্সিকোর পাপান্তলা অঞ্চলের টোটোনাক আদিবাসীরা প্রথম ভ্যানিলা চাষ শুরু করেন। ১৫ শতকে অ্যাজটেক জাতি টোটোনাক আদিবাসীদের পরাজিত করে পাপান্তলা এলাকা জয় করে। অ্যাজটেকরা তাদের চকলেট–জাতীয় বিশেষ ধরনের একটি পানীয়র স্বাদ বাড়াতে ভ্যানিলা ব্যবহার শুরু করে।</p><p>এরপর মেক্সিকোতে স্পেনের ঔপনিবেশিক শাসন চালু হলে অ্যাজটেক সম্রাটদের ভ্যানিলা, চকলেটসহ রাজকীয় ফ্লেভারগুলো স্পেনে সরবরাহ হয়। আটলান্টিক পার হওয়ার পর ভ্যানিলা দ্রুত নিজস্ব একটি পথ তৈরি করে নেয়। অল্প সময়ের মধ্যে ইউরোপের দেশে দেশে রাজকীয় মসলায় পরিণত হয়। পরে অন্যান্য ঔপনিবেশিক শক্তিগুলো ভ্যানিলা চাষে ঝোঁকে। একপর্যায়ে এটি ইন্দোনেশিয়া, ভারত ও অন্যান্য গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দেশে ছড়িয়ে পড়ে।</p><h3>রপ্তানিতে শীর্ষে মাদাগাস্কার, বড় ক্রেতা যুক্তরাষ্ট্র</h3><p>ভ্যানিলা (প্রাকৃতিক) উৎপাদন ও রপ্তানিতে শীর্ষে রয়েছে আফ্রিকার দেশ মাদাগাস্কার। বিশ্বব্যাংকের ওয়ার্ল্ড ইন্টিগ্রেটেড ট্রেড সলিউশনের (ডব্লিউআইটিএস) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মাদাগাস্কার প্রায় ১২ কোটি ৮৩ লাখ ডলারের ভ্যানিলা রপ্তানি করে। ভ্যানিলা রপ্তানিতে মাদাগাস্কারের পরে রয়েছে ফ্রান্স, জার্মানি, উগান্ডা ও কানাডা। দেশগুলো বছরে দেড় থেকে চার কোটি ডলার পর্যন্ত ভ্যানিলা রপ্তানি করে। নেদারল্যান্ডস ও ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানিও এক কোটি ডলারের বেশি।</p><p>অন্যদিকে আমদানিতে এরপর রয়েছে ফ্রান্স, জার্মানি, কানাডা, ইতালি, সুইজারল্যান্ড। মূলত এই দেশগুলো ভ্যানিলা বিন আমদানি করে প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে এর নির্যাস তৈরি করে পুনরায় রপ্তানি করে। এ কারণে আমদানি ও রপ্তানি উভয় তালিকার শীর্ষে এই দেশগুলোর নাম রয়েছে।</p><p>প্রধান উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে আরও আছে ইন্দোনেশিয়া, উগান্ডা, মেক্সিকো, পাপুয়া নিউগিনি, ভারত, কমোরোস, তানজানিয়া। ফরাসি পলিনেশিয়ার তাহিতিও বিশেষ ধরনের ভ্যানিলা উৎপাদনের জন্য পরিচিত।</p>
<p>সোনালি ধানের খেতের পাশ দিয়ে গ্রামের আঁকাবাঁকা পথ ধরে সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যাচ্ছে একদল কিশোরী। বগুড়ার সাত শিমুলিয়া দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের এসব শিক্ষার্থীর কারও বাড়ি বিদ্যালয় থেকে সাত-আট কিলোমিটার দূরে। আগে এতটা পথ পাড়ি দিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে বেশ কষ্ট হতো তাদের। কারও কারও পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার উপক্রমও হয়েছিল। এখন সাইকেল সেই যাতায়াতের কষ্ট অনেকটাই কমিয়েছে। সাইকেলে স্কুলে যাওয়া-আসায় সময় ও অর্থ—দুটিই সাশ্রয় হচ্ছে। পাশাপাশি নিজেরাই যাতায়াত করতে পারায় বেড়েছে তাদের স্বনির্ভরতা। বগুড়া সদর উপজেলার সাত শিমুলিয়া, কাজী নুরুইল ও যশপাড়া গ্রামের কিশোরীদের সাইকেলে বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার এমন কিছু দৃশ্য নিয়ে এই ছবির গল্প।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/z4mz3csg/1.-Bogurateenage-girlcyclingachieving-her-dreams04112026.jpg"><figcaption>হেমন্তের সকালে সোনালি ধানের মাঠের পাশ দিয়ে সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যাচ্ছে একদল কিশোর–কিশোরী</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/otu0slfo/2.-Bogurateenage-girlcyclingachieving-her-dreams04112026.jpg"><figcaption>ধানখেতের আলপথ ধরে স্কুলের পথে কিশোরীরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/olm95bil/3.-Bogurateenage-girlcyclingachieving-her-dreams04112026.jpg"><figcaption>সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যাচ্ছে কিশোরীরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/o9whejva/4.-Bogurateenage-girlcyclingachieving-her-dreams04112026.jpg"><figcaption>গ্রামের আঁকাবাঁকা পথে দল বেঁধে সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যাচ্ছে তারা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/qpfpybpi/5.-Bogurateenage-girlcyclingachieving-her-dreams04112026.jpg"><figcaption>ফুটবল নিয়ে স্কুলের পথে কিশোরীদের সাইকেলের সারি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/a3efcf9z/6.-Bogurateenage-girlcyclingachieving-her-dreams04112026.jpg"><figcaption>সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে গল্পে মেতেছে সহপাঠীরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/7y29dtwo/7.-Bogurateenage-girlcyclingachieving-her-dreams04112026.jpg"><figcaption>গ্রামের পথ ধরে সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছে কিশোরীরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/3pfjxyy0/8.-Bogurateenage-girlcyclingachieving-her-dreams04112026.jpg"><figcaption>হেমন্তের সকালে সোনালি ধানের মাঠের পাশ দিয়ে সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যাচ্ছে একদল কিশোর–কিশোরী</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/wj0t6ewp/9.-Bogurateenage-girlcyclingachieving-her-dreams04112026.jpg"><figcaption>স্কুল শেষে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছে কিশোরী </figcaption></figure>
হঠাৎ করে এমন দাম বেড়ে যাওয়াটা সত্যিই মেনে নেওয়া কঠিন। তাই সবাই এই পরিস্থিতির নাম দিয়েছে ‘র্যাম অ্যাপোক্যালিপস’ বা র্যামসংকট। এককালের পানির দামে এই জিনিস এখন যেন এক বিলাসবহুল পণ্যে পরিণত হয়েছে
<p>অনেকে মনে করেন, রিটার্ন দিলেই কর কর্মকর্তারা আর সন্দেহ করবেন না। কিন্তু যেকোনো করদাতার কর নথি নিরীক্ষা হতে পারে। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure></figure>
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে অনেকগুলো অঙ্গরাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। বুথ ফেরত জরিপে দেখা যাচ্ছে অর্থনীতি নিয়ে অধিকাংশ ভোটার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...
ভোটকেন্দ্রের সারি থেকে শুরু করে উৎসাহী সমর্থক পর্যন্ত, ছবিতে তুলে ধরা হলো প্রচারণার শেষ দিনগুলোর এক ঝলক।
আজ বুধবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার খবরে গুরুত্ব পেয়েছে গার্মেন্ট কারখানাগুলোয় আন্দোলন – সহিংসতার খবর। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের খবরও গুরুত্ব পেয়েছে।
মোটা দাগে বলতে গেলে, আমেরিকানদের মতামত জানানোর পর তিনটি সম্ভাব্য ফলাফল রয়েছে। সেগুলো কী হতে পারে, ফলাফল আসতে শুরু করলে প্রাথমিক লক্ষণগুলো কী হতে পারে এবং সেদেশের জন্য এর অর্থ কী হতে পারে, তা এখানে তুলে ধরা হলো।
যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্বাচনের আগে জনমত জরিপ, প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং অন্যান্য বিষয়ের গভীর বিশ্লেষণ, যা প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের শেষ দুই বছরকে সংজ্ঞায়িত করবে।
বাংলাদেশে মুসলিমদের এমন অনেকেই আছেন, যারা শুধু কবুল পড়ে অথবা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিড করে বিয়ে করেন। আইনজীবী এবং কাজী অফিস সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে মসজিদে গিয়ে বর-কনে কবুল বলে বিয়ে করলে সেটি রেজিস্ট্রি না করলেও শরীয়তসম্মত। কিন্তু আইনের দৃষ্টিতে এ ধরনের বিয়ে কী বৈধ?
ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধিসহ কয়েকদফা দাবিতে গত কয়েকদিনের মতো সোমবারও সকাল থেকে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ করেছে পোশাক শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবারও ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
তেসরা নভেম্বর মার্কিন ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যাবেন, যে নির্বাচন ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট পদের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
ন্যূনতম বেতন বৃদ্ধি ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধসহ তিন দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন পোশাকশ্রমিকরা।
ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ বাহিনীর পদবিতে পরিবর্তন এনেছে সরকার।
রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। একইসঙ্গে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
রাজধানীর মিরপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় বাস ও লেগুনার সংঘর্ষে দুইজন নারীসহ চারজন নিহত হয়েছেন।
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটের ফলাফলে নিউ ইয়র্কে বড় ধাক্কা খেলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বিদেশে বসবাসরত ১৯টি দেশের প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি নাগরিক জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পেয়েছেন।
খুলনা মহানগর তাঁতিদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির হত্যা মামলার আসামি ফায়েক শেখকে (৪৩) ঢাকার পল্লবী থেকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৬।
বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির রহস্যজনক মৃত্যুর তদন্তে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মোড় এসেছে রিমান্ডে থাকা শাহরিয়ার রেজা দীপের দেওয়া তথ্যে।