ইউনিয়ন পরিষদে বদলে গেল দফাদার-মহল্লাদারের পদবি

ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ বাহিনীর পদবিতে পরিবর্তন এনেছে সরকার।

ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ 

ন্যূনতম বেতন বৃদ্ধি ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধসহ তিন দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন পোশাকশ্রমিকরা।

ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ 
মার্কিন হাউসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে, সিনেটে জোর লড়াই

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট গণনার প্রাথমিক ফলাফলে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস) নিয়ন্ত্রণ দখল করেছে ডেমোক্র্যাটরা।

মার্কিন হাউসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে, সিনেটে জোর লড়াই
রাফিনিয়া জাদুতে উড়ে গেল ভিলা, এমবাপেকে ছাড়িয়ে গেলেন ইয়ামাল

অ্যাস্টন ভিলা ছিল এই মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লিগে অপরাজিত। অন্যদিকে পিএসজি ও রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে হেরে বার্সেলোনা ছিল কোণঠাসা। ফুটবলপ্রেমীরা তাই এই দু’দলের মাঝে একটা ব্লকবাস্টার লড়াই দেখার অপেক্ষায় ছিল...

রাফিনিয়া জাদুতে উড়ে গেল ভিলা, এমবাপেকে ছাড়িয়ে গেলেন ইয়ামাল
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ

গাজীপুরের গাছা থানার সাইনবোর্ড এলাকার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে।

গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর কেইশা ল্যান্স বটমস

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের গভর্নর নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী রিক জ্যাকসনকে পরাজিত করে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কেইশা ল্যান্স বটমস মার্কিন ইতিহাসে কোনো অঙ্গরাজ্যের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর নি...

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর কেইশা ল্যান্স বটমস
গাজীপুরে ২৫ প্লাটুন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভের জেরে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

গাজীপুরে ২৫ প্লাটুন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন

সারা দেশ

View more
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার

সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।

Video news

Rss feed news

চ্যাটজিপিটির সঙ্গে কথোপকথনের তথ্য কতটা নিরাপদ
চ্যাটজিপিটির সঙ্গে কথোপকথনের তথ্য কতটা নিরাপদ

<p> ব্যবহারকারীদের নির্দেশমতো নিজ থেকে বার্তা, নিবন্ধ বা কবিতা লিখে দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পরামর্শ দেওয়ায় অনেকেই নিয়মিত চ্যাটজিপিটি চ্যাটবট ব্যবহার করেন। কিন্তু চ্যাটজিপিটির সঙ্গে ব্যবহারকারীদের কথোপকথনের তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান প্যারামিটারের গবেষকেরা চ্যাটজিপিটিতে একটি গুরুতর নিরাপত্তাত্রুটি শনাক্ত করেছেন। এই ত্রুটির কারণে চ্যাটজিপিটির লিংক ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত কথোপকথনের তথ্য জানা যেত। বিষয়টি জানার পর দ্রুত চ্যাটজিপিটির কারিগরি ত্রুটি দূর করেছে ওপেনএআই।</p><p>প্যারামিটারের গবেষকদের তথ্যমতে, ই-মেইল, বার্তা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের মাধ্যমে চ্যাটজিপিটির একটি ক্ষতিকর লিংক ছড়িয়ে চ্যাটবটটিকে ক্ষতিকর কোড চালু করা যেত। লিংকটি খোলার জন্য ব্যবহারকারীদের কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল, নির্দিষ্ট কোনো ওয়ার্কস্পেসে যুক্ত বা নতুন করে সাইন ইন করতে হতো না। লিংকটি খোলার পর চ্যাটজিপিটির ‘প্রিভিউ’ বাটনে একবার ক্লিক করলেই ক্ষতিকর কোড চালু হয়ে যেত। বিশেষভাবে তৈরি লিংকটি চালু হলে সেই ব্যক্তির চ্যাটজিপিটি অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে কথোপথনের সব তথ্য জানা যেত।</p><p>গবেষকদের তথ্যমতে, ত্রুটির কারণে ব্যবহারকারীদের পর্দায় প্রদর্শিত তথ্য সংগ্রহের পরিবর্তে চ্যাটজিপিটির নিজস্ব সাইন ইন করা এপিআই (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস) ব্যবহার করত ক্ষতিকর কোডগুলো। ফলে ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সরাসরি বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ ও কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়েছিল।</p><p>ওপেনএআইয়ের বাগ বাউন্টি কর্মসূচির আওতায় এই ত্রুটি শনাক্ত করেন গবেষকেরা। ওপেনএআইয়ের তথ্যমতে, নিরাপত্তাঝুঁকির মাত্রা বিবেচনায় ত্রুটিটি ছিল পি১ শ্রেণির, যা প্রতিষ্ঠানটির সর্বোচ্চ মাত্রার ঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত।</p><p>সূত্র: দ্য হ্যাকার নিউজ</p>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
আবারও কি সর্বাত্মক যুদ্ধ, এবার কতটা ভয়াবহ হবে ইরানের জবাব
আবারও কি সর্বাত্মক যুদ্ধ, এবার কতটা ভয়াবহ হবে ইরানের জবাব

<p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় নতুন অস্ত্র ও যুদ্ধকৌশল নিয়ে সম্পূর্ণ প্রস্তুত ইরান। দেশটির সামরিক কর্মকর্তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এবার যুদ্ধ হলে প্রতিপক্ষকে চড়া মূল্য দিতে হবে। সংঘাত ছড়িয়ে পড়তে পারে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে আবারও সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হলে তা প্রতিপক্ষের ধারণার চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী ও বেশি ব্যয়বহুল হবে বলে সতর্ক করেছে ইরানের সামরিক বাহিনী। এবার যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের বিরুদ্ধে নতুন অস্ত্র ও যুদ্ধকৌশল প্রয়োগ করতে পারে তেহরান। এ যুদ্ধ হবে গত বছরের জুনের পর দেশগুলোর মধ্যে তৃতীয় বড় সংঘাত।</p><p> গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধ আবারও শুরু হতে পারে—এমন ইঙ্গিত ক্রমে জোরালো হচ্ছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর আবার সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।</p><p> গত রোববার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ‘খুব শিগগির, যেকোনোভাবে’ শেষ হবে। তিনি আরও বলেন, তেহরানকে একটি চুক্তিতে রাজি হতে হবে, নইলে ‘কঠোর শাস্তি’ নেমে আসবে।</p><p> ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সাবেক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার হোসেইন কানানি মোগাদ্দাম আল–জাজিরাকে বলেন, চলতি বছরের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হলেও এখন তাদের যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা বেশি।</p><p>হোসেইন কানানি বলেন, ‘আক্রমণাত্মক সক্ষমতার দিক বিবেচনায় আমাদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকা অনেক বড় হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা, নির্ভুলতা ও ওয়ারহেডের সক্ষমতা বেড়েছে। ড্রোন ব্যবহারের সক্ষমতাও উন্নত হয়েছে।’</p><p>সাবেক এই জ্যেষ্ঠ কমান্ডার আরও বলেন, শত্রুপক্ষের নতুন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জাম শনাক্ত করা হচ্ছে এবং আরও বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকায় অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।</p><blockquote>গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধ আবারও শুরু হতে পারে—এমন ইঙ্গিত ক্রমে জোরালো হচ্ছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর আবার সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।</blockquote><p>এদিকে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেন, ইরান আবার আক্রান্ত হলে আগে প্রকাশ করা হয়নি—এমন সামরিক সক্ষমতা ও লক্ষ্যবস্তুর তথ্য সামনে আনা হবে এবং সেগুলো ব্যবহারও করা হবে।</p><p>ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড এবং ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনীর কমান্ডাররা সম্প্রতি দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। আবার হামলা হলে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা নিয়ে তাঁরা আলোচনা করেছেন। তাঁদের ভাষ্য, ইরানের জবাব হবে তাৎক্ষণিক এবং তা পশ্চিম এশিয়া (মধ্যপ্রাচ্য) অঞ্চলের বাইরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/yup6juuo/mojtaba-khameni.jpg"><figcaption>ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি  </figcaption></figure><p>রোববার সন্ধ্যায় আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি বলেন, আরেকটি হামলা মোকাবিলায় বাহিনী ‘১০০ শতাংশ প্রস্তুত’। তিনি আরও বলেন, অদূর ভবিষ্যতে ‘সর্বোচ্চ প্রতিরোধক্ষমতা’ অর্জনই ইরানের লক্ষ্য।</p><p>ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আকরামিনিয়া বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জামের শ্রেষ্ঠত্বের ঘাটতি পুষিয়ে নিতে কমান্ডাররা ‘অসম যুদ্ধকৌশল’ অনুসরণ করবেন।</p><p>মুখপাত্র জানান, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জুনে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর যে স্বল্পস্থায়ী যুদ্ধবিরতি হয়েছিল, সেই সময়ে ‘কিছু অস্ত্র সংস্কার করা হয়েছে, নতুন সরঞ্জাম যুক্ত হয়েছে এবং নতুন কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে’।</p><aside><cite>ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্কিন প্রেসিডেন্ট</cite>ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ‘খুব শিগগির, যেকোনোভাবে’ শেষ হবে। তেহরানকে একটি চুক্তিতে রাজি হতে হবে, নইলে ‘কঠোর শাস্তি’ নেমে আসবে।</aside><p>গত মাসে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ভূগর্ভের একটি ড্রোন উৎপাদনকেন্দ্রের চিত্র দেখানো হয়। এ ছাড়া কর্তৃপক্ষ আরাশ অ্যাটাক ড্রোনের উন্নত সংস্করণ প্রদর্শন করে। তাদের দাবি, এতে ড্রোনটির ওয়ারহেডের ওজন দ্বিগুণ করে ১০০ কেজি করা হয়েছে এবং নিশানাসংক্রান্ত নির্দেশনা ব্যবস্থাও উন্নত করা হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/3f7brh5f4h">ইরান ইস্যুতে আরেকটি ‘অনন্ত যুদ্ধের’ ঝুঁকিতে ট্রাম্প</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/06cryvwk/trump-us.jpg"><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প </figcaption></figure><p>গত সপ্তাহে প্রকাশিত রয়টার্সের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের প্রতিরক্ষা খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি সামরিক সংস্থা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে সামরিক সরঞ্জাম আমদানিতে শত শত কোটি ডলার ব্যয় করেছে। আইআরজিসির অস্ত্রভান্ডার আবার পূরণ করতে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত চীন, রাশিয়া ও জার্মানি থেকে এসব সরঞ্জাম আনা হয়েছে। এর মধ্যে ছিল রকেটের জ্বালানি, বিস্ফোরক, বিস্ফোরক সক্রিয় করার ডেটোনেটর, টাইটানিয়াম ও ভারী ট্রাক—যেগুলো ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের কাজে ব্যবহার করা সম্ভব।</p><p>যুদ্ধের সময় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, রাডার ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জামের অনেকগুলো ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কানানি মোগাদ্দামের দাবি, যেসব ব্যবস্থা এখনো সচল রয়েছে এবং নতুন করে তৈরি করা হয়েছে, সেগুলোর নির্ভুলতা বাড়ছে। এর প্রমাণ হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান এবং অন্য যুদ্ধবিমান ও ড্রোনে আঘাত হানার ঘটনাকে সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলার পুনরাবৃত্তি ঘটানো এবং এর পরিধি বৃদ্ধি করা সম্ভব।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/ea0o74iw/iran-missile.jpg"><figcaption>ইরানের একটি অজ্ঞাত স্থানে মাটির নিচে অবস্থিত ক্ষেপণাস্ত্র ডিপো। ৮ মার্চ, ২০১৬ </figcaption></figure><p>হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলকে ইরানি কর্তৃপক্ষ ‘অননুমোদিত’ বলে বিবেচনা করে। এ প্রসঙ্গে কানানি মোগাদ্দাম বলেন, ‘সমুদ্রে আমরা দেখিয়েছি, খুব সহজেই তেলবাহী বিশাল জাহাজে হামলা চালাতে পারি।’ তাঁর দাবি, সেপ্টেম্বরে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজগুলোয় ইরানের হামলার পর থেকে সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথে চলাচল বন্ধ রেখেছে।</p><p>তবে দক্ষিণ ইরানের বন্দরগুলোয় যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে যুদ্ধ আবার শুরু হলে ইরানের সাধারণ মানুষ ও অবকাঠামো এখনো অনেকটাই অরক্ষিত থাকবে।</p><aside><cite>হোসেইন কানানি মোগাদ্দাম, আইআরজিসির সাবেক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার</cite>শত্রুপক্ষের নতুন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জাম শনাক্ত করা হচ্ছে এবং আরও বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকায় অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।</aside><p>ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশটির অন্যান্য শহরে সাধারণ মানুষের সুরক্ষায় পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র কিংবা আগাম সতর্কবার্তা দেওয়ার ব্যবস্থা নেই। আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের প্রতিশ্রুতি এবং জনসাধারণকে সতর্ক করার ব্যবস্থায় ঘাটতি দূর করতে কর্তৃপক্ষ কোনো অগ্রগতি হয়েছে বলে জানায়নি।</p><p>আবার যুদ্ধ শুরু হলে ইরানের বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা, তেল ও গ্যাস স্থাপনা, পেট্রোকেমিক্যাল ও ইস্পাত কারখানা, সড়ক এবং রেলপথও হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। এতে দেশটির অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে উঠবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/evqwbos1rl">মার্কিন প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভেদ করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ঘায়েল’ করছে</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/1urky480/iran-info.jpg"><figcaption>প্রথম আলো গ্রাফিকস</figcaption></figure><p><strong>‘শত্রুরা মূল লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ’</strong></p><p>দুই দফা যুদ্ধেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা নিহত হয়েছেন।</p><p>মার্চের শুরুর দিকে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর থেকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি, তাঁর বক্তব্যও শোনা যায়নি। নিরাপত্তার কারণেই এমনটি করা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p><blockquote>ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড এবং ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনীর কমান্ডাররা সম্প্রতি দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। তাঁদের ভাষ্য, ইরানের জবাব হবে তাৎক্ষণিক এবং তা পশ্চিম এশিয়া (মধ্যপ্রাচ্য) অঞ্চলের বাইরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।</blockquote><p>এ পরিস্থিতিতে দেশের ভেতরে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়েছে। একই সঙ্গে গোয়েন্দা ব্যর্থতা এবং শীর্ষ নেতৃত্বের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারার বিষয়ে জবাবদিহির দাবি উঠেছে। এমনকি ইরানের শাসনব্যবস্থার ভেতর থেকেও কেউ কেউ এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।</p><p>গত শনিবার টেলিভিশনে এক বিতর্ক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় মহলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষক হামজেহ রহিম সাফাভি বলেন, ‘আমরা আঘাতের পর আঘাত পেয়েছি এবং তা ছিল খুবই গুরুতর। এর প্রধান কারণ গোয়েন্দা তথ্যের দুর্বলতা। কিন্তু এ নিয়ে কেউ কথা বলছেন না, কাউকে জবাবদিহির আওতায়ও আনা হচ্ছে না।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/no809st6/us-attack.jpg"><figcaption>মার্চে যুদ্ধ চলার সময় তেহরানে একটি তেলের ডিপোতে বিমান হামলার পর রাতের আকাশ এমন লাল হয়ে উঠেছিল  </figcaption></figure><p>এই বিশ্লেষক আইআরজিসির সাবেক প্রধান কমান্ডার ইয়াহিয়া রহিম সাফাভির ছেলে। ইয়াহিয়া বর্তমানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার জ্যেষ্ঠ সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। হামজেহ বলেন, কট্টরপন্থীরা পারমাণবিক বোমা তৈরির যে দাবি তুলছেন, তাতে গোয়েন্দা ও নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতা দূর হবে না।</p><p>তবে আইআরজিসির সাবেক ডিভিশন কমান্ডার এবং বর্তমানে পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের সদস্য ইসমাইল কৌসারি গত সপ্তাহে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সর্বোচ্চ নেতা ও অন্যদের হত্যা করলেও ‘শত্রুরা তাদের মূল লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি’।</p><p>কৌসারির ভাষ্য, ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পতন ঘটানো এবং দেশটিকে খণ্ডবিখণ্ড করাই ছিল শত্রুদের লক্ষ্য।</p><p>কৌসারি বলেন, ‘মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের লোকজন হইচই করেন এবং মনস্তাত্ত্বিক অভিযান চালিয়ে এমন ভাব দেখানোর চেষ্টা করছেন যে তাঁরা জয়ী হয়েছেন। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/e2o98o9slb">ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হবে, বললেন ট্রাম্প</a></aside>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
কিছু গল্প খবরের পাতায় শেষ হয় না
কিছু গল্প খবরের পাতায় শেষ হয় না

<p><strong>একটি সংবাদপত্রের গণ্ডি পেরিয়ে মানুষের জীবনে আলো জ্বালানোর গল্প</strong></p><p>কোন কোন শিশুর কাছে স্কুলে যাওয়ার সুযোগ মানে শুধু বই-খাতা নিয়ে শ্রেণিকক্ষে যাওয়া নয়, তার কাছে সেটি হতে পারে দারিদ্র্যের বৃত্ত ভেঙে বেরিয়ে আসার, সিঁড়ি, বড় হওয়ার স্বপ্ন। আমাদের দেশের অনেক শিক্ষার্থীর কাছে একটি শিক্ষাবৃত্তি মানে শুধু পড়াশোনার খরচ জোগানো নয়, নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সাহস। আবার বন্যায় ঘরবাড়ি হারানো একটি পরিবারের কাছে একটু খাবার কিংবা শীতের রাতে একটি কম্বল মানে শুধু সহায়তা নয়, কঠিন সময়ে কেউ পাশে আছে—এই বিশ্বাস। মানুষের জীবনে এমন ছোট ছোট আশার আলো জ্বালানোর মধ্য দিয়েই সংবাদপত্রের গণ্ডি পেরিয়ে এক ভিন্ন পরিচয় তৈরি করেছে প্রথম আলো।</p><p>প্রথম আলো মনে করে, সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি দেশ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতাও একটি সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সেই ভাবনা থেকেই প্রতিষ্ঠার শুরুতে অ্যাসিড-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই, মাদকবিরোধী আন্দোলন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোসহ নানা সামাজিক উদ্যোগে যুক্ত হয় প্রথম আলো।</p><p>২০০৫ সালে প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান র‌্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার লাভ করেন। পুরস্কারের অর্থ থেকে ৩৩ লাখ টাকা তিনটি তহবিলে বরাদ্দ করা হয়—অ্যাসিডদগ্ধ নারীদের সহায়তা, মাদকবিরোধী আন্দোলন ও নির্যাতিত সাংবাদিকদের সহযোগিতার জন্য। প্রথম আলোর কর্মীরাও নিজেদের বেতন থেকে অনুদান দিয়ে যুক্ত হন এই উদ্যোগে। এভাবেই শুরু হয়েছিল একটি সংবাদপত্রের মানবিক দায়বদ্ধতাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার যাত্রা। ২০০৯ সালের ২৩ মে প্রতিষ্ঠিত হয় প্রথম আলো ট্রাস্ট। এরপর থেকে প্রথম আলোর সামাজিক উদ্যোগগুলো আরও সুসংগঠিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব পালন করছে ট্রাস্ট।</p><p><strong>স্বপ্নের পাশে দাঁড়ানোর নাম</strong></p><p>দারিদ্র্য কখনো কখনো মেধার চেয়েও বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। অনেক শিক্ষার্থীর চোখে থাকে বড় হওয়ার স্বপ্ন, কিন্তু পরিবারের আর্থিক অপারগতা সেই স্বপ্নের পথ আটকে দেয়। অদম্য মেধাবী তহবিলের উদ্দেশ্য সেই বাধা কিছুটা হলেও সরিয়ে দেওয়া। ব্র্যাক ব্যাংক ও অন্যান্য দাতার সহযোগিতায় ২০২৬ সাল পর্যন্ত এই তহবিল থেকে বৃত্তি পেয়েছেন ১ হাজার ৪৮৭ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে ব্র্যাক ব্যাংকের সহায়তায় ১ হাজার ১৫৩ জন এবং অন্যান্য দাতা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সহযোগিতায় ৩৩৪ জন। বর্তমানে বৃত্তি পাচ্ছেন ২৬৯ জন। ২০২৬ সাল পর্যন্ত এ তহবিল থেকে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়েছে ৭ কোটি ৫ লাখ ৬৮ হাজার ৫১১ টাকা।</p><p>এই সংখ্যাগুলোর প্রতিটিই একটি করে সম্ভাবনার গল্প। কারও কাছে এটি উচ্চশিক্ষার সুযোগ, কারও কাছে পরিবারের দুশ্চিন্তা কিছুটা কমার স্বস্তি, আবার কারও কাছে নিজের স্বপ্নের পথে এগিয়ে যাওয়ার সাহস।</p><p>একইভাবে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ তৈরি করছে অদ্বিতীয়া শিক্ষাবৃত্তি। ২০১২ সাল থেকে শুরু হওয়া এই শিক্ষাবৃত্তির দায়িত্ব  ২০১৭ সালে আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসি নেওয়ার পর এর নতুন নাম হয় ‘অদ্বিতীয়া’। ২০২৬ সাল পর্যন্ত মোট ১৪৩ জন শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১০১ জন আইডিএলসির সহযোগিতায় বৃত্তি পেয়েছেন। শুরু থেকে এ পর্যন্ত ২ কোটি ৪৪ লাখ ৩২ হাজার টাকা অদ্বিতীয়া শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়েছে। একটি মেয়ের শিক্ষার সুযোগ তৈরি হওয়া মানে শুধু একজন শিক্ষার্থীর এগিয়ে যাওয়া নয়, একটি পরিবারের সামনে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে যাওয়া।</p><p><strong>দুর্গম পথেও জ্বলে শিক্ষার আলো</strong></p><p>শহর থেকে অনেক দূরে, নদীঘেরা চর কিংবা প্রত্যন্ত জনপদে বেড়ে ওঠা শিশুদের জন্য শিক্ষার সুযোগ সব সময় সহজ নয়। সেই শিশুদের কাছেই শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে কাজ করছে আলোর পাঠশালা। ২০০৯ সালে কুড়িগ্রামের প্রথম আলো চরে আলোর পাঠশালা প্রতিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে প্রথম আলোর এই উদ্যোগের শুরু। বর্তমানে দেশের আটটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে রয়েছে আলোর পাঠশালা। এসব বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে দেড় সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। দীর্ঘ এই যাত্রায় ২৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী শিক্ষার সুযোগ পেয়েছে। শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নয়, বঞ্চিত মানুষের জীবনে সম্ভাবনার নতুন দরজাও খুলে দিচ্ছে এই উদ্যোগ। প্রত্যন্ত অঞ্চলের যেই শিশুটি বড় হয়ে রাখাল বা মাঝি হওয়া ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারতোনা, সেই অঞ্চলের কোন ছেলে হয়তো আইন প্রয়োগকারী ও নিরাপত্তা সংস্থায় কাজ করছে, কেউ দেশের বাইরে কাজ করে পরিবারের হাল ধরেছে। কিশোরী বয়সে পা দেওয়ার আগেই যেই মেয়েটির বিয়ে হয়ে যাওয়ার কথা ছিল, সেই মেয়েটি এখন উচ্চশিক্ষা শেষ করার পথে। স্বপ্ন বুনছে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর। আলোর পাঠশালার একেকটা ছেলেমেয়ে নিজ নিজ এলাকার আদর্শ হয়ে উঠেছেন।</p><p><strong>দুর্যোগের দিনে একটু আশ্রয়, একটু ভরসা</strong></p><p>প্রকৃতির রুদ্ররূপে যখন মানুষের ঘরবাড়ি ভেসে যায়, খাবার ফুরিয়ে আসে, কিংবা শীতের রাতে শরীর ঢাকার মতো কাপড়টুকুও থাকে না, তখন সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয় প্রথম আলো ট্রাস্টের ত্রাণ তহবিল।</p><p>২০০৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত এই তহবিলের মাধ্যমে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৬৩টি পরিবারকে দেওয়া হয়েছে ১৩ কোটি ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩২৯ টাকার খাদ্যসহায়তা। শীতের কষ্ট লাঘবে ১ লাখ ১২ হাজার ৮৮২টি পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে ২ কোটি ৪১ লাখ ৭৬ হাজার ৪৫১ টাকার শীতবস্ত্র।</p><p>একটি পরিবারের কাছে এই সহায়তার অর্থ কতটা, তা হয়তো পরিসংখ্যানে পুরোপুরি বোঝানো সম্ভব নয়। দুর্যোগের পর যখন ঘরে খাবার থাকে না, তখন খাদ্যসহায়তা শুধু ক্ষুধা মেটায় না, স্বস্তিও দেয়। শীতের রাতে একটি কম্বল শুধু শরীর গরম রাখে না, ওই অসহায় মানুষের মনে জাগায় সহমর্মিতার অনুভূতি। একেকটি সহায়তার পেছনে তাই রয়েছে একেকটি পরিবারের কঠিন সময় পার করার গল্প।</p><p><strong>বিপর্যয় পেরিয়ে নতুন জীবনের স্বপ্ন</strong></p><p>২০১৩ সালের রানা প্লাজা দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছিল বহু মানুষের জীবন, অসংখ্য পরিবারকে ঠেলে দিয়েছিল অনিশ্চয়তার মধ্যে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের উদ্ধার, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে পাশে দাঁড়াতে গঠিত হয় মেরিল-প্রথম আলো সাভার সহায়তা তহবিল। এ তহবিল থেকে এ পর্যন্ত ১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে উদ্ধারকাজ, চিকিৎসাসেবা ও পুনর্বাসনে। পাশাপাশি ৫০ লাখ টাকার আমানত থেকে প্রতিবছর ২০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সন্তানকে দেওয়া হচ্ছে শিক্ষাবৃত্তি। অর্থাৎ দুর্ঘটনার তাৎক্ষণিক ক্ষতি সামাল দেওয়ার পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মের শিক্ষার পথও সচল রাখার চেষ্টা চলছে।</p><p>অ্যাসিডদগ্ধ নারীদের সহায়তা ও পুনর্বাসন, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে ২০০০ সাল থেকে চলমান আন্দোলন এবং সাদত স্মৃতি পল্লীর মতো উদ্যোগও প্রথম আলো ট্রাস্টের মানবিক কাজের অংশ। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য একটাই—মানুষকে বিপর্যয়, বঞ্চনা ও অনিশ্চয়তার মধ্য থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দেওয়া।</p><p><strong>এই গল্প সবার</strong></p><p>প্রথম আলো ট্রাস্টের প্রতিটি উদ্যোগের পেছনে রয়েছে অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা। কোনো পাঠকের ছোট্ট অনুদান, কোনো শুভানুধ্যায়ীর আন্তরিকতা কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল অংশীদারত্ব—সব মিলিয়েই এগিয়ে চলেছে এই পথচলা। ব্র্যাক ব্যাংক, আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসি, অন্যান্য সহযোগী প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি ও দাতাদের প্রতি তাই কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এত মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হতো না।</p><p>প্রথম আলো ট্রাস্ট একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। এর শক্তি মানুষের আস্থা, সহযোগিতা ও ভালোবাসা। যারা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি প্রথম আলো ট্রাস্টের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।</p><p>প্রথম আলোর ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফিরে তাকালে দেখা যায়, সংবাদপত্রের পাতায় প্রতিদিনের খবরের বাইরেও লেখা হয়েছে অসংখ্য মানুষের জীবনের গল্প। কোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন পূরণের গল্প, কোনো মেয়ের আত্মনির্ভর হওয়ার গল্প, কোনো পরিবারের দুর্যোগ কাটিয়ে ওঠার গল্প।</p><p>এসব গল্পের সবগুলো হয়তো সংবাদপত্রের পাতায় ছাপা হয় না। কিন্তু মানুষের জীবনে সেগুলোর প্রভাব থেকে যায় বহুদিন। প্রথম আলো তাই শুধু সংবাদ প্রকাশের প্রতিষ্ঠান নয়; মানুষের পাশে দাঁড়ানোরও একটি নিরন্তর প্রয়াস। আর প্রথম আলো ট্রাস্ট সেই প্রয়াসকে এগিয়ে নিচ্ছে প্রতিদিন, বছরজুড়ে— আলো হাতে, মানুষের পাশে।</p>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
মিমের প্রথম সম্মানী পাঁচ হাজার টাকা, এখন কত নেন
মিমের প্রথম সম্মানী পাঁচ হাজার টাকা, এখন কত নেন

এই তারকার কাছে সেই উপার্জন আজও বিশেষ স্মৃতি। সেই স্মৃতি এখনো যত্নে রেখে দিয়েছেন চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
পৃথিবীর চেয়েও বাসযোগ্য গ্রহ আছে মহাবিশ্বে? কী বলছেন বিজ্ঞানীরা
পৃথিবীর চেয়েও বাসযোগ্য গ্রহ আছে মহাবিশ্বে? কী বলছেন বিজ্ঞানীরা

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/prrithibeer-ceyeoo-baszogz-grh-ache-mhabiswe-kee-blchen-bijnganeera</figure>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
১২ বছরের ক্রীতদাস বালকের হাতে বৈশ্বিক মসলায় পরিণত হয়েছিল ভ্যানিলা
১২ বছরের ক্রীতদাস বালকের হাতে বৈশ্বিক মসলায় পরিণত হয়েছিল ভ্যানিলা

<p>বেশির ভাগ আন্তর্জাতিক শস্যের মতো ভ্যানিলার গল্পও পৃথিবীর মানচিত্রের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে আছে। ভ্যানিলার বাণিজ্যে মাদাগাস্কারের বর্তমান বিশ্বব্যাপী আধিপত্য থাকলেও এর উৎপত্তি সেখানে হয়নি; বরং এর পথচলা শুরু হয়েছিল মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার জঙ্গলে। সেখানে একটি দীর্ঘ প্যাঁচানো লতা বিবর্তিত হয়ে আমাদের সবার পরিচিত ভ্যানিলার সেই বিশেষ সুবাস তৈরি করেছিল। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে।</p><p> ভ্যানিলার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়টি হলো, এই শতকোটি ডলারের পণ্যটি আজ টিকে আছে ১৮০ বছর আগে ভারত মহাসাগরের এক দূরবর্তী দ্বীপ বুরবোঁয় বাস করা ১২ বছরের এক ক্রীতদাস বালকের কারণে। তবে যে অর্কিড–জাতীয় গাছের ফলে ভ্যানিলার মিষ্টি নির্যাস থাকে, তা মেক্সিকো থেকে সেখানে পৌঁছাতে এক দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়েছিল।</p><p>বিবিসি জানায়, ভ্যানিলার বাণিজ্যে বর্তমানে শীর্ষ রয়েছে আফ্রিকার দেশ মাদাগাস্কার। তবে মসলাটির উৎপত্তি সেখানে হয়নি। ভ্যানিলার পথচলা শুরু হয়েছিল মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার জঙ্গলে। এরপর ভ্যানিলা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার ইতিহাসটি বেশ কৌতূহলোদ্দীপক।</p><p>ভ্যানিলার উৎপত্তি ও দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়া নিয়ে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের সাবেক সাংবাদিক ও লেখক টিম ইকোট একটি বই লিখেছেন। বইটির নাম ‘ভ্যানিলা: ট্রাভেলস ইন সার্চ অব দ্য লাশাস সাবস্ট্যান্স’, যা ২০০৪ সালে প্রকাশ হয়। লেখক ভ্যানিলার সন্ধানে মেক্সিকোর পাপান্তলা (যাকে একসময় ‘বিশ্বকে সুবাসিত করা শহর’ বলা হতো) থেকে শুরু করে ভারত মহাসাগরের তাহিতি, মাদাগাস্কার, রিইউনিয়ন ও সেশেলস দ্বীপপুঞ্জের মতো নানা স্থানে ভ্রমণ করেছেন।</p><h3>কারা প্রথম চাষ শুরু করে</h3><p>বইয়ে টিম ইকোট বলেন, বর্তমান মেক্সিকোর পাপান্তলা অঞ্চলের টোটোনাক আদিবাসীরা প্রথম ভ্যানিলা চাষ শুরু করেন। এই আদিবাসী গোষ্ঠীর লোকগাথা অনুযায়ী, ভ্যানিলা হলো এক দেবীর রক্ত থেকে জন্ম নেওয়া পবিত্র উপহার। ১৫০০–এর শতকে অ্যাজটেক জাতি টোটোনাক আদিবাসীদের পরাজিত করে পাপান্তলা এলাকা জয় করে। বিজিত এলাকা থেকে কর বা উপঢৌকন হিসেবে ভ্যানিলা নেওয়া শুরু করে। অ্যাজটেকরা তাদের চকলেট–জাতীয় বিশেষ ধরনের একটি পানীয়ের স্বাদ বাড়াতে ভ্যানিলা ব্যবহার করত।</p><p>এরপরের ইতিহাস ঔপনিবেশিক শাসনের। মেক্সিকোয় স্পেনের অভিযাত্রী এরনান কোর্তেসের নেতৃত্বে ১৫১৯ থেকে ১৫২১ সালের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী অভিযান চালানো হয়। অভিযানে অ্যাজটেক সাম্রাজ্যের পতন ঘটে। এরনান কোর্তেস অ্যাজটেক সম্রাটদের ভ্যানিলা, চকলেটসহ রাজকীয় ফ্লেভারগুলো ব্যবহার করতে দেখেছিলেন। পরে তিনি এগুলো স্পেনে নিয়ে যান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/fdam4zsg/Business-2.jpg"><figcaption>মাদাগাস্কারের মারোভাতো গ্রামের একটি বাগানে ভ্যানিলা লতা থেকে ঝুলছে একগুচ্ছ কাঁচা ভ্যানিলার শুঁটি। ২০১৯ সালের ২৭ জুন ছবিটি তোলা</figcaption></figure><p>আটলান্টিক পার হওয়ার পর ভ্যানিলা দ্রুত নিজস্ব একটি পথ তৈরি করে নেয়। এর অল্প সময়ের মধ্যে রানি প্রথম এলিজাবেথ ও ফ্রান্সের রাজা পঞ্চদশ লুইয়ের রাজকীয় খাবারে ভ্যানিলা যুক্ত হয়ে যায়। সেখান থেকে ভ্যানিলা ইউরোপের অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে যায়। তত দিনে ভ্যানিলা বিশ্বব্যাপী মসলা–বাণিজ্যে প্রবেশ করে। ইউরোপীয়দের এই মসলা–বাণিজ্য বিশ্বজুড়ে সীমানা পুনর্নির্ধারণ ও অর্থনীতির গতিপথ বদলে দিচ্ছিল। ঔপনিবেশিক শক্তিগুলো ভ্যানিলার কলম বা কাটিং সংগ্রহের জন্য প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ে।</p><p>সাংবাদিক টিম ইকোট লিখেছেন, মেক্সিকোয় স্প্যানিশ উপনিবেশের বাইরে ভ্যানিলা চাষের চিন্তা শুরু করে অন্য ঔপনিবেশিক শক্তিগুলো। ১৬০০ ও ১৭০০–এর দশকগুলোয় ভারতে ব্রিটিশরা, ভারত মহাসাগরের উপনিবেশগুলোয় ফরাসিরা, জাভায় ডাচরা (নেদারল্যান্ডস) এবং ফিলিপাইনে স্প্যানিশরা এটি রোপণের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু কেউ সফল হয়নি। ইউরোপীয়রা গাছ রোপণ করত, তারা দেখত গাছ বড় হচ্ছে এবং ফুলও ফুটছে, কিন্তু কখনো ফল ধরছে না।</p><h3>৩০০ বছরের চেষ্টা</h3><p>৩০০ বছর ধরে ইউরোপীয়রা চেষ্টা করেও নিজেদের দেশে বা কলোনিগুলোয় ভ্যানিলা–গাছে ফল (বিন) ধরাতে পারছিল না। ফুল ফুটলেও ফল হতো না। এর কারণ ছিল ভ্যানিলা ফুলের পরাগায়ন কেবল মেক্সিকোর বিশেষ এক প্রজাতির স্থানীয় মৌমাছি ও পাখি করতে পারত, যা অন্য দেশে ছিল না।</p><p>মেক্সিকান ভ্যানিলার ওপর স্প্যানিশ একচেটিয়া আধিপত্য ভাঙতে তৎপর ছিলেন ভারত মহাসাগরের ‘বুরবোঁ’ (বর্তমানে রেউনিওঁ) দ্বীপের শ্বেতাঙ্গ ফরাসি বাগানমালিকেরা। ১৮২২ সালে ইউরোপে প্রথম সফলভাবে বেঁচে থাকা ও ফুল ফোটা ভ্যানিলা–গাছ থেকে কাটিং এনে এই দ্বীপে রোপণ করা হয়। অনেক আশা থাকা সত্ত্বেও কোনো ফল ধরেনি এবং বাগানমালিকেরা অবশেষে পরাজয় মেনে নেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/txretgdb/Business-3.jpg"><figcaption>মাদাগাস্কারের অন্দাপা গ্রামে এক চাষি একগুচ্ছ কাঁচা ভ্যানিলার শুঁটি প্রদর্শন করছেন। ২০১৯ সালের ২৫ জুন ছবিটি তোলা</figcaption></figure><h3>অবশেষে একজন ক্রীতদাস বালকের সাফল্য</h3><p>ইউরোপীয়দের পরাগায়ন–সংকট কাটে কৃত্রিম পরাগায়ন পদ্ধতি আবিষ্কারের পর। ১৮৪১ সালে ভারত মহাসাগরে ফ্রান্সের কলোনি রেউনিওঁ দ্বীপে এডমন্ড আলবিয়াস নামের ১২ বছরের এক ক্রীতদাস ছেলে হাতের সাহায্যে ভ্যানিলা ফুলের পরাগায়ন করার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। প্রতিটি ভ্যানিলা অর্কিডের পুরুষ ও স্ত্রী উভয় অংশই থাকে, যা একটি পর্দা বা মেমব্রেন দ্বারা আলাদা করা থাকে, যাতে স্ব–পরাগায়ন না হতে পারে। ছেলেটি একটি ফুল নিয়ে তার আঙুল দিয়ে অর্কিডের পাপড়ির অংশটি সরিয়ে দেয়, একটি ছোট কাঠি দিয়ে পর্দাটি তুলে ধরে এবং স্ত্রী ও পুরুষ অংশ দুটিকে একসঙ্গে চেপে ধরে। এই কৌশলে ফল আসতে শুরু করে।</p><p>এই আবিষ্কারের পর ফরাসিরা তাদের কলোনি মাদাগাস্কার, রেউনিওঁ, সেশেলস ও ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়ায় প্রচুর ভ্যানিলার বাগান গড়ে তোলে। পরবর্তী সময় এটি ইন্দোনেশিয়া, ভারত ও অন্যান্য গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দেশে ছড়িয়ে পড়ে।</p><p>রেউনিওঁর সেই সাফল্যের সময়েও মেক্সিকোর চাষিরা ফুলের পরাগায়নের জন্য স্থানীয় মৌমাছির ওপর নির্ভর করতেন। কিন্তু বৈশ্বিক বাজার যখন অন্যান্য দেশের ভ্যানিলায় ছেয়ে যেতে শুরু করে—প্রথমে শুধু রেউনিওঁ, পরে মাদাগাস্কার, ইন্দোনেশিয়া ও অন্যান্য দেশ, তখন স্থানীয় মেক্সিকান শিল্প প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে পারেনি। আজ প্রাকৃতিক ভ্যানিলা শুঁটির বৈশ্বিক বাণিজ্যে মেক্সিকোর উৎপাদন মাত্র ৫ শতাংশ।</p><p>১৮০০–এর দশকের শেষের দিকে কৃত্রিম ভ্যানিলা আবিষ্কারের মাধ্যমে এই শিল্প আরও জটিল হয়ে ওঠে, যা এখন বাজারের অধিকাংশ চাহিদা পূরণ করে। বাজারে থাকা ভ্যানিলার মাত্র ১ থেকে ৫ শতাংশ আসে প্রাকৃতিক ভ্যানিলা থেকে।</p><p>প্রাকৃতিক ভ্যানিলার ব্যবসা নিয়ে যাঁরা কাজ করেন, তাঁরা এখন হাত দিয়ে পরাগায়ন পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন, যা প্রাকৃতিক পরাগায়নকারীর জন্য অপেক্ষা করার চেয়ে অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য। প্রকৃতপক্ষে বিশ্বে চাষ করা প্রতিটি ভ্যানিলা–গাছে এখন হাতেই পরাগায়ন করা হয়, যা এই কাজটিকে অত্যন্ত পরিশ্রমসাধ্য করে তুলেছে।</p>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
পাহাড়ের কোলে নবান্নের আমেজ
পাহাড়ের কোলে নবান্নের আমেজ

সীমান্তঘেঁষা সিলেটের পাহাড়ের পাদদেশে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে পাকতে শুরু করেছে আমন ধান।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
মহাকাশ গবেষণার ভবিষ্যৎ বদলে দিচ্ছেন বাংলাদেশের মাহমুদা সুলতানা
মহাকাশ গবেষণার ভবিষ্যৎ বদলে দিচ্ছেন বাংলাদেশের মাহমুদা সুলতানা

<p>মহাকাশে কোনো গ্রহের বায়ুমণ্ডলে কী কী গ্যাস আছে, সেখানে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনা কতটুকু—এসব জানতে হলে বিজ্ঞানীদের প্রয়োজন বিশেষ ধরনের যন্ত্র। এমন উন্নত যন্ত্র তৈরির গবেষণায় কাজ করছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে কাজ করছেন তিনি। ন্যানোটেকনোলজি ও সেন্সর প্রযুক্তি নিয়ে তাঁর গবেষণা ভবিষ্যতের মহাকাশ যাত্রা আরও সমৃদ্ধ করতে পারে।</p><p>মাহমুদা সুলতানার জন্ম পাবনা জেলার ঈশ্বরদী। ছোটবেলা থেকেই যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ ছিল তাঁর। বাবা ছিলেন সরকারের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী। বাবার সঙ্গে বিভিন্ন প্রকৌশল প্রকল্পে গিয়ে যন্ত্রপাতি কীভাবে কাজ করে, তা দেখার সুযোগ হতো। এভাবেই প্রকৌশল ও বিজ্ঞানের প্রতি তাঁর আগ্রহ তৈরি হয় তাঁর। মাত্র ১৪ বছর বয়সে সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় চলে যান তিনি। পরে ডিগ্রি অর্জন করেন ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া থেকে রাসায়নিক প্রকৌশলে। পাশাপাশি গণিতেও পড়াশোনা করেন। এরপর ভর্তি হন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে। ২০১০ সালে রাসায়নিক প্রকৌশলে পিএইচডি সম্পন্ন করেন তিনি।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/tl40zlrn7g">অন্ত্রের জটিল রোগের চিকিৎসায় বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর নতুন গবেষণা</a></aside><blockquote>মাত্র ১৪ বছর বয়সে সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় চলে যান ড. মাহমুদা। পরে ডিগ্রি অর্জন করেন ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া থেকে রাসায়নিক প্রকৌশলে।</blockquote><p>ড. মাহমুদার মহাকাশ নিয়ে আগ্রহ তৈরিতেও পরিবারের ভূমিকা ছিল। তাঁর এক নিকটাত্মীয় ক্যালিফোর্নিয়ার নাসার অ্যামেস গবেষণাকেন্দ্রে পদার্থবিদ হিসেবে কাজ করতেন। তাঁর কাছ থেকে মহাকাশ ও বিজ্ঞান নিয়ে নানা গল্প শুনতেন মাহমুদা। অন্যদিকে, প্রকৌশলীদের আবাসিক এলাকায় বড় হলেও আশপাশে নারী প্রকৌশলী প্রায় দেখতেই পেতেন না। একসময় তাঁর মনে হয়েছিল, প্রকৌশল বুঝি পুরুষদের পেশা। তবে গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের প্রতি ভালোবাসা তাঁকে নিজের স্বপ্ন থেকে সরতে দেয়নি। বরং ধীরে ধীরে তিনি নাসায় কাজ করার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন।</p><p>নাসায় যোগ দেওয়ার গল্পটিও বেশ মজার। পিএইচডির শেষ দিকে চাকরির খোঁজ করছিলেন মাহমুদা। এমআইটির একটি চাকরির মেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিজের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিচ্ছিলেন। সেখানেই চোখে পড়ে নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের বুথ। ছোটবেলার স্বপ্নের কথা মনে করে হাতে থাকা শেষ জীবনবৃত্তান্তটি সেখানেই জমা দেন। সাক্ষাৎকারের পর ২০১০ সালে নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে গবেষক হিসেবে যোগ দেন তিনি।</p><p>নাসায় যোগ দেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই গ্রাফিনভিত্তিক ডিটেক্টর তৈরির গবেষণায় নেতৃত্ব দেন মাহমুদা। গ্রাফিন হলো কার্বনের তৈরি অত্যন্ত পাতলা একটি পদার্থ। এর পুরুত্ব মাত্র এক পরমাণুর সমান। বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে উন্নত সেন্সর ও ডিটেক্টর তৈরিতে গ্রাফিন বেশ সম্ভাবনাময়। এই উপাদান ব্যবহার করে আরও কার্যকর প্রযুক্তি তৈরির গবেষণায় কাজ করেন তিনি।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/feature/b6dxw43f74">সায়েন্টিফিক আমেরিকানের সেরা তরুণ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলাদেশের অনন্যা</a></aside><blockquote>নাসায় যোগ দেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই গ্রাফিনভিত্তিক ডিটেক্টর তৈরির গবেষণায় নেতৃত্ব দেন মাহমুদা। গ্রাফিন হলো কার্বনের তৈরি অত্যন্ত পাতলা একটি পদার্থ। এর পুরুত্ব মাত্র এক পরমাণুর সমান।</blockquote><p>বর্তমানে মাহমুদা নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের প্ল্যানেটারি এনভায়রনমেন্টস ল্যাবরেটরিতে ইনস্ট্রুমেন্ট সায়েন্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন। তাঁর গবেষণার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র মাল্টিফাংশনাল ন্যানোসেন্সর প্ল্যাটফর্ম। ন্যানো শব্দটি দিয়ে অত্যন্ত ক্ষুদ্র আকার বোঝানো হয়। এক ন্যানোমিটার হলো এক মিটারের একশ কোটি ভাগের এক ভাগ। এই প্রযুক্তির মূল ধারণা হলো, একই যন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ন্যানোম্যাটেরিয়ালভিত্তিক সেন্সর ব্যবহার করা। ফলে অতি সামান্য পরিমাণ গ্যাস ও পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে। ভবিষ্যতে অন্য গ্রহের বায়ুমণ্ডল ও পরিবেশ বিশ্লেষণে এ প্রযুক্তি কাজে লাগতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/bfj581yv/1561561.jpg"><figcaption>বর্তমানে মাহমুদা নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের প্ল্যানেটারি এনভায়রনমেন্টস ল্যাবরেটরিতে ইনস্ট্রুমেন্ট সায়েন্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন</figcaption></figure><p>তাঁর আরেকটি গবেষণা হলো কোয়ান্টাম ডট স্পেকট্রোমিটার। কোয়ান্টাম ডট হলো অতি ক্ষুদ্র সেমিকন্ডাক্টর কণা। এসব কণার আকারের ওপর নির্ভর করে আলো শোষণ ও নির্গমনের বৈশিষ্ট্য বদলে যায়। এই বৈশিষ্ট্য কাজে লাগিয়ে আলো বিশ্লেষণের উন্নত যন্ত্র তৈরি করা সম্ভব। মাহমুদার গবেষণায় এ ধরনের কণা ব্যবহার করে মহাকাশে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরিমাপের উপযোগী স্পেকট্রোমিটার তৈরির চেষ্টা চলছে। এ ছাড়া নেপচুন ও তার উপগ্রহ ট্রাইটন অনুসন্ধানের একটি সম্ভাব্য মহাকাশ মিশন পরিকল্পনার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন তিনি। স্কোপের অধীনে নেপচুন ও তার উপগ্রহ ট্রাইটন অনুসন্ধানের একটি সম্ভাব্য মহাকাশ মিশনের প্রধান গবেষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মাহমুদা।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/feature/z7y2j3n58k">এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলাদেশের ৩ নক্ষত্র</a></aside><blockquote>মাহমুদার গবেষণা হলো কোয়ান্টাম ডট স্পেকট্রোমিটার। কোয়ান্টাম ডট হলো অতি ক্ষুদ্র সেমিকন্ডাক্টর কণা। এসব কণার আকারের ওপর নির্ভর করে আলো শোষণ ও নির্গমনের বৈশিষ্ট্য বদলে যায়।</blockquote><p>গবেষণায় অবদানের জন্য বেশ কিছু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন মাহমুদা সুলতানা। ২০১২ সালে নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের আইএসটিডি নিউ অ্যাচিভার মেডেল, ২০১৩ সালে নাসার এজেন্সি অনার অ্যাওয়ার্ডের অধীনে আর্লি ক্যারিয়ার অ্যাচিভমেন্ট মেডেল এবং ২০১৪ সালে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের জন্য গ্রুপ অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পান তিনি। এরপর ২০১৭ সালে নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের ইনোভেটর অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড, ২০১৮ সালে রবার্ট এইচ. গডার্ড টিম অ্যাওয়ার্ড এবং ২০১৯ সালে কারিগরি উৎকর্ষের জন্য রবার্ট এইচ. গডার্ড অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। </p><p>২০২১ সালে পান ক্রেইগ টুলি অ্যাওয়ার্ড এবং স্পেস টেকনোলজি মিশন ডিরেক্টরেটের ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড। মাহমুদা সুলতানা ও তাঁর দল ন্যানোম্যাটেরিয়ালভিত্তিক একটি বহুমুখী ডিটেক্টর প্ল্যাটফর্ম উন্নয়নের জন্য ২ মিলিয়ন ডলারের প্রযুক্তি উন্নয়ন তহবিল পেয়েছিলেন। তাঁর কয়েকটি উদ্ভাবনের পেটেন্ট রয়েছে, আরও কিছু উদ্ভাবনের পেটেন্টের আবেদন প্রক্রিয়াধীন।</p><p>গবেষণার পাশাপাশি তরুণদের বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে আগ্রহী করে তুলতেও কাজ করেন ড. মাহমুদা। বিশেষ করে নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করতে চান তিনি। কারণ, ছোটবেলায় আশপাশে নারী প্রকৌশলী না দেখার অভিজ্ঞতা তাঁর নিজেরও ছিল। তিনি চান, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মেয়েরা যেন বিজ্ঞানী বা প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন দেখতে কোনো বাধা অনুভব না করে।</p><h4>সূত্র: নাসা, উইকিপিডিয়া</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/technology/lma3c8rss6">বিশ্বের সেরা তরুণ প্রকৌশলীদের তালিকায় বাংলাদেশের বাহাউদ্দিন</a></aside>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পাচ্ছে এবং সেনেট পুনরুদ্ধারে এগিয়ে আছে, মিলছে পূর্বাভাস
ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পাচ্ছে এবং সেনেট পুনরুদ্ধারে এগিয়ে আছে, মিলছে পূর্বাভাস

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে অনেকগুলো অঙ্গরাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। বুথ ফেরত জরিপে দেখা যাচ্ছে অর্থনীতি নিয়ে অধিকাংশ ভোটার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

নভেম্বর ৪, ২০২৬
ছবিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন
ছবিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন

ভোটকেন্দ্রের সারি থেকে শুরু করে উৎসাহী সমর্থক পর্যন্ত, ছবিতে তুলে ধরা হলো প্রচারণার শেষ দিনগুলোর এক ঝলক।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
পত্রিকা: 'পোশাকশিল্পে উৎপাদন ক্ষতি দেড় হাজার কোটি টাকা'
পত্রিকা: 'পোশাকশিল্পে উৎপাদন ক্ষতি দেড় হাজার কোটি টাকা'

আজ বুধবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার খবরে গুরুত্ব পেয়েছে গার্মেন্ট কারখানাগুলোয় আন্দোলন – সহিংসতার খবর। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের খবরও গুরুত্ব পেয়েছে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
যে তিনভাবে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল আসতে পারে
যে তিনভাবে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল আসতে পারে

মোটা দাগে বলতে গেলে, আমেরিকানদের মতামত জানানোর পর তিনটি সম্ভাব্য ফলাফল রয়েছে। সেগুলো কী হতে পারে, ফলাফল আসতে শুরু করলে প্রাথমিক লক্ষণগুলো কী হতে পারে এবং সেদেশের জন্য এর অর্থ কী হতে পারে, তা এখানে তুলে ধরা হলো।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়-পরাজয় কীভাবে নির্ধারিত হবে?
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়-পরাজয় কীভাবে নির্ধারিত হবে?

যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্বাচনের আগে জনমত জরিপ, প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং অন্যান্য বিষয়ের গভীর বিশ্লেষণ, যা প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের শেষ দুই বছরকে সংজ্ঞায়িত করবে।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
ভিডিও কলে শুধু কবুল পড়ে বিয়ে করলে  কি বৈধ হয়?
ভিডিও কলে শুধু কবুল পড়ে বিয়ে করলে কি বৈধ হয়?

বাংলাদেশে মুসলিমদের এমন অনেকেই আছেন, যারা শুধু কবুল পড়ে অথবা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিড করে বিয়ে করেন। আইনজীবী এবং কাজী অফিস সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে মসজিদে গিয়ে বর-কনে কবুল বলে বিয়ে করলে সেটি রেজিস্ট্রি না করলেও শরীয়তসম্মত। কিন্তু আইনের দৃষ্টিতে এ ধরনের বিয়ে কী বৈধ?

নভেম্বর ৩, ২০২৬
বিক্ষোভ-সংঘর্ষ চলছেই, পোশাক কারখানার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে কবে?
বিক্ষোভ-সংঘর্ষ চলছেই, পোশাক কারখানার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে কবে?

ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধিসহ কয়েকদফা দাবিতে গত কয়েকদিনের মতো সোমবারও সকাল থেকে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ করেছে পোশাক শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবারও ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

নভেম্বর ২, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কী? সাতটি জরুরি প্রশ্নের উত্তর
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কী? সাতটি জরুরি প্রশ্নের উত্তর

তেসরা নভেম্বর মার্কিন ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যাবেন, যে নির্বাচন ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট পদের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
অভিনয় করতে করতে মঞ্চে লুটিয়ে পড়া অভিনেতা এখন কেমন আছেন?
অভিনয় করতে করতে মঞ্চে লুটিয়ে পড়া অভিনেতা এখন কেমন আছেন?

নাট্যব্যক্তিত্ব, অভিনেতা ও নির্দেশক মাহমুদুল ইসলাম সেলিম গুরুতর অসুস্থ।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
সাভারে শ্রমিক-পুলিশ দফায় দফায় সংঘর্ষ
সাভারে শ্রমিক-পুলিশ দফায় দফায় সংঘর্ষ

ন্যূনতম বেতন বৃদ্ধি ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধসহ তিন দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করা পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
দলীয় এমপির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ বিএনপি নেতার
দলীয় এমপির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ বিএনপি নেতার

নওগাঁ-৩ আসনের বিএনপির সাংসদ ফজলে হুদা বাবুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন নিজ দলেরই স্থানীয় শীর্ষ নেতা।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে চীনা মন্ত্রীর শ্রদ্ধা
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে চীনা মন্ত্রীর শ্রদ্ধা

বাংলাদেশ সফরে এসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং। 

নভেম্বর ৪, ২০২৬
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ

গাজীপুরের গাছা থানার সাইনবোর্ড এলাকার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
রাফিনিয়া জাদুতে উড়ে গেল ভিলা, এমবাপেকে ছাড়িয়ে গেলেন ইয়ামাল
রাফিনিয়া জাদুতে উড়ে গেল ভিলা, এমবাপেকে ছাড়িয়ে গেলেন ইয়ামাল

অ্যাস্টন ভিলা ছিল এই মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লিগে অপরাজিত। অন্যদিকে পিএসজি ও রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে হেরে বার্সেলোনা ছিল কোণঠাসা। ফুটবলপ্রেমীরা তাই এই দু’দলের মাঝে একটা ব্লকবাস্টার লড়াই দেখার অপেক্ষায় ছিল।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
মার্কিন হাউসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে, সিনেটে জোর লড়াই
মার্কিন হাউসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে, সিনেটে জোর লড়াই

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট গণনার প্রাথমিক ফলাফলে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস) নিয়ন্ত্রণ দখল করেছে ডেমোক্র্যাটরা।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
টিভিতে আজকের খেলা
টিভিতে আজকের খেলা

প্রথম ওয়ানডে নিউজিল্যান্ড–ভারত

নভেম্বর ৪, ২০২৬