<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/test-ovisheker-smrriticarna</figure>
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/ami-shje-klant-hi-na</figure>
<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/g9dyo4p5/China_BNP.jpeg"><figcaption>চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্রী লিউ হাইসিং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদসহ অন্যরাও ছিলেন। ঢাকা, ৪ নভেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p>চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। লিউ হাইসিংয়ের নেতৃত্বে ঢাকা সফররত চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধিদলটি আজ বুধবার সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে ওই সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। </p><p>এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন ও আব্দুস সালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন।</p><p>তিন দিনের সফরে সিপিসির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিং গতকাল মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় এসেছেন।</p>
<p>শুধু ‘ইগো’ বা অহংয়ের কারণে আমরা নিজেদের ভুল আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করতে বিব্রত বোধ করি। ‘স্যরি’ বললে আমি ছোট হয়ে যাব, এই দ্বিধা আমাদেরকে মনের কথাটি মুখে উচ্চারণ করতে বাধা দেয়। অথচ পিঠে একবার হাত রেখে আন্তরিকভাবে উচ্চারণ করুন, ‘স্যরি, আমাকে ক্ষমা করো।’ মুহূর্তে প্রিয়জন, সহকর্মী বন্ধু বা আত্মীয় আপনাকে বুকে টেনে নেবেন। স্যরি’র শক্তি নিয়ে লিখেছেন <em>প্রথম আলো</em>র যুগ্ম সম্পাদক ও কথাসাহিত্যিক <strong>বিশ্বজিৎ চৌধুরী</strong></p><p>রাতে খেতে বসে গজগজ করছিলেন আকরাম। নিজে নিজেই বিড়বিড় করছিলেন, ‘লোকটা কী মনে করে আমাদের, আমরা সবাই গরু–ছাগল?’</p><p>স্বামীর এই স্বভাব জানেন নাসরিন, ভেতরে–ভেতরে কোনো বিষয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়লে এ রকম আপন মনে কথা বলেন। নিচু স্বরে জানতে চাইলেন, ‘কার কথা বলছ?’</p><p>‘কার কথা আবার, দ্য গ্রেট মোস্তাফিজুর রহমান, আমাদের মহামান্য বস। কাল থেকে আর চাকরিতে যাব না নাসরিন, এই চাকরি আর সম্ভব না। পড়াশোনা করেছি, ডাল-ভাত যাহোক, জোগাড় হয়ে যাবে...।’</p><p>নাসরিনের চেহারায় শঙ্কার ছায়া পড়ে। আর কোনো কথা না বাড়িয়ে নিঃশব্দে সে উঠে পড়েন খাবার টেবিল থেকে।</p><p>এর কিছুক্ষণ পরই একটা ফোন এল। স্ক্রিনে নামটি দেখে প্রথম দিকে ফোন ধরবেন কি না, গড়িমসি করছিলেন আকরাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফোনে কথা হলো বেশ কিছুক্ষণ ধরে। নাসরিনের মনে হলো, আপাতত কেটে গেল শঙ্কার মেঘ।</p><p>পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার জন্য তাড়াহুড়া করার সময় আকরামকে আগের রাতের সিদ্ধান্তের কথা মনে করিয়ে দিলেন নাসরিন, ‘আজ থেকে অফিসে যাবে না বলেছিলে...?’</p><p>হেসে তাঁর স্বামী বললেন, ‘ওটা তো রাগের কথা। আফটার অল মোস্তাফিজ সাহেব আমার বাবার মতো মানুষ। নিজের হাত ধরে কাজ শিখিয়েছেন, দুটো কথা বলার অধিকার তো তাঁর আছেই।’</p><p>দিব্যি ফুরফুরে মেজাজে কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে অফিসে ছুটলেন আকরাম। আর নাসরিন ভাবছেন, কাল রাতে ফোনে কী এমন কথা হলো যে এত জমাট বরফ গলে জল হয়ে গেল!</p><p>মোস্তাফিজুর রহমান ‘স্যরি’ বলেছিলেন আকরামকে। দুর্ব্যবহারের জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন তিনি একজন অধঃস্তন কর্মীর কাছে। আন্তরিকভাবে উচ্চারিত সেই শব্দ স্পর্শ করেছিল আকরামকে। হৃদয় আদ্র৴ হয়েছিল, চোখও সিক্ত হয়ে পড়েছিল। যেটুকু ক্ষত তৈরি হয়েছিল মনে, মুহূর্তেই যেন নিরাময় হয়ে গেল তাঁর।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/recipe/oke484qsyz">ছিল ঘিয়ের ব্যবসা, এখন তৈরি করে ১৮৫ রকম মিষ্টি, চার প্রজন্মের গল্পে বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার</a></aside><h3>একটি শব্দই পাল্টে দেয় পরিস্থিতি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/71vxlpda/_MG_8822.jpg"><figcaption>স্যরি, এই সামান্য কথা বলার মতো মনের জোর সবার থাকে না</figcaption></figure><p>আসলে এই ক্ষমাপ্রার্থনার ভাষা, ‘দুঃখিত’ বা ‘স্যরি’র মতো একটি শব্দ পাল্টে দিতে পারে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের অনেক কিছুই। একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও তাঁর অধস্তন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর ক্ষেত্রে শুধু নয়, শিক্ষক-ছাত্র, পিতা-মাতা-সন্তান, বন্ধু-প্রিয়জন, স্বামী-স্ত্রী—সব ক্ষেত্রেই মন্ত্রের মতো কাজ করতে পারে। </p><p>পৃথিবীখ্যাত কানাডীয় কার্টুনিস্ট লিন জনস্টোন মজার ছলে এক অসাধারণ আপ্তবাক্য উচ্চারণ করেছিলেন, ক্ষমাপ্রার্থনা (পড়ুন, স্যরি বলা) হচ্ছে সুপার গ্লুর মতো একটা বিষয়, এটা জীবনের যেকোনো বিষয়কে মেরামত করে দিতে পারে। এরিখ সেগালের বহুল জনপ্রিয় উপন্যাস লভ স্টোরির কথা অনেকের মনে থাকতে পারে। এ উপন্যাসের একটি সংলাপ সত্তরের দশকে তরুণ পাঠকদের আবেগাপ্লুত করে তুলেছিল, ‘লাভ মিনস নেভার হ্যাভিং সে ইউ আর স্যরি।’ </p><p>বাংলা অর্থ করলে মোটামুটি দাঁড়ায়, ‘ভালোবাসা মানে তুমি কখনোই স্যরি বলবে না।’ অথচ দুঃখিত পিতার ক্ষমাপ্রার্থনার উত্তরে এই সংলাপ উচ্চারণ করেছিল সন্তান। তার মানে, ‘স্যরি’ বলেছিল বলেই পিতার প্রতি সমস্ত ক্ষোভ ভুলে এই কথা বলতে পেরেছিল ছেলেটি। সত্যি বলতে কি, স্যরি বা ‘দুঃখিত’, এই সামান্য কথা বলার মতো মনের জোর সবার থাকে না। কাউকে আঘাত দিয়ে ভুল বুঝতে পারলেও অনুতপ্ত বোধ করে দুঃখ প্রকাশ করার মতো চারিত্রিক দৃঢ়তা সবার থাকে না। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/h7xbiil0ed">রাতে কলা খেলে কি ভালো ঘুম হয়, ওজন বাড়ার আশঙ্কা থাকে?</a></aside><h3>স্যরি বলার তিন বাধা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/ixl5azjw/_MG_8905.jpg"><figcaption>‘ইগো’র কারণে অনেকে নিজেদের ভুল আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করতে বিব্রত বোধ করেন</figcaption></figure><p>সাধারণত স্যরি বলার জন্য তিনটি বাধার সম্মুখীন হতে হয়— </p><p><strong>১.</strong> যাকে আঘাত দেওয়া হয়েছে তার সম্পর্কে একটা অবজ্ঞা-উপেক্ষার ভাব থাকা বা তাকে তত গুরুত্বপূর্ণ মনে না করা। </p><p><strong>২.</strong> ক্ষমা প্রার্থনা করলে নিজের ভাবমূর্তির ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করা। </p><p><strong>৩.</strong> ক্ষমা প্রার্থনা করেও কোনো কাজ হবে না বলে ধারণা করা। </p><p>কিন্তু এই দ্বিধা ঝেড়ে ফেলতে হবে। যদি আমি মনে করি আমার আচরণ কারও মনঃকষ্টের কারণ হয়েছে, যদি আমি সম্পর্কটা মেরামত করতে চাই এবং যদি সত্যিই মনে করি যে একটা ভুল করে ফেলেছি, তাহলে অকপটে ক্ষমাপ্রার্থনা বা স্যরি বলার মতো কার্যকর আর কিছুই হতে পারে না। </p><p>তবে মনে রাখতে হবে, দুঃখ প্রকাশটা যেন কথার কথা না হয়, এর আন্তরিকতা সম্পর্কে যেন উদ্দিষ্ট ব্যক্তির মনে কোনো সন্দেহ না জাগে। তবে কোনো একটি কারণ দেখিয়ে, অন্য কাউকে দোষারোপ করে স্যরি বললে পুরো ব্যাপারটি জোলো হয়ে পড়বে। </p><p>মার্কিন বিজ্ঞানী ও রাজনীতিবিদ বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন বলেছেন, ‘কোনো একটি অজুহাত দেখাতে গিয়ে ক্ষমাপ্রার্থনার ব্যাপারটিকে বরবাদ করে দিয়ো না।’ শুধু ইগো বা ‘অহং’–এর কারণে আমরা নিজেদের ভুল আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করতে বিব্রত বোধ করি। </p><p>‘স্যরি’ বললে আমি ছোট হয়ে যাব, এই দ্বিধা আমাদেরকে মনের কথাটি মুখে উচ্চারণ করতে বাধা দেয়। অথচ পিঠে একবার হাত রেখে আন্তরিকভাবে উচ্চারণ করুন, ‘স্যরি, আমাকে ক্ষমা করো।’ মুহূর্তে প্রিয়জন, সহকর্মী বন্ধু বা আত্মীয় আপনাকে বুকে টেনে নেবেন। তখনই বুঝবেন এই একটি শব্দের কত শক্তি! আর কিছু নয়, শুধু দরকার কথাটি উচ্চারণ করার মতো মনের জোর। </p><p><sup>লেখাটি ২০২০ সালের ২৮ অক্টোবর </sup><em><sup>প্রথম আলো</sup></em><sup>র সাপ্তাহিক ফিচার পাতা ‘অধুনা’য় ছাপা হয়েছিল </sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%AC">আমি কেন সরি বলব?</a></aside>
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/eknjre-test-krikete-srwkaler-sera-10-kingbdnti-kriketar</figure>
<p>স্যার ডন ব্র্যাডম্যান, শচীন টেন্ডুলকার নাকি মুত্তিয়া মুরালিধরন— টেস্ট ক্রিকেটে সেরা কে? সাদা পোশাকে অসামান্য পারফরম্যান্স ও ঐতিহাসিক কীর্তিতে সেরা হয়ে ওঠা ১০ কিংবদন্তিকে নিয়ে দেখুন ভিডিওতে…</p><figure></figure>
ওয়াইল্ড কার্ডে এসে বিগ বসের ঘরে আলোচনায় রাজবীর দে, কে এই সেনসেশন ‘বিগ বস বাংলা’র ঘরে ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রিতে এসে অল্প সময়েই আলোচনায় রাজবীর দে। নন্দিনী দত্তের সঙ্গে তাঁর রসায়ন থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জীবন, অভিনয় ও মডেলিং ক্যারিয়ার—জেনে নেওয়া যাক এই তরুণের গল্প।
<p>বাংলা ভাষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) নিজস্ব মডেল তৈরির পরিকল্পনা করছে সরকার। এ জন্য দেশেই শক্তিশালী কম্পিউটার ও সার্ভারের অবকাঠামো গড়ে তুলতে চায়। লক্ষ্য হলো, দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেশের ভেতরে রেখেই এআই তৈরি ও ব্যবহার করা। উদ্যোগ বাস্তবায়নে বিশ্বের শীর্ষ চার প্রযুক্তি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা চলছে। তাদের কাছ থেকে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশীয় প্রযুক্তি উদ্যোক্তারাও এই অবকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।</p><p> সরকারে পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে জাতীয় ডেটা সেন্টারকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠবে দেশের মূল এআই অবকাঠামো। সারা দেশে থাকবে আটটি আঞ্চলিক কেন্দ্র। জাতীয় ডেটা সেন্টারটি বর্তমানে বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড (বিডিসিসিএল) পরিচালনা করছে। তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, গাজীপুরে প্রাথমিকভাবে ১০ হাজার বর্গফুট জায়গা বরাদ্দ করা হয়েছে।</p><p>কালিয়াকৈরের বাইরে দেশের আট বিভাগে আটটি আঞ্চলিক এআই কম্পিউটিং নোড স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, এর ফলে বিভাগীয় পর্যায়ে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্থানীয়ভাবে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করার সুযোগ পাবে।</p><p>এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘সার্বভৌম এআইয়ের মূল কথা হলো, দেশের নাগরিকদের তথ্য, ডেটা ও নাগরিক সেবার ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। একই সঙ্গে এআই প্রযুক্তির সুফল যেন সমাজের নির্দিষ্ট কোনো শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং সাধারণ কৃষক থেকে শুরু করে রিকশাচালকের সন্তান পর্যন্ত সবাই পায়, সেটি নিশ্চিত করা।’</p><p>রেহান আসিফ আসাদ বলেন, দেশে বাংলা লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (এলএলএম) উন্নয়নের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে যুক্ত করে গবেষণা ও উন্নয়নের একটি কার্যকর পরিবেশ তৈরি করা হবে। জাতীয় অবকাঠামো তৈরি হলে এর কম্পিউটিং সক্ষমতা দেশের বেসরকারি খাত ও স্টার্টআপগুলোর জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।</p><p><strong>বাংলা ভাষায় এআই মডেল</strong></p><p>সরকারের পরিকল্পনায় জেমা, লামা ও কুয়েনের মতো বিদ্যমান এআই মডেলকে বাংলা ভাষার উপযোগী করে তোলার কথা বলা হয়েছে। এ জন্য বাংলা লেখা ও তথ্য দিয়ে মডেলগুলোকে আরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রযুক্তির ভাষায় এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ফাইন টিউনিং। পাশাপাশি বাংলায় কথা থেকে লেখা তৈরি, অনুবাদ ও শিক্ষাসহায়তার কাজে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনাও রয়েছে। মডেলের প্রশিক্ষণ ও ব্যবহার—দুই কাজই দেশের ভেতরের অবকাঠামোয় করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><p>পরিকল্পনা অনুযায়ী, উদ্যোগ শুরুর প্রথম ১২ মাসে এআই কম্পিউটার সংযোজনের প্রস্তুতি, কর্মীদের প্রশিক্ষণ, প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ছোট আকারের এআই ব্যবস্থা স্থাপন এবং কালিয়াকৈরের অবকাঠামোর কারিগরি সমীক্ষা করার কথা রয়েছে। ১২ থেকে ২৪ মাসের ধাপে বিভাগীয় কেন্দ্র চালু এবং প্রথম এআই মডেল প্রশিক্ষণের লক্ষ্য রাখা হয়েছে। এরপর ২৪ থেকে ৩৬ মাস বা তার বেশি সময়ের ধাপে জাতীয় কেন্দ্রের সক্ষমতা বাড়ানো এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠান ও স্টার্টআপগুলোর জন্য ব্যবহারের সুযোগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।</p><p><strong>নিজেদের এআই কেন</strong></p><p>চ্যাটজিপিটি ও জেমিনাইয়ের মতো এআই সেবা এখন গবেষণা ও পেশাগত নানা কাজেও সহায়তা করছে। কোনো বিষয়ে বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য খুঁজে বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি, একাধিক গবেষণাপত্রের বক্তব্য তুলনা এবং দীর্ঘ নথি বিশ্লেষণে এগুলো ব্যবহার করা যায়। সফটওয়্যার তৈরির ক্ষেত্রেও এসব এআই কাজে লাগছে। এসব কাজের অনেকগুলো করতে আলাদা টাকা খরচ করতে হয় না। তাহলে এসব সেবা থাকতে বাংলাদেশকে আলাদা এআই অবকাঠামো তৈরি করতে হবে কেন।</p><p>মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, এআই প্রযুক্তি চালানোর জন্য শুধু সফটওয়্যার থাকলেই হয় না; প্রয়োজন শক্তিশালী কম্পিউটার, প্রসেসর, সার্ভার ও বিপুল পরিমাণ তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা। এআইকে কোনো বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া কিংবা একসঙ্গে অনেক মানুষের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্যও এই কম্পিউটিং সক্ষমতা প্রয়োজন। সরকার সেই অবকাঠামো দেশেই তৈরি করতে চায়।</p><p>তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সার্বভৌম এআইয়ের সক্ষমতা নির্ভর করবে এআই মডেলের মান, প্রয়োজনীয় তথ্য, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার ওপর। আর দেশে সার্ভার থাকলেই তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না। এ জন্য কার্যকর নিরাপত্তাব্যবস্থা ও তথ্য ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নিয়ম থাকতে হবে।</p><p><strong>টেশিসকে কাজে লাগাতে চায় সরকার</strong></p><p>সার্বভৌম এআই উদ্যোগের আরেকটি লক্ষ্য হলো, বিদেশ থেকে সব ধরনের প্রস্তুত যন্ত্রপাতি আমদানি না করে দেশেই কিছু যন্ত্রপাতি সংযোজন করা। এ জন্য গাজীপুরের টঙ্গীতে রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিফোন শিল্প সংস্থার (টেশিস) বিদ্যমান কারখানা ব্যবহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।</p><p>পরিকল্পনা অনুযায়ী, শুরুতে ছোট আকারের এআই কম্পিউটার সংযোজন করা হবে। পরে উচ্চক্ষমতার ওয়ার্কস্টেশন, সার্ভার ও সম্পূর্ণ সার্ভার র্যাক সংযোজনের সক্ষমতা তৈরি করা হবে। তবে সব যন্ত্রাংশ বাংলাদেশে তৈরি হবে না। বিশেষ করে উচ্চক্ষমতার প্রসেসর, মেমরিসহ গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রযুক্তি বিদেশ থেকে আনতে হবে।</p><p>প্রাথমিকভাবে সম্পূর্ণ তৈরি যন্ত্রপাতি আমদানি করে কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় কারখানা প্রস্তুত করা হবে। পরের ধাপে বিদেশ থেকে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এনে দেশে সংযোজন ও পরীক্ষা করা হবে। আরও পরের ধাপে সার্ভারের বিভিন্ন অংশ সংযোজন, যন্ত্রপাতির মান যাচাই ও মেরামতের সক্ষমতা গড়ে তোলা হবে।</p><p><strong>প্রশ্নও আছে</strong></p><p>বিদেশি প্রযুক্তিসেবার দেশীয় বিকল্প তৈরির ঘোষণা আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও দেওয়া হয়েছিল। ২০২১ সালের জুলাইয়ে তৎকালীন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক ফেসবুকের বিকল্প ‘যোগাযোগ’ তৈরির কথা জানান। জুমের বিকল্প ‘বৈঠক’ এবং হোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প ‘আলাপন’–এর কথাও বলেছিলেন। আবার ২০২৪ সালের জুলাইয়ে এআইভিত্তিক ‘জি–ব্রেইন’ প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করে সেটি জাতীয় ডেটা সেন্টারে নেওয়া এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে সম্প্রসারণের কথা বলা হয়।</p><p>তবে ঘোষণার পর কতটা বাস্তবায়ন হয়েছে আর উদ্বোধনের সেসব সেবা কতটা কাজে লেগেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন উদ্যোগের ব্যয়, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও কার্যকারিতা যাচাইয়ের ব্যবস্থা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।</p><p>জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক বি এম মইনুল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, বিদেশি প্রযুক্তিসেবার বিকল্প তৈরি করাই যথেষ্ট নয়, সেগুলো যেন ব্যবহারকারীদের প্রয়োজন মেটাতে পারে, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। তা ছাড়া বিশ্বব্যাপী বহুল ব্যবহৃত প্রযুক্তিসেবা ছেড়ে কোন বাড়তি সুবিধার কারণে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করবে, সেটিও পরিষ্কার থাকতে হবে। এ ধরনের উদ্যোগে শুধু নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি বা উদ্বোধনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; সেবার মান, নিরাপত্তা, ব্যবহারকারীর আগ্রহ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিচালনার সক্ষমতা বিবেচনায় নিতে হবে। অন্যথা বিপুল অর্থ ব্যয়ে তৈরি এসব উদ্যোগ একসময় ব্যবহারকারীর অভাবে অকার্যকর হয়ে পড়তে পারে।</p>
২০২১ সালে অবসরে যাওয়ার পর নিজের পেনশনের টাকা দিয়ে বাড়ির আঙিনায় শিশুপার্কের আদলে গড়ে তুলেছেন ‘প্রকৃতির পাঠশালা’।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।