জাতীয়

প্রথমবারের মতো আজ পালিত হচ্ছে গুহা সংরক্ষণ দিবস

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
প্রথমবারের মতো আজ পালিত হচ্ছে গুহা সংরক্ষণ দিবস
প্রথমবারের মতো আজ পালিত হচ্ছে গুহা সংরক্ষণ দিবস

পৃথিবীর ভূখণ্ডের প্রায় এক–চতুর্থাংশজুড়ে রয়েছে গুহা ও কার্স্ট ল্যান্ডস্কেপ। কোটি কোটি মানুষের পানের পানির প্রধান উৎস এই গোপন ভূগর্ভস্থ পরিবেশ। প্রাচীন শিলার দ্রবীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় গড়ে ওঠা এই রহস্যময় ভুবন বৈচিত্র্যময় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করে আসছে। প্রকৃতির এই সুপ্ত ভান্ডার মানবেতিহাসের দীর্ঘ দলিল বহন করছে।

ইউনেসকো ১৩ সেপ্টেম্বর তারিখটি আন্তর্জাতিক গুহা ও কার্স্ট দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। বিশ্বজুড়ে এই ভঙ্গুর বাস্তুতন্ত্র সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে দিনটি পালন করা হবে। এবারই প্রথম দিবসটি পালন করা হচ্ছে। বৈশ্বিক ভূপার্ক এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কার্স্ট অঞ্চলের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

পৃথিবীর মোট ভূভাগের ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ এলাকায় গুহার উপস্থিতি দেখা যায়। বৃষ্টির পানি ও খনিজ পাথরের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় এই ল্যান্ডস্কেপগুলো তৈরি হয়। ভূগর্ভস্থ পানির রিজার্ভ বা অ্যাকুইফার বিশ্বের প্রায় ১৬ শতাংশ মানুষের পানির চাহিদা মেটায়। এ কারণে প্রাচীনকাল থেকেই মানবসভ্যতা গুহা ও কার্স্ট অঞ্চলের কাছাকাছি গড়ে উঠেছে।

বিজ্ঞান গবেষণার ক্ষেত্রে এই ভূগর্ভস্থ অঞ্চলগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। কানাডার রকি পর্বতমালা থেকে শুরু করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে লুকিয়ে আছে হাজারও অজানা গুহা। কানাডার ডেরেক ফোর্ড এ গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি তাঁর গবেষণা দল নিয়ে সুদূর অতীতে বরফ যুগের ইতিহাস খুঁজে বের করেছেন। গুহার ভেতর জমে থাকা খনিজ বা স্পিলিওথিম জলবায়ুর প্রাচীন ইতিহাস সংরক্ষণ করে।

গবেষক জন পোল্যাক বলেন, পৃথিবীর রূপ দেখতে হলে ভূগোল ও ভূরূপবিদ্যা জানা প্রয়োজন। কার্স্ট ল্যান্ডস্কেপ অধ্যয়নের জন্য চমৎকার একটি ক্ষেত্র। ক্যাসলগার্ড কেভ কানাডার অন্যতম দীর্ঘ ও জটিল একটি গুহা। বরফক্ষেত্রের নিচে অবস্থিত এই গুহায় প্রাচীন হিমবাহের বরফ সরাসরি প্রবেশ করেছে। চরম প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকা দুর্লভ প্রজাতির জলজ ক্রাস্টেসিয়ান এই গুহায় পাওয়া যায়।

কানাডার পার্কস গার্ডের কর্মকর্তা গ্রেগ হর্ন জানান, গুহার ল্যান্ডস্কেপ লাখ লাখ বছর পুরোনো হতে পারে। পৃষ্ঠদেশের ভূপ্রকৃতি তুলনামূলক অনেক নতুন। হিমবাহ গলে যাওয়ার পর এই ল্যান্ডস্কেপগুলো গঠিত হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের রহস্য উদ্‌ঘাটনে গুহার ভেতরের খনিজ আমানত দারুণভাবে সাহায্য করছে। গাছের যেমন বয়স নির্ধারণের বলয় থাকে তেমনি গুহার স্ট্রাকচার দেখে অতীতের বৃষ্টিপাতের রেকর্ড জানা যায়।

পৃথিবীর চুম্বকক্ষেত্রের পরিবর্তনের ইতিহাসও গুহার পাথরে সংরক্ষিত থাকে। লোহার অক্সাইড খনিজের উপস্থিতি চুম্বকীয় মেরুর দিক পরিবর্তন স্পষ্টভাবে প্রকাশ করে। তবে সাধারণ মানুষের কাছে গুহার গুরুত্ব তুলে ধরা বেশ কঠিন। গুহার ভেতরকার চরম অন্ধকার এবং বিপজ্জনক পরিবেশ সাধারণ মানুষের যাতায়াত সীমিত করে। গুহার পরিবেশ অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় গবেষক ও অভিযাত্রীরা গোপনীয়তা বজায় রাখেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় নতুন নতুন গুহা আবিষ্কারের গতি বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার বিসারো অ্যানিমা গুহা দেশটির সবচেয়ে গভীর গুহা হিসেবে রেকর্ড গড়েছে। ওয়েলস গ্রে প্রভিন্সিয়াল পার্কে আবিষ্কৃত বিশাল গুহার মুখ নেট–দুনিয়ায় আলোড়ন তোলে। দুর্গম অঞ্চলের এসব গুহায় চরম পরিবেশে বেঁচে থাকা ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেছে। এই অণুজীবগুলোর রোগপ্রতিরোধীক্ষমতা বৈশ্বিক অ্যান্টিবায়োটিক সংকটে কাজে লাগতে পারে।

এর আগে র‍্যাটস নেস্ট কেভ নামক গুহায় প্রাচীন মানবসভ্যতার নানা নিদর্শন পাওয়া গেছে। প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজে সেখানে ৭ হাজার বছরের স্তন্যপায়ী প্রাণীর অবশিষ্টাংশ এবং প্রাচীন পাথরের হাতিয়ার আবিষ্কৃত হয়েছে। প্রকৃতির এই গোপন জগৎ মানবজাতিকে নতুন পথের সন্ধান দিচ্ছে। ভূগর্ভস্থ পানির প্রবাহ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঠিক তথ্য পেতে গুহা রক্ষা করা জরুরি। তরুণ প্রজন্মকে কার্স্ট বিজ্ঞান ও ভূগর্ভস্থ পানির গুরুত্ব সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। পৃথিবী নামক গ্রহের নিচে লুকিয়ে থাকা এই অমূল্য সম্পদ টিকিয়ে রাখতে বৈশ্বিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে।

সূত্র: ইউনেসকো ও কানাডিয়ান জিওগ্রাফিক

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
পিৎজা খেয়েও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন যেভাবে
পিৎজা খেয়েও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন যেভাবে

পিৎজার নাম শুনলেই অনেকের জিভে পানি চলে আসে। আট থেকে আশি-এই ইতালিয়ান খাবারের জনপ্রিয়তা এখন আর শুধু বিদেশের গণ্ডিতে আটকে নেই। চিকেন পিৎজা, বারবিকিউ পিৎজা কিংবা চিজি পিৎজা-স্বাদে নতুনত্ব আনতে নানা ধরনের পিৎজা এখন পাওয়া যায়। কিন্তু ওজন কমানোর চেষ্টা করলে পিৎজার নাম শুনেই অনেকেই দূরে সরে যান। কারণ পিৎজায় সাধারণত পরিমাণমতো ময়দার বেস, চিজ ও বিভিন্ন টপিং থাকে। সঙ্গে যদি সফট ড্রিংক কিংবা অতিরিক্ত চিজ যোগ হয়, ক্যালোরির পরিমাণ বেশ বেড়ে যায়। তবে তার মানে এই নয় যে ডায়েট করলে পছন্দের খাবার একেবারেই খাওয়া যাবে না। বরং পরিমাণ ও খাবারের সঙ্গে কী খাচ্ছেন-সেদিকে একটু নজর রাখলেই মাঝে মাঝে পিৎজা কেতে পারেন। পিৎজার সঙ্গে সফট ড্রিংক নয় পিৎজা খাওয়ার সময় সঙ্গে ঠান্ডা পানীয় রাখার অভ্যাস অনেকেরই। কিন্তু ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে এই অভ্যাসটি পরিবর্তন করতে হবে। কারণ চিনিযুক্ত সফট ড্রিংক থেকে খুব সহজেই অতিরিক্ত ক্যালরি যোগ হতে পারে।  তাই পিৎজার সঙ্গে সফট ড্রিংকের বদলে পানি, সোডা ওয়াটার বা চিনি ছাড়া কোনো পানীয় বেছে নিতে পারেন। এতে পিৎজার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণের সম্ভাবনা কমবে। সঙ্গে রাখুন প্রোটিন ও ফাইবার শুধু পিৎজা খেলে অনেকেরই একের পর এক স্লাইস খেতে ইচ্ছা করতে পারে। এই অভ্যাস এড়াতে পিৎজার সঙ্গে ফাইবার ও প্রোটিনসমৃদ্ধ সালাদ রাখতে পারেন। শসা, টমেটো, লেটুস, গাজরের মতো সবজি দিয়ে সালাদ বানাতে পারেন। চাইলে সঙ্গে গ্রিলড চিকেন, ডিম কিংবা অন্য কোনো পছন্দের প্রোটিন যোগ করা যায়। ফাইবার ও প্রোটিনযুক্ত খাবার তুলনামূলক বেশি সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করতে পারে। ফলে পিৎজা খাওয়ার সময় অতিরিক্ত খেয়ে ফেলার প্রবণতাও কিছুটা কমতে পারে। তবে সালাদের সঙ্গে অতিরিক্ত মেয়োনিজ, ক্রিমি ড্রেসিং বা চিজ যোগ করলে উল্টো ক্যালরি বেড়ে যেতে পারে। তাই ড্রেসিংয়ের পরিমাণেও নজর রাখা জরুরি। অতিরিক্ত চিজ এড়িয়ে চলুন পিৎজাতে অনেকেই বেশি চিজ খেতে পছন্দ করেন। অর্ডার করার সময় বাড়তি চিজ যোগ করাও কারো কারো অভ্যাস। কিন্তু ওজন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে অতিরিক্ত চিজ এড়িয়ে চলাই ভালো। পিৎজায় আগে থেকেই চিজ থাকে। তাই বাড়তি চিজ না চেয়ে স্বাভাবিক পরিমাণেই খেতে পারেন। চাইলে বেশি সবজি ও তুলনামূলক হালকা টপিং বেছে নিতে পারেন। চিকেন বা অন্য প্রোটিন টপিং নিলে সেটি কীভাবে রান্না করা হয়েছে, সেটিও খেয়াল করুন। অতিরিক্ত তেল বা ভাজা টপিংয়ের বদলে গ্রিলড বা রোস্টেড অপশন তুলনামূলক ভালো হতে পারে। স্লাইসের সংখ্যাতেও নজর দিন ডায়েটের মধ্যে পিৎজা খেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো পরিমাণ। ‘আজ পিৎজা খাব’ ভেবে একসঙ্গে অনেকটা খেয়ে ফেলার বদলে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমাণ ঠিক করুন। ধীরে ধীরে খেলে কখন পেট ভরে যাচ্ছে, সেটিও বুঝতে সুবিধা হয়। আরও পড়ুন নারিকেল তেল কি সত্যিই সুপারফুড? চুল-ত্বকের যত্নেও কতটা কাজে দেয় আর একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি-কোনো একটি খাবার একা ওজন বাড়ায় বা কমায় না। দিনের মোট খাবার, মোট ক্যালোরি, শারীরিক পরিশ্রম, ঘুম ও সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস মিলিয়েই ওজনের ওপর প্রভাব পড়ে। আরও পড়ুন কত কেজির ইলিশ কিনলে স্বাদে ভালো হয় জানেন? তাই ডায়েট মানেই পিৎজা চিরতরে বাদ নয়। মাঝে মাঝে পিৎজা খেতে পারেন, তবে পরিমাণ বুঝে এবং সঙ্গে কী খাচ্ছেন, সেটি মাথায় রেখে। পছন্দের খাবারকে পুরোপুরি নিষেধ না করে সচেতনভাবে খাওয়ার অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে খাদ্যাভ্যাস ধরে রাখতে বেশি বাস্তবসম্মত। সূত্র: মায়ো ক্লিনিক, এনডিটিভি এসএকেওয়াই

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
ভাবিকে শ্লীলতাহানির পর হাতের আঙুল ভেঙে দিলেন দেবর

ভাবিকে শ্লীলতাহানির পর হাতের আঙুল ভেঙে দিলেন দেবর

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামানত কমানোর দাবি ভূমিহীন আন্দোলনের

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামানত কমানোর দাবি ভূমিহীন আন্দোলনের

পিআইওর দপ্তরে প্রকেল্পর অর্থ হরিলুট, বাদ যায়নি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানও

পিআইওর দপ্তরে প্রকেল্পর অর্থ হরিলুট, বাদ যায়নি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানও

ঢাকা দক্ষিণ সিটি: নতুন চার ওয়ার্ডে ১৩০ কোটি টাকার প্রকল্প বিবেচনায়
ঢাকা দক্ষিণ সিটি: নতুন চার ওয়ার্ডে ১৩০ কোটি টাকার প্রকল্প বিবেচনায়

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) নতুন করে যুক্ত হওয়া চারটি ওয়ার্ডের অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানে ১৩০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে কাজ শুরু হবে।আজ রোববার রাজধানীর কদমতলী থানার ৬০ নম্বর ওয়ার্ডের জাপানি বাজার জিয়া সরণি খালের পাড় এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ও মতবিনিময় সভায় ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম এসব কথা বলেন। পরে ডিএসসিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।মো. আবদুস সালাম বলেন, ডিএসসিসির সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হওয়া ১৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৫৮, ৫৯, ৬০ ও ৬১ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানে প্রকল্পটি নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। অনুমোদন পেলে কাজ শুরু হবে।ড্রেন দখল ঠেকানোর পরিকল্পনার কথাও জানান প্রশাসক। তিনি বলেন, ড্রেনের দুই পাশে জায়গা রেখে পাড় তৈরি করে মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। এতে ড্রেন দখলের সুযোগ থাকবে না।এলাকার সমস্যা সমাধানে সরকার ও প্রশাসনের পাশাপাশি নাগরিকদেরও দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান মো. আবদুস সালাম। তিনি বলেন, ড্রেন ও খাল পরিষ্কার করার পর সেখানে আবার ময়লা ফেলা হলে কোনো সুফল পাওয়া যাবে না। খাল ও ড্রেন দখলমুক্ত ও দূষণমুক্ত রাখতে নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। অবৈধ দখল ছেড়ে দেওয়া এবং খাল-ড্রেনের জায়গায় নতুন করে দোকানপাট না বসানোর আহ্বান জানান তিনি।মাদক প্রতিরোধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং পুলিশ ও প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান ডিএসসিসির প্রশাসক। ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোথাও পানি জমতে না দেওয়া এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার কথাও বলেন তিনি।বৃক্ষরোপণ প্রসঙ্গে মো. আবদুস সালাম বলেন, সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেগুলোর পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানা। প্রধান বক্তা ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন। এ সময় ডিএসসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
ইসলামী ব্যাংকের সামনে দুই পক্ষ মুখোমুখি

ইসলামী ব্যাংকের সামনে দুই পক্ষ মুখোমুখি

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু

ব্রিটিশ পুরুষদের যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন নারী আশ্রয়প্রার্থীরা 

ব্রিটিশ পুরুষদের যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন নারী আশ্রয়প্রার্থীরা 

গণঅভ্যুত্থানে পালানো সরকার ফিরে আসার নজির পৃথিবীতে নেই
গণঅভ্যুত্থানে পালানো সরকার ফিরে আসার নজির পৃথিবীতে নেই

বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানে পালিয়ে যাওয়া সরকার আবার ফিরে আসার কোনো নজির পৃথিবীতে নেই। কোনো সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী-এমপি ও নেতারা একসঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাও নজিরবিহীন। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরপুর জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের উদ্দেশে বিমানমন্ত্রী বলেন, যারা ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার ফেরা নিয়ে চিন্তা করছেন, এগুলো দুরাশা। বরং তাদের নিজেদের শুদ্ধিকরণের প্রক্রিয়া করা দরকার। দেশে বিমানবন্দর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ময়মনসিংহ ছাড়া সাত বিভাগে বিমানবন্দর রয়েছে। দেশে বর্তমানে আটটি বিমানবন্দর চলমান থাকলেও কয়েকটি ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। সামনে অনেক এয়ারক্রাফট আসছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে নতুন একটি বিমানবন্দর নির্মাণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ময়মনসিংহ বিভাগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিমানমন্ত্রী আরও বলেন, চীন থেকে দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন আনার বিষয়ে কথাবার্তা চলছে। এসব ট্রেন ঘণ্টায় সাড়ে ৩৫০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে গতি কিছুটা কম হলেও চলবে। তিনি বলেন, শেরপুরের পর্যটনের উন্নয়নে ঝিনাইগাতীতে একটি মোটেল নির্মাণ এবং আকস্মিক পাহাড়ি ঢল থেকে রক্ষায় মহারশি ও সোমেশ্বরী নদীতে বাঁধ নির্মাণসহ জেলার উন্নয়নে নানা প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদ প্রশাসক এবিএম মামুনুর রশিদ পলাশ প্রমুখ। এ সময় জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে, মন্ত্রী সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে পৌঁছালে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। মো. নাঈম ইসলাম/কেএইচকে

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
একসঙ্গে বেড়ে ওঠা, শাপলা তুলতে গিয়ে একসঙ্গে মৃত্যু দুই চাচাতো বোনের

একসঙ্গে বেড়ে ওঠা, শাপলা তুলতে গিয়ে একসঙ্গে মৃত্যু দুই চাচাতো বোনের

সূর্যের আলোতে চলবে ‘সানকার’

সূর্যের আলোতে চলবে ‘সানকার’

কার্বোনেটেড ড্রিংক

কার্বোনেটেড ড্রিংক

0 Comments