জাতীয়

২৫ টাকার বিদ্যুতে ৮০ কিলোমিটার যাবে বাইক, সূর্যের আলোতেই চলবে ‘সানকার’

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
২৫ টাকার বিদ্যুতে ৮০ কিলোমিটার যাবে বাইক, সূর্যের আলোতেই চলবে ‘সানকার’
২৫ টাকার বিদ্যুতে ৮০ কিলোমিটার যাবে বাইক, সূর্যের আলোতেই চলবে ‘সানকার’

অটোরিকশার মতো দেখতে ছোট্ট একটি যান। নাম ‘সানকার’। এর পুরো ছাদজুড়ে সৌরবিদ্যুতের প্যানেল। একই রকম প্যানেল আছে পেছন দিকেও। দিনের বেলা চলবে সূর্যের আলোতেই। আর বাড়তি বিদ্যুৎ জমা হবে ব্যাটারিতে। সন্ধ্যার পরও এটি চলবে সেই ব্যাটারির শক্তিতে।

আজ রোববার সকালে রাজধানীর নভোথিয়েটার প্রাঙ্গণে শুরু হওয়া ইনোভেশন ফেয়ারে ঘুরতে গিয়ে এমন নানা উদ্ভাবনের দেখা মিলল। কোনোটি পরিবেশবান্ধব পরিবহনের কথা বলছে, কোনোটি আবার আকাশে উড়তে থাকা ড্রোন ঠেকানোর প্রযুক্তি নিয়ে হাজির হয়েছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এসব উদ্ভাবন দেখতে মেলায় ভিড়ও ছিল বেশ।

চার চাকার এই বাহনের ছাদে ৪০০ ওয়াট এবং পেছনে ২০০ ওয়াটের সৌরপ্যানেল রয়েছে। ১৩ সেপ্টেম্বর

সৌরবিদ্যুৎ–চালিত ‘সানকার’টি তৈরি করেছে বরিশালে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ (ইউজিভি)। মেলার মূল স্টলের সামনেই সেটি প্রদর্শিত হচ্ছে। দেখা গেল, এটি মূলত তিন আসনের একটি পরিবেশবান্ধব বাহন। চার চাকার এই বাহনের ছাদে ৪০০ ওয়াট এবং পেছনে ২০০ ওয়াটের সৌরপ্যানেল রয়েছে।

বাহনটি সম্পর্কে ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজের অটোমোবাইল বিভাগের প্রধান মো. সাগর প্রথম আলোকে বলেন, এটি চলার সময় বা থেমে থাকা অবস্থায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ তৈরি হলে তা ব্যাটারিতে জমা হবে। সূর্যের আলো না থাকলে সেই ব্যাটারি থেকে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত বাহনটি চলতে পারবে। এর ফলে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমবে।

মেলায় যে বাহনটি আনা হয়েছে সেটি তিন আসনের। তবে ভবিষ্যতে মডেল পরিবর্তন করে ছোট পরিবারের উপযোগী গাড়ি তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে উদ্ভাবকদের।

বর্তমানে গাড়ির প্রোটোটাইপটি তৈরি করতে খরচ পড়েছে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকার মতো। তবে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতে পারলে দাম আরও কমিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে উদ্ভাবকদের।

গতকাল শনিবার বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬–এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিন দিনব্যাপী এই মেলার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ‘ইনোভেট টু মার্কেট’। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই মেলায় সরকারি-বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান, ৭৩টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, স্বতন্ত্র গবেষক, শিক্ষার্থী, নতুন স্টার্টআপ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান(এসএমই) এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা অংশ নিয়েছে।

মেলা ঘুরে দেখা গেছে প্রযুক্তি, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও পরিবেশসহ বিভিন্ন খাতের এক হাজারের বেশি নতুন ও সম্ভাবনাময় উদ্ভাবন সেখানে প্রদর্শিত হচ্ছে। উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি মেলায় ঘুরতে এসেছেন নানা শ্রেণি পেশার মানুষও। রাজধানীর মিরপুর থেকে এসেছেন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আনজুমান মেহজাবিন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি স্টল আছে, সেটি দেখতে এসেছি। পাশাপাশি রোবট, গেমসসহ নতুন নতুন অনেক কিছুই দেখলাম।’

বেসরকারি চাকরিজীবী সানাউল্লাহ এসেছেন তাঁর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে। তিনি বলেন, বাচ্চাদের বিজ্ঞান বিষয়ে আগ্রহী করতে এ ধরনের উদ্যোগ আরও নেওয়া উচিত।

পুরোনো মোটরে নতুন বাইক

গবেষকদের দাবি, মোটরটি মাত্র ৩০ মিনিট ফাস্ট চার্জে প্রায় ৮০ কিলোমিটার চলতে পারবে বাইকটি।

ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (আইইউবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের গবেষকেরা তৈরি করেছেন ইলেকট্রিক বাইকের মোটর।

চট্টগ্রামের জাহাজভাঙা শিল্প ও ঢাকার ধোলাইখাল থেকে কম দামে সংগ্রহ করা পুরোনো ৪৪০ ভোল্টের ইন্ডাকশন মোটরকে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করে সেটিকে ৬০ ভোল্টে রূপান্তর করা হয়েছে। এর সঙ্গে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকার স্থানীয় কপার কয়েল ব্যবহার করে এই মোটর বানানো হয়েছে। খরচ পড়েছে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে।

গবেষকদের দাবি, মোটরটি মাত্র ৩০ মিনিট ফাস্ট চার্জে প্রায় ৮০ কিলোমিটার চলতে পারবে বাইকটি। এই ৮০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে বিদ্যুতের খরচ পড়বে আনুমানিক ২৫ টাকা।

ইইই বিভাগের গবেষক ইমতিয়াজ আবেদিন প্রথম আলোকে বলেন, বাইকের কন্ট্রোলারও তাদের নিজেদের তৈরি। সব মিলিয়ে এই প্রযুক্তি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে গেলে বাইকটির দাম ৮০ থেকে ৮৫ হাজার টাকার মধ্যে রাখা সম্ভব।

ড্রোন ঠেকাবে উল্কা

ইন্টারসেপ্টর ব্যাগ্রো লিমিটেড নামে একটি কোম্পানি মেলায় নিয়ে এসেছে আকাশে ড্রোন ঠেকানোর প্রযুক্তি। একজন দর্শনার্থীকে হাতে তুলে দেওয়া হলো দেখতে অনেকটা বন্দুকের মতো একটি যন্ত্র। সেটির সঙ্গে যুক্ত আছে একটি ড্রোন। সামনে থাকা স্ক্রিনে ড্রোনের ক্যামেরায় দেখা দৃশ্যও দেখা যাচ্ছে।

উদ্ভাবক জানালেন, এটি একটি ‘অ্যান্টি-ড্রোন ইন্টারসেপ্টর’, অর্থাৎ ড্রোন শনাক্ত করে সেটিকে প্রতিহত করার জন্য তৈরি একটি ব্যবস্থা। এটির নাম দিয়েছে ‘উল্কা’।

ড্রোন শনাক্ত করে সেটিকে প্রতিহত করবে ‘উল্কা’

প্রদর্শিত ব্যবস্থাটিতে ড্রোনের ক্যামেরার দৃশ্য সরাসরি ডিসপ্লেতে দেখা যায়। নির্দিষ্ট লক্ষ্যকে স্ক্রিনের ক্রস চিহ্নের মধ্যে রেখে নির্দেশ দিলে সেটিকে লক্ষ্য করে ইন্টারসেপ্টর ড্রোন পাঠানোর ব্যবস্থা রয়েছে। এর সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে লক্ষ্য শনাক্ত ও অনুসরণ করার ব্যবস্থাও যুক্ত করার কথা জানালেন উদ্যোক্তা।

উদ্যোক্তা এস এম ইশতিয়াকের ভাষ্য, বর্তমান সেটআপে এর কার্যকর দূরত্ব প্রায় ১ হাজার ৫০০ ফুট। তবে এটি চূড়ান্ত সীমা নয়। আরও অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন করা গেলে এর রেঞ্জ ও আকাশে থাকার সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব বলে দাবি উদ্যোক্তার।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
গণঅভ্যুত্থানে পালানো সরকার ফিরে আসার নজির পৃথিবীতে নেই
গণঅভ্যুত্থানে পালানো সরকার ফিরে আসার নজির পৃথিবীতে নেই

বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানে পালিয়ে যাওয়া সরকার আবার ফিরে আসার কোনো নজির পৃথিবীতে নেই। কোনো সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী-এমপি ও নেতারা একসঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাও নজিরবিহীন। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরপুর জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের উদ্দেশে বিমানমন্ত্রী বলেন, যারা ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার ফেরা নিয়ে চিন্তা করছেন, এগুলো দুরাশা। বরং তাদের নিজেদের শুদ্ধিকরণের প্রক্রিয়া করা দরকার। দেশে বিমানবন্দর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ময়মনসিংহ ছাড়া সাত বিভাগে বিমানবন্দর রয়েছে। দেশে বর্তমানে আটটি বিমানবন্দর চলমান থাকলেও কয়েকটি ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। সামনে অনেক এয়ারক্রাফট আসছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে নতুন একটি বিমানবন্দর নির্মাণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ময়মনসিংহ বিভাগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিমানমন্ত্রী আরও বলেন, চীন থেকে দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন আনার বিষয়ে কথাবার্তা চলছে। এসব ট্রেন ঘণ্টায় সাড়ে ৩৫০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে গতি কিছুটা কম হলেও চলবে। তিনি বলেন, শেরপুরের পর্যটনের উন্নয়নে ঝিনাইগাতীতে একটি মোটেল নির্মাণ এবং আকস্মিক পাহাড়ি ঢল থেকে রক্ষায় মহারশি ও সোমেশ্বরী নদীতে বাঁধ নির্মাণসহ জেলার উন্নয়নে নানা প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদ প্রশাসক এবিএম মামুনুর রশিদ পলাশ প্রমুখ। এ সময় জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে, মন্ত্রী সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে পৌঁছালে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। মো. নাঈম ইসলাম/কেএইচকে

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
একসঙ্গে বেড়ে ওঠা, শাপলা তুলতে গিয়ে একসঙ্গে মৃত্যু দুই চাচাতো বোনের

একসঙ্গে বেড়ে ওঠা, শাপলা তুলতে গিয়ে একসঙ্গে মৃত্যু দুই চাচাতো বোনের

সূর্যের আলোতে চলবে ‘সানকার’

সূর্যের আলোতে চলবে ‘সানকার’

কার্বোনেটেড ড্রিংক

কার্বোনেটেড ড্রিংক

এসএমই ফাউন্ডেশনে চাকরি, বেতন মাসে ৩ লাখ ৪৪ হাজার
এসএমই ফাউন্ডেশনে চাকরি, বেতন মাসে ৩ লাখ ৪৪ হাজার

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন সংস্থা এসএমই ফাউন্ডেশনে ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এই পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদনের শেষ তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬।চাকরির বিবরণ পদের নাম: ব্যবস্থাপনা পরিচালকপদসংখ্যা: ১শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাশিক্ষাজীবনের সকল স্তরে কমপক্ষে দুটি প্রথম বিভাগ/শ্রেণিসহ সব পরীক্ষায় অন্যূন দ্বিতীয় বিভাগ/শ্রেণিসহ মাস্টার্স বা সমমানের ডিগ্রি। প্রাইভেট সেক্টর এবং বেসরকারি খাতে কাজের অভিজ্ঞতাসহ প্রথম শ্রেণির নির্বাহী হিসেবে কমপক্ষে ২০ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা।আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে নিয়োগ, বেতন শুরু ৩১,৫০০ টাকায় বয়সসীম ৫০-৬০ বছর (২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ অনুযায়ী)।বেতন ও অন্যান্য সুবিধা ৩,৪৪,৯০০ টাকা। এ ছাড়া ফাউন্ডেশনের নিয়ম অনুযায়ী সার্বক্ষণিক গাড়িসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্য হবেন।নিয়োগের ধরন প্রাথমিকভাবে চুক্তির মেয়াদ হবে ৩ বছর। ৬ মাস সম্পূর্ণ হওয়ার পর কার্যক্রম মূল্যায়নের ভিত্তিতে অবশিষ্ট সময়ের জন্য নিয়োগ চূড়ান্ত অনুমোদন করা হবে। পরবর্তী সময়ে পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে।উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম, ভর্তির বিস্তারিত জেনে নিনআবেদনের নিয়ম চেয়ারপারসন, এসএমই ফাউন্ডেশন, পর্যটন ভবন (লেভেল ৬ ও ৭), ই-৫ সি/১, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭ বরাবর আবেদনপত্র ডাকযোগে/সরসরি প্রেরণ করতে হবে।আবেদন ফি ১০০০ টাকা।আবেদনের শেষ তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৪টা।বিস্তারিত তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চায় ঢাবি ছাত্রদল

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চায় ঢাবি ছাত্রদল

মুগদা মেডিকেল: বেড থেকে মেঝে, সবখানেই ডেঙ্গু রোগী

মুগদা মেডিকেল: বেড থেকে মেঝে, সবখানেই ডেঙ্গু রোগী

আ. লীগের নেতাকর্মীদের আনাগোনা, পুলিশকে জানানোর পরও ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ ইশরাকের

আ. লীগের নেতাকর্মীদের আনাগোনা, পুলিশকে জানানোর পরও ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ ইশরাকের

আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ
আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং ঢাকা ওয়াসা, এলজিইডি ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনে কর্মকর্তা নিয়োগে মোট ১৮৭ কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগও করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। পাশাপাশি ৩৬ জন জেলা প্রশাসক বা ডিসি পদায়নে ২ কোটি থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও টেন্ডারে কমিশন নেওয়া এবং নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে। আরও পড়ুন তদন্ত করবে দুদক / পদায়নে ‘ঘুস’ বাণিজ্য-১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ আসিফের বিরুদ্ধে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে এমন খবর সামনে আসার পর নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে এক পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এনসিপির এ মুখপাত্র ওই পোস্টে লিখেছেন, ‘অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে।’ এমকেআর

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

বিমানের টিকিট কেটেও সাইমের সিপিএলে ফেরা পেছায় রাজাউল্লাহর ঝড়ে

বিমানের টিকিট কেটেও সাইমের সিপিএলে ফেরা পেছায় রাজাউল্লাহর ঝড়ে

কারাগারে হবে মাদক নিরাময় কেন্দ্র

কারাগারে হবে মাদক নিরাময় কেন্দ্র

0 Comments